টপ অর্ডারের ব্যাটিং আর রশিদের স্পিনে আশা গুজরাটের

২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন গুজরাটবিসিসিআই
আরও একটা আইপিএল শুরু হচ্ছে ২২ মার্চ থেকে, আরও একবার বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের উন্মাদনায় মাতবে ক্রিকেট বিশ্ব। ১০ দলের এই আসরে এবার শিরোপা জিতবে কারা? টুর্নামেন্ট শুরুর আগে দলগুলোর শক্তি-দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা...

অধিনায়ক: শুবমান গিল
কোচ: আশিস নেহরা
শিরোপা: ১টি (২০২২)

গুজরাট টাইটানস স্কোয়াড

স্কোয়াড: ২৫ জন
ভারতীয়: ১৮ জন
বিদেশি: ৭ জন
রিটেইনড (ধরে রাখা খেলোয়াড়): রশিদ খান, শুবমান গিল, সাই সুদর্শন, শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াতিয়া
নিলামে কেনা: জস বাটলার, মোহাম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাদা, প্রসিধ কৃষ্ণা, ওয়াশিংটন সুন্দর, শেরফান রাদারফোর্ড, জেরাল্ড কোয়েটজি, গ্লেন ফিলিপস, সাই কিশোর, মহিপাল লোমরর, গুরনুর ব্রার, আরশাদ খান, করিম জানাত, জয়ন্ত যাদব, ইশান্ত শর্মা, কুমার কুশাগ্র, নিশান্ত সিন্ধু, মানব সুতার, অনুজ রাওয়াত, কুলবন্ত খেজরোলিয়া

শক্তি

● গুজরাটের টপ অর্ডার শক্তিশালী। শুবমান গিলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা জস বাটলারকে। গত ৭ মৌসুম ধরে রাজস্থান রয়্যালসে খেলা এই ক্রিকেটারকে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছে গুজরাট। তিনে খেলতে পারেন গত মৌসুমে ৫২৭ রান করা সাই সুদর্শন।

শুবমান গিলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে জস বাটলারকে
গুজরাট টাইটানস

●স্কোয়াডে আছেন গ্লেন ফিলিপস। কিউই এই ক্রিকেটার গুরুত্বপূর্ণ পজিশনগুলো ফিল্ডিং করে প্রতি ম্যাচে ১০-১৫ রান বাঁচানোর সামর্থ্য রাখেন।

● খাতা–কলমে বোলিং লাইনআপও শক্তিশালী গুজরাটের। পেস বোলিং আক্রমণে দলটিতে কাগিসো রাবাদার সঙ্গে আছেন প্রসিধ কৃষ্ণা ও মোহাম্মদ সিরাজ। স্পিন বিভাগ সামলাবেন রশিদ খান, ওয়াশিংটন সুন্দর ও বাঁহাতি স্পিনার সাই কিশোর।

দুর্বলতা

● মিডল অর্ডার নিয়ে ভুগতে পারে গুজরাট। এখানে ওই অর্থে বড় নাম নেই তাদের। গ্লেন ফিলিপস খেলতে পারেন চার নম্বরে। তবে তিনি তো গত মৌসুমে হায়দরবাদের হয়ে এক ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি। এবার নতুন দলে দায়িত্ব তাঁকে নিতে হবে। ফিলিপস ছাড়া মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করতে পারেন মহিপাল লমরর, ওয়াশিংটন সুন্দর বা শাহরুখ খান। শেরফান রাদারফোর্ডকেও দেখা যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে ফিলিপসকে।

● মিডল অর্ডারের দুর্বলতা প্রভাব ফেলতে পারে টপ অর্ডারে। বাটলারকে তিনে নামিয়ে ওপেনিংয়ে সাই সুদর্শনকেও পাঠানোর চিন্তা করতে পারে তারা। তিনে নেমে ইনিংস টানতে হতে পারে ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ককে, যা তাঁর ওপর ফেলতে পারে বাড়তি চাপ।

পারফর্ম করতে হবে রাবাদা ও রশিদকে
গুজরাট টাইটানস

● রাবাদা নামের ওজন বড় হলেও আইপিএলে তিনি খরুচে। ২০২৩ সাল থেকে আইপিএলে ১৭ ম্যাচ খেলে এই পেসার উইকেট নিয়েছেন ১৮টি। ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন ৯.৩৩। সঙ্গে সিরাজ ও প্রসিধও কিপটে বোলার নন। চাপটা পড়বে রশিদের ওপরই।

প্রত্যাশা ও বাস্তবতা

গুজরাটের চোখ থাকবে শিরোপাতেই। সাবেক চ্যাম্পিয়ন বলে কথা! তবে বাস্তবতা বলছে, প্লে-অফে ওঠাটাই গুজরাটের জন্য কঠিন হতে পারে।