মাদক পাচারের মামলা থেকে খালাস পেলেন ম্যাকগিল, তবে...
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলকে মাদক পাচারের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। তবে লঘু অপরাধে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ জন্য তাঁর শাস্তি হতে পারে।
ম্যাকগিলের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে নিষিদ্ধ মাদক কোকেন সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়। জানা যায়, তিনি ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারের কোকেন চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণে তাঁকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে আজ সিডনি জেলা আদালতের একটি জুরি জানিয়েছে, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল কোকেন পাচারে যুক্ত থাকলেও তাঁর রেস্তোরাঁ থেকে শুরু হওয়া বৃহৎ পরিসরের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। এ কারণে আদালতের রায় তাঁর পক্ষে গেছে। মামলার শুনানি ৮ সপ্তাহ মুলতবি থাকার পর আজ চূড়ান্ত ফয়সালা হয়েছে।
বিচারকদের জানানো হয়েছিল, ম্যাকগিলের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং তিনি ও তাঁর শ্যালক মারিনো সোতিরোপোলোসের মধ্যে ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারের বিনিময়ে এক কেজি কোকেন পাচারের চুক্তি হয়েছিল।
কিন্তু ৫৪ বছর বয়সী ম্যাকগিল আদালতে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সিডনির উত্তর তীরে অবস্থিত তাঁর রেস্তোরাঁয় একটি বৈঠকে যোগ দিলেও কোনো ধরনের আর্থিক চুক্তি হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অর্থ লেনদেনের অভিযোগ আদালতও প্রমাণ করতে পারেনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪৪ টেস্ট খেলা ম্যাকগিলকে তুমুল প্রতিভাবান লেগ স্পিনার মনে করা হতো। কিন্তু তাঁর দুর্ভাগ্য যে, সর্বকালের সেরা লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের কারণে আড়ালে পড়ে গিয়েছিলেন। অনেকেই বলেন, ভুল সময়ে জন্মেছিলেন ম্যাকগিল। খুব বেশি সুযোগ না পেলেও নিজেকে ঠিকই প্রমাণ করেছেন। টেস্টে ২৯.০২ গড়ে নিয়েছেন ২০৮ উইকেট।
ম্যাকগিলের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং বাংলাদেশের মাটিতেই। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।