চুয়েটে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, ভর্তি শুরু ৯ এপ্রিল

ছবি: প্রথম আলো

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ভর্তি–সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত মেধাতালিকায় ক গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) ৮৩৯৩ জন এবং খ গ্রপে (স্থাপত্য বিভাগ) ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন।

মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে ১৫ মার্চ (শনিবার) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন চয়েজ ফরমের প্রয়োজনীয় তথ্য ও বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ১১টি পছন্দসহ একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। তবে স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি–ইচ্ছুকদের জন্য কোনো পছন্দক্রম পূরণের প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন

মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে ক গ্রুপের প্রথম ১৫০০ জন ও খ গ্রুপের প্রথম ১০০ জনকে আগামী ৯ এপ্রিল (বুধবার) প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য ডাকা হয়েছে। এদিন ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টার মধ্যে সশরীরে নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা প্রদান সাপেক্ষে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। নিরীক্ষা কমিটি দ্বারা প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাইয়ের পর ওই দিনই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরের দিন ১০ এপ্রিল সকাল ১০টায় প্রাপ্ত বিভাগ দেখে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখায় জমা প্রদান করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ছবি: প্রথম আলো

প্রথম পর্যায়ে ভর্তির পর ভর্তিকৃত প্রার্থীর বিভাগ ও মোট শূন্য আসনসংখ্যা এবং পরবর্তী দফায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ১৩ এপ্রিল ভর্তির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ওরিয়েন্টেশনের দিন পর্যন্ত ভর্তিপ্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) চুয়েটের স্নাতক প্রথম বর্ষে (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পুরকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, যন্ত্রকৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের মোট ১২টি বিভাগে সংরক্ষিত ১১টিসহ মোট ৯৩১টি আসনের বিপরীতে মোট ১৬ হাজার ৬২১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। সেই হিসাবে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর হার ছিল প্রায় ৮৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন