<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Tue, 21 Jul 2026 08:01:26 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্মার্ট প্রেজেন্টেশনের পাঠ</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/oht6ahytyh</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/oht6ahytyh#comments</comments><guid isPermaLink="false">25890a87-4261-423d-9890-117d45fcdaf9</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 08:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T08:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন মাসকো গ্রুপের মার্চেন্ডাইজার নাহিদ আহসান। তিনি অংশগ্রহণকারীদের পাওয়ারপয়েন্টের মৌলিক ও উন্নত ব্যবহার, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং, কার্যকর স্লাইড ডিজাইন, অ্যানিমেশন ও মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার, উপস্থাপনা কৌশল এবং চ্যাটজিপিটি, মাইক্রোসফট কপিলট ও ক্যানভা এআইয়ের মতো টুলস ব্যবহার করে দ্রুত ও মানসম্মত প্রেজেন্টেশন তৈরির বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন।]]></description><media:keywords>বন্ধুসভা,সারাদেশ,প্রশিক্ষণ,ঢাকা মহানগর</media:keywords><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/x0ehqr5b/e5a92427_8c4a_412f_b5c9_9175dff04089.jpg" /><figcaption>‘পাওয়ারপয়েন্ট মাস্টারক্লাস: ডিজাইন, স্টোরিটেলিং অ্যান্ড এআই ইনটেগরেশন’ শিরোনামে প্রশিক্ষণ কর্মশালা।</figcaption></figure><p>প্রেজেন্টেশন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার শেখাতে প্রথম আলো বন্ধুসভার উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘পাওয়ারপয়েন্ট মাস্টারক্লাস: ডিজাইন, স্টোরিটেলিং অ্যান্ড এআই ইনটেগরেশন’ শিরোনামে ১৬ ও ১৮ জুলাই ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন মাসকো গ্রুপের মার্চেন্ডাইজার নাহিদ আহসান। তিনি অংশগ্রহণকারীদের পাওয়ারপয়েন্টের মৌলিক ও উন্নত ব্যবহার, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং, কার্যকর স্লাইড ডিজাইন, অ্যানিমেশন ও মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার, উপস্থাপনা কৌশল এবং চ্যাটজিপিটি, মাইক্রোসফট কপিলট ও ক্যানভা এআইয়ের মতো টুলস ব্যবহার করে দ্রুত ও মানসম্মত প্রেজেন্টেশন তৈরির বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। প্রতিটি সেশনে ব্যবহারিক প্রদর্শনীর পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়; যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/9684ke9b/f53a835e_676b_4bce_8c5a_36a9ac4ef338.jpg" /><figcaption>‘পাওয়ারপয়েন্ট মাস্টারক্লাস: ডিজাইন, স্টোরিটেলিং অ্যান্ড এআই ইনটেগরেশন’ শিরোনামে প্রশিক্ষণ কর্মশালা।</figcaption></figure><p>সমাপনী বক্তব্যে ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার সভাপতি হাসান মাহমুদ সম্রাট বলেন, বর্তমানে দক্ষতার পাশাপাশি নিজের ভাবনা কার্যকরভাবে উপস্থাপন করার সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার এবং উপস্থাপনার দক্ষতা তরুণদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। এ ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p><p>কর্মশালায় নিবন্ধনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা অংশ নেন। দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের ই-সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। কর্মশালা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার প্রশিক্ষণ সম্পাদক আকিফ বিন সাঈদ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পাতাল মার্কেটে ‘মোবাইলের হাসপাতালে’ যাওয়ার আগে যা যা জেনে রাখবেন</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/qei0psmchy</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/qei0psmchy#comments</comments><guid isPermaLink="false">dd74a2a9-a3c2-4007-a07e-ad5c85cf6175</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:57:20 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:57:20.282Z</atom:updated><atom:author><atom:name>এম এ হান্নান</atom:name><atom:uri>/api/author/1514195</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>গুলিস্তান,বাজার,মোবাইল অ্যাকসেসারিজ,মোবাইল ফোন</media:keywords><media:content height="2178" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/mh1k6q1j/040A3197.jpg" width="3872"><media:title type="html"><![CDATA[ ১০৪টি দোকান নিয়ে সেবা দিয়ে যাওয়া পাতাল মার্কেটের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে]]></media:title><media:description type="html"><![CDATA[ পাতাল মার্কেটে ‘মোবাইলের হাসপাতালে’ যাওয়ার আগে যা যা জেনে রাখবেন]]></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/mh1k6q1j/040A3197.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কেনাকাটা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গুলিস্তানের ব্যস্ত সড়ক। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ছেড়ে আসা স্টেডিয়াম–সংলগ্ন মোড়ের ব্যস্ততা আরও বেশি। ফুটপাতের বাজার আর যানবাহনের চলাচল দেখে যদি একে ঢাকার আর দশটা সাধারণ রাস্তার মতোই ভাবেন, তাহলে ভুল করবেন। এই ব্যস্ত সড়কের নিচেই আছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত এক দুনিয়া। বিশাল এক পাতাল মার্কেট; শুধু মোবাইল সার্ভিসিং ও মোবাইলের অ্যাকসেসরিজের জন্য বিখ্যাত। এই মার্কেটে যাওয়ার আগে জেনে রাখুন কিছু বিষয়।</p><h3>মাটির নিচের ব্যস্ত ভবন

</h3><p>মার্কেটের চারদিকে দুটি করে মোট আটটি প্রবেশপথ। মাটির নিচ দিয়ে রাস্তা পারাপারের অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রবেশপথ আলো-বাতাস সঙ্গী করে পথচারীকে যেমন নিরাপদে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, ঠিক তেমনি যাতায়াতের পথে উপহার দিচ্ছে মুঠোফোন মেরামতের বিখ্যাত এক পাতাল মার্কেট।</p><p>পরপর ১০৪টি দোকান নিয়ে সেবা দিয়ে যাওয়া এ মার্কেটের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। বড় ১০৪টি দোকানের মধ্যেই আছে চার শতাধিক টেকনিশিয়ানের মিনি দোকান।</p><p>কারও সামনে মাইক্রোস্কোপ, সেখানে চোখ রেখে টেকনিশিয়ান সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে কাজ করছেন। কেউ মুঠোফোনের ডিসপ্লে ঠিক করছেন, কেউ ব্যাক কভার বা রিমুভিংয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।</p><p>শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মার্কেটে সেবা নেওয়ার সুযোগ পাবেন শনি থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/ko38sue9nf">ছাদবাগানে আম চাষ করবেন? বৃক্ষমেলা থেকে নিতে পারেন এই ৫ জাতের আমের চারা</a></aside><h3>ঢাকার বাইরে থেকেও আসেন অনেকে</h3><p>সপ্তাহের ব্যস্ততম দিন বৃহস্পতিবারে গিয়েছিলাম এ মার্কেটে। কথা হয় মার্কেট পরিচালনার অফিস সচিব আবদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, গুলিস্তানের এ পাতাল মার্কেট মূলত মুঠোফোনের বিভিন্ন অনুষঙ্গের দোকানভিত্তিক বাজার। এখানকার টেকনিশিয়ানদের সেবার কারণে নিজেদের বিকল হওয়া মুঠোফোন সচল করতে নগরবাসী ছুটে আসেন।</p><p>এখানে কেউ আসেন মুঠোফোনের ডিসপ্লে ঠিক করতে, চার্জিংজনিত সমস্যার সমাধান করতে, মাদারবোর্ডসহ মুঠোফোনের যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করতে, ব্যাটারি–সংক্রান্ত জটিলতা থেকে রেহাই পেতে, চার্জার পোর্ট ঠিক করতে, ব্যাক কভার লাগাতে বা ফোনের সফটওয়্যারের কোনো সমস্যার সমাধানে।</p><p>শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরে থেকেও এখানে আসেন অনেকে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/xl5ipuhsv5">কম দামে বৈচিত্র্যময় লাগেজ মিলবে ঢাকার যে মার্কেটে</a></aside><h3>মোবাইলের ঢাকা মেডিকেল

</h3><p>প্রায় পাঁচ বছর ধরে সেবা দিয়ে আসা টেকনিশিয়ান মো. রিফাত হোসেন বলছিলেন, এ মার্কেটকে বলা হয় মোবাইলের হাসপাতাল। আরও নির্দিষ্ট করে বললে মোবাইলের ‘ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল’। যেখানে কম খরচে মেলে মোবাইলের সব ধরনের সেবা পাওয়ার সুযোগ।</p><p>আবার মানুষের বেলায় স্থানীয় হাসপাতালে রোগী সুস্থ না হলে যেমন ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়, ঠিক তেমনি স্থানীয় পর্যায়ে মুঠোফোন মেরামত করতে ব্যর্থ হলে শেষ ঠিকানা হয় ‘মোবাইলের ঢাকা মেডিকেল’ খ্যাত এ পাতাল মার্কেট।</p><figure><img alt="পাতাল মার্কেটে ‘মোবাইলের হাসপাতালে’ যাওয়ার আগে যা যা জেনে রাখবেন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/sefwee48/040A3177.jpg" /><figcaption>গুলিস্তানের ব্যস্ত সড়কের নিচেই আছে বিশাল এক পাতাল মার্কেট</figcaption></figure><p>এখানে একই মার্কেটের শতাধিক দোকানের টেকনিশিয়ানদের কাছে সব রকম সমস্যার সমাধান সহজেই মেলে। এক দোকানে না হলে অন্য দোকানে, এক টেকনিশিয়ান থেকে আরও টেকনিশিয়ান—এমন করে মুঠোফোনের সব সমস্যারই সমাধান খুঁজে নেওয়া যায় সহজেই।</p><p>মো. রিফাত হোসেন জানান, মুঠোফোনে সমস্যা দেখা দেওয়ামাত্রই যদি এখানে আনা হয়, তাহলে অনেক কম খরচেই মেরামত করা সম্ভব। সমস্যার সমাধান খুঁজতে নিয়ে অন্য অনেক দোকান ঘুরে এলে সার্ভিস চার্জের পরিমাণ তখন বেড়ে যায়। কাজের ওপর ভিত্তি করে এখানে সার্ভিস চার্জ শুরু হয় মাত্র ২০০ টাকা থেকে।</p><p>দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা দক্ষ টেকনিশিয়ানরা এখানে তিনভাবে যুক্ত হন। কেউ এক হাত বাই এক হাতের মতো জায়গাজুড়ে ছোট টেবিলের দোকান নিয়ে বসেন, যেখানে ভাড়া গুনতে হয় প্রায় ২৫ হাজার টাকা। কেউবা দোকানের সঙ্গে লভ্যাংশ শেয়ারের চুক্তিতে সে দোকানের সামনে বসেন। কেউ আবার নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি করেন কোনো না কোনো দোকানের অধীন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/7n55y8epqs">জাহাজের মালপত্র কম দামে কিনতে পারবেন যে মার্কেট থেকে </a></aside><h3>নষ্ট ফোনের নতুন জীবন

</h3><p>২০১০ সালে পাতাল মার্কেটে দোকান দিয়েছেন কবির টেলিকমের স্বত্বাধিকারী কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দোকানে যদি পাঁচজন টেকনিশিয়ান থাকেন এবং প্রত্যেকে গড়ে পাঁচটা মোবাইল ঠিক করেন, সে হিসাবে দিনে প্রায় ২৫টি মোবাইল ঠিক করতে পারেন। বিপরীতে, মোবাইলগুলো ঠিক করা না হলে গ্রাহককে বাধ্য হয়েই নতুন মোবাইল কিনতে হতো। অর্থাৎ অকারণ মোবাইল কেনায় দেশের টাকা বিদেশে চলে যেত। এখানে আমরা মোবাইল বানাতে না পারলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ যোগ করে মোবাইল ঠিক করে দিতে পারি। উচ্চমূল্যের নতুন মোবাইল কেনার চেয়ে অল্প টাকায় হাতের মোবাইলটি মেরামত করে ঠিক করে নিতে পারছে বলেই এখানে শত শত মোবাইল রোগী হাজির হয় প্রতিদিন। আর এটাই এ মার্কেটের প্রধান বিশেষত্ব।’</p><p>কবির হোসেন জানান, একটা সময় মোবাইল অ্যাকসেসরিজ বিক্রি হতো বড় পরিসরে। মফসস্‌ল থেকে খুচরা বিক্রেতারা এ মার্কেট থেকে পাইকারি দরে পণ্য কিনে নিয়ে যেতেন। এখন মফস্‌সল থেকেও সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানি করা যায় বলে এ মার্কেটের ওপর তাঁদের নির্ভরতা কমেছে। ফলে এখানকার দোকানমালিকেরা মূলত মোবাইল সার্ভিসটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।</p><h3>কেমন সমস্যা, কত খরচ

</h3><p>এখানে ৭০ শতাংশ সমস্যাই আসে ডিসপ্লেকেন্দ্রিক। সঙ্গে থাকে চার্জার, মাদারবোর্ডজনিত সমস্যাসহ আরও অনেক কিছুই। এমনকি সফটওয়্যারের সমস্যারও সমাধান মেলে।</p><p>সার্ভিস চার্জ মূলত নির্ধারিত হয় মুঠোফোনের সমস্যার ওপর ভিত্তি করে। যেখানে সর্বনিম্ন সার্ভিস ২০০ টাকা। মেরামতের বাইরে কিনতে পারবেন মুঠোফোনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্ভরযোগ্য চার্জার, ডেটা কেবল, অ্যাডাপ্টার, ইয়ারফোন, মেমোরি কার্ড, মেমোরি কার্ড রিডারসহ মুঠোফোনের প্রয়োজনীয় সব রকম অনুষঙ্গ।</p><figure><img alt="পাতাল মার্কেটে ‘মোবাইলের হাসপাতালে’ যাওয়ার আগে যা যা জেনে রাখবেন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/qtwylkz6/040A3189.jpg" /><figcaption>এ মার্কেটে অচল মুঠোফোনের সচল যন্ত্রাংশগুলো খুলে অন্য কোনো অচল মুঠোফোনের কাজে লাগানো হয়</figcaption></figure><h3>হারানো যন্ত্রাংশের খোঁজে

</h3><p>মুঠোফোন ঠিক করার প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় মাইক্রোস্কোপ। মুঠোফোনের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশের একটি খুঁজে পেতে এবং নতুন পার্টস নিখুঁতভাবে বসানোর কাজে ব্যবহৃত হয় মাইক্রোস্কোপ। থাকে হট এয়ারগান, পাওয়ার সাপ্লাই, হেয়ার ড্রায়ারসহ প্রয়োজনীয় আরও অনেক যন্ত্রপাতি। সবারই সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে মুঠোফোনকে সারিয়ে তোলা।</p><p>মুঠোফোন যদি সর্বোচ্চ চেষ্টায় সচল না-ও হয়, গ্রাহক চাইলে নির্দিষ্ট অংশের বিনিময়ে অচল মুঠোফোনটি বিক্রি করতে পারেন। অচল মুঠোফোনের সচল যন্ত্রাংশগুলো খুলে অন্য কোনো অচল মুঠোফোনের কাজে লাগানো হয়। ফলে এ মার্কেটে এসে নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। টেকনিশিয়ানদের সর্বোচ্চ চেষ্টায় আপনার মুঠোফোনটি সেরে উঠবে, আর যদি না–ও সেরে ওঠে, বিকল্প ব্যবস্থাও এখানেই খুঁজে পাবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/63omcgmj88">২০০ থেকে ৬০০ টাকায় দাওয়াতে পরার গয়না পাওয়া যাবে যেখানে</a></aside><h3>ক্রেতাদের জন্য কিছু জরুরি পরামর্শ

</h3><p>মুঠোফোন মেরামতের সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখা দরকার, সে বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরলেন কবির হোসেন—</p><p>১. সাধারণত খুব কম সার্ভিস চার্জেই কাজ হয় এখানে। যন্ত্রাংশের দামও তুলনামূলক কম রাখা হয়। ফলে দোকানে দর–কষাকষিতে সার্ভিস চার্জ কমাতে গেলে দেখা যায়, ওই কম সার্ভিস চার্জ থেকেই লাভ বের করতে গিয়ে দোকানদার কম দামের যন্ত্রাংশ সংযোজন করে মুঠোফোন ঠিক করে দিচ্ছেন। তাতে গ্রাহকের ক্ষতি হয়।</p><p>২. ডিসপ্লে পরিবর্তনের সময় ভালোভাবে লক্ষ রাখুন এবং তেমন কোনো অসঙ্গতি চোখে পড়লে জানান। অর্থাৎ ডিসপ্লে সেট করার আগেই সতর্ক করুন। কারণ, ডিসপ্লে পরিবর্তনের জন্য একবার আঠা লাগানো হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে না।</p><p>৩. মুঠোফোনে প্রটেক্টর পলি লাগানোর ক্ষেত্রে অনেকে পুরু পলি বেছে নেন, যা মোটেও উচিত নয়। এসব পলিতে টাচ স্ক্রিনে সমস্যা হয়। টাচ কাজ করতে চায় না।</p><figure><img alt="পাতাল মার্কেটে ‘মোবাইলের হাসপাতালে’ যাওয়ার আগে যা যা জেনে রাখবেন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-12/a5c85251-9ec3-409e-8712-81f778d2c03c/2aa93ca3-9668-44b5-a40b-e11869cb025f.jpg" /><figcaption>আঘাতজনিত সমস্যা অনেক সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে, যা মুঠোফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে</figcaption></figure><h3>মুঠোফোন দীর্ঘদিন সচল রাখার টিপস

</h3><p>মুঠোফোন কেনার পর দীর্ঘদিন যাতে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্যও কিছু পরামর্শ বাতলে দিলেন কবির হোসেন—</p><p>১. মুঠোফোন যেন হাত থেকে পড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। আঘাতজনিত সমস্যা অনেক সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে, যা মুঠোফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।</p><p>২. মুঠোফোন যাতে কোনো অবস্থাতেই পানিতে না পড়ে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এমনকি মুঠোফোনের গায়ে ‘ওয়াটারপ্রুফ’ লেখা থাকার পরও।</p><p>৩. চার্জার নষ্ট হয়ে গেলে কম দামের চার্জার না কিনে আসল চার্জার ব্যবহার করা উচিত। চার্জারের ভোল্টেজ বা বিদ্যুৎপ্রবাহের তারতম্যের কারণে মুঠোফোনের মাদারবোর্ড ও ব্যাটারির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। তাই বিশ্বস্ত দোকান বা কাস্টমার কেয়ার থেকে চার্জার নেওয়া উত্তম।</p><p>৪. এ ছাড়া ডেটা কেবল, ব্যাটারি বা অ্যাডাপ্টার—সবকিছুই ভালো মানের নিশ্চিত করতে পারলে মুঠোফোনের আয়ু বেড়ে যাবে অনেক। মুঠোফোন নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যাবে অনেক দিন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/ds01cjvyra">জুতা কিনতে কেন এলিফ্যান্ট রোডের রাখী সুজে ছুটে যান কিছু মানুষ? </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ইরানে ৫ ঘণ্টা ধরে ভয়াবহ বোমাবর্ষণ যুক্তরাষ্ট্রের, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতির অবরোধ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/88siv2vjeq</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/88siv2vjeq#comments</comments><guid isPermaLink="false">66e4cc21-b1c9-4fcc-ba9f-b4628f82afb8</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:54:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:54:30.742Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ডোনাল্ড ট্রাম্প,নিহত,হামলা,হুতি বিদ্রোহী,অবরোধ,সৌদি আরব,যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/oa5tr8zj/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/oa5tr8zj/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জর্ডান ও ইরাকে তিন মার্কিন সেনা নিহতের পর প্রতিশোধে উন্মত্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর নির্দেশে ইরানে টানা ১০ম রাতের মতো ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/CkbBjsK4qTA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে ১০ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরি, পদ ৪১</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/wm834m49h1</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/wm834m49h1#comments</comments><guid isPermaLink="false">a0c979e1-cd2f-4850-8bee-7fd68c0320ff</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:52:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:52:52.665Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিজেআরআই) ১০ থেকে ২০ গ্রেডে ৪১টি পদে পুনর্নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।]]></description><media:keywords>ক্যারিয়ার,সরকারি চাকরি,চাকরির খবর</media:keywords><media:content height="349" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-13/xoudxhwo/3__Freelancing.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে পুনর্নিয়োগ, পদ ৪১]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-13/xoudxhwo/3__Freelancing.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিজেআরআই) ১০ থেকে ২০ গ্রেডে পুনর্নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ৪১। নতুন করে আবেদন শুরু আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) থেকে। আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬।</p><h3>চাকরির বিবরণ—

</h3><p><strong>১. পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (মেশিন ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশন)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)।</p><p><strong>২. পদের নাম: সহকারী লাইব্রেরিয়ান</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/bdwqc9send">৫০তম বিসিএস লিখিতর ফল ঘোষিত সময়ের মধ্যেই, সম্ভব হলে আগেই, বলছে পিএসসি</a></aside><p><strong>৩. পদের নাম: বৈজ্ঞানিক সহকারী</strong></p><p>পদসংখ্যা: ৫</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)।</p><p><strong>৪. পদের নাম: জুনিয়র মাঠ সহকারী</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১২</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>৫. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী</strong></p><p>পদসংখ্যা: ৩</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/2qfjbz32yx">যুক্তরাষ্ট্রের হামফ্রে ফেলোশিপ: মাসিক ভাতাসহ ৯ মাস পড়াশোনা, যাদের সুযোগ</a></aside><p><strong>৬. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>৭. পদের নাম: স্টোর কিপার</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>৮. পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর</strong></p><p>পদসংখ্যা: ৩</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>৯. পদের নাম: অডিটর</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>১০. পদের নাম: জুনিয়র ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৬)।</p><p><strong>১১. পদের নাম: অফিস সহায়ক</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১২</p><p>বেতন স্কেল ও গ্রেড</p><p>৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)।</p><p><strong>বয়সসীমা</strong></p><p>২০ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।</p><p><strong>আবেদনের নিয়ম</strong></p><p>পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তি  <a href="http://bjri.teletalk.com.bd/" rel="nofollow">এই ওয়েবসাইটে</a> আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/i8pj7tmrfw">পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে নবমসহ বিভিন্ন গ্রেডে ১৮৫ পদে নিয়োগ, আবেদন শুরু ২২ জুলাই</a></aside><p><strong>আবেদন ফি</strong></p><p>১ নম্বর পদ: ২২৩ টাকা;</p><p>২ নম্বর পদ: ১৬৮ টাকা;</p><p>৩ থেকে ১০ নম্বর পদ: ১১২ টাকা;</p><p>১১ নম্বর পদ: ৫৬ টাকা।</p><p><strong>আবেদনের সময়সীমা</strong></p><p>আবেদন ফরম পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদান শুরুর তারিখ ও সময়: ২১ জুলাই ২০২৬, সকাল ১০:০০টা।</p><p>আবেদন ফরম জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ০৪:০০টা।</p><p><strong>নির্দেশনা</strong></p><p>গত ২ জুন ২০২৪, ৪ আগস্ট ২০২৫ এবং ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই।</p><p>বিস্তারিত <a href="https://bjri.gov.bd/pages/static-pages/6a5c5f365adca3a8fa9744bd" rel="nofollow">দেখুন </a> এই ঠিকানায়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম: স্বচক্ষে যা দেখলাম, অভিজ্ঞতায় যা শিখলাম</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/icoeo7j4dc</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/icoeo7j4dc#comments</comments><guid isPermaLink="false">697ac21a-39cb-408b-b5c1-86b3ea3e84db</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:49:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:49:30.527Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি কোনো সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই এই পদে আসীন হয়েছেন।]]></description><media:keywords>যুক্তরাজ্য,ইউরোপ দূর পরবাস</media:keywords><media:content height="692" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jkv9rhxg/1.jpg" width="1080"><media:title type="html"><![CDATA[ অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে লেখক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jkv9rhxg/1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>দূর পরবাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বর্তমান বিশ্বে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব অনেক দেশেই আছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেন সম্ভবত এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। যুক্তরাজ্যে গত ১০ বছরে যেখানে একজন প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ কিংবা পর পর দুজন প্রধানমন্ত্রীর মাত্র এক মেয়াদ করে ক্ষমতায় থাকার কথা, সেখানে আজ পর্যন্ত ছয়জন প্রধানমন্ত্রী গত হয়ে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাসীন হয়েছেন। গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) নর্থ ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটির সদ্য সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।</p><p> এবার সরকার পরিবর্তনে উপরোক্ত প্রচলিত সব প্রথার ধারাবাহিকতা ঠিক থাকলেও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়াতে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছে। কারণ, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম কোনো সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দুই বছর আগে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক পার্লামেন্ট মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে বিজয়ী লেবার সরকার গঠন করেছিলেন সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। কিন্তু ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনের গাজায় নৃশংস গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের দুর্বল ভূমিকা এবং দেশের ভেতরে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে সরকারের ক্রমশ ব্যর্থতা গত দুই বছরে লেবার পার্টির জনপ্রিয়তাকে বিপুল সংকটের মুখে ফেলে। এর ফলশ্রুতিতে মে মাসে অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির বিপুল পরাজয় ঘটে। এর পর থেকে মূলত নিজ দলের ভেতর থেকেই প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের দাবি উঠতে থাকে এবং একপর্যায়ে তা এমন জোরালো আকার ধারণ করে যে কিয়ার স্টারমারের পক্ষে তা অগ্রাহ্য করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। পার্লামেন্টে দলের অর্ধেকের বেশি সদস্যের দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দলীয় প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন, যার ফলে অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে দলীয় এমপিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলীয় প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেন।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>অ্যান্ডি বার্নহ্যাম যুক্তরাজ্যের একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদ, যিনি জনসেবামূলক নেতৃত্ব, আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁর কাজের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ব্রিটেনের তৃতীয় বৃহত্তম মহানগর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গণপরিবহন উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আবাসন এবং জনস্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে অঞ্চলটির পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।</p><p>বার্নহ্যামের নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্থানীয় জনগণের চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়া। তিনি প্রায়ই সামাজিক বৈষম্য কমানো, সুযোগের সমতা বৃদ্ধি এবং কম আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পক্ষে কথা বলেছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি স্থানীয় ব্যবসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন।</p><p>কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও তিনি স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তাঁর অবস্থান জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এবং অনেকেই স্থানীয় জনগণের পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থানকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন।</p><p>সমর্থকদের মতে, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এমন একজন নেতা যিনি স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নত গণপরিবহন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে তাঁর নীতিমালা আঞ্চলিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে সহায়তা করেছে।</p><p>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে প্রথম ভাষণে তাঁর উপরোক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেছে। ভাষণে তিনি রাজনীতিতে নতুন সূচনার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, গত এক দশকে বারবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের কারণে জনগণের আস্থা নষ্ট হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই পরিস্থিতিকে বদলানোর জন্য তিনি একটি ‘circuit breaker’ বা বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে চান। তিনি আগামী ১০ বছরের জন্য একটি জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন করার কথাও বলেছেন, যাতে অর্থনীতি, জনসেবা ও অবকাঠামোকে নতুনভাবে গড়ে তোলা যায়। এ ছাড়া তিনি সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন এবং অচিরেই এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন।</p><p>ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ আমার হয়েছে। প্রায় বছর তিনেক আগে চ্যানেল এস টেলিভিশনের ইয়র্কশায়ার ব্যুরো চিফ হিসেবে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির একটি কনফারেন্সে যোগদানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম পার্টির প্রভাবশালী এমপি রিচার্ড বার্গনের কাছ থেকে। রিচার্ড জানিয়েছিলেন, ম্যানচেস্টার সিটির মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামও আসবেন অনুষ্ঠানে। বার্নহ্যাম তখন ম্যানচেস্টারে উন্নয়নমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তা ছাড়া ইতিপূর্বে লেবার পার্টির লিডার হওয়ার দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণেও তিনি মিডিয়ার লাইম লাইটে। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, সম্ভব হলে তাঁর একটি সাক্ষাৎকার নিতে হবে। পরিকল্পনা মোতাবেক হাজির হলাম অনুষ্ঠানে। এমপি রিচার্ড বার্গন উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন। </p><p>তারপর অনুষ্ঠানের বক্তব্য-পর্ব শেষে মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন আমাকে। তাঁর সামনে গিয়ে আমি কিছুটা বিব্রত বোধ করলাম। কারণ, যাঁকে ইন্টারভিউ করার নিয়তে স্যুট-টাই পরে এলাম, তাঁকে সাধারণ একটা শার্টের ওপরে নীল ব্লেজার, জিনস প্যান্ট আর পায়ে কেডস পরে এসেছেন দেখে অবাকই হলাম। যাই হোক, পরিচিত হওয়ার পর অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আমার সঙ্গে এমন আন্তরিকভাবে কথা বললেন, মনে হলো যেন আমাকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। কিন্তু আমি জানি, তাঁর মতো একজন সিনিয়র নেতা আমাকে চেনার কথা নয়। মনে মনে ভাবছিলাম, মানুষকে আপন করে নেওয়ার কি অসাধারণ তার ক্ষমতা। একজন রাজনীতিবিদের জন্য নিশ্চয়ই এটা একটা বড় যোগ্যতা। </p><p>যাই হোক, তাঁকে ক্যামেরার সামনে ছোট্ট একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার অনুরোধে তিনি সানন্দে রাজিও হলেন। বিদায় নেওয়ার আগে এই লেখার সঙ্গে সংযুক্ত ছবিটিও তুলেছিলাম। সেদিন তাঁর সাধারণ বেশ-ভূষা দেখে যত না অবাক হয়েছিলাম, তার চেয়েও বিস্মিত হয়েছিলাম তাঁকে গাড়িতে তুলে বিদায় দিতে গিয়ে। তাঁর যাওয়ার প্রাক্কালে এমপি রিচার্ড বললেন, ‘চলো, অ্যান্ডিকে এগিয়ে দিয়ে আসি।’ আমি ভেবেছিলাম, ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দলের এত বড় নেতা! সঙ্গে নিশ্চয়ই কিছু সিকিউরিটি আর গাড়ি থাকবে অন্তত দুই-তিনটা। কিন্তু তাঁর গাড়ির কাছে গিয়ে দেখি, কোথাও কেউ নেই। তিনি একাই এসেছেন তার সাধারণ ব্র্যান্ডের ব্যক্তিগত গাড়িটি নিজে চালিয়ে। তখন স্বপ্নেও ভাবিনি, মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে বিশ্বের এক অন্যতম পরাশক্তি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাবেন এই মানুষটি। আমার এই ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে একটা জিনিস শিখলাম, প্রকৃত নেতারা ক্ষমতার দাপট দেখান না। তাঁদের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁদের কাজে। এটার চর্চা হওয়া উচিত আমাদের দেশেও।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/ct0zsqtqyh</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/ct0zsqtqyh#comments</comments><guid isPermaLink="false">26ec4e51-986b-43f9-b042-d35fd0c6769b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:47:02 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:47:02.578Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।]]></description><media:keywords>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,মন্ত্রিসভা,বিএনপি সরকার</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3rf46kfu/Zahed-Ur-Rahman.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও  সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3rf46kfu/Zahed-Ur-Rahman.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য ভালো ‘পারফর্ম’ করতে পারছেন না, তাহলে তাঁর জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেবেন। তবে এটি সরকারের ১৮০ দিনের পরপর নাকি আরও সময় লাগবে, সেটা নিশ্চিত নয়। এসব কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও  সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।</p><p>আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।</p><p>গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেন।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাওয়া হয়, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভায় কোনো রদবদল হওয়ার আলোচনা আছে কি না। এই প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।</p><p>জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটি মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন। একটি উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। যেটুকু ওঁনার (প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি বুঝি, ওনার (প্রধানমন্ত্রী) যদি কখনো মনে হয়, কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না—তাঁর জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়া, এগুলো যদি প্রয়োজন হয়, সেটা তিনি করবেন। কারণ দিন শেষে জনগণের কল্যাণ সাধন করা...প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কোনো চয়েস বা সিদ্ধান্ত আরও বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। তাঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে মনে হয়েছে। এটা এখন ১৮০ দিনের (সরকারের ১৮০ দিন) পরপর হবে, নাকি তার চেয়ে একটু সময় লাগবে, এটা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।’</p><p>সাইবার বুলিং, অপতথ্য রোধে আইনগত বিষয় দেখভালের জন্য একটি আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হচ্ছে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন উপদেষ্টা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আর্লিং হলান্ডের হাঁটা নকল করে ভাইরাল বিটিএস তারকা জিমিন</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/0ebmrknmer</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/0ebmrknmer#comments</comments><guid isPermaLink="false">2b3994c2-c4b1-4f31-b4a9-522f3cdf7c11</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:45:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>জিমিন বিটিএস,বিটিএস</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-19/ulha6p41/9982b826-f83b-4987-ac81-89d6fb08a76e.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ আর্লিং হলান্ডের সিগনেচার স্টাইলে হাঁটলেন বিটিএস তারকা জিমিন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-19/ulha6p41/9982b826-f83b-4987-ac81-89d6fb08a76e.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আর্লিং হলান্ডের সিগনেচার স্টাইলে হেঁটে চমকে দিলেন বিটিএস তারকা জিমিন। হলান্ডের মতো ঘাড় ঝুঁকে হাঁটতে দেখা গেছে তাঁকে।</p><p>জার্মানিতে বিটিএসের আরিরাং ট্যুরে শো করছিলেন জিমিন। সেখানে হলান্ডের আদলে জিমিনের হাঁটার ভঙ্গি দেখে দর্শকের মাঝে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>ইএসপিএন মেক্সিকো জানিয়েছে, ১১ জুলাই মিউনিখের অ্যালিয়ানৎস অ্যারেনায় এই ঘটনা ঘটে। মূল কনসার্টের আগে সাউন্ডচেকের সময় এক ভক্তের হাতে থাকা একটি পোস্টার জিমিনের নজরে পড়ে। পোস্টারে মার্ভেলের সুপারহিরো থর, আর্লিং হলান্ড ও জিমিনের ছবি পাশাপাশি ছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/e05ae622-0a42-43db-a874-fac2828ede26/jimin.jpg" /><figcaption>জিমিন</figcaption></figure><p>পোস্টারে কোরীয় ভাষায় থরকে বলা হয় ‘বজ্রের দেবতা’, হলান্ডকে ‘ফুটবলের দেবতা’ এবং জিমিনকে ‘আমাদের দেবতা’। পোস্টারটি দেখে হেসে উঠেন জিমিন।</p><p>পরে মূল কনসার্টে জিমিন মঞ্চে হলান্ডের পরিচিত হাঁটার ভঙ্গি নকল করে দেখান। দর্শকেরা তখন করতালি ও উল্লাসে ফেটে পড়েন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/mpnrykmoik">জিমিন কি প্রেম করছেন</a></aside><p>ঘটনার ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইএসপিএন মেক্সিকো ভিডিওটি প্রকাশ করে লিখেছে, ‘হলান্ড জ্বর এবার পৌঁছে গেছে বিটিএসেও।’</p><p>চিলির সংগীতভিত্তিক রেডিও নেটওয়ার্ক এলওএস ফোরটিও জিমিন ও হলান্ডের পাশাপাশি দুটি ছবি প্রকাশ করে। পোস্টে কে-পপ তারকা ও নরওয়েজীয় ফুটবলারের এই মজার মিলকে তুলে ধরা হয়।</p><p><sup>কোরিয়া হেরাল্ড অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>কুমিল্লায় দুধ দিয়ে গোসল করে ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া’ ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ ঘিরে হামলা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/o3sa06fepv</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/o3sa06fepv#comments</comments><guid isPermaLink="false">d140dbd9-add0-4194-83f1-591327c5f24a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:40:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:40:08.388Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের পুনর্বহালকে কেন্দ্র করে ইউপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সচিবকে মারধরের ঘটনা উঠেছে।]]></description><media:keywords>হামলা,দেবীদ্বার,ইউপি চেয়ারম্যান,ইউনিয়ন পরিষদ,চট্টগ্রাম বিভাগ,কুমিল্লা,আওয়ামী লীগ</media:keywords><media:content height="557" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/vkw2tul3/cumilladh175220260720img-20260720-wa0124.jpg" width="689"><media:title type="html"><![CDATA[ কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউপি কার্যালয়ে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর চালায় একদল ব্যক্তি। গতকাল সকাল ১০টার দিকে তোলা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/vkw2tul3/cumilladh175220260720img-20260720-wa0124.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের পুনর্বহালকে কেন্দ্র করে ইউপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সচিবকে মারধরের ঘটনা উঠেছে। এ বিষয়ে গতকাল সোমবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ইউপি সচিব।</p><p>গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ফতেহাবাদ ইউপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>এই ইউপি চেয়ারম্যান হলেন কামরুজ্জামান মাসুদ। তিনি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দেন। পরে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় রুবেল হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়।</p><p>পুলিশ, লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের গতকাল আবার দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ইউপি কার্যালয়ের সামনে একদল মানুষ জড়ো হন। একপর্যায়ে উত্তেজনার মধ্যে একদল মানুষ ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ইউপি সচিব) আবু হানিফের কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3byjd64l/cumilla_dh1752_20260720_img_20260720_wa0117.jpg" /><figcaption>ইউপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের সময় মারধরের শিকার হন ফতেহাবাদ ইউপি সচিব আবু হানিফ</figcaption></figure><p>খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত ইউপি সচিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।</p><p>স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর কামরুজ্জামান মাসুদ একাধিক মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিন মাসের ছুটিতে যান এবং ইউপি সদস্য মো. সালাউদ্দিন রুহুলকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন।</p><p>পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে নিম্ন আদালতে হাজির হলে আদালত কামরুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রায় এক মাস আগে আবার উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন পান। এরপর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবেদন করলে তাঁকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল তাঁর দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার কথা ছিল।</p><p>ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন রুহুল বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। গতকাল দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় ইউপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দলের সমর্থকেরা সচিবের কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধর করেন।</p><p>এ বিষয়ে জানতে ইউপি সচিব আবু হানিফ রানা ও ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p><p>বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা। তিনি বলেন, ইউপি সচিবের ওপর হামলার ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্রও পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে।</p><p>দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত ইউপি সচিবকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/wnfljeulva</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/wnfljeulva#comments</comments><guid isPermaLink="false">f81887fc-78ed-4bc2-b09c-f6f29537c1bf</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:38:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:38:23.788Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এ ঘটনার একটি ভিডিও সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ অভিযুক্ত জহির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।]]></description><media:keywords>গ্রেপ্তার,মামলা,রামগঞ্জ,লক্ষ্মীপুর,চট্টগ্রাম বিভাগ,নারী</media:keywords><media:content height="675" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/43741w90/35662af6df72420dbcf2f8c38ba91a43.jpg" width="832"><media:title type="html"><![CDATA[ স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার জহির হোসেন ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/43741w90/35662af6df72420dbcf2f8c38ba91a43.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে আহত গৃহবধূ মরিয়ম বেগম (২০) থানায় মামলা করেন। অভিযুক্ত স্বামী জহির হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।</p><p>গত রোববার গভীর রাতে রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত জহির হোসেন ওই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি অটোরিকশাচালক।</p><p>এ ঘটনার একটি ভিডিও সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ অভিযুক্ত জহির হোসেনকে রাতেই আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে স্ত্রীর করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।</p><p>প্রায় দুই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামী জহিরের মারধরের শিকার হয়ে চিৎকার করে কাঁদছেন গৃহবধূ মরিয়ম বেগম। আর জহির খেলা দেখতে না দেওয়া নিয়ে স্ত্রীকে প্রশ্ন করে যাচ্ছেন।</p><p>পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মরিয়ম বেগমের বাড়ি চট্টগ্রামে। প্রায় দুই বছর আগে জহির হোসেন তাঁকে বিয়ে করে রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকায় নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এই দম্পতির পাঁচ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখা নিয়ে তাঁদের দুজনের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে জহির হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পারিবারিক বিরোধে আগেও জহির তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।</p><p>মরিয়ম বেগম পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে তিনি ঘরে একা ছিলেন। এ অবস্থায় স্বামীকে বাইরে গিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখতে যেতে নিষেধ করেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে জহির একটি লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।</p><p>জহির মাদকাসক্ত এবং মাদক সেবনের পর প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন বলে তাঁর প্রতিবেশীরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন। রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা করা হয় এবং অভিযুক্ত জহির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মারধরের ঘটনায় গৃহবধূ হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>২৪ বছর আগে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/j98828i6vy</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/j98828i6vy#comments</comments><guid isPermaLink="false">9bffa711-4863-4c7f-bad7-f504b7bf6d9b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:34:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:34:42.468Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।]]></description><media:keywords>রায়,মামলা,কারাদণ্ড,ধর্ষণ,আইন ও আদালত,আইন ও বিচার</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/s98v60c3/life-imprisonment.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া তিন আসামির মধ্যে দুজন আজ মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/s98v60c3/life-imprisonment.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকার নবাবগঞ্জে ২৪ বছর আগে এক তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।</p><p>আজ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন সুজন, জুলহাস ও মোহাম্মদ।</p><p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম জানান, একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। রায়ে আদালত দণ্ডিত আসামিদের স্থাবর–অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী বা তাঁর পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>রায় ঘোষণার সময় আসামি সুজন ও মোহাম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অপর আসামি জুলহাস পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।</p><p>মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২০০২ সালে ২২ মার্চ রাতে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেন।</p><p>মামলা তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ জুলাই তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে নবাবগঞ্জ থানা–পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জুলাইয়ের লড়াই এখনো চলছে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/owppmiuyzz</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/owppmiuyzz#comments</comments><guid isPermaLink="false">0c117b4c-aa67-49f1-a682-a12fb85dfe93</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:34:03 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:34:03.486Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ লোকটির এই একটি বাক্য আমাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিল। বুঝতে পারলাম, এ দেশের বহু মানুষের কাছে মৃত্যু কখনো কখনো জীবনের চেয়ে কম কষ্টের মনে হতে পারে।]]></description><media:keywords>বিশেষ সংখ্যা,অভ্যুত্থানের অন্দরে,জুলাই গণ-অভ্যুত্থান</media:keywords><media:content height="292" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ogx7ig6f/Untitled-2.jpg" width="438"><media:title type="html"><![CDATA[ লাখো মানুষের দ্রোহযাত্রা পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ২ আগস্ট ২০২৪]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ogx7ig6f/Untitled-2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><category>বিশেষ সংখ্যা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চব্বিশের জুলাইয়ের স্মৃতির কথা বলতে গেলে সবার আগে আমার মনে পড়ে এক বৃদ্ধ রিকশাচালকের কথা। ১৯ জুলাই সকালে তিনি মালিবাগে রাস্তায় নেমেছিলেন। আগের দিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় দুই রিকশাচালক নিহত হয়েছিলেন। সেই প্রতিবাদেই তিনি এসেছিলেন।</p><p>পুলিশ গুলি শুরু করলে আমরা একটা গলিতে আশ্রয় নিই। কিন্তু গলির মুখে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধ লোকটি অন্যদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে বললাম, ‘চাচা, ভিতরে চলে আসেন। গুলি লাগবে।’</p><p>বৃদ্ধ লোকটি আমার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, ‘গুলি লাগলে ভালো। কালকে থেকে আর বাড়িতে বিকাশ করতে হবে না।’</p><blockquote>পুলিশ গুলি শুরু করলে আমরা একটা গলিতে আশ্রয় নিই। কিন্তু গলির মুখে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধ লোকটি অন্যদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে বললাম, ‘চাচা, ভিতরে চলে আসেন। গুলি লাগবে।’</blockquote><p>লোকটির এই একটি বাক্য আমাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিল। বুঝতে পারলাম, এ দেশের বহু মানুষের কাছে মৃত্যু কখনো কখনো জীবনের চেয়ে কম কষ্টের মনে হতে পারে।</p><p>সেদিন রাতেই কারফিউ জারি হয়। আমি তখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার ছোট ভাইয়ের বন্ধু প্রিয়র মরদেহ খুঁজছি।</p><blockquote>সেই রাতেই মাথায় জেদ উঠে গিয়েছিল, শেখ হাসিনার শাসন আর নয়। এবারই তাঁর পতন হতে হবে।</blockquote><p>হাসপাতালের সেই দৃশ্য আজও আমাকে তাড়া করে ফেরে। হাসপাতালের মর্গে জায়গা নেই। মর্গের বাইরেও মরদেহ রাখা হচ্ছে। জরুরি বিভাগের সামনে শুধু আহত আর আহত। ডাক্তাররা একটানা কাজ করতে করতে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ছিলেন। একের পর এক গুলিবিদ্ধ মানুষ আসছিল।</p><p>সেই রাতের ভয়াবহতা ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। আমি যেন নিজের ভেতরে ছিলাম না। চিৎকার করে বলছিলাম, ‘শেখ হাসিনা এ দেশে থাকতে পারবে না। দেশ ছেড়ে পালাতে পারবে না।’ আসলে আমার হিতাহিত জ্ঞান ছিল না। হাসপাতালের পুলিশ আমাকে ঘিরে ধরেছিল। শেষ পর্যন্ত দুই সাংবাদিক বন্ধু আমাকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসে। সেই রাতেই মাথায় জেদ উঠে গিয়েছিল, শেখ হাসিনার শাসন আর নয়। এবারই তাঁর পতন হতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/65llid41/Untitled-4.jpg" /><figcaption>অনীক রায়
</figcaption></figure><p>তার পরের ঘটনা তো সবারই জানা। জনতা পথে নেমে পড়লে যে বিরাট স্বৈরাচারও টিকে থাকতে পারে না, তারই প্রমাণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান।</p><p>২ আগস্টের দ্রোহযাত্রা নিয়ে বলতে হয়। আন্দোলন চলছিল, কিন্তু বহু মানুষ একসঙ্গে শরিক হতে পারছিল না। তাই প্রথমের শোকযাত্রা কর্মসূচির বদলে আন্দোলনকে বেগবান করে তুলতে আমরা তার নাম দিই ‘দ্রোহযাত্রা’। আমরা জানতাম না, কারা কীভাবে আসবে। কিন্তু মিছিল বের হতেই হাজার হাজার মানুষ। মানুষের সেই অবিরাম ঢল দেখে পুলিশও পালিয়ে গেল। মিছিল যখন পুলিশের সব বাধা পেরিয়ে শহীদ মিনারে পৌঁছাল, তখনই উপলব্ধি করেছিলাম, শেখ হাসিনার পতন শুধু সময়ের ব্যাপার। মানুষ সেটাই ঘটিয়ে ছাড়ল।</p><p>কিন্তু আমাদের মধ্যে যে নতুন রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠেছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তা বাস্তবে রূপ পেল না। আমাদের সামনে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল শুধু একটি সরকার পরিবর্তনের নয়; বরং রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে দেওয়ার, একটি অধিকতর জনগণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার। কিন্তু ইতিহাসের বহু বিপ্লবের মতোই ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটলেও রাষ্ট্রের রূপান্তর আমরা ঘটাতে পারলাম না। আর এই ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই প্রতিশোধের রাজনীতি এবং নানা ধরনের উগ্রবাদী চিন্তার বিস্তার ঘটেছে।</p><p>‎যেকোনো অভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা ওঠে—এর পর কী? সরকার পতনের পর নতুন রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে, কোন মূল্যবোধের ওপর নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, কীভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং নাগরিকের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত হবে? এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না থাকলে সেই শূন্যস্থান অন্য কেউ পূরণ করে। ইতিহাস বলে, রাজনৈতিক শূন্যতা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। হয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে, নয়তো উগ্রতা তার জায়গা করে নেবে।</p><blockquote>মানুষের সেই অবিরাম ঢল দেখে পুলিশও পালিয়ে গেল। মিছিল যখন পুলিশের সব বাধা পেরিয়ে শহীদ মিনারে পৌঁছাল, তখনই উপলব্ধি করেছিলাম, শেখ হাসিনার পতন শুধু সময়ের ব্যাপার। মানুষ সেটাই ঘটিয়ে ছাড়ল।</blockquote><p>‎বাংলাদেশেও আমরা সেই বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছি। দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী শাসনের ফলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিল। প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ফলে সরকার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের জন্য যে রকম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের দরকার ছিল, তা ছিল না। এই সুযোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চেয়ে তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়ে।</p><p>‎তার সঙ্গে যুক্ত হয় প্রতিশোধের সংস্কৃতি। যে সমাজ বহু বছর ধরে দমন-পীড়নের শিকার হয়, সেখানে প্রতিশোধস্পৃহা জন্ম নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু প্রতিশোধ তো কখনো ন্যায়বিচারের বিকল্প হতে পারে না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় আইনের মাধ্যমে। প্রতিশোধ সফল হয় অপরিশোধিত আবেগের মাধ্যমে। রাষ্ট্র অপরিশোধিত আবেগ দিয়ে পরিচালিত হলে নতুন অন্যায়ের জন্ম হয়।</p><p>‎এ রকম পরিস্থিতিতেই উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। উগ্রবাদ শুধু ধর্মীয় উগ্রতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; রাজনৈতিক, জাতীয়তাবাদী বা আদর্শিক উগ্রতাও গণতন্ত্রের জন্য একই রকম বিপজ্জনক। উগ্র রাজনীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো তা সমাজকে ‘আমরা’ ও ‘ওরা’—এভাবে বিভক্ত করে ফেলে। ভিন্নমতকে প্রতিপক্ষ নয়, শত্রু হিসেবে দেখতে শেখায়। ফলে সমাজে আলোচনা, আপস ও গণতান্ত্রিক সমাধানের পথ সংকুচিত হতে থাকে।</p><blockquote>মিছিল বের হতেই হাজার হাজার মানুষ। মানুষের সেই অবিরাম ঢল দেখে পুলিশও পালিয়ে গেল। মিছিল যখন পুলিশের সব বাধা পেরিয়ে শহীদ মিনারে পৌঁছাল, তখনই উপলব্ধি করেছিলাম, শেখ হাসিনার পতন শুধু সময়ের ব্যাপার। মানুষ সেটাই ঘটিয়ে ছাড়ল</blockquote><p>‎বাংলাদেশের মতো বহুমাত্রিক সমাজে এ ধরনের বিভাজন আরও বিপজ্জনক। কারণ, এখানে ধর্ম, ভাষা, অঞ্চল, শ্রেণি, পেশা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের বৈচিত্র্য রয়েছে। এই বৈচিত্র্যকে সম্মান না করে যদি একটিমাত্র মতাদর্শকে রাষ্ট্রের একমাত্র সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া হয়, তাহলে সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে।</p><p>‎এ কারণেই বর্তমান সময়ে সামাজিক গণতন্ত্র নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সামাজিক গণতন্ত্র কোনো চরমপন্থার রাজনীতি নয়। এটি মুক্ত নির্বাচন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের সঙ্গে সামাজিক ন্যায়বিচার, কল্যাণরাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক সমতার সমন্বয় ঘটাতে চায়।</p><p>‎সামাজিক গণতন্ত্র বিশ্বাস করে বাজার থাকবে, কিন্তু বাজারই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে না। রাষ্ট্র থাকবে, কিন্তু রাষ্ট্র নাগরিকের স্বাধীনতা কেড়ে নেবে না। ব্যক্তিগত উদ্যোগ থাকবে, কিন্তু শ্রমিকের অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে, এবং সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।</p><p>‎বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই দর্শনের গুরুত্ব আরও বেশি। আমাদের প্রধান সংকট কেবল রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিকও। বেকারত্বের পাশাপাশি বৈষম্য বাড়ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অধিগম্যতায় বৈষম্য রয়েছে। শহর ও গ্রামে উন্নয়নের ব্যবধান প্রকট। কেবলই জিডিপির বৃদ্ধি এসব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। দরকার এমন রাষ্ট্র, যা নাগরিককে শুধু ভোটার হিসেবে নয়, অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে দেখবে; রাজনীতি যেখানে সংলাপকে গুরুত্ব দেবে।</p><p>শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন নয়, সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষাও গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করা নয়, গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করাই একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভিত্তি।</p><p>‎জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা হলো রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি, দল বা মতাদর্শের সম্পত্তি নয়। রাষ্ট্র সবার। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হতে হবে সংবিধান, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন। ব্যক্তিনির্ভর রাজনীতি যত কমবে, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রাজনীতি তত শক্তিশালী হবে।</p><blockquote>জুলাই আমাদের পরিবর্তনের সাহস দিয়েছে। তবে সাহসই যথেষ্ট নয়। সাহসকে স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট রাজনৈতিক দর্শন, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আবারও যদি আমরা ব্যক্তিপূজা, প্রতিশোধের রাজনীতি বা উগ্র মতাদর্শের কাছে আত্মসমর্পণ করি, তাহলে ইতিহাস আমাদের একই চক্রে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।</blockquote><p>‎আজ আমাদের প্রয়োজন এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সরকারের সমালোচনা করাকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলা হবে না; বিরোধী দলকে শত্রু মনে করা হবে না; সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক বা শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে পারবেন; যেখানে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। ক্ষমতার পরিবর্তন রক্তপাতে নয়, হবে নির্বাচনে।</p><p>‎জুলাই আমাদের পরিবর্তনের সাহস দিয়েছে। তবে সাহসই যথেষ্ট নয়। সাহসকে স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট রাজনৈতিক দর্শন, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আবারও যদি আমরা ব্যক্তিপূজা, প্রতিশোধের রাজনীতি বা উগ্র মতাদর্শের কাছে আত্মসমর্পণ করি, তাহলে ইতিহাস আমাদের একই চক্রে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।</p><p>‎বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আমরা কোন পথ বেছে নিই, তার ওপর। একটি পথ বিভাজন, ঘৃণা ও প্রতিশোধের; অন্যটি গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং মানবিক রাষ্ট্র গঠনের। এই দ্বিতীয় পথেরই নাম সামাজিক গণতন্ত্র। এটি নিখুঁত কোনো ব্যবস্থা নয়, কিন্তু বহুত্ববাদী সমাজে স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।</p><p>অনেকেই উগ্রপন্থার বেড়ে যাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করছেন, কিন্তু আমি ততটা হতাশ নই। জুলাইয়ের পর মানুষের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে কোনো রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি। সেই শক্তিই আমাদের গড়ে তুলতে হবে। সেই সংগ্রামই আমরা করছি। আশা করি, সেই শক্তি আমরা গড়ে তুলতে পারব, যা বাংলাদেশকে একদিন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে।</p><p>যে অনুপ্রেরণায় আমরা জুলাইয়ের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, সেই লড়াই এখনো চলছে। বাংলাদেশের মানুষ শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবেই।</p><ul><li><p><strong>অনীক রায়:</strong> জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী; রাজনৈতিক কর্মী</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>দম্ভের কারণেই কি ‘ককরোচদের’ বুঝছে না মোদি সরকার?</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/dnxahwqjma</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/dnxahwqjma#comments</comments><guid isPermaLink="false">e58e91dd-75ad-4537-b17d-dc4d97bd73fb</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:33:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:33:51.391Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যখন শিক্ষার্থীদের ওপর শক্তি প্রয়োগ হচ্ছে, তখন পার্লামেন্টে মোদির প্রসঙ্গবিহীন মন্তব্য শক্তিশালী সরকারের অহমিকা প্রদর্শনের ইঙ্গিত হিসেবেই ধরা পড়েছে।]]></description><media:keywords>নরেন্দ্র মোদি,বিজেপি,ভারত,দিল্লি,ককরোচ জনতা পার্টি</media:keywords><media:content height="5504" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jj15ey73/155687-01-02.jpg" width="8256"><media:title type="html"><![CDATA[ ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে নয়াদিল্লিতে চিকিৎসা প্রবেশিকা (নিট) পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন। ককরোচ পার্টি আন্দোলন ঘোষণা করেছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবে। ২১ জুলাই, ২০২৬।
]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jj15ey73/155687-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২০১৬ সালের ছবি ‘সুলতান’-এ অনুষ্কা শর্মার চরিত্রটি তার কুস্তিগির স্বামী সুলতানকে এক তীব্র ধমক দিয়েছিল। সে বলেছিল, ‘আমি তোকে সম্মান অর্জন করতে বলেছিলাম, আর তুই অর্জন করে এনেছিস অহংকার।’ </p><p>আজকের ভারতে অনেকেই হয়তো এই সংলাপের সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন।</p><p>সোমবার রাষ্ট্রশক্তির কড়া প্রদর্শনে সেই অহংকার দেখা গেল। হাজার হাজার তরুণ-তরুণী চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংসদের দিকে মিছিল করছিলেন। </p><p>পুলিশ লাঠিচার্জ করল, কাঁদানে গ্যাস ছুড়ল, যাতে তাঁরা সংসদের কাছে পৌঁছতে না পারেন। </p><p>এর মধ্যেই তিন সপ্তাহ ধরে অনশনে থাকা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোর করে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তিনি নিজেও মিছিলে যোগ দিতে পারেননি, কারণ তাঁর ভাষ্যমতে তাঁকে বেআইনিভাবে আটক করে রাখা হয়েছে।</p><p>এই সব ঘটনার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে তাঁর নিয়মিত ভাষণ দিলেন। কিন্তু সংসদ থেকে কয়েক শ মিটার দূরে দেশের যুবসমাজের ওপর যা ঘটছে, তার উল্লেখও করলেন না তিনি। যেন তাঁরা গুরুত্বহীন। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/6u77d5l97q">ভারতে মাঠ দখলের পরীক্ষায় পাস করবে কি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’</a></aside><p>বরং হায়দরাবাদের একটি সংস্থার রকেট উৎক্ষেপণের সাফল্যের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বিরোধী নেতাকে কটাক্ষ করলেন। বললেন, এই সাফল্য এসেছে আটাশ বছরের তরুণদের কাছ থেকে, ‘ছাপ্পান্ন বছরের তরুণ’দের কাছ থেকে নয়।</p><p>মোদির মন্তব্যটি প্রসঙ্গবিহীন ছিল। কিন্তু সেই সময় যখন রাজধানীতে ছাত্রদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগ হচ্ছে, তখন এই মন্তব্য অনেকের কাছে শক্তিশালী সরকারের অহমিকা প্রদর্শনের ইঙ্গিত হিসেবেই ধরা পড়েছে।</p><p>এখানে একটু অন্য দিকও দেখা যাক। অনেকেই বলবেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি এমন কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলেন না, যা তাঁর সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। তিনি আগের সরকারের ভুল করতে চান না।</p><p>মনমোহন সিংহ ও সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন সরকার বিরোধীদের চাপে পড়ে এবং জনরোষের মুখে পড়ে একের পর এক মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/okk69ytk7x">‘তেলাপোকা’র প্রতিরোধ ভারতে কেন এত  আলোড়ন তুলল</a></aside><p>তেল-কেলেঙ্কারি, সন্ত্রাসী হামলা, দুর্নীতি—নানা ঘটনায় পদত্যাগের নজির ছিল। পরে কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছিলেন, সোনিয়া গান্ধী নিজেও নাকি মনে করেছিলেন, এত সহজে পদত্যাগ করানো ভুল ছিল। এতে বিরোধীরা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।</p><p>তবে অনেকেই মনে করেন, জনমতের প্রতি সাড়া দেওয়া গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব। তাতে রাজনৈতিক মূল্য দিতে হলেও। কিন্তু মোদি সরকার বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখে।</p><p>লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবার চিকিৎসা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম নিয়ে ক্ষুব্ধ। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ মানে দুর্বলতার স্বীকারোক্তি—এই যুক্তিতে সরকার নতি স্বীকার করছে না।</p><p>এর আগে অন্না হাজারের অনশনেও সরকার দ্রুত নতি স্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরিণতিতেই শেষ পর্যন্ত সেই সরকারের পতনের পথ তৈরি হয়েছিল। আজ লোকপাল আদৌ কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/qatxykteum">গেরুয়ার এই জয় পশ্চিমবঙ্গকে যেভাবে ভেতর থেকে বদলে দেবে</a></aside><p>এই প্রেক্ষাপটে সরকার ককরোচ জনতা পার্টি বা সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। সেটাকে স্বাভাবিক বলে মনে হতে পারে।</p><p>আন্দোলন যখন সংসদের সামনে বড় আকার নিতে শুরু করল, তখন পুলিশ ব্যবস্থা নিল। ওয়াংচুককে হাসপাতালে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালে নিতে চাইলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি।</p><p>তবে সোমবারের ঘটনায় সরকার কিছুটা চমকে গিয়েছে বলেই মনে হয়। তারা হয়তো ভাবেনি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়িয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে এত যুবক-যুবতী রাজধানীতে এসে জড়ো হবে।</p><p>পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করতে হয়েছে। অতীতে কৃষক আন্দোলনের সময় সরকারকে আইন প্রত্যাহার করতে হয়েছিল। এবারও কি তেমন কিছু হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/96i0pevk/152602-01-02.jpg" /><figcaption>ভারতের বারাণসীর বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) এক শিক্ষার্থী ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতি সংহতি জানিয়ে ‘ভারতের সংবিধান’-এর একটি কপি হাতে তুলে ধরেছেন। ২০ জুলাই ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে চিকিৎসা প্রবেশিকা (নিট) পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হয়।</figcaption></figure><p>সরকারের এখন নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। এই তরুণেরা শুধু প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ করছে না। শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে না।</p><p>তাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে, যারা দিল্লির নামীদামি স্কুলে পড়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে, যাদের সরাসরি এই সমস্যার সঙ্গে সম্পর্ক নেই।</p><p>তবুও তারা এটিকে নিজেদের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করছে। সরকারের সঙ্গে কথা বলার অনীহাই তাদের ক্ষুব্ধ করে তুলছে। রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন কিছুটা ভূমিকা নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই আন্দোলনকে শুধুই বিরোধীদের কাজ বলে দেখলে ভুল হবে।</p><p>প্রশ্নফাঁস কেবল একটি উপলক্ষ। এর পেছনে জমে থাকা ক্ষোভ অনেক গভীর। তরুণেরা মনে করছে, তাদের মতামতের কোনো মূল্য নেই। সরকার একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, কিন্তু তাদের সঙ্গে আলোচনা করছে না।</p><p>শিক্ষানীতির তিন ভাষা সূত্র নিয়ে বহু অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রী অসন্তুষ্ট। ইংরেজি কার্যত দ্বিতীয় সারিতে চলে যাচ্ছে। অন্য ভারতীয় ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও বাস্তবে তা কঠিন। ফলে সংস্কৃত চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে।</p><p>বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগও কমছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কারও মতামত নেওয়া হয়নি।</p><blockquote>তরুণদের অভিযোগ, সরকার যেন বলছে—আমরাই সব জানি, তোমাদের কী ভালো তা আমরা ঠিক করব। তোমাদের পরিবারকে আমরা রেশন দিচ্ছি, স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি, অর্থ সাহায্য দিচ্ছি—তাই প্রশ্ন কোরো না।</blockquote><p>কোথাও বলা হচ্ছে, ডাক্তার হতে চাইলে নিরামিষভোজী হতে হবে। কোথাও স্কুলের মধ্যাহ্নভোজ থেকে ডিম বাদ দেওয়া হচ্ছে। কোথাও যৌন সম্পর্কের ওপর আইন চাপানো হচ্ছে।</p><p>কোথাও গাড়ির জ্বালানিতে হঠাৎ পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যার প্রভাব মানুষ বুঝে উঠতে পারছে না। এই সব সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হয়নি।</p><p>তরুণদের অভিযোগ, সরকার যেন বলছে—আমরাই সব জানি, তোমাদের কী ভালো তা আমরা ঠিক করব। তোমাদের পরিবারকে আমরা রেশন দিচ্ছি, স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি, অর্থ সাহায্য দিচ্ছি—তাই প্রশ্ন কোরো না।</p><p>এই বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির নতুন করে ভাবা প্রয়োজন।</p><ul><li><p><strong>ডি কে সিংহ</strong> <em>দ্য প্রিন্ট</em>-এর রাজনৈতিক সম্পাদক। <em>দ্য প্রিন্ট</em> থেকে নেওয়া।<br>ইংরেজি থেকে অনূদিত।</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>এভারটনের একনিষ্ঠ সমর্থক ব্রিটেনের স্টাইলিশ নতুন প্রধানমন্ত্রী; সুযোগ পেলেই খেলেন চ্যারিটি ফুটবল ম্যাচ</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/s3mq2uvzu5</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/s3mq2uvzu5#comments</comments><guid isPermaLink="false">63964fc0-efe9-4f0d-bcd6-ebf95dd41b12</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:30:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:30:28.698Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। জনপ্রিয় রাজনীতিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অত্যন্ত স্টাইলিশ, সুপারফিট ও ফুটবলপ্রেমী ]]></description><media:keywords>ব্রিটিশ রাজপরিবার,ব্রিটেন,যুক্তরাজ্য</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/y0lyd2ix/andy666.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/y0lyd2ix/andy666.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>তারকা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। জনপ্রিয় রাজনীতিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অত্যন্ত স্টাইলিশ, সুপারফিট ও ফুটবলপ্রেমী। </p><p>যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বর্তমানে ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। গতকাল ২০ জুলাই ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পেছনে রয়েছে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আপসহীন ভূমিকা। উল্লেখ্য, তিনি এই ৪ বছরের মাঝে ব্রিটেনের ৫ম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ztlq6v7r/royalfamilychannel178455330439454415258445956038144782383.jpg" /><figcaption>রাজা চার্লসের সঙ্গে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি</figcaption></figure><p>করোনা মহামারির সময় উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের আর্থিক সুরক্ষার দাবিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে দেশজুড়ে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ (উত্তরের রাজা) নামে পরিচিতি এনে দেয়। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে ‘বি নেটওয়ার্ক’ গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুসহ জনবান্ধব নানা উদ্যোগ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তোলে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/i3vr2txe/ianlaverymp1784550270394541607925531112319479408558.jpg" /><figcaption>দেশজুড়ে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ (উত্তরের রাজা) নামে পরিচিত তিনি </figcaption></figure><p>২০১০ ও ২০১৫ সালে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাননি। বরং স্থানীয় সরকারে কাজ করে আবাসনসংকট, গৃহহীনতা ও সামাজিক সুরক্ষার মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজেকে একজন কার্যকর নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে তিনি জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট মোকাবিলা এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p><h3>জীবন ও পারিবারিক পটভূমি</h3><ul><li><p>পুরো নাম: অ্যান্ড্রু মারে বার্নহ্যাম</p></li><li><p>জন্ম: ৭ জানুয়ারি ১৯৭০, এন্ট্রি, মার্সিসাইড, ইংল্যান্ড।</p></li><li><p>বড় হওয়া: লিভারপুলের কাছাকাছি কাল্ডিচেথ এলাকায়।</p></li><li><p>বাবা ছিলেন টেলিফোন প্রকৌশলী, আর মা ছিলেন রিসেপশনিস্ট।</p></li><li><p>পরিবারটি ছিল রোমান ক্যাথলিক। ছোটবেলায় তিনি গির্জায় অলটার বয় (বেদিসেবক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।</p></li><li><p>পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পান।</p></li><li><p>কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিটজউইলিয়াম কলেজে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেন।</p></li></ul><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ejssl7hx/shutterstocknow178455382239454456431745552472189507937.jpg" /><figcaption>স্ত্রী মেরির সঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাঁকে </figcaption></figure><h3>পরিবার</h3><ul><li><p>স্ত্রী<strong>:</strong> মেরি-ফ্রান্স ভ্যান হিল; ডাচ বংশোদ্ভূত।</p></li><li><p>তাঁদের তিন সন্তান রয়েছে।</p></li><li><p>ব্যক্তিগত জীবনকে গণমাধ্যমের আলোচনার বাইরে রাখতে পছন্দ করেন।</p><h3></h3></li></ul><h3>জীবনযাপন ও ব্যক্তিত্ব</h3><p>নিজেকে উত্তর ইংল্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরতে ভালোবাসেন।</p><p>সাধারণ মানুষের মতো সুপারমার্কেটে কেনাকাটা করেন। তাঁর ভাষ্য, সেখান থেকেই অনেক নীতিগত ধারণা পান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/wurfskt3/niallhodsonphotography178064802439126814200238506668019951272g.jpg" /><figcaption>চ্যারিটি আয়োজন ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশ নেন</figcaption></figure><p>ওয়েস্টমিনস্টারের আনুষ্ঠানিক রাজনীতির চেয়ে মাঠে-ঘাটে মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।</p><p>চ্যারিটি আয়োজন ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশ নেন।</p><h3>ফ্যাশন ও স্টাইল</h3><p>পোশাকে সরল ও ক্লাসিক ব্রিটিশ স্টাইল অনুসরণ করেন।</p><p>সাধারণত নেভি বা গাঢ় রঙের স্যুট, সাদা বা হালকা নীল শার্ট এবং সাধারণ টাই পরেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/0qmsykny/garyoakleyphoto1778934446389830496437215768022349259875.jpg" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/zg4nmai1/aolmosphoto17842871603943207459877859269684429977.jpg" /><figcaption>আনুষ্ঠানিকতার বাইরে জ্যাকেট, পোলো শার্ট ও সাধারণ পোশাকেও তাঁকে দেখা যায়</figcaption></figure><p>আনুষ্ঠানিকতার বাইরে জ্যাকেট, পোলো শার্ট ও সাধারণ পোশাকেও তাঁকে দেখা যায়।</p><p>বিলাসবহুল ব্র্যান্ড বা জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন থেকে দূরে থাকেন।</p><h3>খাবারের পছন্দ</h3><p>খাবার নিয়ে খুব বেশি প্রকাশ্যে কথা বলেন না।</p><p>ব্রিটিশ ঘরোয়া খাবার ও সাধারণ খাদ্যাভ্যাসই তাঁর পছন্দ বলে পরিচিত।</p><p>স্থানীয় পাব, ক্যাফে ও সাধারণ রেস্তোরাঁয় খেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।</p><p>উত্তর ইংল্যান্ডের স্থানীয় ব্যবসা ও খাদ্যসংস্কৃতির প্রতি সমর্থন জানাতে প্রায়ই স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/19m2up07/ftweekend178289228539315077505893764781747491936.jpg" /><figcaption>এভারটন ফুটবল ক্লাবের আজীবনের সমর্থক তিনি। সুযোগ পেলেই চ্যারিটি ফুটবল ম্যাচে খেলেন।</figcaption></figure><h3>শখ ও আগ্রহ</h3><p>এভারটন ফুটবল ক্লাবের আজীবনের সমর্থক।</p><p>সুযোগ পেলেই চ্যারিটি ফুটবল ম্যাচে খেলেন।</p><p>ম্যানচেস্টারের ইন্ডি সংগীতের বড় ভক্ত। ওয়েসিস ব্যান্ডের গান তাঁর পছন্দ।</p><p>বই পড়া ও ফুটবল দেখা তাঁর অবসর কাটানোর অন্যতম মাধ্যম।</p><p><strong>সূত্র</strong>: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান</p><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item><item><title>দিল্লি পুলিশ কি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের মাত্রা বুঝতে পারেনি</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/lxdg2wrstm</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/lxdg2wrstm#comments</comments><guid isPermaLink="false">5d97bfcf-5e66-41c5-b272-090eef41e075</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:28:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:28:08.565Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভারতের সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) সূত্র জানায়, সিজেপির আন্দোলনে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেবেন, এমনটা তারা আশা করেনি।]]></description><media:keywords>পুলিশ,সংসদ,সংঘর্ষ,বিক্ষোভ</media:keywords><media:content height="3016" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/9zdwamfr/demo.jpg" width="4528"><media:title type="html"><![CDATA[ ভারতের সংসদ অভিমুখে যাত্রা করতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকেরা যন্তর মন্তরের কাছে জড়ো হন। ২০ জুলাই ২০২৬, নয়াদিল্লি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/9zdwamfr/demo.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে গতকাল সোমবার সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। রাজপথে তাদের এ আন্দোলন ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারির সংকটের কথা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওই সময় ট্রাক্টর নিয়ে আসা হাজার হাজার আন্দোলনকারী মধ্য দিল্লিতে পৌঁছে লালকেল্লার নিরাপত্তাবলয় ভেঙে ফেলেছিলেন।</p><p>পাঁচ বছরের বেশি সময় আগের সেই লালকেল্লার ঘটনার মতোই দিল্লি পুলিশসহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর গোয়েন্দা ইউনিট গত রোববার ও গতকাল সোমবার যন্তর মন্তরে কত বিক্ষোভকারী জড়ো হতে পারেন, সেই সঠিক হিসাব করতে ব্যর্থ হয়েছে।</p><p>প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত যন্তর মন্তর এলাকার ধারণক্ষমতা প্রায় তিন হাজার মানুষের। তবে রোববার সন্ধ্যার মধ্যেই দিল্লি ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিজেপির আন্দোলনের সমর্থনে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।</p><p>সূত্রের খবর অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ অনুমান করেছিল, সোমবার সকালে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা ৭–৮ হাজার হতে পারে। তবে শহরের অন্যান্য স্থানে জড়ো হওয়া মানুষ হিসাব করলে এ সংখ্যা ৫০ হাজার বা এর বেশি ছিল।</p><p>সিজেপির সমর্থকেরা ভারতের সংসদ ভবনের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। গতকাল ওই সময় সংসদে বর্ষাকালীন অধিবেশন চলছিল। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) সূত্র ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-কে জানায়, সিজেপির আন্দোলনে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেবেন, এমনটা তারা আশা করেনি।</p><p>প্রকৃতপক্ষে এ আন্দোলন তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গতি পাচ্ছিল না। ২৮ জুন সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করার আগপর্যন্ত যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ১০০ থেকে ৫০০-এর মধ্যেই ছিল। তবে ১৮ জুলাই পুলিশ ওয়াংচুককে সফদারজং হাসপাতালে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে ব্যাপক গতি আসে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/7aws2jqr/Lathicharge.jpg" /><figcaption>ভারতের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় সিজেপির আন্দোলনকারীদের লাঠিপেটা করছেন নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য। ২০ জুলাই ২০২৬, নয়াদিল্লি</figcaption></figure><p>৭–৮ হাজার মানুষের ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি হিসেবে পুলিশ প্রায় ২ হাজার কর্মী এবং প্যারামিলিটারি বাহিনীর ৩২টি কোম্পানি মোতায়েন করেছিল। তারা যন্তর মন্তরের চারপাশ ব্যাপকভাবে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলেছিল। রোববার গভীর রাতে যন্তর মন্তরের চারটি প্রবেশপথেই বহুস্তরের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। পাশাপাশি সংসদমুখী পার্লামেন্ট স্ট্রিট, রাইসিনা রোড এবং ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডেও ব্যারিকেড দেওয়া হয়।</p><p>তবে সোমবার সকালে যন্তর মন্তরে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ জড়ো হন। পুলিশ দ্রুত দিল্লির ১৪টি এলাকায় জরুরি বার্তা পাঠায়, যেখানে প্রতিটি এলাকাকে অবিলম্বে ১ জন সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং ১০০ জন পুলিশ কর্মীকে যন্তর মন্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।</p><p>দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তর পরিস্থিতি তদারক করতে দ্রুত পুলিশের দুজন যুগ্ম কমিশনার পাঠায়। নয়াদিল্লির উপপুলিশ কমিশনার শচীন শর্মা আন্দোলনকারী আয়োজক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন, যাতে একটি আপসে পৌঁছে মিছিলটিকে সীমিত পরিসরে এগোনোর অনুমতি দেওয়া যায়।</p><p>প্রতিবাদস্থলে তিন দফায় আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা আয়োজকদের জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/efu507xp/tear-gas.jpg" /><figcaption>ভারতের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের পুলিশ বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। ২০ জুলাই ২০২৬, নয়াদিল্লি</figcaption></figure><p>আন্দোলন যেন শান্তিপূর্ণ থাকে এবং কেউ যেন ভাঙচুর বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ান, সে জন্য আয়োজকেরাও বারবার আবেদন জানান এবং একাধিকবার মাইকে ঘোষণা দেন। কিন্তু ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে গিয়েছিল।</p><p>পুলিশের প্রধান লক্ষ্য ছিল মিছিলটিকে সংসদ ভবনে যেতে না দেওয়া। কিন্তু মৃদু বল প্রয়োগ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ভিড়কে আটকানো সম্ভব হয়নি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বারবার মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে মোড় নেয়।</p><p>বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিপেটা করে। তাঁরা আবার সংগঠিত হয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একই সময়ে কয়েকটি জায়গায় দুই পক্ষকেই একে অপরের দিকে এগোতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে জুতা, বোতল, পাথর ও গাছের ডালপালা ছুড়ে মেরেছেন। আর নিরাপত্তাকর্মীরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে এবং লাঠিপেটার মাধ্যমে তার জবাব দিয়েছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘সেদিন কোনো কারণ ছাড়াই জড়িয়ে ধরেছিল, সেই শিশুই ফিরে আসেনি’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/hf20dpwisc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/hf20dpwisc#comments</comments><guid isPermaLink="false">8c404bea-3a00-4121-b52a-9f9619f91e8c</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:26:20 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:26:20.879Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দুর্ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিমানের শব্দ এখনো তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে বলে জানান শিক্ষক মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন,  ‘আমার সন্তান দীর্ঘদিন বিমানের শব্দ শুনে ঘুমাতে পারত না। আমিও দীর্ঘদিন আতঙ্কে ছিলাম।’]]></description><media:keywords>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ,অগ্নিকাণ্ড</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/z4vcspti/milestone-1.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, স্কাউটের সদস্য এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশ নেন। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/z4vcspti/milestone-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এক বছর আগে আজকের এই দিনে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি  যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কর্মচারীসহ বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রথম বার্ষিকীতে আজ মঙ্গলবার শোক, শ্রদ্ধা, স্মৃতিচারণা ও দোয়ার মধ্য দিয়ে নিহতদের স্মরণ করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।</p><p>সকালে কলেজের হায়দার আলী ভবনের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিবেদিতে ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ কর্নেল (অব.) নুরন্নবী বলেন, ‘আজ আমরা গভীর শোকের সঙ্গে আমাদের নিহত শিক্ষক, ছোট ছোট শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য প্রাণহানির শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ করছি।’</p><p>সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে একটি কর্মসূচি থাকায় অনেক অভিভাবক সেখানে অংশ নিয়েছেন। বিকেলে অভিভাবকদের নিয়ে আরেকটি স্মরণানুষ্ঠান রয়েছে বলে নুরন্নবী জানান।</p><p>স্মৃতিবেদির দুই পাশে নিহত ব্যক্তিদের ছবিসংবলিত দুটি ব্যানার টাঙানো হয়। সেখানে নিহতদের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনেরা স্মৃতিচারণামূলক বিভিন্ন বার্তা লিখে শ্রদ্ধা জানান। দিবসটি উপলক্ষে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সব শাখায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।</p><p>দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মোল্লা বলেন, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরণ হচ্ছিল। ৩০ থেকে ৪০ ফুট উঁচু পর্যন্ত আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। চারদিকে শিশুদের আর্তচিৎকার শুনে তিনি তাদের উদ্ধারে ছুটে যান। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কিছুটা পেছনে সরে যেতে বাধ্য হন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/f4kh07z0/milestone-2.jpeg" /><figcaption>বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, স্কাউটের সদস্য এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশ নেন। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস</figcaption></figure><p>মনিরুজ্জামান মোল্লা বলেন, ভবনের ফটকের কাছে এসে তিনি কয়েকটি শিশুর মরদেহ দেখতে পান। সেখানে একজন অভিভাবকের মরদেহও পড়ে ছিল। এ সময় নিজের মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে তিনি শিক্ষক মাহরীন চৌধুরীকে কয়েকটি শিশুকে ঠেলে নিরাপদ স্থানে পাঠাতে দেখেন। তখন মাহরীন চৌধুরীর শরীরে আগুন জ্বলছিল।</p><p>মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ম্যাডাম তখন কথা বলতেও পারছিলেন না। পাশে থাকা এক আয়ার নীল ওড়না দিয়ে তাঁর শরীরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আগুনের তাপ এত বেশি ছিল যে আমার হাত পুড়ে যায়। ঠিক তখনই পাশে পড়ে থাকা বিমানের লেজের অংশেও বিস্ফোরণ ঘটে। আমি, আমার স্ত্রী ও মেয়ে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে ওই বিস্ফোরণ থেকে প্রাণে বেঁচে যাই।’</p><p>দুর্ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিমানের শব্দ এখনো তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে বলে জানান শিক্ষক মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান দীর্ঘদিন বিমানের শব্দ শুনে ঘুমাতে পারত না। আমিও দীর্ঘদিন আতঙ্কে ছিলাম। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের উদ্যোগে ধীরে ধীরে সেই মানসিক আঘাত কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/hyc2m71r/milestone-3.jpeg" /><figcaption>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস</figcaption></figure><p>স্কুলের শিক্ষক ফারজানা কাবেরী বলেন, নিহত শিশুরা তাঁদের কাছে নিজেদের সন্তানের মতোই ছিল। তিনি বলেন, ‘ওদের সঙ্গে অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোট বাচ্চারা খুব সহজেই মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।’ দুর্ঘটনায় নিহত এক শিশুর স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘সেদিন সকালে কোনো কারণ ছাড়াই সে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কিছু বলবে? সে শুধু বলেছিল, এমনিই। পরে সেই শিশুই আর ফিরে আসেনি।’</p><p>সেদিনের বিভীষিকাময় মুহূর্তের কথা স্মরণ করে ফারজানা কাবেরী বলেন, ‘আমি শুধু কালিমা পড়ছিলাম। বাচ্চারা বলছিল, মিস, কিছু করেন, আমাদের বাঁচান। কিন্তু চারদিকে আগুনে ঘেরা ছিল। আমি তাদের বলেছিলাম যেকোনো একদিকে দৌড়াতে। কিন্তু যেদিকেই তাকিয়েছি, আগুনের দেয়াল ছাড়া কিছুই ছিল না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/dow6m0tq/milestone-4.jpeg" /><figcaption>বন্ধুদের স্মৃতিতে লেখা। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস</figcaption></figure><p>গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ২৮ শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক, ৩ জন অভিভাবক, ১ জন আয়াসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এ ছাড়া যুদ্ধবিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৮০ জন। বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিলেন ৫৭ জন।</p><p>দুর্ঘটনার পর গত বছরের ২৭ জুলাই ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার মূল কারণ পাইলটের উড্ডয়নত্রুটি। মাইলস্টোন স্কুলের ভবনটি রাজউকের বিল্ডিং কোড অনুযায়ী অনুমোদিত হয়নি। বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ওই ভবনে ন্যূনতম তিনটি সিঁড়ি থাকার কথা ছিল। কিন্তু ছিল মাত্র একটি। তিনটি থাকলে হতাহত আরও কমত। কমিটির প্রধান সুপারিশ ছিল, জননিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবাহিনীর সব প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ঢাকার বাইরে পরিচালনা করা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/ziz7giw04i">‘সন্তানের মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না, আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই’</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বে গবেষণায় ৫৪তম অবস্থানে বাংলাদেশ, এগিয়েছে ৭ ধাপ</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/science/j5khoqhnh1</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/science/j5khoqhnh1#comments</comments><guid isPermaLink="false">f6086a05-5ab0-4a69-adf2-ee85dd8ccdeb</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:24:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:24:28.412Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জাহিদ হোসাইন খান</atom:name><atom:uri>/api/author/1078344</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সর্বশেষ প্রকাশিত নেচার ইনডেক্সে ১৯৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৪তম। গত বছর এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬১তম।]]></description><media:keywords>গবেষক,গবেষণা,বিজ্ঞানী,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="311" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-19/0yhxr0h0/4.jpg" width="553"><media:title type="html"><![CDATA[ গবেষণায় ১৯৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৪তম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-19/0yhxr0h0/4.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিজ্ঞান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানবিষয়ক খ্যাতনামা সাময়িকী নেচারের সর্বশেষ প্রকাশিত নেচার ইনডেক্সে ১৯৪টি দেশের মধ্যে গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৪তম। গত বছর এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬১তম। বিশ্বের ১৭৮টি বিখ্যাত গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবছর এই ইনডেক্স প্রকাশ করে থাকে নেচার। আর তাই নেচার ইনডেক্সকে বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণার মানদণ্ড পরিমাপের অন্যতম বিশ্বস্ত মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p><p>গত মাসে প্রকাশিত নেচার ইনডেক্সের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকদের প্রকাশিত মোট নিবন্ধের সংখ্যা ছিল ১৪৩ এবং গবেষণায় অবদানের হার ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ বছরের বৈশ্বিক তালিকায় বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে বাংলাদেশ ৫২তম, রসায়নে ৬৩তম ও সামাজিক বিজ্ঞানে ৪৪তম। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সাময়িকীতে বাংলাদেশের গবেষকদের অংশগ্রহণ বা অবদান কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক মানের সাময়িকীতে বাংলাদেশের নিবন্ধের অর্জিত শেয়ার প্রায় এক-চতুর্থাংশেরও বেশি (-২৬ দশমিক ১ শতাংশ) কমে গেছে।</p><p>নেচার ইনডেক্সের সামগ্রিক তালিকা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, আইসিডিডিআরবি থেকে ৩৭টি গবেষণাপত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২১টি, রুয়েট, কুয়েট থেকে ৬টি, বুয়েট থেকে ৯টি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৪টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে আগের মতো এবারও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশ ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।</p><p>নেচার ইনডেক্সে একাডেমিক র‍্যাঙ্কিংয়ে দীর্ঘদিন শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে হটিয়ে সেরার খেতাব নিজের করে নিয়েছে চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৫ সালে নেচার ইনডেক্স চালু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম একাডেমিক র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান হারাল হার্ভার্ড। স্বতন্ত্র একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় ১২৭৬ দশমিক ৮৫ শেয়ার নিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে। অপর দিকে হার্ভার্ড ১২৫৯ দশমিক ০১ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। শীর্ষ ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে চীনেরই ৪টি ঝেজিয়াং, ট্রিনটি বা টিসিংহুয়া এবং সাংহাই জিয়াও তং বিশ্ববিদ্যালয়। সামগ্রিক বা সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান তালিকার দিকে তাকালে আধিপত্য আরও সুস্পষ্ট হয়। চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস ৩৬৫৫ দশমিক ১০ বিশাল শেয়ার ও ১২৮২২টি নিবন্ধ কাউন্ট নিয়ে বহুদূরে শীর্ষে অবস্থান করছে। শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের ৯টিই এখন চীনের দখলে।</p><p>বিজ্ঞান গবেষণায় একক দেশ হিসেবে চীন নিজেদের আধিপত্য কেবল বজায় রাখেনি, ব্যবধানও অবিশ্বাস্য হারে বাড়িয়েছে। নেচার ইনডেক্স ২০২৬ তালিকার শীর্ষ ৫টি দেশ হচ্ছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও জাপান। চীনের সার্বিক গবেষণা শেয়ার যেখানে এক বছরে ২২ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বৃদ্ধির হার মাত্র ৪ দশমিক ২ শতাংশ। এশিয়ার অন্য দুই দেশ জাপান (৯ দশমিক শূন্য শতাংশ প্রবৃদ্ধি) ও দক্ষিণ কোরিয়া (৭ম স্থান, ৯ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি) নিজেদের অবস্থানের লক্ষণীয় উন্নতি ঘটিয়েছে।</p><p>নেচার ইনডেক্স বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন শাখার বৈচিত্র্যময় চিত্র দেখা গেছে। রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও প্রয়োগিক বিজ্ঞানে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। রসায়ন ও অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স উভয় শাখার প্রথম চারটি স্থানই দখল করে রেখেছে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। তবে স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে বরাবরের মতো এবারও পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে।</p><p>সূত্র: নেচার</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, বিচার চাই’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/sntaaner-mrtyur-ksstipuurnn-hyy-naa-bicaar-caai</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/sntaaner-mrtyur-ksstipuurnn-hyy-naa-bicaar-caai#comments</comments><guid isPermaLink="false">8257954d-9c33-448a-901f-c5645ed2d0c7</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:16:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:16:16.131Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, বিচার চাই’]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3x6nsbf9/Remembrance.jpeg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে  যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ২৮ শিক্ষার্থী নিহত হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3x6nsbf9/Remembrance.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গত বছরের ২১ জুলাই বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ২৮ শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক, ৩ জন অভিভাবক, ১ জন আয়াসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এ ছাড়া যুদ্ধবিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও প্রাণ হারান। আজ সোমবার এ দুর্ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো। এক অভিভাবক বলেন, ‘সন্তানের মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>একঝলক (২১ জুলাই ২০২৬)</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/l58zgebfs2</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/l58zgebfs2#comments</comments><guid isPermaLink="false">568c56be-91ae-4fc9-9b6a-7821b8970bd2</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:12:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:12:13.936Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নদী,বাণিজ্য,একঝলক</media:keywords><category>glimpse</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/37yb96ew/1____Sirajgonj_flower.jpg" /><figcaption>পথের ধারে ফুটে আছে ভুঁই ওকরা ফুল। ইংরেজিতে এ ফুল ফ্রগফ্রুট বা টার্কি ট্যাঙ্গল নামে পরিচিত। দেশের বিভিন্ন এলাকায় এটি জলবুটি, জলপিপলি বা কাচড়াঘাস নামেও পরিচিত। ধানগড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/htqt18d0/2_____Rangamati_Rain_drop.JPG" /><figcaption>পুঁইয়ের লতায়-পাতায় টিপটিপ বৃষ্টির ফোঁটা। মোনতলা আদাম, রাঙামাটি। ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jylgbzeb/3_____Mymensingh_Jackfruit.jfif" /><figcaption>আড়ত থেকে ট্রাকে তোলা হচ্ছে কাঁঠাল। ভালুকা, ময়মনসিংহ, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/n4h43gk5/4____Faridpur_Jute.jpg" /><figcaption>খেতের পাট কেটে পাশের খালের পানিতে জাগ দিচ্ছেন কৃষক। শোলাকুন্ডু, ফরিদপুর, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/2zc57z3q/5_____Faridpur_Sugarcandy.jpg" /><figcaption>নিজের ২২ শতাংশ জমিতে লাগানো আখের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক রইছ শেখ। ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে আখ চাষ করে ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। শোলাকুন্ডু, কানাইপুর, ফরিদপুর, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/rc9csczd/6_____Rangamati_Bird.JPG" /><figcaption>বাসা তৈরির জন্য খড়খুটো সংগ্রহ করছে একটি শালিক। কুমড়া টিলা সেতু এলাকা, রাঙামাটি, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/z2pueuzc/7.-Chattogram-accident.jpg" /><figcaption> চালকের চোখে ছিল তন্দ্রা, ইউটার্নে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে গিয়েছিল ট্রাকটি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট স্টেশন এলাকা, চট্টগ্রাম, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/cagkbd0p/8.-Moulavibazar-river.jpg" /><figcaption>মনু নদের শান্ত জলে নৌকা ভাসিয়ে মাছ ধরছেন দুই মৎস্যজীবী। মনু সেতু, মৌলভীবাজার, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/92yrh7e3/9.-Rangpur-children-rain.JPG" /><figcaption> টিপটিপ বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় দুরন্তপনায় মেতে উঠেছে শিশুরা। পানাপুকুর, গঙ্গাচড়া, রংপুর, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/g7bfsi6z/10.-Cumilla-grass.jpg" /><figcaption>গ্রামের মাঠ থেকে গবাদিপশুর জন্য ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছেন কৃষক মনু মিয়া। মোহাম্মদপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ২১ জুলাই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/9isr78i4/11.-Rangpur-farmer.JPG" /><figcaption>জমিতে রোপণের জন্য কাঁধে ধানের চারা নিয়ে যাচ্ছেন এক কৃষক। ওকরাবাড়ি, গঙ্গাচড়া, রংপুর, ২১ জুলাই</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ডুবতে ডুবতে পুনর্জন্ম ‘হাঙর’ তোরেসের</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/o1tkan01aj</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/o1tkan01aj#comments</comments><guid isPermaLink="false">7ef10993-55a2-41ba-aa24-3bd2f2d4096a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:09:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:09:54.171Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ তোরেস সেটাই করলেন নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপজয়ের নায়ক হয়ে ওঠার পর তোরেস বলেন, এই গোল শুধু তাঁর একার নয়। এটা ৪ কোটি ৭০ লাখ স্প্যানিয়ার্ডের গোল, পুরো একটা দেশের গোল।]]></description><media:keywords>স্পেন,ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬,বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬</media:keywords><media:content height="3000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/8272foyo/154274-01-02.jpg" width="4500"><media:title type="html"><![CDATA[ ফাইনালে গোলের পর স্পেনের ফেরান তোরেসের উদ্‌যাপন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/8272foyo/154274-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মানুষ সাধারণত বছরে একবারই জন্মদিন উদ্‌যাপন করে। তবে ব্যতিক্রমও আছে, যেমন ফেরান তোরেস। জন্মের পর থেকেই তাঁকে শিখতে হয়েছে অপেক্ষা। জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারি—দিনটি যে ক্যালেন্ডারের পাতায় আসেই চার বছরে একবার! জন্মদিনের আনন্দ তাই তোরেসের কাছে ধৈর্যের আরেক নাম।</p><p>এখন থেকে অবশ্য আর চার বছর অপেক্ষা করতে হবে না। প্রতিবছরই একবার করে উদ্‌যাপনের মতো একটা দিন এখন তাঁরও আছে। ১৯ জুলাই—এই দিনেই যে তিনি করেছেন নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটি। যে গোল স্পেনকে এনে দিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি, তাঁকে বসিয়ে দিয়েছে স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসের পাতায়।</p><p>অথচ বিশ্বকাপজুড়েই লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলে নিয়মিত একাদশের খেলোয়াড় ছিলেন না তোরেস। এর আগে বদলি হয়ে নেমেও তেমন কিছু করতে পারেননি। সে জন্য সমালোচনাও কম শুনতে হয়নি। কিন্তু ফুটবল এমনই, একটি মুহূর্তই কখনো কখনো পুরো ক্যারিয়ারের ছবিটা বদলে দেয়।</p><p>পরশু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালেও ২৬ বছর বয়সী এই উইঙ্গার ছিলেন বেঞ্চে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামার পর অতিরিক্ত সময়ের খেলাতেই বদলে দেন ম্যাচের ভাগ্য। ১০৬তম মিনিটে পেদ্রো পোরোর ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামস হেড করেন, আর সেই বল থেকেই গোল করেন তোরেস—বিশ্বকাপের জয়সূচক গোল। পুরো টুর্নামেন্টে এটাই তাঁর একমাত্র গোল হলেও এর চেয়ে দামি সম্ভবত আর কিছুই নয়।</p><p>ম্যাচ শেষে তোরেস বলছিলেন, ‘এটা অনেক বড় স্বস্তি। পুরো বিশ্বকাপে আমাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যের নিজস্ব একটি চিত্রনাট্য থাকে। ঈশ্বর আমাকে লড়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছেন। তিনি প্রাপ্য মানুষকেই প্রাপ্য জিনিস দেন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/qfngv4av/154434-01-02.jpg" /><figcaption>বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তোরেস</figcaption></figure><p>তোরেসের শরীরেই আছে তাঁর জীবনের লড়াইয়ের চিহ্ন। গোড়ালিতে নোঙরের ট্যাটু, পাশে লেখা ‘আই রিফিউজড টু সিঙ্ক’, মানে ‘আমি ডুবে যেতে চাই না।’ পিঠে আছে ফিনিক্স পাখির ডানার ট্যাটু, সঙ্গে লেখা—চেষ্টা করো, ব্যর্থ হও, আবার উঠে দাঁড়াও। কথাগুলো যেন তাঁর জীবনদর্শনেরই সারসংক্ষেপ, ক্যারিয়ারেরও।</p><p>২০২২ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনায় নাম লেখান তোরেস। এত দাম দিয়ে আনার পর প্রত্যাশার চাপ ছিল। কিন্তু প্রথম আড়াই বছরে ১১৩ ম্যাচ খেলে গোল করেন মাত্র ২৫টি। স্বাভাবিকভাবেই ওই সময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এতটাই যে একপর্যায়ে মনোবিদের কাছে ছুটে যেতে হয়। তখন তিনি বুঝতে পারেন, গোলের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে ফুটবল খেলার আনন্দটাই ভুলে যাচ্ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/xcd1jifs5u">বিশ্বকাপ ফাইনালে সংঘর্ষ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ফিফা</a></aside><p>সেখান থেকেই নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার শুরু। নিজের ডাকনাম রাখেন ‘এল তিবুরোন’, মানে ‘হাঙর’। কেন হাঙর? কারণ, হাঙর সব সময় সামনে এগোয়, থেমে থাকে না। গোল উদ্‌যাপনে তাই দুই হাত দিয়ে হাঙরের চোয়ালের ভঙ্গি করেন তিনি। বার্সেলোনাতেও ধীরে ধীরে বদলে যায় তাঁর গল্প। সর্বশেষ দুই মৌসুমে ৯৪ ম্যাচে করেছেন ৪০ গোল। তবে ক্লাবের জার্সিতে সমালোচনার বড় অংশের জবাব দিলেও জাতীয় দলে সামর্থ্য প্রমাণ করাটা বাকি ছিল।</p><p>তোরেস সেটাই করলেন নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপজয়ের নায়ক হয়ে ওঠার পর তোরেস বলেন, এই গোল শুধু তাঁর একার নয়। এটা ৪ কোটি ৭০ লাখ স্প্যানিয়ার্ডের গোল, পুরো একটা দেশের গোল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/2j93f1uh/154276-01-02.jpg" /><figcaption>ফাইনালে গোল করে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করেন তোরেস। গোলের পর তাঁর উদ্‌যাপন</figcaption></figure><p>তবে ফাইনালে তোরেসের অবদান শুধু গোলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। মাত্র ৫৮ মিনিট মাঠে থেকেও প্রতিপক্ষের বক্সে সবচেয়ে বেশি সাতবার বল স্পর্শ করেছেন তিনি। বলও একবার নয়, দুবার জালে জড়িয়েছেন। একটি বাতিল হয়েছে অফসাইডে। আরও একটি কাকতালীয় তথ্য এই গোলকে করে তুলেছে বিশেষ। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে জয়সূচক গোল করা ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার এখন তোরেস। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু জার্মানির মারিও গোটশের (২০১৪ ফাইনালে)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/phdcmmj3j2">বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর মুখ খুললেন মেসি</a></aside><p>তবে ১৯ জুলাইয়ের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি হয়তো গোল নয়। শেষ বাঁশি বাজার পর যখন লিওনেল মেসি এক পাশে দাঁড়িয়ে চুপচাপ হারের কষ্ট সইছিলেন, সবার আগে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন ফেরান তোরেস।</p><p>চার বছরে একবার জন্মদিন পাওয়া মানুষটির জন্য তাই ১৯ জুলাই শুধুই বিশ্বকাপ জেতার দিন নয়। এটি তাঁর পুনর্জন্মের দিনও। যে দিন তোরেস প্রমাণ করেছেন, সত্যিই তিনি ডুবে যেতে রাজি নন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/s4ldm48re1">ফাইনালের আগে সতীর্থদের কেন সব ভুলতে বলেছিলেন মেসি, কী ঘটেছিল আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কোনো মার্কিন সেনা নিহত হলে ইরানকে ‘বহুগুণ’ মূল্য দিতে হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/z75t9qauum</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/z75t9qauum#comments</comments><guid isPermaLink="false">076f9aa1-a770-4eaf-9476-71f0b2f8ca28</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:05:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:05:12.803Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ট্রাম্প জানান, এ নির্দেশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইন ও সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক নেতাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।]]></description><media:keywords>ইরান,মধ্যপ্রাচ্য,নিহত,যুক্তরাষ্ট্র,শুল্ক যুদ্ধ,ডোনাল্ড ট্রাম্প</media:keywords><media:content height="613" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/7khmfifp/us-prsident-001.webp" width="920"><media:title type="html"><![CDATA[ ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সামরিক অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র, ২ মার্চ ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/7khmfifp/us-prsident-001.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা নিহত হলে ইরানকে তার জন্য ‘বহুগুণ’ মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর বরাতে এ খবর জানা গেছে।</p><p>গতকাল সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘যতবারই ইরান কোনো মার্কিন সৈন্যকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের এ হত্যার জন্য বহুগুণ মূল্য দিতে হবে।’</p><p>ট্রাম্প জানান, এ নির্দেশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইন ও সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক নেতাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p><aside><cite>ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট</cite>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন, তখন তাঁকে কোনোভাবে, কোনো অবস্থায় বা কোনো রূপেই গ্রেপ্তার করা হবে না।</aside><p>এ বিবৃতি এমন এক সময়ে এল, যখন দক্ষিণ ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এর জবাবে তেহরানও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। ইরানের দাবি, তারা মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্থাপনা ও ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে এ হামলা চালাচ্ছে।</p><p>মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন গত সপ্তাহান্তে তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এর মধ্যে দুজন জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে এবং একজন উত্তর ইরাকে নিহত হন।</p><p>গত জুনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ ও স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি রূপরেখা চুক্তি সই হওয়া সত্ত্বেও দুদেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/3f7brh5f4h">ইরান ইস্যুতে আরেকটি ‘অনন্ত যুদ্ধের’ ঝুঁকিতে ট্রাম্প</a></aside><p>এদিকে আলাদা আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন, তখন তাঁকে কোনোভাবে, কোনো অবস্থায় বা কোনো রূপেই গ্রেপ্তার করা হবে না।’</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তিনি (নেতানিয়াহু) ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, যারা সম্প্রতি ৫২,০০০ নির্দোষ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে এবং গত ৪৭ বছর ধরে মার্কিন সৈন্য ও অন্যদের হত্যা করে আসছে।’</p><aside><cite>জোহরান মামদানি, নিউইয়র্ক সিটির মেয়র</cite>আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জায়গা দ্য হেগে (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত)। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী, যাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত অভিযোগ এনেছেন।</aside><p>ট্রাম্পের মতে, ‘শুধু তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা উচিত, যাঁরা ইরানকে মৃত্যু ও ধ্বংসের এই অভূতপূর্ব ঘূর্ণাবর্তের দিকে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি বহু বছর আগেই পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের সমাধান করা উচিত ছিল।’</p><p>এদিকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, তাঁর প্রশাসনের আইনি বিভাগ নেতানিয়াহুকে সম্ভাব্য গ্রেপ্তার করার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/g2p9ua9j8i">যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা ইরানের </a></aside><p>মেয়র মামদানি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জায়গা দ্য হেগে (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত)। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী, যাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) অভিযোগ এনেছেন। আর আপনি দেখতে পাবেন, বিগত বছরগুলোতে তাঁর কর্মকাণ্ডের কারণেই অনেকে এ একই মত পোষণ করেন।’</p><blockquote>মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন গত সপ্তাহান্তে তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এর মধ্যে দুজন জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে এবং একজন উত্তর ইরাকে নিহত হন।</blockquote><p>সম্প্রতি নেতানিয়াহু তাঁর চলতি মাসের নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর স্থগিত করে তা আগামী সেপ্টেম্বর মাসে পুনর্নির্ধারণ করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/jyl9pvfo5h">কেন তুরস্ক থেকে ফেরার পথে কাতারের উপহারের বিমান ছাড়তে বাধ্য হলেন ট্রাম্প</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পারটেক্স টিস্যুতে ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে নিয়োগের আবেদন চলছে</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dmdbx00ltv</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dmdbx00ltv#comments</comments><guid isPermaLink="false">d5efcf7c-8c6b-4ea2-ac31-6fd2fa98f688</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:03:58 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:03:58.720Z</atom:updated><atom:author><atom:name>চাকরি-বাকরি প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1440472</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পারটেক্স টিস্যু লিমিটেড ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স’ পদে নিয়োগ দেবে।]]></description><media:keywords>নিয়োগ,বিবিএ,এমবিএ</media:keywords><media:content height="244" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/z35rsx7z/Screenshot-2026-07-21-130310.png" width="362"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/z35rsx7z/Screenshot-2026-07-21-130310.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পারটেক্স টিস্যু লিমিটেড ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ফুলটাইম বা স্থায়ী এই পদের জন্য যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ৩০ জুলাই ২০২৬।</p><h3>আবেদনের যোগ্যতা ও বয়স—

</h3><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্স বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে। ACCA (পার্ট কোয়ালিফায়েড), CA (CC/প্রফেশনাল লেভেল) বা সমমানের প্রফেশনাল যোগ্যতা থাকলে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।</p><p>অভিজ্ঞতা: ম্যানুফ্যাকচারিং (FMCG) খাতে ৪ থেকে ৭ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। Tally ERP, ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, TDS/VAT এবং অ্যাকাউন্টস পেয়্যাবল/রিসিভেবল–সংক্রান্ত দক্ষতা আবশ্যক।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/o8ve97ure4">ইউনেসকো ঢাকা অফিসে চাকরির সুযোগ</a></aside><p>বয়সসীমা: প্রার্থীর বয়স অন্তত ২৮ বছর হতে হবে।</p><p>কর্মস্থল, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা</p><p>কর্মস্থল: ঢাকা (অফিসে কাজ)।</p><p>বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।</p><p>অন্যান্য সুবিধা: চিকিৎসা ভাতা, মোবাইল বিল, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, গ্র্যাচুইটি এবং ২টি উৎসব বোনাস।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/eld2dc85ig">পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার পদের কাজ কী, ১৪৬০ পদে আবেদনের বাকি ২ দিন</a></aside><p><strong>প্রধান দায়িত্বসমূহ</strong></p><p>নির্বাচিত কর্মকর্তাকে ভেন্ডর ইনভয়েস যাচাই, পেমেন্ট প্রসেসিং, TDS/VAT হিসাব, দৈনিক ও মাসিক ব্যাংক রিকনসিলিয়েশন, ডিস্ট্রিবিউটর ও কাস্টমার অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, Tally ERP-তে হিসাব সংরক্ষণ, ফিক্সড অ্যাসেট রেজিস্টার মেইনটেইন, মাস ও বছর শেষের ক্লোজিং রিপোর্ট প্রস্তুতকরণ এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অডিটে সহায়তা করতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/5efkekv4cj">ঢাকা সিটি কলেজ: ১৯৮ শিক্ষকের ১০৫ জনের নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন</a></aside><p><strong>আবেদনপ্রক্রিয়া</strong></p><p>আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের ৩০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে অনলাইন জব পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইসলামে যেভাবে অবসর কাটাতে বলে</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/zmfi1weez8</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/zmfi1weez8#comments</comments><guid isPermaLink="false">fbd20150-927e-4e02-a104-e38ce35b79a6</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 07:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T07:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মনযূরুল হক</atom:name><atom:uri>/api/author/2234706</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক থাকে। ইসলাম সময় আর অবসরের ধারণাটাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে।]]></description><media:keywords>নবীজি (সা.),ইসলামের কথা,ইসলাম,আমল,কোরআনের কথা,ইবাদত,অবসর</media:keywords><media:content height="4015" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/423jdo37/pexels-umitkrbyr-7534044.jpg" width="3212"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/423jdo37/pexels-umitkrbyr-7534044.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>করপোরেট সংস্কৃতির এই যুগে মানুষের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জিনিসের নাম বোধ হয় ‘মি-টাইম’। সপ্তাহের পাঁচ দিন খাটুনি শেষে আমরা চেয়ে থাকি উইকএন্ডের দিকে।</p><p>কিন্তু একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করার মতো, প্রচুর ছুটি আর অবসর কাটানোর অজস্র উপায় থাকা সত্ত্বেও মানুষের ভেতরের ক্লান্তি আর ‘বার্নআউট’ কমছে না।</p><p>ছুটির দিনেও একটা অদৃশ্য উদ্বেগ পিছু ছাড়ে না। আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক চাকচিক্য আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে একটা বিরাট ফারাক থেকে যায়।</p><p>ইসলাম এই সময় আর অবসরের ধারণাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে, অবসর এখানে কোনো বাহ্যিক পরিবেশের নাম নয়, বরং মনের একটা অবস্থা।</p><p><strong>দুই নেয়ামত: মানুষ যেখানে ধোঁকায় পড়ে</strong></p><p>নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘এমন দুটি নেয়ামত আছে, যার ব্যাপারে বহু মানুষ ধোঁকায় থাকে—সুস্বাস্থ্য আর অবসর সময়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪১২)</p><p>এই হাদিসে একটি পরিচিত মানসিক প্যাটার্ন ধরা পড়ে। মানুষ যখন সুস্থ থাকে আর হাতে সময় থাকে, তখন মনে করে এই অবস্থা চিরকাল থাকবে, তাই আলসেমিতে সেই সময় নষ্ট করে ফেলে।</p><p>কিন্তু হুট করে ব্যস্ততা বা অসুস্থতা এলে তখন আফসোস শুরু হয়। এই ক্ষতি এড়াতেই নবীজি (সা.) জীবনের পাঁচটি অবস্থাকে অন্য পাঁচটি আসার আগে কাজে লাগানোর তাগিদ দিয়েছেন, যার একটা হলো ব্যস্ততা আসার আগে অবসরকে পুরোপুরি ব্যবহার করা। (বাইহাকি, <em>শুআবুল ইমান, </em>&nbsp;১০/২১৫, মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ, ২০০৩)</p><p>আরবিতে এই অবসরের জন্য শব্দ হলো ‘ফারাগ’; যার শাব্দিক অর্থ কোনো স্থান খালি করা বা ঢেলে মুক্ত করা। (ইবনে মানজুর, <em>লিসানুল আরব</em>, ৮/৪৫০, দারু সাদির, বৈরুত, ১৯৯৩)</p><p>অর্থাৎ ইসলামে অবসর মানে অলস বসে থাকা নয়, মনকে পার্থিব কোলাহল থেকে খালি করে অন্য একটা উদ্দেশ্যে নিয়োজিত করা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/tokexe3kg0">সফল জীবনের জন্য সময় ব্যবস্থাপনা: নবীজির ১০ সূত্র </a></aside><p><strong>অবসর একটি মানসিক অবস্থা</strong></p><p>আমরা প্রায়ই ভাবি, অবসর মানে কাজের চাপ না থাকা, ছুটিতে থাকা বা কোনো মনোরম জায়গায় ঘুরে বেড়ানো। কিন্তু এটা একটা আংশিক ধারণামাত্র।</p><p>বাস্তবে দেখা যায়, অনেকে বছরের পর বছর ছুটি না পেয়ে প্রতিদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন, তবু তাদের মন থাকে শান্ত।</p><p>আবার কেউ পাঁচতারা রিসোর্টে ছুটি কাটাতে গিয়েও অফিসের ই–মেইল আর ভবিষ্যৎ উদ্বেগে ভোগেন। পার্থক্যটা বাহ্যিক সময়ে নয়, ভেতরের মনের অবস্থায়।</p><p>ইবনুল জাওজি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে লিখেছেন, ‘মানুষের অন্তরের প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই প্রকাশ পায়, যখন সে হৃদয়কে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহ থেকে মুক্ত করতে পারে, নইলে বাহ্যিক মুক্তি প্রকৃত শান্তি দেয় না। (ইবনুল জাওজি, <em>সাইদুল খাতির, </em>১/১৫৫,<em> </em>দারুল কলম, দামেস্ক, ২০০২)</p><p>কাজের চাপ অবসরের প্রধান বাধা নয়, অন্তরের ভেতরের বিশৃঙ্খলাই আসল বন্দিত্ব।</p><p><strong>অনুভূতি বদলে দেয় বিশ্বাস</strong></p><p>একজন মুমিনের সময়ের অনুভূতি আর একজন অবিশ্বাসীর সময়ের অনুভূতির মধ্যে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে। মুমিন যখন আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে, তখন সে জানে তার রিজিক-জীবন-মৃত্যু সবকিছু আল্লাহর হাতে। এই বিশ্বাস তাকে বাহ্যিক ব্যস্ততার মধ্যেও একধরনের ভেতরের প্রশান্তি দেয়।</p><p>বিপরীতে, যে শুধু বস্তুগত জগতে বিশ্বাসী, সে সব সময় এক তাড়ায় থাকে, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, অথচ অনেক কিছু পাওয়ার বাকি—এই অতৃপ্তি তাকে হতাশায় নিমজ্জিত করে।</p><p>সুরা আসরে আল্লাহ সময়ের শপথ করে এই লোকসানের কথা বলেছেন, ‘সময়ের শপথ, নিশ্চয়ই মানুষ চরম লোকসানের মধ্যে নিমজ্জিত। তবে তারা ছাড়া, যারা ইমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, আর একে অপরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।’ (সুরা আসর: ১-৩)</p><p>আর যে আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, কোরআন বলছে, তার জীবন সংকীর্ণ হয়ে যায়, ‘যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, নিশ্চয়ই তার জীবন হবে সংকীর্ণ ও কষ্টদায়ক।’ (সুরা তা-হা, আয়াত: ১২৪)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/4xgji0sklz">ভুলে যাবেন না, শরীরচর্চা একটি সুন্নত</a></aside><p><strong>বুকের প্রসারণ, বুকের সংকোচন</strong></p><p>কোরআনে এই মানসিক অবস্থা বোঝাতে দুটো প্রতিশব্দ আছে, ‘শারহ’ (বুকের প্রসারণ) আর ‘যিক’ (বুকের সংকীর্ণতা)। ‘সুতরাং আল্লাহ যাকে হেদায়েত দিতে চান, তার বুককে ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। আর যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান, তার বুককে এমন সংকীর্ণ করে দেন, যেন সে আকাশে আরোহণ করছে।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ১২৫)</p><p>নবীজির জীবনে ‘শাক্কে সদর’ বা হৃদয় বিদীর্ণ করে ধৌত করার ঘটনা দুইবার ঘটেছিল—একবার শৈশবে, আরেকবার মিরাজের প্রাক্কালে।&nbsp;</p><p>ফেরেশতারা জমজম পানি দিয়ে তাঁর হৃদয় ধুয়ে ইমান ও হেকমত দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছিলেন। (ইবনে হাজার আল-আসকালানি, <em>ফাতহুল বারি</em>, ৭/২০৪, দারুল মাআরিফ, বৈরুত, ১৯৮৬)</p><p>এই ঘটনার মূল উদ্দেশ্য ছিল তাঁর হৃদয়কে পার্থিব কোলাহল থেকে সম্পূর্ণ খালি করা, যেন তিনি ওহির ভার বহন করতে পারেন।</p><p><strong>সুরা ইনশিরাহ: অবসরের একটা নির্দেশনা</strong></p><p>সুরা ইনশিরাহে আল্লাহ সান্ত্বনা দিয়ে নবীজিকে বলেন, তিনি তাঁর বুক প্রসারিত করেছেন, তাঁর ভার লাঘব করেছেন। এরপর আসে সেই বিখ্যাত ঘোষণা, ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গে স্বস্তি আছে। হ্যাঁ, নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গে স্বস্তি আছে।’ (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)</p><p>এরপরই আসে অবসর নিয়ে সেই মূল নির্দেশনা, ‘যখনই তুমি অবসর পাবে, তখনই ইবাদতে নিয়োজিত হও। আর তোমার প্রতিপালকের দিকেই পূর্ণ মনোযোগী হও।’ (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৭-৮)&nbsp;</p><p>এই আয়াত স্পষ্ট করে দেয়, একজন মুসলিমের জীবনে ‘অলস বসে থাকার’ মতো কোনো অবসর নেই। দৈনন্দিন কাজ শেষ হওয়া মানে জীবন থেমে যাওয়া নয়, বরং সেখান থেকেই শুরু হয় আরেকটা কাজ, আল্লাহর দরবারে একান্তে দাঁড়ানো।</p><p>গাজালি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে এই রূপান্তর ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, একজন মুমিনের জন্য প্রকৃত অবসর হলো রুটিন কাজ থেকে মুক্ত হয়ে আরও গভীর একটা আত্মিক শ্রমে লিপ্ত হওয়া, যা ক্লান্ত করার বদলে আত্মাকে নতুন শক্তি দেয়। (গাজালি, <em>ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, </em>৪/২০, দারুল খাইর, বৈরুত, ১৯৯৮)</p><p>আমরা সবাই একটা বিশাল অবসর সময় নিয়ে পৃথিবীতে আসি, কিন্তু ধীরে ধীরে মন ও আত্মাকে ব্যস্ততা আর লোভের শৃঙ্খলে বন্দী করে ফেলি।&nbsp;</p><p>তখন আমরা বাহ্যিক ছুটির পেছনে ছুটি, কিন্তু ভেতরের বন্দিত্ব ঘোচে না। ইসলাম যে স্বাধীনতার কথা বলে, তাতে শরীর ঘাম ঝরালেও মন থাকবে মুক্ত, আল্লাহর স্মরণে সজীব।</p><p>প্রতিদিনের যান্ত্রিকতা থেকে কয়েকটা মুহূর্তের জন্য হলেও হৃদয়ের সিংহাসনটা তার আসল মালিকের জন্য খালি রাখা—এটাই সেই অবসর, যা কোনো রিসোর্ট বা ছুটি দিতে পারে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/অবসর-সময়-মুমিনের-জীবনে-নিয়ামত">অবসর সময় মুমিনের জীবনে নিয়ামত</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>‘চোখের সামনে নিজের বসতভিটা সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, কিছুই করতে পারছি না’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/mgkafaw0qx</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/mgkafaw0qx#comments</comments><guid isPermaLink="false">ccde3287-3d03-4f15-8899-29c42f1f5d15</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:58:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:58:39.804Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আব্দুল কুদ্দুস	</atom:name><atom:uri>/api/author/1409599</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরেজমিনে দেখা যায়, সাগরের প্রবল স্রোতে কোথাও বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে, কোথাও ভেঙে যেতে শুরু করেছে। ভাঙা অংশে জোয়ারের পানি উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।]]></description><media:keywords>বঙ্গোপসাগর,কক্সবাজার,চট্টগ্রাম বিভাগ,কুতুবদিয়া</media:keywords><media:content height="842" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xkcfn90d/WhatsApp-Image-2026-07-21-at-12.38.49.jpeg" width="1541"><media:title type="html"><![CDATA[ বেড়িবাঁধ ভেঙে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি। গত রোববার কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xkcfn90d/WhatsApp-Image-2026-07-21-at-12.38.49.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের সাগরতীরবর্তী গ্রাম রোমাইপাড়া। বেড়িবাঁধের পাশে থাকা গ্রামটিতে বসবাস করে প্রায় ৪০০ পরিবার। বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এলাকাটিতে কারও ঘর প্লাবিত হচ্ছে জোয়ারের পানিতে, কারও বসতভিটায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। প্রতিমুহূর্তে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে বাসিন্দাদের।</p><p>কেবল এই গ্রামই নয়, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের কারণে এভাবেই আতঙ্কে রয়েছেন উপজেলার লাখো মানুষ। পাকিস্তান আমলে মাটির বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করা হয়। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বারবার এই বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও টেকসই কোনো বেড়িবাঁধ নির্মিত হয়নি। পুরোনো বেড়িবাঁধ জোড়াতালি দিয়েই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়; যার কারণে সাগরে প্রতিবছরই ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারাচ্ছে মানুষ।</p><aside><cite>সখিনা খাতুন, বাসিন্দা, কাহারপাড়া, কুতুবদিয়া।</cite>প্রতিবার যখন ঘর ভাঙে, মনে হয় নিজের শরীরের কোনো একটা অংশ ছিঁড়ে যাচ্ছে। জোয়ার এলে চোখের ঘুম হারিয়ে যায়।</aside><p>গত রোববার দুপুরে রোমাইপাড়া গ্রামে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী হাসিনা বেগমের সঙ্গে। সাগরের পাশেই তাঁর ঘর। জানালেন, কয়েক দিন ধরে তাঁর ঘরে সাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ছে। তিনি বলেন, ‘সাগরপাড়ে জীবনের এতটুকু সময় কাটিয়ে দিলাম, জীবনে কত ঝড়-জলোচ্ছ্বাস দেখেছি, এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে হইনি। চোখের সামনে নিজের বসতভিটা সাগরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, কিছুই করতে পারছি না। ঘরটি নতুন জায়গায় সরিয়ে নেব, সে সুযোগও নেই।’</p><p>হাসিনা বেগমের পাশে লবণচাষি শফিকুল ইসলামের ঘর। ঘরের কিছু অংশ এরই মধ্যে ধসে পড়েছে। শফিকুল ইসলাম (৫৮) বলেন, একসময় দুই কিলোমিটার পশ্চিমে তাঁর পৈতৃক ভিটা ছিল। সেটি সাগরে বিলীন হয়েছে। গত দশ বছরে তিনি পাঁচ জায়গায় বসতবাড়ি স্থানান্তর করেছেন। এখন সর্বশেষ বাড়িটিও সাগরের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কোথায় যাবেন জানেন, সেটি ভেবে কূল পাচ্ছেন না।</p><p>রোমাইপাড়া থেকে দক্ষিণ দিকে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের সাইটপাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার উপকূলে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা, পূর্ব তাবলেরচর, কাহারপাড়া, রোমাইপাড়া, সাইটপাড়া, কাজিরপাড়া; উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের কাইছার বাপেরপাড়া, মিয়ারকাটা, আলী আকবর বলীপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে ভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে।</p><p>সরেজমিনে দেখা যায়, সাগরের প্রবল স্রোতে কোথাও বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে, কোথাও ভেঙে যেতে শুরু করেছে। ভাঙা অংশে জোয়ারের পানি উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এতে প্লাবিত হচ্ছে অসংখ্য ঘরবাড়ি।</p><p>কাহারপাড়ার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব সখিনা খাতুন জানান, গত এক দশকে তিনিও তিনবার বাড়ি স্থানান্তর করেছেন। এখন যে ঘরে রয়েছেন, সেটিও ভেঙে যাচ্ছে। সখিনা খাতুন বলেন, ‘প্রতিবার যখন ঘর ভাঙে, মনে হয় নিজের শরীরের কোনো একটা অংশ ছিঁড়ে যাচ্ছে। জোয়ার এলে চোখের ঘুম হারিয়ে যায়।’</p><p>পূর্ব তাবলেরচর এলাকার ছমুদা বেগম (৬৫) বলেন, গত শুক্রবারের জোয়ারে তাঁর বসতঘর ভেঙে গেছে। পাশের একটি ঘরে তাঁর পরিবার আশ্রয় নিলেও নতুন ঘর নির্মাণ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন। আক্ষেপ করে ছমুদা বেগম বলেন, আর কত ঘরবাড়ি বিলীন হলে, কত মানুষের প্রাণহানি হলে এলাকার মানুষ একটি টেকসই বেড়িবাঁধ পাবে।</p><p>একই গ্রামের বাসিন্দা আবু তৈয়ব (৫৫) বলেন, ‘নির্বাচন এলে জনপ্রতিনিধিরা বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে আর বেড়িবাঁধের কথা মনে রাখেন না। মাঝখানে দরিদ্র মানুষগুলোর জীবন যাচ্ছে। দিনের জোয়ার কোনোমতে সামলানো গেলেও রাতের জোয়ারে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হচ্ছে। তখন ঘরে ঘরে আতঙ্ক দেখা দেয়, নারী শিশুদের নির্ঘুম রাত কাটে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/vo369rqq/WhatsApp-Image-2026-07-21-at-12.40.40.jpeg" /><figcaption>কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবরডেইল ইউনিয়নের পূর্ব তাবলেরচর গ্রামে সাগরে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে কবরস্থান। গত রোববার দুপুরে</figcaption></figure><p>তাবলেরচরের বেড়িবাঁধের পাশে শত বছরের পুরোনো বায়তুশ শরফ কবরস্থান। কয়েক দিনের জলোচ্ছ্বাসে কবরস্থানের পাশের কিছু অংশ বিলীন হয়েছে। আগামী পূর্ণিমার জোয়ারে কবরস্থানের বাকি অংশও বিলীন হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন এলাকার মানুষ।</p><p>আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আকতার কামাল বলেন, গত কয়েক দিনের উচ্চ জোয়ারে শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আরও শতাধিক বাড়িঘর বিলীনের ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা। কিন্তু এত দিনেও টেকসই বাঁধ হয়নি। যা হয়েছে দায়সারা, অস্থায়ী কাজ। কোথাও জিও ব্যাগ, কোথাও বালুর বস্তা, আবার কোথাও সামান্য মাটি ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা।</p><p>জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুতুবদিয়ার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের ১০টি অংশে মেরামতের কাজ চলছে। তবে নতুন করে পাঁচটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সেখানেও শিগগিরই কাজ শুরু হবে।</p><p>উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মধ্যে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভাঙা বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কারের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p><p>জানতে চাইলে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতের মতো টেকসই বা কংক্রিটের স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ভাঙা বেড়িবাঁধের দ্রুত সংস্কারের জন্য তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের তাগাদা দিচ্ছেন। জাতীয় সংসদেও তিনি বেড়িবাঁধের প্রসঙ্গটি তুলেছেন। বর্তমানে কুতুবদিয়ার বেড়িবাঁধের প্রায় ১৫টি অংশে দুই কিলোমিটারের মতো ভাঙা রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি অংশে সংস্কারকাজ চলছে, অবশিষ্ট পাঁচটি ভাঙা অংশেও দ্রুত কাজ শুরু হবে।</p><h3>ভাঙছে দ্বীপ

</h3><p>সাগরবেষ্টিত কুতুবদিয়ার চারদিকে বেড়িবাঁধ আছে প্রায় ৪০ কিলোমিটার। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে এই বাঁধের ২০ কিলোমিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই ভাঙা বাঁধ মেরামতের নামে হাজার কোটি টাকা খরচ হলেও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি।</p><p>কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আলম সিকদার বলেন, সাগরে কারও বসতভিটা, কারও চাষের জমি বিলীন হচ্ছে। এতে ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারানো অনেক মানুষ অন্য স্থানে চলে যাচ্ছেন। গত তিন দশকে অন্তত ৪০ হাজার বাসিন্দা দ্বীপ ছেড়েছেন।</p><p>২৯ এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কুতুবদিয়ার ২৫ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল উল্লেখ করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় কুতুবদিয়ার চারপাশে বেড়িবাঁধ রক্ষার ১২ কিলোমিটার প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ) ও ঝাউবন ছিল। এখন দ্বীপের পূর্ব-দক্ষিণাংশে তিন কিলোমিটারের মতো প্যারাবন এবং উত্তর-পশ্চিমাংশে দুই কিলোমিটারের মতো ঝাউবাগান রয়েছে। তাও উজাড় করে প্রভাবশালী মহল চিংড়িঘের ও লবণ চাষের মাঠ তৈরি করছেন। এখন যদি ১৯৯১ সালের মতো শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় এই দ্বীপে আঘাত হানে, তাহলে দ্বীপের অনেক মানুষের মৃত্যু ঘটবে।</p><p>গবেষকেরা বলছেন, পাঁচ দশকে কুতুবদিয়া দ্বীপের মোট স্থলভাগের প্রায় ৬৬ শতাংশ হারিয়ে গেছে। বাংলাদেশ জার্নাল অব সায়েন্টিফিক রিসার্চে প্রকাশিত এক গবেষণায় ডিজিটাল শোরলাইন অ্যানালাইসিস সিস্টেম (ডিএসএএস) ব্যবহার করে ৪২ বছরের (১৯৭২-২০১৪) তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কুতুবদিয়ার দক্ষিণ দিকে বছরে গড়ে প্রায় ৩৩ দশমিক ৭ মিটার এবং পশ্চিম দিকে ৫ দশমিক ৬ মিটার হারে ভূমি সাগরে বিলীন হচ্ছে, যা দ্বীপের অস্তিত্বের ওপর বড় হুমকি।</p><p>বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ট্রাস্টের (বর্তমানে কোস্ট ফাউন্ডেশন) আরেক গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি ভাঙন অব্যাহত থাকে, তবে আগামী ৭০ বছরের মধ্যে কুতুবদিয়া মানচিত্র থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে। কোস্ট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুতুবদিয়ার বাসিন্দা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কুতুবদিয়ার এই ভাঙন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলবায়ু বিপর্যয়। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক বনাঞ্চল এবং প্রকৃতিনির্ভর সুরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করাই হবে দ্বীপটি বাঁচানোর একমাত্র পথ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালানো আসামি ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bc1knoc5pw</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bc1knoc5pw#comments</comments><guid isPermaLink="false">f0e6475a-287b-40f7-8d11-24ae4cac7273</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:54:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:54:42.200Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গাজীপুর মহানগর আদালতের প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিকে অভিযান চালিয়ে আবার গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ]]></description><media:keywords>আদালত,গ্রেপ্তার,গাজীপুর,র‍্যাব,ঢাকা বিভাগ,আসামি,অভিযান</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/qubq38bd/gazipurdh071620260721gazipur-somrat.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ আদালতের গারদখানার সামনে থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিকে আবার গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। আজ মঙ্গলবার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/qubq38bd/gazipurdh071620260721gazipur-somrat.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গাজীপুর মহানগর আদালতের প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিকে অভিযান চালিয়ে আবার গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ময়মনসিংহ শহরের কোতোয়ালি থানার কাশর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব-১-এর গাজীপুর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন ইফতেখার আহমেদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।</p><p>আসামি সম্রাট মন্ডল জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তাকপাড়া গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে।</p><p>র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১, গাজীপুরের সিপিএসসি ও র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহের সিপিএসসির সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও একাধিক সোর্সের মাধ্যমে পলাতক সম্রাটের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ময়মনসিংহ শহরের কাশর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>র‍্যাব ও পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার বেলা ২টার দিকে কোর্ট পুলিশ গারদখানা থেকে সম্রাটকে আদালতের এজলাসে হাজির করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছিল। এ সময় তিনি কৌশলে হাতকড়া থেকে হাত ছুটিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা তাঁকে ধরার চেষ্টা করেন, তবে ধরতে পারেননি।</p><blockquote>সম্রাট মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা আছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।</blockquote><p>পরে এ ঘটনায় গাজীপুর মহানগর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুরুল ইসলাম বাদী হয়ে একই দিন দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় (আইনসম্মত গ্রেপ্তার এড়াতে পলায়ন) একটি মামলা করেন।</p><p>পালানোর ঘটনার আগে গত শনিবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার খুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সম্রাট মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব। এ সময় তাঁর সঙ্গে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন আলামিন ইসলাম, শহীদুল ওরফে মনসুর ও আমিন মিয়া। পরে চারজনকেই সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ilzypae6oy">গাজীপুরে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়েছেন আসামি</a></aside><p>পুলিশ জানিয়েছে, সম্রাট মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা আছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।</p><p>এ বিষয়ে র‍্যাব-১-এর গাজীপুর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন ইফতেখার আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারের পর সম্রাট মন্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ফিউশন রান্নার চূড়ান্ত লড়াইয়ে কার ডেজার্টে মুগ্ধ হলেন আফরান নিশো | স্টার শিপ ফিউশন শেফ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/rg3i1vvero</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/rg3i1vvero#comments</comments><guid isPermaLink="false">5b7b9d87-22d5-43e8-87a3-a8eb9874139c</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:47:37 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:47:37.154Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আফরান নিশো,ফিউশন,শেফ</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xayzr58p/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xayzr58p/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভিডিও</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অতিথি বিচারক হিসেবে অভিনেতা আফরান নিশো ছিলেন দেশের প্রথম ফিউশন কুকিং রিয়েলিটি শো ‘স্টার শিপ ফিউশন শেফ’–এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে। জমকালো আয়োজন শেষে নিজের অভিজ্ঞতাও জানান তিনি।</p><p>বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/f2kQa3mC_pQ"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু নিয়ে খবর সোশ্যাল মিডিয়ায়, যা বলছে শিক্ষা বোর্ড</title><link>https://www.prothomalo.com/education/examination/tzp6h0k949</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/examination/tzp6h0k949#comments</comments><guid isPermaLink="false">1a3839fc-1bb6-43d6-a2aa-86d83882e9c6</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:44:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:44:54.772Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ২৭ জুলাই শুরু নিয়ে ছড়ানো বিজ্ঞপ্তি অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।]]></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,বন্যা,চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম,পড়াশোনা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/16de8283-1ea9-44ee-9495-840962f03a08/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4" width="1920"><media:title type="html"><![CDATA[ এইচএসসি পরীক্ষা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/16de8283-1ea9-44ee-9495-840962f03a08/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরীক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৭ জুলাই থেকে শুরু—নামে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তি অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি’-এর নামে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ২৭/৭/২০২৬ তারিখ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মর্মে যে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড অথবা বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। পরীক্ষাসংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত, বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডেরর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/fcrmyahe/1.png" /></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/2qfjbz32yx">যুক্তরাষ্ট্রের হামফ্রে ফেলোশিপ: মাসিক ভাতাসহ ৯ মাস পড়াশোনা, যাদের সুযোগ</a></aside><p>এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। একই সঙ্গে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।</p><p>এদিকে ১৬ জুলাই রাতে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামসহ ৫ জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বাদে বাকি জেলাগুলো হলো—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/5efkekv4cj">ঢাকা সিটি কলেজ: ১৯৮ শিক্ষকের ১০৫ জনের নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, সংসদের সামনে সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস–লাঠিপেটা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/sj2wy8bnzl</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/sj2wy8bnzl#comments</comments><guid isPermaLink="false">8ceaa493-4239-43d3-b75d-125c06b3221b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:38:21 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:38:21.250Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পুলিশ,সংঘর্ষ,বিক্ষোভ,দিল্লি,ভারত</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/kwe5acqt/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/kwe5acqt/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ও এর আশপাশে ২০ জুলাই হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাঁদের এমন উপস্থিতিতে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা রীতিমতো অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/DR3PSjWX8GA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ভূমিধস যেভাবে উপেক্ষিত এক দুর্যোগের নাম</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/zj14zk7ke2</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/zj14zk7ke2#comments</comments><guid isPermaLink="false">86b80035-ae5c-4328-ad79-4c70f4fb09db</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:32:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:32:31.536Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এখন প্রশ্ন আসতে পারে, পাহাড়ি ঢাল কি বিভিন্ন ধরনের প্রকৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ করা সম্ভব?]]></description><media:keywords>পাহাড় ধস,প্রাকৃতিক দুর্যোগ,দুর্যোগ</media:keywords><media:content height="1481" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/c4dt4t5i/21072026-cm-5.jpg" width="2529"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি বেশি হলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য জেলাগুলোতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/c4dt4t5i/21072026-cm-5.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভূমিধস কোনো অনিবার্য নিয়তি নয়। সঠিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, কার্যকর পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, সময়মতো সরিয়ে নেওয়া এবং জনসচেতনতা—এই পদক্ষেপগুলো সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে অধিকাংশ প্রাণহানি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ভূমিধস প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে লিখেছেন<strong> মো. আশরাফুল ইসলাম</strong></p><p>বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ভূমিধসও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে।</p><p>প্রতিবছর দেশের পার্বত্য অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটছে। যে কারণে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। সম্প্রতি এর পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে পেলাম।</p><p>আমাদের দেশের অধিকাংশ পাহাড় তুলনামূলকভাবে দুর্বল ও সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত শিলা ও মাটি দিয়ে গঠিত। টানা বা অতিবৃষ্টির সময় বৃষ্টির পানি এসব শিলা ও মাটির স্তরের ভেতরে প্রবেশ করে। ফলে এগুলো পানিতে সম্পৃক্ত হয়ে ভারী হয়ে যায় এবং তাদের দৃঢ়তা কমে যায়। একপর্যায়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পাহাড়ের ঢালে থাকা মাটি ও শিলা নিচের দিকে ধসে পড়ে, যা ভূমিধসের সৃষ্টি করে।</p><p>তবে সব জায়গায় এমনটি ঘটে না। সাধারণত যেসব স্থানে পাহাড়ের ঢাল উন্মুক্ত থাকে, অর্থাৎ যেখানে পর্যাপ্ত গাছপালা নেই বা পাহাড় কাটার কারণে ঢালের প্রাকৃতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে, সেখানে ভূমিধসের আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে বেশি।</p><p>তবে শুধু উন্মুক্ত পাহাড়ি ঢাল থাকলেই যে সেটিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বলা যাবে, তা নয়। কারণ, ঝুঁকি নির্ধারিত হয় শুধু ভূমিধসের আশঙ্কা দিয়ে নয়; বরং সেখানে মানুষ, জনবসতি, সড়ক বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উপস্থিতির ওপরও।</p><p>তাই এ ধরনের উন্মুক্ত পাহাড়ি ঢাল অনেক এলাকাতেই থাকলেও সব স্থান সমান ঝুঁকিপূর্ণ নয়। যেসব স্থানে পাহাড়ের পাদদেশ বা ঢালের কাছাকাছি রাস্তা, জনবসতি কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে, সেসব এলাকাই ভূমিধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/7zcz36w4/21072026-cm-5.jpg" /></figure><h3>২.</h3><p>এখন প্রশ্ন আসতে পারে, পাহাড়ি ঢাল কি বিভিন্ন ধরনের প্রকৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ করা সম্ভব?</p><p>উত্তর হলো, অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব। রিটেইনিং ওয়াল বা গ্যাবিয়ন ওয়াল নির্মাণ, ঢালের কোণ কমিয়ে ধাপে ধাপে পুনর্গঠন, কার্যকর পানিনিষ্কাশনের (ড্রেনেজ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রয়োজনে সয়েল নেইলিংয়ের মতো প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং ক্ষয়রোধী ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢালের স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো যায়।</p><p>তবে কোনো একটি ব্যবস্থা সব ক্ষেত্রে সমান কার্যকর নয়। ঢালের উচ্চতা, ঢালের কোণ, মাটির ও শিলার বৈশিষ্ট্য, বৃষ্টিপাতের মাত্রা এবং আশপাশের পরিবেশ বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নির্বাচন করতে হয়।</p><p>জাপান, হংকং, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের অনেক পাহাড়ি ও পার্বত্য দেশেই এ ধরনের ব্যয়বহুল প্রকৌশলব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।</p><p>অবশ্য বাংলাদেশের মতো একটি ঘনবসতিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশের প্রেক্ষাপটে এই সমাধান বাস্তবসম্মত নয়। এর প্রধান কারণ, দেশের পার্বত্য অঞ্চলের অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ ঢালেই বসবাসকারীরা মূলত ভূমিহীন, দরিদ্র বা রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠী। যারা বিকল্প নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবেই পাহাড় কেটে বা পাহাড়ের পাদদেশে বসতি গড়ে তোলে।</p><p>ফলে প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে আলাদা প্রকৌশল অবকাঠামো নির্মাণ করা যেমন আর্থিকভাবে ব্যয়সাপেক্ষ, তেমনি বাস্তবায়নের দিক থেকেও এক দুরূহ চ্যালেঞ্জ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-08/ni0zqb9r/WhatsApp_Image_2026_07_08_at_14_44_49.jpeg" /><figcaption>ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের চশমাহিল এলাকায় পাহাড়ধস। </figcaption></figure><h3>৩.</h3><p>বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় ভূমিধসে প্রাণহানি ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হলেও এ দুর্যোগকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। তাই বাংলাদেশের বাস্তবতায় ভূমিধস মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন সহজ কিন্তু বাস্তবসম্মত কিছু পদক্ষেপ।</p><p>ভূমিধসের ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর ও টেকসই উপায় হলো প্রথমেই বৈজ্ঞানিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেখানে নতুন বসতি, ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।</p><p>আশার কথা হলো, বর্তমান প্রযুক্তির সাহায্যে এসব ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা চিহ্নিত করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে সংগৃহীত ভূপর্যবেক্ষণ তথ্য এবং মাঠপর্যায়ের সরেজমিন জরিপের সমন্বয়ে এখন নির্ভুলভাবে বলে দেওয়া সম্ভব—কোন পাহাড়ের কোন ঢাল ভূমিধসের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।</p><p>পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার মাটির গঠন, পাহাড়ের ঢালের খাড়াই, আশপাশের রাস্তাঘাট, জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার তথ্যও একত্র করে রাখা সম্ভব। এসব তথ্য একত্র করে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের জন্য একটি সমন্বিত ‘জাতীয় ভূমিধস অ্যাটলাস’ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।</p><p>বাংলাদেশে এ বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা সাময়িকীতে ভূমিধস নিয়ে ইতিমধ্যে অসংখ্য গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/orzuv09h53">সরকারি সংস্থাগুলো কি ঘুমায়</a></aside><p>কিন্তু সমস্যা হলো, এসব মূল্যবান গবেষণার ফলাফল শুধু গবেষকদের কাগজপত্রেই বন্দী থেকে যায়। কোথাও কোথাও ঝুঁকি–মানচিত্র তৈরি হলেও তা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। ফলে যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, অর্থাৎ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় প্রশাসন—তারাই থেকে যায় অন্ধকারে।</p><p>সরকার চাইলে এ সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে দেশের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে মুদ্রিত বই বা প্রচলিত ধাঁচের স্থির মানচিত্রের পরিবর্তে একটি সচল ও নিয়মিত হালনাগাদযোগ্য ওয়েব পোর্টাল অধিক উপযোগী হবে, যেখানে নতুন উপগ্রহভিত্তিক তথ্য, সর্বশেষ গবেষণার ফলাফল এবং সংঘটিত প্রতিটি ভূমিধসের তথ্য নিয়মিত সংযোজিত হতে থাকবে।</p><p>আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হলো—এই পোর্টাল যেন জটিল বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় ভরা কোনো একাডেমিক নথি না হয়। একে হতে হবে সহজ ব্যবহারবান্ধব ও বোধগম্য, যাতে একজন সাধারণ গ্রামবাসী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কিংবা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সহজেই বুঝতে পারেন তাঁদের এলাকা কতটা ভূমিধস-ঝুঁকিপূর্ণ, সেই ঝুঁকির কারণ কী এবং ঝুঁকি কমাতে করণীয় কী।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/26zilc93nz">নাগরিক মৃত্যুর এই দুষ্টচক্রের অবসান কবে</a></aside><h3>৪.</h3><p>এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি, ভূমিধসকে ভূমিকম্প বা বন্যার মতো নির্দিষ্ট পুনরাবৃত্তিকাল (রিকারেন্স পিরিয়ড) দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। অর্থাৎ কোন এলাকায় কত বছর পরপর ভূমিধস ঘটবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।</p><p>তবে এর অর্থ এই নয় যে ভূমিধস পূর্বানুমান করা অসম্ভব। প্রবল বৃষ্টির সময় বৃষ্টির তীব্রতা ও স্থায়িত্ব পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারিত ‘থ্রেশহোল্ড’ অতিক্রম করলে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা কার্যকর করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সময়মতো সরিয়ে নেওয়া সম্ভব, যা বহু প্রাণহানি রোধ করতে পারে।</p><p>পাশাপাশি যেসব রাস্তাঘাট প্রকৃতপক্ষেই ভূমিধসের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, সেগুলো রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৌশলব্যবস্থা (ইঞ্জিনিয়ারিং মেজার) গ্রহণ করতে হবে, যাতে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়ে।</p><p>একই সঙ্গে অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং পাহাড়ের প্রাকৃতিক গাছপালা ও উদ্ভিদ আচ্ছাদন সংরক্ষণ করতে হবে, কারণ এগুলো মাটিকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখে ঢালের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/iusab95o/2.-RangamatiDisasterhill-tractsWaterRain09072026.JPG" /><figcaption>পাহাড়ধসের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়কে অপেক্ষায় আটকে পড়া যানবাহন। রাঙামাটি সদর উপজেলার ঢেপ্পোছড়ি মুখ এলাকা </figcaption></figure><p>এভাবে ব্যয়বহুল বা জটিল প্রযুক্তি ছাড়া শুধু সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই প্রতিটি বর্ষায় ভূমিধসে প্রাণহানি অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।</p><p>তবে এসব উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভূমিধস নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত গবেষকদেরও এসব প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।</p><p>প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, মাঠপর্যায়ে কাজের সুযোগ এবং আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে ভূমিধসের কারণ, ঝুঁকি ও সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে আরও নির্ভুল ও কার্যকর গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন এবং ঝুঁকি হ্রাসে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজ হবে।</p><h3>৫.</h3><p>ভূমিধস কোনো অনিবার্য নিয়তি নয়। সঠিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, কার্যকর পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, সময়মতো সরিয়ে নেওয়া ও জনসচেতনতা—এই পদক্ষেপগুলো সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে অধিকাংশ প্রাণহানি প্রতিরোধ করা সম্ভব।</p><p>প্রতিটি বর্ষায় পাহাড়ি ঢালে বসবাসকারী মানুষ<em>—</em>হোন তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দা কিংবা আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গা— প্রত্যেকের জীবনই অমূল্য। তাই এই আহ্বান শুধু নীতিনির্ধারকদের প্রতি নয়, সমগ্র সমাজের প্রতি। আগামী বর্ষা আসার আগেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, আর তার মূল্য দিতে হবে নিরীহ মানুষের প্রাণ দিয়ে।</p><ul><li><p><strong>ড. মো. আশরাফুল ইসলাম</strong> সহযোগী অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</p><p>মতামত লেখকের নিজস্ব</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/fr3kgk746v</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/fr3kgk746v#comments</comments><guid isPermaLink="false">bcf19eac-5468-4ed6-bdd6-dc2017ebe8db</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:30:18 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:30:18.060Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হাসপাতালে নিয়ে আসা শাহিনের সহকর্মী মো. জসিম জানান, শাহিন নতুনবাজার এলাকায় ছয়তলা একটি ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকেন। ঘুমন্ত অবস্থায় ভোরবেলা হঠাৎ বিকট শব্দে গ্যাসের সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ হয়। এতে কক্ষটিতে আগুন ধরে যায়।]]></description><media:keywords>ঢাকা,অগ্নিকাণ্ড</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-10/82bd4b12-c9f7-4347-8222-d14db621e721/8405d0d1-d970-471d-a137-ca0b37b0e945.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-10/82bd4b12-c9f7-4347-8222-d14db621e721/8405d0d1-d970-471d-a137-ca0b37b0e945.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর ভাটারার নতুনবাজার এলাকায় একটি বাসায় গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। গ্যাসের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ধারণা করছেন ওই তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা এক ব্যক্তি।</p><p>আজ মঙ্গলবার ভোরে এ বিস্ফোরণ ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন কাপড়ের দোকানের কর্মচারী মো. শাহীন (২৪), তাঁর স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) ও ভাগনি হাফছা (৮)।</p><p>হাসপাতালে নিয়ে আসা শাহিনের সহকর্মী মো. জসিম জানান, শাহিন নতুনবাজার এলাকায় ছয়তলা একটি ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকেন। ঘুমন্ত অবস্থায় ভোরবেলা হঠাৎ বিকট শব্দে গ্যাসের সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ হয়। এতে কক্ষটিতে আগুন ধরে যায়। পরে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর ধারণা, গ্যাসের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে।</p><p>জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, শাহিনের শরীরে ৫০ শতাংশ, তাঁর স্ত্রী ফাহিমার ৪৫ শতাংশ এবং তাঁদের ভাগনি হাফছার ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুললেন কাজল</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/hn00p1ypdg</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/hn00p1ypdg#comments</comments><guid isPermaLink="false">892bb10e-23e2-48f1-8646-ee49aa330c6b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:30:10 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:30:10.406Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যশ ও কিয়ারার গান নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই কাজল আগরওয়াল জানিয়েছেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ। ]]></description><media:keywords>ঘনিষ্ঠ দৃশ্য,কিয়ারা আদভানি,কাজল আগরওয়াল,হিন্দি সিনেমা</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3gdrz59f/Photo_shared_by_Kajal_A_Kitchlu.jpg" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ কাজল আগরওয়াল। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3gdrz59f/Photo_shared_by_Kajal_A_Kitchlu.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যশ ও কিয়ারা আদভানি অভিনীত ‘টক্সিক: আ ফেইরি টেল ফর গ্রোন-আপস’ ছবির গান ‘তাবাহি’ প্রকাশের পর অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ বিতর্কের মধ্যেই অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল জানিয়েছেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ এবং এ কারণেই তিনি ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি বড় ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।</p><p> সম্প্রতি পডকাস্টার শুভংকর মিশ্রকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাজল বলেন, তিনি কখনোই পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য বা নিজের অস্বস্তিকর মনে হয়, এমন পোশাকে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেননি।</p><p>কাজলের ভাষায়, ‘আমি শুধু নিজের কথাই বলতে পারি। আমি কখনো এ ধরনের চরিত্র করিনি। পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য কিংবা এমন পোশাক—যেমন বিকিনি—যদি তাতে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করি, তাহলে তা করি না। এ কারণেই অনেক বড় ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। এতে আমার কোনো আফসোস নেই। এটা আমার ব্যক্তিগত সীমারেখা, যা আমি অতিক্রম করতে চাই না।’</p><p>কাজল আরও বলেন, ‘খুব ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে আমি কখনোই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনি। আমার কাছে এগুলো ব্যক্তিগত বিষয়, যা পর্দায় দেখানো ঠিক বলে মনে হয়নি। নিজের সীমারেখাকে আমি সব সময় সম্মান করেছি এবং সে সিদ্ধান্তেই অটল থেকেছি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-09/493xhwp9/r1ijjjhokajal-aggarwal625x30016May25.webp" /><figcaption>কাজল আগরওয়াল </figcaption></figure><p>সাক্ষাৎকারে কাজলকে প্রশ্ন করা হয়, একই ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করলেও কেন নারী অভিনেতারা পুরুষদের তুলনায় বেশি সমালোচনার মুখে পড়েন। জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। একজন পুরুষও নিজের বিবেচনায় ঠিক করবেন তিনি এমন দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না। সিদ্ধান্তটা নিজের ভেতর থেকেই আসা উচিত। তবে আমার মনে হয়, এ ধরনের বিষয়ে নারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্ক থাকেন।’<br>মাতৃত্ব কাজলের সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলেছে, সে বিষয়েও কথা বলেন কাজল। উদ্যোক্তা গৌতম কিচলু ও কাজলের চার বছর বয়সী ছেলে নীল। কাজলের ভাষায়, এখন তিনি চরিত্র বাছাইয়ের সময় ছেলের কথাও ভাবেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/ua5u7bds/60g4rdmrbve8fegvpsumrbumcctmovie_1_750P.webp" /><figcaption>‘টক্সিক’–এ কিয়ারা ও যশ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>কাজল বলেন, ‘আমার ছেলে বড় হয়ে যখন আমার সিনেমা দেখবে, তখন যেন সে গর্ব অনুভব করে। আমি চাই না কোনো দৃশ্য দেখে সে অস্বস্তিতে পড়ুক বা প্রশ্ন করুক, “মা, তুমি এটা কেন করলে?” তাই এখন আমি খুব সচেতনভাবে সিনেমা নির্বাচন করি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/zk2c4tji9p">যশ–কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে আলোচনা–বিতর্ক</a></aside><p>উল্লেখ্য, ‘তাবাহি’ গানটি মুক্তির পর একদিকে যেমন অনেক দর্শক এর নির্মাণশৈলী ও দৃশ্যায়নের প্রশংসা করেছেন, অন্যদিকে অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। বিশেষ করে কিয়ারা আদভানিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের ঝড় ওঠে। এ সময় ছবির অভিনেতা বেনেডিক্ট গ্যারেটও প্রশ্ন তোলেন, একই দৃশ্যে অভিনয় করলেও কেন শুধু নারী অভিনেত্রীই বেশি সমালোচনার শিকার হন, অথচ পুরুষ অভিনেতাকে প্রশংসা করা হয়।</p><p>আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘টক্সিক: আ ফেইরি টেল ফর গ্রোন-আপস’ ছবিটির। অন্যদিকে কাজল আগরওয়াল অভিনীত ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ ২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে।</p><p><sup>হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>আগামী বছরের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন ৫০৫৬৪৮ টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/8nxbxyt77n</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/8nxbxyt77n#comments</comments><guid isPermaLink="false">7186171c-6d0e-44de-a79f-022a30fcc815</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:21:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:21:12.440Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর পবিত্র হজ পালনে খরচ হবে ন্যূনতম ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। আার বেসরকারিভাবে পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।]]></description><media:keywords>ইসলাম,পবিত্র হজ,ধর্ম,সৌদি আরব</media:keywords><media:content height="781" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/18traqlc/relegion-minister-shah-mofazzal-21072026.jpeg" width="1041"><media:title type="html"><![CDATA[ ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আগামী বছরের পবিত্র হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/18traqlc/relegion-minister-shah-mofazzal-21072026.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর পবিত্র হজ পালনে খরচ হবে ন্যূনতম ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। আর বেসরকারিভাবে পালনে খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।</p><p>আজ মঙ্গলবার আগামী বছরের পবিত্র হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তা ঘোষণা দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/iepidqnihd">হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী</a></aside><p>মন্ত্রী সরকারি মাধ্যমে দুটি প্যাকেজ নির্ধারণের কথা জানান। এর মধ্যে হজ প্যাকেজ-১–এর খরচ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-‌২–এর খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/5pngqn2hc3">বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়ও ৩ হজ প্যাকেজ, সাধারণ প্যাকেজে ব্যয় বেড়েছে ২৭ হাজার টাকা</a></aside><p>অন্যদিকে বেসরকারি, মানে হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজযাত্রীদের জন্য ‘বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ’ নামে একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ফাইনালের আগে সতীর্থদের কেন সব ভুলতে বলেছিলেন মেসি, কী ঘটেছিল আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/s4ldm48re1</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/s4ldm48re1#comments</comments><guid isPermaLink="false">778a4aaa-235d-4d39-b7fc-e7a1df82b406</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:21:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:21:00.667Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হেরেছে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের আগে ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের কেন সবকিছু ভুলতে বলেছিলেন লিওনেল মেসি।]]></description><media:keywords>আর্জেন্টিনা ফুটবল দল,ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬,মেসি,বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬</media:keywords><media:content height="3748" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3vj9vvz1/154374-01-02.jpg" width="5621"><media:title type="html"><![CDATA[ বিশ্বকাপ ফাইনাল শুরুর আগে লিওনেল মেসি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3vj9vvz1/154374-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাসছে। সেখানে ফাইনালের আগে সতীর্থদের প্রতি লিওনেল মেসির কথা শুনে একটু খটকা লাগে। ঠিক কী ঘটেছে, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।</p><p>আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমগুলো এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ফাইনালের আগে ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা দেওয়া মেসি কেন ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের সবকিছু ভুলে যেতে বললেন?</p><p>টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের বলছেন, ‘সবাই শান্ত হও। আসল বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকতে হবে।’ এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে মেসির পরের কথাগুলো, ‘এসো সবকিছু ভুলে যাই। আমরা শুধু খেলি। চলো শুধু খেলায় মন দিই।’</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Leo Messi telling the players before the game to &quot;Stay calm&quot; and &quot;Forget about everything else.&quot; <br><br>&quot;Let’s stay calm, boys. Forget about everything else. Forget about everything. Let’s just think about playing, that’s all.&quot; <a href="https://t.co/3LNI8WXaIi">pic.twitter.com/3LNI8WXaIi</a></p>&mdash; All About Argentina  (@AlbicelesteTalk) <a href="https://x.com/AlbicelesteTalk/status/2079231343708278832?ref_src=twsrc%5Etfw">July 20, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.x.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ভিডিওতে দেখা গেছে, ড্রেসিংরুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলার সময় মেসির সতীর্থরা সবাই শান্তই ছিলেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, ফাইনালের আগে এনজো ফার্নান্দেজ-এমিলিয়ানো মার্তিনেজদের ঠিক কী ভুলে যাওয়ার কথা বলেন মেসি?</p><p>৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার কী ইঙ্গিত করছিলেন, তা পরিষ্কার না হলেও ফাইনালের আগে সমালোচনার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ স্পেনের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে রেফারিংয়ে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/phdcmmj3j2">বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর মুখ খুললেন মেসি</a></aside><p>ফাইনালের আগে স্পেনের ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্ত বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোয় রেফারিং নিয়ে এমন কিছু ঘটনা দেখেছি, যা সত্যিই বিস্মিত করেছে। কিছু ঘটনায় কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। তারা প্রতিপক্ষের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। ফুটবলে, বিশেষ করে এত বড় প্রতিযোগিতায় এসব কখনোই অনুমোদন করা উচিত নয়। কারণ, এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং হতাশা তৈরি হয়।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/f6nt1jh4/154448-01-02.jpg" /><figcaption>ফাইনালে হারের পর লিওনেল মেসি</figcaption></figure><p>নিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্য দিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতল স্পেন। ম্যাচে রেফারিং কোনো বিতর্ক না হলেও শেষ বাঁশি বাজার পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফের সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ বাধে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে তদন্তে নেমেছে ফিফা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/xcd1jifs5u">বিশ্বকাপ ফাইনালে সংঘর্ষ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ফিফা</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন, ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/mapgxunx96</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/mapgxunx96#comments</comments><guid isPermaLink="false">295a7ea7-d37f-4422-b778-0bb09d78fa5f</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:08:05 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:08:05.455Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বাসস </atom:name><atom:uri>/api/author/1427836</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর অভিনন্দনবার্তায় যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নেতৃত্বে দেশটির শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি কামনা করেন।]]></description><media:keywords>সরকার,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,যুক্তরাজ্য</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/0i12edmb/layout-1600x1067-2.png" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/0i12edmb/layout-1600x1067-2.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দনবার্তায় তারেক রহমান বাংলাদেশ–যুক্তরাজ্যের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গতকাল সোমবার রাতে বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দনবার্তা পাঠিয়েছেন।</p><p>অভিনন্দনবার্তায় তারেক রহমান অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্যের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি কামনা করেন।</p><p>এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়া ও দায়িত্বগ্রহণ উপলক্ষে লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে বাংলাদেশ সরকার, জনগণ ও নিজের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তারেক রহমান।</p><p>তারেক রহমান বলেন, অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়াটা তাঁর নেতৃত্বের প্রতি তাঁর দল ও যুক্তরাজ্যের জনগণের আস্থারই প্রতিফলন।</p><p>তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সুশাসনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।</p><p>বার্তায় তারেক রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, কমনওয়েলথের নীতি এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ভিত্তিতে এই অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/m85bpiq5ta">চার বছরে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী পেল যুক্তরাজ্য, মানুষের আকাঙ্ক্ষা কি পূরণ করতে পারবেন বার্নহ্যাম</a></aside><p>বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন, সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে বার্তায় উল্লেখ করেন তারেক রহমান।</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছেন। তাঁরা উভয় দেশের অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।</p><p>অভিনন্দনবার্তায় তারেক রহমান সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান।</p><p>অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর সফল দায়িত্বপালনের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p><p>অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/stki0eeqkk">যুক্তরাজ্যে স্টারমারের পদত্যাগ, নতুন প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বকাপে হারের পর মুখ খুললেন মেসি</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/bishbkaape-haarer-pr-mukh-khullen-mesi</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/bishbkaape-haarer-pr-mukh-khullen-mesi#comments</comments><guid isPermaLink="false">7e706ab6-f71e-4ee8-aee9-21050bd88a26</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:02:21 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:02:21.334Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিশ্বকাপে হারের পর মুখ খুললেন মেসি]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/kdcibtco/148761_01_02.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ লিওনেল মেসি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/kdcibtco/148761_01_02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে গতকাল একটি বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে মেসি বলেন, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে ভালো লাগার বিষয়গুলোকেও আমি লালন করছি। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচগুলো, মাঠে নিজেদের উজাড় করে দেওয়া, যা চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে। পুরো দেশের সমর্থন, যা এই দলটির কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘সন্তানের মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না, আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/ziz7giw04i</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/ziz7giw04i#comments</comments><guid isPermaLink="false">d061815a-5eb4-4b51-9e6d-091b9c20b99a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:00:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:00:39.738Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মানসুরা হোসাইন</atom:name><atom:uri>/api/author/1258624</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ সোমবার এই দুর্ঘটনার এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা সবাই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।]]></description><media:keywords>বিশেষ সংবাদ,মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ,দুর্ঘটনা,মৃত্যু,ক্ষতিপূরণ,উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত,আইন ও বিচার,যুদ্ধবিমান,আহত</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-05/xe34p04m/Mailstone.jpg" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গত বছরের ২১ জুলাই বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-05/xe34p04m/Mailstone.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘সকালে সুস্থ সন্তানকে হাতে ধরে স্কুলে দিয়ে এলাম। দুপুরে ডিমভুনা আর ভাত দিয়ে টিফিন দিয়ে আসি। টিফিনটা খাইছিল কি না, তা–ও জানি না। এক দিন পরে হাসপাতাল থেকে এই সন্তানের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরি। এমনভাবে পুড়ছিল যে চেহারাটাও চেনা যাচ্ছিল না। কত বলছি, আম্মুর দিকে তাকাও, আম্মুকে একবার ডাকো। কিন্তু তাকায়নি, ডাকেনি।’</p><p>ছেলে বোরহান উদ্দিন বাপ্পিকে নিয়ে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন আবেগাপ্লুত বীথি আক্তার। বোরহান রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। গত বছরের ২১ জুলাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এই ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছিল বোরহান। পরের দিন ভোরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সে মারা যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/e2ttqyi6/Bappi.png" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ের মারা যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী বোরহান উদ্দিন বাপ্পি</figcaption></figure><p>আজ সোমবার এ দুর্ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো। মর্মান্তিক দিনটি সামনে রেখে এ দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত একাধিক শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা সবাই এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার পাশাপাশি পুনর্বাসন চান। তাঁরা চান, আইনিপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্র তাঁদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিক। তবে তাঁরা ক্ষোভ–আক্ষেপ নিয়ে বললেন, এক বছরে এসবের কোনো নজির দেখতে পাননি।</p><p>যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ২৮ শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক, ৩ জন অভিভাবক, ১ জন আয়াসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। এ ছাড়া যুদ্ধবিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৮০ জন। বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিলেন ৫৭ জন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/pbtn0swajd">মাইলস্টোনে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত: নিহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে</a></aside><h3>ছোট ছেলেকে অন্য স্কুলে ভর্তি

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/dg6wywm8/Remembrance.jpeg" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, আয়াসহ ৩৫ জনের ছবিসহ ব্যানার। নিহতদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে</figcaption></figure><p>দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছেই তারারটেক মসজিদ এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে বোরহানকে দাফন করা হয়। সেখানে আরও কবর দেওয়া হয় একই ঘটনায় মারা যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিদ হাসান আরিয়ান ও তৃতীয় শ্রেণির ওমাইর নূর আসফিকে। এই তিন শিশুই নিকটাত্মীয়।</p><p>বীথি আক্তার বলেন, বোরহানের ছোট ভাই হজরত বেলাল উদ্দিন বিজয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির একই ক্যাম্পাসে প্লে শ্রেণিতে পড়ত। বড় ছেলে বোরহানের স্মৃতি তাড়া করে। তাই ছোট ছেলেকে অন্য স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।</p><p>স্কুলটির ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল তাহিয়া আশরাফ নাজিয়া। আরিয়ান আশরাফ নাফি ছিল তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় নাজিয়া মারা যায় ২২ জুলাই, নাফি ২৩ জুলাই। তারা ছিল আপন ভাই–বোন। বাবা আশরাফুল ইসলাম জানান, নাজিয়ার শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। নাফির শরীরের প্রায় পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল।</p><p>সপ্তম শ্রেণির ছাত্র নাভিদ নাওয়াজ দীপ্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ৯৭ দিন চিকিৎসাধীন ছিল। ভর্তির পর তাকে ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) ও কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিল সে। চিকিৎসাকালে তার শরীরে ৩৬ বার অস্ত্রোপচার করা হয়। স্কিন গ্রাফটিং (শরীরের একটি অংশ থেকে ত্বক কেটে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রতিস্থাপন) করা হয় আটবার। গত বছরের ২৭ অক্টোবর সে বাড়ি ফেরে। তবে তাকে এখনো নিয়মিত হাসপাতালে যেতে হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ni6vxkxp/rupi.png" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয় শিক্ষার্থী রুপি বড়ুয়া রয়া। মা–বাবার সঙ্গে সে</figcaption></figure><h3>‘দায় নেবে কে’

</h3><p>রুপি বড়ুয়া রয়া পড়ত পঞ্চম শ্রেণিতে। তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে তিন মাস ভর্তি থাকতে হয়েছিল। দগ্ধ হওয়ায় তার হাতের আঙুল একটার সঙ্গে আরেকটা প্রায় লেগে আছে। সে এখন মাইলস্টোনেই ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। তবে সে স্কুলে যেতে পারে না। বাসায় প্রাইভেট শিক্ষক এসে পড়ান।</p><p>রুপি বড়ুয়া ঘটনার দিন স্কুলে যেতে চাইছিল না। তার মা–বাবা তাকে জোর করে স্কুলে পাঠিয়েছিলেন। তাই ঘটনার পর থেকে মা–বাবার ওপর ভীষণ অভিমান তার।</p><p>শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রুপি বড়ুয়াকে। তার বড় বোন একা বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ দুর্ঘটনায় আমাদের পুরো পরিবার শেষ হয়ে গেছে। বোনের পাশে থাকতে হচ্ছে বলে অনার্স শেষ করার পর আমি আর পড়াশোনা, চাকরি কিছুই করতে পারছি না। বোন একা বাথরুমেও যেতে পারে না। দুর্ঘটনার সময় মেজ বোন এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। ও এখন পর্যন্ত কোথাও ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়নি। বোনের চিকিৎসায় খরচ তো আছেই। এসবের দায় নেবে কে?’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/f5436y4atk">৩৬ বার অস্ত্রোপচার, ৮ বার স্কিন গ্রাফটিংয়ের ধকল সয়ে ৯৭ দিন পর বাড়ি ফিরল নাভিদ</a></aside><h3>তদন্ত, প্রতিবেদন, রিট

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-11/7jjqx00r/01.jpeg" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের ছবিসহ টানানো ব্যানার। ব্যানারে ভাগনি ফাতেমা আক্তারের ছবি দেখছেন মামা লিওন মীর। ছবিটি গত বছরের </figcaption></figure><p>দুর্ঘটনার পর গত বছরের ২৭ জুলাই ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশনকে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিত, কারণ, দায়দায়িত্ব, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং ঘটনাসংশ্লিষ্ট অপরাপর বিষয় চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল।</p><p>ঘটনার তিন মাস পর কমিশন গত বছরের ৫ নভেম্বর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ও কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছিলেন, তদন্ত কমিশন ১৫০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে। ১৬৮টি তথ্য উদ্‌ঘাটন করেছে। ৩৩টি সুপারিশ করেছে।</p><p>তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার মূল কারণ পাইলটের উড্ডয়নত্রুটি। মাইলস্টোন স্কুলের ভবনটি রাজউকের বিল্ডিং কোড অনুযায়ী অনুমোদিত হয়নি। বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ওই ভবনে ন্যূনতম তিনটি সিঁড়ি থাকার কথা ছিল। কিন্তু ছিল মাত্র একটি। তিনটি থাকলে হতাহত আরও কমত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/o7ber9abld">পাশাপাশি তিন শিশুর কবর,
কাঁদাচ্ছে সবাইকে </a></aside><p>কমিটির প্রধান সুপারিশ ছিল জননিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবাহিনীর সব প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ঢাকার বাইরে পরিচালনা করা।</p><p>তদন্ত প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির উত্তরা ক্যাম্পাসের ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ না করে অনুমোদনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ জানানোয় নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে একটি রিট হয়। নিহত আট ও আহত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) রিটটি করে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আমিরুল হক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/syq3t18y/kafi.jpeg" /><figcaption>যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ৭০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাফি আহমেদ তাইফ</figcaption></figure><p>গত ৮ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশ ও ভুক্তভোগীদের অনুলিপি দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা রুলে জানতে চান আদালত। দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুলে জানতে চাওয়া হয়।</p><p>একই ঘটনায় আগে হাইকোর্টে আরেকটি রিট হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনিসুর রহমান রায়হান ২০২৫ সালের ২২ জুলাই এ রিট করেন। রিটে রুলসহ কয়েকটি নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ রিটে মামলায় ভুক্তভোগী পরিবারের ১১ জন সদস্য পক্ষভুক্ত হন।</p><p>কাফি আহমেদ তাইফ পড়ত পঞ্চম শ্রেণিতে। সে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি ছিল ৭০ দিন। এখনো সে হাত মুঠ করতে পারে না। তার মুখ পুড়ে গিয়েছিল। কাফির বাবা মেরাজ আহমেদ এ রিট মামলার পক্ষভুক্তদের একজন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসা হয়েছে সরকারি খরচে। তবে এ ধরনের রোগীদের খাবার ও কিছু ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। এতে কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। এখনো ফলোআপ লাগছে। ছেলে স্কুলে যাচ্ছে, বিনা মূল্যে পড়ছে। তবে ছেলে মানসিকভাবে খুবই অসুস্থ। তার চেহারা কেন এমন হয়ে গেল, তা সে মানতে পারে না।</p><p>এই বাবার প্রশ্ন, ‘এ দুর্ঘটনার দায় কার? আহত বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ কী?’</p><p>আইনজীবী আমিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় বর্তমানে দুটি মামলা (রিট) হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় আছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/0bred133mb">উত্তরায় মাইলস্টোনে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা তদন্তে সরকারের কমিশন গঠন</a></aside><p>গত বছরের ২৫ জুলাই বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) ‘মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনা: জননিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়’ শীর্ষক একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কারিগরিভাবে বৈধ হলেও এটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ার (বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ অঞ্চল) মধ্যে পড়েছে। বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়—এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jdwveost/fatema.jpeg" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মারা যাওয়া শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার</figcaption></figure><h3>‘সুষ্ঠু বিচার চাই’

</h3><p>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ৩ জুন এক চিঠিতে জানায়, অর্থ বিভাগ এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে এ তথ্য জানাতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে তিনটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের বরাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘোষিত অনুদানের পরিমাণ বাস্তব প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এটি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।</p><p>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৩ জুনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, অর্থ ছাড়করণের সর্বশেষ তারিখ ২০২৬ সালের ২৫ জুন। এ তারিখের মধ্যে বরাদ্দ করা অর্থ ছাড় করা না হলে তা সরকারি কোষাগারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত যাবে। পরে এই অর্থ আর ছাড় করার সুযোগ থাকবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/el2kbh1z9f">বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ozhuwllo/Milestone.jpeg" /><figcaption>রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠান। আজ মঙ্গলবার</figcaption></figure><p>মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) নুরন্ নবী প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন ছাড়া অন্যরা স্কুলে ফেরত এসেছে। যারা স্কুলে আসতে পারছে না, তাদের বাড়িতে শিক্ষক পাঠানো হচ্ছে। তারা সবাই বিনা মূল্যে পড়ছে। ফিজিওথেরাপির জন্য একটি সেন্টার ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সেখানেও তারা বিনা মূল্যে সেবা পাচ্ছে।</p><p>দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তারের মামা সাংবাদিক লিওন মীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের এ অর্থ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আমরা ক্ষতিপূরণ চাই না। সন্তানের মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আইনি প্রক্রিয়ায় দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো জরিমানা দেবে, আমরা তা চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/9cayvhmz25">মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত: তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশে নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্নে রুল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/8463i8jmpx">উড্ডয়ন ত্রুটির কারণে যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল মাইলস্টোনে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পশ্চিমা বিশ্বকেও যে জায়গায় পেছনে ফেলে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা</title><link>https://www.prothomalo.com/world/asia/1i3nonu55z</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/asia/1i3nonu55z#comments</comments><guid isPermaLink="false">94efa200-24aa-4175-b373-b74a18393cb5</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মুহাম্মদ তাসনীম আলম</atom:name><atom:uri>/api/author/2357210</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>হামলা,প্রধানমন্ত্রী,এশিয়া,রাজনীতি,শ্রীলঙ্কা,গুলি</media:keywords><media:content height="704" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/lx82kikf/Sirimavo-Bandaranaike.png" width="994"><media:title type="html"><![CDATA[ বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/lx82kikf/Sirimavo-Bandaranaike.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এশিয়া</category><category>বিশ্ব</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্বের প্রথম নারী রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েক। ওই সময় পশ্চিমা বিশ্বের কোনো দেশেও নারী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন না। ১৯৬০ সালের এই দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁকে নিয়ে আজকের আয়োজন।</p><p>সেপ্টেম্বর ১৯৫৯। শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েকে এক বৌদ্ধ ভিক্ষুর গুলিতে নিহত হন। সেই শোকের সময় তাঁর স্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির (এসএলএফপি) নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। প্রতিপক্ষ তাঁকে ব্যঙ্গ করে ডাকত ‘ক্রন্দসী বিধবা’। কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় সেই ‘বিধবাই’ বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।</p><p>শ্রীমাভো রাতওয়াত্তে দিয়াস বন্দরনায়েকে ১৯৬০ সালের ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। শুধু শ্রীলঙ্কাই নয়, বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসেও এটি ছিল এক যুগান্তকারী মুহূর্ত। তখনো যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স কিংবা জার্মানির মতো পশ্চিমা গণতন্ত্রে কোনো নারী সরকারপ্রধান নির্বাচিত হননি। অথচ সদ্য স্বাধীন একটি ছোট এশীয় রাষ্ট্রই প্রথম দেখিয়ে দিল, একজন নারীও রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ দায়িত্ব নিতে পারেন।</p><p>গত শতকের ষাটের দশকের শুরুতে শ্রীলঙ্কার মতো একটি দেশে একজন নারীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া ছিল এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে তাই শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি বিশ্বজুড়ে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন।</p><p><strong>যেভাবে রাজনীতিতে</strong></p><p>শ্রীলঙ্কার রাতনাপুরায় এক সিংহলি কান্দ্যান পরিবারে ১৯১৬ সালের ১৭ এপ্রিল শ্রীমাভোর জন্ম। তাঁর বাবা বার্নেস রাতওয়াত্তে ছিলেন সিনেটর ও স্টেট কাউন্সিলের সদস্য। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পরিবারটি ছিল প্রভাবশালী।</p><p>কলম্বোর সেন্ট ব্রিজেট কনভেন্টে পড়াশোনা শেষে শ্রীমাভো সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। বিশেষ করে নারী ও শিশুকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সে সময় সরাসরি রাজনীতিতে না এলেও জনসেবামূলক কাজের মাধ্যমে পরিচিতি পান।</p><p>১৯৪০ সালে সলোমন ওয়েস্ট রিজওয়ে দিয়াস বন্দরনায়েকের সঙ্গে শ্রীমাভো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে সলোমন বন্দরনায়েকে শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনীতিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৫১ সালে তিনি শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (এসএলএফপি) প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৫৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।</p><p>স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের পুরো সময় শ্রীমাভো নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশের বৃহত্তম নারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লঙ্কা মহিলা সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক সভা, দলীয় কর্মসূচি ও সামাজিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতেন। পরে তিনি বলেছিলেন, ‘গৃহিণী হিসেবে বিশ বছর ধরে আমি রাজনীতির শিক্ষা নিয়েছি।’</p><p>১৯৫৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এক বৌদ্ধ ভিক্ষুর গুলিতে প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েকে নিহত হলে এসএলএফপি নেতৃত্বসংকটে পড়ে। দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা শ্রীমাভোকে নেতৃত্ব গ্রহণের আহ্বান জানান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/k14ksvmk/Sirimavo-A-Unique-Political-Saga.png" /><figcaption>ছবি: এআই দিয়ে তৈরি</figcaption></figure><p><strong>প্রথম মেয়াদ: ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো</strong></p><p>১৯৬০ সালের জুলাইয়ের সাধারণ নির্বাচনে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টিকে জয়ী করে শ্রীমাভো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেন।</p><p>দায়িত্ব নেওয়ার পর শ্রীমাভো স্বামীর সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করেন। রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও সেবা খাত আনার উদ্যোগ নেন। একই সঙ্গে বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা এবং সিংহলি ভাষাকে রাষ্ট্রের প্রধান ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার নীতি এগিয়ে নেন।</p><p>তবে ভাষানীতি শ্রীমাভো সরকারের অন্যতম বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পরিণত হয়। তামিল সংখ্যালঘুদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সরকার জরুরি অবস্থা জারি করে।</p><p>প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীমাভোকে শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতাই নয়, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতারও মোকাবিলা করতে হয়। অনেক বিদেশি সংবাদমাধ্যম প্রথমে তাঁকে ‘গৃহিণী থেকে প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।</p><aside><cite>শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে, শ্রীলঙ্কার সিনেটে জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে</cite>জোটনিরপেক্ষ নীতির মূল ভিত্তি হলো একটি বিশ্বাস। তা হলো বিভিন্ন স্বাধীন দেশ, তারা আকারে ছোট হোক বা সামরিক শক্তিতে দুর্বল হোক, আজকের বিশ্বে তারা চাইলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। জোটনিরপেক্ষতা মানে আন্তর্জাতিক বিষয় থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া বা বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা নয়।</aside><p>অর্থনৈতিক নীতিতেও শ্রীমাভো সাহসী পদক্ষেপ নেন। ব্রিটিশ ও মার্কিন মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলো জাতীয়করণ করেন। এর জেরে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রতি অর্থনৈতিক সহায়তা সীমিত করে। আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও তিনি জাতীয়করণের নীতি থেকে সরে আসেননি।</p><p>বৈদেশিক নীতিতে শ্রীমাভো শীতল যুদ্ধের দুই পরাশক্তির কোনো শিবিরে না গিয়ে জোটনিরপেক্ষ অবস্থানকে সমর্থন করেন। শ্রীলঙ্কা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল। তাঁর নেতৃত্বে দেশটি আন্দোলনের সক্রিয় কণ্ঠে পরিণত হয়। ভারত মহাসাগরকে ‘শান্তি অঞ্চল’ ঘোষণার প্রস্তাবও তিনি জাতিসংঘে উত্থাপন করেন।</p><p>তবে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, খাদ্যঘাটতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের রেশনিংয়ের কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ১৯৬৫ সালের নির্বাচনে তাঁর দল পরাজিত হয়। এর মধ্য দিয়ে তাঁর প্রথম মেয়াদের সমাপ্তি ঘটে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/jnlehl7y/With_Mrs_Bandaranaike.png" /><figcaption>কলম্বো সফরে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। ১৫ অক্টোবর ১৯৬২ সাল</figcaption></figure><p><strong>দ্বিতীয় মেয়াদ: প্রজাতন্ত্রের জন্ম ও ক্ষমতার শীর্ষে</strong></p><p>১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় ফেরে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি। বামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে গঠিত ইউনাইটেড ফ্রন্ট জোটের নেতৃত্বে শ্রীমাভো দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। এটিই ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী সময়।</p><p>ক্ষমতায় ফিরে শ্রীমাভো রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও বৃদ্ধি করেন। ব্রিটিশ মালিকানাধীন চা-বাগান, রাবারবাগান ও বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হয়। ভূমি সংস্কারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানায় জমির সীমা নির্ধারণ করে অতিরিক্ত জমি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওষুধ আমদানি ও বিতরণেও জাতীয় নীতি গ্রহণ করা হয়।</p><p>তবে দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই তাঁর সরকার বড় সংকটে পড়ে। ১৯৭১ সালে বামপন্থী যুব সংগঠন জনতা বিমুক্তি পরিষদ (জেভিপি) সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি স্থাপনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের সহায়তা নেয় শ্রীলঙ্কা সরকার। কয়েক সপ্তাহের অভিযানে বিদ্রোহ দমন করা হয়। এটি স্বাধীন শ্রীলঙ্কার প্রথম বড় অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা–সংকট হিসেবে বিবেচিত।</p><p>শ্রীমাভোর দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালে। নতুন সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সঙ্গে অবশিষ্ট সাংবিধানিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রজাতন্ত্রে রূপান্তর করা হয়। একই সঙ্গে ‘সিলন’ নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে রাখা হয় ‘শ্রীলঙ্কা’।</p><blockquote>যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে এখন পর্যন্ত নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হননি। তাই গত শতকের ষাটের দশকের শুরুতে শ্রীলঙ্কার মতো একটি দেশে একজন নারীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া ছিল কিছুটা ‘বিস্ময়কর’ ঘটনা।</blockquote><p>তবে এই সংবিধান নতুন বিতর্কেরও জন্ম দেয়। এতে বৌদ্ধধর্মকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয় এবং সিংহলি ভাষার প্রাধান্য আরও সুসংহত করা হয়। তামিল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ মনে করেছিল, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থায় তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার আরও সীমিত হয়ে পড়েছে। পরবর্তী কয়েক দশকে দেশটি জাতিগত সংঘাত ও গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যায়। অনেক গবেষক এর পেছনে সে সময়ের নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোকেও দায়ী করেছেন।</p><p>শ্রীলঙ্কাবিষয়ক গবেষক নীল ডিভোটা তাঁর ‘ব্লোব্যাক: লিঙ্গুইস্টিক ন্যাশনালিজম, ইনস্টিটিউশনাল ডিকে অ্যান্ড এথনিক কনফ্লিক্ট ইন শ্রীলঙ্কা’ বইয়ে যুক্তি দিয়েছেন, ভাষাভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতীয়তাবাদ ও ১৯৭২ সালের সংবিধানের মতো নীতিগত পদক্ষেপ তামিলদের ক্রমে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে তোলে এবং সংঘাতের ভিত্তি শক্তিশালী করে।</p><p>শ্রীলঙ্কার প্রবীণ ইতিহাসবিদ কে এম ডি সিলভা তাঁর ‘আ হিস্ট্রি অব শ্রীলঙ্কা’ বইয়ে লিখেছেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান শ্রীলঙ্কার জাতিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সাম্প্রদায়িক বৈরিতার নতুন পর্যায়ের সূচনা’ করেছিল, বিশেষ করে সিংহলি ও তামিল জনগোষ্ঠীর সম্পর্কে।</p><p><strong>জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের যাত্রা</strong></p><p>দেশের অভ্যন্তরে নানা সংকট থাকলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শ্রীমাভোর মর্যাদা বাড়তে থাকে। শীতল যুদ্ধের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষ নেননি। বরং জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বাধীন কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করেন।</p><p>ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু, যুগোস্লাভিয়ার জোশেফ ব্রজ টিটো, মিসরের জামাল আবদেল নাসেরসহ জোটনিরপেক্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। ভারত মহাসাগরকে ‘শান্তি অঞ্চল’ ঘোষণার দাবিও আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরেন।</p><p>শ্রীলঙ্কার সিনেটে জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ১৯৬৪ সালের ২৩ জানুয়ারি দেওয়া এক ভাষণে শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বলেছিলেন, ‘জোটনিরপেক্ষ নীতির মূল ভিত্তি হলো একটি বিশ্বাস। তা হলো বিভিন্ন স্বাধীন দেশ—তারা আকারে ছোট হোক বা সামরিক শক্তিতে দুর্বল হোক—আজকের বিশ্বে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। জোটনিরপেক্ষতা মানে আন্তর্জাতিক বিষয় থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া বা বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা নয়। নিরপেক্ষতাবাদ বলতে প্রচলিত ধারণায় হয়তো এমনটি ভাবা হতো। কিন্তু জোটনিরপেক্ষতা ও বিশ্বের ঘটনাপ্রবাহ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এ বিষয়ে সম্মানিত সিনেট সদস্যরা নিশ্চয়ই একমত হবেন।’</p><p>১৯৭৬ সালে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনে শ্রীমাভো চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। সে সময় পর্যন্ত এটি ছিল শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার অসংখ্য নেতা এতে অংশ নেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে তাঁর অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়।</p><aside><cite>নীল ডিভোটা, শ্রীলঙ্কাবিষয়ক গবেষক</cite>ভাষাভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতীয়তাবাদ ও ১৯৭২ সালের সংবিধানের মতো নীতিগত পদক্ষেপ তামিলদের ক্রমে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে তোলে এবং সংঘাতের ভিত্তি শক্তিশালী করেছিল।</aside><p><strong>জনপ্রিয়তায় ধস</strong></p><p>আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য এলেও দেশের অর্থনীতি ক্রমে দুর্বল হতে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, খাদ্যঘাটতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘদিনের রেশনিং সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তোলে। একই সময়ে উৎপাদন ও বিনিয়োগও কমে যায়।</p><p>সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অদক্ষতা ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বাড়তে থাকে। তামিল প্রশ্নে অসন্তোষও আরও তীব্র হয়।</p><p>এই পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি বড় পরাজয়ের মুখে পড়ে। ১৬৮ সদস্যের পার্লামেন্টে দলটি মাত্র আটটি আসন পায়। কয়েক বছর আগেও জোটনিরপেক্ষ বিশ্বের অন্যতম পরিচিত মুখ শ্রীমাভোকে এবার ক্ষমতা ছেড়ে বিরোধী রাজনীতিতে ফিরতে হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/pr61zpcs/Bandaranaikes_with_Nehru.png" /><figcaption>(বাঁ থেকে) শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী এস ডব্লিউ আর ডি বন্দরনায়েকে ও তাঁর স্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। পাশে নেহরুর কন্যা ইন্দিরা গান্ধী। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে, ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৭ সাল </figcaption></figure><p><strong>রাজনৈতিক নির্বাসন ও প্রত্যাবর্তন</strong></p><p>ক্ষমতা হারানোর পরও শ্রীমাভোর রাজনৈতিক জীবন থেমে যায়নি। ১৯৮০ সালে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে একটি বিশেষ কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে তাঁর নাগরিক অধিকার সাত বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এর ফলে তিনি সংসদ সদস্য থাকার অধিকার হারান এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন।</p><p>সমর্থকেরা এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে মনে করতেন। তবে সমালোচকদের মতে, এটি ছিল ক্ষমতায় থাকাকালে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের জবাবদিহির অংশ।</p><p>১৯৮৬ সালে রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে শ্রীমাভো আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টিকে পুনর্গঠনে মনোযোগ দেন। ধীরে ধীরে দলটি আবার জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে ওঠে।</p><p>১৯৮৯ সালের নির্বাচনে শ্রীমাভো সংসদে ফিরে আসেন এবং বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন। যাঁকে একসময় রাজনৈতিকভাবে শেষ বলে মনে করা হচ্ছিল, তিনি আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে ফিরে আসেন।</p><blockquote>ক্ষমতায় ফিরে শ্রীমাভো চা–রাবারবাগান ও বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, ভূমি সংস্কার এবং ওষুধ খাতে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি গড়ার উদ্যোগ নেন।</blockquote><p><strong>তৃতীয় মেয়াদ: মেয়ের অধীনে মায়ের প্রত্যাবর্তন</strong></p><p>শ্রীলঙ্কার ১৯৯৪ সালের নির্বাচন দেশটির রাজনীতিতে আরেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। শ্রীমাভোর মেয়ে চন্দ্রিকা বন্দরনায়েকে কুমারাতুঙ্গা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তাঁর মাকে আবার প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন।</p><p>একই পরিবারের দুই প্রজন্মের দুই নারী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুটি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার ঘটনা তখন পর্যন্ত বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ছিল। তবে শ্রীমাভোর তৃতীয় মেয়াদের রাজনৈতিক বাস্তবতা আগের দুই মেয়াদ থেকে ভিন্ন ছিল। ১৯৭৮ সালের সংবিধানের মাধ্যমে নির্বাহী রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা চালু হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অনেকটাই সীমিত হয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান কর্তৃত্ব ছিল রাষ্ট্রপতি চন্দ্রিকার হাতে।</p><p>তবু দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে সরকার পরিচালনা, দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় শ্রীমাভো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় সরকার তামিল বিদ্রোহীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করে। যদিও সংঘাত পুরোপুরি থামানো সম্ভব হয়নি।</p><p><strong>জীবনের শেষ দিন</strong></p><p>স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতির কারণে ২০০০ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ান শ্রীমাভো। তবে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে যাননি।</p><p>২০০০ সালের ১০ অক্টোবর শ্রীলঙ্কায় ১১তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি ভোট দেন। ভোটকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।</p><aside><cite>ডি বি এস জেয়ারাজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক</cite>শ্রীমাভোকে কেবল তাঁর সাফল্য বা ব্যর্থতা দিয়ে বিচার করলে পূর্ণ চিত্রটি ধরা পড়বে না। তাঁকে দেখতে হবে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে বেরিয়ে আসা একটি রাষ্ট্রের পরিচয় নির্মাণ, উন্নয়নের পথ খোঁজা এবং শীতল যুদ্ধের বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে।</aside><p><strong>মূল্যায়ন</strong></p><p>শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত।</p><p>সমর্থকদের মতে, স্বাধীনতার পর শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্র গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শীতল যুদ্ধের সময় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনে তাঁর নেতৃত্ব শ্রীলঙ্কাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিতি দেয়।</p><p>অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, ভাষানীতি ও রাষ্ট্রকাঠামো–সংক্রান্ত কিছু সিদ্ধান্ত জাতিগত বিভাজনকে আরও গভীর করে তোলে। বিশেষ করে সিংহলি ভাষার প্রাধান্য এবং রাষ্ট্রে বৌদ্ধধর্মের বিশেষ মর্যাদা তামিল জনগোষ্ঠীর মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি বাড়ায়। অনেক গবেষকের মতে, এসব নীতি পরবর্তী কয়েক দশকে গৃহযুদ্ধের পটভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।</p><p>অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও তাঁর উত্তরাধিকার নিয়ে মতভেদ রয়েছে। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি, ভূমি সংস্কার ও জাতীয়করণ সামাজিক বৈষম্য কমাতে কিছুটা সহায়ক হলেও উৎপাদন, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল বলে মনে করেন অনেক অর্থনীতিবিদ। অন্যদিকে সমর্থকদের মতে, সীমিত সম্পদ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের চেষ্টাই ছিল তাঁর নীতির মূল লক্ষ্য।</p><p>রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডি বি এস জেয়ারাজ ২০১৬ সালের এক প্রবন্ধে লিখেছেন, শ্রীমাভোকে শুধু তাঁর সাফল্য বা ব্যর্থতা দিয়ে বিচার করলে পূর্ণ চিত্রটি ধরা পড়বে না। তাঁকে দেখতে হবে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে বেরিয়ে আসা একটি রাষ্ট্রের পরিচয় নির্মাণ, উন্নয়নের পথ খোঁজা এবং শীতল যুদ্ধের বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিলে তাঁর অনেক সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা সহজ হয়, যদিও তাঁর সব সিদ্ধান্ত সমর্থনযোগ্য নয়।</p><blockquote>শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে শুধু একটি নির্বাচনে জয়ী হননি, তিনি নারীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রচলিত মানসিক বাধাও ভেঙেছিলেন। তাঁর পথ ধরেই পরবর্তী কয়েক দশকে বিশ্বের বহু দেশে নারী সরকারপ্রধানের আবির্ভাব ঘটে। ইতিহাসের সেই প্রথম পদক্ষেপটি এসেছিল শ্রীলঙ্কা থেকে।</blockquote><p><strong>ইতিহাসে তাঁর স্থান</strong></p><p>আজ বিশ্বের অনেক দেশে নারী রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু ১৯৬০ সালে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। তখন অধিকাংশ দেশেই জাতীয় নেতৃত্বে পুরুষদের আধিপত্য ছিল।</p><p>শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে শুধু একটি নির্বাচনে জয়ী হননি, নারীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রচলিত ধারণায়ও পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন। তাঁর পরবর্তী কয়েক দশকে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, ফিলিপাইন, জার্মানি ও নিউজিল্যান্ডসহ বহু দেশে নারী সরকারপ্রধানের আবির্ভাব ঘটেছে। ইতিহাসের সেই প্রথম পদক্ষেপটি এসেছিল শ্রীলঙ্কা থেকে।</p><p>একসময় যাঁকে প্রতিপক্ষ ‘ক্রন্দসী বিধবা’ বলে বিদ্রূপ করেছিল, ইতিহাস তাঁকেই বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্মরণ রেখেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, অক্সফোর্ড ডিকশনারি অব ন্যাশনাল বায়োগ্রাফি, শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের ওয়েবসাইট, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) আর্কাইভ, লাইব্রেরি অব কংগ্রেস, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ডট নেট, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ফাউন্ডেশন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অপেক্ষার এক্সপ্রেসওয়ে, ভোগান্তি সড়কে</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/e7r5m0pi1k</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/e7r5m0pi1k#comments</comments><guid isPermaLink="false">9f9ba873-5822-43db-9b9f-fbacb60e62ad</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ছবি:</atom:name><atom:uri>/api/author/1512359</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে। এখনো চলছে। টানা নির্মাণকাজ চলায় উন্নয়নের সুফলের অপেক্ষায় থাকা আশুলিয়া–আবদুল্লাহপুর সড়কে চলাচলকারী মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।]]></description><media:keywords>আশুলিয়া,ঢাকা,দুর্ভোগ,এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,ছবির গল্প</media:keywords><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে। এখনো চলছে। টানা নির্মাণকাজ চলায় উন্নয়নের সুফলের অপেক্ষায় থাকা আশুলিয়া–আবদুল্লাহপুর সড়কে চলাচলকারী মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভাঙাচোরা সড়ক, ধুলা, জলাবদ্ধতা, দীর্ঘ যানজট এখন এই সড়কে চলাচলকারীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। ছবিগুলো সম্প্রতি তোলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/e05d3169/1____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>খানাখন্দে ভরা সড়কের পাশে রাখা হয়েছে নির্মাণসামগ্রী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/oh2c36g2/2____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>কাদা জমে থাকা খানাখন্দে ভরা সড়কে চলছেন পথচারীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/3b2dnshb/3.-Dhaka-Asulia-roadSufferingexpressway21072026.JPG" /><figcaption>প্রধান সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে অস্থায়ী মেরামতের কাজ করছেন শ্রমিকেরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/yspgf9u2/4____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>গর্ত, জমে থাকা পানি, কাদা আর আবর্জনার কারণে এটা যে সড়ক—সেটাই বোঝা কঠিন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/dfmfd2v9/5.-Dhaka-Asulia-roadSufferingexpressway21072026.JPG" /><figcaption>চলছে নির্মাণকাজ, বন্ধ রাখা হয়েছে ব্যস্ত সড়কের একাংশ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/a07ruesl/7____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারের নিচে ভাঙাচোরা সড়ক ধরে চলছে যানবাহন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/8td2owy9/8.-Dhaka-Asulia-roadSufferingexpressway21072026.JPG" /><figcaption>হাসপাতালের সামনের সড়কেও জমে পানি–কাদা, দেখা দেয় ভোগান্তি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/jiq04ifw/9____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>ফিলিং স্টেশনের সামনে খানাখন্দে ভরা সড়কে জমেছে পানি–কাদা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/9rz47as3/10____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>গর্তে ভরা সড়কে কাদাপানি পেরিয়ে চলছে যানবাহন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/qt0gmylq/12____Dhaka_Asulia_road_Suffering_expressway_21072026.JPG" /><figcaption>খানাখন্দ আর কাদায় ভরা সড়কের একাংশ দখল করে পণ্য সাজিয়ে রেখেছেন দোকানদারেরা </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>বড় হয়েও মায়ের ওপর অতিনির্ভরশীল? ‘মাদার কমপ্লেক্স’ সম্পর্কে জানুন</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/h7jn9f3f7f</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/h7jn9f3f7f#comments</comments><guid isPermaLink="false">3de8fb78-b7fd-49f1-8df8-fa67cafcd54d</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রাফিয়া আলম</atom:name><atom:uri>/api/author/1435098</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সন্তান পালন,অভ্যাস,আবেগ,মা</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/hkwwyiyk/WhatsApp-Image-2025-09-24-at-10.54.59-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ শৈশব থেকে সন্তানকে আগলে রাখেন একজন মা]]></media:title><media:description type="html"><![CDATA[ ‘মাদার কমপ্লেক্স’]]></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/hkwwyiyk/WhatsApp-Image-2025-09-24-at-10.54.59-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পর্ক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তাঁর মায়ের মতামতকে সম্মান করেন, এটি স্বাভাবিক। তবে কখনো কখনো মায়ের মতামতের বাইরে গিয়েও নিজের জীবনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। তা না পারলে জীবনের গতি হতে পারে বাধাগ্রস্ত। এই অতিনির্ভরশীলতার পেছনে দায়ী হতে পারে ‘মাদার কমপ্লেক্স’। এ বিষয়ে জানালেন শিশু-কিশোর ও পারিবারিক মনোরোগবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক এবং যুক্তরাজ্যের সিনিয়র ক্লিনিক্যাল ফেলো ডা. <strong>টুম্পা ইন্দ্রানী ঘোষে</strong>র সঙ্গে।</p><p>শৈশব থেকে সন্তানকে আগলে রাখেন একজন মা। তিনি চাইতেই পারেন, সব সময় যেন তাঁর সন্তান সেরা জিনিসটা পায়। সেভাবেই বড় করে তোলেন তাকে। নানান দিকনির্দেশনাও দেন। </p><p>এভাবেই তাঁর উপস্থিতির একটা ছাপ পড়ে সন্তানের জীবনে। এমনকি মায়ের অনুপস্থিতিতেও সেই ছাপ থেকে যায় তাঁর মধ্যে। মায়ের সঙ্গে সম্পর্কের স্মৃতি জমা হতে থাকে মস্তিষ্কে। </p><p>মাকে নিয়ে আবেগ, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, প্রত্যাশা, ভয়—এসবের একটা ছাপ পড়ে শিশুর অবচেতন মনে। সহজভাবে বলতে গেলে এই বিষয়টাই ‘মাদার কমপ্লেক্স’। মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কের ধরনও প্রভাব রাখে এতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-12/6c991bb4-6b59-4859-a096-dce2a5fce287/IMG_7035.jpg" /><figcaption>মা যেন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হিসেবে বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে কাছে পান। </figcaption></figure><p>প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও রয়ে যায় এই ‘মাদার কমপ্লেক্স’। এটি কিন্তু কোনো মানসিক সমস্যা বা রোগ নয়; বরং এটি একটি মনোবিশ্লেষণমূলক ধারণা (সাইকোঅ্যানালিটিক্যাল কনসেপ্ট)। </p><p>যেসব শিশু মা ছাড়া অন্য কারও তত্ত্বাবধানে বড় হয়, তাদের বেলায় ওই মানুষটাকে নিয়েই তৈরি হয় ‘মাদার কমপ্লেক্স’। </p><h3>যেমন হয় ‘মাদার কমপ্লেক্স’

</h3><p>‘মাদার কমপ্লেক্স’-এর দুটি মেরু থাকে। একটি মেরু ইতিবাচক অনুভূতি দেয়। অন্যটি দেয় কিছুটা নেতিবাচক অনুভূতি।</p><p>বিষয়টা একটু বুঝিয়ে বলা যাক। একটি শিশু যখন আঘাত পায়, তখন মা তার আশ্রয়। কিংবা মাতৃস্থানীয় কেউ। কিন্তু এই আঘাত যদি সে পায় তারই অবাধ্য হতে গিয়ে, তাহলে সেই আশ্রয়টুকু পেতেও একটা ভয় কাজ করে মনে।</p><p>মনে হয়, মা হয়তো বকবেন। কিংবা কঠিন মার মারবেন। ভয় পাওয়া অবুঝ সন্তান এটা বোঝে না যে তাকে শাসন করাও মায়ের দায়িত্ব। মায়ের ওই রূপটাও মনে গেঁথে যায়।</p><p>সন্তানকে ভালো–মন্দ চেনানোর দায়িত্ব মায়ের। হাজার জিনিসের ভিড়ে সেরা জিনিসটাই তার জন্য বাছাই করে দিতে চান তিনি। একটা বয়স পর্যন্ত এটা ঠিক। তবে বাড়াবাড়ি করলে মুশকিলও আছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/78ztz0v7/IMG_6970.jpg" /><figcaption>একজন প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান যদি মায়ের ওপর অতিনির্ভরশীল রয়ে যায়, এর প্রভাব পড়ে তাঁর ব্যক্তিজীবনে</figcaption></figure><h3>গলদ যখন গোড়ায়

</h3><p>সন্তানের সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার মানসিকতা যদি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়, তাহলে সন্তান অতিনির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান যদি মায়ের ওপর অতিনির্ভরশীল রয়ে যায়, এর প্রভাব পড়ে তাঁর ব্যক্তিজীবনে।</p><p>খুব ছোট ছোট বিষয় দিয়েই এ সমস্যার শুরু হয়। ধরা যাক, একটি শিশুকে তার মা সব সময়ই পোশাক বা খাবার ঠিক করে দেন। শিশুর নিজের পছন্দটা গুরুত্ব পায় না কখনোই। পড়ালেখা বা খেলাধুলার রুটিনের ব্যাপারেও এমন হতে পারে। এ অবস্থা চলতে থাকলে শিশুটি মতপ্রকাশের মনের জোরটাও একসময় হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা থাকে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/2so20wfy45">এনজো ফার্নান্দেজের বান্ধবী কেন তাঁকে ‘তৃতীয় সুযোগ’ দেবেন না বলেছেন</a></aside><h3>সমস্যাটা কোথায় হয়

</h3><p>সন্তান বড় হতে হতে মা তাকে যত ভালো বুঝবেন এবং তার সঙ্গে যত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে পারবেন, প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের অন্তরঙ্গ সম্পর্কে সে ততটাই স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে থাকতে পারে। ‘মাদার কমপ্লেক্স’-এর ইতিবাচকতা রয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেই সন্তানের জীবনজুড়ে। এর অন্যথা হলে মুশকিল।</p><p>সে ক্ষেত্রে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে না–পারাটা একটা মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তিনি হয়তো মধুচন্দ্রিমার স্থানটিও মায়ের মতামত ছাড়া চূড়ান্ত করতে পারেন না। তাঁর নিজের সাংসারিক জীবনের আরও নানান বিষয়েও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে পারেন।</p><figure><img alt="‘মাদার কমপ্লেক্স’" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-05-21/mmh8woj8/prothomaloimportmedia201511258bd87694939826ad1370076e98e0f2de-1.avif" /><figcaption>কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল—তা শিশুকে বোঝান</figcaption></figure><h3>তাই ‘অতি যত্ন’ এড়িয়ে চলুন

</h3><p>বুঝতেই পারছেন, বাড়ন্ত শিশুর সবকিছুতেই মা হিসেবে নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে নেই। কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল—তা শিশুকে বোঝান। পরিবার ও সমাজের নিয়মনীতি, মূল্যবোধ, মানবিকতা এবং আদর্শের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়ে দিন। অল্প অল্প করেই এসবের চর্চা করুন। </p><p>ছোট বয়স থেকেই শিখিয়ে দিন, বন্ধু বা সহপাঠীদের সঙ্গে মারামারি করতে নেই। একটা বিড়াল বা কুকুরকে ত্যক্ত করতে নেই। একটা পিঁপড়াকেও ইচ্ছে করে মাড়িয়ে যেতে নেই। একটা গাছের পাতাও অকারণে ছিঁড়তে নেই।</p><p>এই শিশুর ভবিষ্যতে অন্য মানুষের সঙ্গে ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে সংঘাতে জড়ানোর আশঙ্কা কম। তবে সে কোন রঙের জামা পরবে, কখন খেলবে, কোন ধরনের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবে—এ রকম বিষয়ে কিছুটা সিদ্ধান্ত নিতে দিন তাকে। ভুল করবে? করুক না। ভুল করতে করতে শিশু ভুলকে চিনবে। আর ভবিষ্যতে বাঁচবে ভুল থেকে। যখন আপনি আর তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী থাকবেন না। কিন্তু রয়ে যাবে আপনার প্রভাব—‘মাদার কমপ্লেক্স’।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/s9ri1gj6l6">‘ফাউল’ না করে ঝগড়া করবেন কীভাবে? জেনে নিন কাপল থেরাপিস্টদের ১২ পরামর্শ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মালাইকার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অর্জুনের নতুন প্রেমের গুঞ্জন, কে এই সাহিবা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/80trsp0kh6</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/80trsp0kh6#comments</comments><guid isPermaLink="false">e8a4c53f-6ab4-4c53-acfe-224b5f5c135b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:45:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাহিবা বালির সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোর গুঞ্জন চলছে।]]></description><media:keywords>মালাইকা অরোরা,তারকার প্রেম,বলিউড তারকা</media:keywords><media:content height="810" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/zmmlog8a/sahibabali17183481233390072230169237199302882947.jpg" width="1440"><media:title type="html"><![CDATA[ সাহিবা বালি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে  ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/zmmlog8a/sahibabali17183481233390072230169237199302882947.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p> বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাহিবা বালির সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোর গুঞ্জন চলছে। লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ভারত-ইংল্যান্ডের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই এ জল্পনার শুরু। তবে এবার সেই গুঞ্জনে পরোক্ষভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাহিবা।</p><p> ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে সাহিবা লিখেছেন, ‘সবকিছু বিশ্বাস করবেন না—পর্ব ২’। যদিও তিনি সরাসরি প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে কিছু বলেননি, অনেকেই তাঁর এই বার্তাকে চলমান জল্পনার জবাব হিসেবেই দেখছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ztzjxf1e/sahibabali_1753032241_3681023698999117607_302882947.jpg" /><figcaption>সাহিবা বালি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে  </figcaption></figure><p>মজার বিষয় হলো, এর আগে তিনি আরেকটি স্টোরিতে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছিলেন, যেখানে ভুলবশত তাঁকে অভিনেত্রী অনুশকা শর্মা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘সবকিছু বিশ্বাস করবেন না—পর্ব ১)’। এরপর অর্জুনের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ‘পর্ব ২’ লেখায় বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা শুরু হয়।</p><p>সাহিবা বালি ২০১৮ সালে ইমতিয়াজ আলী প্রযোজিত ‘লায়লা মজনু’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক করেন। এরপর তাঁকে ‘বার্ড অব ব্লাড’, ‘অমর সিং চমকিলা’ ও ‘তানাভ’-এর মতো প্রকল্পে দেখা গেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজের মাধ্যমেও তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।<br>অন্যদিকে অর্জুন কাপুরের ব্যক্তিগত জীবনও দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। ২০১৮ সালে অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসে। কয়েক বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/yvgbpful/sahibabali_1783009944_3932492412387923404_302882947.jpg" /><figcaption>সাহিবা বালি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে  </figcaption></figure><p>কাজের ক্ষেত্রে অর্জুন কাপুরকে সর্বশেষ দেখা গেছে মুদাসসর আজিজ পরিচালিত রোমান্টিক কমেডি ‘মেরে হাজব্যান্ড কি বিবি’-তে। ভূমি পেডনেকর ও রাকুল প্রীত সিং অভিনীত ছবিটি বর্তমানে জিওহটস্টারে স্ট্রিমিং হচ্ছে। তবে তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্র সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।</p><p><strong>দিল্লির মেয়ে, করপোরেট দুনিয়া থেকে অভিনয়ে<br></strong>সাহিবা বালির জন্ম ও বেড়ে ওঠা দিল্লিতে। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়, গল্প বলা ও গণমাধ্যমের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। তবে অভিনয়ে আসার আগে তিনি পড়াশোনাকে গুরুত্ব দেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হান্সরাজ কলেজ থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশেও যান। পরে ব্যবসা প্রশাসন ও মার্কেটিং নিয়ে পড়াশোনা করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/913zaxpe/sahibabali_1726136876_3455409025629199103_302882947.jpg" /><figcaption>সাহিবা বালি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে  </figcaption></figure><p>অভিনয়ে নাম লেখানোর আগে সাহিবা বালি করপোরেট জগতেও কাজ করেছেন। ভারতের কয়েকটি বড় প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং ও ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজির দায়িত্ব পালন করেন। ফলে অভিনয়জগতে আসার আগেই পেশাদার কর্মজীবনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/jj494l2ivg">একের পর এক প্রেমের গুজব, মালাইকা বললেন...</a></aside><p><strong>শুধু অভিনেত্রী নন, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরও<br></strong>বর্তমান সময়ে সাহিবা বালির জনপ্রিয়তার বড় একটি কারণ তাঁর ডিজিটাল উপস্থিতি। ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত ভিডিও, সাক্ষাৎকার, পডকাস্ট ও লাইফস্টাইলভিত্তিক কনটেন্ট প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে ক্রিকেট, সিনেমা, প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা এবং তরুণদের ক্যারিয়ার নিয়ে সাহিবা বালির আলোচনা বেশ জনপ্রিয়। বিভিন্ন বড় ব্র্যান্ডের প্রচারণায়ও নিয়মিত দেখা যায় তাঁকে। ফলে তিনি শুধু অভিনেত্রী নন, নতুন প্রজন্মের একজন ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও পরিচিত।</p><p><strong>ক্রিকেটের সঙ্গে বিশেষ যোগসূত্র<br></strong>ভারতীয় ক্রিকেটের বড় ভক্ত হিসেবে পরিচিত সাহিবা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাঁকে মাঠে দেখা গেছে। ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রিকেটভিত্তিক নানা কনটেন্টও তৈরি করেন।</p><p>লর্ডসে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে উপস্থিত থাকাও সেই আগ্রহেরই অংশ। তবে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তাঁর উপস্থিতি মুহূর্তেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুঞ্জনে রূপ নেয়।</p><p><sup>এনডিটিভি অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>মাদকের নতুন চ্যালেঞ্জ: প্রয়োজন দ্রুত ইন্টারভেনশন ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি</title><link>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/lr9ok0tke7</link><comments>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/lr9ok0tke7#comments</comments><guid isPermaLink="false">9df6d79d-17dd-4f21-a2b2-dd5120fba320</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:43:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:43:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মাদক পরামর্শ সহায়তা,মাদক মানে বিষ,মাদককে ‘না’</media:keywords><media:content height="395" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/cawgpami/Dr.-Ahmed-Helal-4.jpg" width="635"><media:title type="html"><![CDATA[ সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বিশিষ্ট শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হেলাল আহমেদ। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/cawgpami/Dr.-Ahmed-Helal-4.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মাদকবিরোধী আন্দোলন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ২০২৬ সালের ২৫ জুন প্রথম আলোর কার্যালয়ে ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বিশিষ্ট শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হেলাল আহমেদ। এ বারের প্রতিপাদ্য বিষয়টি ছিল ‘বিশ্ব মাদক সমস্যা: চলমান সংকট, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী ফলাফল’। উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>মাদকের বিস্তার ও ভয়াবহতা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের প্রাথমিকভাবে কোন কোন বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত এবং আমাদের ঠিক কী করা প্রয়োজন?</p><p>এমন প্রশ্নের ‍উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল বলেন, ‘মাদক সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের হাতে কোনো সময় ব্যয় করার সুযোগ নেই । আমাদের খুব দ্রুত বা ‘আর্লি রেসপন্স’ করতে হবে । চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমরা যেন দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করি, কারণ ‘আর্লি ইন্টারভেনশন বেটার রেজাল্ট’ বা প্রাথমিক পর্যায়ের পদক্ষেপ সবসময়ই চমৎকার ফলাফল দেয় । একই সাথে মাদকের যে বিস্তার, এর পরিবহন, উৎপাদন এবং চোরাচালানি বা স্মাগলিংয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে অত্যন্ত দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, কারণ এখানে প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আরেকটি বড় বিষয় হলো ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’। আমরা যদি ২০ বছর আগের পুরনো ধ্যান-ধারণা বা তত্ত্বের মধ্যে আটকে থেকে আজকের মাদক সমস্যার সমাধান করতে চাই, তবে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়ব। কারণ যারা মাদকের ব্যবসা বা অবৈধ প্রচলন করছে, তারা প্রযুক্তির সাথে সাথে অনেক এগিয়ে গেছে । বর্তমানে মাদকের রুট বা পরিবহনের পথ বদলে গেছে, মাদকের ধরন ও প্রকারভেদ বদলেছে এবং মাদক গ্রহণের প্রক্রিয়াতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে । নিত্যনতুন রাসায়নিক ও উদ্ভাবনী মাদক বাজারে আসছে, যা আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অত্যন্ত জটিল ও নতুন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি করছে । তাই তাদের চেয়ে আমাদের সবসময় এক ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শ্রীকান্ত’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/8ggrkrvu11</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/8ggrkrvu11#comments</comments><guid isPermaLink="false">df6b573f-bfea-4e94-9d3c-930b13bbdc21</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:40:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:40:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পাঠচক্রে বন্ধুরা উপন্যাসটির প্রথম পর্ব পড়ে তা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। আলোচনায় ‘শ্রীকান্ত’–এর কাহিনি, চরিত্র, মানবিক মূল্যবোধ, ভ্রমণ ও সমাজবাস্তবতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। বন্ধুরা নিজেদের পাঠ-অনুভূতি ও উপলব্ধি ভাগাভাগি করেন। উপন্যাসটির সাহিত্য–গুরুত্ব এবং বর্তমান সময়েও এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আলোচনা হয়।]]></description><media:keywords>সারাদেশ,দিনাজপুর,বন্ধুসভার পাঠচক্র</media:keywords><media:content height="1536" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/hm9n7voq/1000201359.jpg" width="2048"><media:title type="html"><![CDATA[ দিনাজপুর বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/hm9n7voq/1000201359.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে দিনাজপুর বন্ধুসভা। ১৭ জুলাই বিকেলে প্রথম আলো দিনাজপুর অফিসে এটি অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>পাঠচক্রে বন্ধুরা উপন্যাসটির প্রথম পর্ব পড়ে তা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। আলোচনায় ‘শ্রীকান্ত’–এর কাহিনি, চরিত্র, মানবিক মূল্যবোধ, ভ্রমণ ও সমাজবাস্তবতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। বন্ধুরা নিজেদের পাঠ-অনুভূতি ও উপলব্ধি ভাগাভাগি করেন। উপন্যাসটির সাহিত্য–গুরুত্ব এবং বর্তমান সময়েও এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আলোচনা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/wg0lu40d/1000201367.jpg" /><figcaption>দিনাজপুর বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর।</figcaption></figure><p>সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব সরকার বলেন, ‘“শ্রীকান্ত”–এর প্রথম পর্ব পড়ে মনে হয়েছে, এটি শুধু একটি উপন্যাস নয়, বরং জীবনকে নতুনভাবে দেখার একটি জানালা। পাঠচক্রে সবার ভিন্ন ভিন্ন মতামত ও বিশ্লেষণ শুনে বইটি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে ভাবার সুযোগ হয়েছে। এমন আয়োজন আমাদের নিয়মিত বই পড়তে এবং নিজেদের ভাবনা প্রকাশে উৎসাহিত করে।’</p><p>দিনাজপুর বন্ধুসভার সভাপতি শবনম মুস্তারিন বলেন, ‘নিয়মিত পাঠচক্রের মাধ্যমে বন্ধুদের মধ্যে পাঠাভ্যাস, সাহিত্যচর্চা ও সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশ ঘটবে বলে আশা করি।’</p><p>পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিন নেওয়াজ, বন্ধু প্রাপ্তি, জান্নাতে রাইয়ান, শিলা, সজীবসহ অন্য বন্ধুরা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কলকাতায় মমতার ‘শহীদ দিবস’ মঞ্চে ভাঙচুর, বিভক্ত কংগ্রেসের আলাদাভাবে পালনের উদ্যোগ</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/va9kufhzsq</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/va9kufhzsq#comments</comments><guid isPermaLink="false">a5dd6cae-5334-41a4-a458-a0059f65b69a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:39:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:39:23.165Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন জাতীয় কংগ্রেসের অঙ্গসংগঠন যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিং অভিমুখে যাত্রা করেছিল।]]></description><media:keywords>হামলা,ভারত,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,শহীদ দিবস,কলকাতা,ভাঙচুর</media:keywords><media:content height="1726" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xji5yed3/mamata-banerjee.jpg" width="2048"><media:title type="html"><![CDATA[ ভাঙচুর ও হামলার খবর পেয়ে দলের নেতা–কর্মীদের নিয়ে মমতা মঞ্চ নির্মাণস্থলে যান। সারা রাত তিনি সেখানেই অবস্থান করেন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/xji5yed3/mamata-banerjee.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার কলকাতায় ‘শহীদ দিবস’ পালন করছে জাতীয় কংগ্রেসের বিভক্ত চার দল ও বিদ্রোহীরা। মূল কংগ্রেস ও টুকরা হওয়া তিন দলই আজ পৃথকভাবে দিনটি পালন করছে।</p><p>মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস কলকাতার তারা মন্ডল বা বিড়লা প্লানেটরিয়ামের কাছে শহীদ দিবসের মঞ্চ তৈরি করেছে। গতকাল সোমবার মঞ্চ তৈরির সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নামধারী একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি অতর্কিতে হামলা চালিয়ে মঞ্চের সামনের পোস্টার, ব্যানার, ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলেন। কর্মীদের মরধর করার অভিযোগও উঠেছে।</p><p>মঞ্চে ভাঙচুর ও হামলার খবর পেয়ে তৃণমূল নেতা–কর্মীদের নিয়ে মমতা মঞ্চ নির্মাণস্থলে যান। সারা রাত তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। আজ সেখানে দিবসের মূল অনুষ্ঠানে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।</p><p>১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন জাতীয় কংগ্রেসের অঙ্গসংগঠন যুব কংগ্রেসের নেতা–কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিং অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র।</p><p>তখন মমতা ছিলেন যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি। তাঁর নেতৃত্বেই সেদিন মহাকরণ বা রাইটার্স ভবন অভিযান হয়েছিল। অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে ১৩ যুব কংগ্রেস কর্মী নিহত হন।</p><p>সে সময়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বামফ্রন্ট নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন মণীশ গুপ্ত আর কলকাতার পুলিশ কমিশনার তুষার কান্তি তালুকদার।</p><p>সেদিনের গুলি চালানোর দায় মমতার দল রাজ্য সরকারের ওপর বর্তালেও সরকারিভাবে তা স্বীকার করা হয়নি। দাবি ওঠে, সেদিনের স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তের নির্দেশেই পুলিশ গুলি চালিয়েছিল।</p><p>পরে ২০১১ সালের ৪ নভেম্বর সাবেক বিচারপতি সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করা হলে কমিশন ৪৪ জনকে সাক্ষ্যের জন্য ডাকে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সোমেন মিত্র, প্রদীপ ভট্টাচার্য, মণীশ গুপ্ত, তুষার কান্তি তালুকদার প্রমুখ। তবে সেদিন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকা হয়নি।</p><p>তদন্ত কমিশন ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা তা প্রকাশ্যে আনেননি। সেই প্রতিবেদনই গতকাল রাজ্য বিধানসভায় পেশ করেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।</p><p>প্রতিবেদন পেশ করে শুভেন্দু মমতাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘২১ জুলাইয়ের আবেগ ও শহীদের রক্ত ব্যবহার করে অনেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও রাজনৈতিক আখের গুছিয়েছেন। কিন্তু শহীদ পরিবারগুলো আজও উপেক্ষিত।’</p><p>সেদিন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলের নেতা পঙ্কজ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষ্য না দিয়ে দাবি করেছিলেন, গুলি চালানোর জন্য দায়ী ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্ত। যদিও তৃণমূল নেত্রী পরে মণীশ গুপ্তের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেন এবং রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী বানান। এমনকি পরে তাঁকে রাজ্যসভার সংসদ সদস্যও করা হয়। সেই মণীশ গুপ্ত এবার তৃণমূলের বিদ্রোহী দলে শামিল হয়েছেন।</p><p>১৯৯৩ সালের ওই ঘটনাকে স্মরণে রাখতে ১৯৯৮ সালে গঠিত তৃণমূল কংগ্রেস মূলত ২১ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে বড় পরিসরে পালন করে আসছে। ২০১১ সালে বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসার পর থেকে নিহত ১৩ জনের পরিবারকে মঞ্চে এনে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এ সমাবেশ আয়োজন করত দলটি।</p><p>তবে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের চরম পরাজয় এবং দল ভেঙে তিন টুকরা হওয়ায় শহীদ দিবস পালনে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।</p><p>মমতার দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৭০ জন বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লিখিয়েছেন। অন্যদিকে, লোকসভার ২৮ সদস্যের মধ্যে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ সদস্য নতুন আঞ্চলিক দল ‘এনসিপিআই’ (ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি)-তে যোগ দিয়েছেন। এনসিপিআইয়ের নেতারা মনে করছেন, আজকের অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার তাঁদের এ দলকে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদাভাবে বসার অনুমতি দেবেন।</p><p>ফলে এবার শহীদ দিবস পালন হচ্ছে চারটি দলের ব্যানারে। কালীঘাটের তৃণমূল কংগ্রেস, যার নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস দিনটি পালন করবে কলকাতার মেয়ো রোডের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আর জাতীয় কংগ্রেস কলকাতার ধর্মতলার শহীদ মিনার পাদদেশের ময়দানে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ, সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/zgzpxd34oe</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/zgzpxd34oe#comments</comments><guid isPermaLink="false">63764ef7-ba22-4272-bb39-cfcd5984a28f</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:36:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:36:48.852Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর নাম ফোরকান উদ্দীন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।]]></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,প্রতিবাদ,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ রেলওয়ে,ট্রেন চলাচল,অবরোধ,রাজশাহী,রাজশাহী বিভাগ</media:keywords><media:content height="540" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/g0a0bz7p/rudh164420260721messengercreation7f9d010a-f4db-4b3c-b364-269f58670053.jpg" width="720"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ। আজ মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসের চারুকলা এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/g0a0bz7p/rudh164420260721messengercreation7f9d010a-f4db-4b3c-b364-269f58670053.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন টিকিট এক্সামিনারের (টিটিই) বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার ভোরে ক্যাম্পাসসংলগ্ন চারুকলা এলাকায় রেললাইন অবরোধ শুরু করেন একদল শিক্ষার্থী।</p><p>সকাল সাড়ে ১০টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ আছে।</p><p>অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর নাম ফোরকান উদ্দীন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।</p><p>শিক্ষার্থীদের দাবি, গতকাল সোমবার রাতে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে রাজশাহী ফিরছিলেন ফোরকান। এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া অর্থ আদায় করছিলেন কয়েকজন টিটিই। বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে ফোরকানকে মারধর করেন এক টিটিই।</p><blockquote>শিক্ষার্থীদের দাবি, যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়া অর্থ আদায় করছিলেন কয়েকজন টিটিই। বিষয়টির প্রতিবাদ করতে গেলে ফোরকানকে মারধর করেন এক টিটিই।</blockquote><p>ফোরকানের ভাষ্য, টিটিই যখন টিকিট চেক করছিলেন, তখন তিনি তাঁর টিকিট দেখান। কিন্তু সামনের আসনে থাকা দুজনের টিকিট না দেখে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিতে দেখেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় পেছন থেকে এক টিটিই তাঁর ওপর হামলা করেন। তাঁর গলা চেপে, পায়ে আঘাত করে এবং টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেওয়া হয়।</p><p>শিক্ষার্থীদের এই অবরোধের কারণে ঢাকামুখী বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি রাজশাহী স্টেশনে আটকে আছে বলে জানান পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, নির্ধারিত সময় পার হলেও অবরোধের কারণে ট্রেন দুটি ছাড়া যায়নি। এ মুহূর্তে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ আছে।</p><aside><cite>অধ্যাপক মাহবুবর রহমান, প্রক্টর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়</cite>রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসতে রাজি আছে। তবে আলোচনা ক্যাম্পাসে হবে নাকি রেলস্টেশনে হবে, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। </aside><h3>শিক্ষার্থীদের ৪ দাবি</h3><p>এ ঘটনার প্রতিবাদে চারটি দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো—অভিযুক্ত টিটিইকে সশরীর উপস্থিত করা; যেহেতু তিনি ঘুষ গ্রহণ করেছেন, সেই অপরাধে প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তি হিসেবে তাঁর স্থায়ী বহিষ্কার, রেলে ভ্রমণকারীর ওপর হত্যাচেষ্টার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে সব দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতি।</p><p>আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, রেলে অনিয়ম ও প্রতিবাদকারীদের হেনস্তা এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তের শাস্তি এবং মারধরের ক্ষতিপূরণসহ যথাযথ সমাধান না করা পর্যন্ত রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।</p><p>বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। তিনি বলেন, ‘তারা আলোচনায় বসতে রাজি আছে। তবে আলোচনা ক্যাম্পাসে হবে নাকি রেলস্টেশনে হবে, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। যেহেতু শিক্ষার্থীরা এরই মধ্যে রেলস্টেশনে গিয়েও কোনো সমাধান পায়নি, তাই বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>অবৈধ পথে ইতালি যাচ্ছিলেন, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/td9ew77aho</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/td9ew77aho#comments</comments><guid isPermaLink="false">772ae5b1-22eb-4731-ae2e-d9841e8cedcc</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:33:56 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:33:56.429Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দেশের একটি দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে ইতালিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁকে ইতালিতে নিয়ে যাওয়ার কথা হয় দালাল চক্রের।]]></description><media:keywords>হাঙ্গেরি,প্রবাসী,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="672" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/nq32umzd/bd659c1f-d323-4bcd-8eb5-840c8368358b.jfif" width="864"><media:title type="html"><![CDATA[ ফরিদুর রহমান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/nq32umzd/bd659c1f-d323-4bcd-8eb5-840c8368358b.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় হাঙ্গেরিতে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার ওই বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানায় পুলিশ।</p><p>মারা যাওয়া ওই বাংলাদেশি যুবকের নাম ফরিদুর রহমান (৩২)। তিনি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের পূর্ব বারাহীগুনী গ্রামের সফি ডাক্তার বাড়ির মফিজুর রহমানের ছেলে। ফরিদুরের পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। গত ১৬ জুন ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ফরিদুর রহমান।</p><p>ফরিদুরের ভাই কাজী মোহাম্মদ বাবুল বলেন, ফরিদুর আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবপ্রবাসী ছিলেন। এক বছর আগে সেখান থেকে দেশে ফেরেন। এরপর দেশের একটি দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে ইতালিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁকে ইতালিতে নিয়ে যাওয়ার কথা হয় দালাল চক্রের। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ জুন ফরিদুরকে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হয়। এরপর নর্থ মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া হয়ে সড়কপথে হাঙ্গেরিতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে জঙ্গলের মধ্যে রাখায় ফরিদুর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।</p><p>ফরিদুরের আরেক ভাই কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ২৪ জুন তাঁর সঙ্গে ফরিদুরের ফোনে কথা হয়। এর পর থেকে ফরিদুরের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে দুলাল নামে দালাল চক্রের এক সদস্যের বাড়িতে গিয়ে তিনি ভাইয়ের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় দুলাল খবর নিয়ে জানান, ফরিদুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলা যাবে না বলে জানান দুলাল। এরপর কয়েক দফায় গিয়েও দুলালকে আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরে গতকাল দাগনভূঞা থানা-পুলিশ এসে জানায়, তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। কখন ভাই মারা গেছেন, সেটিও পুলিশ জানাতে পারেনি।</p><p>জানতে চাইলে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ফরিদুরের ঠিকানা যাচাই করতে বলা হয়েছিল। নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর বাড়িতে গিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারকে মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়েছে। ফরিদুর রহমানের লাশ বর্তমানে হাঙ্গেরিতে রয়েছে।</p><p>দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘হাঙ্গেরিতে দাগনভূঞার এক যুবক মারা যাওয়ার বিষয়টি জেনেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হলে পরিবারটিকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>আজ বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ১,৬৩৩ টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/lkzrr0xy6z</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/lkzrr0xy6z#comments</comments><guid isPermaLink="false">f9fde099-2408-440e-b06d-a828ad6a0853</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:31:26 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:31:26.504Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বাণিজ্য ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427617</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম বেড়েছে ভরিপ্রতি ১ হাজার ৬৩৩ টাকা। দাম হয়েছে ভরিতে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা।]]></description><media:keywords>রুপি,সোনা,বাজুস</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-13/vlilp6kc/gold-price-up.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-13/vlilp6kc/gold-price-up.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আজ মঙ্গলবার দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। আজ দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট, অর্থাৎ ভালো মানের সোনার দাম বেড়েছে ভরিপ্রতি ১ হাজার ৬৩৩ টাকা। ফলে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা।</p><p>সোনার নতুন দর আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। সোনার দাম সমন্বয়ের কারণ হিসেবে সমিতি বলেছে, দেশের বাজারে তেজাবি (খাঁটি) সোনার দাম বেড়ে যাওয়া।</p><p>নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা; ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা; সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/587khg2c/সমস্যা-ও-সমাধান-টেবিল-2.png" /></figure><p>আজ দাম বৃদ্ধির আগে সোনার দাম ছিল এ রকম—২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা; ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা; ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা; সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।</p><p>অর্থাৎ ২১ ক্যারেটের সোনার দাম বেড়েছে ভরিপ্রতি ১ হাজার ৫৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম বেড়েছে ১ হাজার ৩৪১ টাকা; সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম বেড়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা।</p><p>এদিকে গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যানুসারে, আজ বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে আউন্সপ্রতি ৩৭ ডলার। তবে এক মাস ধরে সোনার দাম কমছে, এই সময় সোনার দাম কমেছে আউন্সপ্রতি ১৭২ ডলার।</p><p>গত সপ্তাহের মঙ্গলবার যখন সোনার দাম কমানো হয়, তার আগের ৩০ দিনে সোনার দাম কমেছিল ৩৩১ ডলার। অর্থাৎ গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।</p><p>সোনার দামের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় সোনার গয়নার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে ভ্যাট আদায় করা হবে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সোনার ভ্যাট কমানো হয়েছে। প্রতি ভরি সোনার গয়নার ওপর ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে, আগে ভ্যাট ছিল মোট দামের ওপর ৫ শতাংশ।</p><p>এদিকে আজ রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। এখন ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৭৯০ টাকা, সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৭ টাকা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী: কী কী সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন বার্নহাম?</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/1sbpnq190u</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/1sbpnq190u#comments</comments><guid isPermaLink="false">d16d2f1a-bb91-4f4d-b075-e0f93392bb0c</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ২০ জুলাই যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। কিন্তু ক্ষমতায় বসার আগেই তাঁর টেবিলে জমে গেছে একের পর এক কঠিন সমস্যা]]></description><media:keywords>ইউরোপ,প্রধানমন্ত্রী,যুক্তরাজ্য</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/vqne5rsk/WEB-02.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/vqne5rsk/WEB-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২০ জুলাই যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। কিন্তু ক্ষমতায় বসার আগেই তাঁর টেবিলে জমে গেছে একের পর এক কঠিন সমস্যা। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/Y9V9NT1gIzM"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ইয়ামালের ভাইরাল ভাইকে চিনে গেছে বিশ্ব</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/vxn52mpcy2</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/vxn52mpcy2#comments</comments><guid isPermaLink="false">88b9041e-32d5-40c7-9c5a-34e59e70cabc</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ম্যাচ শেষে মাঠে ঢুকে তিন বছরের কেইন এক ছুটে চলে গেছে ১৯ বছর বয়সী ভাইয়ের কাছে, উঠে পড়ে তাঁর কোলে। ]]></description><media:keywords>লামিনে ইয়ামাল,ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬,বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬</media:keywords><media:content height="1433" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/q5z7jea4/151040-01-02.jpg" width="2148"><media:title type="html"><![CDATA[ লামিনে ইয়ামালের কোলে তাঁর ভাই কেইন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/q5z7jea4/151040-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল শেষ। বিশ্বজয়ী স্পেনের খেলোয়াড়েরা মাঠে পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলছেন, কেউ কেউ টিভিতে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তখনই মাঠের এক দিকে আলোকচিত্রীদের ছোট্ট জটলা। তিন বছরের একটি ছেলে ফুটবল নিয়ে কারিকুরি করার চেষ্টা করছে, তাকে ঘিরে আছে বেশ কিছু ক্যামেরা; কিন্তু শিশুটি কে? তার প্রতি সবার এত মনোযোগই–বা কেন!</p><p>যাঁরা এবার বিশ্বকাপ ফুটবল দেখেছেন, তাঁরা জানেন, পপকালচারের ভাষায় এই শিশু ‘ইন্টারনেট সেনসেশন’। তার পরিচয়ও অনেকেরই জানা থাকার কথা। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামালের ভাই সে। বিশ্বকাপজুড়েই সে এমন ‘ভাইরাল’ কাণ্ডকীর্তি করেছে, পরশুর ম্যাচের পর টিভি সেটের সামনে থাকলে অনেকেই হয়তো বলে ফেলেছেন, ‘আরে, এটা ইয়ামালের সেই ভাইটা না!’</p><p>ম্যাচ শেষে মাঠে ঢুকে তিন বছরের কেইন এক ছুটে চলে গেছে ১৯ বছর বয়সী ভাইয়ের কাছে, উঠে পড়ে তাঁর কোলে। এরপর ভাই যখন সতীর্থ-বান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, সে শুরু করেছে দুষ্টুমি। কখনো নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে গিয়ে তাঁদের হ্যাট নিজের মাথায় পরেছে, কখনো আলোকচিত্রীর ক্যামেরার সামনে ‘পোজ’ দিয়েছে ডিগবাজি খেয়ে। কখনো আবার এক সমবয়সীকে জুটিয়ে তাকে ‘নাটমেগ’ করে ছুটছে বল নিয়ে, পরেছে নিজের মাথার চেয়ে তিন গুণ বড় বেসবল ক্যাপও।</p><figure><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=476&href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1084354250636126%2F&show_text=false&width=267&t=0" width="267" height="476" style="border:none;overflow:hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowFullScreen="true"></iframe></figure><p>ম্যাচ শেষে স্মৃতিস্মারক হিসেবে যখন অনেকে ফুটবল নেটের জাল কেটে নিয়ে যাচ্ছিলেন, কেইনও তখন সেখান থেকে একটুকরা জাল নিয়ে মালা হিসেবে পরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছে ভাই ও অন্যদের। এক হাতে বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা; আর অন্য হাতে নিজের শরীরের কাছাকাছি সমান ফুটবল নিয়ে জিব বের করে পোজও দিয়েছে। এসবই মনে করিয়ে দেয় তার বয়স তিন বছর। তবে ক্যামেরা যখন তার দিকে ঘোরে, তখন তার ‘হুংকার’ দেখে বয়স অনুমান করাটা একটু কঠিনই হয়ে পড়ে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="pt" dir="ltr">O Keyne Yamal indo correndo festejar o título da Espanha com o irmão Lamine. O vídeo mais lindo da final. <a href="https://x.com/hashtag/ESPXARG?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#ESPXARG</a> <a href="https://t.co/cHJoY4gFkN">pic.twitter.com/cHJoY4gFkN</a></p>&mdash; Sérgio Santos (@ZAMENZA) <a href="https://x.com/ZAMENZA/status/2078992436806795639?ref_src=twsrc%5Etfw">July 19, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.x.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ইয়ামালের ভাইয়ের ভাইরাল হওয়াটা অবশ্য নতুন ঘটনা নয়। দুই বছর আগে যখন স্পেন ইউরো জিতল, তখন সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারত না; কিন্তু তখন থেকেই কেইন ভাইয়ের কোলে চড়ে নিত্যনতুন ‘মিম’ উপহার দিত নেটিজেনদের। এই বিশ্বকাপে জিব বের করা ছবির পেছনেও একটা মজার কাহিনি আছে। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের ম্যাচের সময় সে এ কাজটি করেছিল। সেই ম্যাচ শেষে ইয়ামাল হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘আমি ফিজিওর কাছে ছিলাম। তখন ও মায়ের ফোন থেকে আমাকে কল করে বলেছিল, “আগামীকাল আমি জিব বের করব।” তাই বড় পর্দায় ওকে সেটা করতে দেখে আমার খুব হাসি পেয়েছিল।’</p><p>কেইনকে দেখে যে কারও শিশুতোষ চলচ্চিত্র <em>বেবিস ডে আউট </em>বা <em>হোম অ্যালোন</em>–এর কথাও মনে পড়ে যেতে পারে, যেখানে বুদ্ধি খাটিয়ে দুষ্টুদের শিক্ষা দিয়েছিল দুই শিশু। কেইনকে অবশ্য তেমন ‘দুষ্টের দমন’ করতে হয়নি, তবে তার জনপ্রিয়তা এখন ওই দুই সিনেমার ওই দুই শিশুর মতোই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন তাকে নিয়ে একটি লাইন ছড়িয়ে গেছে, ‘এই পৃথিবীটা কেইনের, আর আমরা শুধু সেখানে বাস করছি।’ ইয়ামালের পরিবার জানিয়েছে, এর মধ্যেই নাকি কেইনের কাছে বাণিজ্যিক পণ্যের দূত হওয়ার প্রস্তাবও চলে এসেছে!</p><p>২০২২ সালে জন্ম কেইনের। ইয়ামাল আর তার বাবা আলাদা হলেও মা একই। ইয়ামালের মা শেইলা এবানা একজন টিকটকার, তাঁর ভ্লগেও খুঁজে পাওয়া যায় এই শিশুসন্তানকে। কেইন আবার বড় ভাই ইয়ামালের ভীষণ ন্যাওটা। ইয়ামাল নিয়মিতই ছোট ভাইয়ের সঙ্গে টিকটক নাচ কিংবা বাড়ির বাগানে ফুটবল খেলার ভিডিও আপলোড করেন। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তার নাচ; কিংবা মিষ্টি উচ্চারণে নিজের প্রিয় বার্সেলোনা খেলোয়াড়দের নাম বলার ভিডিও—সবই আগে থেকে ভাইরাল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/bldifjo1/149731-01-02.jpg" /><figcaption>ছোট ভাইকে ভীষণ ভালোবাসেন ইয়ামাল</figcaption></figure><p>বার্সেলোনা লা লিগা জয়ের পর ইয়ামালের সঙ্গে ট্রফি উদ্‌যাপনেও দেখা গেছে কেইনকে। ইয়ামালও ভাইকে ভালোবাসেন ভীষণ, ‘আমার ছোট ভাইকে এতটা খুশি দেখলে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার ভাই আমার কাছে সবকিছু। আমি তাকে ভীষণ ভালোবাসি। অনেক সময় মনে হয়, সে যেন আমারই ছেলে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/uf2u2j1v4t">ফাইনালে যেসব রেকর্ড নতুন করে লিখল রদ্রি, ইয়ামাল, তোরেসদের স্পেন</a></aside><p>শুধু ভাই নয়, ইয়ামাল এই অল্প বয়সেই পরিবারের বাকিদের স্বপ্নও পূরণ করছেন। নিজের বেড়ে ওঠার দিনগুলোর কথা ইয়ামাল ভোলেননি এখনো, ‘আমার মা আমাকে জন্ম দিয়েছিলেন যখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। আমার বাবাকেও জীবিকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে। কখনো কখনো তিনি রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস কুড়িয়ে এনে বিক্রি করতেন, যাতে আমাদের জন্য খাবার জোগাড় করা যায়।’</p><p>বড় হলে নিশ্চয়ই কেইনকে সেই গল্প শোনাবেন ইয়ামাল। সমান্তরালে নতুন নতুন গল্প তৈরি হতে থাকবে কেইনকে নিয়েও। তিন বছর বয়সেই যাকে চিনে গেছে বিশ্ব, সে কি আর এখানেই থেমে থাকবে!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/phdcmmj3j2">বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর মুখ খুললেন মেসি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>জুলাই কি ব্যর্থ হয়েছে</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/p6bzqbeyrc</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/p6bzqbeyrc#comments</comments><guid isPermaLink="false">4051b1ff-5371-48cb-b176-671d3a8d69ce</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:27:18 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:27:18.920Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আসিফ নজরুল</atom:name><atom:uri>/api/author/936766</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মায়ের ডাকের এসব অনুষ্ঠানে বুক মোচড় দিয়ে উঠত আমাদের। ভাবতাম, কতটা পাষণ্ড হলে নিজের দেশের মানুষকে এভাবে গুম করা যায়!]]></description><media:keywords>সংস্কার,গণ-অভ্যুত্থান,জুলাই গণ-অভ্যুত্থান</media:keywords><media:content height="1699" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/0ydy8lzs/R124.jpg" width="2400"><media:title type="html"><![CDATA[ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের দাবানল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/0ydy8lzs/R124.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই এলে লাভ-ক্ষতির হিসাব হবে। এটা স্বাভাবিক। তবে আমার কাছে জুলাইয়ের অর্জন অনেক বেশি। এর সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসান।</p><p>শেখ হাসিনার আমলে নিয়মিত ‘মায়ের ডাক’-এর অনুষ্ঠানে যেতাম। গুম হয়ে যাওয়া সন্তানের এক পিতা একদিন সেখানে বললেন, ছেলেকে মেরে ফেলা হলে বিচারের দরকার নেই, তার লাশটাও দরকার নেই। শুধু কবরটা জানা দরকার দুহাত তুলে মোনাজাত করার জন্য! শিশুরা আসত পিতার ছবি নিয়ে, মায়েরা সন্তানের ছবি নিয়ে; কেঁদে কেঁদে স্মরণ করত তাদের। এদের মধ্যে এমন শিশুও ছিল, যার জন্মই হয়েছে বাবা গুম হওয়ার পরে।</p><p>মায়ের ডাকের এসব অনুষ্ঠানে বুক মোচড় দিয়ে উঠত আমাদের। ভাবতাম, কতটা পাষণ্ড হলে নিজের দেশের মানুষকে এভাবে গুম করা যায়! দুঃখ আর ক্ষোভে আমরা বিদীর্ণ হতাম আরও নানা কারণে। ব্যাংক থেকে সাধারণ মানুষের টাকা লুট, প্রকল্পে সীমাহীন দুর্নীতি, নির্বাচনের নামে প্রহসন, মানুষের দুর্ভোগের প্রতি শেখ হাসিনার নির্মম ঠাট্টা-তামাশা, গায়েবি মামলা, নির্বিচার হামলা, পিলখানা ও শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বৈষম্য ও ডিহিউম্যানাইজেশন, ভারতের প্রতি নতজানু আচরণ—এমন বহু কিছু আমাদের অসহায় যন্ত্রণায় নিমজ্জিত করে রাখত।</p><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল এসব অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের দাবানল। কিন্তু জুলাই কি এসবের অবসান ঘটাতে পেরেছে? আমার মতে, অবশ্যই তা পেরেছে, অন্তত বহুলাংশে। গুম কি আর হয়েছে বাংলাদেশে? মানুষ কি ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে? ব্যাংক আর প্রকল্পের লুটতরাজ কি এখন হচ্ছে? বাক্‌স্বাধীনতা কি ফিরে পেয়েছি আমরা? ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে আত্মমর্যাদাবোধ কি এসেছে আমাদের? আর কোনো শাসক কি বাংলাদেশের মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছে? </p><p>এসব প্রশ্নের উত্তর এই বার্তা দেয় যে প্রায় সব মানদণ্ডেই আমরা শেখ হাসিনা আমলের দুঃশাসনের অবসান পেয়েছি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/e7kdyaxp5f">হাসিনার পতনে ‘বিদেশি হাত’ তত্ত্ব ও দিল্লির ভূমিকা</a></aside><p>অনেকে হয়তো বলবেন, এগুলো শাসনের আলামতের পরিবর্তন; রাষ্ট্র শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন নয়, সে কারণে টেকসইও নয়। হতে পারে। কিন্তু জুলুম, শোষণ ও বৈষম্যের অবসান তাতে মূল্যহীন হয়ে যায় না। বরং এগুলোই মানুষের সংগ্রামকে আরও এগিয়ে দেয়, যাতে এসবের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করা যায়।</p><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে আলোচনায় আমরা অনেকে এসব ইতিবাচক দিক এড়িয়ে যাই। কেউ কেউ এটাও বলে বসেন যে জুলাই ব্যর্থ হয়েছে। পলাতক ফ্যাসিবাদী শাসকের অনুসারীরা এটা বলেন, বলেন একচোখা কিছু মানুষও। তাঁদের মতো করে ভাবলে বলা তো যায় ভাষা আন্দোলন, এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধও ব্যর্থ হয়েছে এ দেশে। আমরা রাষ্ট্রভাষা পেয়েছি, কিন্তু সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন কি করতে পেরেছি? আমরা নিজেদের রাষ্ট্র পেয়েছি, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য—সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা কি আদৌ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি? অল্প ও আশু অর্জনের কারণে আমরা কি তাহলে ভাষা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধকে ব্যর্থ বলি? তাহলে জুলাইকে ব্যর্থ কেন বলব?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/zcnajnb6i2">শেখ হাসিনা স্বৈরশাসকদের টিকে থাকার দুটি মূলমন্ত্রেই ব্যর্থ</a></aside><h3>২</h3><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফসল হিসেবে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী এই সরকার প্রথম থেকেই তিনটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন।</p><p>জুলাইয়ে সংঘটিত নির্বিচার গণহত্যার বিচারের লক্ষ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের ট্রাইব্যুনালকে সচল করা হয়েছে, বহু বিচার শুরু হয়েছে, জুলাই গণহত্যার প্রধান আসামি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি বিচার সম্পন্নও হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের বাইরে প্রচলিত ফৌজদারি আদালতেও বহু মামলা হয়েছে। এসব মামলা শেখ হাসিনার আমলের মতো গায়েবি মামলা (যে মামলায় কথিত ঘটনাটিই ঘটেনি) নয়, কোনো মামলা সরকারের উদ্যোগে দায়ের করা হয়নি। </p><p>তবে কিছু মামলায় এমন বহু মানুষকে আসামি করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে অপরাধটির সম্পর্ক থাকার কথা নয়। আমরা এসব মামলা থেকে আপাতদৃষ্টিতে নিরপরাধ ব্যক্তিদের রক্ষা করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করেছি। প্রত্যাশিত সুফল আমরা অল্প সময়ে পাইনি, কিন্তু এর পথ দেখিয়ে গেছি।</p><blockquote>জুলাইয়ের কিছু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। শেখ হাসিনা যে মালিকানার রাজনীতি আর ট্যাগ দেওয়ার রাজনীতি এক যুগ ধরে করেছেন, তার প্রভাব এখনো দূর হয়নি। শাসনতান্ত্রিক সংস্কার, নারী ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতির অবসান, নাগরিকের হয়রানি ও ভোগান্তি হ্রাস—এসব ক্ষেত্রে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এখনো পৌঁছাতে পারিনি।</blockquote><p>জুলাই এসেছিল বলেই বহু নির্মম ঘটনার বিচারের ক্ষেত্রও প্রস্তুত করা গেছে। এর মধ্যে গুম কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কিছু মামলা দায়ের হয়েছে, বাংলাদেশে গুম ও আয়নাঘরের ভয়ংকর চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ড তদন্ত প্রতিবেদন, হাসিনা আমলের নির্বাচনের আমলনামা, বাংলাদেশ ব্যাংক লোপাটের ওপর প্রতিবেদনসহ আরও কিছু বিষয়ে এমন গভীর অনুসন্ধান হয়েছে, যা বাংলাদেশে দায়মুক্তির অবসান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখবে।</p><p>জুলাই এসেছিল বলেই বাংলাদেশ গুমবিরোধী কনভেনশন এবং জাতিসংঘের আইসিসিপিআর চুক্তির ঐচ্ছিক প্রটোকলের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির পক্ষরাষ্ট্র হয়েছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনের অফিস খোলার চুক্তিও হয়েছে, যা একসময় কল্পনাতীত ছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/hebhumh3j8">জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: কোথায় ব্যর্থ, কোথায় সফল</a></aside><h3>৩</h3><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণে আইনগত সংস্কারের বহু পদক্ষেপ নেওয়া গেছে। বিচারব্যবস্থার অনাচার দূর করার জন্য ফৌজদারি ও দেওয়ানি কার্যবিধির সংস্কার করা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন করা গেছে, ছোট অপরাধের ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ বহুগুণ বাড়ানো গেছে।</p><p>অর্থনৈতিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ গ্রহণ করা হয়েছে; শ্রম, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবেশ আইনে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হয়েছে। এসবসহ প্রায় অর্ধশত অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার আইনে রূপান্তর করেছে, যা জনকল্যাণ, ভোগান্তি হ্রাস, সুশাসন জোরদার ও দুর্নীতি দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে।</p><p>এসব ছাড়াও মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বৃদ্ধিতে অন্তর্বর্তী আমলে যেসব অধ্যাদেশ হয়েছিল, সেসবের আলোকে নতুন আইন করার প্রতিশ্রুতি বর্তমান সরকার প্রদান করেছে।</p><p>জুলাইয়ের প্রত্যাশা ছিল সাংবিধানিক সংস্কার নিয়েও। এ লক্ষ্যে যে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হলে প্রকৃত অর্থেই রাষ্ট্র সংস্কার বহুদূর এগিয়ে যাবে। সরকারের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস পাবে, শাসনব্যবস্থা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, নাগরিকের সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা আরও জোরদার হবে।</p><p>আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জুলাই সনদের কিছু না কিছু বাস্তবায়িত হবে। যেটুকু হবে না, সেটুকু অর্জনের জন্য নাগরিক ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের ভিত্তি হিসেবে জুলাই সনদ থেকে যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-09/31r1zw7l/hasinagrafiti.jpg" /><figcaption>জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। </figcaption></figure><h3>৪</h3><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আরেকটি সাফল্য হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। আগের তিনটি তথাকথিত নির্বাচনে বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থে ভোটার ছিলেন মাত্র একজন। কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে তিনিই এককভাবে ঠিক করতেন, কয়টি আসন তাঁর দল জিতবে। এটি করতে গিয়ে শেখ হাসিনা কোটি কোটি মানুষের নাগরিক অধিকার শুধু কেড়ে নেননি; ধ্বংস করেছেন নির্বাচন কমিশনকে, চরম বিতর্কিত করেছেন পুলিশ, জনপ্রশাসন, বিচারালয়, সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে।</p><p>২০২৬ সালে বাংলাদেশের মানুষ বহু বছর পর নিজের ভোট দিতে পেরেছে, পছন্দের প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠাতে পেরেছে। নতুন সংসদে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন উপস্থিত থাকছেন; সংসদ হয়ে উঠছে শাসনতান্ত্রিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। বিরোধী দল হয়ে উঠেছে প্রকৃত বিরোধী দল, সরকারি দলের সংসদ সদস্যরাও মন দিচ্ছেন বস্তুনিষ্ঠ আলোচনায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/f33i6a34hm">হাসিনার পতন হলেও স্বৈরাচারী শাসনের যেসব খুঁটি এখনো অক্ষুণ্ন</a></aside><h3>৫.</h3><p>জুলাইয়ের কিছু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। শেখ হাসিনা যে মালিকানার রাজনীতি আর ট্যাগ দেওয়ার রাজনীতি এক যুগ ধরে করেছেন, তার প্রভাব এখনো দূর হয়নি। শাসনতান্ত্রিক সংস্কার, নারী ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতির অবসান, নাগরিকের হয়রানি ও ভোগান্তি হ্রাস—এসব ক্ষেত্রে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এখনো পৌঁছাতে পারিনি।</p><p>কিন্তু যা এখনো অর্জিত হয়নি, তার জন্য যা অর্জিত হয়েছে, তা খাটো হয়ে যায় না। বরং আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার যেসব দেশে বড় ধরনের গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, তার মধ্যে (হয়তো একমাত্র শ্রীলঙ্কা বাদে) বাংলাদেশের অর্জন উল্লেখযোগ্য। এসব সত্যকে আড়াল করে দেওয়ার যে প্রচারণা চলছে দেশে, তা কখনোই জুলাইয়ের শক্তিকে ম্লান করতে পারবে না।</p><ul><li><p>&nbsp;<strong>আসিফ নজরুল</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক; সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা</p><p>মতামত লেখকের নিজস্ব</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>সাহারা মরুভূমিতে গর্ভে সন্তান নিয়ে খালি পায়ে দুই হাজার মাইল হেঁটে স্পেনে এসেছিলেন মা, তাঁকেই বিশ্বকাপ জয়ের মেডেল দিলেন নিকো উইলিয়ামস</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/relationships/gf04178nga</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/relationships/gf04178nga#comments</comments><guid isPermaLink="false">951db123-ce9e-4b74-b028-571ec36b8d1d</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:27:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:27:01.717Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নিকো উইলিয়ামসের এই মেডেল সেই মায়ের প্রাপ্য সম্মান, যিনি সাহারা মরুভূমি পেরিয়ে সন্তানের জন্য এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে দিয়েছিলেন, যেখানে সে একদিন বিশ্বমঞ্চ জয় করতে পারে।]]></description><media:keywords>গোল অ্যান্ড গ্ল্যাম ২০২৬,নিকো উইলিয়ামস,স্পেন ফুটবল দল</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ylsoag20/nico5543.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ylsoag20/nico5543.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পর্ক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নিকো উইলিয়ামসের এই মেডেল সেই মায়ের প্রাপ্য সম্মান, যিনি সাহারা মরুভূমির উত্তপ্ত বালুকাবেলা পেরিয়ে সন্তানের জন্য এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে দিয়েছিলেন, যেখানে সে একদিন বিশ্বমঞ্চ জয় করতে পারে।</p><p>স্পেনের ঐতিহাসিক ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন মাঠজুড়ে কনফেটি উড়ছিল, তখন জয়ের অন্যতম রূপকার ২৪ বছর বয়সী উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটির জন্ম দেন। মাঠের সেলিব্রেশনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি সোজা গ্যালারিতে উঠে যান। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/okyfarv1/aplasticplant1784574254394561556510295415415711725820.jpg" /><figcaption>মাঠের সেলিব্রেশনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি সোজা গ্যালারিতে উঠে যান</figcaption></figure><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/Da_2vpjuX4Z/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/Da_2vpjuX4Z/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/Da_2vpjuX4Z/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by The New Ghana  (@newghana)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/knz52ics/aplasticplant1784574254394561556730895821815711725820.jpg" /><figcaption>নিজের গলায় থাকা সোনার বিশ্বকাপজয়ী পদক খুলে মায়ের, মারিয়া আর্থুয়েরের হাতে দেন</figcaption></figure><p>নিজের গলায় থাকা সোনার বিশ্বকাপজয়ী পদক খুলে মায়ের, মারিয়া আর্থুয়েরের হাতে দেন। মুহূর্তটি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এটি শুধু জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি নয়, বরং সেই মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, যিনি একসময় সন্তানের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে জীবন বাজি রেখেছিলেন।</p><p><strong>সাহারা মরুভূমি পেরিয়ে মৃত্যুকে হারানোর গল্প</strong></p><p>উইলিয়ামস পরিবারের গল্পের শুরু ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি। চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে মারিয়া ও তাঁর স্বামী ফেলিক্স ঘানা ছেড়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে মানবপাচারকারীরা তাঁদের প্রতারণা করে মাঝপথে ফেলে রেখে যায়। এরপর বাধ্য হয়ে তাঁদের সাহারা মরুভূমি পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতে হয়। প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রখর রোদের মধ্যে তাঁদের জুতা পর্যন্ত খুলে নেওয়া হয়। খালি পায়ে তাঁরা প্রায় দুই হাজার মাইল মরুভূমির পথ অতিক্রম করেন। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, তখন মারিয়া তাঁর বড় ছেলে ইনিয়াকি উইলিয়ামসকে সাত মাসের গর্ভে ধারণ করেছিলেন। পথে তাঁরা তীব্র ক্ষুধা ও পানিশূন্যতার সঙ্গে লড়েছেন। তাঁদের চোখের সামনেই অনেক সহযাত্রী মারা যান। এমনকি পথেই তাঁদের কবর দিতে হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/n87jdq8a/footyemporium17216472573417747371213974129446238634.jpg" /><figcaption>উইলিয়ামস পরিবারের গল্পের শুরু ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি</figcaption></figure><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/C9cVWIdM78T/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/C9cVWIdM78T/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/C9cVWIdM78T/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by _  (@therealone_kay)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><p>অবশেষে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল মেলিয়ায় পৌঁছে তাঁরা কাঁটাতারের সীমান্তবেড়া টপকে প্রবেশ করেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই আটক হন। দেশছাড়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে এক ক্যাথলিক মানবাধিকার আইনজীবী ও স্থানীয় এক যাজকের সহায়তায় তাঁরা রাজনৈতিক আশ্রয় পান। পরে পরিবারটি স্পেনের উত্তরাঞ্চলে বসবাস শুরু করে।</p><p><strong>দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠা</strong></p><p>নিকো উইলিয়ামসের জন্ম পাম্পলোনায়। তবে বৈধভাবে স্পেনে বসবাসের সুযোগ পেলেও পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা কাটেনি। সংসার চালাতে মারিয়াকে একসঙ্গে তিনটি কঠিন কাজ করতে হয়েছে। অন্যদিকে বেশি আয়ের আশায় ফেলিক্স লন্ডনে চলে যান। সেখানে তিনি বছরের পর বছর রান্নাঘর পরিষ্কারের কাজ করেছেন, স্ট্যামফোর্ড ব্রিজেও কাজ করেছেন। নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে বাকি প্রায় সব অর্থই পরিবারের কাছে পাঠিয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/pkoux12y/yencomghnews178456692239455556982726225256966513442.jpg" /><figcaption>বড় ভাই ইনিয়াকি ছোট নিকোর কাছে বাবার ভূমিকাই পালন করেন</figcaption></figure><p>মা-বাবা যখন সারাক্ষণ কাজ নিয়ে ব্যস্ত, তখন বড় ভাই ইনিয়াকি ছোট নিকোর কাছে বাবার ভূমিকাই পালন করেন। তিনি নিকোর জন্য রান্না করতেন, স্কুলে নিয়ে যেতেন এবং আশপাশের অপরাধপ্রবণ পরিবেশ ও কিশোর গ্যাং থেকে দূরে রাখতেন। ফুটবলই হয়ে ওঠে দুই ভাইয়ের মুক্তির পথ। তাঁরা একই জোড়া বুট ভাগাভাগি করে পরতেন, স্থানীয় কংক্রিটের মাঠে অনুশীলন করতেন। একসময় তাঁদের প্রতিভা নজরে পড়ে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিখ্যাত যুব একাডেমির।</p><p><strong>মায়ের ত্যাগের প্রতি শ্রেষ্ঠ সম্মান</strong></p><p>স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অভিযানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিকো উইলিয়ামস বিশ্ব ফুটবলে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন। কিন্তু পরিবারের অতীতের সংগ্রাম তিনি কখনো ভুলে যাননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/f7epkvry/livekickoff1721477596341632414600977225559430565637.jpg" /><figcaption>তিনি যত দ্রুতই দৌড়াতে পারেন না কেন, মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচতে সাহারা মরুভূমি পেরিয়ে ছুটে চলা তাঁর মায়ের গতির সঙ্গে কখনোই তুলনা করতে পারবেন না।</figcaption></figure><p>নিকো একবার বলেছিলেন, মাঠে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি অসাধারণ গতি। কিন্তু তিনি যত দ্রুতই দৌড়াতে পারেন না কেন, মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচতে সাহারা মরুভূমি পেরিয়ে ছুটে চলা তাঁর মায়ের গতির সঙ্গে কখনোই তুলনা করতে পারবেন না।</p><p>বিশ্বজয়ের সেই সোনার পদক যখন মারিয়া আর্থুয়েরের গলায় শোভা পেল, তখন যেন একটি সংগ্রামী জীবনের পূর্ণতা এল। পদকটি শুধু একজন ফুটবলারের অর্জনের প্রতীক নয়; এটি সেই মায়ের প্রাপ্য সম্মান, যিনি সাহারার উত্তপ্ত বালুকাবেলা পেরিয়ে সন্তানের জন্য এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে দিয়েছিলেন, যেখানে সে একদিন বিশ্বমঞ্চ জয় করতে পারে।</p><p><strong>সূত্র</strong>: গালফ নিউজ, ইয়াহু স্পোর্টস</p><p><strong>ছবি:</strong> ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item><item><title>ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্রে ভেসে এল কফিন, কৌতূহল–আতঙ্ক</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y79toawjdq</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y79toawjdq#comments</comments><guid isPermaLink="false">eb6ab7e8-9e30-4585-af66-aa93331610f7</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:25:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:25:16.587Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আউয়াল কৌতূহলবশত কফিনটি নদী থেকে তুলে বাড়িতে নিয়ে যান।]]></description><media:keywords>ঈশ্বরগঞ্জ,ময়মনসিংহ,ময়মনসিংহ বিভাগ</media:keywords><media:content height="1212" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/q9b3ej9a/mymensinghdh169420260720img-20260720-wa0093.jpg" width="1260"><media:title type="html"><![CDATA[ ব্রহ্মপুত্র নদে ভেসে আসে একটি কফিন। গতকাল সোমবার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/q9b3ej9a/mymensinghdh169420260720img-20260720-wa0093.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে একটি খালি কফিন ভেসে আসে। গতকাল সোমবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার মরিচারচর (টানমলামারি) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে আশপাশের লোকজন কৌতূহলী হন। ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।</p><blockquote>উজানের দিক থেকে স্রোতের টানে কফিনটি ভেসে এসেছে বলে ধারণা স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহীম খলিলের। </blockquote><p>পরে স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আউয়াল কৌতূহলবশত কফিনটি নদী থেকে তুলে বাড়িতে নিয়ে যান। খুলে দেখেন, ভেতরে কিছু নেই। এলাকাবাসীর পরামর্শে তিনি কফিনটি আবার নদীতে ভাসিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে না বুঝেই কফিনটি বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম।’</p><p>উজানের দিক থেকে স্রোতের টানে কফিনটি ভেসে এসেছে বলে ধারণা স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহীম খলিলের। তবে এটি কোথা থেকে এসেছে বা কেন নদীতে ছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য তাঁদের জানা নেই। এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চলে নানা আলোচনা। অনেকে আতঙ্কিত বলে তাঁর ভাষ্য।</p><aside><cite>আবদুল আউয়াল, স্থানীয় বাসিন্দা</cite>প্রথমে না বুঝেই কফিনটি বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম।</aside><p>ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, এ বিষয়ে পুলিশকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। স্থানীয়ভাবে একটি খালি কফিন নদীতে ভেসে আসার তথ্য পুলিশ জানতে পেরেছে। পরে কফিনটি আবার নদীতে ভাসিয়ে দিলে স্রোতের সঙ্গে অন্যত্র চলে যায়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জয়ার নতুন সিনেমা দেখে কী বলছেন ভারতীয় সমালোচকেরা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/tollywood/ssgvspxbz1</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/tollywood/ssgvspxbz1#comments</comments><guid isPermaLink="false">16969c28-bf13-47af-a98e-17e872b9eece</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:21:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:21:34.232Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলির সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। নির্মাতার ২০২৩ সালের সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’–এর সিকুয়েল এটি।]]></description><media:keywords>অভিনয় শিল্পী,বাংলা সিনেমা,জয়া আহসান</media:keywords><media:content height="864" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/4w9dynqp/74243693116181908396735031428831611820690667n.jpg" width="1536"><media:title type="html"><![CDATA[ জয়া আহসান। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-09/4w9dynqp/74243693116181908396735031428831611820690667n.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>টালিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলির সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। নির্মাতার ২০২৩ সালের সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’–এর সিকুয়েল এটি। প্রথমটির মতো দ্বিতীয় কিস্তিতেও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। মুক্তির পর দর্শক–সমালোচকের প্রশংসা পেয়েছে ছবিটি। প্রযোজনা সংস্থা সুরিন্দর ফিল্মসের দাবি, ছবিটির বেশির ভাগ শো হাউসফুল যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমও সিনেমাটিতে বাংলাদেশি অভিনেত্রীর অভিনয়ের প্রশংসা করেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-10/uao8xr9s/038A3360.JPG" /><figcaption>জয়া আহসান। ছবি : খালেদ সরকার </figcaption></figure><p>সংবাদ প্রতিদিন তাদের রিভিউয়ে জয়ার অভিনয় সম্পর্কে লিখেছে, ‘মেঘনার চরিত্রে জয়া একেবারে পারফেক্ট। জয়ার মধ্যে এমন তোলপাড়, কূলছাপানো লিকুইডিটি, তারল্য আছে, যা চোখে দেখার, অনুভবের এবং আমার মতো কিছু পুরুষের রোমান্টিক টানের। কৌশিকের কল্পনা, তাঁর রোমান্টিক স্বপ্ন এই তারল্যে সাঁতারু হতে পেরেছে। সমস্ত ছবিটাকে আচ্ছন্ন করে আছে জয়া আহসানের তারল্য—মেঘনা নদীর এপার-ওপার ছলাৎ ও বহতা।’</p><p>অনলাইন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল লিখেছে, ‘মেঘনা চরিত্রে জয়া আহসান অনেক সংযত। সংলাপ কম, কিন্তু উপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী। অপরাধবোধ, দ্বিধা, ভালোবাসা আর অনিশ্চয়তার মাঝখানে আটকে থাকা এক নারীর ভাঙন। বিশেষ করে চূর্ণীর সঙ্গে তাঁর মুখোমুখি দৃশ্যগুলো ছবির আবেগকে আরও গভীর করেছে। দুজনের রসায়নই ছবির অন্যতম বড় সম্পদ।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-10/cla90sg0/741918613_1351649153598868_4197499006359305350_n.jpg" /><figcaption>‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র পোস্টার। প্রযোজনা সংস্থার ফেসবুক থেকে </figcaption></figure><p>টাইমস অব ইন্ডিয়া আবার মেঘনা চরিত্রটির গঠন নিয়ে সমালোচনা করেছে। গণমাধ্যমটি লিখেছে, ‘মেঘনা চরিত্রে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। তবে চরিত্রটির নির্মাণে কিছু অসংগতি রয়েছে। তার আবেগের যাত্রাপথ অনেক সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল মনে হয়। ফলে মেঘনার প্রতি দর্শকের সহানুভূতি সব সময় সমানভাবে তৈরি হয় না।’</p><p>দ্য টেলিগ্রাফ লিখেছে, ‘মেঘনা চরিত্রে জয়া আহসানও দারুণভাবে সঙ্গ দিয়েছেন। যদিও প্রথম ছবির তুলনায় এই পর্বে চরিত্রটি আবেগ প্রকাশের তেমন বেশি সুযোগ পায় না, তবু অপরাধবোধ, ভালোবাসা ও অনিশ্চয়তার টানাপোড়েনে আটকে থাকা এক নারীর ভঙ্গুর মানসিক অবস্থাকে জয়া তাঁর সংযত ও বিশ্বাসযোগ্য অভিনয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/6qnlgapl3w">এবার একটু ‘হালকা’ হতে চান জয়া</a></aside><p>আরও আনন্দ লিখেছে, ‘জয়া অভিনীত মেঘনা চরিত্রটির প্রতি আলাদা আদর জন্মায় এই ছবি দেখলে।’</p><p>প্রথম আলোকে এর আগে মেঘনা চরিত্র নিয়ে জয়া বলেছিলেন, ‘মেঘনা চরিত্রটা তো আগে থেকেই তৈরি ছিল। তারপর সময় কিছুটা কেটে গেছে। শহরটা মেঘনার অনেকখানি হয়ে গেছে। ও পরিবারের একজন অংশ হয়ে গেছে। পরিবারে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, বাচ্চাটা বড় হয়েছে। মেঘনার জীবনে নতুন নতুন আরও চরিত্র এসেছে। যেমন করে সিনেমাতে নতুন চরিত্রগুলো আসে। ও আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। কিন্তু সংসারে এবারও নানা রকমের টানাপোড়েন তৈরি হয়, অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পড়তে হয় মেঘনাকে। নতুন সিনেমায় সেটাই উঠে এসেছে।’<br>‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে জয়া ছাড়াও আছেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬। জীববিজ্ঞান ২য় পত্র: খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখে ‘অগ্ন্যাশয়’</title><link>https://www.prothomalo.com/education/examination/grz15gcqyb</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/examination/grz15gcqyb#comments</comments><guid isPermaLink="false">98612822-d70b-4cfc-99c2-134e901e362a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:20:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:20:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জীববিজ্ঞান ২য় পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন]]></description><media:keywords>পাঠ্যবই থেকে, দ্বাদশ শ্রেণি,এইচএসসি জীববিজ্ঞান ২য় পত্র,পড়াশোনা: এইচএসসি,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬</media:keywords><category>পরীক্ষা</category><category>পড়াশোনা</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>জীববিজ্ঞান ২য় পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/aknt88o6/Untitled-1.jpg" /></figure><p><strong>অধ্যায়–৩</strong></p><p>ক. স্থূলতা কী?</p><p>খ. ইমালসিফিকেশন বলতে কী বোঝায়?</p><p>গ. খাদ্য পরিপাকে Q অংশের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।</p><p>ঘ. R অংশে পরিশোষণের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।</p><p><strong>উত্তর</strong></p><p><strong>ক.</strong> দেহে অধিক পরিমাণ চর্বি সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট অস্বাভাবিকতাকে স্থূলতা বলে।</p><p><strong>খ. </strong>লাইপেজ এনজাইমের সহায়তায় স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাক হলেও প্রথমে স্নেহ বা চর্বিকে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হতে হয়। ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে যকৃত থেকে আসা পিত্তরস ক্ষরিত হয়। এ পিত্তরসে অবস্থিত পিত্ত লবণের প্রভাবে চর্বির ক্ষুদ্র কণাগুলো ভেঙে অতি ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়াকেই ইমালসিফিকেশন বলে।</p><p><strong>গ. </strong>Q অংশটি অগ্ন্যাশয়। এটি মানুষের পরিপাকতন্ত্র পাকস্থলীর নিচে অবস্থিত নলাকৃতির মরিচের মতো একটি গ্রন্থি। খাদ্য পরিপাকে গ্রন্থিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p><p>প্রোটিনজাতীয় খাদ্য পরিপাক: অগ্ন্যাশয় রসের অন্যতম প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম ট্রিপসিনোজেন। এটি এন্টারোকাইনেজ নামক উদ্দীপক দ্বারা সক্রিয় ট্রিপসিন নামক এনজাইমে পরিণত হয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন–জাতীয় সরল আমিষকে ভেঙে ডাইপেপটাইড ধরনের সরল আমিষ ও অ্যামাইনো অ্যাসিড এককে পরিণত করে।</p><p>শর্করাজাতীয় খাদ্য পরিপাক: অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত অ্যামাইলেজ এনজাইম দ্বারা স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন মল্টোজে রূপান্তরিত হয়। আবার অগ্ন্যাশয়িক মল্টোজ এনজাইম দ্বারা মল্টোজ গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।</p><p>লিপিডজাতীয় খাদ্যের পরিপাক: অগ্ন্যাশয়িক লাইপেজ এনজাইম দ্বারা চর্বি বা লিপিড ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়। আবার ফসফোলাইপেজ ও কোলেস্টেরল এস্টারেজ দ্বারা যথাক্রমে ফসফোলিপিড ও কোলেস্টেরল এস্টার ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। এভাবেই খাদ্য শোষণযোগ্য সরল উপাদানে পরিণত হয়।</p><p><strong>ঘ.</strong> R অংশটি ক্ষুদ্রান্ত। মানুষের পরিপাকতন্ত্রে পরিপাককৃত খাদ্যসার পরিশোষণের প্রধান অংশ হলো ক্ষুদ্রান্ত। ক্ষুদ্রান্ত্রে মিউকোসা স্তরে ভিলাই হলো পরিশোষণের একক। অ্যামাইনো অ্যাসিড ও সরল শর্করা ভিলাই মধ্যস্থ কৈশিক জালিকার রক্তে শোষিত হয় এবং পোর্টালতন্ত্রে বাহিত হয়। অন্যদিকে চর্বিজাতীয় খাদ্যসার ভিলাইয়ের লসিকায় শোষিত হয় এবং লসিকাতন্ত্র দিয়ে পরিবাহিত হয়। বেশির ভাগ পানিই ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়। এখানে বিপাকের মাধ্যমে আমরা শক্তি পাই। পরিপাকতন্ত্র থেকে খাদ্যসার R অংশ (ক্ষুদ্রান্তে) আসে। কাজেই ক্ষুদ্রান্তে খাদ্য পরিশোষণ না হলে তা দেহের বৃদ্ধি ও শক্তি অর্জনে কোনো ভূমিকা রাখবে না। খাদ্যসার বর্জ্য পদার্থের সঙ্গে পায়ুপথ দ্বারা নিষ্ক্রান্ত হয়ে যাবে, যা পরিপাকের উদ্দেশ্য নয়। সুতরাং R অংশে খাদ্যসারের পরিশোষণ না ঘটলে তা দেহের কোনো কাজেই আসবে না। তাই R অংশে (ক্ষুদ্রান্ত) পরিশোষণ দেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p><ul><li><p><strong>মোহাম্মদ আক্তার উজ জামান</strong>, প্রভাষক<br>সরকারি রূপনগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ, সংকটে পাবনার হোসিয়ারিশিল্প</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/fjci7aojla</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/fjci7aojla#comments</comments><guid isPermaLink="false">5451d6e8-c781-443c-b176-7e9841706bd0</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সরোয়ার মোর্শে​দ	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410436</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিল্প,বাণিজ্য,ভারত,পাবনা,রপ্তানি</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/g9lcz0hi/Garments.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ পাবনা জেলার গ্রামেগঞ্জে ঝুট কাপড়ের গেঞ্জি তৈরির প্রচুর কারখানা গড়ে উঠেছে। তবে ভারতের স্থলবন্দর বন্ধ থাকায় এসব গেঞ্জি রপ্তানিতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি পাবনার সাধুপাড়ার ঝুটপট্টি এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/g9lcz0hi/Garments.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>— প্রায় তিন হাজার কারখানার ৬৫% শ্রমিক এখন কর্মহীন।</p><p>— ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি বাঁচাতে দ্রুত সরকারি উদ্যোগের দাবি।</p><p>পাবনা শহরের সাধুপাড়া মহল্লার হোসিয়ারি ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন বড় একটি হোসিয়ারি কারখানা। সেখানে প্রায় ৪০০ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল। পণ্য রপ্তানি করে ভালো আয়ও করছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে স্থলপথে ভারতে পণ্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিপাকে পড়েন তিনি। উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে না পেরে একসময় কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। দেনার দায়ে দেউলিয়া হয়ে পড়েন। কর্মহীন হয়ে পড়েন ৪০০ শ্রমিক।</p><p> আরিফ হোসেনের মতো একই সংকটে পড়েছেন পাবনার অসংখ্য হোসিয়ারি উদ্যোক্তা। জেলা হোসিয়ারি ম্যানুফ্যাকচারার্স গ্রুপের তথ্যমতে, জেলার প্রায় তিন হাজার হোসিয়ারি কারখানায় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করতেন। রপ্তানি বন্ধের কারণে প্রায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক এখন বেকার। সংকটে পড়ে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।</p><p> জেলা হোসিয়ারি ম্যানুফ্যাকচারার্স গ্রুপের সভাপতি সেলিম সরদার প্রথম আলোকে বলেন, দেশের হোসিয়ারি পণ্যের ৬৫ শতাংশ পাবনা থেকে রপ্তানি হতো। প্রতিদিন পাওনাদারদের সঙ্গে মালিকদের বিরোধ হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। শিল্পটিকে বাঁচাতে এবং মালিক-শ্রমিকদের রক্ষায় দ্রুত এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন।</p><h3>২০০ বছরের চড়াই-উতরাই</h3><p>প্রবীণ হোসিয়ারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাবনায় এই শিল্পের গোড়াপত্তন প্রায় ২০০ বছর আগে। তখন শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত ইছামতী নদীপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হতো। তৎকালীন ধনাঢ্য হিন্দু ও মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীরা বিদেশ থেকে উন্নত মানের সুতা আমদানি করে এবং নিজেদের তৈরি সুতা দিয়ে গেঞ্জি উৎপাদন করতেন। উন্নত মানের সেই গেঞ্জি দ্রুতই দেশে-বিদেশে পরিচিতি পায়।</p><p>১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ওই ব্যবসায়ীদের অধিকাংশ ভারতে চলে যান। এরপর শিল্পে ভাটা পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে শিল্পের নিয়ন্ত্রণ আসে মুসলমান ব্যবসায়ীদের হাতে। তাঁরা শিল্পটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে শিল্পটি প্রায় মুখ থুবড়ে পড়ে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৯০ সালের দিকে সুতার গেঞ্জির পরিবর্তে তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট কাপড়ের গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, সোয়েটারসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন শুরু হয়। ফলে শিল্পের পরিধি বাড়তে থাকে। ভারত ও মালয়েশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এসব পণ্য রপ্তানি হতে থাকে।</p><h3>স্থলপথে রপ্তানি বন্ধের পর সংকট</h3><p>কারখানামালিকেরা জানান, আগে ট্রাকযোগে স্থলপথে ভারতে হোসিয়ারি পণ্য রপ্তানি হতো। প্রতি সপ্তাহে শতাধিক ট্রাক পণ্য ভারতে যেত। এতে দেড় থেকে দুই লাখ মার্কিন ডলার আসত। স্থলপথ বন্ধ হওয়ার পর এখন সপ্তাহে মাত্র সাত–আট ট্রাক পণ্য নৌপথে পাঠানো হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পণ্য পাঠাতে একদিকে ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে সময়ও বেশি লাগছে। আবার পণ্যের মূল্য পেতে এক মাসের বেশি সময় লাগছে। সব মিলিয়ে উদ্যোক্তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।</p><p>পাবনা শহরতলির দ্বীপচরের হোসিয়ারি ব্যবসায়ী মিরাজুল ইসলাম ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ঝুট কাপড় কিনে এনে গেঞ্জি, সোয়েটার, মোজাসহ বিভিন্ন পোশাক তৈরি করে ভারত, মালয়েশিয়া, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করতেন। তিনি জানান, তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের দুই-তৃতীয়াংশই ভারতে রপ্তানি হতো। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২৫ লাখ টাকার পণ্য রপ্তানি হতো। শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছিল। রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর এখন কোনো আয় নেই। ব্যাংকের ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন।</p><p>সাধুপাড়া মহল্লার এসবি রয়েল গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপক মো. আশিক হোসেন বলেন, ‘স্থলপথে রপ্তানি বন্ধের কারণে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আগে কাজের চাপে দম ফেলার সময় ছিল না। প্রায় ৩০ জন কর্মী শুধু কাটিংয়ের কাজ করতেন। এখন আছেন সাতজন। ফলে আমরা শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছি।’</p><h3>সরেজমিনে একদিন</h3><p>সম্প্রতি শহরের সাধুপাড়া, বাংলাবাজার, দিলালপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের পাশাপাশি গ্রামের পাড়া-মহল্লাতেও গড়ে উঠেছে বড় বড় ঝুট কাপড়ভিত্তিক কারখানা। কোথাও কাপড় কাটা, কোথাও সেলাইয়ের কাজ চলছে। তবে আলাপকালে তাঁদের অধিকাংশের চোখেমুখেই উদ্বেগের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। কারখানাগুলোর গুদাম ও শোরুমে উৎপাদিত পণ্যের মজুত রয়েছে। বস্তায় ভরা ঝুট কাপড়ও পড়ে আছে। অধিকাংশ কারখানায় অর্ধেকের বেশি শ্রমিক নেই। যাঁরা আছেন, তাঁদের কাজেও আগের ব্যস্ততা নেই।</p><p>সাধুপাড়া ঝুটপল্লির ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের তৈরি পোশাক কারখানা থেকে ঝুট কাপড় কিনে এনে বিক্রি করেন। আগে কাপড় দিয়েও শেষ করতে পারতেন না। কিন্তু দেড় বছর ধরে তেমন বিক্রি নেই। গুদামভর্তি কাপড় নিয়ে বসে আছেন। আগে কাপড় বাছাইয়ে ১৫ জন কর্মী ছিলেন। কাজ না থাকায় ১০ জনকে ছাঁটাই করতে হয়েছে।</p><p>একই এলাকার আরেক ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন জানান, তাঁরা কেউ ব্যাংক, কেউ এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন। দেশের চেয়ে বিদেশের বাজারে ব্যবসা ভালো চলছিল। ভারতের সঙ্গে স্থলপথে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবাই বড় সংকটে পড়েছেন।</p><h3>কাজ হারিয়েছেন অনেকে</h3><p>আফজাল হোসেন নামের একজন শ্রমিক জানান, তিনি সাধুপাড়া মহল্লার একটি কারখানার কাজ হারিয়ে এখন অন্য কাজের খোঁজ করছেন।</p><p>জনি গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপক কামরুল হাসান বলেন, স্থলপথে পণ্য রপ্তানিতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগত। পাঁচ দিনের মধ্যেই টাকা পাওয়া যেত। এখন নৌপথে পণ্য পাঠাতে সময় লাগছে ২০ থেকে ২৫ দিন। টাকা আসছে ৩০ থেকে ৩৫ দিন পর। ফলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে অল্প পরিমাণ পণ্য পাঠানো হচ্ছে। তাঁদের কয়েকটি কারখানায় আগে প্রায় ৫০০ শ্রমিক কাজ করতেন, যা কমে এখন ২০০ জন হয়েছে।</p><p>জেলার সবচেয়ে বড় হোসিয়ারি পণ্য বিক্রেতা এ আর কর্নারে উৎপাদিত পণ্যে বিভিন্ন নকশার ছাপ দেন তরুণ দাস। তিনি জানান, রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় কাজ প্রায় নেই। বেকার বসে দিন কাটছে। স্ত্রী অসুস্থ। চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এ বি এম ফজলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হোসিয়ারিশিল্প পাবনার ঐতিহ্য। এ শিল্প দিয়েই জেলার পরিচিতি তৈরি হয়েছিল। শিল্পটির ব্যাপক সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু এখন এটি চরম সংকটে পড়েছে। এই সংকট কাটাতে সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন। শিল্প রক্ষায় দ্রুত আমদানি-রপ্তানির স্থলপথ খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। বর্তমান সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অ্যান্ড্রয়েডে লক স্ক্রিন প্রযুক্তিতে ত্রুটি, পিন ছাড়াই বার্তা পাঠাতে পারছে জেমিনি</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/cyberworld/7yphr24ru4</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/cyberworld/7yphr24ru4#comments</comments><guid isPermaLink="false">9c020a8a-decd-4277-9a51-b48dd696b511</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহসান হাবীব</atom:name><atom:uri>/api/author/1712093</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ত্রুটিটি কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোনের লক স্ক্রিন চালু থাকা অবস্থায় পিন দিয়ে ফোন আনলক না করেই জেমিনির মাধ্যমে এসএমএস পাঠানো যায়।]]></description><media:keywords>অ্যান্ড্রয়েড,এআই,জেমিনি এআই,স্মার্টফোন</media:keywords><media:content height="1224" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/0fzz4o35/Gemini.Reuters.png" width="1920"><media:title type="html"><![CDATA[ জেমিনি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/0fzz4o35/Gemini.Reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সাইবারজগত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অ্যান্ড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনে ব্যবহৃত লক স্ক্রিন প্রযুক্তিতে নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান পাওয়া গেছে। ত্রুটিটি কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোনের লক স্ক্রিন চালু থাকা অবস্থায় পিন দিয়ে ফোন আনলক না করেই জেমিনির মাধ্যমে এসএমএস পাঠানো যায়।</p><p> সম্প্রতি এই ত্রুটির বিষয়টি সামনে আসার পর গুগল জানিয়েছে, সমস্যাটির সমাধান প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই সফটওয়্যার হালনাগাদের মাধ্যমে সমাধানটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।</p><p>স্বাভাবিক নিয়মে কোনো ব্যবহারকারী যদি জেমিনির জন্য গুগল মেসেজেসের মতো কোনো অ্যাপের অনুমতি বাতিল করে দেন, তাহলে পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপে প্রবেশের আগে ফোনের পিন দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে বলে অ্যান্ড্রয়েড। কিন্তু নিরাপত্তা গবেষকেরা দেখেছেন, স্ক্রিনের দুটি বাটন প্রায় একই সময়ে চাপলে এই নিরাপত্তা যাচাই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। ফলে পুনরায় পিন না দিয়েই জেমিনি এসএমএস পাঠাতে পারে। যদিও নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতেই এ ত্রুটির সুযোগ নেওয়া সম্ভব, তবু এটি লক স্ক্রিনের নিরাপত্তাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা সামনে এনেছে।</p><p>গবেষকদের দাবি, এ ত্রুটির মাধ্যমে শুধু এসএমএস পাঠানোই নয়, জেমিনি থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা কিছু অ্যাপও আবার সংযুক্ত করা সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো ব্যবহারকারী যদি আগে জেমিনির সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের সংযোগ বন্ধ করে রাখেন, তবু এ ত্রুটির সুযোগ নিয়ে সেটি আবার চালু করা যেতে পারে। আর এ কাজের জন্যও ফোনের পিন প্রয়োজন হয় না। ফলে বিষয়টি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার ক্ষেত্রেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।</p><p>এখন পর্যন্ত কোন কোন মডেলের স্মার্টফোন এ ত্রুটিতে আক্রান্ত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি গুগল। তবে জানা গেছে, পিক্সেলসহ অ্যান্ড্রয়েড ১৬ চলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোনে সমস্যাটি শনাক্ত হয়েছে।</p><p>গুগল জানিয়েছে, সফটওয়্যার হালনাগাদ প্রকাশের পর জেমিনি আর লক স্ক্রিনের নিরাপত্তা যাচাই এড়িয়ে সংবেদনশীল কোনো কাজ করতে পারবে না। ফলে আগের মতোই এ ধরনের কাজের আগে ফোনের পিন দিয়ে ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। হালনাগাদ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত যাঁরা লক স্ক্রিন থেকে জেমিনি ব্যবহার করেন না, তাঁরা চাইলে এ সুবিধা বন্ধ রাখতে পারেন।</p><p>সূত্র: <strong>টেকলুসিভ</strong></p>]]></content:encoded></item><item><title>বুলডোজার নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভাঙতে যাবে, এটা তো কল্পনাই করা যায় না: দীপক সুমন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/s9z5uggd6a</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/s9z5uggd6a#comments</comments><guid isPermaLink="false">f75a4007-f46f-46a2-aa2c-0a286237d52a</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জুলাই অভ্যুত্থানে অন্যদের মতো রাস্তায় নেমেছিলেন অভিনেতা ও নির্দেশক দীপক সুমন]]></description><media:keywords>মাজার,জুলাই গণ-অভ্যুত্থান</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/jzqcxggt/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/jzqcxggt/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই অভ্যুত্থানে অন্যদের মতো রাস্তায় নেমেছিলেন অভিনেতা ও নির্দেশক দীপক সুমন। আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে ছাত্র–জনতার নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, মাজারে হামলা, মব সন্ত্রাসসহ নানা বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/r6l-MJwEdwA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। ইংরেজি: তিনটি Short Composition</title><link>https://www.prothomalo.com/education/examination/edwv7ppy9w</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/examination/edwv7ppy9w#comments</comments><guid isPermaLink="false">252b7ce6-f21d-4fb4-ae37-3464e7d9b933</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:57:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:57:40.147Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইংরেজি: Short Composition]]></description><media:keywords>প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫,পঞ্চম শ্রেণি ইংরেজি,পঞ্চম শ্রেণি,প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬</media:keywords><media:content height="562" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/c2hrlbwt/MasukArt16082016144.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/c2hrlbwt/MasukArt16082016144.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরীক্ষা</category><category>পড়াশোনা</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>ইংরেজি: Short Composition</strong></p><p>∎ <strong>My Garden</strong></p><p>There is a small garden in front of our house. My garden is very beautiful and clean. There are many flower plants in it. I have planted roses and marigolds. Some plants give colorful flowers every day. There are also some fruit trees. Birds often come to the garden. Butterflies fly over the flowers. I water the plants every morning. My mother also helps me in gardening. We remove weeds from the garden regularly. Fresh flowers spread sweet smells around. The garden looks lovely in winter. I spend my leisure time there. It makes my mind cheerful and fresh. Guests praise our beautiful garden. Gardening is good for health too. It teaches us patience and care. I love my garden very much. It is my favorite place at home.</p><p>∎ <strong>My Home District</strong></p><p>My home district is very beautiful and peaceful. It is an important district in Bangladesh. Many people live there happily. There are schools, colleges, and markets. The roads are wide and clean. There are many rivers and green fields. Farmers grow rice and vegetables there. The air is fresh and pure. People are simple and friendly. Many children go to school regularly. Different festivals are celebrated every year. There are many trees beside  the roads. Birds sing sweet songs in the morning. The environment is calm and pleasant. Visitors enjoy the natural beauty there. My district is developing day by day. People work hard for a better life. I love the people of my district. I feel proud of my home district.</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/3xvmtv3gbq">যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসার মেয়াদের নতুন নিয়ম, স্টেম ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরা কি করবেন</a></aside><p>∎ <strong>My Birthday</strong></p><p>My birthday is a very special day for me. It comes once every year. I celebrate it with my family and friends. Our house is decorated beautifully. I wear new clothes on that day. My friends come to my house happily. My parents arrange a small party. We cut a birthday cake together. Everyone sings a birthday song for me. We eat cakes, sweets, and snacks. My friends give me lovely gifts. We play different games together. We take many photographs. I feel very happy on that day. My parents bless me warmly. I also receive good wishes from relatives. Everyone enjoys the party very much. It becomes a joyful occasion for all. I always wait eagerly for my birthday. It is one of the happiest days of my life.</p><ul><li><p><strong>ইকবাল খান,</strong> প্রভাষক<br>বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, ঢাকা</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বকাপ ফাইনালে সংঘর্ষ নিয়ে তদন্তে নেমেছে ফিফা</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/xcd1jifs5u</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/xcd1jifs5u#comments</comments><guid isPermaLink="false">d6875ef8-7948-43e7-9f04-19fb2106cbf9</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:48:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:48:28.073Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ফাইনাল শেষে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে তদন্ত শুরু করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।]]></description><media:keywords>আর্জেন্টিনা ফুটবল দল,ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬,বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬</media:keywords><media:content height="1036" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/b0uoccq9/2026-07-19T222524Z734921507UP1EM7J1QAB7ORTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-ESP-ARG.JPG" width="1443"><media:title type="html"><![CDATA[ গাভিকে মারছেন পারদেস]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/b0uoccq9/2026-07-19T222524Z734921507UP1EM7J1QAB7ORTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-ESP-ARG.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ততক্ষণে শেষ বাঁশি বেজে গেছে। স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু শিরোপা জয় উদ্‌যাপনের সেই মুহূর্তেই মাঠে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ বাধে। </p><p>ফাইনাল শেষে ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে তদন্ত শুরু করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।</p><p>ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ রিপোর্ট পর্যালোচনার পর ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাগুলোতে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটি একজন তদন্তকারী নিয়োগ করেছে।’</p><p>ফিফা আরও জানিয়েছে, তদন্তকারীর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।</p><h3>কী হয়েছিল সেখানে</h3><p>দুই দলের সংঘর্ষের ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। একপর্যায়ে তিনি গার্সিয়াকে ঘুষি মারেন, যা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr"> Full scenes after final whistle.<a href="https://x.com/MickyJnr__?ref_src=twsrc%5Etfw">@MickyJnr__</a>  <a href="https://t.co/ZXCvAFkHwy">pic.twitter.com/ZXCvAFkHwy</a></p>&mdash; Fabrizio Romano (@FabrizioRomano) <a href="https://x.com/FabrizioRomano/status/2078994500978905168?ref_src=twsrc%5Etfw">July 20, 2026</a></blockquote>
<script async src="https://platform.x.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

</figure><p>সতীর্থকে রক্ষা করতে দ্রুত এগিয়ে আসেন স্পেনের খেলোয়াড়েরা। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন গাভি। তবে তাতেও উত্তেজনা কমেনি। বরং আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা গাভিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর মধ্যেই পারেদেস গাভির মুখে আঘাত করেন। গাভি মাটিতে পড়ে গেলেও কোনোমতে নিজেকে সামলে নেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/phdcmmj3j2">বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর মুখ খুললেন মেসি</a></aside><p>এদিকে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গেও বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনা। ভিডিওতে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকেও স্পেনের দানি ওলমোকে আঘাত করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দুই দলের কয়েকজন খেলোয়াড় দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/j8chbioext">মেসি–রদ্রি–এমবাপ্পেদের পোস্টের নিচে চমক ভোজিনিয়া</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬। রসায়ন ২য় পত্রের পরীক্ষায় ভালো করার নিয়ম দেখে নাও</title><link>https://www.prothomalo.com/education/examination/evznk5yfv2</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/examination/evznk5yfv2#comments</comments><guid isPermaLink="false">aa244ba8-656e-4a54-95dd-77f4d6b50a7d</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:48:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:48:19.077Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রিয় শিক্ষার্থী, রসায়ন ২য় পত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস ১ম পত্রের মতোই। মোট ৫টি অধ্যায় থাকবে, যা পূর্ণ সিলেবাস।]]></description><media:keywords>পাঠ্যবই থেকে, দ্বাদশ শ্রেণি,পড়াশোনা: এইচএসসি,এইচএসসি রসায়ন ২য় পত্র,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬</media:keywords><media:content height="1600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/2vvb5i7o/masuk-4.jpg" width="1982"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ: মাসুক হেলাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/2vvb5i7o/masuk-4.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরীক্ষা</category><category>পড়াশোনা</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>রসায়ন ২য় পত্র: পরামর্শ</strong></p><p>প্রিয় শিক্ষার্থী, রসায়ন ২য় পত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস ১ম পত্রের মতোই। মোট ৫টি অধ্যায় থাকবে, যা পূর্ণ সিলেবাস।</p><p>সৃজনশীল প্রশ্ন: ৮টির মধ্যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, মান ৫০ নম্বর। নৈর্ব্যক্তিক: ২৫টির মধ্যে ২৫টিই উত্তর দিতে হবে, মান ২৫ নম্বর। ব্যবহারিকে থাকবে ২৫ নম্বর।</p><p><strong>১ম অধ্যায়</strong></p><p>সৃজনশীল ‘ক’ ও ‘খ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে—পরিবেশ–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গ্যাস সূত্র, বয়েল, চার্লস, গে- লুসাক, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র, গ্রাহামের সূত্র, STP, NTP, SATP, দূষক, প্রাইমারি দূষক, সেকেন্ডারি দূষক, TDS, DO, BOD, COD, PH পানির স্থায়ী ক্ষমতা, অস্থায়ী ক্ষমতা, আইসোথার্ম, আইসোবার, আইসোকোর, পরম শূন্য তাপমাত্রা, বিভিন্ন এককে ‘R’ এর মান নির্ণয়, নাইট্রোজেন ফিক্সেশন, অ্যাসিড বৃষ্টি ও তার কারণ প্রতিকার, অম্লের ক্ষারকত্ব, ক্ষারকের অম্লত্ব, উভধর্মী পদার্থ অনুবন্ধী অ্যাসিড ও ক্ষারক, সংকোচনশীলতা গুণাঙ্ক।</p><p>সৃজনশীল ‘গ’ ও ‘ঘ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে—</p><p>১. অণুর সংখ্যা নির্ণয়।</p><p>২. মোট চাপের সাপেক্ষে গ্যাসের প্রকৃতি নির্ণয় (আদর্শ/ বাস্তব)‌।</p><p>৩. গ্যাসের আংশিক চাপ নির্ণয়।</p><p>৪. গ্যাসের মোল ভগ্নাংশ নির্ণয়।</p><p>৫. ব্যাপনের হারের তুলনা।</p><p>৬. অনুবন্ধী অ্যাসিড–ক্ষারকের তীব্রতা তুলনা।</p><p><strong>২য় অধ্যায়</strong></p><p>সৃজনশীল ‘ক’ ও ‘খ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে— সমানুতা, কার্যকরী মূলক, মেটামারিজম, টটোমারিজম, কাইরাল কার্বন, এনান সিওমার, রেসিমিক মিশ্রণ, মেসো যৌগ, ডায়াস্টেরিও আইসোমার, জ্যামিতিক সমানুতা ও এর শর্ত, আলোক সমানুতা ও এর শর্ত, কার্বনিল মূলকের শনাক্তকরণ পরীক্ষা, ক্লোরোফর্ম সংরক্ষণ প্রণালি, মিথানল, ইথানল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, ফেনল কার্বক্সিলিক মূলক, অ্যামিন শনাক্তকরণ, জুইটার-আয়ন, কার্বিল-অ্যামিন বিক্রিয়া, DDT, অসম্পৃক্ততার পরীক্ষা, অক্সি-এসিটিলিন শিখা ও তার ব্যবহার, পিকরিক অ্যাসিড, কার্বলিক অ্যাসিড, অ্যারোমিটিসিটি।</p><p>সৃজনশীল ‘গ’ ও ‘ঘ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে—</p><p>১. অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের পার্থক্য।</p><p>২. আলকাইন-১ ও অ্যালকাইন-২ এর পার্থক্য।</p><p>৩. SN<sub>1</sub>/ SN<sub>2</sub> → বিক্রিয়ার মেকানিজম।</p><p>৪. গ্রিগনার্ড বিকারক থেকে: (১) অ্যালকেন</p><p>&nbsp;&nbsp;&nbsp; (২) অ্যালকোহল (৩) জৈব অ্যাসিড উৎপাদন।</p><p>৫. অ্যালকিনের ওজনীকরণ বিক্রিয়া।</p><p>৬. অ্যালডিহাইড ও কিটোনের সক্রিয়তার তুলনা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/2qfjbz32yx">যুক্তরাষ্ট্রের হামফ্রে ফেলোশিপ: মাসিক ভাতাসহ ৯ মাস পড়াশোনা, যাদের সুযোগ</a></aside><p><strong>৩য় অধ্যায়</strong></p><p>সৃজনশীল ‘ক’ ও ‘খ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে— প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ, সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ, টাইটার, টাইট্রান্ড, প্রমাণ দ্রবণ, টাইট্রেশন, নির্দেশক, বিভিন্ন নির্দেশকের নির্বাচন, মোলার দ্রবণ, সেমি, ডেসি মোলার দ্রবণ, প্রশমন বিন্দু, শেষ বিন্দু, বিয়ার ল্যাম্বার্ট সূত্র, জারক, বিজারক, জারণ সংখ্যা, জারণ সংখ্যা নির্ণয়।</p><p>সৃজনশীল ‘গ’ ও ‘ঘ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে–</p><p>১. দ্রবণের P<sup>H</sup> নির্ণয়।</p><p>২. মিশ্রিত দ্রবণের P<sup>H</sup> নির্ণয়।</p><p>৩. নির্দেশক নির্বাচন</p><p><strong>৪র্থ অধ্যায়</strong></p><p>সৃজনশীল ‘ক’ ও ‘খ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে— পরিবাহী, তড়িৎ বিশ্লেষণ, পরিবাহিতার প্রকারভেদ, তাপে ধাতুর পরিবাহিতা হ্রাসের কারণ, ফ্যারাডের সূত্র, তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক, রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক, তড়িৎ দ্বার, অ্যানোড-ক্যাথোড, ইলেক্ট্রোলাইট, দুর্বল তড়িৎ বিশ্লেষ্য, তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য, লবণ-সেতু ও এর ভূমিকা, তড়িৎ বিশ্লেষণ, রেডক্স বিক্রিয়া, আয়নসমূহের জারণ, বিজারণের তুলনা, ফুয়েল সেল, লিথিয়াম আয়ন ও লেড ব্যাটারির তুলনা, শুষ্ক কোষ, অর্ধ কোষ বিক্রিয়াসহ, কোষ বিক্রিয়াসমূহ, প্রাইমারি সেল, সেকেন্ডারি সেল।</p><p>সৃজনশীল ‘গ’ ও ‘ঘ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে—</p><p>১. তড়িৎদ্বারে জমাকৃত ধাতুর ভর ও পরমাণুর সংখ্যা নির্ণয়।</p><p>২. তড়িৎ প্রবাহের পর → দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়।</p><p>৩. তড়িৎচালক বলের মান নির্ণয়।</p><p>৪. কোন পাত্রে কোন ধাতু সংরক্ষণ করা যাবে (গাণিতিকভাবে প্রমাণ করতে হবে)।</p><p>৫. নার্নস্টের সমীকরণভিত্তিক অঙ্ক।</p><p>৬. হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের উপকারিতা।</p><p><strong>৫ম অধ্যায়</strong></p><p>সৃজনশীল ‘ক’ ও ‘খ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে— প্রাকৃতিক গ্যাস, এলপিজি, কয়লার প্রকারভেদ, এদের বৈশিষ্ট্য, কয়লার বিশুদ্ধতার মানদণ্ড, প্রডিউসার গ্যাস, ওয়াটার গ্যাস, উডগ্যাস, কাচের সংযুক্তি, অ্যানিলিং, কুলেট, মুলাইট, বিস্কুট ফায়ারিং, পোর্টল্যান্ড সিস্টেমের সংযুক্তি, জিপসাম, লেদার ট্যানিং, ন্যানো পার্টিক্যাল, কয়লাশিল্পের উপকারিতা ও অপকারিতা।</p><p>সৃজনশীল ‘গ’ ও ‘ঘ’ প্রশ্নের ক্ষেত্রে পড়বে—</p><p>১. অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদন।</p><p>২. অ্যামোনিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি।</p><p>৩. কাচের উৎপাদন ও শ্রেণিবিন্যাস।</p><p>৪. সিরামিকের উৎপাদন ও গ্লেজিং।</p><p>৫. কাগজ উৎপাদন, রিসাইক্লিংয়ের উৎপাদনের সময় পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব।</p><p>এসব সষ্ট অংশ রিভিশন দিলে সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি অংশের পরীক্ষা সহজ হবে।</p><ul><li><p><strong>তাপসী বণিক</strong>, সহযোগী অধ্যাপক<br>কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, ঢাকা</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>হরমুজ প্রণালিতে দুটি ট্যাংকারে বিস্ফোরণ-আগুন, অনিরাপদ অংশে যাওয়ার দাবি আইআরজিসির</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/zj3c6gxoim</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/zj3c6gxoim#comments</comments><guid isPermaLink="false">9434f293-24a7-4912-84dd-f53ee219f55b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:19:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:19:23.145Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আল–জাজিরা</atom:name><atom:uri>/api/author/1772923</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, যত দিন এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অপকর্ম চলতে থাকবে, তত দিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল বন্ধ রাখা হবে।]]></description><media:keywords>ইরান,হরমুজ প্রণালী,জাতিসংঘ,কাতার,যুদ্ধ</media:keywords><media:content height="413" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/yza9p0um/strait-of-Hormuz.avif" width="620"><media:title type="html"><![CDATA[ হরমুজ প্রণালিতে চলছে দুটি জাহাজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/yza9p0um/strait-of-Hormuz.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে ট্যাংকার দুটিতে বড় ধরনের আগুন লেগে যায়।</p><p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির ‘দক্ষিণঘেঁষা অনিরাপদ অংশ’ দিয়ে তেলের ট্যাংকার দুটি যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।</p><p>আইআরজিসির এ বিবৃতি প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি। এতে বলা হয়েছে, উদ্ধারকারী দলগুলো ট্যাংকার দুটিতে থাকা ক্রুদের উদ্ধার করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/187so1n0je">পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেও আলোচনা চলছে, জানাল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান</a></aside><p>সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পরিচালনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে আইআরজিসি। বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনীর দেওয়া ‘মিথ্যা তথ্যে’ ভরসা না করতে এবং ‘বিপজ্জনক হিসেবে উল্লেখ করা নৌপথ এড়িয়ে চলতে’ বলা হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নাবিকদের সুরক্ষায় এসব নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছে ইরান।</p><p>বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও বলেছে, যত দিন এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অপকর্ম চলতে থাকবে, তত দিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল বন্ধ রাখা হবে। এ অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেল-গ্যাস, এমনকি এক প্যাকেট রাসায়নিক সার বাইরে রপ্তানি করা হবে না।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে তাদের সোমবার রাতের ধারাবাহিক অভিযান শেষ করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী পণ্যবাহী জাহাজগুলোয় ইরানের হামলার সক্ষমতা মোকাবিলায় বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।</p><p>পোস্টে সেন্টকম বলেছে, ইরানের বিভিন্ন সামরিক কমান্ড কেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণকেন্দ্র এবং বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় আঘাত হানা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/2tgyuzu278">ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা হুতিদের</a></aside><h3>ক্ষতিপূরণ চায় কাতার</h3><p>জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদকে একাধিক চিঠি দিয়েছে কাতার। এসব চিঠিতে উপসাগরীয় দেশটি তাদের ওপর ইরানের বারবার চালানো হামলাগুলোর বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছে।</p><p>চিঠিগুলোয় ৭ জুলাই কাতারি ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’-এর ওপর ইরানের হামলা এবং ১২ জুলাই কাতারের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ রয়েছে। দোহা চিঠিতে জানিয়েছে, ১২ জুলাইয়ের হামলাটি তাদের সশস্ত্র বাহিনী প্রতিহত করেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/e22c95m7ug">ইরানের হামলায় কুয়েতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি শোধনাগারে আগুন, বেশ কয়েকজন আহত</a></aside><p>‘আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিধিমালা লঙ্ঘন’ করে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলেও চিঠিগুলোয় উল্লেখ করেছে কাতার। হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে দেশটি। সেই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এসব হামলায় প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার কাতারের রয়েছে।</p><p>এমন এক সময় কাতারের এসব চিঠির কথা সামনে এল, যখন হরমুজ প্রণালি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে রয়েছে। এ প্রণালিতে একের পর এক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/g2p9ua9j8i">যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা ইরানের </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3beqh8nn3y</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3beqh8nn3y#comments</comments><guid isPermaLink="false">906fae2b-b7f8-4f97-b92b-a88bd457c252</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:17:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:17:52.585Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সকালে বাড়িতে একটি লোহার মই বৃষ্টিতে ভিজে বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। ]]></description><media:keywords>মৃত্যু,চাঁপাইনবাবগঞ্জ,রাজশাহী বিভাগ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর</media:keywords><media:content height="281" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-01/5311b0a9-3e80-45d3-aaa1-602012f66e78/b.jfif" width="499"><media:title type="html"><![CDATA[ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-01/5311b0a9-3e80-45d3-aaa1-602012f66e78/b.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার বারঘোরিয়া-বাদুড়তলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>সদর থানার কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) খুরশিদা বেগম প্রথম আলোকে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।</p><p>এই তিনজন হলেন বাদুড়তলা এলাকার মোহাম্মদ ভিখুর স্ত্রী হাসিনা বেগম, হাসিনা বেগমের ভাতিজি আশা খাতুন ও তাঁর শিশুকন্যা মিম।</p><p>বারঘোরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ বলেন, সকালে বাড়িতে একটি লোহার মই বৃষ্টিতে ভিজে বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। ওই মই দিয়ে ওঠার সময় আশা খাতুন ও তাঁর মেয়ে মিম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে গেলে হাসিনা বেগমও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ফিফা প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে বিশ্বকাপে বলিউড সুন্দরী, দেখুন তাঁর ভাইরাল স্টেডিয়াম লুক আর ইয়ামালের মায়ের সঙ্গে সেলফি </title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/o4zycbzntj</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/o4zycbzntj#comments</comments><guid isPermaLink="false">ca782cc8-8330-4c27-a7aa-ac004ded5830</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:07:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:07:12.808Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সম্প্রতি ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোর আমন্ত্রণে বিশ্বকাপে গিয়েছেন তিনি। তাঁর হাই ফ্যাশন স্টেডিয়াম লুক আর ইয়ামালের মায়ের সঙ্গে সেলফি এখন ভাইরাল।]]></description><media:keywords>উর্বশী রউতেলা,জিয়ান্নি ইনফান্তিনো,গোল অ্যান্ড গ্ল্যাম ২০২৬</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ajlo2qf9/urvashi863.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ajlo2qf9/urvashi863.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পর্দায় দেখা না মিললেও বিভিন্ন গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে দেখা যায় এই বলিউড সুন্দরীকে নজর কাড়তে। কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফ্যাশন ইভেন্টে উপস্থিত হন উর্বশী রাউতেলা। সম্প্রতি ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আমন্ত্রণে বিশ্বকাপের এক ইভেন্টে নিউ ইয়র্কে গিয়েছেন তিনি। গালা ইভেন্টে ইনফান্তিনোর সঙ্গে ছবি তুলে ভাইরাল উর্বশী এখন। এরপর ফাইনাল খেলা দেখতে গিয়ে প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জার্সির সঙ্গে হাই ফ্যাশন লুকে আলোচনায় এসেছেন বলিউডের এই আন্তর্জাতিক আইকন। এদিকে স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে ভাইরাল এখন উর্বশী। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/t1id5na7/urvashirautela17845122513945097116313280665369719055.jpg" /><figcaption>উর্বশী রাউতেলা  বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখতে গিয়েছেন হাই ফ্যাশন লুকে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/e24luqt5/abhishek.media1784371898394391943022479777652243563637.heic" /><figcaption>ফিফা বিগ আর্ট ফেস্টিভ্যাল গালায় যোগ দিয়েছেন উর্বশী স্ট্র্যাপলেস, সিল্ভার কারুকাজ করা কালো গাউনে। সঙ্গে আছে কালো স্যুটে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো</figcaption></figure><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/Da-y0Oqv-iX/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/Da-y0Oqv-iX/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/Da-y0Oqv-iX/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by Filmymantra Media (@filmymantramedia)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/88tv9mg0/urvashirautela17845122513945097102530758885369719055.jpg" /><figcaption>প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জার্সি পরেই ফাইনাল দেখতে গিয়েছেন উর্বশী। তবে তা স্টাইলিং করেছেন তিনি ধূসর স্ট্রাকচার্ড করসেট দিয়ে। তাতে বেশ জমকালো কারুকাজ। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/vcnc0fu5/urvashirautela17845122513945097080661699071369719055.jpg" /><figcaption>সঙ্গে আছে শিমারি ধূসর ফিটেড প্যান্ট </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/vhb4bjs0/urvashirautela17845122513945097087464895222369719055-1.jpg" /><figcaption>পায়ে পরেছেন সিলভার সিকুইনের পয়েন্টেড পাম্পস </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/inxn8yvb/goatmenfashion1784551785394542753382700202948080876609.jpg" /><figcaption>হাতে ফ্র্যাংক মুলারের আইসড আউট লুকের ঘড়ি আর উজ্জ্বল হলুদ আর্মেস বারকিন ব্যাগের দাম আকাশছোঁয়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/k17pfbyt/urvashirautela17845122513945095923897812599369719055-1.jpg" /><figcaption>চেস্টনাট হাইলাইট করা খোলা চুল, ব্লু লেনস ও আইশ্যাডো আর হীরার স্টাডে সাজ সেরেছেন উর্বশী</figcaption></figure><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/Da-nIBVRWXs/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/Da-nIBVRWXs/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/Da-nIBVRWXs/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by Urvashi Rautela (@urvashirautela)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/c32pevm2/Screenshot-725d.png" /><figcaption>লামিনে ইয়ামালের মায়ের সঙ্গে সেলফি তুলে ভাইরাল এখন উর্বশী </figcaption></figure><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম ও ভিডিওর স্ক্রিনশট</p>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুরে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়েছেন আসামি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ilzypae6oy</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ilzypae6oy#comments</comments><guid isPermaLink="false">14fbf6db-b84f-4a8d-aa64-1599658830f7</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:02:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:02:34.307Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সম্রাটকে ধাওয়া করলেও আটক করতে পারেননি।]]></description><media:keywords>শ্রীপুর,গ্রেপ্তার,গাজীপুর,মামলা,ঢাকা বিভাগ,আসামি</media:keywords><media:content height="373" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-10/dz0reu4y/Jail.avif" width="622"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-10/dz0reu4y/Jail.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গাজীপুর জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন ডাকাতি মামলার এক আসামি। গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>পলাতক সম্রাট হোসেন (২৭) জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তাত্তাপাড়া গ্রামের দুলাল মণ্ডলের ছেলে। তবে তিনি গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার তারগাছ বড়বাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সদর মেট্রো থানার একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার সম্রাটকে সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে আদালতে হাজির করার জন্য হাজতখানা থেকে বের করা হয়। বিচারিক কার্যক্রমের জন্য এজলাসের দিকে নেওয়ার পথে তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।</p><p>দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সম্রাটকে ধাওয়া করলেও আটক করতে পারেননি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে পুলিশ।</p><p>গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সম্রাটের বিরুদ্ধে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা আছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দিল্লিতে নজিরবিহীন ছাত্র বিক্ষোভ: ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দোরগোড়ায় জনস্রোত</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/kbbxla0xw3</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/kbbxla0xw3#comments</comments><guid isPermaLink="false">da9c07bd-0a8f-4562-8c22-64b87a4a9ec8</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:01:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:01:43.427Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভারতের সংসদ ভবনের দোরগোড়ায় পৌঁছে যান হাজারো বিক্ষোভকারী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে।]]></description><media:keywords>লোকসভা,দিল্লি,শিক্ষার্থী,ককরোচ জনতা পার্টি,শিক্ষামন্ত্রী,পদত্যাগ</media:keywords><media:content height="639" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/p060kj5c/india-protest-3.avif" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা চলাকালে এক বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে কাঁদানে গ্যাসের শেল পাল্টা ছুড়ে মারছেন। নয়াদিল্লি, ভারত, ২০ জুলাই ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/p060kj5c/india-protest-3.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ও এর আশপাশে গতকাল সোমবার হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাঁদের এমন উপস্থিতিতে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা রীতিমতো অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।</p><p>কয়েক স্তরের ব্যারিকেড, তিন হাজারের মতো নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধের পরও নজিরবিহীন এ ছাত্র বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিশাল এ জনস্রোত পৌঁছে যায় সংসদ ভবনের দোরগোড়াতেও। পরে পুলিশ তাঁদের ওপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে।</p><p>দ্য হিন্দু পত্রিকার একজন প্রতিবেদক জানান, ‘নেতৃত্বহীন’ এই বিক্ষোভকারীরা যন্তর মন্তর থেকে রাইসিনা মার্গ হয়ে সংসদ ভবনের দিকে এগিয়ে যান। এ সময় পুলিশ তাঁদের তেমন কোনো বাধা দেয়নি। সংসদের দিকে যাওয়ার সব রাস্তা তখন বিক্ষোভকারীতে পরিপূর্ণ ছিল। গতকাল সংসদে বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিনই বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোতে থাকেন। একপর্যায়ে সংসদ প্রাঙ্গণ থেকে ১০০ মিটার দূরে বাস আড়াআড়ি করে রেখে পুলিশ তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করে।</p><p>সাম্প্রতিক নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। এর জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দেয় অনলাইনভিত্তিক যুব সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। তাদের ডাকে সাড়া দিয়েই এ বিশাল জনতা জড়ো হয়েছিল।</p><p>এর আগে বিক্ষোভের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেন অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ১৮ জুলাই ভোরে সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে জোর করে তুলে দেয়। ২০ দিন ধরে অনশন করছিলেন তিনি। এ ঘটনা সম্ভবত বিক্ষোভে নতুন মাত্রা যোগ করে। তাঁর প্রতি সংহতি জানিয়ে শত শত মানুষ এ আন্দোলনে যোগ দিতে শুরু করেন।</p><blockquote>সংসদের ভেতরেও এনডিএ সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যে একটি বৈঠক প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে।</blockquote><p><strong>জোরালো হচ্ছে বিক্ষোভ, নমনীয় সরকার</strong></p><p>গত রোববার সন্ধ্যায় গোয়েন্দা সূত্রগুলো সরকারকে জানায়, বিক্ষোভস্থলে লোকসমাগম বাড়ছে। এরপরই নয়াদিল্লির উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) শচীন শর্মার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সিজেপি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেন্দ্রীয় সরকার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/bpwo1s9y/india-protest-2.avif" /><figcaption>ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থকদের বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ছেন আরএএফের এক সদস্য। নয়াদিল্লি, ভারত, ২০ জুলাই ২০২৬</figcaption></figure><p>সিজেপি সদস্য সৌরভ দাস বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় ডিসিপি প্রথমে আমাদের কাছে আসেন। তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে আমাদের বৈঠকের প্রস্তাব দেন।’</p><p>সৌরভ দাস আরও বলেন, ‘আমরা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। এরপর আজ সকালে তাঁরা একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং পরে একজন কেন্দ্রীয় সচিবের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেন। আমরা তা–ও নাকচ করি। তখন ডিসিপি জানতে চান, আমরা আসলে কী চাই। আমরা জানাই, আমাদের একটি প্রতিনিধিদল শুধু কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের সঙ্গেই দেখা করবে। এরপর তাঁরা সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নামের একটি তালিকা চান। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা আমাদের সঙ্গে দেখা করেছেন।’</p><aside><cite>নীতীশ, উত্তর প্রদেশের আজমগড় থেকে যোগ দেওয়া বিক্ষোভকারী</cite>প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য সরকারকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।</aside><p>বিক্ষোভের তীব্রতা দেখে ও আন্দোলনকারীরা সংসদ ভবনের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় সরকার নড়েচড়ে বসে। সিজেপি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডাকে দায়িত্ব দেয়। বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে প্রথমবারের মতো বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব আসে। বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে আমাদের আলোচনা চলছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/ej04uecy/india-protest-1.avif" /><figcaption>পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থকদের আয়োজিত বিক্ষোভে পুলিশ এক নারী বিক্ষোভকারীকে আটক করছে। আহমেদাবাদ, ভারত, ২০ জুলাই ২০২৬</figcaption></figure><p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘খুব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। তাঁদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রথমে বিস্তারিত মৌখিক আলোচনা হয়। পরে বিকেলে তাঁরা একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আমি বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানিয়েছি। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনকে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছি।’</p><p>সংসদের ভেতরেও এনডিএ সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যে একটি বৈঠক প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে।</p><p>বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের কিছু জানানো হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এর জেরে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালও অল্প সময়ের জন্য অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন। তবে একই বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/4cbzt16s/india-protest-4.avif" /><figcaption>বিক্ষোভস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠি চালাচ্ছেন। যন্তর মন্তরের কাছে, নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই ২০২৬</figcaption></figure><p>সরকারি এক কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ না করতে পুলিশকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা যখন ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে এগোতে থাকেন, তখন পুলিশ প্রথমে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। পরে লাঠিপেটা করে। এ সময় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।</p><p>ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর মদদে বিক্ষোভস্থলে বিপুলসংখ্যক লোক জড়ো হয়েছিলেন। এর মধ্যে চন্দ্রশেখর আজাদের আজাদ সমাজ পার্টি (কাশিরাম), আম আদমি পার্টি ও সমাজবাদী পার্টি রয়েছে।</p><p>কর্মকর্তা আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী দিল্লির বাইরে থেকে এসেছিলেন। বিশেষ করে রাজস্থান থেকে বিপুল মানুষ অংশ নেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/2otfqpzo/india-protest-5.avif" /><figcaption>বিক্ষোভস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করছেন। যন্তর মন্তরের কাছে, নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই ২০২৬</figcaption></figure><p>গতকাল সকালে উত্তর প্রদেশের আজমগড় থেকে আসেন পুলিশে চাকরিপ্রত্যাশী নীতীশ। তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য সরকারকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।’ কীভাবে তিনি সংসদের এত কাছাকাছি পৌঁছালেন এবং পুলিশ তাঁদের বাধা দিয়েছিল কি না, জানতে চাইলে বলেন, ‘প্রথম ব্যারিকেড ভাঙার পর আমরা শুধু হেঁটেই গেছি। কেউ আমাদের আটকায়নি।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>পাঁচ দেশ থেকেই আসে প্রবাসী আয়ের ৬২%, শীর্ষে সৌদি আরব </title><link>https://www.prothomalo.com/business/bank/67hczhhsp2</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/bank/67hczhhsp2#comments</comments><guid isPermaLink="false">bcd46d8c-85a5-42ec-ba4f-f04b31896b6b</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ব্যাংক,বাংলাদেশ ব্যাংক,যুক্তরাজ্য,সৌদি আরব,প্রবাসী আয়</media:keywords><media:content height="512" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-07/4a70221d-f269-45a1-bfd9-a5375950acf7/dollar.webp" width="768"><media:title type="html"><![CDATA[ মার্কিন ডলার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-07/4a70221d-f269-45a1-bfd9-a5375950acf7/dollar.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ব্যাংক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>— প্রবাসী আয়ের শীর্ষ পাঁচ উৎস—সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।<br>— টানা ১০ মাস সৌদি আরব শীর্ষে থাকলেও মে মাসে শীর্ষে উঠে আসে যুক্তরাজ্য।</p><p>বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় এসেছে, তার প্রায় ৬২ শতাংশেরই উৎস হলো পাঁচটি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে—সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। মূলত এসব দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী ও প্রবাসী বসবাস করায় এগুলো থেকে প্রবাসী আয়ের বড় অংশ আসছে।</p><p> বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা মোট ৩ হাজার ২৭৭ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি দেশ থেকেই এসেছে ২ হাজার ২৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬২ শতাংশ।</p><p>তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে সর্বোচ্চ ৫২৭ কোটি ৯৭ লাখ ডলার এসেছে সৌদি আরব থেকে, যা মোট আয়ের ১৬ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার আসে যুক্তরাজ্য থেকে। এ তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ৪২৭ কোটি ৮২ লাখ ডলার নিয়ে তৃতীয়, ৩২২ কোটি ডলার নিয়ে মালয়েশিয়া চতুর্থ এবং ২৭৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।</p><p>এর বাইরে ওমান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর ও ইতালি থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। এ ৬ দেশ থেকে ১১ মাসে এসেছে প্রায় ৮৮৯ কোটি ডলার, যা মোট প্রবাসী আয়ের ২৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে ১১টি দেশ থেকে।</p><p>শুধু মে মাসের হিসাবেও রেমিট্যান্স–প্রবাহ ছিল উল্লেখযোগ্য। ওই মাসে প্রবাসীরা মোট ৩৪৪ কোটি ২৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৫ কোটি ৯ লাখ ডলার এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এসেছে সৌদি আরব থেকে। আর ৪৬ কোটি ৮১ লাখ ডলার নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিল ইউএই।</p><p>গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের মধ্যে ১০ মাসই এককভাবে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস ছিল সৌদি আরব। তবে মে মাসে সৌদিকে ছাড়িয়ে যায় যুক্তরাজ্য। অর্থবছরের শুরুতে, অর্থাৎ গত বছরের জুলাই মাসে যুক্তরাজ্য থেকে ২৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। পরে তা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে মে মাসে ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫ কোটি ডলারে পৌঁছায়। জুন মাসের রেমিট্যান্সের তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>সরকার প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে আয় পাঠাতে উৎসাহ দিয়ে আসছে। এ জন্য ব্যাংকিং মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এতে হুন্ডির মতো অবৈধ মাধ্যম নিরুৎসাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে প্রবাসী আয়প্রবাহে।</p><p>তবে আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ মাত্র পাঁচটি দেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়া অর্থনৈতিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল। তাঁদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় অদক্ষ ও আধা দক্ষ শ্রমিক বেশি থাকায় সেখানকার রেমিট্যান্স সব সময় স্থিতিশীল থাকে না। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান তুলনামূলক শক্ত হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি স্থিতিশীলভাবে আসে।</p><p>বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধান এই পাঁচ দেশের অর্থনৈতিক নীতি, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বা শ্রমবাজারে বড় পরিবর্তন এলে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। তাই নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া ও দূরপ্রাচ্যের নতুন শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মানুষের লেনদেনের অভ্যাস বদলে দিয়েছে বিকাশ</title><link>https://www.prothomalo.com/business/bank/jleq97d277</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/bank/jleq97d277#comments</comments><guid isPermaLink="false">0a0106b6-226a-4170-8c6a-17e810a36922</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সানাউল্লাহ সাকিব</atom:name><atom:uri>/api/author/1258745</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকটির গ্রাহক তিন কোটির কিছু বেশি। এমনকি দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা গত জুন শেষে ছিল ৮ কোটি ৬৩ লাখ।]]></description><media:keywords>ব্যাংক,লেনদেন,বাণিজ্য,বিকাশ</media:keywords><category>ব্যাংক</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/riahabhl/Bikash.jpg" /></figure><p>প্রতিষ্ঠার ১৫ বছরে প্রায় ৮ কোটি গ্রাহক। প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২৭৭ বার ও প্রতি মিনিটে ২ কোটি টাকার বেশি লেনদেন। বিদায়ী বছরে নিট মুনাফা ৬৬১ কোটি টাকা। এ যেন এক ফিনটেক (আর্থিক প্রযুক্তি) বিপ্লবের গল্প। তবে এটি গল্প নয়, সত্যি। আর্থিক খাতে এই বৈপ্লবিক রূপান্তর এনেছে মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) ‘বিকাশ’।</p><p> প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির যত গ্রাহক হয়েছে, দেশের একক কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এর অর্ধেক গ্রাহকও নেই। দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকটির গ্রাহক তিন কোটির কিছু বেশি। এমনকি দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা গত জুন শেষে ছিল ৮ কোটি ৬৩ লাখ। মুঠোফোনের ক্ষেত্রে একজন গ্রাহকের একাধিক সিম ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বিকাশের গ্রাহক ইউনিক। অর্থাৎ একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একটিই হিসাব। সেই হিসাবে ইউনিক গ্রাহক বিবেচনায় গ্রামীণফোনের চেয়েও বিকাশের গ্রাহক সংখ্যা বেশি।</p><p>বিকাশের গ্রাহক হলে এক অ্যাপে আর্থিক লেনদেনের শত সুবিধা পান গ্রাহকেরা। আবার ব্যাংক হিসাব খুলতে গেলে টাকা লাগে। সেখানে বিকাশে হিসাব খুলতে কোনো মাশুল দিতে হয় না। শুধু একটি স্মার্টফোন বা বাটন ফোনই হিসাব খোলার জন্য যথেষ্ট। ফলে শহর-গ্রাম, ধনী-গরিব, ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে সবাই বিকাশের গ্রাহক। দৈনন্দিন জীবনযাপনে নগদ টাকার বিকল্প হয়ে উঠেছে মুঠোফোন ও বিকাশ যেন এখন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে।</p><p>প্রযুক্তিভিত্তিক আর্থিক সেবাদাতা এই প্রতিষ্ঠান ২০১১ সালে যখন যাত্রা শুরু করে, তখন মুঠোফোনে টাকা পাঠানো ছিল অবিশ্বাস্য ধারণা। ব্যাংকের বাইরে তখন এ দেশের মানুষের কাছে টাকা পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম ছিল কুরিয়ার সেবা বা ডাকঘর। তাতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা পৌঁছাতে সময় লাগত কয়েক দিন। এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধে বা ব্যাংকে আমানত জমা করতে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হতো। সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে দিয়েছে বিকাশ। ২০০টির বেশি সেবা পাওয়া যায় এখন মুঠোফোনে বিকাশের অ্যাপে। এ কারণে এটি এখন দেশের প্রধান ‘সুপার অ্যাপ’। শুধু আর্থিক সেবা নয়, অ্যাপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকেরা তাৎক্ষণিক পাচ্ছেন অতি ক্ষুদ্রঋণ। এই ঋণসেবা চালুর পর থেকে ৩৫ লাখ গ্রাহক এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন। গড়ে প্রতিদিন ঋণ পাচ্ছেন এক লাখ মানুষ। পাশাপাশি সঞ্চয়ও করতে পারছেন বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে। সব মিলিয়ে বিকাশ এখন দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে।</p><p>অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান আনিস এ খান প্রথম আলোকে বলেন, একজন রিকশাচালক দিনভর পরিশ্রম করে সন্ধ্যায় পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে পারেন। ফলে মানুষের অনেক উন্নতি হয়েছে। নগদ টাকার চাহিদা মিটিয়ে বিকাশ সবার ঘরে ঘরে প্রবেশ করেছে৷ এটা বাংলাদেশের জন্য যুগান্তকারী ঘটনা। </p><p>আনিস এ খান আরও বলেন, বিকাশ আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, বাংলাদেশের মানুষের উপকার হচ্ছে। আশা করি, সামনের দিনে বিকাশের মাধ্যমে মানুষের উপকার করার মতো সুবিধা আসবে। এতে বাংলাদেশের আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। </p><p>গত ১৫ বছরে প্রতিষ্ঠানটির অর্জন নিয়ে বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর প্রথম আলোকে বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে মানুষ তাঁর প্রয়োজনীয় ডিজিটাল লেনদেন বিকাশ দিয়ে করতে পারছেন। বিশাল জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন লেনদেনে সক্ষম ও স্বাধীন করে তোলা বিকাশের বড় অর্জন।</p><p>কামাল কাদীর আরও বলেন, ক্যাশলেস বা নগদবিহীন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরিতে ভূমিকা রাখছে বিকাশ। ফলে সব শ্রেণির গ্রাহকের লেনদেন ব্যবস্থাপনায় বিকাশ হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় আস্থার মাধ্যম।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্র্যাক ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশনের যৌথ উদ্যোগে ২০১১ সালের ২১ জুলাই যাত্রা শুরু করে বিকাশ। সূচনা পর্বে কর্মী ছিলেন মাত্র ৩৭ জন, আর সেবা ছিল তিনটি—ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট ও সেন্ড মানি। এখন কর্মী সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি। আর প্রায় ৮ কোটি ৪০ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহকের এক বিশাল পরিবার, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। শুরুর কয়েক বছরের লোকসানে চলা প্রতিষ্ঠানটি এখন বড় অঙ্কের মুনাফা করা প্রতিষ্ঠান। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গত বছর মুনাফা অর্জনকারী শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের একটি বিকাশ।</p><p>আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিকাশের বড় সাফল্য ব্যাংকিং সেবাকে সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দেওয়া। দেশের আনাচকানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার এজেন্ট কাজ করছেন ‘হিউম্যান এটিএম’ হিসেবে। বিকাশের মাধ্যমে প্রবাসী আয় ও শহরের টাকা সহজে গ্রামে পৌঁছানোয় চাঙা হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। তৈরি পোশাক খাতের ১ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এখন বিকাশের মাধ্যমে বেতন পাচ্ছেন, যাঁদের ৬০ শতাংশই নারী। এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর সরকারি ভাতাও যাচ্ছে বিকাশে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ লাখ গ্রাহক বিকাশের মাধ্যমে ডিপিএস ও সঞ্চয় হিসাব খুলেছেন।</p><p>দেশীয় জনবলের ওপর নির্ভর প্রতিষ্ঠানটি এখন আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এটির মালিকানায় রয়েছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিষ্ঠান আইএফসি, যুক্তরাষ্ট্রের গেটস ফাউন্ডেশন, চীনের আলিবাবা গ্রুপের মালিকানাধীন অ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল ও জাপানের সফটব্যাংক। বিকাশে তাদের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৩৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।</p><p>আর্থিক খাতে বিকাশের অন্তর্ভুক্তির প্রভাব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনুসর প্রথম আলোকে বলেন, গত ১৫ বছরে এমএফএস খাতে বিকাশ খুবই ভালো করেছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে বিকাশ যতটা বিকশিত হয়েছে, খাতটি ততটি হয়নি। বিকাশের মতো প্রতিষ্ঠান থাকার পরও আমাদের দেশে নগদ অর্থের ব্যবহার বাড়ছে। খুব ভালো হতো আমরা যদি বিকাশের মতো চার–পাঁচটি ভালো প্রতিষ্ঠান এই খাতে দাঁড় করাতে পারতাম। কিন্তু আমাদের নিয়ন্ত্রক ব্যর্থতা ও পরিকল্পনার অভাবে সেটি হয়নি। ১৫ বছরে বিকাশের অনেক সাফল্যের পরও বড় ব্যর্থতা এখনো এই খাতের লেনদেনের বড় অংশ এজেন্টনির্ভর ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট। বিকাশের উচিত এখন তাদের লেনদেনকে পুরোপুরি মার্চেন্ট অ্যাকুজিশনে রূপান্তর করা, যাতে নগদ লেনদেন কমে আসে। </p>]]></content:encoded></item><item><title>ঝরনা দেখতে এসে বৃষ্টিতে দুর্গম পাহাড়ে আটকা, চার বন্ধুর রুদ্ধশ্বাস ৯ দিন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/z1wvmcbio4</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/z1wvmcbio4#comments</comments><guid isPermaLink="false">ff1b0f44-9d6f-4c7d-bfbc-1872804f89a4</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পার্বত্য চট্টগ্রাম,বান্দরবান,পর্যটন স্পট,পর্যটন,চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ,পর্যটক</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/x61cmedv/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-8.17.24-PM.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ বৃষ্টিতে দুর্গম পাহাড়ে আটকে পড়া চার বন্ধু। পেছনের জুমঘরটিতে এক সপ্তাহ কেটেছে তাঁদের। বান্দরবানের থানচির দুর্গম  থুইসাপাড়ায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/x61cmedv/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-8.17.24-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কলেজের ছুটিতে ঢাকা থেকে বান্দরবানের নাফাখুম ও অমিয়াখুম ঝরনা দেখতে গিয়ে টানা ভারী বৃষ্টিতে দুর্গম পাহাড়ে ৯ দিন আটকা পড়েন চার বন্ধু—আবু হুরায়রা, মারুফ উদ্দিন, তামিম রায়হান ও মাহাদি আল মাহবুব। ৪ জুলাই অমিয়াখুমে যাওয়ার পথে থুইসাপাড়ায় বৃষ্টিতে ফেরার পথ ডুবে গেলে তাঁরা স্থানীয় এক পাহাড়ি পরিবারের জুমঘরে আশ্রয় নেন। কে জানত সেখানেই থাকতে হবে টানা সাত দিন। এরপর বিজিবির সহায়তায় দুর্গম ফিরতি পথে কাটে আরও দুই দিন। রুদ্ধশ্বাস এই ৯ দিনের গল্প বলেছেন চার বন্ধুর একজন।</p><p>বিপৎসংকুল, দুর্গম পাহাড়ি ট্রেইল ধরে ঝরনা দেখতে যাচ্ছিলেন চার তরুণ। ঘন জঙ্গলে ঢাকা পথ। যাওয়ার পথটাও পিচ্ছিল। এর মধ্যে হঠাৎ শুরু হয় ভারী বৃষ্টি। এমন বৃষ্টিতে ওই পথে যাওয়া অসম্ভব। ফিরে যাবেন—সেই উপায়ও নেই। ভারী বৃষ্টিতে চোখের সামনেই ডুবে গেল ফিরে যাওয়ার পথটাও। এ অবস্থায় সঙ্গী পাহাড়ি গাইড একটা উপায় বের করলেন। পাশের পাড়ায় তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়ি আছে। সেখানে আপাতত আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। গাইডের কথামতো চার তরুণ সেখানে আশ্রয় নিলেন। মুঠোফোনের নেটওয়ার্কবিহীন সেই দুর্গম এলাকা থেকে খুব দ্রুত লোকালয়ে ফিরে বাড়ির পথ ধরবেন বলে ভেবেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কে জানত, বৃষ্টি ক্রমাগত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলতে থাকবে আর দুর্গম পাহাড়ে তাঁরা চার বন্ধু আটকা পড়ে যাবেন।</p><p>পাহাড়ে আটকে পড়া চার তরুণ আবু হুরায়রা (১৮), মারুফ উদ্দিন (১৯), তামিম রায়হান (১৯) ও মাহাদি আল মাহবুব (১৮) কলেজের ছুটিতে ঢাকা থেকে বেড়াতে এসেছিলেন বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুম ও অমিয়াখুম ঝরনায়। নাফাখুম দেখে আরও গহিনে অমিয়াখুম দেখতে যাওয়ার পথে আটকা পড়েন তাঁরা। দ্রুত ফেরার কথা থাকলেওে সে যাত্রায় ৯ দিন পাহাড়ে আটকে থাকতে হয় তাঁদের। এর মধ্যে একটি জুমঘরেই কাটাতে হয় সাত দিন। মুঠোফোন নেটওয়ার্ক না থাকায় বেঁচে আছেন—এ খবরও প্রথম দিকে পরিবারকে জানাতে পারেননি। তবে পাহাড়ি লোকজনের আতিথেয়তার ঘাটতি ছিল না এতটুকু।</p><p>রুদ্ধশ্বাস সেই ৯ দিন কেমন কেটেছে, সেই বিবরণ প্রথম আলোর কাছে তুলে ধরেন চার তরুণের একজন আবু হুরায়রা। হুরায়রা ও তাঁর তিন বন্ধু ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে একসঙ্গে পড়েছেন। তবে এখন পড়ছেন ভিন্ন ভিন্ন কলেজে। হুরায়রা ও মারুফ সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজেই রয়ে গেছেন আর তামিম নটর ডেম এবং মাহাদি উদয়ন সরকারি কলেজে পড়ছেন। চার বন্ধু ২ জুলাই বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় জলপ্রপাত নাফাখুমের উদ্দেশে রওনা দেন। এর অবস্থান বান্দরবান সদর থেকে ১১৮ কিলোমিটার দূরে। এই পর্যটনকেন্দ্রে যেতে প্রথমে নদীপথ, পরে কয়েক ঘণ্টা দুর্গম পাহাড়ি পথ হেঁটে পাড়ি দিতে হয়। বর্ষাকালে পথটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। পাহাড়ি ঢলে চলার পথ পিচ্ছিল হয়ে যায়। ট্যুর গাইডের সহায়তায় ৩ জুলাই দুপুরে তাঁরা সেখানে পৌঁছান। এরপর ৪ জুলাই বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা আটকা পড়েন। দীর্ঘ ৯ দিন আটকা থাকার পর ১৩ জুলাই তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।</p><aside><cite>আবু হুরায়রা, শিক্ষার্থী, সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা</cite>‘স্থানীয় বাসিন্দা আর বিজিবি সদস্যদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা না থাকলে আমরা হয়তো আজ নিরাপদে ফিরতে পারতাম না। আমাদের চার বন্ধুর স্মৃতিতে বান্দরবানের এই ৯টি দিন চিরকাল থেকে যাবে।’</aside><p><strong>বৃষ্টিতে জুমঘরে</strong></p><p>চার বন্ধু ৩ জুলাই নাফাখুম ঘুরে থানচিতে ফিরে আসেন। সেখানে একটি রিসোর্টে রাত কাটান। পরিকল্পনা অনুযায়ী পরদিন ৪ জুলাই সকালে স্থানীয় গাইড শিমন খিয়াংকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দেন অমিয়াখুম জলপ্রপাতের উদ্দেশে। এর অবস্থান নাফাখুম থেকে আরও গহিনে। সেখান থেকে অন্তত আড়াই ঘণ্টা পাহাড়ি পথ হেঁটে আমিয়াখুমে যেতে হয়।</p><p>তবে সেখানে আর তাঁরা পৌঁছাতে পারেননি। ওই দিন বিকেলেই শুরু হয় টানা অতিভারী বর্ষণ। এ কারণে পথে থুইসাপাড়ায় এলাকায় তাঁরা আটকা পড়েন। ওই পাড়ায় ট্যুর গাইড শিমনের পরিচিত এক পাহাড়ি পরিবারে আশ্রয় নেন তাঁরা। রাতটা সেখানেই কাটান। পরদিন বৃষ্টি থামবে আশা করেছিলেন। তবে উল্টো বৃষ্টি আরও বেড়ে যায়। পাহাড়ি ঢলে ডুবে যায় আশপাশের এলাকা। আমিয়াখুমে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে হয় তাঁদের। কিন্তু ফেরারও কোনো উপায় নেই। কারণ, তাঁদের ফেরার পথও পানির নিচে ততক্ষণে তলিয়ে গেছে। চারদিক থেকে একরকম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন চার তরুণ। থুইসাপাড়ার বাঁশের মাচাংয়ের ঘরেই থাকতে হয় তাঁদের। বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক—এসব না থাকায় প্রথমবারের মতো অনুভব করেন, তাঁরা একেবারেই বিচ্ছিন্ন। আর সময়ও যেন অনেক মন্থর হয়ে পড়েছে।</p><p>আটকে থাকা দিনগুলোতে তাই একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁদের। একদিকে অনিশ্চিয়তা, অন্যদিকে নীরব আর বন্য পাহাড়ি প্রান্তর দেখার বিস্ময়বোধ। খুব কাছ থেকে দেখা হয় পাহাড়ি সহজ-সরল জনগোষ্ঠীর সংগ্রামমুখর জীবন। এ সময় পাহাড়ি লোকজনের যে আতিথেয়তা পেয়েছেন, তা ভুলতে পারবেন না তাঁরা। তবে বাইরে কী ঘটছে, তা জানার কোনো উপায় ছিল না। ৭ জুলাই গাইডের কাছ থেকে বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও বন্যার খবর শোনার পর তাঁদের উদ্বেগ আরও বাড়তে থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/mjlie3ou/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-8.20.25-PM.jpeg" /><figcaption>দুর্গম পাহাড়ি পাড়াটিতে ছিল না কোনো মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক। বান্দরবানের থানচির দুর্গম  থুইসাপাড়ায়</figcaption></figure><p><strong>আমরা বেঁচে আছি</strong></p><p>আটকে থাকার এক পর্যায়ে চারজন জানতে পারেন, কাছের জিন্নাপাড়া এলাকায় একটি ব্যক্তিগত স্টারলিংক ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। ৬ ও ৮ জুলাই হুরায়রা ও মাহাদি দুই দফায় সেখানে যান। সেখান থেকেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যোগাযোগ করেন। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল দিয়ে শুধু জানান, ‘আমরা বেঁচে আছি, থুইসাপাড়ায় আটকে পড়েছি।’</p><p>প্রায় পাঁচ দিন আটকে থাকার পর ট্যুর গাইডের মাধ্যমে জানতে পারেন, থুইসাপাড়াতেই বিজিবির ক্যাম্প রয়েছে। গাইডের পরামর্শে ৯ জুলাই সকাল আটটায় আবু হুরায়রা ও মাহাদি আল মাহবুব সেখানে যান। পরে তাঁরা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে পরিস্থিতি জানান। বৃষ্টি বেশি থাকায় বিজিবি সদস্যরা তাঁদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেন। পরদিন আবার ক্যাম্পে গেলে তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হয়। বিজিবি সদস্যরা তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে উদ্ধার অভিযান চালানো হবে। এতে চার বন্ধু কিছুটা স্বস্তি ফিরে পান।</p><p>তবে শঙ্কা তখনো কাটেনি। এর মধ্যেই নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়। পাশের একটি ১৪ সদস্যের পর্যটক দল ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার খবর তখন থুইসাপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিজিবির মাধ্যমে জানতে পারেন, দলটি নিরাপদে থানচিতে পৌঁছেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/u059066n/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-8.23.08-PM.jpeg" /><figcaption>আটকে পড়া চার বন্ধু ঢাকার বাসিন্দা। সবাই থাকেন পুরান ঢাকায়। কলেজের ছুটিতে বান্দরবান বেড়াতে এসেছিলেন তাঁরা</figcaption></figure><p>টানা বৈরী আবহাওয়ার কারণে শুরুতে উদ্ধার অভিযান সম্ভব হয়নি। চার বন্ধুর কেউই সাঁতার জানতেন না, পাহাড়ে চলাচলেরও অভিজ্ঞতা ছিল না। অবশেষে ১১ জুলাই আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে ১০ সদস্যের বিজিবি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে।</p><p>মূল পথ পানির নিচে থাকায় বিকল্প দুর্গম পথে এগোতে হয় উদ্ধারকারী দলকে। ভূমিধস, খাড়া পাহাড়ি ঢাল ও উত্তাল নদী পার হতে হয়েছে তাঁদের। কোথাও হাত ধরে, কোথাও বিজিবির সদস্যদের সহায়তায়, আবার কোথাও জঙ্গল কেটে নতুন পথ তৈরি করে এগিয়ে যেতে হয়। প্রথম দিনের অভিযান শেষে একটি পাহাড়ি পাড়ায় রাত কাটানোর পর ১২ জুলাই আবার যাত্রা শুরু হয়। সারা দিন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তাঁরা থানচির সাকা হাফং-সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে বিজিবির গাড়িতে থানচিতে ফেরেন। পথে দীর্ঘ ৯ দিন পর আবার মোবাইল নেটওয়ার্ক পান তাঁরা।</p><p>১৩ জুলাই বিজিবির নির্দেশনা অনুযায়ী আলীকদম ও চকরিয়া হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন চার বন্ধু। তাঁরা জানান, স্থানীয় গাইড থুইসাপাড়ার বাসিন্দা হওয়ায় খাবারের সংকটে পড়তে হয়নি তাঁদের। স্থানীয় পরিবারের দেওয়া ভাত, ডাল ও পাহাড়ি খাবারেই কেটেছে তাঁদের দিন। পাহাড়ি পাড়ার কেউ তাঁদের থেকে থাকা ও খাওয়ার টাকা নেননি।</p><p>চার বন্ধুর সবাই এখন সুস্থ রয়েছেন। তবে এখনো মানসিকভাবে তাঁরা স্বাভাবিক হতে পারেননি। তাই চার বন্ধুর তিনজনকেই পরিবার থেকে এসব বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে কথা না বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে আবু হুরায়রা প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুরুতে এটি ছিল সাধারণ এক ভ্রমণ। কিন্তু টানা বৃষ্টি আর যোগাযোগহীনতা ওটাকে জীবনের অন্যতম ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় রূপ দিয়েছিল। তবে স্থানীয় বাসিন্দা আর বিজিবি সদস্যদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা না থাকলে আমরা হয়তো আজ নিরাপদে ফিরতে পারতাম না। আমাদের চার বন্ধুর স্মৃতিতে বান্দরবানের এই ৯টি দিন চিরকাল থেকে যাবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/gn36ykkw/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-8.24.46-PM.jpeg" /><figcaption>বিজিবি, গাইড ও স্থানীয়দের সহায়তায় খরস্রোতা ঝরনা দিয়ে পার করানো হচ্ছে তরুণদের</figcaption></figure><p>থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘থানচিতে আসা চার পর্যটকের তথ্য থানায় নিবন্ধিত ছিল। টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর স্রোত তীব্র ছিল। এ কারণে তাঁরা ফেরত আসতে পারছিলেন না। আর সব সময় পুলিশের পক্ষে সেখানে যাওয়াও সম্ভব হয় না। ওই এলাকায় বিজিবির একাধিক ক্যাম্প থাকায় উদ্ধারকাজে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে ধাপে ধাপে তাঁদের উদ্ধার করে নিরাপদে থানচিতে আনা হয়।’</p><p>থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টির কারণে এখানে নদীর পানি বেড়ে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয়েছিল। এ কারণে চার পর্যটককে তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে আনা যায়নি। পরে জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রীর নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন ও ৩৮ বিজিবির সমন্বয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।</p><p>মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, ‘উদ্ধার অভিযানে ৩৮ বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গাইড শিমন খিয়াং ও কয়েকজন পাড়াবাসীর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গাইড শিমন ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পার করানো, নতুন পথ খুঁজে বের করা এবং চার পর্যটককে নিরাপদে এগিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি ও স্থানীয়দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>ভালুকায় হামলা–মামলা ও দখলের চেষ্টায় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনের নাম</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q24o5f2v8x</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q24o5f2v8x#comments</comments><guid isPermaLink="false">1ed9b3ee-b575-4ca5-9f58-fd03df8f08b5</guid><pubDate>Tue, 21 Jul 2026 01:45:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-21T01:45:11.526Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মোস্তাফিজুর রহমান</atom:name><atom:uri>/api/author/1448486</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অভিযোগ নিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, ‘এখানে যাঁরা বলছেন যে আমার লোক, এটা একটা দুষ্ট চক্রের ইন্ধন।’]]></description><media:keywords>ভালুকা,ময়মনসিংহ,ময়মনসিংহ বিভাগ,সংসদ সদস্য,বিএনপি</media:keywords><media:content height="912" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/pbccauj2/Fakhr-Uddin-Ahmed-Bachchu.jpg" width="1368"><media:title type="html"><![CDATA[ ফখর উদ্দিন আহমেদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/pbccauj2/Fakhr-Uddin-Ahmed-Bachchu.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর ময়মনসিংহের ভালুকার বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা ও চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় বিএনপির নেতা ফখর উদ্দিন আহমেদ ওরফে বাচ্চুর বিরুদ্ধে। তখন দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিব।</p><p>তবে বছরখানেকের মধ্যে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি পান ফখর উদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ময়মনসিংহ-১১ আসন (ভালুকা উপজেলা) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-18/hj769b4m/2.avif" /><figcaption>সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু</figcaption></figure><p>এখন ফখর উদ্দিন আহমেদ ভালুকা উপজেলা বিএনপিরও আহ্বায়ক। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে দলীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলা–মামলা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নাম আসছে ফখর উদ্দিনের।</p><p>দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নানা ধরনের অনৈতিক অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনকে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে গত শনিবার (১৮ জুলাই) শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই নোটিশে ফখর উদ্দিনের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে গত ১৪ জুন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভালুকা উপজেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরীফ হাসান। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনের নির্দেশে ১৩ জুন উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলনে অংশ নিতে গেলে তাঁদের ওপর হামলা চালান সংসদ সদস্যের অনুসারীরা।</p><blockquote>সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে দলীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলা–মামলা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নাম আসছে ফখর উদ্দিনের।</blockquote><p>প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ওই অভিযোগে বলা হয়, সংসদ নির্বাচনের পর থেকে ফখর উদ্দিন আহমেদ একক সাম্রাজ্য বিস্তার করতে চাইছেন। মতের অমিল হলেই বিগত দিনের পরীক্ষিত দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্নভাবে হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া দলীয় নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও হয়রানি করছেন তিনি।</p><p>সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা ছাত্রদলের নেতা শরীফ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম করা যায় না। হামলার ভয়ে মন খুলে আড্ডা দেওয়া বা ঘোরাঘুরিও করা যাচ্ছে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e2fkuuuw32">বিএনপির শোকজ: ভালুকার এমপি বললেন, ‘আমার এলাকায় কোনো সমস্যা নেই’</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/mbh93u7jzn">শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, সংসদ সদস্য বাচ্চুকে বিএনপির শোকজ</a></aside><p>এই সংসদ সদস্যের অনুসারীদের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে ৩ মার্চ পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভালুকার হবিরবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী মো. মিজানুর রহমান। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, হামলার ঘটনা ঘটলেও থানা কোনো মামলা নেয় না। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ভালুকার সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছেন।</p><aside><cite>ভালুকা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তিয়াস মাহমুদ</cite>বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করায় আমাদের ওপর হামলা করে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনের নিজস্ব বাহিনী। থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলেও মামলা না নেওয়ায় ডিআইজির কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। সেখানে আমাদের ডাকা হলে আমরা লিখিত জবানবন্দি দিয়ে আসি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের অভিযোগের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।</aside><p>লিখিত ওই অভিযোগে মিজানুর উল্লেখ করেন, ১ মার্চ তাঁর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ ছাড়া ২৩ ফেব্রুয়ারি ভালুকা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তিয়াস মাহমুদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরসহ কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>এ বিষয়ে তিয়াস মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করায় আমাদের ওপর হামলা করে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনের নিজস্ব বাহিনী। থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলেও মামলা না নেওয়ায় ডিআইজির কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। সেখানে আমাদের ডাকা হলে আমরা লিখিত জবানবন্দি দিয়ে আসি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের অভিযোগের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’</p><p><strong>ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিরোধ</strong></p><p>ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্পাঞ্চলে শিল্প পুলিশের তালিকাভুক্ত কারখানা ১৫৫টি। এর মধ্যে বর্তমানে চালু আছে ১৪৫ কারখানা। বিভিন্ন ধরনের কারখানার অব্যবহৃত কাপড় ও সুতা আলাদাভাবে বিক্রি হয়, যা ‘ঝুট ব্যবসা’ নামে পরিচিত।</p><p>ভালুকা উপজেলা বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ভালুকার বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ঝুট ব্যবসা উপজেলা বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের লোকজনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। গত সংসদ নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। বিএনপির মনোনয়নে ফখর উদ্দিন আহমেদ সংসদ সদস্য হওয়ার পর তাঁর অনুসারীরা শিল্পকারখানাগুলোর ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ নিয়ে দুই পক্ষে বিরোধ তৈরি হয়।</p><p>ভালুকার হবিরবাড়ি ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি শিল্পকারখানার অবস্থান। এই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান খান প্রথম আলোকে বলেন, আগে মোর্শেদ গ্রুপ ঝুট ব্যবসা পরিচালনা করলেও এখন সংসদ সদস্যের লোকজন ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ন্ত্রণ ও লাভের ভাগাভাগি নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।</p><blockquote>বিএনপির মনোনয়নে ফখর উদ্দিন আহমেদ সংসদ সদস্য হওয়ার পর তাঁর অনুসারীরা শিল্পকারখানাগুলোর ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ নিয়ে দুই পক্ষে বিরোধ তৈরি হয়।</blockquote><p><strong>কারখানার ট্রাক ছিনতাই</strong></p><p>দেশের শীর্ষস্থানীয় ডেনিম (জিনস) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের কারখানা ভালুকায়। এই কারখানার পক্ষে ১১ জুলাই নিরাপত্তা চেয়ে ভালুকার শিল্প পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়।</p><p>এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের প্রশাসন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. সারোয়ার হোসেনের করা ওই আবেদনে বলা হয়, ৯ জুলাই দুপুরে এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের ব্যবহৃত রাসায়নিকের খালি ড্রাম বহনকারী ট্রাক কারখানার প্রধান ফটকের সামনে থেকে জোর করে ছিনতাই করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরপরই সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়। ওই দিন রাত নয়টার দিকে ট্রাকটি উদ্ধার করে শিল্প পুলিশ। পরে জানা যায়, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা মো. সোহাগ মিয়াসহ কয়েকজন ট্রাক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা কারখানা থেকে ঝুট বের না করার জন্য প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এ ছাড়া তাঁরা এনভয় টেক্সটাইলসের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু, খোয়াসহ বিভিন্ন সামগ্রী কারখানায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছেন। ফলে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>ভালুকা উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা প্রথম আলোকে জানান, ইব্রাহিম খলিল ও সোহাগ মিয়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী।</p><p>এনভয় টেক্সটাইলসের ট্রাক আটকে রাখার ঘটনাটি স্বীকার করে ভালুকা শিল্প পুলিশের বর্তমান পুলিশ সুপার মো. আনছার উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, প্রথমে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে সমাধান হয়নি। পরে তাঁরা শিল্প পুলিশের সহযোগিতা চান। অভিযোগে যাঁদের নাম এসেছিল, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর সন্ধ্যার মধ্যে ট্রাক অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা মালামাল বুঝে পেয়েছে এবং মামলা করতে আগ্রহী নয়।</p><blockquote>পরে জানা যায়, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা মো. সোহাগ মিয়াসহ কয়েকজন ট্রাক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা কারখানা থেকে ঝুট বের না করার জন্য প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এ ছাড়া তাঁরা এনভয় টেক্সটাইলসের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু, খোয়াসহ বিভিন্ন সামগ্রী কারখানায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছেন। ফলে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গেছে।</blockquote><p><strong>‘ব্যবসা-বাণিজ্যে বাধা’</strong></p><p>স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কৃত মোর্শেদ আলম প্রায় ২২ বছর ধরে ভালুকার জামিরদিয়া এলাকায় এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঝুটের ব্যবসা করে আসছিলেন। ৪ জুলাই ওই কারখানা থেকে ঝুটের মালামাল বের করতে গিয়েছিল তাঁর মালিকানাধীন এইচআরকেএম এন্টারপ্রাইজ। তখন সংসদ সদস্যের অনুসারীরা তাদের বাধা দেয়। এতে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।</p><p>মোর্শেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত সংসদ নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে তাঁর পোষ্য লোকজন আমার ব্যবসা-বাণিজ্যে বাধা দিয়ে আসছেন। সংসদ সদস্যের নির্দেশে দুটি মিথ্যা মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমার নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে, তাঁদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।’</p><aside><cite>সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ</cite>ময়মনসিংহ জেলায় আমি সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছি। এখানে আমার বলতে কোনো লোক নেই। আমার ভাই–ব্রাদার, আত্মীয়স্বজন কেউ যেহেতু ব্যবসায় নেই, তাই আমার কোনো লোক নেই। এখানে যাঁরা বলছেন যে আমার লোক, এটা একটা দুষ্ট চক্রের ইন্ধন।</aside><p><strong>‘আমার কোনো লোক নেই’</strong></p><p>তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনের সময়ও আমি দলের কোনো পদে ছিলাম না। আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলায় আমি সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছি। এখানে আমার বলতে কোনো লোক নেই। আমার ভাই–ব্রাদার, আত্মীয়স্বজন কেউ যেহেতু ব্যবসায় নেই, তাই আমার কোনো লোক নেই। এখানে যাঁরা বলছেন যে আমার লোক, এটা একটা দুষ্ট চক্রের ইন্ধন। যারা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিস্টদের নিয়ে চলেছে, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে যাদের ব্যবসা ছিল, তারা এখন বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করার জন্য এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।’</p><p>গত শনিবার সংসদ সদস্যকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বিএনপি। নোটিশের জবাব দিয়েছেন বলে জানান সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন।</p><p>হামলা–মামলা ও কারখানা দখলের চেষ্টার মতো অভিযোগ বারবার কেন আসছে—এমন প্রশ্নের জবাবে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘কোনো কারখানার মালিক এখনো আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। কোনো কারখানায় আমি কাউকে সরাসরি পাঠিয়েছি, নিজে গেছি বা আমার কোনো ভাই–ব্রাদার, আত্মীয়স্বজন গেছে, এটা কেউ বলতে পারবে না।’</p><p>দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফখর উদ্দিন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। পর দিনই তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্তে ভালুকা থানায় মামলা করেছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ (প্রিন্স)। তিনি এখন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদেরও প্রশাসক।</p><p>সৈয়দ এমরান সালেহ গতকাল রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কোনো অনৈতিকতা কিংবা অবৈধভাবে কোনো কাজের ক্ষেত্রে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই কঠোর থাকবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সুখী দাম্পত্য জীবন গড়তে মহানবী (সা.)–এর শেখানো ৪ কৌশল</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/x5v50lig5v</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/x5v50lig5v#comments</comments><guid isPermaLink="false">0cbbad53-605a-4c16-b8fc-d84e28840714</guid><pubDate>Mon, 20 Jul 2026 22:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-20T22:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত। ]]></description><media:keywords>মহানবী (সা.),ইসলামের কথা,হাদিস,মহানবী (সা.) এর জীবনী,জীবনসঙ্গী,দাম্পত্য,দাম্পত্য কলহ</media:keywords><media:content height="5621" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/zghqcjw1/pexels-sran-picture-340355725-29344033.jpg" width="10000"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/zghqcjw1/pexels-sran-picture-340355725-29344033.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দাম্পত্য জীবনের শুরুটা সহজ, কিন্তু সেটাকে বছরের পর বছর সুন্দর রাখা মোটেই সহজ কাজ নয়। এর জন্য লাগে ধৈর্য, আন্তরিকতা, ত্যাগ আর একটু প্রজ্ঞা। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গিয়ে অনেক সময় নিজের অভিমান আর রাগ সংযত করতে হয়। </p><p>একজন স্বামীর ভূমিকা তখন হয়ে ওঠে কৌশলী আর স্নেহশীল একজন অভিভাবকের মতো। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে সম্পর্ক ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে, কখনো কখনো তা গড়ায় বিচ্ছেদ পর্যন্ত।</p><p>অথচ কিছু সহজ, প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত। তাঁকে অনুভব করাতে হয় যে পৃথিবীতে আপনিই তাঁর সবচেয়ে আপন মানুষ।</p><blockquote>পরিবারের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবারের ব্যবস্থা করাও যত্নেরই অংশ। সব সময় সম্ভব না হলেও মাঝেমধ্যে বিশেষ আয়োজন করা যায়, আর এখানে কার্পণ্য না করাই ভালো।</blockquote><h3>১. নিজের যত্ন নেওয়া, তাঁর যত্ন নেওয়া  </h3><p>স্ত্রীর সামনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকাটা ছোট বিষয় মনে হলেও এর প্রভাব গভীর। সাহাবি ইবনে আব্বাস (রা.) নিজে এ অভ্যাসের কথা বলেছেন, ‘আমি আমার স্ত্রীর জন্য এমনই পরিপাটি থাকতে পছন্দ করি, যেমন আমি তার কাছ থেকে সাজগোজ পছন্দ করি।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ, হাদিস: ১৯২৬৩)</p><p>স্ত্রী যেভাবে দেখতে পছন্দ করেন, সেভাবে থাকার চেষ্টাটা আসলে সম্মানেরই একটা প্রকাশ।</p><p>পরিবারের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবারের ব্যবস্থা করাও এ যত্নেরই অংশ। সব সময় সম্ভব না হলেও মাঝেমধ্যে বিশেষ আয়োজন করা যায়, আর এখানে কার্পণ্য না করাই ভালো।</p><p>নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘সওয়াবের আশায় কোনো মুসলিম যখন তার পরিবারের জন্য ব্যয় করে, তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৩৫১)</p><p>ঘরের কাজে সুযোগ পেলে সহযোগিতা করা আর ছোট ছোট ভালো কাজেরও আন্তরিক প্রশংসা করা—এসবও একই সুতোয় গাঁথা। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘নবীজি প্রায়ই খাদিজা (রা.)-এর প্রশংসা করতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫২২৯)</p><p>এমনকি খাদিজার মৃত্যুর পরও নতুন স্ত্রীর সামনেই প্রশংসা করতেন। প্রশংসা কখনো পুরোনো সম্পর্ককে খাটো করে না; বরং ভালোবাসা বাড়ায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/9e75isxmza">ইসলামে দাম্পত্য: ছোট ছোট বিষয়ের মধ্যেই শক্তি</a></aside><h3>২. সম্মান কখনো হারাতে দেওয়া যাবে না  </h3><p>দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ হতেই পারে। প্রয়োজনে কিছু সময় দূরে থাকা যায়, বিছানা আলাদা করা যায়, কিন্তু গায়ে হাত তোলা কখনোই নয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কেউ যেন নিজের স্ত্রীকে দাসের মতো প্রহার না করো। দিনের শেষে তো তার সঙ্গেই মিলিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫২০৪)</p><p>এ সতর্কতা এতটাই স্পষ্ট যে এখানে কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়ে না।</p><p>সম্মান রক্ষার আরও কিছু দিক আছে, যেগুলো চোখে কম পড়ে, কিন্তু প্রভাব ফেলে গভীরভাবে। খারাপ নামে ডাকা, অশালীন ভাষা ব্যবহার, স্ত্রীর মা–বাবাকে নিয়ে কটূক্তি—এসব সম্পূর্ণ পরিত্যাজ্য; যৌতুকের দাবি বা ইঙ্গিতও তা-ই।</p><aside><cite>সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৩৫১</cite>সওয়াবের আশায় কোনো মুসলিম যখন তার পরিবারের জন্য ব্যয় করে, তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়।
</aside><p>স্ত্রীকে অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করাটাও একধরনের অসম্মান। তাঁকে বরং অনুভব করানো উচিত যে তিনি অনন্য, প্রতিস্থাপনযোগ্য নন। তাঁর ভুল সবার সামনে প্রকাশ না করে আড়ালে ভালোবাসার সঙ্গে সংশোধনের চেষ্টা করাই ভালো, আর পুরোনো ভুল বারবার মনে করিয়ে দেওয়াও একধরনের নিষ্ঠুরতা।</p><p>ক্ষমা করতে শেখা আর সামনে এগিয়ে চলাই সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।</p><h3>৩. সময় দেওয়া: নবীজি যা মনে রাখতেন</h3><p>দাম্পত্য জীবনে হালকা, খেলাচ্ছলে সময় কাটানোকে অনেকে গুরুত্বহীন মনে করেন, অথচ নবীজির নিজের জীবনেই এর স্পষ্ট নজির আছে।</p><p>আয়েশা (রা.) বলেন, এক সফরে নবীজি তাঁর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করেছিলেন। প্রথমবার আয়েশা জিতে যান। বছর কয়েক পর, যখন আয়েশার শরীর কিছুটা ভারী হয়ে গেছে, আবার প্রতিযোগিতা হলো, এবার নবীজি (সা.) জিতলেন। তিনি হেসে বললেন, ‘এটা সেই আগের হারের বদলা।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৫৭৮)</p><p>এই ছোট্ট ঘটনাই বলে দেয়, স্ত্রীর সঙ্গে হালকা, রসিকতাপূর্ণ সময় কাটানো নবীজির নিজস্ব অভ্যাসের অংশ ছিল।</p><p>এ বিষয়ে নবীজি (সা.) একটা সাধারণ নীতিও বলে দিয়েছে, মানুষের অধিকাংশ বিনোদনমূলক কাজই অর্থহীন, তবে কয়েকটি ব্যতিক্রম আছে। তিনি বলেন, ‘মানুষ যা নিয়ে খেলাধুলা করে, তার সবই অনর্থক, তিনটি বিষয় ছাড়া—তিরন্দাজি, ঘোড়া প্রশিক্ষণ আর স্ত্রীর সঙ্গে খেলা।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৭)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/6nroropxm4">আয়েশা (রা.) থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগের শিক্ষা</a></aside><p>অর্থাৎ স্ত্রীর সঙ্গে হালকা সময় কাটানোকে ইসলাম নিছক অপচয় নয়; বরং সময়োপযোগী ও অর্থবহ কাজ হিসেবে দেখে।</p><p>এর আলোকেই প্রতিদিন কিছুটা সময় মন খুলে কথা বলা, একসঙ্গে খাওয়া, একটু হাঁটা, মাঝেমধ্যে কোথাও ঘুরতে যাওয়া—এসব ছোট অভ্যাসকে বাড়তি বিলাসিতা না ভেবে বরং সুন্নাহরই একটা অংশ হিসেবে দেখা যায়।</p><p>নতুন দাম্পত্যে স্ত্রীকে একা না রেখে সান্নিধ্যে রাখা, আবার তাঁকে মাঝেমধ্যে বাবার বাড়িতে যেতে দেওয়া—দুটোই এই একই নীতির বাস্তব প্রয়োগ: সম্পর্কটাকে জীবন্ত রাখা।</p><blockquote>আয়েশা (রা.) বলেন, এক সফরে নবীজি তাঁর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করেছিলেন। প্রথমবার আয়েশা জিতে যান। বছর কয়েক পর, যখন আয়েশার শরীর কিছুটা ভারী হয়ে গেছে, এবার নবীজি (সা.) জিতলেন।</blockquote><h3>৪. রাগের মুহূর্তই আসলে পরীক্ষা</h3><p>ওপরের প্রতিটি অভ্যাসের আসল পরীক্ষা হয় রাগের মুহূর্তে। নবীজি (সা.) শক্তির সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিলেন এ প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, ‘শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করে; বরং শক্তিশালী সে-ই, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১১৪)</p><p>দাম্পত্য জীবনের ঝগড়া-বিবাদে এ নীতিই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে—রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রায়ই সারা জীবনের অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়; যেখানে একটু থেমে শান্ত হওয়াটাই বড় শক্তির পরিচয়।</p><p>সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে ওঠে পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, দায়িত্ববোধ, ক্ষমাশীলতা আর আল্লাহভীতির ওপর। অভিমান, রাগ, অহংকার আর অপ্রয়োজনীয় ঝগড়া থেকে দূরে থেকে একে অপরের সুখ-দুঃখের সাথি হওয়ার চেষ্টাই আসল কাজ।</p><p>সুন্দর সংসার হঠাৎ তৈরি হয় না, এটা গড়ে ওঠে প্রতিদিনের ছোট ছোট আচরণ, ত্যাগ আর আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে। আল্লাহ–তাআলা আমাদের সবাইকে ভালোবাসা, রহমত ও প্রশান্তিতে ভরপুর দাম্পত্য জীবন দান করুন।</p><ul><li><p><em><strong>মুফতি ইবরাহীম আল খলীল :</strong> উস্তাজুল হাদিস, জামিয়া আরাবিয়া আশরাফুল মাদারিস, তেজগাঁও, ঢাকা</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/007nsvxj2k">দাম্পত্য জীবনে একজন মুমিন স্বামীর ৮ দায়িত্ব</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতাই পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/vqtrr0k7zy</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/vqtrr0k7zy#comments</comments><guid isPermaLink="false">fccd97b7-5f43-458a-adbd-b195037a784d</guid><pubDate>Mon, 20 Jul 2026 16:25:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-20T16:25:47.966Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,এলডিসি,এআই,বাণিজ্য,শিল্প,বস্ত্র,সম্মেলন</media:keywords><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/8vzab4uu/Business.jpg" /><figcaption>‘বায়লা ফিউচার সামিট–২০২৬’ শীর্ষক এক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরীসহ অতিথিরা। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইয়ুথ লিডার্স অ্যালায়েন্স (বায়লা) গত সোমবার রাজধানীর হোটেল র‍্যাডিসনে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করে</figcaption></figure><p>স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন এবং উচ্চ মূল্য সংযোজন পণ্য উৎপাদনে দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে।</p><p> ‘বায়লা ফিউচার সামিট–২০২৬’ শীর্ষক এক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে শিল্পনেতা, উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকেরা এই আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা শুধু কম উৎপাদন ব্যয় বা বাজারসুবিধার ওপর নির্ভর করবে না। বরং উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, টেকসই উৎপাদন ও মূল্য সংযোজনই হয়ে উঠবে প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি।</p><p>রাজধানীর হোটেল র‍্যাডিসনে গত সোমবার বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইয়ুথ লিডার্স অ্যালায়েন্স (বায়লা) দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।</p><p>আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, তৈরি পোশাকশিল্প কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় উৎস। প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের চাহিদা পূরণে শ্রমশক্তিকে নতুন দক্ষতায় গড়ে তোলা এবং নতুন প্রজন্মের উদ্ভাবনী নেতৃত্ব তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। সে জন্য সরকার শ্রমিক–মালিকের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত এবং টেকসই শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে।</p><p>নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণ ছাড়া ভবিষ্যতে কোনো পোশাক কারখানার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। প্রথম প্রজন্ম বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছে। এখন সেই অর্জনকে আরও এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের।</p><p>তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি বিদিয়া অমৃত খান বলেন, এলডিসি–পরবর্তী বাস্তবতায় শুধু চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে উদ্ভাবন, নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা, নকশা উন্নয়ন ও মূল্য সংযোজনের দিকে যেতে হবে। তিনি এআই, অটোমেশন ও ইন্ডাস্ট্রি ৪.০–কে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য উল্লেখ করে এসব প্রযুক্তিতে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।</p><p>শেল্‌টেক্‌ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, কোটা–পরবর্তী সময় ও কোভিড–১৯–এর মতো বড় চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন এলডিসি–পরবর্তী বাস্তবতায় টিকে থাকতে অটোমেশন, এআই, দক্ষ মানবসম্পদ, বাজার বহুমুখীকরণ, লজিস্টিকস উন্নয়ন এবং উচ্চ মূল্য সংযোজন পণ্যে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।</p><p>ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নুরিয়া লোপেজ বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের জোরালো চাহিদা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে টেকসই উৎপাদন, পরিবেশগত মান এবং পণ্যের বহুমুখীকরণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।</p><p>বায়লার সভাপতি আবরার হোসেন সায়েম বলেন, আগামী দিনের বৈশ্বিক বাজারে প্রচলিত ব্যবসায়িক মডেল দিয়ে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হবে না। ‘থিংক বিয়ন্ড টুডে’ শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার মানসিকতা। নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের দ্রুত এআই, ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ এবং উদ্ভাবনকে গ্রহণ করতে হবে।</p><p>সম্মেলনের ‘ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ: ডিস্ট্রিবিউশন ও ভোক্তা–অভিজ্ঞতার শক্তি’ শীর্ষক অধিবেশনে ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান বলেন, বৈশ্বিক ক্রেতারা এখন শুধু পোশাক নয়; বাংলাদেশের কাছ থেকে মানসম্মত উৎপাদন, টেকসই উন্নয়ন, আস্থা, উদ্ভাবন ও নির্ভরযোগ্যতাও প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ যেন উৎকর্ষের প্রতীক হয়ে ওঠে, সে লক্ষ্যেই সবাইকে কাজ করতে হবে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ শুধু প্রযুক্তি বা উৎপাদনের মাধ্যমে নয়, বরং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বায়লার প্রথম সহসভাপতি হাসিন আরমান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিক্ষোভ, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/zoih0nbd1x</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/zoih0nbd1x#comments</comments><guid isPermaLink="false">251155d0-409f-45c4-b070-1099a57fe682</guid><pubDate>Mon, 20 Jul 2026 16:16:56 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-20T16:16:56.452Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সিলেট,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেট বিভাগ,রাজনীতি,ছাত্রদল,বিক্ষোভ,ছাত্র বিক্ষোভ</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/mlsckpcj/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-10.06.00-PM.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে সহপাঠীদের বিক্ষোভ। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/mlsckpcj/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-10.06.00-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের ক্যানটিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ করায় শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন।</p><p> সোমবার বেলা সাড়ে তিনটা থেকে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শুরু করেন। বিভিন্ন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিলে অংশ নেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের চেতনা-৭১ স্থাপনা ঘুরে নতুন সামাজিক বিজ্ঞান ভবন হয়ে আবারও গোলচত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে গোলচত্বরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁরা সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/v16xe7rqf4">হলের খাবার নিয়ে আপত্তি, ‘থাপড়িয়ে দাঁত ফেলে দিব’ বলে শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার মারধর</a></aside><p>শাহপরান হলের খাবারের মান নিয়ে ১৬ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মন্তব্য করেন সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের (২০২৩-২৪) শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার। এর জেরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান ও সহদপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান ১৮ জুলাই রাতে তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ওই রাতে ও পরের দিন বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/k7ozbjci/WhatsApp-Image-2026-07-20-at-10.06.10-PM.jpeg" /><figcaption>বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের সামনে</figcaption></figure><p>সমাবেশে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ হোসেন বলেন, ‘আমরা আমাদের ভাইদের অন্যায়ভাবে প্রকাশ্যে আর কোনো মার খেতে দেখতে চাই না। সন্ত্রাসীদের এখনই দমন করার সময় এসেছে। আমরা এখানে ন্যায়বিচার চাইতে এসেছি। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, বর্তমানে যাঁরা প্রশাসনে আছেন, তাঁরা ন্যায়বিচার করবেন। ন্যায়বিচারে বিলম্ব হলে আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’</p><p>অর্থনীতি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবরার বিন ছলিম বলেন, ‘আমাদের সহপাঠীর ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত ও বিচারের জন্য প্রশাসনকে তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। আগামীকাল মঙ্গলবার সেই সময় শেষ হবে। যদি ন্যায়বিচার না পাই, তাহলে আমরা ক্লাস–পরীক্ষা বর্জন করব।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/fun5g30xpr">শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিক্ষোভ, প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দাবি, ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>প্রগতিশীল রাজনীতি যখন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কাঠগড়ায় </title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/1bajoju1w5</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/1bajoju1w5#comments</comments><guid isPermaLink="false">efb4d736-e655-411c-95cb-6e22d5bf3f38</guid><pubDate>Mon, 20 Jul 2026 12:12:50 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-20T12:12:50.760Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ১৬ জুলাই প্রথম আলোর বিশেষ সংখ্যায় (‘অভ্যুত্থানের অন্দরে’) ‘চব্বিশের কাঠগড়ায় প্রগতিশীল রাজনীতি’ শিরোনামে লেখক ও রাজনৈতিক সংগঠক ফিরোজ আহমদের একটি লেখা প্রকাশিত হয়। এ লেখার প্রতিক্রিয়া লিখেছেন জামশেদ আনোয়ার তপন, দিলীপ রায়, ইকবাল কবীর ও মারজিয়া প্রভা]]></description><media:keywords>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান,গণ-অভ্যুত্থান,বাম রাজনীতি</media:keywords><media:content height="457" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/apany60z/Firoj-Ahmed.png" width="656"><media:title type="html"><![CDATA[ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট দ্রোহযাত্রায়  অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে জড়ো হন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/apany60z/Firoj-Ahmed.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১৬ জুলাই প্রথম আলোর বিশেষ সংখ্যায় (‘অভ্যুত্থানের অন্দরে’) ‘চব্বিশের কাঠগড়ায় প্রগতিশীল রাজনীতি’ শিরোনামে লেখক ও রাজনৈতিক সংগঠক ফিরোজ আহমদের একটি লেখা প্রকাশিত হয়। এ লেখার প্রতিক্রিয়া লিখেছেন <strong>জামশেদ আনোয়ার তপন</strong>, <strong>দিলীপ রায়</strong>, <strong>ইকবাল কবীর</strong> ও <strong>মারজিয়া প্রভা</strong></p><p>১৬ জুলাই প্রথম আলোয় লেখক ও রাজনৈতিক সংগঠক ফিরোজ আহমেদ ‘<a href="https://www.prothomalo.com/politics/rytz9h00c5">চব্বিশের কাঠগড়ায় প্রগতিশীল রাজনীতি</a>’ শীর্ষক একটি লেখা লিখেছেন। লেখাতে তিনি বলেছেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে এ দেশের “প্রগতিশীল” হিসেবে পরিচিতদের ভূমিকা বেশ নাজুক ছিল।’ লেখালেখির গণতান্ত্রিক চর্চাকে সমর্থন করে আমরা বিভিন্ন দল ও সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এ লেখার বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যার বিপক্ষে অবস্থান তুলে ধরছি।</p><p>আমরা কারা? আমরা কমিউনিস্ট, বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক ধারার বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী, যারা চব্বিশের জুলাইয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি, যাদের রাজনৈতিক লড়াই ও সংগ্রামকে লেখক চব্বিশের কাঠগড়ায় তুলতে চেয়েছেন, যার মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক বয়ানকেই হাজির করেছেন মাত্র। এ লেখায় ‘প্রগতিশীল’ বলতে যে বর্গকে হাজির করা হয়েছে, তা হলো উদারমনা, উদার গণতান্ত্রিক চিন্তা, বামপন্থীদের ‘বনেদি অংশ’, সংস্কৃতিমনা মধ্যবিত্ত প্রভৃতি। কিন্তু লেখায় এই প্রগতিশীল বর্গের কোনো রাজনৈতিক সুনির্দিষ্ট পরিচয় হাজির করা হয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/bsrco46uz1">চব্বিশের জুলাইয়ে ‘ভালো মানুষ’ যখন নীরব ছিল</a></aside><p>এ লেখায় প্রগতিশীল বর্গের রাজনৈতিক পক্ষ স্পষ্ট না হলেও ‘উদারপন্থী ও প্রগতিশীলদের দিক থেকে শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ১৯ জুলাইয়ের গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশকে একটিমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মধ্য দিয়ে লেখকের রাজনৈতিক পক্ষ পরিষ্কার হয়েছে। </p><p>তাই এ লেখা নিছক সমালোচনার স্তর ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টায় পরিণত হয়েছে। সেই উদ্দেশ্যে লেখক তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে ইতিহাসের ওপর জোরপূর্বক আরোপের চেষ্টা করেছেন। (লেখক ফিরোজ আহমেদ রাজনৈতিক দল গণসংহতি আন্দোলনের নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘রাজনৈতিক পরিষদের’ অন্যতম সদস্য এবং গণসংহতি আন্দোলন গণতন্ত্র মঞ্চের জোটভুক্ত দল ছিল। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে গণসংহতি বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত যুগপৎ আন্দোলনের শরিক হিসেবে নির্বাচন করেছে।)</p><h3>কারফিউ ভাঙা, দ্রোহযাত্রা ও গণ-অভ্যুত্থানে বামপন্থী রাজনৈতিক দল ও সংগঠন</h3><p>লেখক ১৯ জুলাইয়ের গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যেন সেটিই পুরো গণ-অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের সমালোচনার একমাত্র মানদণ্ড। আসলে আমরা সবাই জানি, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। </p><p>১৯ জুলাই-ই শেষ কর্মসূচি ছিল না কিংবা গণ-অভ্যুত্থানের শেষ দিনও ছিল না। এরপর অনেক লাশ পড়েছে, কারফিউ জারি হয়েছে, ইন্টারনেট শাটডাউন করে জনগণকে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে ফেলেছিল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার। </p><p>লেখকের উল্লেখিত ’৫২, ’৬২, ’৬৯, ’৮২, ’৯০ গণ-অভ্যুত্থান এবং গণ-আন্দোলনগুলোর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শক্তিগুলো নানান কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে জনগণকে সংগঠিত ও ত্বরান্বিত করেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/64jyu8eh/Firoj-ahmed-2.png" /><figcaption>দ্রোহযাত্রায় যোগ দেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ২ আগস্ট ২০২৪</figcaption></figure><p>ফিরোজ আহমেদ কেন চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে এই কৌশলগুলো দেখতে পাচ্ছেন না বা চাইছেন না, তা একটি বড় প্রশ্ন। কারফিউ চলাকালে শিক্ষার্থীদের (বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন) কর্মসূচি মন্থর হয়ে যাওয়া এবং জনগণকে আবার সোচ্চার করার জন্য কারফিউ ভাঙার সিদ্ধান্তে ৩১টি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন (বর্তমানে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য) মিলে সাংস্কৃতিক সমাবেশ করার ‘কৌশলটি’ নিয়েছিল, যেখানে বামপন্থী হিসেবে পরিচিত গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটসহ বিভিন্ন কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দলের কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন। এরপর একে একে নারীদের সমাবেশ, প্রতিবাদী গানের মিছিল সংগঠিত হতে থাকে।</p><p>এই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনকে নিশ্চিত করতে জনগণের একটি সম্মিলিত বৃহত্তর বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রধানতম রাজনৈতিক কর্তব্য হয়ে ওঠে। তারই পরিণত রূপ ‘দ্রোহযাত্রা’, যা আহ্বান করেছিলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। </p><p>ফিরোজ আহমেদকে ধন্যবাদ তিনি দ্রোহযাত্রা ও আনু মুহাম্মদকে তাঁর লেখায় উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তিনি একটি দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে নিজেও জানেন, ওই পরিস্থিতিতে এই ‘দ্রোহযাত্রা’ কোনো একক ব্যক্তির আহ্বানে সংগঠিত হওয়া সম্ভব নয়। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট এবং সেই জোটের সংশ্লিষ্ট কমিউনিস্ট ও বামপন্থী ধারা রাজনৈতিক দলগুলো, সাংস্কৃতিক সংগঠন, নারীদের সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন—সবার সংগঠিত ভূমিকাই ‘দ্রোহযাত্রা’।</p><blockquote>গণ-অভ্যুত্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকা বিশ্লেষণের পরিবর্তে এখানে ব্যক্তিগত অনুমান, সুবিধামতো বাছাই করা তথ্য এবং পক্ষপাতমূলক বয়ানই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের ময়দানের বাস্তবতাকে প্রত্যক্ষভাবে অনুধাবন না করার সীমাবদ্ধতা এ লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে। আর যদি তা না হয়, তবে এ লেখা কমিউনিস্ট, বামপন্থী ও বিপ্লবী রাজনীতির প্রতি বিদ্বেষমূলক ধারণা প্রতিষ্ঠার সচেতন প্রচেষ্টা হিসেবেই বিবেচনা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।</blockquote><p>এই দ্রোহযাত্রায় যাতে উদারপন্থী সব মত ও পথের সম্মিলন ঘটে, তার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংহতির গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিষদের সদস্যের সঙ্গে আয়োজকের পক্ষ থেকে আলাপ করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ এবং ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীল দল বাদে সব উদার ও প্রগতিশীল বর্গকে হাজির করার জন্য দ্রোহযাত্রার সংগঠকেরা সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু লেখক গণ-অভ্যুত্থানে কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দল এবং গণসংগঠনগুলোর গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে সক্রিয় প্রচেষ্টাকে আড়াল করেছেন। এটি তাঁর বৌদ্ধিক দ্বিচারিতা।</p><p>ফিরোজ আহমেদ ১৯ জুলাই গণতন্ত্র মঞ্চের আন্দোলনের পর সামগ্রিক চিত্রের অবসানে বড় ভূমিকা না পালন করার দায় ‘বনেদি বামপন্থীদের’ কাঁধে দিয়েছেন (এই বনেদি বামপন্থী কারা, তাঁর লেখায় সেটি স্পষ্ট করেননি)। </p><p>কিন্তু তিনি উল্লেখ করেননি যে গণতন্ত্র মঞ্চ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই সাধারণ সরকারবিরোধিতা ছাড়া বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কর্মসূচিগত কোনো সমঝোতা ছিল না; বরং যুগপৎ কর্মসূচি তাঁরা চালিয়েছিলেন বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিএনপির সঙ্গে। অথচ গণতন্ত্র মঞ্চ বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে কেন সামগ্রিক চিত্রের অবসানে ভূমিকা রাখতে পারেনি, তার কোনো সমালোচনা লেখক করেননি। উল্টো যাদের সঙ্গে তাদের কোনো কর্মসূচিগত সম্পর্কই ছিল না, তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।</p><h3>অন্তর্বর্তী সরকার গঠন, কিন্তু বাদ দেওয়া হলো ‘প্রগতিশীল’দের</h3><p>৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় লেখক, তাঁর দল ও জোট সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। অথচ জোটের পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখা যায়নি। বরং যে কোটারি রাজনীতির সমালোচনা তিনি তাঁর লেখায় করেছেন, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তাঁর রাজনৈতিক জোট সেই কোটারি রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছিল।</p><p>২ আগস্ট কমিউনিস্ট ও বামপন্থী শক্তিগুলো উদার গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নিলেও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় তাদের সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়। একই সঙ্গে এটিও সত্য যে ১৯ জুলাইয়ের পর গণতন্ত্র মঞ্চ এমন কোনো কর্মসূচি নেয়নি, যা অভ্যুত্থানের পক্ষে বামপন্থী, কমিউনিস্ট, উদার ও প্রগতিশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে পারত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-10/53a0ntrg/hasina-down.jpg" /><figcaption>অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে অসংখ্য মানুষের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনার পতন ঘনিয়ে আসে। ৩ আগস্ট ২০২৪, ঢাকা</figcaption></figure><p>প্রশ্ন হলো, সরকার পতনের পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুসংহত করার জন্য তিনি, তাঁর দল বা জোট কি কোনো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে? লেখক ও তাঁর দল যখন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তখন দ্রোহযাত্রার আহ্বায়ক আনু মুহাম্মদ বা কমিউনিস্ট, বামপন্থী ও অন্য অভ্যুত্থানপন্থী শক্তি ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছিল? না, নেয়নি।</p><p>রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়াই সরকার গঠনের পর দেশজুড়ে মব-সহিংসতা, নারী, মাজার ও বাউল সম্প্রদায়ের ওপর ধারাবাহিক হামলার দায় লেখক কার্যত প্রগতিশীল শক্তির ওপর চাপিয়েছেন। এ দৃষ্টিভঙ্গি নিজেই কোটারিকেন্দ্রিক। কারণ, তিনি প্রগতিশীল শক্তিকে কেবল গণ-অভ্যুত্থানের সহযোগী বা সরকারের পক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলার শক্তি হিসেবে দেখতে চান, অভ্যুত্থান-পরবর্তী গণতান্ত্রিক রূপান্তর, রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও সরকার গঠনের অংশীদার হিসেবে নয়। এ প্রবণতা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব নিজের হাতে রেখে অন্য ধারার রাজনীতিকে ‘বনসাই’ বানানোর আকাঙ্ক্ষাই প্রকাশ করে, যা মোটেই কোনো গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়।</p><h3>আগ্রাসী ভারতীয় প্রকল্প, অসম চুক্তি ও বামপন্থীদের অবস্থান</h3><p>রামপালসহ জাতীয় স্বার্থবিরোধী প্রকল্প ও অসম চুক্তির বিরুদ্ধে কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দলগুলো হরতাল, ঘেরাওসহ সবচেয়ে ধারাবাহিক ও কঠোর আন্দোলন পরিচালনা করেছে। এসব আন্দোলন পরিচালনায় কখনো কখনো দলীয় সংকীর্ণতাসহ অন্যান্য ত্রুটি বা দুর্বলতা থাকতে পারে। কিন্তু কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হাজির না করে ভারতের আগ্রাসী নীতির প্রতি বামপন্থীদের ‘কোমল’ মনোভাবের অভিযোগে লেখক তাঁদের ঢালাও মন্তব্য করেছেন। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।</p><h3>কোটা আন্দোলন নিয়ে খণ্ডিত পর্যবেক্ষণ</h3><p>লেখক বলেছেন, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর ছাত্ররাজনৈতিক কর্মীরা সেখানে আর সংগঠন আকারে হাজির হচ্ছেন না, হচ্ছেন ব্যক্তি হিসেবে।’ সাংগঠনিক পরিচয়ে উপস্থিত হতে না পারার কারণ হিসেবে তিনি কেবল জোট এবং অপরাপর সংগঠনগুলোকে অভিযুক্ত করেছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এক দশকের বেশি সময় ধরেই রাজনৈতিক সংগঠনের পরিচয়ের বাইরে ‘নিরপেক্ষ’ভাবে ‘সাধারণদের’ আন্দোলন সংগঠিত করার প্রবণতা চলছিল। </p><p>এর ধারাবাহিকতা এবারের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও পরিলক্ষিত হয়েছে। শুধু প্রগতিশীল বামপন্থী সংগঠনগুলো নয়, ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক পরিচয়ে তারা আন্দোলনে শরিক না হয়ে স্বতন্ত্র পরিচয়ের ভিত্তিতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ গড়ে তুলেছিল। বামপন্থীদের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক পরিচয়ের কারণে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে না রাখার পক্ষে সমন্বয়কেরা নানান কৌশলও নিয়েছিলেন। যার কারণে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের মধ্যে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সংগঠনের কাউকে না দেখা গেলেও ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে জোটভুক্ত সংগঠনের নেতাদের দেখা গেছে।</p><h3>সরকারি পক্ষের ‘বনেদি প্রগতিশীলতা’র একই স্ক্রিপ্ট</h3><p>লেখক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য থাকা সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পুনর্গঠনের অন্যতম মৌলিক শর্ত ‘নাগরিক’ পরিচয়ের বাইরে বহু জাতি ও ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত হয়নি। একইভাবে ‘গণভোট’কে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ব্যবহার করেও তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ না নিয়ে তাঁর রাজনৈতিক দল জনগণের সঙ্গে প্রহসনে শামিল হয়েছে। </p><p>ফলে প্রগতিশীলদের সমালোচনা করতে গিয়ে তাঁর লেখায় সরকারি পক্ষের বনেদি প্রগতিশীলতারই পুনরাবৃত্তি দেখা যায়। যেমন একসময় উগ্রপন্থা ও জঙ্গিবাদ ঠেকানোর যুক্তিতে হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন কিংবা দিলীপ বড়ুয়ার মতো ‘বনেদি বামপন্থীরা’ আওয়ামী সরকারের অংশ হয়েছিলেন, তেমনি আজও ডানপন্থা প্রতিরোধের নামে তিনি মার্কিন স্বার্থ রক্ষাকারী, শ্রমিক হত্যাকারী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালানো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষেই প্রগতিশীলদের অবস্থান প্রত্যাশা করছেন।</p><p>সব মিলিয়ে ফিরোজ আহমদের এ লেখা কোনো নির্মোহ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ নয়। গণ-অভ্যুত্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকা বিশ্লেষণের পরিবর্তে এখানে ব্যক্তিগত অনুমান, সুবিধামতো বাছাই করা তথ্য এবং পক্ষপাতমূলক বয়ানই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের ময়দানের বাস্তবতাকে প্রত্যক্ষভাবে অনুধাবন না করার সীমাবদ্ধতা এ লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে। আর যদি তা না হয়, তবে এ লেখা কমিউনিস্ট, বামপন্থী ও বিপ্লবী রাজনীতির প্রতি বিদ্বেষমূলক ধারণা প্রতিষ্ঠার সচেতন প্রচেষ্টা হিসেবেই বিবেচনা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।</p><ul><li><p><strong>জামশেদ আনোয়ার তপন</strong>, আহ্বায়ক, গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য</p></li><li><p><strong>দিলীপ রায়</strong>, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী</p></li><li><p><strong>ইকবাল কবীর</strong>, সম্পাদক, ঢাকা মহানগর, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ</p></li><li><p><strong>মারজিয়া প্রভা</strong>, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি</p><p>মতামত লেখকদের নিজস্ব</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>নতুন মেডিক্যাল কলেজ: সমস্যার সমাধান, নাকি একই ভুলের পুনরাবৃত্তি</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/kbb1xu0xp3</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/kbb1xu0xp3#comments</comments><guid isPermaLink="false">ebca5db5-d7ad-4ebc-a2c4-1c51c31b1916</guid><pubDate>Sat, 18 Jul 2026 13:37:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-07-18T13:37:40.085Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সৈয়দ আব্দুল হামিদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1491431</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মাগুরা, নওগাঁ, নেত্রকোনা বা রাঙামাটির মতো ৮-১০টি মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস বা হসপিটাল ভবন পর্যন্ত নেই। রাঙামাটির শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল ও ট্রেনিংয়ের জন্য চট্টগ্রামে আসতে হচ্ছে। সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। কারণ, ভবন হলেও হাসপাতাল চালু হয়নি। মেধাবী শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও প্রয়োজনীয় শিক্ষক, হোস্টেল, ল্যাব বা একাডেমিক পরিবেশ পাচ্ছেন না। এই তীব্র ঘাটতি নিয়েই তাঁরা পাস করছেন এবং বিএমডিসি থেকে লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছেন।]]></description><media:keywords>চিকিৎসক,চিকিৎসা,সমাধান,মেডিকেল কলেজ</media:keywords><media:content height="1398" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-18/ksx5u1uw/Untitled-1.jpg" width="2100"><media:title type="html"><![CDATA[ সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-18/ksx5u1uw/Untitled-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে প্রায় ১২ হাজার আসন রয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এমবিবিএস পাস করে বের হচ্ছেন। প্রশ্ন হলো, এই বিশাল সংখ্যক চিকিৎসককে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত বা ‘অ্যাবজর্ব’ করার জায়গা কোথায়?</p><p>বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। সাধারণ বিসিএস সম্পন্ন হতে আড়াই থেকে তিন বছর এবং একটি বিশেষ বিসিএস সম্পন্ন হতে প্রায় দেড় বছর লেগে যায়। প্রতি তিন বছরের ব্যবধানে যদি ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে ওই একই সময়ে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত প্রায় ৩০ হাজার চিকিৎসকের মধ্যে ২৫ হাজার জনই সরকারি কাঠামোর বাইরে থেকে যাচ্ছেন।</p><p>দেশের সিংহভাগ বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক গড়ে উঠেছে মূলত চারটি অপারেশনকে কেন্দ্র করে: সিজারিয়ান সেকশন, গল ব্লাডার, হার্নিয়া ও অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন। এই ছোট ও মাঝারি মানের হাসপাতালগুলো মূলত সরকারি খাতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সেখানে নতুন পাস করা এমবিবিএস চিকিৎসকদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ খুবই সীমিত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/vzewmvdlwc">স্বাস্থ্য খাতের স্বাস্থ্য ফেরাতে এই মুহূর্তে যা করতে হবে</a></aside><p>চাকরির বাজারে চাহিদা ও জোগানের এই চরম ভারসাম্যের অভাব চিকিৎসকদের পারিশ্রমিককে এক অবিশ্বাস্য তলানিতে নামিয়ে এনেছে। উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির সুবিধার্থে অনেক তরুণ চিকিৎসক রাজধানী বা বড় শহরের বেসরকারি হাসপাতালে অন-কল বা চুক্তিভিত্তিক ডিউটি করেন, যা চিকিৎসা মহলে ‘খ্যাপ’ নামে পরিচিত। এখানে একজন এমবিবিএস পাস করা চিকিৎসককে টানা ২৪ ঘণ্টা ইমার্জেন্সি ও ইনডোরের রোগীদের দেখভালের জন্য মাত্র ২ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়া হয়।</p><p>আমাদের দেশে মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার পেছনে রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একটি বড় ভূমিকা থাকে। প্রত্যেকেই নিজ এলাকায় একটি মেডিক্যাল কলেজ চান এই ভেবে যে এতে এলাকার মানুষ উন্নত চিকিৎসা পাবেন। কিন্তু এই ধারণার ভেতরেই রয়েছে বড় গলদ।</p><blockquote>মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েটরা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের মতো নন। একজন মেডিক্যাল শিক্ষার্থীর সামান্যতম শিক্ষাঘাটতি সরাসরি মানুষের জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত। অথচ দেশের নতুন ও বেশ কিছু পুরোনো মেডিক্যাল কলেজের ভেতরের চিত্র অত্যন্ত করুণ। অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, মাইক্রোবায়োলজি বা ফার্মাকোলজির মতো বেসিক ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। </blockquote><p>মেডিক্যাল কলেজ মূলত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এটি মূলধারার সেবাকেন্দ্র নয়। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতাল নির্ধারিত থাকে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষাদানের জন্য, যেখানে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছাত্রের বিপরীতে সুনির্দিষ্ট সংখ্যক বেড (যেমন: ১০০ জন ছাত্রের জন্য ৫০০ বেড) ও নির্বাচিত রোগী থাকতে হয়। অথচ আমরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে মূল সেবাকেন্দ্র বানিয়ে ফেলেছি। এর ফলে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলো তাদের গুরুত্ব ও ফোকাস হারিয়েছে।</p><p>যদি উদ্দেশ্য হয় এলাকার মানুষকে সেবা দেওয়া, তবে জেলা হাসপাতালকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেডে উন্নীত করে ফাংশনাল করাই সবচেয়ে যৌক্তিক ও দ্রুততম সমাধান। নতুন একটি মেডিক্যাল কলেজকে পুরোপুরি সচল করতে বেশ কয়েক বছর লেগে যায়, যা অনেক সময় উদ্যোগ গ্রহণকারী ব্যক্তির মেয়াদকাল বা জীবদ্দশাতেও শেষ হয় না।</p><p>মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েটরা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের মতো নন। একজন মেডিক্যাল শিক্ষার্থীর সামান্যতম শিক্ষাঘাটতি সরাসরি মানুষের জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত। অথচ দেশের নতুন ও বেশ কিছু পুরোনো মেডিক্যাল কলেজের ভেতরের চিত্র অত্যন্ত করুণ। অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, মাইক্রোবায়োলজি বা ফার্মাকোলজির মতো বেসিক ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই।&nbsp;</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-28/1ls8yukb/Untitled-5.jpg" /><figcaption>রাঙামাটি মেডিকেলে কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাস</figcaption></figure><p>মাগুরা, নওগাঁ, নেত্রকোনা বা রাঙামাটির মতো ৮-১০টি মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস বা হসপিটাল ভবন পর্যন্ত নেই। রাঙামাটির শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করছেন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে। সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। কারণ, সেখানে ভবন হলেও হাসপাতাল চালু হয়নি। মেধাবী শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও প্রয়োজনীয় শিক্ষক, হোস্টেল, ল্যাব বা একাডেমিক পরিবেশ পাচ্ছেন না। এই তীব্র ঘাটতি নিয়েই তাঁরা পাস করছেন এবং বিএমডিসি থেকে লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছেন।</p><p>এখানে একটি বড় নৈতিক প্রশ্ন দেখা দেয়। এই অপ্রস্তুত ও লার্নিং ঘাটতি থাকা চিকিৎসকদের কাদের চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হচ্ছে? নিশ্চিতভাবেই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য। কারণ, যাঁরা এসব কলেজের অনুমোদন দিচ্ছেন বা দেশের নীতিনির্ধারক, তাঁদের পরিবারের সামান্যতম অসুখ হলেও তাঁরা উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড বা দেশের নামী করপোরেট হাসপাতালে চলে যান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/vcol9aulkl">স্বাস্থ্য খাতে সংকটের বৃত্ত ও পণ্ডশ্রমের গল্প</a></aside><p>এই আত্মঘাতী ভুলের বৃত্ত থেকে বের হতে হলে সরকারকে অবিলম্বে কতগুলো কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, যেসব মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস, একাডেমিক ভবন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষক ও শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নেই, সেগুলোতে অবিলম্বে নতুন ছাত্র ভর্তি বন্ধ রাখতে হবে। </p><p>দ্বিতীয়ত, অবকাঠামো ও শিক্ষকহীন প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি মানসম্পন্ন ও সক্ষমতাসম্পন্ন মেডিক্যাল কলেজে (যেমন: মাগুরা থেকে যশোর, নওগাঁ থেকে রাজশাহী ও নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ) স্থানান্তর করে তাঁদের শিক্ষাজীবন সুরক্ষিত করতে হবে। </p><p>তৃতীয়ত, নতুন মেডিক্যাল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হলেও, ডিপিপি তৈরি করে শতভাগ ভৌত অবকাঠামো, আধুনিক ল্যাব এবং শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করার আগে কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করা যাবে না।</p><p>বর্তমানে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক নিয়োগ মূলত সিভিল সার্ভিসের মেডিক্যাল ক্যাডারের ওপর নির্ভরশীল। চিকিৎসকেরা প্রথমে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তী সময়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ইচ্ছার ভিত্তিতে মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। এর ফলে ক্লিনিক্যাল বিষয়ে তুলনামূলকভাবে শিক্ষক পাওয়া গেলেও বেসিক ও প্যারা ক্লিনিক্যাল বিষয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে যোগ্য শিক্ষকের ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য মেডিক্যাল কলেজের জন্য পৃথক শিক্ষক নিয়োগকাঠামো প্রবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।</p><ul><li><p><strong>ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ </strong>অধ্যাপক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</p></li></ul><p>[<strong>সংশোধনী</strong>: এ লেখায় একটা অংশে উল্লেখ ছিল—‘রাঙামাটির শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল ও ট্রেনিংয়ের জন্য চট্টগ্রামে আসতে হচ্ছে।’ তথ্যগত ত্রুটির কারণে বাক্যটি সংশোধন করা হলো। রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের জন্য ২০২১ সাল থেকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল ব্যবহার করে আসছে। ২১ জুলাই দুপুর ১.১০টায় এ সংশোধন করা হলো ]</p>]]></content:encoded></item><item><title>সামিউল সোমবার স্কুলে যেতে চায়নি: এই শোক সইবার শক্তি আমাদের নেই</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/zdkqshbsky</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/zdkqshbsky#comments</comments><guid isPermaLink="false">afca8ae2-c344-442d-a29d-cdcf3f4272ab</guid><pubDate>Wed, 23 Jul 2025 01:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2025-07-23T05:33:12.248Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমাদ মুদ্দাসসের</atom:name><atom:uri>/api/author/1848627</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মায়ের কাছে আবদার করেছিল আজ সে বাসায় থাকবে। সকালে উঠে ছোটবেলার কটি খেলনা উড়োজাহাজ শোকেস থেকে নামিয়ে মুছে পরিষ্কার করে খেলছিল সামিউল। কিন্তু তার মা বুঝিয়ে-শুনিয়ে স্কুলে যেতে রাজি করান।]]></description><media:keywords>দুর্ঘটনা,স্কুল কিআ,সাম্প্রতিক কিআ</media:keywords><media:content height="488" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-22/krpxru6v/BarishalSamiul1.jpg" width="422"><media:title type="html"><![CDATA[ উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সামিউল করিম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-22/krpxru6v/BarishalSamiul1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২১ জুলাই ২০২৫ বুঝি দেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। এদিন দুপুরে, ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলের একটি ভবনের প্রবেশমুখে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান আকস্মিকভাবে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিমান বিধ্বস্তের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সবার আগে এগিয়ে আসেন স্কুলের ছাত্র-শিক্ষকেরা। আসেন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, ডাক্তার ও জরুরি সহায়তা দল। রক্ত প্রয়োজন শুনে জনসাধারণ হাসপাতালে চলে এসেছেন। মোটকথা যার যার অবস্থান থেকে সবাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। </p><p>দুর্ঘটনার পরপর তেমন করে সব জানা যায়নি। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, ততই আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার গল্পগুলো সামনে আসছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-22/47onok7p/Mahrin-Chowdhury-1.png" /><figcaption>মাহরীন চৌধুরী</figcaption></figure><p>আমরা জানতে পেরেছি শিক্ষিকা মাহরীন চৌধুরীর গল্প। কিশোর আলোতে তাঁকে নিয়ে লেখা হয়েছে, ‘<a href="https://www.kishoralo.com/fx0rm2g6yw">মাহরীন চৌধুরীকে অশ্রুমাখা স্যালুট, যিনি শিশুদের বাঁচাতে জীবন দিলেন</a>’। মাইলস্টোন স্কুলের কো-অর্ডিনেটর মাহরীন চৌধুরী, যিনি এখন আর আমাদের মাঝে নেই। দুর্ঘটনার সময় তিনি ছিলেন স্কুলভবনে। ভবনটিতে আগুন লাগার সময় তিনি নিজের কথা ভাবেননি, বরং যতজন ছাত্রছাত্রীকে সম্ভব, তাদের বের করে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। এই অদম্য প্রচেষ্টায় তার শরীরের শতভাগ পুড়ে যায়। কঠিন সময়ে একজন শিক্ষক কীভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকেন, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করে গেলেন। এর জন্য তাকে নিজের জীবন দিয়ে চরম মূল্য দিতে হলো।</p><p>আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ২২ জুলাই দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৩১ জন নিহত ও ১৬৫ জন আহত হয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-21/nf9v16y4/Milestone-Accident.jpeg" /><figcaption>রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে আছে এক শিক্ষার্থীর জুতা। আজ সোমবার বিকেলের চিত্র</figcaption></figure><p>একের পর এক এমন মানবিক গল্প সামনে আসছে। প্রথম আলোর সাংবাদিক মো. মামুন, যিনি দুর্ঘটনার সময় দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ছিলেন। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে হৃদয়বিদারক কিছু মুহূর্ত। তিনি দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি লিখেছেন, ‘এর মধ্যে দেখতে পাই ভবনের ভাঙা অংশের একটু দূরে বিধ্বস্ত বিমানের আরও কিছু অংশ পড়ে আছে। দৌড়ে সেখানে গিয়ে দেখি পোড়া চেয়ার এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। বুঝতে অসুবিধা হলো না এসব চেয়ার ভবনের নিচতলার ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষের। পোড়া চেয়ারসহ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হঠাৎ চোখ আটকাল আধপোড়া কালো একটি জুতায়। এই জুতার ছবি-ভিডিও যখন করছিলাম, তখন কেন জানি, ভেতর থেকে কান্না আসছিল, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না...।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-22/krpxru6v/BarishalSamiul1.jpg" /><figcaption>উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সামিউল করিম</figcaption></figure><p>প্রথম আলোর বরিশাল প্রতিনিধির পাঠানো খবরে জানা গেছে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সামিউল করিম (১১) নিহত হয়েছে। তার মৃত্যুতে পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ। সামিউলের মামা সৈয়দ মনির হোসেন জানান, ‘সামিউল সোমবার স্কুলে যেতে চায়নি। মায়ের কাছে আবদার করেছিল আজ সে বাসায় থাকবে। সকালে উঠে ছোটবেলার কটি খেলনা উড়োজাহাজ শোকেস থেকে নামিয়ে মুছে পরিষ্কার করে খেলছিল সামিউল। কিন্তু তার মা বুঝিয়ে-শুনিয়ে স্কুলে যেতে রাজি করান। এটা জানলে ওকে আমরা স্কুলে পাঠাতাম না…’ বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মামা মনির হোসেন।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/fx0rm2g6yw">মাহরীন চৌধুরীকে অশ্রুমাখা স্যালুট, যিনি শিশুদের বাঁচাতে জীবন দিলেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-22/64vnkajj/TangailDH1.jpg" /><figcaption>দাফনের আগে মেয়ে মেহেনাজের কফিনে চুমু খাচ্ছেন বাবা দেলোয়ার হোসাইন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার হতেয়া কেরানিপাড়া গ্রামে</figcaption></figure><p>প্রথম আলোর সখীপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আরেকটি মর্মান্তিক খবর জানিয়েছেন। প্রথম আলো অনলাইন সূত্রে জানা গেছে, বাবার কপালে চুমু দিয়ে প্রতিদিন ক্লাসে যেত মেহেনাজ আফরি হুমায়রা (৯)। কিন্তু এই দুর্ঘটনার পর সে আর কখনো বাবার হাত ধরে স্কুলে যাবে না। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মেহেনাজ। মেয়ের কফিনে বারবার চুমু খাচ্ছিলেন বাবা দেলোয়ার হোসাইন, যিনি নিজেও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। ভাগ্যক্রমে তিনি ও তার স্ত্রী সুমি আক্তার প্রাণে বেঁচে গেছেন।</p><p>এমন অসংখ্য মানবিক গল্প ছড়িয়ে আছে চারপাশে, যা পুরো দেশকে কাঁদিয়ে চলেছে। এই শোক সইবার শক্তি হয়তো আমাদের নেই। আমরা শুধু এতটুকু বলতে চাই, যে নিষ্পাপ শিশুরা অকালে ঝরে গেল, যে শিক্ষিকা নিজের প্রাণ বিলিয়ে দিলেন, যারা এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, আমরা তোমাদের ভুলব না।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/other/uix0ido0k0">আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত</a></aside>]]></content:encoded></item></channel></rss>