নেপাল সীমান্তে আবার ভূমিধস-বন্যার আশঙ্কা, উদ্ধার অভিযান বন্ধ করল চীন

দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে একজনকে উদ্ধার করা হচ্ছে। নেপালের নুয়াকোট জেলায়, ২৬ আগস্ট ২০২৬ছবি: রয়টার্স

নেপাল সীমান্ত–সংলগ্ন জিরং স্থলবন্দরের কাছে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীন। গত বুধবারের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ওই এলাকায় আবারও বড় ধরনের ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

গত বুধবারের পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে পার্বত্য অঞ্চলে যে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয়েছিল, গত ৪৮ ঘণ্টায় সেটির পানির স্তর ক্রমাগত বাড়ছে। যেকোনো মুহূর্তে এই হ্রদ ফেটে গিয়ে নতুন করে প্রাণঘাতী কাদা-পাথরের ধস কিংবা তীব্র পানির তোড় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি আজ শুক্রবার সকালে জানিয়েছে, নতুন তৈরি হওয়া এই হ্রদটি উপচে অনবরত পানি পড়তে শুরু করেছ। ফলে পরিস্থিতি এতটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে যে উদ্ধারকারী দলগুলোর পক্ষে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জিরং স্থলবন্দরের দিকে এগিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে থাকা সিসিটিভির এক প্রতিবেদক বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমাদের এখানে থেমে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। সামনের সারির দলগুলোর কাছ থেকে আমরা মাত্রই একটি জরুরি নির্দেশনা পেয়েছি। সেখানে সব উদ্ধারকারী দলকে জিরং বন্দরের দিকে আর না এগোতে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন

সিসিটিভি জানিয়েছে, উদ্ধারকারী দলের সিংহভাগ সদস্যই এখন জিরং শহরের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশমুখে অবস্থান করছেন। এই গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল (প্রায় ৭ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত।

আরও পড়ুন