ক্ষতিকর কীটনাশক

বাংলাদেশে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার ১৯৫০ সাল থেকে শুরু হয়। ফসলের ক্ষেতে অতিব্যবহারের ফলে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পেয়েছে এবং ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ধ্বংস করতে গিয়ে ফসলের উপকারী পোকামাকড়ও ধ্বংস হচ্ছে। কীটনাশকের কারণে বহু বিল, হাওর মাছশূন্য হয়ে পড়েছে। বহু প্রজাতির পাখি অদৃশ্য হয়ে গেছে। ফসল রক্ষাকারী পোকামাকড় ধ্বংসের কারণে প্রতিবছর ১২০০ থেকে ১৮০০ কোটি টাকার ফসল নষ্ট হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিমাত্রায় রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন কৃষিজ ও প্রাণিজ খাদ্যের মাধ্যমে কীটনাশক মানবদেহে প্রবেশের কারণে মানুষের হার্ট, কিডনি, লিভার, স্নায়ু, ত্বক আক্রান্ত হচ্ছে। নানাবিধ ফলমূলে রাসায়নিক পাউডার দিয়ে কাঁচা ফল পাকানো হচ্ছে, এমনকি টমেটো পর্যন্ত রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় টসটসে করে পাকানো হচ্ছে। শুঁটকি মাছে ডিডিটি পাউডার ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জনস্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে, জমির উর্বরতা, পরিবেশ রক্ষায় রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা আবশ্যক। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সুমিত্র বিকাশ বড়ুয়া
নন্দনকানন, চট্টগ্রাম