চর বিজয়কে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলবে সরকার

কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা নতুন চর পরিদর্শন করে সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক। ছবি: প্রথম আলো
কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা নতুন চর পরিদর্শন করে সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক। ছবি: প্রথম আলো

কুয়াকাটা-সংলগ্ন সাগরের বুকে জেগে ওঠা নতুন চর ‘চর বিজয়’ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. মাছুমুর রহমান। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে নতুন চরটি দেখতে যান। জেলা প্রশাসক বলেছেন, সরকার এ চরকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

জেলা প্রশাসক আজ সকালে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত থেকে স্পিডবোটে করে নতুন চরটি দেখতে যান। এরপর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। চরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা-সংবলিত একটি সাইনবোর্ডও টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন এ চরে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রসৈকত গঙ্গামতি থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সাগরের মধ্যে এ চরটি জেগে উঠেছে। চরটির দৈর্ঘ্য হবে আনুমানিক ৬ কিলোমিটার ও প্রস্থ হবে দেড় কিলোমিটার। দেখতে অনেকটা চন্দ্রাকৃতির মতো। স্থানীয় লোকজন বলছেন, চলতি মাসের প্রথম দিকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের একটি দল সাগরে ট্রলারযোগে বেড়াতে গেলে এ চরের সন্ধান পায়। পর্যটক দলের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে এর নাম রাখেন ‘চর বিজয়’।

সরকারিভাবে চরটির এখনো কোনো নামকরণ হয়নি জানিয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. মাছুমুর রহমান বলেন, এই চরে বন বিভাগের উদ্যোগে ব্যাপক বনায়ন করা হবে। চরের কোনো ক্ষতি যেন না হয় এবং কেউ যেন চরকে খেয়ালখুশিমতো ব্যবহার করতে না পারে—সেদিকে লক্ষ রাখা হবে। এক কথায় সরকার পরিকল্পিতভাবে নতুন এ চরকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) অজিত কুমার রুদ্র, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর রহমান, কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা প্রমুখ।