আইপিএলে মাঠে নামলেই ১০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা

আইপিএলের ১৮তম আসরের দশ দলের অধিনায়কবিসিসিআই

আইপিএল মানেই অর্থের ঝনঝনানি। এই টুর্নামেন্ট খেলতে পারলে খেলোয়াড়দের পকেটে ঢোকে বড় অঙ্কের অর্থ। এবারের আইপিএলে ক্রিকেটারদের আয়ের ক্ষেত্র আরও বাড়ছে। প্রথমবারের মতো আইপিএলে ম্যাচ ফি-ও পেতে যাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। ২০ ওভারের ম্যাচ হিসেবে অঙ্কটা বেশ বড়।

আইপিএলে প্রতিটি ম্যাচের জন্য ফি হিসেবে ক্রিকেটাররা পাবেন সাড়ে সাত লাখ রুপি করে ( প্রায় ১০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা)। একজন ক্রিকেটার আইপিএলে কমপক্ষে ১৪টি (লিগ পর্বে ১৪ ম্যাচ) করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে পারেন।

প্লে-অফ হয়ে ফাইনালে গেলে ১৭টি। মানে এবার আইপিএলে লিগ পর্বের ১৪ ম্যাচে সুযোগ পাওয়া কোনো ক্রিকেটারের পকেটে ঢুকবে ১ কোটি ৫ লাখ রুপি। ফাইনাল পর্যন্ত সব ম্যাচ খেললে ১ কোটি ২৭ লাখ রুপি। এই টাকা ক্রিকেটাররা পাবেন তাঁদের সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজির চুক্তি মূল্যের বাইরে।

প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ ফির জন্য বরাদ্দ রেখেছে মোট ১২ কোটি ৬০ লাখ রুপি। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর এই অর্থ নিলামের বাজেটের বাইরের। অতিরিক্ত প্রণোদনা হিসেবে প্রতি ম্যাচে ম্যাচ ফি পাবেন মাঠে নামা ১২ জন ক্রিকেটার (ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়সহ)।

আজ শুরু আইপিএল
এএফপি

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যান রজত পতিদারের উদাহরণ টানা যেতে পারে। বেঙ্গালুরু ‘আনক্যাপড’ খেলোয়াড় হিসেবে মাত্র ২০ লাখ রুপিতে পতিদারকে দলে নিয়েছিল। এরপর ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর তাঁর বেতন বাড়িয়ে ৫০ লাখ রুপি করা হয়। পতিদার গত আইপিএলে ম্যাচ খেলেন ১৫টি, এর মানে গত আসরে যদি ম্যাচ ফির নিয়ম থাকত, তাহলে তিনি তাঁর চুক্তির বাইরে আরও ১ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার রুপি বেশি পেতেন।

আরও পড়ুন

গত সেপ্টেম্বরে যখন এ উদ্যোগের ঘোষণা আসে, তখন ম্যাচ ফি প্রদান সুপারিশের বিরোধিতা করেছিল কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। বেঞ্চে থাকা ক্রিকেটারদের কী হবে, এ প্রশ্ন তারা তুলেছিল। গত আসর পর্যন্ত খেলোয়াড়েরা তাঁদের চুক্তির অংশ হিসেবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নিলামের জন্য মোট বাজেট থেকে একটি প্রণোদনামূলক পারিশ্রমিক পেতেন, যা নির্ধারিত হতো আগের মৌসুমে দলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।

আইপিএল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া এক প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ম্যাচ ফি দেওয়ার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রণোদনা তহবিলে রাখা হোক, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের পছন্দ অনুযায়ী পারফরমারদের পুরস্কৃত করতে ব্যবহার করতে পারবে। তবে এ প্রস্তাব টেকেনি।

আরও পড়ুন