প্রেম, বিচ্ছেদ, ধর্ষণ থেকে মৃত্যু—বলিউডের আলোচিত ১০ বিতর্ক
তারকার প্রেম, বিচ্ছেদ থেকে একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া; হিন্দি সিনেমা দুনিয়ায় বিতর্কের যেন শেষ নেই। অনেকের মৃত্যু ঘিরেও তৈরি হয় রহস্য। আবার এমন ঘটনা ঘটে, যা নাড়িয়ে দেয় পুরো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে। বলিউডের এমন আলোচিত ১০ বিতর্ক নিয়ে এই প্রতিবেদন। এখানে কেবল ২০০০ সালের পরের ঘটনাগুলোই বিবেচনা করা হয়েছে।
সালমান খান-ঐশ্বরিয়া রাইয়ের বিচ্ছেদ
১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রেমে পড়েন দুই তারকা। সবাই যখন তাঁদের শুভ পরিণয়ের অপেক্ষায়, তখন ‘বোমা’ ফাটান ঐশ্বরিয়া। ২০০১ সালে এক সাক্ষাৎকারে, সালমানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন। ঐশ্বরিয়া তখন বলেছিলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক ভেঙে গেছে। একটা সময় সালমান আমাকে ফোন করে ডেকে সহকর্মীদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নিয়ে যা-তা বলেছে।
অভিষেক বচ্চন থেকে শাহরুখ খান, সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক, কিন্তু সে এসব মানতে চায়নি।’ সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে প্রেম হয় ঐশ্বরিয়ার। পরে বিবেক অভিযোগ করেন, ওই সময়ে সালমান বারবার ফোন করে তাঁকে এবং পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতেন।
রাখী সাওয়ান্ত-মিকা সিং চুম্বন বিতর্ক
দুজনেই নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে প্রায়ই খবরের শিরোনাম হন। ২০০৬ সালের ঘটনা যেন সব বিতর্ক ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ওই বছর নিজের বাড়িতে জন্মদিনের পার্টি দিয়েছিলেন রাখী সাওয়ান্ত। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিকা। সেই পার্টিতে রাখী ও মিকার চুম্বনের ঘনটা নিয়েই বিতর্কের শুরু। রাখীর অভিযোগ, মিকার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন তিনি। মামলায় আটক হন মিকা, পরে অবশ্য তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে দুই দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁদের সম্পর্ক আর ঠিক হয়নি। সম্প্রতি রাখীকে নিয়ে প্রশ্ন করায় এক সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন মিকা।
শাইনি আহুজার বিরুদ্ধের ধর্ষণের মামলা
বলিউডে ছিল না কোনো গডফাদার, তবে ভিন্নধর্মী লুক আর অভিনয় প্রতিভার জোরেই তারকাখ্যাতি পেয়েছিলেন শাইনি আহুজা। তবে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে উল্কাগতিতে উত্থানের পর আচমকাই ধসে যায় ‘গ্যাংস্টার’, ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’, ‘ভুলভুলাইয়া’র মতো হিট ছবির নায়কের ক্যারিয়ার।
২০০৯ সালে বাড়ির ১৯ বছরের গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে অভিনেতার বিরুদ্ধে। আর মাত্র ৩ বছরেই শেষ হয়ে যায় শাইনির চকচকে ক্যারিয়ার। ২০১১ সালে পরিচারিকাকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন শাইনি আহুজা, সাত বছরের শাস্তি হয়েছিল তাঁর। আপাতত জামিনে মুক্ত অভিনেতা, তাঁকে নিয়ে এবার বড় রায় দিলেন বম্বে হাইকোর্ট। পরে জামিন মিললেও বলিউড আর ফিরিয়ে নেয়নি শাইনিকে। ২০১৫ সালে ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ ছবিতে ছোট্ট ভূমিকায় দেখা মিলেছিল তাঁর, তার পর থেকে পুরোপুরি ‘গায়েব’ তিনি। জানা যায়, রিচা চড্ডা-অক্ষয় কুমার অভিনীত লিগ্যাল ড্রামা ‘সেকশন ৩৭৫’-এর প্রেরণা শাইনি আহুজার জীবনের ঘটনা। এই ছবির কাহিনিকার মণীশ গুপ্ত ছিলেন শাইনির ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
স্বজনপ্রীতি বিতর্ক
করণ জোহর প্রযোজিত ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ দিয়ে হিন্দি সিনেমা অভিষেক হয় আলিয়া ভাট, বরুণ ধাওয়ানদের। এ সিনেমা দ্বিতীয় কিস্তিতে পাওয়া যায় অনন্যা পান্ডেকে। কেবল এ দুই সিনেমা নয়, গত এক দশকে হিন্দি সিনেমার দুনিয়া পা রেখেছেন অনেক তারকাসন্তান। সর্বশেষ চলতি বছর বড় পর্দায় পাওয়া যায় আমির খানের পুত্র জুনাইদ খান ও শ্রীদেবীর কন্যা খুশি কাপুরকে। এর আগে ওটিটিতে অভিষেক হয়েছে সাইফ আলী খানের পুত্র ইব্রাহিম আলী খানের। আলিয়া আর বরুণ বলিউডে সাফল্য পেলেও বাকিদের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী।
তাই কেবল তারকাদের সন্তান হওয়ার কারণেই কম যোগ্যতা নিয়ে সিনেমায় সুযোগ পেয়েছেন, এটা নিয়ে প্রবল বিতর্ক হয়েছে। একটা সময় ছিল, প্রায় প্রতিদিনই এটা নিয়ে কথা হতো, ছবির প্রচারে তারকাদের সামনে পেলেই ছুড়ে দেওয়া হতো স্বজনপ্রীতি নিয়ে প্রশ্ন। মধ্যে এই বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলেন করণ জোহর ও কঙ্গনা রানৌত। এখন কিছুটা মুখ বন্ধ রাখলেও একটা সময় নিয়মিতই আলিয়া, রণবীর কাপুরদের স্বজনপ্রীতি বিতর্কে বিদ্ধ করতেন।
আমির খানের ‘দেশত্যাগ’ বিতর্ক
২০১৫ সালে ভারতজুড়ে চলা অসহিষ্ণুতা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন আমির খান। তিনি বলেছিলেন, খবরের কাগজ পড়লে বা টিভি দেখলে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সাত-আট মাস ধরে অসহিষ্ণুতা যেভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে, তাতে ভীত তাঁর স্ত্রী কিরণও। আমির বলেন, ‘নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিরণ এতটাই আশঙ্কিত যে আমাকে একদিন জিজ্ঞেস করেছিল, “আমাদের কি ভারত ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত?” আশঙ্কার ব্যাখ্যা দিয়ে আমির বলেছিলেন, সাত-আট মাস ধরে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে চলেছে। মানুষ সুবিচার চায়। আশঙ্কার অবসানে খুব স্পষ্ট ভাষায় যে বার্তা আসা দরকার, দুঃখের বিষয় তা আসছে না।’ আমিরের এই মন্তব্যের পর নতুন করে শুরু হয়েছে অসহিষ্ণুতা নিয়ে বিতর্ক। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী আমিরে মন্তব্যকে সমর্থন করেছিলেন। তবে দেশটির তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেছেন, এ ধরনের কথার আসল উদ্দেশ্য দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা। আমিরের বক্তব্য নিয়ে প্রবল বিতর্ক হয়, অনেকে তাঁকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দেন। তবে পরে অভিনেতা জানান, তিনি মূলত অসহিষ্ণুতা নিয়ে বার্তা দিতে চেয়েছেন; ভারত ছাড়ার কথা বোঝাননি।
জায়রা ওয়াসিমের অবসর
জায়ারা ওয়াসিমের মনে হয়েছে অভিনয় নয়, ধর্মচর্চাতেই তিনি শান্তি পাবেন। তাই ২০১৯ সালে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান অভিনেত্রী। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। জায়রা ওয়াসিমের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। ২০১৬ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে আমির খানের সঙ্গে ‘দঙ্গল’ ছবিতে কুস্তিবিদ গীতা প্রগতের চরিত্রে অভিনয় করেন। ৭০ কোটি রুপি খরচ করে বানানো এই ছবি বক্স অফিসে তোলে। তাঁর পরের ছবিটিও ছিল আমির খানের সঙ্গে। ‘সিক্রেট সুপারস্টার’ নামে সে সিনেমাটিও হিট হয়। জায়রার সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা কথা হয়েছে; অনেকে ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো আবেগের বশে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কিন্তু জায়রা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন আর অভিনয়ে ফেরেননি।
হৃতিক-কঙ্গনা বিতর্ক
হৃতিক রোশন আর কঙ্গনা রনৌতের কথিত প্রেম-বিচ্ছেদ নিয়ে বিতর্ক বলিউডের ঝড় তুলেছিল। দুই তারকা যেভাবে প্রকাশ্যে কাদা–ছোড়াছুড়ির প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন, সেটা বলিউডে খুব একটা দেখা যায় না। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় হৃতিক ও কঙ্গনা অভিনীত সিনেমা ‘কৃষ ৩’। বলা হয়, এই সময় দুজনের মধ্যে সম্পর্ক হয়, পরে তা ভেঙেও যায়। কিন্তু আদৌ তাঁরা সম্পর্ক ছিলেন কি না, জানা যায়নি। কিন্তু মূল ঘটনা প্রেম বা বিচ্ছেদ নয়, অভিযোগ আর পাল্টা–অভিযোগ। কঙ্গনা দাবি করেন, হৃতিকের সঙ্গে তাঁর প্রেম ছিল, কিন্তু অভিনেতা সম্পর্কে থাকার সময় তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করেছেন। হৃতিক এসব দাবি ভুয়া উল্লেখ করে বলেন, কঙ্গনা তাঁকে ১ হাজার ৪৩৯টি ই-মেইল পাঠিয়েছেন; তিনি কোনোটিরই জবাব দেননি। অন্যদিকে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কঙ্গনাকে আইনি নোটিশও পাঠান হৃতিক। কঙ্গনাও টুইটারে পাল্টা অভিযোগ আনেন। এভাবে চলতে চলতে একসময় শেষ হয় এই বিতর্ক। তবে বিতর্ক শেষ হলেও তাঁদের সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি, গত ১০ বছরে হৃতিক ও কঙ্গনাকে একবারও একসঙ্গে দেখা যায়নি।
‘মিটু’–ঝড়
ঘটনা ২০১৮ সালের। হলিউডে শুরু হওয়া ‘#মিটু’ প্রচারণায় অনেক নায়িকাই যোগ দিয়েছেন। সেই সময় অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে রীতিমতো শোরগোল ফেলেন দেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। নানা পাটেকার ছাড়াও তাঁর অভিযোগে কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য, পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর নামও উঠে এসেছে। তনুশ্রী অভিযোগ করেন ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির সেটে ঘটনাটা ঘটেছিল।
এই ছবির সেটে নানা পাটেকার তনুশ্রীকে এতটাই শারীরিক ও মানসিকভাবে উৎপীড়ন করেন যে তিনি তাঁর ক্যারিয়ার ছাড়তে বিন্দুমাত্র ভাবেননি। এমনকি দেশ ছেড়ে চলে যান সাবেক এই ভারত–সুন্দরী। তবে এ ঘটনা সেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তনুশ্রী তখনো আওয়াজ উঠিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর পাশে কেউ দাঁড়াননি। তনুশ্রী সিনে অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিনটা) কাছে গিয়ে নানার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। কিন্তু নানা পাটেকারের মতো অভিনেতার বিরুদ্ধে কেউ একটি কথা শুনতে রাজি ছিলেন না। তনুশ্রীর মুখ বন্ধ রাখতে গুন্ডা দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর গাড়ি ও বাড়িতে হামলা পর্যন্ত করা হয়। এই বলিউড অভিনেত্রীর পাশে সেদিন পুলিশও দাঁড়ায়নি। তনুশ্রীর অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনা আমলে নেয়। তদন্ত শেষে তারা জানায়, নানা পাটেকরকে দোষী সাব্যস্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু
২০২০ সালে লকডাউনের মধ্যেই হঠাৎ পাওয়া যায় সুশান্তের মৃত্যুর খবর। এই দুঃসংবাদ নাড়িয়ে দিয়ে যায় গোটা বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে। প্রিয় তারকার অকালপ্রয়াণে স্তম্ভিত ও শোকাতুর হন ভক্তরা। ১৪ জুনের ওই অভিশপ্ত দুপুরে বান্দ্রার কার্টার রোডের মাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া যায় সুশান্তের মরদেহ। সেই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায়। সামনে আসে স্বজনপ্রীতি বিতর্ক, সুশান্তের মতো প্রতিভাবান অভিনেতার কাজ না পাওয়ার অভিষেক। সুশান্তের মৃত্যু খুন, নাকি আত্মহত্যা, সেটা নিয়েই বিস্তর চর্চা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীকে।
সেই সময়ে প্রায় প্রতিদিনই সুশান্তকে নিয়ে নানা ধরনের খবর প্রচারিত হয়। কোনটা সত্যি, কোনটা গুজব, যাচাই করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। অনেক নির্মাতা আবার সুশান্তকে নিয়ে সিনেমা বানানোর ঘোষণা দেন। সেই ঘটনার পাঁচ বছর পর অবশেষে সুশান্তর মৃত্যুর ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই। প্রাথমিকভাবে মামলাটি আত্মহত্যা বলেই জানানো হয়েছিল। শেষ রিপোর্টেও সিবিআই নিশ্চিত করল, আত্মহত্যাই করেছিলেন অভিনেতা। তদন্তে অন্য কোনো দিক উঠে আসেনি।
তারকাদের ওপর হামলা
বলিউডের রঙিন দুনিয়ার সঙ্গে অপরাধজগতের যে যোগাযোগ রয়েছে, মাঝেমধ্যে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে তা প্রকাশ্যে আসে। সেই ১৯৭০-এর দশকে বলিউডের সঙ্গে অপরাধজগতের যোগাযোগ তৈরি হয়। হাজি মাস্তান ও করিম লালার মতো ডনদের বলিউডের হাইপ্রোফাইল পার্টিগুলোতে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
সে সময় বলিউডে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়াকে মাফিয়ারা প্রভাব বিস্তারের চেয়ে সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির নির্দেশক হিসেবেই বেশি বিবেচনা করতেন। গত কয়েক বছরে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে সালমান খানের বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২৪ সালে অভিনেতার বাড়িতে গুলির ঘটনাও ঘটেছে। তবে এই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই চলতি বছর নিজের বাড়িতেই হামলার শিকার হন সাইফ আলী খান। এ ছাড়া সিনেমা বা ব্যক্তিগত কারণে অনেক তারকাই হুমকি পেয়েছেন।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ডিএনএ