প্রসিদ্ধ চিকন সেমাই তৈরিতে যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে

প্রসিদ্ধ চিকন সেমাই তৈরিতে যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। চল্লিশের দশকে ভারত ও পাকিস্তান থেকে কয়েকজন কারিগর এসে বগুড়া শহরতলির চারমাথা-গোদারপাড়া এলাকায় চিকন সেমাই বানানো শুরু করেন। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে বগুড়া শহরতলির বেজোড়া, ঘাটপাড়া, শ্যাঁওলাগাতি, কালসিমাটি, শ্যামবাড়িয়া, রবিবাড়িয়াসহ আশপাশের ৮–১০টি গ্রামের নারীদের হাতে। সেখানে প্রায় ৫০ বছর ধরে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু চিকন সেমাই। এই সেমাইয়ের খ্যাতি দেশজুড়ে। কিন্তু এখন সেই প্রসিদ্ধ সেমাই তৈরি করছেন বগুড়ার ছোট–বড় বেশ কয়েকটি বেকারির মালিক। সেখানে ব্যবহার বেড়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতির। প্রযুক্তির মাধ্যমে সেমাই তৈরি করে শুকানো হচ্ছে। সম্প্রতি বগুড়া সদর উপজেলার চাঁদমুহা হরিপুর গ্রামের সেমি অটো মেশিনে প্রসিদ্ধ চিকন সেমাই তৈরির কয়েকটি ছবি নিয়ে সাজানো হয়েছে এই গল্প

১ / ৮
সেমি অটো মেশিনে খামির করা ময়দা দিচ্ছেন এক শ্রমিক
২ / ৮
মেশিন থেকে বের হচ্ছে প্রসিদ্ধ চিকন সেমাই
৩ / ৮
সেমাই স্টিলের কাঠিতে ভরছেন এক শ্রমিক
৪ / ৮
কারখানায় নারীরাই বেশি চিকন সেমাই তৈরিতে যুক্ত
৫ / ৮
যন্ত্রের মাধ্যমে ভাজা চিকন সেমাই
৬ / ৮
শুকানোর পর যন্ত্রের মাধ্যমে ভাজা হয় চিকন সেমাই
৭ / ৮
কারখানাজুড়েই সেমাই তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকেরা
৮ / ৮
বাজারজাতকরণের জন্য সেমাইয়ের প্যাকেট করতে ব্যস্ত শ্রমিকেরা