<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Sun, 01 Nov 2026 16:38:20 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>হ্যালোইনের রাতে ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতা, উত্তপ্ত রাজপথ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/h91j5bu9to</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/h91j5bu9to#comments</comments><guid isPermaLink="false">f194df2b-410e-45eb-b161-3a65d0788c41</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:35:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:35:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জীবনযাত্রার ব্যয়, শিক্ষা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হ্যালোইনের রাতে ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড ও ইতালিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে]]></description><media:keywords>ইউরোপ,বিক্ষোভ,ছাত্র বিক্ষোভ,সহিংসতা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/s8ym59t5/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/s8ym59t5/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জীবনযাত্রার ব্যয়, শিক্ষা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হ্যালোইনের রাতে ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড ও ইতালিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ, লুটপাট ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/uoLwBD6LSMM"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>বাক্স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট খারিজ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/bw400x1p3q</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/bw400x1p3q#comments</comments><guid isPermaLink="false">93be431f-3d03-440c-a014-634d2d44f1a4</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:34:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:34:31.218Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাকস্বাধীনতা,হাইকোর্ট</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/ie2jl7cy/3.avif" width="540"><media:title type="html"><![CDATA[ হাইকোর্ট]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/ie2jl7cy/3.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ ও শাস্তি সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বৈধতা নিয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে হাইকোর্ট দেওয়া পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশিত হয়েছে। বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩১ আগস্ট ওই আদেশ দেন।</p><p>চার পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ আদেশ রোববার হাতে পেয়েছেন বলে জানান রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।</p><p>ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারার সঙ্গে ১৮৬০ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অসাংবিধানিক ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান চলতি বছরের জানুয়ারিতে রিটটি করেন। রিট আবেদনকারীর ভাষ্য, রাষ্ট্রদ্রোহের সংজ্ঞা ও শাস্তি নির্ধারণের ওই বিধান (১২৪ক ধারা) সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নিশ্চয়তা দেওয়া বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর অযৌক্তিক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধিনিষেধ আরোপ করে।</p><p>১২৪ক ধারার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি যদি কথার মাধ্যমে, তা মৌখিক বা লিখিত যেভাবেই হোক, অথবা কোনো চিহ্ন, দৃশ্যমান উপস্থাপনা কিংবা অন্য কোনো উপায়ে, আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা অবজ্ঞা সৃষ্টি করে বা সৃষ্টির চেষ্টা করে কিংবা সরকারের প্রতি অসন্তোষ উসকে দেয় বা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা অন্য কোনো মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তৎসহ তাকে জরিমানায়ও দণ্ডিত করা যাবে।</p><h3>যে কারণে রিট খারিজ</h3><p>দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা এবং চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা সম্পর্কিত সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ আদেশে তুলে ধরা হয়েছে। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের দফা (১) অনুযায়ী চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ আদেশে বলা হয়, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের দফা (২) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের বাক্স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে এসব স্বাধীনতা ভোগ করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা দেশের সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কি না?</p><p>দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা এবং এর ব্যাখ্যাগুলো উল্লেখ করে আদেশে আদালত বলেছেন, দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। ধারাটির তৃতীয় ব্যাখ্যায় বলেছে, সরকারের প্রশাসনিক বা অন্য কোনো কার্যক্রমের প্রতি অসম্মতি প্রকাশ করে কোনো মন্তব্য করা হলে এবং এর মাধ্যমে সরকারের প্রতি ঘৃণা, অবজ্ঞা বা অসন্তোষ সৃষ্টি করা বা সৃষ্টির চেষ্টা না করা হলে—তা এই ধারার অধীন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।</p><p>আদালত বলেছেন, দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার কারণে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা সংবিধান ৩৯ অনুচ্ছেদে নিশ্চয়তা দেওয়া বাক্স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন—এমন সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ রিটে করা হয়নি। ধারাটি প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে সরকার কারও বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে—এমন অভিযোগও করা হয়নি। এ পর্যায়ে আবেদনটির কোনো সারবত্তা পাওয়া যাচ্ছে না। সে অনুসারে রিটটি সরাসরি খারিজ করা হলো।</p><p>আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী ইশরাত হাসান নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ শুনানিতে ছিলেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title> হঠাৎ উচ্ছেদ নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়তে এক মাস সময় দেওয়ার দাবি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4mgf9emi1r</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4mgf9emi1r#comments</comments><guid isPermaLink="false">6c3b2320-ebd2-4159-8f6d-8039f8a17cce</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:33:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:33:17.434Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1429666</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আজিমপুর,শিক্ষার্থী,উচ্ছেদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,আবাসন</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/4wmojrnc/DU.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার থেকে শিক্ষার্থীদের দ্রুত উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় ছাত্রসভা। আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/4wmojrnc/DU.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসনসংকটের মধ্যে আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার থেকে স্বল্প সময়ের নোটিশে সাবলেট ও ভাড়াটে শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক নতুন ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রসভা। বিকল্প ব্যবস্থা করতে শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়ার জন্য অন্তত এক মাস সময় দেওয়াসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।</p><p> আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় ছাত্রসভার সংগঠক ও সুফিয়া কামাল হল সংসদের এ জি এস শিমু আক্তার।</p><p>লিখিত বক্তব্যে শিমু আক্তার বলেন, আবাসনসংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় সাবলেট নিয়ে থাকতে বাধ্য হন। বিশেষ করে নবীন ও নারী শিক্ষার্থীরা হলে আসন না পেয়ে শুরুতেই এমন বিকল্প আবাসনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে সব সাবলেট ও ভাড়াটেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মাত্র এক সপ্তাহের নোটিশে শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের এই সিদ্ধান্তকে তিনি সম্পূর্ণ অমানবিক, অযৌক্তিক এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের প্রতি চরম উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্গাপূজার ছুটি শেষে ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ সময়ে হঠাৎ বাসা ছাড়ার নোটিশে শিক্ষার্থীদের সংকট চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এত অল্প সময়ে নিরাপদ বিকল্প আবাসন খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রসভার সংগঠক রেজওয়ান আহমেদ বলেন, সরকারি বাসভবনে সাবলেট থাকা আইনগতভাবে ঠিক না হলেও কাউকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থার জন্য ন্যূনতম মানবিক সময় দেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা সেখানে অনির্দিষ্টকাল থাকতে চান না; বরং নতুন বাসা খুঁজে নেওয়ার জন্য যৌক্তিক সময় চান। অনেকে এখন আতঙ্কে বাসায় ফিরতে পারছেন না এবং পরীক্ষা চলার মধ্যেও অন্যের আশ্রয়ে থাকতে হচ্ছে।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রসভার পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো শিক্ষার্থীদের বাসা ছাড়ার জন্য মানবিক বিবেচনায় অন্তত এক মাস সময় দিতে হবে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; এই সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি, চাপ প্রয়োগ বা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আবাসনসংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রস্তাবিত হল নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।</p><p>সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই দাবিগুলো শিগগিরই স্মারকলিপি আকারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রিহ্যাবের কার্যক্রমে বাধা নেই, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা হাইকোর্টে স্থগিত</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/g98anw8uws</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/g98anw8uws#comments</comments><guid isPermaLink="false">9128d5ec-647c-468b-bdec-a0cd6e80948e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:31:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:31:30.421Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>হাইকোর্ট,আবাসন খাত,বাণিজ্য মন্ত্রণালয়,রিহ্যাব</media:keywords><media:content height="911" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-08/e95d8788-ebcb-47b8-9b83-d3929ec6c45b/REHAB_1.jpg" width="1366"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-08/e95d8788-ebcb-47b8-9b83-d3929ec6c45b/REHAB_1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রিহ্যাবকে নিয়মিত বা রুটিন কার্যক্রমের বাইরে যেকোনো ধরনের সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে বলেছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন রিহ্যাবের সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা থাকছে না।</p><p>দেশের আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) কার্যক্রম সীমিত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নির্দেশনার কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে আপাতত রিহ্যাবের বোর্ড সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), মেলাসহ সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় আর বাধা থাকছে না।</p><p>রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রিট পিটিশন নম্বর ১০৪৩৬/২০২৬। আইনজীবী কামরুল বিন আজাদের ১ নভেম্বর তারিখের দেওয়া সনদপত্রে আদালতের এ আদেশের তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>সনদপত্র অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়। এতে রিহ্যাবকে নিয়মিত বা রুটিন কার্যক্রমের বাইরে যেকোনো ধরনের সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল। ফলে সংগঠনটির বোর্ড সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), মেলা ও অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।</p><p>বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাক। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭ অক্টোবরের চিঠির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।</p><p>আদালতের এ আদেশের ফলে আগামী তিন মাস রিহ্যাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে না। আইনজীবীর সনদপত্রে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের আনুষ্ঠানিক আদেশ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে জানানো হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শ্রমিকেরা কাজে না ফিরলে পোশাক কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত মালিকদের</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/zwrdmcl4hz</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/zwrdmcl4hz#comments</comments><guid isPermaLink="false">fde7746b-2320-4fc7-82d7-e78603ceda48</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:30:00.929Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিজিএমইএ,তৈরি পোশাকশিল্প,শ্রমিক আন্দোলন,পোশাক শ্রমিক,পোশাক</media:keywords><media:content height="203" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-19/y7z126k6/29c2efb7-30fa-48fb-8302-be779019fcd8.jfif" width="360"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-19/y7z126k6/29c2efb7-30fa-48fb-8302-be779019fcd8.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p> মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। তারপরও শ্রমিকেরা কাজে না ফিরে আন্দোলন অব্যাহত রাখলে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা।</p><p> ঢাকার উত্তরার বিজিএমইএর কার্যালয়ে আজ রোববার বিকেলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে সাধারণ সদস্যদের সঙ্গে জরুরি এক মতবিনিময় সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।</p><p>জানতে চাইলে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, আজকের সভায় কিছু উদ্যোক্তা কাল থেকে কারখানা বন্ধ রাখার কথা বলেছিলেন। তবে অধিকাংশ উদ্যোক্তা উৎপাদন চালিয়ে যেতে চান। তবে ধারাবাহিকভাবে বিশৃঙ্খলা চললে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে মত দিয়েছেন তাঁরা।</p><p>বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছিল। ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। এখন মজুরি বোর্ডের দায়িত্ব হচ্ছে আলাপ–আলোচনার মধ্য দিয়ে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত করা। মজুরি বোর্ড গঠনের পর আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কারখানায় কাজে ফিরে যাবেন। এখন যদি আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়, তাহলে আমরা ধরে নেব, তাঁদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে।’</p><p>এদিকে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আজ রোববার রাজধানীর মিরপুর, সাভারের আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা। এ সময় সড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, পুলিশ বক্স ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। মিরপুরে সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেলের তিন স্টেশন।</p><p>তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, আজ ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভারের আশুলিয়া ও জিরানী এলাকায় ৫২৯ কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বের হয়ে যান। তার মধ্যে মিরপুর এলাকায় ৬৮টি, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকায় ২৭৬টি এবং সাভারের আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ১৮৫টি কারখানা রয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>লালবাগে যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/46voq8werm</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/46voq8werm#comments</comments><guid isPermaLink="false">5477332a-de60-4df3-9fb0-fa7774cf0a03</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:27:53 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:27:53.369Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তদের হাত থেকে বাঁচতে বিপ্লব দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধাওয়া করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।]]></description><media:keywords>হত্যা,হত্যাকাণ্ড,কুপিয়ে হত্যা,লালবাগ</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-23/9lp6uj8x/abnormal_death.png" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ মরদেহ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-23/9lp6uj8x/abnormal_death.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর লালবাগের শহীদনগর এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বিপ্লব (২৬) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে শহীদনগর ৬ নম্বর গলিতে একটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>লালবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা বিপ্লবকে কুপিয়ে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়াসহ প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হবে।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তদের হাত থেকে বাঁচতে বিপ্লব দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধাওয়া করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।</p><p>নিহত বিপ্লবের বাবার নাম মো. দেলোয়ার। তাঁদের বাসা লালবাগের শহীদনগর এলাকাতেই।</p>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাষ্ট্রে বসে ওয়ারীতে মাদকের ল্যাব পরিচালনা, দেশে ফিরে গ্রেপ্তার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/qwis5xhne2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/qwis5xhne2#comments</comments><guid isPermaLink="false">f187d8a8-3291-4863-b00f-0bd3911f9d54</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:24:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:24:16.775Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ইয়াবা,মামলা,মাদক,গ্রেপ্তার,মাদক ব্যবসা,অপরাধ,মাদক বিরোধী অভিযান</media:keywords><media:content height="1280" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/h662t8ax/tawsif-drug.jpeg" width="1031"><media:title type="html"><![CDATA[ ‘কুশ’ চাষের মামলায় গ্রেপ্তার তৌসিফ হাসান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/h662t8ax/tawsif-drug.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর ওয়ারীতে বাসার ভেতরে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করে অপ্রচলিত সিনথেটিক মাদক ‘কুশ’ চাষের মামলায় তৌসিফ হাসান (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তৌসিফ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেও দূরনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনি ওয়ারীর বাসায় স্থাপিত কুশের ল্যাব পরিচালনা করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।</p><p> গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ওয়ারী থানার র‌্যাংকিন স্ট্রিটের বাসায় অভিযান চালিয়ে তৌসিফকে গ্রেপ্তার করে ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরেন বলে জানিয়েছে ডিএনসি।</p><p>ডিএনসির একটি সূত্র জানায়, গত জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তৌসিফের বাসার সন্ধান পাওয়া যায়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে কুশ চাষের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ল্যাব পাওয়া যায়। ওই ল্যাব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আনা কুশের বীজ, চাষ করা গাছ, সদ্য সংগৃহীত কুশ ও চাষের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ ছাড়া সিসা সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশি মদও পাওয়া যায়।</p><p>বাসার ছাদে টিন ও ফয়েল পেপার দিয়ে তৈরি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষেও একাধিক টবে কুশ চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, তৌসিফ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থানকালে কুশ চাষের কৌশল শেখেন। পরে দেশে ফিরে নিজের বাসায় বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করে চাষ শুরু করেন। বিদেশে অবস্থান করেও প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাবের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতেন তিনি। এ কাজে তাঁর এক বান্ধবী সহযোগিতা করতেন।</p><p>গত জানুয়ারিতে ওই বান্ধবীর মাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসে ৩২টি ইয়াবা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই বান্ধবী ও তৌসিফের বাসার তত্ত্বাবধায়ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় তৌসিফকে পলাতক আসামি করা হয়েছিল।</p><p>ডিএনসি জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তৌসিফের অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে গতকাল তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁর ডোপ টেস্টে মেথামফিটামিন ও ক্যানাবিনয়েড—দুটি উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১০টি মেথামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।</p><p>প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তৌসিফ ঢাকার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে ইয়াবা ও কুশ সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ডিএনসি। তাঁর মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের উৎস এবং সংশ্লিষ্টতার অন্যান্য দিক নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।</p><p>উদ্ধার করা ইয়াবা ও গাঁজা নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে তৌসিফের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ওয়ারী থানায় মামলা হয়েছে। পাশাপাশি কুশের ল্যাবসংক্রান্ত আগের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে ডিএনসি জানিয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/jgnnaath-hl-theke-nissiddh-chaatrliiger-netaa-aattk</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/jgnnaath-hl-theke-nissiddh-chaatrliiger-netaa-aattk#comments</comments><guid isPermaLink="false">48468e94-cb05-4af0-81e2-75e57a1a18b1</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:22:56 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:22:56.426Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="1280" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gksov6y4/BSL.jpg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ অর্ক রায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gksov6y4/BSL.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক অর্ক রায়কে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছে ছাত্রদল। হলের ক্যানটিনে দেখে তাঁকে আটক করা হয়। জগন্নাথ হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল আটক ও হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ছাত্রদল অর্ক রায়ের বিরুদ্ধে হলে অবৈধ অবস্থান ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কুমিল্লায় সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতের দুই নেতার সদস্যপদ বাতিল</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/q812c44mps</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/q812c44mps#comments</comments><guid isPermaLink="false">850d4c09-b952-4ee0-9528-8475950cb4bb</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:18:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:18:17.182Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সংঘর্ষ,জামায়াত,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,রাজনীতি,কুমিল্লা</media:keywords><media:content height="1440" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-12/2fkgp87o/Jamaat-e-Islami-fb-12052026.png" width="2160"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-12/2fkgp87o/Jamaat-e-Islami-fb-12052026.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে কমিটি গঠন নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দলটির দুই নেতার সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিল করেছে জামায়াতে ইসলামী। তাঁরা হলেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সাবেক নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুন।</p><p> জামায়াতে ইসলামীর দলীয় সূত্রগুলো বলছে, গত ১৪ অক্টোবর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দুজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p><p>জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা মহানগরীর তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবদুল হালিম আজ রোববার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ২৬ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভা হয়। সে সভায় কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ বাতিল করা হয়।</p><p>কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় নগরের মোগলটুলী এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে দলটির মহানগর কার্যালয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।</p><p>দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মহানগর আমিরের দায়িত্বে থাকা কাজী দ্বীন মোহাম্মদকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং নতুন আমির নির্বাচন নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ১৯৯৮ সাল থেকে কুমিল্লা শহর ও মহানগর জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।</p><p>কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, নায়েবে আমির মোসলেহ উদ্দিন ও এমদাদুল হক মামুনকে কেন্দ্রের জনশক্তি হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। এতে নতুন আমির নির্বাচনে সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এ নিয়ে নেতা–কর্মীদের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।</p><p>সংঘর্ষের দুই দিনের মাথায় ১৬ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর শাখার কমিটি বিলুপ্ত করে জামায়াত। এই শাখার কার্যক্রম কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিমকে।</p><p>১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানকে নিয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এবার কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ বাতিল করল জামায়াতে ইসলামী।</p><p>এর আগে একই ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকেও সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছিল তাঁর দল।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি, আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পারটেক্স চেয়ারম্যানের পুত্র শওকত</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/0i11vun6is</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/0i11vun6is#comments</comments><guid isPermaLink="false">4752fb1e-b947-45a4-a4bf-e34ca30b507d</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:16:50 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:16:50.297Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচলে ২০ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া ও নেওয়ার অভিযোগে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক।]]></description><media:keywords>দুদক,দুর্নীতি,রাজউক,পূর্বাচল</media:keywords><media:content height="598" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-11/ntxnrjlf/btm.jpg" width="900"><media:title type="html"><![CDATA[ শওকত আজিজ রাসেল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-11/ntxnrjlf/btm.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><p> আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯–এর বিচারক মো. আবদুস সালামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন শওকত। পরে শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p><p>দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খন্দকার শামীম হোসেন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি শওকত আজিজ রাসেল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন। একই সঙ্গে কারাগারে ডিভিশন চাওয়া হয়। পরে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p><p>গত ১৩ অক্টোবর একই আদালত রাসেলসহ ৮ জনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সদস্য এস ডি ফয়েজ, এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, এস এম জাফর উল্লাহ, এইচ এম জহুরুল হক, রেজাউল করিম তরফদার, পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের আরেক ছে আশফাক আজিজ রুবেল। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে জরিমানাও করা হয়।</p><p>মামলার রায়ে আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাঁদের উভয় ধারায় ৭ বছর করে ১৪ সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।</p><p>পাশাপাশি তাঁদের নামে দুটি প্লটের বরাদ্দ বাতিল করে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেন আদালত।</p><p>অপর দিকে রাজউকের সাবেক ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটি ধারায় তাঁদের ৭ বছর করে মোট ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিদের হাজতবাস মূল দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।</p><p>প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচলে ২০ কাঠা প্লট বরাদ্দ দেওয়া ও নেওয়ার অভিযোগে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজের নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠা করে ২০ কাঠার দুটি প্লট বরাদ্দ দেন, যাতে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকা ও গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও অন্যান্য খবর</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/y91bs11ra5</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/y91bs11ra5#comments</comments><guid isPermaLink="false">445f20c5-5a77-48df-ba19-f16e399d43e8</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:15:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:15:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সংঘর্ষ,রিমান্ড</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/yzczsa3e/AUDIO-NEWS-THUMB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/yzczsa3e/AUDIO-NEWS-THUMB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা ও গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ। তাহসিফের সঙ্গে ফুটেজে দেখা তরুণীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর। এ ছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/uwr0_-e5tp4"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>মজার ইশকুলের শিশুরা একদিন বিশ্বমঞ্চে তাদের গল্প শোনাবে: আরিয়ান আরিফ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/66uzh12an7</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/66uzh12an7#comments</comments><guid isPermaLink="false">572f3892-24e3-4bbc-9d92-c84412101b23</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:11:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:11:36.247Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>তরুণ,লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ,শো,উদ্যোক্তা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/r7xsk88w/Legacy-With-MRHArt12.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[  পডকাস্ট শো ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন–৩’–এ অতিথি হিসেবে অংশ নেন মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আরিয়ান আরিফ (বাঁয়ে)]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/r7xsk88w/Legacy-With-MRHArt12.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>তরুণ উদ্যোক্তাদের হাত ধরেই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ব্যবসা ও সম্ভাবনার গল্প। তবে একটি উদ্যোগ শুরু করা থেকে সেটিকে টিকিয়ে রাখা এবং এগিয়ে নেওয়ার পথ সহজ নয়। নানা চ্যালেঞ্জ, সিদ্ধান্ত ও শেখার অভিজ্ঞতা পেরিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা কীভাবে গড়ে তুলছেন নিজেদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান—সেই সব গল্প নিয়েই প্রথম আলো ডটকম ও প্রাইম ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ পডকাস্ট শো ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন–৩’। এই পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হকের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আরিয়ান আরিফ।</blockquote><p>‘অনেক শিশু রাস্তায় থাকে, কারণ তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করার মতো কেউ নেই। তাদের খাবার, পোশাক ও নিরাপদ আশ্রয়ের প্রয়োজন। তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার খাবার। এরপর পড়াশোনাকে আনন্দময় করে তোলা, যাতে শিশুরা চাপ অনুভব না করে। পাশাপাশি এমন প্রযুক্তিগত দক্ষতা শেখানো, যা দিয়ে তারা ভবিষ্যতে আয় করতে পারে। পুষ্টি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিকে একসঙ্গে দেখার পেছনে এই বাস্তব অভিজ্ঞতাই কাজ করেছে।’</p><p> পডকাস্টে অংশ নিয়ে কথাগুলো বলেন আরিয়ান আরিফ। পর্বটি প্রচারিত হয় গতকাল শনিবার প্রথম আলোর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রচারিত হয়। আড্ডার শুরুতেই সঞ্চালক জানতে চান, ২০১৩ সালে পথশিশুদের নিয়ে স্কুল শুরু করার ভাবনা কোথা থেকে এল?</p><p> আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার মনে হতো, জীবনে এমন কিছু একটা করতে চাই, যা মানুষের জন্য কাজে আসবে। তবে ঠিক কী করব, সে বিষয়ে তখন স্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল না। জাহানারা ইমামের ‘‘একাত্তরের দিনগুলি’’ পড়তে পড়তে রুমির আত্মত্যাগ আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। সেই জায়গা থেকেই শিশুদের জন্য কিছু করার চিন্তা আসে।’</p><p>প্রসঙ্গক্রমে সঞ্চালক জানতে চান, রুমি আপনাকে কোন দিক থেকে অনুপ্রাণিত করেছেন?</p><p>আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘রুমির আত্মত্যাগ আমাকে দেশের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি যখন তাঁর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়েছি, তখন মনে হয়েছে, প্রত্যেকের সময়ের বাস্তবতা আলাদা। রুমি তাঁর সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছেন। আমি স্বাধীন দেশে জন্মেছি। তাই আমার দায়িত্বও আলাদা। দেশের মানুষের জন্য কাজ করা, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো—এটাকে আমি আমার জায়গা থেকে দেশের জন্য কিছু করার চেষ্টা হিসেবে দেখি।’</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/nxUuuWIbgqU?t=2"></iframe></figure><p>শুরুতে খোলা আকাশের নিচেই চলত মজার ইশকুলের কার্যক্রম। বিষয়টি উল্লেখ করে সঞ্চালক জানতে চান, সেই দিনগুলোর কথা কি আপনার মনে পড়ে?</p><p>উত্তরে আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘শুরুর কয়েক দিন মজার ইশকুলের কোনো অবকাঠামো ছিল না; কিন্তু শিশুদের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা ছিল। খোলা আকাশের নিচে শিশুদের নিয়ে পড়াশোনা শেখানোর সেই দিনগুলো আসলে আমার কাছে এখনো খুব জীবন্ত।’</p><p>পথশিশুদের নিয়ে কাজ করার চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘শিশুদের চ্যালেঞ্জ আর আমাদের চ্যালেঞ্জকে আমি আলাদা করে দেখি না। দিন শেষে আমরা অনেক সময় একই জায়গায় আটকে যাই। শিশুরা ছোটবেলা থেকেই নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি পায়; কিন্তু সেগুলো পূরণ হয় না। যেমন কোনো শিশু একটি ছোট ডকুমেন্টারি তৈরি করার জন্য কাজ করল, তাকে কিছু টাকা বা খাবার দেওয়ার কথা বলা হলো; কিন্তু পরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হলো না। এতে শিশুটি বিশ্বাস হারায়। ধীরে ধীরে তার আচরণেও এর প্রভাব পড়ে।’</p><p>আরিয়ান আরিফ আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়েও একই সমস্যার মুখোমুখি হই। আমাদের সমাজে অনেক সময় ছোট ছোট প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয় না। পাঁচ মিনিটের কথা বলে দুই ঘণ্টা পরে আসা—এমন ছোট ঘটনাও বিশ্বাসের সংকট তৈরি করে। আমার মনে হয়, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারা আমাদের বড় একটি সামাজিক সমস্যা।’</p><p>২০১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আপনার জীবনে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। সেটি কীভাবে মোকাবিলা করেছিলেন এবং সেখান থেকে কীভাবে ফিরে এসেছিলেন?</p><p>স্মৃতিচারণা করে আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘প্রথমে একটি বিষয় পরিষ্কার করতে চাই। আমাদের প্রতিষ্ঠান তখন সরকারি নিবন্ধিত ছিল। ঘটনার আগের দিনও বনশ্রী থানার একজন কর্মকর্তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছিল। আমরা কী কাজ করি, আমাদের কাগজপত্র কী—সবকিছুই তাঁকে জানিয়েছিলাম। এমনকি শিশুদের অভিভাবক খুঁজে না পাওয়া গেলে সাময়িকভাবে তাদের রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল; কিন্তু পরদিন আমাদের আটক করা হয়। আমি তখনই বলেছিলাম, আমাদের কাছে সব প্রমাণ আছে এবং আমরা কোনো বেআইনি কাজ করছি না; কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। পরে বুঝতে পারি, ঘটনাটি নিয়ে একটি সাজানো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।’</p><p>এ প্রসঙ্গে আরিয়ান আরিফ আরও বলেন, ‘এই অভিজ্ঞতায় আমাদের অনেক ভোগান্তি হয়েছে। এমনকি আমাদের কাছ থেকে টাকা দাবি করার ঘটনাও ঘটেছে। তারপরও আমরা কাজ থামাইনি। তবে এত বছর পরও বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কথা বলিনি। কারণ, আমরা বাধা থেকে সহানুভূতি বা স্বীকৃতি চাইনি। আমাদের লক্ষ্য ছিল শিশুদের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়া।’</p><p>আপনার প্রথম দিকের শিক্ষার্থী কুলসুম এখন তার পরিবারের সবচেয়ে শিক্ষিত সদস্য। কুলসুমের যাত্রা আপনাকে কীভাবে অনুপ্রাণিত করে?</p><p>উত্তরে আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘কুলসুম আমাদের প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের একজন। সে বর্ণপরিচয় থেকে শুরু করে এসএসসি পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। কুলসুমের সাফল্যের পেছনে তার নিজের ইচ্ছা, তার বাবার আন্তরিকতা এবং আমাদের সবার প্রচেষ্টা রয়েছে। তার বাবা পড়াশোনার সবকিছু বুঝতেন না; কিন্তু আমাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। আমরা তার বাবাকে একটি রিকশা দিয়েছিলাম, যাতে পরিবারটি কিছু আয় করতে পারে। পরে তিনি আরও রিকশা কিনে আয় বাড়িয়েছেন এবং কিছু জমিও কিনেছেন। কুলসুমের এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল এবং তার পরিবারের পরিবর্তন আমাদের কাজের বড় অনুপ্রেরণা।’</p><p>এরপর সঞ্চালক জানতে চান, বর্তমান সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থায় সামাজিক কাজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মনে করেন?</p><p>আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘সামাজিক কাজ শিশু-কিশোরদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশার সুযোগ পায়, নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরি করে এবং নতুন কিছু শেখে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তারা বিভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শেখে।’</p><p>আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘আমি মনে করি, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে নির্দিষ্ট কিছু ঘণ্টা সামাজিক কাজের জন্য শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা উচিত। এতে শিক্ষার্থীরা সমাজের বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে পারবে। আমরা মজার স্কুলে দেখেছি, বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে আসে। এমনকি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরাও এখানে কাজ করছে। তারা সমাজের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব বুঝতে শিখছে। এই অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’</p><p>আড্ডার শেষ পর্যায়ে সঞ্চালক জানতে চান, আগামী দিনে মজার স্কুলকে কীভাবে দেখতে চান?</p><p>আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘মজার স্কুল নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। আমি চাই, আমাদের কোনো শিশু একদিন বিশ্বের কোনো বড় সম্মেলনে দাঁড়িয়ে বলুক, তার শৈশব খুব কঠিন ছিল। সে হয়তো কমলাপুর, সদরঘাট বা কোনো বস্তিতে বড় হয়েছে; কিন্তু সেখানে একটি স্কুল ছিল, যেখানে সে পড়াশোনা করেছে এবং নিজের জীবন বদলানোর সুযোগ পেয়েছে। আমি ২০১৩ সাল থেকেই এই স্বপ্ন দেখি। এখন ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে, সেই দিন খুব দূরে নয়। আমাদের শিশুদের ফলাফল এবং তাদের অগ্রগতি আমাকে আশাবাদী করে তুলেছে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>মিরপুরে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ১৯তম শাখার উদ্বোধন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/p43lxgv41o</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/p43lxgv41o#comments</comments><guid isPermaLink="false">664b7876-652c-4232-9fb1-8cf5364707de</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:11:24 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:11:24.387Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ডিবিএইচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।]]></description><media:keywords>ঋণ,গৃহঋণ,আর্থিক প্রতিষ্ঠান</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/b2athocc/DBHImage.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর মিরপুর সেকশন-১১ তে ডিবিএইচের ১৯তম শাখাটির উদ্বোধন করা হয়েছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/b2athocc/DBHImage.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশের গৃহঋণ দেওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে তাদের নতুন শাখার উদ্বোধন করেছে। ডিবিএইচের ১৯তম শাখাটি মিরপুর সেকশন-১১–তে এএইচএএল-জিবিডিএল কাজী মর্নিং গ্লোরি ভবনে।</p><p>নতুন এই শাখার মাধ্যমে মিরপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার গ্রাহকদের হোম লোন এবং ফিক্সড ডিপোজিটসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা দেবে।</p><p>ডিবিএইচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিবিএইচের মিরপুর শাখা এই অঞ্চলে আবাসন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে এবং পাশাপাশি কোম্পানির ব্যবসা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।</p><p>ডিবিএইচ ফাইন্যান্স এর আগে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স করপোরেশন লিমিটেড নামে পরিচিত ছিল।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বাস ও অটোরিকশার ভোগান্তির নতুন গন্তব্য কী?</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/yhko5jjoyd</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/yhko5jjoyd#comments</comments><guid isPermaLink="false">71caaf87-5618-4932-8655-fa80aa79da19</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:06:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:06:31.564Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ভোগান্তি,অটোরিকশা</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/49dux8qy/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/49dux8qy/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>আলোচক:</strong></p><p>আদিল মুহাম্মদ খান</p><p>অধ্যাপক, আরবান ও রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়</p><p><strong>সঞ্চালক: </strong></p><p>শামসউজজোহা</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/VXPaFeFtdQY"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>নতুন ব্যবস্থায় প্রথম দিন কেমন চলল বাস</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/7ip1ixtngp</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/7ip1ixtngp#comments</comments><guid isPermaLink="false">19541cac-b80f-4c5b-b7c6-d0c1ed7d0f14</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:06:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:06:11.067Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মো. মামুন</atom:name><atom:uri>/api/author/2301367</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট স্থান থেকে যাত্রী ওঠানামা করানোর কথা ছিল। বাধ্যতামূলক ছিল টিকিট কাটাও। কিন্তু সবকিছুই ছিল আগের মতো।]]></description><media:keywords>পরিবহন,রাজধানী ঢাকা</media:keywords><media:content height="454" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vkf60bm9/Untitled-4.jpg" width="684"><media:title type="html"><![CDATA[ টঙ্গি স্টেশন রোডে ফ্লাইওভারের ওপর ভিআইপি পরিবহনের বাস থামিয়ে চলছে যাত্রী ওঠানামা। ১ অক্টোবর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vkf60bm9/Untitled-4.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেলা ১টা ৩৭ মিনিট। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে এসে থামে ভিআইপি পরিবহনের একটি বাস। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ধরে বাসটি বিমানবন্দরের সামনে যেখানে থেমেছে, সেটি মূল সড়কের মাঝামাঝি। তার কয়েক মিটার সামনে গেলেই বাস থামার নির্ধারিত স্থান। কিন্তু বাসটি এর কোনো তোয়াক্কা না করে মাঝপথেই যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছিল।</p><p>এর ছয় মিনিট পর একই কোম্পানির আরেকটি বাস আসে। এটি যাত্রীতে পূর্ণ ছিল। তাই বাসটি মূল সড়কেই যাত্রী নামিয়ে চলে যায়, নতুন করে কয়েকজন যাত্রী উঠতে চাইলে তাঁদের তোলেনি।</p><p>অথচ রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই দুটি বাসে নির্দিষ্ট স্থানে (বাসস্ট্যান্ড) থেকে যাত্রী ওঠানামা করানোর কথা ছিল। বাধ্যতামূলক ছিল টিকিট কাটাও। কিন্তু তা করা হয়নি। সবকিছুই ছিল আগের মতো, চালক ও তাঁর সহযোগীর ইচ্ছেমতো। এ ছাড়া আশেপাশের এলাকায় চোখে পড়েনি বাসে ওঠার জন্য টিকিট সংগ্রহের কোনো ব্যবস্থা বা বুথও।</p><p>বাস রুট রেশনালাইজেশনার ধারণাটাই এমন যে বাস নির্ধারিত থামার স্থানে থামবে। নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে যাত্রী টিকিট কিনে সারিবদ্ধভাবে বাসে উঠবেন। বাসের ভেতর থাকবে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র। সেখানে যাত্রী ওঠানামার সময় টিকিট স্পর্শ করবেন। জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাসের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার কথা।</p><p>গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার রুটে নন-এসি বাস চালানোর জন্য ভিআইপি পরিবহন বাস কোম্পানিকে দায়িত্ব দিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। দীর্ঘদিন ধরেই কোম্পানিটির বাস চলাচল করছে। তবে এবারের পার্থক্য হচ্ছে এই পথের অন্য সব কোম্পানি মিলে একটি কোম্পানি করা হয়েছে। তাদের একই রঙের বাস চলার কথা নয়। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ রুটে গোলাপি রঙের বাস চালু করা হয়েছিল। তবে তাতে প্রত্যাশিত শৃঙ্খলা ফেরেনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/t3a2pl8r/_dh1844_20261101_whatsapp_image_2026_11_01_at_19_01_06.jpg" /><figcaption>চলন্ত পথে বাসের গতি কমিয়ে চলছে যাত্রী ওঠানামা। ১ নভেম্বর</figcaption></figure><p>ওই সড়কে বেলা ১টা ৫২ মিনিটে একই কোম্পানির আরেকটি বাস থামে বিমানবন্দরের সামনে। এটিও আগের দুটি বাসের মতো যাত্রী ওঠানামা করায় মূল সড়কে। এরপরই আসে একই কোম্পানির আরেকটি গাড়ি, সেটি এসে এই গাড়ির সামনে আড়াআড়ি করে এমনভাবে দাঁড়ায়, যাতে এটি সামনে এগোতে না পারে। এভাবেই চলে বাস দুটির যাত্রী ওঠানামা।</p><p>এরপর ১টা ৫৯ মিনিটে একটি বাসে চড়ে বিমানবন্দর এলাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত যান এই প্রতিবেদক। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার চলার পথে সরকার নির্ধারিত কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। যাত্রী ওঠানামা হয়েছে যত্রতত্র, পুরোনো ব্যবস্থায়। এ ছাড়া নতুন বা এক রঙের কোনো বাসও চোখে পড়েনি। যেসব বাস চলতে দেখা গেছে, তার সবই ছিল পুরোনো, অনেকগুলো লক্কড়ঝক্কড়ও।</p><aside><cite>সোহেল, বাসচালকের সহকারী</cite>আমি যাত্রীদের নতুন ব্যবস্থার কথা বলেছি। কিন্তু কেউ শুনছে না। কাল থেকে গেটলক সার্ভিস চালু করব। যাত্রী পাঁচজন হলেও আমার কোনো সমস্যা নেই। আমরা (চালক ও সহকারী) তো বেতন পামু।</aside><p>যেমন বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়া বাসটির পরবর্তী প্রথম থামার নির্দিষ্ট স্থান ছিল উত্তরার জসীমউদ্‌দীন মোড়–সংলগ্ন। কিন্তু এইটুকু পথেই সাতবার থেমেছে বাসটি। এর মধ্যে চারবার যাত্রী নামাতে এবং তিনবার যাত্রী ওঠাতে।</p><p>এরপর রাজলক্ষ্মী, আজমপুর, বিএনএস পর্যন্ত যেতেও একই অবস্থা ছিল বাসটির। এরপর বাসটি টঙ্গীমুখী ফ্লাইওভারে (বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের জন্য নির্মিত উড়ালসেতু) ওঠে। ওঠার আগেও যাত্রী ওঠানামা করা হয় মূল সড়কেই। ফ্লাইওভারে ওঠার পর ভাড়া নিতে আসেন বাসটির চালকের সহকারী মো. সোহেল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/1r1f1kz6te">পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার</a></aside><p>সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যাত্রীদের নতুন ব্যবস্থার কথা বলেছি। কিন্তু কেউ শুনছে না। কাল থেকে গেটলক সার্ভিস চালু করব। যাত্রী পাঁচজন হলেও আমার কোনো সমস্যা নেই। আমরা (চালক ও সহকারী) তো বেতন পামু।’</p><p>ফ্লাইওভার ধরে এগিয়ে চলা বাসটি উত্তরার হাউস বিল্ডিং পার হয়ে আবদুল্লাহপুরগামী যাত্রীদের ফ্লাইওভারের ওপরে নামিয়ে দেওয়া হয়। আবার সেখান থেকে ওঠেন কয়েকজন যাত্রী। এরপর টঙ্গীবাজার ও টঙ্গীর স্টেশন রোডের যাত্রীদের ওঠানামাও হয় ফ্লাইওভারের ওপর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/i3ziqvpd/_dh1844_20261101_whatsapp_image_2026_11_01_at_19_01_05.jpg" /><figcaption>পাল্লা দিয়ে চলছে বাস। ১ নভেম্বর</figcaption></figure><p>টঙ্গীর স্টেশন রোড থেকে এবার ভিআইপি পরিবহনের আরেকটি বাসে ফেরার পথেও একই রকম চিত্র দেখা গেছে। এভাবে বাসটি বিমানবন্দর এলাকায় আসে। এরপর অপেক্ষা করে যাত্রী তোলার জন্য। এই সময়ে অন্য বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও চলছিল সমানতালে। তবে এই সময়ে স্থানটিতে ট্রাফিক পুলিশের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। বিমানবন্দর স্টেশন থেকে পরের গন্তব্য কাওলা যেতে বাসটি সময় নেয় ১৭ মিনিট। সাধারণত সড়কে যানজট না থাকলে ৭০০ থেকে ৮০০ মিটার দূরত্বের এতটুকু পথ যেতে পাঁচ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়।</p><p>তবে বাসটি কাওলায় এসে দ্রুত পার হয়ে যায়। কাওলায় ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য থাকায় বাসটি সেখানে না থেমে দ্রুত এলিভেটেড এক্সেপ্রেসওয়েতে উঠে যায়।</p><p>ভাড়া নিতে আসা চালকের সহকারীর কাছে নতুন ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজকেই শুরু হইসে। কালকে থেকে গেটলক করে দিমু।’</p><p>বাসটি ফার্মগেট এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নেমে সড়কেই যাত্রী নামিয়ে যায়। অথচ বাস থামার নির্ধারিত স্থান ছিল আরও কয়েক মিটার সামনে। একই অবস্থা দেখা গেছে রাজধানীর আসাদগেট এলাকায়ও।</p><p>রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ রোববার থেকে ছয়টি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এসব রুটে ৭৮০টি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে বাস চলাচল শুরু হয়। এর মধ্যে চারটি রুটে চলবে শুধু নন-এসি বাস। দুটি রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) ও নন–এসি বাস চালানো হবে।</p><p>রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী।</p><p>উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, শুরুতে পুরোনো বাস দিয়েই এই সেবার যাত্রা শুরু হবে। বাসগুলো রং করে নামানো হচ্ছে। পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ছয়টি কোম্পানিকে।</p><p>মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত ১৭ দশমিক ১৮ কিলোমিটার রুটে ১৩৩টি বাস চালাবে চিড়িয়াখানা সিটি বাস কোম্পানি। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে ডেমরা পর্যন্ত ২৪ দশমিক ৪৯ কিলোমিটার রুটে ৭০টি বাস পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ। এই দুটি কোম্পানির বাস ঢাকার রাস্তায় চলাচল করছে।</p><p>এ ছাড়া ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ২৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার রুটে ১৫০টি বাস চালাবে ফোর স্টার বাস লাইন। ঘাটারচর থেকে উত্তরা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার রুটে ১৯০টি বাস পরিচালনা করবে পিএনপি সিটি সার্ভিস। অন্যদিকে টঙ্গী থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার রুটে ২০টি এসি বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ রুটের পরিচালনাকারী কোম্পানি হিসেবে ‘ঢাকা চাকা’র নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>‎প্রস্তাবিত এসব রুটের কয়েকটিতে বর্তমানে একাধিক কোম্পানির বাস চলাচল করছে। এর মধ্যে রয়েছে ভিআইপি, বিকাশ, দিশারী, তানজিল, মেট্রোলিংক, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, রজনীগন্ধ্যা, মালঞ্চ, সময়, মিডলাইন, পরিস্থান ও প্রজাপতি পরিবহন। নতুন ব্যবস্থায় এসব রুটে অন্য কোম্পানির বাস চলাচল বন্ধ করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মানহীন বাল্বে সয়লাব বাজার, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা, করণীয় কী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/tmnderbnjo</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/tmnderbnjo#comments</comments><guid isPermaLink="false">5dd5cf63-971e-4516-b848-01a3691cf536</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:05:02 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:05:02.902Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাজার,বিজ্ঞাপন</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fm78z0sx/Manhin-BulbWaltonImage.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ এলইডি বাল্ব কেনার সময় শুধু দাম ও উজ্জ্বলতা নয়, ওয়াটেজ, লুমেন, সিএম লাইসেন্স নম্বর এবং প্রযোজ্য মানসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fm78z0sx/Manhin-BulbWaltonImage.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দামে কম, আলোও বেশ উজ্জ্বল। তাই কেনার আগে খুব বেশি ভাবতে হয় না। দোকানে সাজানো নাম না–জানা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এলইডি বাল্বের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহের অন্যতম কারণ এই কম দাম। কিন্তু যে বাল্বের আলোয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা, কাজ কিংবা দৈনন্দিন জীবন চলছে, তার মান যাচাই না করেই ব্যবহার করছেন অনেক ক্রেতা। পণ্যের গায়ে লেখা তথ্য, প্রয়োজনীয় সনদ কিংবা আলোর গুণগত মান পরীক্ষা না করেই অনেক ক্ষেত্রে কেনা হচ্ছে এসব বাল্ব।</p><p> রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজার—নানা প্রান্তে কম দামের বাল্বের চাহিদা রয়েছে। আকর্ষণীয় প্রচারণা ও উজ্জ্বল আলো দেখে ক্রেতারা পণ্য বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু বাল্বের দাম কম হলেই সেটি সাশ্রয়ী হয় না। এর স্থায়িত্ব, বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা এবং আলোর মানও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।</p><p><strong>আলো উজ্জ্বল হলেই কি চোখের জন্য ভালো</strong></p><p>একটি বাল্বের আলো চোখের জন্য কতটা আরামদায়ক, তা শুধু উজ্জ্বলতার ওপর নির্ভর করে না। আলোর স্থিতিশীলতা ও রঙের বৈশিষ্ট্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নমানের ড্রাইভার–সার্কিটের কারণে কিছু এলইডি বাল্বে দেখা দিতে পারে ‘ফ্লিকারিং’। অর্থাৎ, আলো খুব দ্রুত ওঠানামা করে। এই ওঠানামা অনেক সময় খালি চোখে স্পষ্ট বোঝা যায় না।</p><p>এ ধরনের আলোর সংস্পর্শে দীর্ঘ সময় কাজ বা পড়াশোনা করলে কারও কারও চোখে চাপ, অস্বস্তি কিংবা মাথাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এসব উপসর্গের পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই আলোর মান যাচাই করা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।</p><p>এ বিষয়ে বাংলাদেশ আই হসপিটালের চক্ষুবিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘কিছু নিম্নমানের বা মান যাচাই না করা এলইডি লাইটে নীল আলোর আধিক্য কিংবা আলোর ওঠানামার সমস্যা থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় এমন আলোয় কাজ করলে চোখে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।’</p><p>আশরাফুল হক আরও বলেন, ‘ফ্লিকারিংয়ের কারণে কারও মাথাব্যথা, চোখে চাপ অনুভূত হওয়া কিংবা চোখ ভারী লাগতে পারে। কিছুক্ষণ কাজ করার পর আর স্বস্তি না পাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবার আলোর তীব্রতা প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি হলেও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।’</p><p>তাই বাল্ব কেনার সময় শুধু আলো কতটা উজ্জ্বল, তা দেখলেই হবে না; আলোর মান এবং পণ্যটি নির্ধারিত মান পূরণ করছে কি না, সেদিকেও নজর দিতে হবে বলে জানান তিনি।</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/IWmZ5kRXICA?t=2"></iframe></figure><p><strong>প্যাকেটে কী আছে, যাচাই করছেন তো</strong></p><p>কোন বাল্ব মানসম্মত, তা বুঝবেন কীভাবে? এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সিএম বা সার্টিফিকেশন মার্ক লাইসেন্সের তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত এলইডি লাইট কেনার সময় প্যাকেটে সিএম লাইসেন্স নম্বর আছে কি না, সেটি দেখতে হবে। পাশাপাশি পণ্যের ওয়াটেজ ও লুমেনের তথ্য যাচাই করা উচিত। ওয়াটেজ থেকে বাল্বের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধারণা পাওয়া যায়, আর লুমেন দিয়ে বোঝা যায় বাল্বটি কতটা আলো দিচ্ছে। তবে এসব তথ্যের উপস্থিতিই পণ্যটি মানসম্মত হওয়ার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, সনদের বৈধতাও নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত প্রযোজ্য মানসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, এলইডি লুমিনেয়ারের ক্ষেত্রে বিডিএস আইইসি ৬২৭২২-২-১:২০২৫ এবং বিডিএস ২০৫৩:২০২৫ মানের উল্লেখ রয়েছে।</p><p>বাজারে পরিচিত ব্র্যান্ডের পণ্য বেছে নেওয়া ও নির্ভরযোগ্য বিক্রেতার কাছ থেকে কেনা ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।</p><p><strong>লাইসেন্স দেওয়ার আগে বিএসটিআই যেসব পরীক্ষা করে</strong></p><p>এলইডি লাইটের মান যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিএসটিআইয়ের পরিচালক (পদার্থ) প্রকৌশলী মুবিন উল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এলইডি লাইট বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকার অন্তর্ভুক্ত। কোনো প্রস্তুতকারক বা আমদানিকারক লাইসেন্স কিংবা ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। দেশীয় পণ্যের ক্ষেত্রে কারখানা পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আমদানি করা পণ্যের ক্ষেত্রে বন্দর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।’</p><p>মুবিন উল ইসলাম আরও বলেন, এলইডি লাইট কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে, কতটা আলো দিচ্ছে এবং সেই আলোর সহনীয়তা কেমন—এসব বিষয় নির্ধারিত মান অনুযায়ী যাচাই করা হয়। এর মধ্যে কালার রেন্ডারিং ইনডেক্স (সিআরআই) ও কালার টেম্পারেচারের মতো বিষয়ও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মানের শর্তগুলো পণ্যটি পূরণ করছে কি না, পরীক্ষার মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়।</p><p>অর্থাৎ, একটি এলইডি বাল্বের মান যাচাই কেবল সেটি জ্বলছে কি না কিংবা আলো বেশি দিচ্ছে কি না, তা দেখার বিষয় নয়। বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা, আলোর পরিমাণ ও গুণগত বৈশিষ্ট্যও নির্ধারিত মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়।</p><p>তাই শুধু পণ্যের গায়ে বিএসটিআইয়ের নাম বা চিহ্ন দেখেই নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয়। লাইসেন্স নম্বর ও প্রযোজ্য সনদের বৈধতা যাচাই করা জরুরি। প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলে বিক্রেতার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা যাচাই করা যেতে পারে।</p><p><strong>কিছু টাকা বাঁচাতে মানের সঙ্গে আপস নয়</strong></p><p>একটি বাল্ব কেনার সময় সামান্য কিছু টাকা বাঁচানোই একমাত্র বিবেচনা হলে পণ্যের স্থায়িত্ব, বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা ও আলোর গুণগত মানের মতো বিষয় আড়ালে পড়ে যেতে পারে। অথচ প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত এই পণ্যের ক্ষেত্রে কেনার আগের সামান্য সতর্কতাও গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>তাই এলইডি বাল্ব কেনার সময় শুধু দাম ও উজ্জ্বলতা নয়, ওয়াটেজ, লুমেন, সিএম লাইসেন্স নম্বর এবং প্রযোজ্য মানসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। আলোতে দীর্ঘ সময় কাজ করার পর চোখে অস্বস্তি, মাথাব্যথা কিংবা ঝাপসা দেখার সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও জরুরি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আবার হামলা হলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি ইরানের</title><link>https://www.prothomalo.com/world/z3t1xu5c2b</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/z3t1xu5c2b#comments</comments><guid isPermaLink="false">30c652d7-4a69-45a4-bd3c-5a7bcb3c59e2</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:00:10 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:00:10.597Z</atom:updated><atom:author><atom:name>এএফপি </atom:name><atom:uri>/api/author/1427842</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ইরান,যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ,যুদ্ধ,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><category>বিশ্ব</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-10/avh6ybf3/4.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা </figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ আগের সংঘাতের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান বলেছে, নতুন কোনো যুদ্ধ কত দিন চলবে, তা নির্ধারণের সুযোগ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের থাকবে না।</p><p>আজ রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যুদ্ধ শুরু হলে তা আগের সংঘাতের চেয়ে দীর্ঘ হতে পারে। যুদ্ধ কখন শেষ হবে বা কী শর্তে এর সমাপ্তি ঘটবে, তা ঠিক করার অবস্থানে থাকবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। </p><p>তিনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র লড়াইয়ের পর্যায়ের কথা উল্লেখ করেন। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও লেবানন ও ইয়েমেনে লড়াইয়ে যোগ দেয়।</p><p>ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘিও যেকোনো হামলার জবাবে সমানুপাতিক, চূড়ান্ত ও জোরালো জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা হুমকি সৃষ্টি করছে, তারা ইরানের প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের পরিধি, সময় বা পরিণতি নির্ধারণ করতে পারবে না। একই দিনে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির আগের দিনের লিখিত বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেন। মোহেব্বি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না। শত্রুর ক্ষতিসাধনের জন্য বিস্তৃত যুদ্ধক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/2e5cw5g5/Untitled-3.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানে ‘এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তু’ বাকি, দাবি ট্রাম্পের</h3><p>এর আগে গতকাল শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ ধ্বংস করেছে। দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। </p><p>তবে ট্রাম্প বলেন, ইরানে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে, যেগুলো মাত্র ১০ মিনিটে ধ্বংস করা সম্ভব। এ সময় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামের একটি সন্দেহজনক ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে সেখানে কোনো পারমাণবিক কর্মকাণ্ড চালানোর কথা অস্বীকার করেছে ইরান সরকার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/4e6h7eeuye">ইরানের কট্টরপন্থীরা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিরও অভিশংসন চায় তারা </a></aside><p>ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে। তবে তিনি বলেন, তেহরানকে খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন নতুন কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক পদক্ষেপ নিতে তাড়াহুড়া করছে না।</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শনিবার বলেন, ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে ট্রাম্প এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রেখেছে ওয়াশিংটন।</p><p>এদিকে সম্প্রতি আবার সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করেছে ইরান। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক–পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। এ অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/e2o98o9slb">ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে, বললেন ট্রাম্প</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/ril9kyq0pv">দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে ‘জানফেদা’, যুক্ত তিন কোটি ইরানি, আছেন তরুণীরাও</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ নিয়ে সুনামগঞ্জ বন্ধুসভার পাঠচক্র</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/bj2yvlu9b3</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/bj2yvlu9b3#comments</comments><guid isPermaLink="false">7ddb6d02-b5a0-4370-9b38-5d4c6b9c851a</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 16:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T16:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কাব্যোপন্যাসটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে সোজন ও দুলীকে ঘিরে। ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হয়েও তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক। কিন্তু ব্যক্তিগত অনুভূতির চেয়ে সমাজের প্রচলিত বিভেদ, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা যখন অধিক প্রভাব বিস্তার করে, তখন তাদের ভালোবাসাও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়।]]></description><media:keywords>সুনামগঞ্জ,সারাদেশ,বন্ধুসভার পাঠচক্র</media:keywords><media:content height="1074" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y8h58dox/Sunamganj-bs-book-ghat.jpg" width="1598"><media:title type="html"><![CDATA[ সুনামগঞ্জ বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y8h58dox/Sunamganj-bs-book-ghat.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীনের কালজয়ী কাব্যোপন্যাস ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’। এটি গ্রামবাংলার প্রকৃতি, লোকজ সংস্কৃতি, সামাজিক বাস্তবতা, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য সাহিত্যিক উপস্থাপন। ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত কাব্যোপন্যাসটি পাঠককে এমন এক গ্রামীণ জনপদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়, যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের জীবন একে অপরের পরিপূরক।</p><p>বইটি গ্রামবাংলার প্রকৃতির জীবন্ত চিত্রায়ণ। নদী, খাল, বিল, সবুজ মাঠ, ফসলের খেত, গাছপালা, পাখির ডাক, মেঠোপথ কিংবা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা—প্রতিটি বিষয় লেখক এমন মমতা ও নৈপুণ্যের সঙ্গে তুলে ধরেছেন, যেন পাঠক বইয়ের পৃষ্ঠা ছেড়ে বাস্তবেই কোনো গ্রামীণ জনপদে উপস্থিত হয়েছেন। প্রকৃতি এখানে নিছক সৌন্দর্যের উপাদান, মানুষের জীবন, অনুভূতি ও অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p><p>কাব্যোপন্যাসটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে সোজন ও দুলীকে ঘিরে। ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হয়েও তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক। কিন্তু ব্যক্তিগত অনুভূতির চেয়ে সমাজের প্রচলিত বিভেদ, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা যখন অধিক প্রভাব বিস্তার করে, তখন তাদের ভালোবাসাও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। লেখক এই সম্পর্কের মধ্য দিয়ে শুধু দুটি মানুষের আবেগ-অনুভূতিই প্রকাশ করেননি; তৎকালীন সমাজব্যবস্থার অসংগতি ও মানুষের তৈরি বিভাজনের বাস্তব চিত্রও তুলে ধরেছেন।</p><p>বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিক হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে হিন্দু-মুসলমানের পারস্পরিক সহাবস্থান ও সম্প্রীতির চিত্র। একই গ্রামের দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আনন্দ-বেদনা ভাগ করে নেওয়া, একে অপরের উৎসব-পার্বণে অংশগ্রহণ, সামাজিক অনুষ্ঠানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া—এসব বিষয় লেখক অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। কোথাও ধর্মীয় পরিচয় মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়নি; মানবিক সম্পর্কই প্রাধান্য পেয়েছে।</p><p>বিশেষ করে গ্রামীণ সমাজের এমন কিছু চিত্র পাঠককে ভাবিয়ে তোলে, যেখানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। এক সম্প্রদায়ের আনন্দে অন্য সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ কিংবা একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সামাজিক সম্প্রীতি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে।</p><p>বর্তমান সময়ের সামাজিক বাস্তবতায়ও এর বার্তা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া, পারস্পরিক অসহিষ্ণুতা কিংবা বিভাজনের প্রবণতা আমাদের সমাজে বিভিন্ন সময়ে পরিলক্ষিত হয়। অথচ জসীমউদ্‌দীন তাঁর এই সাহিত্যকর্মে এমন এক গ্রামীণ সমাজের চিত্র এঁকেছেন, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের পাশাপাশি মানবিক সম্পর্কও সমান গুরুত্ব পেয়েছে। মানুষের মধ্যে বিভেদের স্থান নেই। সম্প্রীতি ও সহমর্মিতাই যে সমাজকে সুন্দর করে তুলতে পারে, বইটি যেন সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।</p><p>সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। লেখকের ভাষা, ছন্দ, উপমা ও আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার কাব্যোপন্যাসটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। গ্রামীণ মানুষের মুখের ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতিকে সাহিত্যে তুলে ধরার ক্ষেত্রে জসীমউদ্‌দীনের দক্ষতা অনস্বীকার্য। তাঁর লেখায় কৃত্রিমতার চেয়ে স্বাভাবিকতা বেশি, আর সেই স্বাভাবিকতাই পাঠকের সঙ্গে কাহিনির এক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করে।</p><p>লেখক গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্যই তুলে ধরেননি, তিনি এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা দারিদ্র্য, সামাজিক অবস্থান, জীবনসংগ্রাম, শ্রেণিগত বৈষম্য ও নানা সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেছেন। ফলে গ্রামবাংলার যে চিত্র পাঠকের সামনে প্রতিভাত হয়, তা কেবল কল্পনার কোনো সৌন্দর্যমণ্ডিত জগৎ নয়; বরং বাস্তব জীবনের নানা অনুষঙ্গে সমৃদ্ধ একটি সমাজের প্রতিচ্ছবি।</p><p>৩১ অক্টোবর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরিতে জসীমউদ্‌দীনের বিখ্যাত ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ বইটি নিয়ে পাঠচক্র করেছে সুনামগঞ্জ বন্ধুসভা। পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সৌরভ সরকার, সাধারণ সম্পাদক তাজকিরা হক, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক শাহজাহান আলম সিদ্দিকী, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার পাল, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সম্পাদক নাছিফ আজিজ চৌধুরী, বন্ধ আরিফুল ইসলাম, সাফওয়ান হাসান, তাসনিম নিগার ও অনিক দাস।</p><p><em><strong>বন্ধু,</strong></em> সুনামগঞ্জ বন্ধুসভা</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাজপথ কাউকে ‘মৌরসি পাট্টা’ দেওয়া হয়নি যে আমরা চুপ করে বসে থাকব: রিজভী</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/097vqju2h2</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/097vqju2h2#comments</comments><guid isPermaLink="false">7e00c939-57da-43bf-a36a-311a91531eee</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:59:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:59:19.756Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সংবিধান,বিএনপি,সমাবেশ,রাজনীতি,সংস্কার,বিএনপি সরকার,রুহুল কবির রিজভী</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/lrxi27rt/Ruhul-Kabir-Rizvi.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/lrxi27rt/Ruhul-Kabir-Rizvi.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচি ও একের পর এক আলটিমেটামের সমালোচনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপি ১৭ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম, নির্যাতন ও অসংখ্য নেতা-কর্মীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘রাজপথ বা আন্দোলনের মাঠ কাউকে মৌরসি পাট্টা (পুরুষানুক্রমে ভোগ দখলের বন্দোবস্ত) দেওয়া হয়নি যে আপনারা একের পর এক উসকানি দেবেন আর আমরা চুপ করে বসে থাকব।’</p><p> আজ রোববার পুরান ঢাকার আইনজীবী সমিতি ভবনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এই হুঁশিয়ারি দেন।</p><p> যাঁরা অতীতে স্বৈরাচারের কাছে নতজানু হয়েছিলেন এবং নিজেদের বিকিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের মুখে এখন বিপ্লবের কথা মানায় না বলে মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জনগণের কাছে সবার অতীত ইতিহাস পরিষ্কার।</p><p>বক্তব্যে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অভিযোগ করেন, দেশে যখন বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানোর উদ্যোগ চলছে, তখন আন্দোলনের নামে সংঘাত সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন বিভিন্ন দেশ সফর করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করছেন, তখন গার্মেন্ট খাতসহ রাজপথে হঠাৎ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।</p><p>সম্প্রতি যানবাহনে আগুন দেওয়া ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ‘পরাজিত স্বৈরাচারী শক্তির দোসর’ বলে দাবি করেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, দল এসবের মূল ভাবনার বিরোধিতা করছে না। তবে জাতীয় পর্যায়ের যেকোনো সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তের সমাধান গণতান্ত্রিক পথেই হতে হবে। সংবিধানকে একটি জাতির ‘আত্মজীবনী’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজনে এতে বিভিন্ন সংশোধনী আসে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি বা অন্য দলগুলোর ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) থাকতেই পারে। তবে এসবের সমাধান লংমার্চ কিংবা সড়ক অবরোধ করে সম্ভব নয়; সমাধান হতে হবে আলোচনার টেবিলে এবং জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে।</p><p>বক্তব্যের শুরুতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাড়ে তিন দশকের ঐতিহ্য স্মরণ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আদালত প্রাঙ্গণই ছিল তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল। এ সময় নিজের টানা ৩৫ দিনের রিমান্ডের স্মৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনজীবীদের সম্মিলিত প্রতিবাদ ও আইনি লড়াই না থাকলে তাঁদের ওপর জুলুমের মাত্রা আরও বাড়ত। বিচার বিভাগের দলীয়করণের অভিযোগ তুলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড এবং তাঁর সঙ্গে তৎকালীন বিচারব্যবস্থার দুরভিসন্ধিমূলক আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।</p><p>জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের আহ্বায়ক খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বোরহানউদ্দিন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহসিন মিয়া ও গোলাম মোস্তফা, জেলা পিপি ইকবাল হোসেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী প্রমুখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন ইউনিটের সদস্যসচিব নিহার হোসেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>খুলনায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/v5lhw2kkfc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/v5lhw2kkfc#comments</comments><guid isPermaLink="false">00d56745-5006-45b7-9d9c-d3117c325237</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:58:53 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:58:53.978Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিএনপি,কুপিয়ে হত্যা,খুলনা,অপরাধ,খুলনা সিটি,খুন,খুলনা বিভাগ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/qajn5jrj/Khulna.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ নিহত হুমায়ুন কবির]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/qajn5jrj/Khulna.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ রোববার সন্ধ্যায় নগরের আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহল এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>এ নিয়ে ১৯ ঘণ্টার ব্যবধানে খুলনায় দুজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটল। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে নগরের লবণচরা এলাকার সড়কের ওপর থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশের ভাষ্য, দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যার পর সড়কে লাশ ফেলে যায়।</p><p>নিহত হুমায়ুন নগরের আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহল এলাকার সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। খুলনা মহানগর বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান তাঁর (হুমায়ুন) দলীয় পদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/otlk3qzje0">খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, লাশ পড়ে ছিল সড়কের ওপর</a></aside><p>স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজের রেস্তোরাঁয় বসে ছিলেন হুমায়ুন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় প্রথম আলোকে বলেন, নগরের মোস্তফার মোড়ে আরাফাত নামের এক দোকানদারের কাছ থেকে কয়েক দিন আগে রেফ্রিজারেটর কিনেছিলেন হুমায়ুন। এর কিছু টাকা বকেয়া ছিল। আজ সন্ধ্যায় আরাফাত ও তাঁর ভাই বকেয়া টাকা চাইতে গেলে হুমায়ুনের সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে তাঁরা ফিরে গিয়ে সহযোগীদের নিয়ে এসে হুমায়ুনকে কুপিয়ে জখম করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে নিহত ব্যক্তির অন্য কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e9a44k6763">খুলনায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে যুবদলের দুই নেতাসহ তিনজনকে গুলি</a></aside><p>এর আগে গতকাল রাত ১১টার দিকে নগরের লবণচরা এলাকায় দরগা কাশেমিয়া মসজিদ–সংলগ্ন সড়ক থেকে শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা।</p><p>পুলিশ জানায়, দু–তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন শহীদুল। গতকাল বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বের হন। পরে রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/b1xxirl465">খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী</a></aside><p>খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নিহত শহীদুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও ছিল। পূর্বশত্রুতা অথবা মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তারও করা যায়নি।</p><p>খুলনায় সম্প্রতি একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ২২ অক্টোবর ভোরে নগরের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন সন্ধ্যার পর জিন্নাহপাড়া এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় খুশি (২৫) নামের এক গৃহবধূকে। এ ছাড়া ২৯ মে নগরের সোনাডাঙ্গা থানার তমিজউদ্দিন সড়কের দারুস আমান মহল্লার একটি ভাড়া বাসায় বেবি বেগম (৬০), তাঁর নাতি শামীম ব্যাপারী (১৪) ও মুস্তাকিন (৪) খুন হন।</p><p>চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে খুলনায় গুলি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতসহ বিভিন্নভাবে ৭৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের অধিকাংশের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিরোধের মতো কারণ আছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/treatise/9fg60hgaps</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/treatise/9fg60hgaps#comments</comments><guid isPermaLink="false">9322f0ce-eab4-4d17-a31a-c2b4a7092fe1</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:51:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:51:39.602Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মাহবুব আলম</atom:name><atom:uri>/api/author/1258763</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নিবন্ধ-অন্য আলো,অন্য আলো,নিবন্ধ,হাতি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/9d05x1x2/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.08.38-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/9d05x1x2/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.08.38-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>treatise</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মোগল বাহিনীর হয়ে বাংলাদেশে ১৬ বছর যুদ্ধ করেন মির্জা নাথান। সে ইতিহাস তিনি লিখেছেন ‘বাহারীস্তান-ই-গায়বী’ বইটিতে। প্রতিপক্ষ হলেও বারভূঁইয়াদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা লিখেছেন তিনি। ভোলেননি সেসব হাতির কথা, যেগুলোর কাছে মোগল বাহিনী নাকাল হয়েছে। ‘মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি’ শিরোনামে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে ইতিহাসের সেই কিংবদন্তিগাথা প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর। আজ লেখাটি অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।</p><p>মহাভারত থেকে আইন-ই-আকবরী সর্বত্র একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে আছে হাতি। মগধ রাজ্যের হাতির খুব নামডাক শুনে গ্রিক সেনারা আর এগোতে না চাওয়ায় আলেকজান্ডারকে ফিরে যেতে হয়েছিল। এটা স্কুলের ছাত্ররাও জানে। পাল ও সেন রাজাদের হাতিবহরের কথা তাঁদের সভাকবিরা ‘বিশেষণে সবিশেষ লিখে’ গেছেন প্রশস্তি ও তাম্রলিপিতে। মোগল যুগের আঁকা ছবিতে মোগল হাতির দাপট, দেহসৌষ্ঠব, সদম্ভ পদচারণ আজও রীতিমতো সম্ভ্রম আদায় করে। বাংলার নবাবদেরও ছিল যুদ্ধে সুশিক্ষিত হাতির বিশাল বাহিনী। পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার হস্তী বাহিনী নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের কূটচালে।</p><p> উপমহাদেশের ঐতিহাসিক প্রায় সব যুদ্ধের জয়-পরাজয়ে হাতির ছিল বিশাল ভূমিকা। ভারতে মুসলমান অভিযানের সাফল্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মো. হাবিবুল্লাহ মুসলমান বাহিনীর সুশিক্ষিত ঘোড়ার ত্বরিতগতির আক্রমণকে বিজয়ের একটি বড় কারণ হিসেবে শনাক্ত করেছেন। পক্ষান্তরে হাতিবহরের ওপর ভারতীয় বাহিনীর নির্ভরশীলতা স্থানীয় রাজাদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রমাণ করতে চেয়েছেন তিনি। সহজেই দিক পরিবর্তনে সমর্থ দ্রুতগতিসম্পন্ন ঘোড়ার তুলনায় বিশাল এবং ধীরগতির হাতি আগন্তুক মুসলমান বাহিনীর সঙ্গে শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। উত্তর ভারতের শুষ্ক আবহাওয়ায় এবং বৃষ্টিবিহীন মাঠঘাটে ঘোড়ার এই তুলনামূলক সুবিধাগুলো নদীমাতৃক, বৃষ্টিবহুল জলাজঙ্গুলে বাংলাদেশের ভেজা স্যাঁতসেঁতে যুদ্ধের মাঠে অনেকটাই অকেজো হয়ে দাঁড়ায়। উত্তর ভারতের যুদ্ধের প্রান্তরে ঘোড়ার দাপট বাংলামুলুকে এসে অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছিল। এর প্রমাণ রয়েছে ইংরেজ বণিক র‍্যালফ ফিচের (১৫৮৩-১৫৯০) বর্ণনায়, যিনি আকবরের জন্য রানি এলিজাবেথের চিঠি নিয়ে হিন্দুস্থানে এসেছিলেন।</p><p>ফিচ দুবার বাংলায় আসেন—১৫৮৩ ও ১৫৮৪ সালে। তখন দখলদার মোগল শাসন সবেমাত্র বাংলায় ভিত গেড়ে বসার চেষ্টা করছে; আর দক্ষিণ বাংলায় স্বাধীনতাকামী বারভূঁইয়াদের সঙ্গে মোগলদের যুদ্ধ লেগেই রয়েছে। সম্মুখযুদ্ধ ছাড়াও বারভূঁইয়ারা কিছুটা আধুনিক গেরিলা যুদ্ধের ধরনে আকবরের বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত রাখার কৌশল নিয়েছিল। স্থানীয় অধিবাসীদের আকবরের প্রতি বিরোধিতা বেশ ভালোভাবেই ধরা পড়েছিল ফিচের চোখে। আকবরের ঘোড়াগুলোর নাকাল হওয়ার ঘটনাও তাঁর রচনায় ধরা পড়েছে, ‘...বাংলাদেশের চাটিগাঁও থেকে আমি বাকোলোতে আসি। ...বাকোলো থেকে আমি সিরিপুরে যাই। এটি গঙ্গা নদীর ওপর অবস্থিত। রাজার নাম চাঁদ রায়। কাছাকাছি সব দেশের লোকেরা জালালউদ্দিন আকবরের বিরোধী। এ দেশে এত নদী আর দ্বীপ যে লোকে এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে পালিয়ে যায়। আকবরের ঘোড়সওয়ারেরা তাদের কিছুই করতে পারে না...।’</p><p>বারভূঁইয়ারা নিজেদের কোনো ইতিহাস লিখে রেখে যাননি। বাংলাদেশের সে সময়কার অবস্থা জানার উপায় পর্যটক ইবনে বতুতার বিবরণ ও চীন দেশের সরকারি প্রতিবেদন। মোগল সেনানী মির্জা নাথান যদি বাংলার মোগল বনাম বারভূঁইয়ার যুদ্ধবিগ্রহ এবং তাঁদের আত্মসমর্পণের একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস না লিখতেন, তাহলে বারভূঁইয়াদের ইতিহাস বা তাঁদের হাতির বহর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ অসম্ভব হয়ে দাঁড়াত। বারভূঁইয়ার বশ্যতা আদায়ের জন্য মোগল বাহিনীর হয়ে বাংলাদেশে ১৬ বছর যুদ্ধ করেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ হিসেবে তাঁর লেখার মূল্য অপরিসীম। এই প্রামাণ্য দলিলটি না থাকলে বারভূঁইয়াদের বীরত্বগাথা, তাঁদের আত্মত্যাগ এবং স্বাধিকার রক্ষার্থে জীবনপণ যুদ্ধ—সবই বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেত।</p><p>মির্জা নাথানের বইটির নাম বাহারীস্তান-ই-গায়বী। বীর বারভূঁইয়াদের সর্বশক্তি দিয়ে মোগল শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, ক্রমান্বয়ে তাঁদের পরাজয় এবং আত্মসমর্পণের লোভনীয় প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে খাজা ওসমানের আমরণ প্রতিরোধ চালিয়ে দেশের স্বাধিকারের জন্য জীবনদানের অসামান্য কাহিনি লিখেছেন তিনি। লিখেছেন পূর্ববাংলার নদ-নদী, জলাজঙ্গল, পাখপাখালির কথা। এই বই থেকেই আমরা প্রথম জানতে পারি যে জাহাঙ্গীরের আমলে মোগলদের অধিকার থেকে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে প্রকৃত নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুসা খাঁ মসনদে আলা ও তাঁর মিত্ররা এবং ভাটির অবিসংবাদিত নেতা খাজা ওসমান। অনেকের মতে, মুসা খাঁ ও খাজা ওসমান ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোগলদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অংশ নিলে বাংলার ইতিহাস হয়তো ভিন্ন পথে মোড় নিত।</p><p>এই যুদ্ধে বাংলার হস্তী বাহিনীর ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। নাথান সেই সব হাতির কথাও লিখেছেন। তিনি ছিলেন পশুপ্রেমী। তাঁর ছিল অসাধারণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। হাতির জীবনপ্রণালি জানতেন তিনি, হাতির মর্জি-মেজাজ আর যুদ্ধক্ষেত্রে তার আবশ্যিকতা বুঝতেন; যুদ্ধক্ষেত্রে হাতিকে উজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া ছিল তাঁর নখদর্পণে।</p><blockquote>ফিচ দুবার বাংলায় আসেন—১৫৮৩ ও ১৫৮৪ সালে। তখন দখলদার মোগলশাসন সবে বাংলায় ভিত গেড়ে বসার চেষ্টা করছে; আর দক্ষিণ বাংলায় স্বাধীনতাকামী বারভূঁইয়াদের সঙ্গে মোগলদের যুদ্ধ লেগেই রয়েছে। সম্মুখযুদ্ধ ছাড়াও বারভূঁইয়ারা কিছুটা আধুনিক গেরিলা যুদ্ধের ধরনে আকবরের বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত রাখার কৌশল নিয়েছিল।</blockquote><p>মোগলদের সঙ্গে বাংলার বারভূঁইয়াদের যুদ্ধে হাতির গুরুত্ব বুঝতে একটিমাত্র মাপকাঠিই যথেষ্ট। সেটি হলো মোগল বাহিনীর বারভূঁইয়াদের দেওয়া আত্মসমর্পণের শর্তাবলি, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হাতি–সম্পর্কিত শর্তটি। শর্তটি এই—পরাজিত ভূঁইয়াদের হাতিশালার সব ‘ফিলান-ই-দান্দানদার’ অর্থাৎ সব দাঁতাল হাতি মোগল ফৌজের হাতে সমর্পণ করতে হবে। সঙ্গে থাকবে এক পুত্র বা ভাই। আত্মসমর্পণকারী ব্যবহারের জন্য কয়েকটি মাদি হাতি রাখতে পারবে। বেশির ভাগ নৌকাই বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছিল এবং বড় বড় নৌকা ভেঙে ফেলা হচ্ছিল। হাতি আর নৌকা থাকলে বাংলার জলাজঙ্গলে ঘোড়া নয়, হাতিই যুদ্ধের প্রধান সহায়। বন–জঙ্গল আর অগভীর জলা ভেঙে ঘোড়ার পক্ষে চলাচল প্রায় অসম্ভব। শুধু যুদ্ধের মাঠে তো বটেই, ভারী কামান, কামানের গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের অন্যান্য রসদ এই জলাজঙ্গলের পথে নিরাপদে বয়ে নেওয়ার জন্যও হাতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। হাতি নিজেই একটি মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র—অনেকটা আধুনিক যুগের ট্যাংকের মতো পদাতিক ও ঘোড়সওয়ার বাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করতে বেজায় পারঙ্গম।</p><p>মির্জা নাথান চর মারফত যুদ্ধে তাদের হাতিগুলোর হিংস্রতা এবং রণক্ষেত্রে দক্ষতা সম্পর্কে আগাম খবর রাখতেন। প্রতিপক্ষের হাতিগুলোর যুদ্ধে অভিজ্ঞতা ও যুদ্ধের ধরন মাথায় রেখেই তিনি সেনা দল সাজাতেন। যাতে সুযোগমতো ধারালো তরবারি দিয়ে পা কেটে ফেলে হাতিগুলোকে অকেজো করে দেওয়া যায়; ভূঁইয়াদের হাতির আক্রমণে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি যেন কম হয়। মির্জা নাথান তাঁর গ্রন্থে ওসমানের হাতিগুলোর যুদ্ধনৈপুণ্য নিয়ে ‘ওসমানের হাতির অদ্ভুত কৌশল’ নামে একটি উপপরিচ্ছেদ লিখেছেন।</p><p>ইতিহাসবিদ আর সি মজুমদার খাজা ওসমানের দুটি প্রধান হাতির নাম উল্লেখ করেছেন—বাজ ও বাখতা। মির্জা নাথান খাজা ওসমানের আরও কয়েকটি তারকা হাতির নাম উল্লেখ করেছেন—অনুপা, সিঙ্গালি বা সিংহলি, দাস্তা, শতরঞ্জি ইত্যাদি। মোগল হাতিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাঘদলন, বালসুন্দর, চঞ্চল, ফাতহা, গোপাল ও রণসিঙ্গার। সিলেটের প্রখ্যাত ভূঁইয়া বায়েজিদের প্রধান হাতির নাম আবর। এ ছাড়া তাঁর আরও নয়টি প্রধান হাতি ছিল। নাথান লিখেছেন, বাঙালিদের হাতিগুলো মোগল সেনাদের অনেকবার ছত্রভঙ্গ করেছে।</p><p>খাজা ওসমান জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মোগলদের কাছে আত্মসমর্পণের প্রস্তাব ঘৃণাভরে ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন দিয়ে অনন্য বীরত্বগাথা রেখে গেছেন। খাজা ওসমানের প্রতি মোগলদের আত্মসমর্পণের শেষ এবং চরমপত্রের কিছু অংশ মির্জা নাথানের লেখা থেকে তুলে দেওয়া যাক। আত্মসমর্পণের প্রস্তাবের বলা হয় ‘...যদি তিনি [খাজা ওসমান] বাদশাহ সালামতের [সম্রাট জাহাঙ্গীর] কাছে আত্মসমর্পণ করেন, তবে তাঁকে ক্ষমা করা হবে এবং তিনিও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ পাবেন...বাদশাহর আদেশে পাঁচ হাজারি মনসবদারের মর্যাদা গ্রহণ করা হবে। তাঁর জন্য বাদশাহর পক্ষ থেকে চিরস্থায়ী অনুগ্রহ।’ বারবার তাগাদা সত্ত্বেও খাজা ওসমান বশ্যতা স্বীকার করেননি।</p><p>মির্জা নাথান ওসমানের কথা লিখেছেন বস্তুনিষ্ঠভাবে; পরাজিত শত্রুকে তিনি বিদ্বেষবাণে বিদ্ধ করেননি, তাঁর চরিত্রহরণও করেননি। সব পূর্ব তথ্য বাতিল করে নাথানই আমাদের জানান যে দৌলাম্বাপুরের যুদ্ধে ওসমান বন্দুকের গুলিতে নয়, তিরের আঘাতে অন্ধ হয়ে যান। তবু তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সম্ভবত এই যুদ্ধক্ষেত্রেই তাঁর মৃত্যু হয়; তাঁর লাশ নিয়ে ওসমানের পুত্র ও ভাইয়েরা অকস্মাৎ যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করেন। চাপের মুখে থাকা মোগল বাহিনী প্রথমটা বিশ্বাস করতে পারেনি যে তাদের প্রতিপক্ষ যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর অবশ্য খাজা ওসমানের পুত্ররা আবার যুদ্ধের ময়দানে ফিরে এসে প্রবলবেগে মোগলদের আক্রমণ করেন। এই দৌলাম্বাপুরের যুদ্ধে ওসমানের হাতির যে যুদ্ধনৈপুণ্য দেখিয়েছে, তাঁর বিশ্বস্ত বিবরণ দিয়েছেন নাথান। যুদ্ধের এক পর্যায়ে ওসমানের হাতি বাখতা নাথানের জীবন সংশয় করে তুলেছিল। শত্রুপক্ষের হাতি বলে নাথান কিন্তু কোনো অসত্যচারণের আশ্রয় নেননি।</p><p>মাতঙ্গের জমিদার পাহলোয়ান ছিলেন সবচেয়ে সাহসী এবং বীরযোদ্ধা। তিনি তাঁর প্রতিপক্ষ মোগল শামসুদ্দিনকে পরাজিত ও নিহত করে নিজেও যুদ্ধে নিহত হন। নাথানের লেখায়ই আমরা জানতে পারি, পাহলোয়ানের বিখ্যাত হাতি বাজের বীরত্বপূর্ণ কাহিনি। বাজ ফটক ভেঙে শত্রুর দুর্গের ভেতরে সহজেই ঢুকে যেত। বাজের পায়ে ঝুলে ঝুলে পাহলোয়ানের সেনারা দুর্গে ঢুকে হাতাহাতি যুদ্ধে নিহত হয়েছিল। মোগল সেনারা বাজের চারটি পা-ই কেটে টুকরা টুকরা করে ফেলে। বাজ কিন্তু আসন্ন বিপদ টের পেয়েও যুদ্ধের মাঠ থেকে পালায়নি। আমরা ঘোড়ার প্রভুভক্তির কথা শুনে অভ্যস্ত; কিন্তু বাংলার এসব প্রভুভক্ত হাতির আত্মত্যাগের কথা ইতিহাসে খুব কমই লেখা হয়েছে। নাথান ওসমানের প্রধান হাতি বাখতারেরও বর্ণনা দিয়েছেন। বাখতা আকারে পাহাড়ের মতো। দুর্গের পাথর ভেঙে ফেলার মতো প্রচণ্ড শক্তি ছিল তার। মাহুতের হুকুম ছাড়া বাখতাকে এক পা–ও নড়ানো যেত না। এই বিশেষ গুণটি যুদ্ধের মাঠে আক্রমণ প্রতিহত করার ব্যাপারে বাখতাকে প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তোলে। বাদশাহ জাহাঙ্গীর তাঁর জীবনস্মৃতিতে বাখতাকে গজপতি নামে উল্লেখ করেছেন। এসব যুদ্ধ-হাতির অধিকাংশই ইস্পাত নির্মিত বর্মের মতো আচ্ছাদন ব্যবহার করত, যাকে বলা হতো পাখার। ‘ইকবালনামা’য় উল্লেখ আছে, খাজা ওসমান তাঁর বাখতাকে সামনে রেখে মোগলদের অগ্রবর্তী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালাতেন। ওসমান তাঁর সব হাতি একসঙ্গে যুদ্ধের মাঠে নামাতেন না। রিজার্ভ হিসেবে দু-চারটি জঙ্গলে লুকিয়ে রাখতেন। বাখতাকে তিনি এভাবে লুকিয়ে রেখে যুদ্ধের চরম পর্যায়ে মাঠে নামাতেন।</p><blockquote>মির্জা নাথান ওসমানের কথা লিখেছেন বস্তুনিষ্ঠভাবে; পরাজিত শত্রুকে তিনি বিদ্বেষবাণে বিদ্ধ করেননি, তাঁর চরিত্র হরণও করেননি। সব পূর্ব তথ্য বাতিল করে নাথানই আমাদের জানান যে দৌলাম্বাপুরের যুদ্ধে ওসমান বন্দুকের গুলিতে নয়, তিরের আঘাতে অন্ধ হয়ে যান। তবু তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সম্ভবত এই যুদ্ধক্ষেত্রেই তাঁর মৃত্যু হয়; তাঁর লাশ নিয়ে ওসমানের পুত্র ও ভাইয়েরা অকস্মাৎ যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করেন।</blockquote><p>মির্জা নাথান লিখেছেন, দৌলাম্বাপুরের সেই ভাগ্যনির্ধারক যুদ্ধে মোগল হাতি গোপাল বাংলার হাতির পরাক্রমের সামনে টিকতে না পেরে মাহুতসহ রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছিল। মির্জা নাথানের হাতি বাঘদলনকে ওসমানের একটি শক্তিশালী হাতি অনুপা নাজেহাল করে ছেড়েছিল। যার ফলে বাঘদলন পিছু হটতে বাধ্য হয়। নাথান আরও জানিয়েছেন, তাঁর হাতি চঞ্চল দুরন্ত সাহসে ওসমানের হাতি বাখতাকে তেড়ে আসে; কিন্তু ওসমানের সওয়ারের গুলিতে আহত হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওসমানের আরেক হাতি সিংহলি মোগল বাহিনীর বালসুন্দরকে আক্রমণ করে চাপের মুখে ফেলে। সিংহলি অবশ্য পরে মোগলদের দুটি হাতির যৌথ আক্রমণে টিকতে না পেরে পিছু হটে। ওসমানের মৃতদেহ পাঠিয়ে দিয়ে তাঁর পুত্র ও ভাইয়েরা বাখতাকে নিয়ে আবার মোগলবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মির্জা নাথানকে কোণঠাসা করে ফেলেন। ওসমানের বাখতা মির্জা নাথানের সেনাদের ছত্রভঙ্গ করে ফেলে এবং বাখতা মির্জা নাথানকে দাঁত দিয়ে শূন্যে তুলে ঘোড়াসহ দূরে ছুড়ে ফেলে দেয়। নাথান মারাত্মকভাবে আহত হয়ে কোনো রকমে প্রাণ রক্ষা করেন। ভাগ্য ভালো যে নাথান সে যাত্রা বেঁচে যান। তা না হলে খাজা ওসমান ও তাঁর হাতির বীরত্বকাহিনি আমাদের অজানাই থেকে যেত। মোগল সেনারা বাখতাকে ঘিরে ধরে তার পা, শুঁড় ও দাঁত টুকরা টুকরা করে কেটে তাকে হত্যা করে। বীর বাখতা তার প্রভুর মতোই ভাগ্যবান, যুদ্ধক্ষেত্রে দুজনই বীরের মতো মরণকে আলিঙ্গন করেছে। প্রভুর মতো বাখতাকেও আর বন্দী হয়ে মোগল রাজধানীতে গোলামির জীবন কাটাতে হয়নি।</p><p>খাজা ওসমানের পুত্র ও ভাইদের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের সব হাতি ‘জাহাঙ্গীরনগর প্রকাশ ঢাকায়’ সুবেদার ইসলাম খানের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ইসলাম খান ঢাকার পোলো খেলার মাঠে এসব যুদ্ধবন্দী হাতির প্রদর্শনীর আয়োজন করেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর শোভা বৃদ্ধি করেন। কারণ, এর অব্যবহিত পরেই এসব হাতি মোগল রাজধানীতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে সম্রাটের নিজের হাতিশালায়। প্রসঙ্গক্রমে বলা যেতে পারে, এই দীর্ঘ পথ চলতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে বেশ কিছু হাতি পথেই মারা যেত।</p><blockquote>মির্জা নাথান লিখেছেন, দৌলাম্বাপুরের সেই ভাগ্যনির্ধারক যুদ্ধে মোগল হাতি গোপাল বাংলার হাতির পরাক্রমের সামনে টিকতে না পেরে মাহুতসহ রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছিল। মির্জা নাথানের হাতি বাঘদলনকে ওসমানের একটি শক্তিশালী হাতি অনুপা নাজেহাল করে ছেড়েছিল। যার ফলে বাঘদলন পিছু হটতে বাধ্য হয়। নাথান আরও জানিয়েছেন, তাঁর হাতি চঞ্চল দুরন্ত সাহসে ওসমানের হাতি বাখতাকে তেড়ে আসে; কিন্তু ওসমানের সওয়ারের গুলিতে আহত হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওসমানের আরেক হাতি সিংহলি মোগল বাহিনীর বালসুন্দরকে আক্রমণ করে চাপের মুখে ফেলে।</blockquote><p>পোলো মাঠে প্রদর্শনীর সময় ওসমানের হাতি দাস্তা হঠাৎ ছুটে এসে একজন মোগল সেনাকে আক্রমণ করে বসে। এসব হাতি অত্যন্ত সুশিক্ষিত, কুচকাওয়াজে অভ্যস্ত। কাজেই ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা হয়তো নয়। হাতির স্মৃতিশক্তি প্রখর এবং প্রতিশোধস্পৃহা দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে কি দাস্তা সেই দৌলাম্বাপুরের যুদ্ধের দুঃসহ স্মৃতিতে তাড়িত হয়ে এই মোগল সৈনিককে আক্রমণ করে বসেছিল? কয়েক দিন পর হাতিসহ বায়েজিদ এবং সিলেটের অন্য প্রধানেরা ঢাকায় এসে পরিবারসহ আত্মসমর্পণ করলে ইসলাম খাঁ আবার ঝড়োকায় বসে প্রদর্শনী দেখলেন, অনুগত সেনাদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করলেন এবং হাতিগুলোকে অচিরেই মোগল রাজধানীতে পাঠানোর আয়োজন করতে লাগলেন। খাজা ওসমানের হাতি শতরঞ্জিসহ যেসব হাতি যুদ্ধে আহত বা অসুস্থ হওয়ায় আগে পাঠানো সম্ভব হয়নি, হাতিগুলো সুস্থ করে রাজধানীতে পাঠানোর জন্য মির্জা নাথানের ওপর হুকুম হলো।</p><p>নাথানের বর্ণনা থেকে একটি তথ্য পরিষ্কার যে স্বশিক্ষিত হস্তীবিশারদ নাথান হাতিকে যুদ্ধের উপকরণ এবং যুদ্ধজয়ের সামগ্রী হিসেবেই দেখেননি, দেখেছেন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে, পশুপ্রেমীর আগ্রহে এবং প্রকৃতিদরদির যত্নে। লেখায় তিনি দক্ষ ও কৃতী সেনাদের যেমন প্রশংসা করেছেন, তেমনি রণক্ষেত্রে হাতিগুলোর কষ্টসহিষ্ণুতা ও আত্মত্যাগের জন্য একটি একটি করে নাম ধরে এগুলোর বীরত্ব বর্ণনা করেছেন। তাঁর চোখে হাতিগুলো যেন একেকটি বিশ্বস্ত, অনুগত ও জীবন বাজি রাখা সৈনিক; এরা প্রাণপণ যুদ্ধ করেছে, আহত হয়ে রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যায়নি, যুদ্ধের মাঠেই মারা গেছে। প্রতিপক্ষের হাতিগুলোর নামধাম তিনি জানতেন, এমনকি সেগুলোর সাহসিকতা ও ডাকাবুকো স্বভাবের প্রশংসাও করেছেন। প্রতিপক্ষের যোদ্ধার চেয়ে নাথান যেন তাদের হাতিগুলোর প্রতি বেশি দরদি। এই নাথান বাংলা দখল আর বাঙালি দমনকারী নাথান থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।</p><p>খাজা ওসমান ও বায়েজিদের রণক্লান্ত বন্দী হাতিগুলো সুদূর মোগল রাজধানীর দিকে পদযাত্রা শুরু করল। এই দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে কয়টি হাতি গন্তব্যস্থলে পৌঁছেছিল জানা যায় না। হাতিগুলোর জন্য শাহি মেহমানের মর্যাদা অপেক্ষায় ছিল না, ছিল পায়ে বেড়ি পরার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। বাংলার শ্যামল বন্যতার নিবিড় মাতৃক্রোড় ছেড়ে মাহুত বন্ধুর বাঁশিয়াল আদরের বিপরীতে হাতিগুলোর কপালে জুটল মোগল রক্ষীর আকশি–বল্লম। আরও জুটেছিল বন-পাহাড়, মুক্ত আকাশ, অবারিত আলো-হাওয়ার পরিবর্তে হঠাৎ যবনিকা টানা নিরেট পাথরের জঙ্গল আর আগ্রার গরমের তপ্ত প্রদাহ। মোগল শিল্পীদের তুলিতে বাংলার শস্য-শ্যামল প্রান্তর আর বর্ষার মিষ্টি পানির ঝংকারের চমত্কার সব হাতির ছবি আঁকা আছে। এই হাতিগুলোর মধ্যে বিষণ্ন নয়ন কয়েকটি হাতির ছবিও চোখে পড়ে। এই হাতিগুলোর মধ্যে যে বাংলা থেকে কেড়ে নেওয়া দু-চারটি হাতি নেই, এমন কথা কে বলবে!</p><p>কথায় আছে, বাংলা মুলুকের একটি স্বভাব লাবণ্য রয়েছে, যা মোহ বিস্তার করে। মির্জা নাথান বাংলায় ১৬ বছর কাটিয়েছিলেন। তাঁর রচনায় বাংলার গরম, ঝড়ের তাণ্ডব, নদীর প্রমত্ততা, রোগ-ব্যাধি—কোনো কিছু নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই, নেই ভিনদেশির অহেতুক শঙ্কা অথবা দর্পিত সেনানীর অসহিষ্ণু সমালোচনা। তবে কি নাথানও বাংলার কুহকে মজেছিলেন? কে জানে!</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিপর্যায়ের লেনদেনে কিউআর কোড সেবা চালু</title><link>https://www.prothomalo.com/business/bank/v3zktl3zag</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/bank/v3zktl3zag#comments</comments><guid isPermaLink="false">13c908da-c248-46b5-a74a-3459421c8e72</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:44:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:44:15.753Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাংলাদেশ ব্যাংক,ডিজিটাল লেনদেন,মোবাইল অ্যাপ,লেনদেন,ব্যাংক</media:keywords><media:content height="773" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/2xh75fn5/Screenshot-2026-07-21-181054.jpg" width="1400"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলা কিউআর ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-21/2xh75fn5/Screenshot-2026-07-21-181054.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ব্যাংক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ব্যাংক হিসাব ও মোবাইলে আর্থিক সেবার (এমএফএস) হিসাবধারীদের বিপরীতে একটি নিজস্ব ‘বাংলা কিউআর’ কোড চালু হয়েছে। এই কোড ব্যবহার করে একজন ব্যক্তি সরাসরি আরেক ব্যক্তির ব্যাংক বা এমএফএস হিসাবে টাকা পাঠাতে পারছেন। আজ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এতে ভুল হিসাবে টাকা যাওয়া ও জালিয়াতির ঝুঁকি কমবে। ডিজিটাল লেনদেনব্যবস্থা আরও সহজ ও সর্বজনীন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় এমন সেবা চালু করা হয়েছে।</p><p><strong>কোথায় মিলছে নিজস্ব কোড</strong></p><p>নিজস্ব ‘বাংলা কিউআর’ কোড মিলবে ব্যক্তির ব্যবহার করা ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপে। এ জন্য ব্যবহারকারীকে অ্যাপগুলোর হালনাগাদ ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে। এরপর নিজস্ব কিউআর কোড অন্যদের পাঠিয়ে টাকা পাঠানোর জন্য ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া যাবে।</p><p>জানা যায়, এত দিন ‘বাংলা কিউআর’ দিয়ে দোকানে কেনাকাটা বা সেবার বিল পরিশোধের (মার্চেন্ট পেমেন্ট) সুযোগ ছিল। নতুন নিয়মে ব্যাংক বা এমএফএস হিসাবের বিপরীতে তৈরি ব্যক্তিগত বাংলা কিউআর দিয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) পর্যায়ে লেনদেন করা যাচ্ছে। এতে ব্যাংক বা এমএফএস হিসাব নম্বর ও নাম আলাদাভাবে লেখার প্রয়োজন হবে না। কিউআর স্ক্যান করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবের বিবরণ চলে আসবে। এরপর পিন নম্বর দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, এমএফএস প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের (পিএসও) নির্দেশনামূলক চিঠি পাঠিয়েছিল। এতে গ্রাহকের সুবিধার জন্য ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিজ নিজ মোবাইল অ্যাপে কিউআর প্রস্তুত, স্ক্যান ও গ্যালারি থেকে ছবি আপলোডের প্রয়োজনীয় ফিচার বা সুবিধা যুক্ত করতে বলা হয়। এরপরই তা যুক্ত করেছে ব্যাংক ও এমএফএসগুলো।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, গ্রাহকেরা তাঁদের নিজ নিজ ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপে একটি ‘পারসোনাল বাংলা কিউআর’ পাচ্ছেন। টাকা পাঠানোর সময় প্রেরককে দীর্ঘ ব্যাংক হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বর কিংবা ১১ সংখ্যার মোবাইল নম্বর লিখতে হবে না। প্রাপক মোবাইলের স্ক্রিনে কিউআর দেখাবেন। প্রেরক নিজের অ্যাপ দিয়ে সেটি স্ক্যান করে অর্থ পাঠাতে পারবেন। দূরে থাকা প্রাপক কিউআরের ছবি তুলে বা স্ক্রিনশট পাঠালেও হবে। প্রেরক অ্যাপের গ্যালারি থেকে সেই ছবি আপলোড করে সরাসরি লেনদেন করতে পারবেন।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, কিউআর স্ক্যান বা ছবি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই স্ক্রিনে প্রাপকের নাম ও সংক্ষিপ্ত অ্যাকাউন্ট নম্বর দেখা যাবে। ফলে ভুল নম্বরে টাকা যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পন্ন হবে।</p><p><strong>বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবৃতি</strong></p><p>এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন চালু হয়েছে বাংলা কিউআরভিত্তিক ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সেবা। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে অর্থ পাঠাতে পারবেন। এই সেবায় অর্থ পাঠানোর সময় প্রাপকের মোবাইল নম্বর বা হিসাব নম্বর আলাদাভাবে টাইপ করার প্রয়োজন হবে না। প্রাপকের কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। ফলে ব্যক্তিপর্যায়ে ডিজিটাল অর্থ স্থানান্তর আরও সহজ ও সুবিধাজনক হবে। বাংলা কিউআরের পিটুপি সেবা দৈনন্দিন লেনদেনে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়াতে সহায়ক হবে। এ উদ্যোগ দেশের পেমেন্ট–ব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পাশাপাশি ক্যাশলেস লেনদেনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাগ্রেব: ইতিহাস স্থাপত্য বিজ্ঞানে মানুষের গল্প</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/o2xvmmwmse</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/o2xvmmwmse#comments</comments><guid isPermaLink="false">1a8b2175-8072-44cf-82e6-b4dbe5c09d2e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:43:25 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:43:25.878Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>কানাডা,কানাডা দূর পরবাস,ইউরোপ,ভ্রমণ,ইউরোপ দূর পরবাস,দূর পরবাস</media:keywords><media:content height="2742" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/81m9q3a2/10.JPG" width="4139"><media:title type="html"><![CDATA[ টেসলা ভাস্কর্য]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/81m9q3a2/10.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>দূর পরবাস</category><category>ভ্রমণ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুমার নামাজের পর বিদায় জানাতে হবে বসনিয়াকে। রাজধানী সারায়েভোতে হোটেলের পাশেই ছিল ঐতিহাসিক সম্রাট মসজিদ। শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪ জুমার নামাজ আদায় করলাম অটোমান আমলের এই মসজিদে। নামাজ শেষে ট্যাক্সি ডেকে বিমানবন্দরে যাত্রা। সামনে অপেক্ষা করছিল নতুন গন্তব্য, ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেব।</p><p> ক্রোয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৩৪৭ ধরতে হবে। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে ট্যাক্সি এগিয়ে চলেছে আঁকাবাঁকা পথ ধরে। কখনো সরু অলিগলি, কখনো পাহাড়ের গায়ে ছড়িয়ে থাকা ঘরবাড়ি, আবার কখনো চোখের সামনে খুলে যাচ্ছে সবুজ পাহাড়ের বিস্তৃত দৃশ্য। ইউরোপের অনেক শহরই দেখেছি, কিন্তু সারায়েভোর সৌন্দর্যে রয়েছে এক স্বতন্ত্র মাধুর্য। পাহাড় আর নগরজীবন এখানে পরস্পরের পরিপূরক। শহরের গায়ে লেগে আছে অটোমান ঐতিহ্য, মসজিদের মিনার আর ইউরোপীয় স্থাপত্যের ছাপ। আবার এই সৌন্দর্যের আড়ালেই রয়েছে যুদ্ধ, অবরোধ ও মানুষের অসীম দুর্ভোগের ইতিহাস।</p><p> শহর ছেড়ে বিমানবন্দরের দিকে এগোতে এগোতে নগরের কোলাহল ক্রমে পেছনে পড়ে রইল। অল্প সময়ের মধ্যেই সারায়েভোর সঙ্গে একধরনের মায়া তৈরি হয়ে গিয়েছিল। বিদায়ের মুহূর্তে সেই মায়াই যেন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল।</p><p>বিমানবন্দরে পৌঁছে বোর্ডিং পাস নিয়ে সিকিউরিটি আর ইমিগ্রেশন পেরিয়ে চলে গেলাম ক্রোয়েশিয়া এয়ারলাইনসের এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জে। ইউরোপের এই ছোট এয়ারলাইনস আবার বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর জোট স্টার অ্যালায়েন্সের (Star Alliance) সদস্য। বিশ্বব্যাপী স্টার অ্যালায়েন্সের যেকোনো এক্সিকিউটিভ ভিআইপি লাউঞ্জে আমার প্রবেশাধিকারের সুযোগ থাকার সুবাদে সারায়েভো বিমানবন্দরের এই লাউঞ্জে কিছুক্ষণ বিশ্রাম, খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি বোর্ডিংয়ের জন্য অপেক্ষা।</p><p>এক ঘণ্টার কম সময়ের এই আকাশযাত্রায় সময়মতো ছোট বিমানটি উড়াল দিল। বসনিয়া ছেড়ে অবশেষে নিচে ভেসে উঠল ক্রোয়েশিয়ার ভূখণ্ড। পাহাড়ি দৃশ্য পেছনে ফেলে পৌঁছে গেলাম জাগরেবের ফ্রাঞ্জো তুদমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। ক্রোয়েশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ও স্বাধীনতাপরবর্তী রাষ্ট্রগঠনের অন্যতম রাষ্ট্রনায়ক ফ্রাঞ্জো তুদমানের নামানুসারে বিমানবন্দরটির নামকরণ। অবশ্য ক্রোয়েশিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দর রাজধানী জাগরেবে অবস্থিত হওয়ার কারণে এটি জাগরেব বিমানবন্দর নামেও পরিচিত।</p><p><strong>জাগরেব: নতুন শহরে প্রথম সন্ধ্যা—</strong></p><p>বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সিতে শহরের দিকে যেতে যেতে প্রথমেই চোখে পড়ল নগরটির ভিন্ন চরিত্র। সারায়েভো যেন পাহাড়ের কোলে আশ্রয় নেওয়া এক ঐতিহাসিক নগরী; আর জাগরেবের পরিচয় প্রশস্ত রাস্তা, সবুজ পার্ক, পুরোনো ইউরোপীয় স্থাপত্য এবং আধুনিক নগরজীবনের শান্ত সহাবস্থানে।</p><p>ক্রোয়েশিয়া হচ্ছে স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং মন্টিনেগ্রোবেষ্টিত দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। দেশটির আয়তন প্রায় ৫৬ হাজার ৫৪২ বর্গকিলোমিটার এবং সরকারি মুদ্রা ইউরো। ইউরোপের বলকান অঞ্চলে ও অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি চমৎকার পর্যটনপ্রধান দেশ। সংসদীয় প্রজাতন্ত্রের দেশটি ১৯৯১ সালের ২৫ জুন যুগোস্লাভিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়।</p><p>ভূগোলের মানচিত্রে ক্রোয়েশিয়া বলকানের অংশ হলেও, ইতিহাস, ধর্ম, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্নে অনেক ক্রোয়েশীয় নিজেদের মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপের অংশ হিসেবে দেখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবে সব ক্রোয়েশীয়র দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়; অনেকে নিজেদের বলকান পরিচয়ও স্বীকার করেন।এই দ্বিধার পেছনে রয়েছে কয়েক শতাব্দীর ইতিহাস, অটোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় শাসনের উত্তরাধিকার, যুগোস্লাভিয়ার অভিজ্ঞতা এবং স্বাধীন ক্রোয়েশিয়ার ইউরোপমুখী যাত্রা।</p><blockquote>পিৎজা ডেলিভারির কাজে প্রচুর ভারতীয় আছেন, কিছু বাংলাদেশিও আছেন। ক্রোয়েশিয়ায় আসতে সরকারি খরচের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয় যাঁদের মাধ্যমে আসেন, সেই এজেন্সিগুলোর চাহিদা মেটাতে। সরকারিভাবে কর্মসংস্থানের এই বিষয়গুলো দেখভাল করতে পারলে খরচ অনেক কম হতো।</blockquote><p>স্বাধীন ক্রোয়েশিয়ার ইউরোপমুখী যাত্রার এই প্রবণতা বিমানবন্দর থেকে শহরকেন্দ্রে আসার পথেই যেন চোখে পড়ে। রাস্তার দুই পাশের স্থাপত্য, ভবনগুলোর নির্মাণশৈলী এবং নগরজীবনের বিন্যাসে মধ্য ইউরোপীয় ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্টভাবে অনুভব করা যায়। মনে হয়, স্থাপত্যের ভাষায় ক্রোয়েশিয়া তার ইউরোপীয় পরিচয়কে তুলে ধরতে চায়।</p><p>শহরে পৌঁছে উঠলাম আগে থেকে বুক করা এয়ারবিএনবির অ্যাপার্টমেন্টে। এয়ারবিএনবি (Airbnb) হলো অনলাইনে বাসা, অ্যাপার্টমেন্ট, কক্ষ বা অন্যান্য আবাসন স্বল্প মেয়াদে ভাড়া নেওয়ার একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। হোটেলের আনুষ্ঠানিক পরিবেশের বদলে এখানে স্থানীয় মানুষের আবাসিক জীবনের কাছাকাছি থাকার সুযোগ পাওয়া যায়।</p><p>কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত বিঅ্যান্ডবি কনসেপ্ট নামের ছোট পরিসরের আবাসনটি ছিল পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও আরামদায়ক। কক্ষে প্রয়োজনীয় সব সুবিধাই ছিল। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল শহরকে হেঁটে দেখার জন্য এর সুবিধাজনক অবস্থান।</p><p>হোটেলে ব্যাগ রেখে বেরিয়ে পড়লাম আশপাশটা দেখতে। প্রথম দিনের সন্ধ্যা, তাই খুব বেশি দূরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। পরদিন পুরো দিন হেঁটে হেঁটে জাগরেবকে আবিষ্কার করব—এই প্রত্যাশা নিয়েই শুরু হলো নতুন শহরের সঙ্গে পরিচয়।</p><p>জাগরেবের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন, শহরের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা একটি স্থাপনা। এখানকার রেলযোগাযোগ উনিশ শতকে গড়ে ওঠে। ইউরোপের অনেক শহরের মতো জাগরেবেও রেলপথ কেবল যাতায়াতের মাধ্যম ছিল না; বরং নগরায়ণ, বাণিজ্য ও মানুষের চলাচলের নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছিল।</p><p>স্টেশন থেকে বেরিয়ে সামনে তাকাতেই চোখে পড়ল বিস্তৃত সবুজ চত্বর, কিং টমিস্লাভ স্কয়ার। চত্বরের মাঝখানে ঘোড়ার পিঠে রাজা টমিস্লাভের মূর্তি। তার ওপারে হলুদাভ রঙের দৃষ্টিনন্দন আর্ট প্যাভিলিয়ন। এই চত্বরের সৌন্দর্যের বিশেষত্ব হলো এর উন্মুক্ত বিন্যাস।</p><p>স্টেশনের কাছেই বিখ্যাত হোটেল এসপ্লানেড। ১৯২৫ সালে উদ্বোধিত এই হোটেল নির্মিত হয়েছিল মূলত ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসের যাত্রীদের বিলাসবহুল আবাসনের কথা মাথায় রেখে। ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস ছিল ইউরোপের অন্যতম বিখ্যাত বিলাসবহুল দূরপাল্লার ট্রেন, যা পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সংযোগ স্থাপনে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল। ট্রেনটি ছিল বিলাসিতা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, অভিজাত জীবনযাপন এবং ইউরোপের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক প্রতীক। প্যারিস–ভেনিস–ইস্তাম্বুল রুটের একটি পর্যায়ে জাগরেব গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজ ছিল। হোটেলটির ইতিহাস সেই সময়েরই স্মারক। আগাথা ক্রিস্টির বিখ্যাত গোয়েন্দা উপন্যাস ‘মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস’ এই ট্রেনকে আরও পরিচিত করে তুলেছে।</p><p>জাগরেবে প্রথম সন্ধ্যায় আর বেশি দূর এগোলাম না। পরদিন সকাল থেকে শুরু হবে জাগরেবকে পায়ে হেঁটে চেনার দিনমান অভিযান।</p><p><strong>হেঁটে হেঁটে জাগরেব—</strong></p><p>পরদিন সকালেই বেরিয়ে পড়লাম। ভ্রমণে আমার সবচেয়ে প্রিয় পদ্ধতি হলো হেঁটে শহর দেখা। গাড়ির জানালা দিয়ে কোনো শহরের রাস্তা, ভবন কিংবা চত্বর দেখা যায়; কিন্তু হাঁটলে শহরকে অনুভব করা যায়। মানুষের কথাবার্তা, ক্যাফের কোলাহল, দোকানের সাজসজ্জা, ট্রামের শব্দ, রাস্তার গন্ধ—সবকিছু মিলিয়ে শহরের সঙ্গে গড়ে ওঠে এক ব্যক্তিগত সম্পর্ক।</p><p>জাগরেবকে মোটামুটি দুটি ঐতিহাসিক অংশে ভাগ করে দেখা যায় আপার টাউন আর লোয়ার টাউন।</p><p>লোয়ার টাউন অপেক্ষাকৃত সমতল। প্রশস্ত রাস্তা, বড় বড় চত্বর, সবুজ পার্ক, জাদুঘর এবং উনিশ ও বিশ শতকের ইউরোপীয় স্থাপত্যে সাজানো অংশ। অন্যদিকে আপার টাউন হলো পুরোনো জাগরেবের প্রাণ—সরু পাথরের রাস্তা, মধ্যযুগীয় প্রবেশপথ, পুরোনো গির্জা, সংসদ ভবন এবং উঁচু ঢালের ওপর গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক জনপদ।</p><p>হাঁটতে হাঁটতে লোয়ার টাউন থেকে এগিয়ে গেলাম আপার টাউনের দিকে। টিলা বেয়ে কিংবা সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠতে উঠতে মনে হলো, একই শহরের মধ্যে যেন দুটি আলাদা সময়ের বসবাস। নিচের শহরে আধুনিক নগরজীবনের গতি আর ওপরের শহরে ইতিহাসের ধীর পদচারণ।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>ওপরের শহরে সেন্ট মার্ক্স স্কয়ারের নান্দনিকতায় চোখ আটকে গেল, বিশেষ করে সেন্ট মার্ক্স চার্চের রঙিন ছাদে। বিভিন্ন রঙের টালি দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ক্রোয়েশিয়ার ঐতিহাসিক প্রতীক ও জাগরেবের পরিচিত চিহ্ন। চারপাশের ভবনগুলোর তুলনায় গির্জাটির ছাদ এতটাই স্বতন্ত্র যে সহজেই বোঝা যায়, কেন এটি শহরের অন্যতম পরিচিত দৃশ্য। আশপাশেই ক্রোয়েশিয়া সংসদ ভবনসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলো।</p><p>এরপর এগিয়ে গেলাম স্টোন গেটের দিকে। পুরোনো শহরের এই প্রবেশপথ জাগরেবের অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক নিদর্শন। পাথরের পথ, পুরোনো দেয়াল আর চারপাশের স্থাপত্যের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে মনে হচ্ছিল, প্রতিটি বাঁক যেন শহরের অতীত ঐতিহ্যের স্মৃতি স্মারক।</p><p>কিন্তু আপার টাউনে আমার সবচেয়ে ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছিল একটি জাদুঘরে।</p><p><strong>ভাঙা সম্পর্কের স্মৃতি জাদুঘর—</strong></p><p>Museum of Broken Relationships—জাদুঘরটির নাম শুনেই কৌতূহল জাগে।</p><p>ইউরোপ হচ্ছে জাদুঘরে মহাদেশ। সাধারণত জাদুঘরে আমরা দেখি রাজা-বাদশাহদের স্মৃতিচিহ্ন, যুদ্ধের অস্ত্র, প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন কিংবা বিখ্যাত মানুষের ব্যবহৃত সামগ্রী; কিন্তু ভাঙা সম্পর্কের স্মৃতি নিয়ে একটি জাদুঘর! অভিনব আর চমকজাগানো বটে।</p><p>ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানুষ কতভাবেই–না সেই অতীতকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে। কেউ পুরোনো ছবি সরিয়ে রাখে, কেউ চিঠি ছিঁড়ে ফেলে, কেউ উপহার তুলে রাখে বহুদিন অগোচরে। আবার কোনো কোনো স্মৃতি এতটাই গভীরে গেঁথে থাকে যে সম্পর্ক শেষ হলেও তার রেশ থেকে যায় দীর্ঘকাল।</p><p>এই জাদুঘরে মানুষের সেই ব্যক্তিগত স্মৃতিগুলোই জায়গা পেয়েছে।</p><p>কোথাও পুরোনো খেলনা, কোথাও কাপড়, কোথাও চিঠি, কোথাও এমন ছোট্ট কোনো বস্তু, যার বাইরের জগতে হয়তো তেমন কোনো মূল্যই নেই। অথচ তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কারও ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অভিমান, অপেক্ষা কিংবা একসময় একসঙ্গে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন।</p><p>বস্তুগুলো নিজেরা কথা বলে না। কিন্তু তাদের পাশে লেখা মানুষের গল্পগুলো যেন নীরবে অনেক কিছু বলে যায়।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/ahmfwx9jbg">সারায়েভো: ইউরোপের জেরুজালেম</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/pvj2d4qt/11.JPG" /><figcaption>জাগরেব শহর কেন্দ্র</figcaption></figure><p>একটি সাধারণ জিনিস কীভাবে মানুষের জীবনের অসাধারণ স্মৃতির বাহক হয়ে উঠতে পারে, এই জাদুঘরে এসে তা নতুন করে উপলব্ধি করলাম। যে বস্তু একসময় দুজন মানুষের ভালোবাসার প্রতীক ছিল, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সেটিই হয়তো হয়ে উঠেছে বিচ্ছেদের সাক্ষী।</p><p>আমার কাছে জাদুঘরটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ প্রদর্শিত বস্তুগুলো নয়, বরং সেগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষের গল্প। এখানে ইতিহাস কোনো রাজা বা রাষ্ট্রের নয়; একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের। অথচ সেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্যেই ধরা পড়ে মানুষের অনুভূতি।</p><p>ভালোবাসা, প্রত্যাশা, হতাশা, বিচ্ছেদ—ভাষা ও দেশের সীমা ছাড়িয়ে এসব অনুভূতি আমাদের সবারই চেনা। মানুষের সম্পর্কের ধরন আলাদা হতে পারে, সামাজিক বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ভালোবাসা হারানোর বেদনা কিংবা অতীতকে আঁকড়ে ধরে রাখার আকাঙ্ক্ষা খুব একটা আলাদা নয়।</p><p>ইতিহাসের জাদুঘরে সাধারণত সময়ের বড় বড় ঘটনাকে সামনে রাখা হয়। কিন্তু এই জাদুঘর দেখাল, মানুষের ব্যক্তিগত জীবনও একেকটি ইতিহাস। রাষ্ট্রের ইতিহাসে যাদের নাম থাকে না, তাদের জীবনেও থাকে আনন্দ-বেদনা, অর্জন-হারানোর অসংখ্য অধ্যায়।</p><p>জাগরেবের ঐতিহাসিক স্থাপত্য দেখতে এসে এমন এক মানবিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হব, ভাবিনি। শহরটির স্মৃতিতে তাই ভাঙা সম্পর্কের স্মৃতি জাদুঘরটি আমার কাছে একেবারেই আলাদা হয়ে রইল।</p><p><strong>পাহাড় থেকে নিচে—ফানিকুলার, ট্রাম আর নগরজীবন—</strong></p><p>আপার টাউনে উঠতে গিয়ে বেশ কায়িক পরিশ্রম হলো। নামার সময় পরিশ্রম কম। ভাবলাম এবার একটু বিনোদন নেওয়া যাক।</p><p>জাগরেবের ঐতিহাসিক ফানিকুলার আপার আর লোয়ার টাউনকে যুক্ত করেছে মাত্র ৬৬ মিটার দীর্ঘ একটি খাড়া পথে। ১৮৯০ সালে চালু হওয়া এই ছোট্ট যন্ত্রচালিত রেলপথ শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, শহরের ঐতিহ্যেরও অংশ।</p><p>ফানিকুলারে মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে লোয়ার টাউনে নেমে এলাম।</p><p>জাগরেবের ট্রামব্যবস্থার মধ্যেও একধরনের পুরোনো ইউরোপীয় সৌন্দর্য রয়েছে। রাস্তার মধ্য দিয়ে ট্রাম এগিয়ে যাচ্ছে, দুই পাশে ঐতিহাসিক ভবন, কোথাও ক্যাফের টেবিলে বসে মানুষ গল্প করছে, কোথাও দোকানের সামনে পথচারীদের আনাগোনা। দৃশ্যগুলোতে নেই কোনো কৃত্রিম জাঁকজমক; বরং রয়েছে একটি শহরের স্বাভাবিক ছন্দ।</p><p>কোনো শহরের প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু তার বিখ্যাত স্থাপনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। শহরটি কীভাবে প্রতিদিন বেঁচে থাকে, তার মানুষ কীভাবে চলাফেরা করে, কোথায় বসে গল্প করে, কীভাবে পুরোনো আর নতুনকে একসঙ্গে ধারণ করে—এসবও শহরকে বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/sfn67pkteq">এক শ্রমিক নেতা আরেক পিয়ানোবাদকের দেশে</a></aside><p><strong>টেসলার খোঁজে—</strong></p><p>নিকোলা টেসলা—বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ইতিহাসে এক বিস্ময়কর নাম। বিদ্যুৎ–প্রযুক্তির বিকাশে, বিশেষ করে অলটারনেটিং কারেন্ট বা এসি (AC) ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর অবদান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।</p><p>নিকোলা টেসলাকে নিয়ে সার্বিয়া আর ক্রোয়েশিয়ার টানাটানি। সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি নিকোলা টেসলার নামে। সার্ব বংশোদ্ভূত টেসলার জন্ম কিন্তু বর্তমান ক্রোয়েশিয়ার স্মিলজানে (ক্রোয়েশীয় উচ্চারণের স্মিলিয়ান)। ক্রোয়েশিয়ায় জন্ম নেওয়া সার্ব বংশোদ্ভূত এই বিজ্ঞানী জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তাঁর জীবন ছিল আবিষ্কার, কল্পনা ও বৈজ্ঞানিক সাধনায় পরিপূর্ণ। অথচ জীবনের শেষ অধ্যায়ে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে অনেকটা নিঃসঙ্গ অবস্থায় কাটাতে হয়েছিল তাঁকে। আজকের বিশ্বে জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ি টেসলার নামকরণ নিকোলা টেসলার স্মরণে।</p><p>জাগরেবে এসে টেসলাকে স্মরণ না করার অর্থ বিজ্ঞান আর ইতিহাসকে অবজ্ঞা করা। জাগরেবের বিখ্যাত স্থাপনা নিকোলা টেসলা টেকনিক্যাল মিউজিয়াম দেখার ইচ্ছা ছিল প্রবল। হেঁটে হেঁটে পৌঁছে গেলাম সেই জাদুঘরের ঠিকানায়; কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি, মিউজিয়াম বন্ধ। ভেতরে যাওয়া হলো না, ঘুরে ঘুরে চারপাশটা দেখলাম। কিছুটা হতাশ হলাম। ভ্রমণের আনন্দ তো শুধু পরিকল্পনা সফল হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কোনো কোনো অপূর্ণতাও ভ্রমণের স্মৃতির অংশ হয়ে যায়।</p><p>ক্রোয়েশিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিশ্বব্যাপী সুনাম। সাগর আর পাহাড়ের নৈসর্গিকতায় ক্রোয়েশিয়ার অবকাশযাপনকেন্দ্রগুলো বেশ বিখ্যাত। সেই সঙ্গে জাগরেবকে মনে হলো একটি ভাইব্রেন্ট রাজধানী। শহর কেন্দ্রে ফেরার পথে চোখে পড়ল নান্দনিক সব স্থাপত্যের স্থাপনা।</p><p>হাঁটতে হাঁটতে এবার পৌঁছালাম জাগরেবের অন্যতম বিখ্যাত স্থাপনা ক্রোয়েশিয়া ন্যাশনাল থিয়েটারের সামনে।</p><p>হলুদাভ রঙের দৃষ্টিনন্দন ভবন, বিশাল গম্বুজ, অলংকৃত প্রবেশপথ—দূর থেকেই স্থাপনাটি নজর কাড়ে। দেখলেই মনে হয়, এটি একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয়। নাটক, অপেরা ও ব্যালে—তিনটি শিল্পধারাকে ধারণ করে ন্যাশনাল থিয়েটারটি ক্রোয়েশিয়ার প্রধান সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।</p><p>রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের বলে দেয়, একটি জাতি কীভাবে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে, কীভাবে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। আর তার শিল্পসংস্কৃতি আমাদের জানায়, সেই জাতির মানুষ কীভাবে নিজেদের অনুভূতি, স্বপ্ন, সংকট ও আত্মপরিচয় প্রকাশ করেছে।</p><p>টেসলার জাদুঘর দেখা হলো না ঠিকই, কিন্তু জাগরেবে তাঁর স্মৃতি খুঁজে পাওয়ার আরেকটি সুযোগ তখনো বাকি ছিল।</p><p><strong>টেসলার স্মৃতির সামনে—</strong></p><p>শহরের কেন্দ্রের দিকে ফিরে এসে পৌঁছালাম রেস্তোরাঁ পাড়ার কাছাকাছি। মাসারিকোভা, প্রেরাদোভিচেভা ও টেসলিনা সড়কের সংযোগস্থলের কাছে এসে চোখে পড়ল ব্রোঞ্জের তৈরি নিকোলা টেসলার মূর্তি। চারপাশে শহরের ব্যস্ততা, মানুষের আসা-যাওয়া—আর তারই মধ্যে বসে আছেন আধুনিক বিদ্যুৎ–প্রযুক্তির ইতিহাসে অসামান্য অবদান রাখা এই বিজ্ঞানী চিন্তামগ্ন ভঙ্গিতে। ভাস্কর্যটি বিখ্যাত ক্রোয়েশীয় শিল্পী ইভান মেস্ত্রোভিচের অমর কীর্তি।</p><p>জাগরেবের রাজপথে তাঁর এই উপস্থিতি মনে করিয়ে দিল, একজন মানুষের আবিষ্কার কীভাবে দেশ-কাল ছাড়িয়ে গোটা পৃথিবীর জীবন বদলে দিতে পারে। যে মানুষটি বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তির জগতে এমন গভীর প্রভাব রেখে গেছেন, তাঁর স্মৃতি আজও একটি শহরের পথচারীদের সামনে জীবন্ত হয়ে আছে। ভূখণ্ড, জাতিগত পরিচয়, কর্মক্ষেত্র—সবকিছু ছাপিয়ে একজন বিজ্ঞানীর আবিষ্কারের সুফল ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে। বিজ্ঞান ও জ্ঞান শেষ পর্যন্ত সমগ্র মানবজাতির সম্পদ, টেসলা তারই এক অসাধারণ উদাহরণ।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/azf2vqfyiq">মালদোভায় মাটির নিচে লুকিয়ে আছে এক বিশাল রাজ্য</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/wgfd5biu/12.JPG" /><figcaption> ফানিকুলার</figcaption></figure><p><strong>জাগরেব ডাউনটাউন—পুরোনো ইউরোপের জীবন্ত ছন্দ—</strong></p><p>দিনভর হাঁটাহাঁটি করে ক্ষুধা বেশ চেপে বসেছে। টেসলার ভাস্কর্যের পাশেই রেস্তোরাঁ পাড়া। সেখানে পেয়ে গেলাম একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁ, বেশ অভিজাত। অর্ডার দিলাম খাসির কাবাব।</p><p>কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে এল খাবার। সারা দিনের ক্লান্তির পর পরিচিত মসলার গন্ধে ভরা গরম কাবাবের সামনে বসে মনে হলো, দূর ইউরোপে থেকেও উপমহাদেশের স্বাদ।</p><p>খাবার শেষে আবার বেরিয়ে পড়লাম শহরের প্রাণকেন্দ্রের দিকে। হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছালাম জাগরেবের প্রাণকেন্দ্র বান ইয়োসিপ ইয়েলাচিচ চত্বরে। চত্বরের মাঝখানে ঘোড়ার পিঠে বসা তাঁর ব্রোঞ্জের মূর্তি শহরের ইতিহাস ও ক্রোয়েশীয় জাতীয় পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর ক্রোয়েশীয় সেনানায়ক ও রাজনীতিবিদ।</p><p>চত্বরটি জাগরেবের কেন্দ্রস্থল। চারপাশে উনিশ শতকের দৃষ্টিনন্দন ভবন, দোকানপাট, ক্যাফে, ট্রাম আর মানুষের অবিরাম চলাচল। কোথাও মানুষ কেনাকাটা করছে, কোথাও বন্ধুরা বসে গল্প করছে, কোথাও পথচারীরা ট্রামের জন্য অপেক্ষা করছে। শহরটির প্রতিটি দৃশ্যেই যেন একটি স্বাভাবিক প্রাণচাঞ্চল্য।</p><p>জাগরেবের ডাউনটাউন আমার কাছে বিশেষভাবে ভালো লাগল এর জীবন্ত অথচ পরিমিত পরিবেশের জন্য। এখানে ইতিহাস আছে, কিন্তু ইতিহাস যেন বর্তমানকে আড়াল করে রাখেনি। পুরোনো ভবনের পাশেই আধুনিক দোকান, ঐতিহাসিক চত্বরের মধ্য দিয়ে ট্রামের চলাচল আর শত বছরের স্থাপত্যের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আজকের নগরবাসী—সব মিলিয়ে শহরটি নিজের অতীতকে সঙ্গে নিয়েই বর্তমানের পথে এগিয়ে চলেছে।</p><p>জাগরেবকে খুব বিশাল শহর বলে মনে হয় না। কিন্তু পায়ে হেঁটে যতই এগিয়েছি, ততই সামনে এসেছে নতুন কোনো ইতিহাস, কোনো স্থাপত্য, কোনো শিল্পকর্ম কিংবা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্য।</p><p><strong>হঠাৎ বাংলাদেশ—</strong></p><p>দিনের শেষ দিকে শহরের কেন্দ্রের বান ইয়োসিপ ইয়েলাচিচ চত্বরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ চোখে পড়ল কয়েকজন বাংলাদেশিকে। বিদেশের মাটিতে নিজের দেশের মানুষ দেখার অনুভূতি ব্যাখ্যা করতে খুব বেশি শব্দের প্রয়োজন হয় না। অচেনা শহরের রাস্তায় হঠাৎ পরিচিত ভাষার শব্দ কানে এলে মনে হয়, দূরদেশের মধ্যেও যেন নিজের একটি ছোট্ট ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেল।</p><p>তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে গেলাম। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই শুরু হলো আলাপ। জানতে চাইলাম, কত দিন ধরে জাগরেবে আছেন, কী কাজ করেন, কেমন আছেন।</p><p>কথা প্রসঙ্গে এল অভিবাসনের বিষয়। কে কীভাবে ক্রোয়েশিয়ায় এসেছেন, কাজের সুযোগ কেমন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রক্রিয়া কী রকম—এসব বিষয়ে তাঁদের কাছ থেকে জানলাম।</p><p>পিৎজা ডেলিভারির কাজে প্রচুর ভারতীয় আছেন, কিছু বাংলাদেশিও আছেন। ক্রোয়েশিয়ায় আসতে সরকারি খরচের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয় যাঁদের মাধ্যমে আসেন, সেই এজেন্সিগুলোর চাহিদা মেটাতে। সরকারিভাবে কর্মসংস্থানের এই বিষয়গুলো দেখভাল করতে পারলে খরচ অনেক কম হতো।</p><p>পর্যটক হিসেবে আমরা একটি দেশে প্রবেশ করি। হোটেলে উঠি, শহরের দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখি। ছবি তুলি, স্থানীয় খাবার খাই। তারপর কয়েক দিনের মধ্যেই আবার অন্য গন্তব্যে চলে যাই। আমাদের কাছে শহরটি একটি ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা।</p><p>কিন্তু প্রবাসী বা অভিবাসী মানুষের কাছে একই শহরের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।</p><p>তাঁদের কাছে জাগরেব কেবল ঐতিহাসিক স্থাপত্য আর সুন্দর চত্বরের শহর নয়। এটি জীবিকার শহর, কাজের শহর, সংগ্রামের শহর। এখানে প্রতিদিনের দায়িত্ব আছে, ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা আছে, আছে নিজের অবস্থান তৈরি করার লড়াই। পরিবার হয়তো হাজার হাজার মাইল দূরে, কিন্তু জীবনের প্রতিদিনের হিসাব মেলাতে হয় এই শহরের রাস্তায়, কর্মস্থলে, ছোট্ট বাসায়।</p><p>একজন পর্যটক যে রাস্তায় ছবি তুলে মুগ্ধ হন, একজন অভিবাসী হয়তো সেই রাস্তায় প্রতিদিন কাজে যাওয়ার জন্য হাঁটেন। পর্যটকের কাছে যে শহর কয়েক দিনের স্মৃতি, অভিবাসীর কাছে সেই শহরই হয়ে উঠতে পারে দীর্ঘ জীবনের বাস্তবতা।</p><p><strong>রাতের জাগরেব—</strong></p><p>সারা দিন হেঁটে হোটেলে ফেরার আগে দেখতে চাইলাম রাতের জাগরেব। আপার আর লোয়ার টাউনের সংযোগে প্রচুর রেস্তোরাঁ। রেস্তোরাঁয় বাইরে রাস্তায় অনেক জায়গা নিয়ে টেবিল–চেয়ার বসানো, বেশ জমজমাট রাতের জাগরেব। নৈশভোজ সেরে নিলাম এক ব্যস্ত রেস্তোরাঁয়, লম্বা লাইন দেখে জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা নিলাম। লাইনে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। জাগরেবে ভারতীয়দের উপস্থিতি বেশ।</p><p>নৈশভোজ শেষে যখন হোটেলে ফিরছিলাম, তখন শরীরে ক্লান্তি থাকলেও মনে ছিল পরিতৃপ্তি। একটি শহরকে দেখেছি তার ঐতিহাসিক স্থাপত্যে, শিল্পসংস্কৃতিতে, বিজ্ঞানীর স্মৃতিতে, ট্রাম আর ব্যস্ত চত্বরে। আবার অচেনা শহরে নিজের দেশের কয়েকজন মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি জীবনের অন্য এক বাস্তবতা।</p><p>নৈশভোজের পর রেস্তোরাঁ পাড়া ও শহরকেন্দ্রের ব্যস্ত, জমকালো পরিবেশ পেছনে ফেলে অলিগলির নীরবতা ভেঙে রাত ১০টা নাগাদ পৌঁছে গেলাম হোটেলে। রাতের নির্জন সড়কে একাকী হেঁটে চলার মধ্যেও যে নিরাপত্তাবোধ কাজ করে, তার আড়ালে লুকিয়ে থাকে একটি নিরাপদ রাষ্ট্রের নীরব শহর।</p><p>সারায়েভো থেকে জাগরেব—দুটি শহর, দুটি ইতিহাস। কিন্তু মানুষের গল্প প্রায় একই—কেউ স্মৃতি নিয়ে বাঁচে, কেউ নতুন ভবিষ্যতের খোঁজে শহর বদলায়। আর একজন পথিকের কাজ শুধু জায়গা দেখা নয়; সেই গল্পগুলোকে নিজের ভেতরে ধারণ করে ফিরে আসা।</p><p>পর দিন ট্রেনযাত্রায় ক্রোয়েশিয়া ছেড়ে যেতে হবে স্লোভেনিয়ায়, নতুন কিছু দেখার হাতছানিতে।</p><p><strong>*লেখক: শোয়েব সাঈদ</strong>, কানাডার মন্ট্রিয়লে একটি বহুজাতিক করপোরেটে ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আইএসইউতে নবীনবরণ, নতুনদের পদচারণে উৎসবের আমেজ</title><link>https://www.prothomalo.com/education/73v8930z5t</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/73v8930z5t#comments</comments><guid isPermaLink="false">02eab37c-4c2f-419c-b53f-1a9b308d2f39</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:42:25 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:42:25.457Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি,গবেষণা,ক্যাম্পাস,নবীনবরণ,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="1060" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7a9acfxa/8.jpg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7a9acfxa/8.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিক্ষা</category><category>ক্যাম্পাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটিতে (আইএসইউ) নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, বর্ণিল আয়োজন এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল-২০২৬’ সেমিস্টারের নবীনবরণ। গত ২৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাখালী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল আউয়াল খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মেম্বার সেক্রেটারি হাসনাত মোশাররফ।</p><p>আইএসইউর উপাচার্য নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ ও মানবিক মানুষ গড়ে তোলা। শিক্ষার্থীদের শুধু শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে সফল নয়; বরং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সততা, নৈতিকতা ও মানবিকতার চর্চার মধ্য দিয়েই প্রকৃত সাফল্য অর্জন সম্ভব।</p><p>নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে হাসনাত মোশাররফ বলেন, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চায়, যেন তাঁরা পেশাগত সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন।</p><p>নবীনদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, একাডেমিক কার্যক্রম ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংগীত, নৃত্য ও দলীয় পরিবেশনার মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় পুরো অডিটোরিয়াম উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।</p><p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএসইউর ট্রেজারার অধ্যাপক এইচ টি এম কাদের নেওয়াজ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মনজুর মোর্শেদ মাহমুদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম, আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ একরামুল হক, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিকসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>৩ জেলার ৬৫ চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/lbycme8n6c</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/lbycme8n6c#comments</comments><guid isPermaLink="false">4c760612-4a72-4f38-9cdf-8a5ade00d8eb</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:39:41 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:39:41.111Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ৩ জেলার ৬৫ চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার]]></description><media:keywords>সিরাজগঞ্জ,আত্মসমর্পণ,আইনশৃঙ্খলা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gkefyuyz/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gkefyuyz/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/cA_-J4DbEnI"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>অটোরিকশা নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মাইকিং, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/h5twk2b250</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/h5twk2b250#comments</comments><guid isPermaLink="false">b05b089e-4070-4a23-8bde-dea1e143197c</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:30:29 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:30:29.438Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ভাইরাল ভিডিও,মিছিল,চট্টগ্রাম,অপরাধ,ছাত্রলীগ,বাঁশখালী,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="655" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/41c57uzp/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.19.45-PM.jpeg" width="1039"><media:title type="html"><![CDATA[ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অটোরিকশা নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মাইকিং]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/41c57uzp/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.19.45-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে মাইকিং করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ রোববার বিকেলে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।</p><p> জানা গেছে, আজ বেলা দুইটা থেকে বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মাইক লাগিয়ে এ কর্মসূচি চালানো হয়।</p><p>২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, অটোরিকশায় থাকা মাইকে আগে থেকে ধারণ করা বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। মাইকিং কর্মসূচির আয়োজক হিসেবে ‘বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>জানতে চাইলে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক প্রথম আলোকে বলেন, মাইকিংয়ের বিষয়টি তিনি জানেন না। খোঁজ নিয়ে জানাবেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাশেদ খাঁনকে সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান সম্পাদক পরিষদের</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/g7e7ko5di2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/g7e7ko5di2#comments</comments><guid isPermaLink="false">7373ab1a-a534-4897-ac18-3f3c50c474a9</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:27:04 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:27:04.767Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সম্পাদক পরিষদ,গণমাধ্যম,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা</media:keywords><media:content height="276" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/itv2rj6o/121636sp.webp" width="500"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/itv2rj6o/121636sp.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ। গতকাল শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তাঁকে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার একটি কপি ছিঁড়তে দেখা যায়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় সম্পাদক পরিষদ।</p><p>বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো সংবাদ বা সম্পাদকীয় বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে মতপার্থক্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, শালীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখা জরুরি।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী ও সচিব পদমর্যাদার ব্যক্তি হিসেবে রাশেদ খাঁনের বক্তব্য ও আচরণে সংযম ও দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সম্পাদক পরিষদ। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার পেশাগত মান, বস্তুনিষ্ঠতা, নৈতিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠনটি।</p><p>বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি উসকানিমূলক বক্তব্য, হুমকি ও হয়রানি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।</p><p>সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে পুলিশে দিলেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/88qdfuo5li</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/88qdfuo5li#comments</comments><guid isPermaLink="false">d9496bff-e009-4751-bb85-66afabe750d9</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:19:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:19:06.287Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1429666</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,রাজনীতি,ছাত্রদল,ছাত্রলীগ,শাহবাগ</media:keywords><media:content height="1280" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/wrh3ktbd/BSL.jpg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ অর্ক রায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/wrh3ktbd/BSL.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক এক নেতাকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। আটক ব্যক্তির নাম অর্ক রায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক। আজ রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হলের ভেতর থেকে তাঁকে আটক করা হয়।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অর্ক রায় মাঝেমধ্যেই হলে যাতায়াত করতেন। আজ বিকেলে হলের একটি ক্যানটিনে খাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা তাঁকে দেখতে পেয়ে আটক করেন। পরে হল প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে তাঁকে শাহবাগ থানা–পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল বলেন, আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পুলিশ দেখবে। তিনি মাঝেমধ্যে হলে যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে। আজ দেখতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে আটক করেন।</p><p>প্রাধ্যক্ষ আরও বলেন, ছাত্রলীগের পদধারী কারও নামেই বর্তমানে হলে সিট বরাদ্দ নেই, তাঁদের সবার সিট আগেই বাতিল করা হয়েছে। হলে এ ধরনের কেউ অবৈধভাবে অবস্থান করছেন কি না, হল প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখবে।</p><p>জগন্নাথ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ধ্রুব রায় বলেন, অর্ক রায় রাতে হলে লুকিয়ে অবস্থান করছিলেন বলে তাঁদের কাছে তথ্য ছিল। আজ দিনে প্রকাশ্যে তাঁকে ক্যানটিনে দেখতে পেয়ে আটক করা হয়। সম্প্রতি জগন্নাথ হলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি জড়িত থাকতে পারেন বলেও অভিযোগ করেন এই ছাত্রদল নেতা।</p><p>এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সভাপতির ছেলে এইচএসসি পাসের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xbmmb4t4bq</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xbmmb4t4bq#comments</comments><guid isPermaLink="false">24faa8cd-4aa1-49b6-902a-56a7f490da25</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:17:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:17:32.143Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি বাতিলের কারণ হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা বলছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।]]></description><media:keywords>ছাত্র রাজনীতি,খুলনা বিভাগ,চুয়াডাঙ্গা,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬,ছাত্রদল</media:keywords><media:content height="584" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fbhzlgst/chuadangaChatrodol.jpg" width="850"><media:title type="html"><![CDATA[ চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fbhzlgst/chuadangaChatrodol.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ছেলের এইচএসসি পাসের খবর ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান। এ নিয়ে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে আলোচনা চলার মধ্যেই জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটিও। কেন্দ্রীয় সংসদের বিজ্ঞপ্তিতে দুই কমিটি বাতিলের কারণ হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা বলা হয়েছে।</p><p>আজ রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার কথা জানানো হয়। একই বিজ্ঞপ্তিতে মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলকেও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।</p><p>ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা জেলা ও মেহেরপুর জেলা শাখা ছাত্রদলের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই ইউনিটগুলোর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।</p><aside><cite>মোমিনুর রহমান মালিতা, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক</cite>কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমিটিতে যোগাযোগ করছিলেন নতুন করে কমিটি দেওয়ার জন্য। কিন্তু এ রকম একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে তা হবে, সেটা কখনো ভাবেননি।</aside><p>উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণার পর রাতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খান তাঁর ছেলের এইচএসসি পাস করায় ছবিসহ একটি পোস্ট দেন। এরপর ছাত্রদল নেতার বয়স নিয়ে দলের ভেতরে–বাইরে নানা রকম আলোচনা শুরু হয়।</p><blockquote>২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।</blockquote><p>চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মালিতা কমিটি বিলুপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমিটিতে যোগাযোগ করছিলেন নতুন করে কমিটি দেওয়ার জন্য। কিন্তু এ রকম একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে তা হবে, সেটা কখনো ভাবেননি। তিনি এ জন্য কমিটির সভাপতি শাজাহান খানের খামখেয়ালিপনাকে দায়ী করেন। এইচএসসি পাস ছেলের ফল নিয়ে ফেসবুকে এভাবে প্রকাশ্যে না এলেও পারতেন বলে মনে করেন তিনি।</p><p>২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। </p><p>কমিটি বিলুপ্তের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই বলে জানিয়েছেন বিদায়ী সভাপতি শাজাহান খান। দীর্ঘ ২৮ বছর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মী থেকে নেতা হয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ করে শাজাহান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাইলে পরবর্তী সময়ে যুবদলের রাজনীতিতে থাকার ইচ্ছা আছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/ufy7faeo18</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/ufy7faeo18#comments</comments><guid isPermaLink="false">8458ee68-c07a-4a51-a003-27f62a745ff4</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:13:38 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:13:38.213Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিএনপি,রাজনীতি,ঢাকা মহানগর,বিএনপি সরকার</media:keywords><media:content height="358" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/rsmn7vte/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.09.jpg" width="540"><media:title type="html"><![CDATA[ শফিকুল ইসলাম খান ও এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/rsmn7vte/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-9.09.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানকে (মিল্টন)। আর সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা–১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে। আগের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার এক মাসের বেশি সময় পর নতুন নেতৃত্ব পেল বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই সাংগঠনিক শাখা।</p><p>আজ রোববার রাতে বিএনপির সহ–দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই শাখায় পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে হবে।</p><p>শফিকুল ইসলাম খান যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ–সভাপতি। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন তিনি। এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।</p><p>গত ৩০ সেপ্টেম্বর আমিনুল হক ও মোস্তফা জামানের নেতৃত্বাধীন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ওই দিন দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আমিনুল হক ওই কমিটির আহ্বায়ক এবং মোস্তফা জামান সদস্যসচিব ছিলেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/59u0kfbjx1</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/59u0kfbjx1#comments</comments><guid isPermaLink="false">1f187feb-dd05-414d-801a-a84fe6eab2d9</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:12:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:12:15.380Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এক হাতে একটি ডিম, অন্য হাতেও তাই। মাথার ওপরও সাজানো আরও একটি ডিম। চারপাশে মুরগি, পেছনে রঙিন ক্যানভাস। এমন অদ্ভুত অথচ দারুণ মজার সাজে ধরা দিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান।]]></description><media:keywords>মেকআপ,ডিম,শাড়ি,জয়া আহসান</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/82ls0kdk/Joya-Mena-L.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/82ls0kdk/Joya-Mena-L.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এক হাতে একটি ডিম, অন্য হাতেও তাই। মাথার ওপরও সাজানো আরও একটি ডিম। চারপাশে মুরগি, পেছনে রঙিন ক্যানভাস। এমন অদ্ভুত অথচ দারুণ মজার সাজে ধরা দিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান।</p><p>শুধু ফ্যাশন নয়, তাঁর ছবিতে রয়েছে নারীর সমান অধিকারের বার্তাও। ইনস্টাগ্রামে ছবিটি প্রকাশ করে ক্যাপশনে জয়া পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন ‘মীনা’ নামের এক কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে। যিনি নিজের খামারের মুরগিগুলোর হিসাব রাখেন, প্রতিদিন সকালে তাদের সঙ্গে হাঁটতে বের হন। কিন্তু একদিন এক চোরের কারণে তাঁর হিসাব রাখতে বেশ বেগ পেতে হয়। একই সঙ্গে ভাইয়ের সমানসংখ্যক সেদ্ধ ডিম পাওয়ার অধিকার নিয়েও তিনি বেশ সচেতন। মজার ছলে বলা এই গল্পে জয়া যেন তুলে ধরেছেন নারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের কথাও।</p><h3>রঙিন শাড়িতে দেশি আবহ, সঙ্গে আধুনিক ব্লাউজ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3lncwrnd/image-1484511.jpg" /></figure><p>জয়ার পুরো লুকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ শাড়ি। গাঢ় লালচে বাদামি, অলিভ ও সোনালি রঙের মিশেলে তৈরি শাড়িটিতে রয়েছে ঘন ফুলেল নকশা। শাড়ির জমিনজুড়ে নানা রঙের ছোট ছোট ফুল, আর আঁচল ও পাড়ে সোনালি কলকা নকশা। পাড়ের বেগুনি আভা শাড়ির রঙের সঙ্গে তৈরি করেছে দারুণ বৈপরীত্য। শাড়ির রঙের সঙ্গে সাজের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে সাবেকি আবহ।</p><p>তবে শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে জয়া রেখেছেন একেবারেই ভিন্ন চমক। উজ্জ্বল গোলাপি রঙের স্লিভলেস হাই-নেক নিট ব্লাউজে রয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। শাড়ির গাঢ় রঙের পাশে ব্লাউজের উজ্জ্বল গোলাপি রং পুরো লুককে করেছে আরও আধুনিক।</p><h3>চুলের সাজে রঙিন আয়োজন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/tq8fyttf/image-5965012.jpg" /></figure><p>খোলা এলোমেলো চুল কাঁধ বেয়ে নেমে এসেছে। চুলের ওপরের অংশে লাল ফিতা ও হাঁস আকৃতির মেটালিক ক্লিপ মাথার দুপাশে লাগানো। একটি ছবিতে মাথার ঠিক ওপর রাখা সাদা ডিমটি পুরো ছবিতে তৈরি করেছে অন্য রকম নাটকীয়তা। দুই হাতেও দুটি ডিম ধরে রেখেছেন জয়া। অন্য ছবিগুলোর একটিতে মুরগিগুলো ফিতা দিয়ে বাধা এবং অন্যটিতে স্লেট হাতে দেখা যায় জয়া আহসানকে। সাজের এই অপ্রচলিত উপাদান ছবির গল্পের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে গেছে।<br></p><h3>মেকআপে স্বাভাবিক সৌন্দর্য</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y55pz3sq/Joya-Mena-W.jpg" /></figure><p>জয়ার মেকআপেও নেই বাড়তি চাকচিক্য। চোখে গাঢ় কাজল ও আইলাইনারের ব্যবহার চোখের অভিব্যক্তিকে আরও স্পষ্ট করেছে। পরিপাটি ভ্রু, হালকা ব্লাশ এবং গোলাপি আভাযুক্ত ঠোঁটে সাজটি হয়েছে সম্পূর্ন। ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও রাখা হয়েছে অক্ষুণ্ন। সব মিলিয়ে মেকআপে ভারী কোনো আয়োজন না থাকলেও ছবির চরিত্রের সঙ্গে বেশ মানিয়েছে।</p><h3>ফ্যাশনের আড়ালে নারীর সমান অধিকারের গল্প</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/lgjjkwsu/Joya-Mena-L.jpg" /></figure><p>ছবির পেছনের নীল-সবুজ ক্যানভাস, দুই পাশে মুরগির উপস্থিতি, ভাঙা ডিমের খোলস এবং জয়ার অভিনব ভঙ্গি। সবকিছু মিলিয়ে এটি যেন একটি শিল্পসম্মত দৃশ্য। ছবির ক্যাপশনে মীনার গল্প বলার মধ্য দিয়ে জয়া হাস্যরসের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তাও দিয়েছেন। ভাইয়ের সমান সেদ্ধ ডিম পাওয়াকে তিনি দেখিয়েছেন নারীর ন্যায্য অধিকারের প্রতীক হিসেবে।</p><p>জয়ার এই ফটোশুট তাই কেবল শাড়ি, মেকআপ আর স্টাইল স্টেটমেন্টের গল্প নয়। ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে সৃজনশীল উপস্থাপনা এবং নারী-পুরুষের সমান অধিকারের বার্তা। সব মিলিয়ে ছবিটি হয়ে উঠেছে বেশ উপভোগ্য।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মুক্তিযুদ্ধ থেকে রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার উত্থান, আর্মি স্টেডিয়ামে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f9ybbu5tai</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f9ybbu5tai#comments</comments><guid isPermaLink="false">c12310cc-4b3d-4098-bbc9-b3bb8120c50b</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:09:44 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:09:44.403Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মুক্তিযুদ্ধ থেকে রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার উত্থান, আর্মি স্টেডিয়ামে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন]]></description><media:keywords>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/37t554pn/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/37t554pn/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশেষ ডিসপ্লের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ৭ নভেম্বর আয়োজনটি উপভোগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/90byztSjtpw"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>সাভারে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, 
কারখানা ভাঙচুর, সাংবাদিককে মারধর</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/nc8nctx0h2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/nc8nctx0h2#comments</comments><guid isPermaLink="false">be663e5e-71f0-4756-ba99-2cc7d93dae06</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 15:08:59 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T15:08:59.940Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পোশাকশিল্প,তৈরি পোশাকশিল্প,শ্রমিক আন্দোলন,আন্দোলন,সাভার,ঢাকা,ঢাকা বিভাগ</media:keywords><media:content height="480" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ai6ciy8f/dhakadh162420261101savar13-01.11.26.jpg" width="767"><media:title type="html"><![CDATA[ সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকেরা। রোববার বেলা তিনটার দিকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ai6ciy8f/dhakadh162420261101savar13-01.11.26.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভারের আশুলিয়া ও হেমায়েতপুরের কয়েকটি জায়গায় আজ রোববার দিনভর বিক্ষোভ হয়েছে। হেমায়েতপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দেড় ঘণ্টার মতো অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। এ সময় কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।</p><p> এমন পরিস্থিতিতে সাভারের হেমায়েতপুর ও আশুলিয়ার ১৭৭টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয় বলে আজ সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে প্রথম আলোকে জানান আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া।</p><p>মহাসড়ক অবরোধের সময় পোশাকশ্রমিকেরা হেমায়েতপুরে ঢাকা–আরিচা মহাসড়ক–সংলগ্ন একেএইচ গ্রুপের কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। মহাসড়ক অবরোধের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ ছিল। ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের মারধরের শিকার হন স্থানীয় এক সাংবাদিক। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।</p><p>পুলিশ, শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সাভারের আশুলিয়া, ঢাকার মিরপুর ও গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিকদের বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরে হেমায়েতপুরের কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে একেএইচ গ্রুপের কারখানায় কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/126cl5ea/dhaka_dh1624_20261101_savar15_01_11_26.jpg" /><figcaption>সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় একেএইচ গ্রুপের কারখানা চত্বরে গাড়ি ভাঙ্চুর করা হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে  </figcaption></figure><p>বেলা আড়াইটার দিকে ছুটি ঘোষণা করা কারখানার শ্রমিকদের একটি অংশ একেএইচ গ্রুপের কারখানার সামনে যান। তাঁরা ওই কারখানার শ্রমিকদের কারখানা থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানান। শ্রমিকেরা বের না হওয়ায় এবং কারখানা কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা না করায় তাঁরা কারখানা চত্বরে ঢুকে কারখানার কাচ, শ্রমিকদের পরিবহনের বাস, প্রাইভেট কার ও কাভার্ড ভ্যানের কাচ ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া কারখানার ফটকে নিরাপত্তারক্ষীদের বসার কক্ষে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে তাঁরা সড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় সড়কের উভয় পাশে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y3g8m2oe26">আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ৩০ কারখানা ছুটি ঘোষণা</a></aside><p>ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে প্রাইম টিভির সাভার উপজেলা প্রতিনিধি গোপাল মালাকারকে মারধর করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে সাভার মডেল থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়।</p><p>গোপাল মালাকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভিডিও করার সময় কয়েকজন বিক্ষোভকারী ভিডিও কেন করছি, এটা বলে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে শুরু করেন। এ সময় আমার মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেন তাঁরা। যে মোবাইল দিয়ে ভিডিও করছিলাম, সেটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>সাংবাদিক আলিফ হত্যায় অংশ নেন পাঁচজন, গুলি করেন তাজুল</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hml1d5n3b8</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hml1d5n3b8#comments</comments><guid isPermaLink="false">57287e9c-17d9-43aa-9aa0-252aca4fce45</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:59:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:59:57.689Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>চোরাচালান,নেত্রকোনা,সন্ত্রাস,ময়মনসিংহ বিভাগ,হত্যা,সাংবাদিক</media:keywords><media:content height="593" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/col02mfr/NETROKONAjournalist.JPG" width="922"><media:title type="html"><![CDATA[ নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/col02mfr/NETROKONAjournalist.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যা মামলায় দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, তাজুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। এতে সরাসরি পাঁচজন অংশ নেন। এর মধ্যে তাজুল পিস্তল দিয়ে আলিফকে গুলি করেন। জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ এসব তথ্য জানিয়েছে।</p><p>আজ রোববার বিকেলে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিন ভুঁইয়ার কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দুই আসামি ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২৪) ও সাব্বির আহম্মেদ (২৫)। বিকেল পৌনে চারটায় শুরু হওয়া জবানবন্দি নেওয়া হয় সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। পরে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।</p><p>দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, জবানবন্দিতে দুই আসামি জানিয়েছেন, তাজুল ইসলামের সঙ্গে সাংবাদিক আলিফের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাঁরা তাজুলের সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন কাজ করতেন। সীমান্ত এলাকায় তাঁদের বিভিন্ন ব্যবসা ছিল। এসব ব্যবসায় আলিফ বাধা দিতেন এবং পুলিশকে তথ্য দিতেন। এসব কারণে আলিফের প্রতি তাঁদেরও ক্ষোভ ছিল।</p><p>ওসি আরও বলেন, দুই আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি পাঁচজন অংশ নেন। তাজুল ইসলাম পিস্তল দিয়ে আলিফকে গুলি করেন। তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লোকজন চলে এলে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।</p><p>জবানবন্দিতে তাজুল ছাড়া আরও কয়েকজনের নাম এসেছে জানিয়ে ওসি বলেন, তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করার লক্ষ্যেই তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।</p><aside><cite>খন্দকার শাকের আহমেদ, দুর্গাপুর থানার ওসি</cite>জবানবন্দিতে তাজুল ছাড়া আরও কয়েকজনের নাম এসেছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করার লক্ষ্যেই তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।</aside><p>পুলিশ জানায়, তাজুলের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে&nbsp;অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। সীমান্তকেন্দ্রিক চোরাচালানের ঘটনায়ও তাজুলের বাহিনী জড়িত। নিজ নামে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনীও চালান তিনি।</p><p>&nbsp;সাংবাদিক আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা (খাদিজা আক্তার) এর আগে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, তাজুলের চোরাচালান ও অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য পেয়ে তা র‍্যাবকে দিয়েছিলেন আলিফ। বছর চারেক আগে তাজুলকে র‍্যাব (এখন এসআরবি) গ্রেপ্তার করেছিল।</p><p>&nbsp;দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমদের গত অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, তাজুলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তথ্য পেয়েছিলেন আলিফ। তাঁর (তাজুল) বাড়িঘরের ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন। তাজুল মনে করতেন, তাঁর কাছে থাকা অস্ত্রের তথ্যও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়েছেন আলিফ। এ নিয়ে ক্ষোভ থেকে আগেও আলিফের ওপর হামলা হয়েছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/6oq7banhxy">সীমান্তে অপরাধ খুঁজতে গিয়েই সন্ত্রাসীদের নিশানা হন সাংবাদিক আলিফ</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/86l3e2zw/WhatsApp-Image-2026-10-15-at-10.11.53-PM.jpeg" /><figcaption>গুলিতে সাংবাদিক হত্যার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া এলাকায়</figcaption></figure><p>গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্রাইল বাজারসংলগ্ন তেলনজিয়া এলাকায় গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। ওই পেজে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন তিনি।</p><p>হত্যাকাণ্ডের পরদিন আলিফের স্ত্রী বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।</p><p>গতকাল শনিবার ভোরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর বাজার এলাকা থেকে ইমরান ও সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। এ নিয়ে সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে ১৮ অক্টোবর সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্ব এবং ২০ অক্টোবর আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>নেত্রকোনার পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামলার তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আর কারা জড়িত, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। আশা করছি, দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পারব। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/nur3u4f04s">‘তারা অস্ত্র নিয়ে বসে আছে, আমি গেলে গুলি করবে’—আগেই বলেছিলেন সাংবাদিক আলিফ</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/v0jd3az6/NetrokonaDH054820261016Screenshot20261016111150WhatsApp.jpg" /><figcaption>সাংবাদিক লুৎফুজ্জামানের নিথর দেহের পাশে কাঁদছেন স্ত্রী । নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় তেলনজিয়া এলাকায়</figcaption></figure><p><strong>ঢাকায় চাকরিতে যোগ দিয়েছেন আলিফের স্ত্রী</strong><br>এদিকে নিহত আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা (খাদিজা আক্তার) রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি কাজে যোগ দেন। দুই সন্তান ও মাকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন আনন্দিতা।</p><p>গারো সম্প্রদায়ের এই নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল আলিফের সঙ্গে। বিয়ের সময় তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে তাঁর নাম হয় খাদিজা আক্তার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/i0pnmca75m">‘বাচ্চাদের খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দাও, আমার আসতে একটু দেরি হবে’</a></aside><aside><cite>আনন্দিতা সাংমা, নিহত সাংবাদিক আলিফের স্ত্রী </cite>স্বামীকে আর কখনো ফিরে পাব না; কিন্তু যারা তাঁকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে, আমার দুই সন্তানকে এতিম করেছে, আমাকে স্বামীহারা করেছে, তাদের শাস্তি দেখে যেতে চাই। আমি তাদের ফাঁসি চাই।</aside><p>গতকাল শনিবার রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে আনন্দিতা সাংমা বলেন, ‘প্রথম আলোতে খবর প্রকাশের পর অনেকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। একজন নারী আমাকে ফোন করে সহযোগিতার কথা বলেছেন। আমার ব্যাংক হিসাবের নম্বর চেয়েছেন। এরপর আরও অনেকে ফোন করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। চাকরির ব্যবস্থা হওয়ায় আপাতত অন্য কারও আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন নেই।’</p><p>আনন্দিতা আরও বলেন, ‘আমি চাই, তাজুল ইসলাম, শুটার শামীমসহ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। স্বামীকে আর কখনো ফিরে পাব না; কিন্তু যারা তাঁকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে, আমার দুই সন্তানকে এতিম করেছে, আমাকে স্বামীহারা করেছে, তাদের শাস্তি দেখে যেতে চাই। আমি তাদের ফাঁসি চাই।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>এক বছরে ৪০০ ছক্কা, টি–টুয়েন্টিতে ভারতের নতুন ইতিহাস</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/rgz504l33q</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/rgz504l33q#comments</comments><guid isPermaLink="false">7699e2c0-cb74-4364-9461-63c1184ca61a</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:58:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:58:11.232Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল,ভারত ক্রিকেট দল</media:keywords><media:content height="784" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/4xyu1nvb/gettyimages-2301239395-2048x2048.jpg" width="1273"><media:title type="html"><![CDATA[ ২০২৬ সালে টি–টুয়েন্টিতে ৪০০ ছক্কা মেরেছে ভারত।]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/4xyu1nvb/gettyimages-2301239395-2048x2048.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>টি–টুয়েন্টি তো এখন আসলেই ছক্কার উৎসব। বল আকাশে উঠছে, সীমানার ওপারে গিয়ে পড়ছে। ব্যাটসম্যানদের কাছে বাউন্ডারি এখন আর যথেষ্ট নয়। ছক্কা মারাটাই যেন নতুন অভ্যাস। এই অভ্যাসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল ভারত।</p><p>নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে ইতিহাস লিখেছে ভারতীয় দল। এক পঞ্জিকাবর্ষে ৪০০ ছক্কা মারা বিশ্বের প্রথম দল এখন ভারত। ২০২৬ সালে নিজেদের ৪০তম ম্যাচে এই মাইলফলক ছুঁয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা মেরেছেন ১১টি ছক্কা। তাতেই ৪০০-এর ঘরে পৌঁছে যায় দলটির ছক্কার সংখ্যা।</p><p>আগের রেকর্ডটি ছিল আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশ অস্ট্রিয়ার। ২০২৫ সালে ৩৬ ম্যাচে ৩২৬ ছক্কা মেরেছিল দলটি। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে আগের সেরা রেকর্ডটিও ভারতের। ২০২২ সালে ৪০ ম্যাচে ২৮৯ ছক্কা মেরেছিল তারা। চার বছরে ছবিটা কতটা বদলে গেছে, সংখ্যাতেই তা স্পষ্ট। ২০২২ সালে ভারতের ম্যাচপ্রতি ছক্কার গড় ছিল ৭.২। এবার সেটি বেড়ে হয়েছে ১০। অর্থাৎ প্রতি ম্যাচে গড়ে ১০টি করে ছক্কা মারছে ভারত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/isvy4ji9/gettyimages_2302485219_2048x2048.jpg" /><figcaption>২০২৬ সালে টি–টুয়েন্টিতে ভারতের মারা ৪০০ ছক্কার মধ্যে ১৪২টিই এসেছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।</figcaption></figure><p><br>৪০০তম ছক্কাটি এসেছে ভারতের নীতীশ ধীরের ব্যাট থেকে। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ব্লেয়ার টিকনারের বলে ফ্লিক করতে গিয়ে বলের ওপরের দিকে ব্যাট লাগে। বল উড়ে যায় ফাইন লেগের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে। ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয় সেই ছক্কা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/bofctb9gqz">শেষ দুই ম্যাচে জিতে ভারতের সিরিজ জয়ের আনন্দ ম্লান করল নিউজিল্যান্ড</a></aside><p><br>তবে ভারতের এই ছক্কাযাত্রায় নিউজিল্যান্ডেরও বিশেষ ভূমিকা আছে। ২০২৬ সালে ভারতের মারা ৪০০ ছক্কার মধ্যে ১৪২টিই এসেছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এক পঞ্জিকাবর্ষে কোনো একটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার বিশ্ব রেকর্ডও এটি।<br>এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার তালিকায় এখন প্রথম তিনটি জায়গার দুটিই ভারতের। ২০২৬ সালে ৪০০, ২০২২ সালে ২৮৯। মাঝখানে অস্ট্রিয়া, ২০২৫ সালে ৩২৬ ছক্কা।</p><h3>টি–টুয়েন্টিতে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারা দল</h3>]]></content:encoded></item><item><title>ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা </title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/7l49trnasi</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/7l49trnasi#comments</comments><guid isPermaLink="false">2f2d09d6-92a4-4b46-9849-2176aef36ccc</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:54:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:54:42.638Z</atom:updated><atom:author><atom:name>স্বপ্ন নিয়ে ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1503347</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>জনস্বাস্থ্য,চিকিৎসক,বৃত্তি,স্বপ্ন নিয়ে</media:keywords><media:content height="2264" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/edvtoust/IMG0468.jpg" width="2738"><media:title type="html"><![CDATA[ ডা. জারিন তাসনিম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/edvtoust/IMG0468.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি পেয়ে ইউরোপে পড়তে গেছেন <strong>ডা. জারিন তাসনিম</strong>। লিখেছেন তাঁর অভিজ্ঞতা।</p><p>সেপ্টেম্বরের এক সকালে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্তর আর কয়েক বছরের পেশাজীবনের স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা হলাম। যেতে যেতে ভাবছিলাম, সত্যিই কি আবার ছাত্রজীবন ফিরে পেতে যাচ্ছি! আবারও ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, পরীক্ষা…! চিকিৎসক হিসেবে যে পথে হাঁটা শুরু করেছিলাম, সেই পথ কি অন্য দিকে বাঁক নেবে! </p><p>গন্তব্য স্পেনের ছোট্ট শহর ওভিয়েদো। ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি নিয়ে সেখানে দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে পড়তে যাচ্ছি। জানিয়ে রাখি, ইরাসমাস মুন্ডুস হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি উদ্যোগ, যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হয়ে একটি পাঠ্যক্রম পরিচালনা করে। শিক্ষার্থীরা একাধিক দেশে পড়ার সুযোগ পান। পূর্ণ বৃত্তির আওতায় পড়াশোনা ও জীবনযাপনের জন্য আর্থিক সহায়তাও থাকে। </p><p>মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় ভবিষ্যৎ অনেকটাই সরল মনে হয়। রোগী আসবেন, রোগ নির্ণয় হবে, চিকিৎসা দেওয়া হবে, এই তো! কিন্তু পেশাজীবনে এসে বুঝতে শুরু করি, একজন মানুষ কেন অসুস্থ হলেন—এ প্রশ্নের উত্তর সব সময় তার শরীরের ভেতরে পাওয়া যায় না। সে কোথায় থাকে, কী তাঁর সামাজিক অবস্থান, কোথা থেকে সে পানি সংগ্রহ করে, কতখানি মানসিক চাপে থাকে, এসবের ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/ubot77q13o">মিরপুরের ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলে কী কী আছে, কেন যাবেন</a></aside><p>এই প্রশ্নগুলোই ধীরে ধীরে আমাকে চিকিৎসার পরিচিত গণ্ডি থেকে জনস্বাস্থ্যের দিকে নিয়ে যায়।</p><p>ইন্টার্নশিপের পরই ২০২০ সালে দিনাজপুরে আইসিডিডিআরবির একটা ক্লিনিক্যাল গবেষণায় যোগ দিয়েছিলাম। সেখানেই প্রথম কাছ থেকে বুঝতে পারি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এরপর সেভ দ্য চিলড্রেনের সঙ্গে রংপুরে কাজ করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মসূচি কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং কোথায় ঘাটতি, তা দেখার সুযোগ পাই।</p><p>এরপর পথ আমাকে নিয়ে যায় কক্সবাজারে। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করা আমার পেশাজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি। বাস্তুচ্যুতি ও দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, কাছ থেকে তা দেখেছি। বুঝেছি, সংকটের মধ্যে মানুষ শুধু চিকিৎসা চায় না; নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং নিজের জীবনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণও ফিরে পেতে চান তাঁরা।</p><p>এখানেই আমার কাছে চিকিৎসকের ভূমিকার অর্থ বদলে যায়। আমি বুঝতে শুরু করি, সংকটের মধ্যে মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করাই আমাকে সবচেয়ে বেশি টানে। সেখান থেকেই ইরাসমাস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।</p><p>আবেদনপত্র পূরণ করা নয়, বরং আমার কাছে বৃত্তি পাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল নিজের পথটা বোঝা। আমি কেন চিকিৎসাবিদ্যা থেকে জনস্বাস্থ্যে এলাম? আমার অভিজ্ঞতাগুলো আমাকে কী শিখিয়েছে? কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো আমার জানা নেই? ভবিষ্যতে আমি কোথায় অবদান রাখতে চাই? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর যত পরিষ্কার হয়েছে, দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য নিয়ে পড়ালেখা আমার কাছে ততই প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে।</p><p>আমি বিশ্বাস করি, একটি শক্তিশালী বৃত্তির আবেদন তৈরি হয় তখনই, যখন একজন মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা, আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারেন। অন্য কারও মতো ‘নিখুঁত প্রার্থী’ হওয়ার চেয়ে নিজের গল্পটা সৎভাবে বলতে পারাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>স্পেনের ওভিয়েদোতে থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। এরপর সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটে পড়ব। প্রতিটি ধাপে নতুন শিক্ষক, নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থা, নতুন সমস্যা, সঙ্গে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিও পাব।</p><p>আজও নিজেকে প্রথমে একজন চিকিৎসক হিসেবেই দেখি। তবে সেই পরিচয়ের অর্থ বদলেছে। এখন মনে হয়, একজন চিকিৎসকের কাজ কখনো একজন রোগীর পাশে দাঁড়ানো, কখনো একটি জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করা, কখনো গবেষণার মাধ্যমে একটি সমস্যাকে দৃশ্যমান করা, আবার কখনো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রমাণ পৌঁছে দেওয়া।</p><p>আজ ওভিয়েদোতে বসে মনে হয়, দিনাজপুর থেকে রংপুর, রংপুর থেকে কক্সবাজার, আর সেখান থেকে ইউরোপ—প্রতিটি জায়গাই আমাকে একই প্রশ্নের কাছে ফিরিয়ে এনেছে—সংকটের মধ্যেও কীভাবে আরও বেশি মানুষের কাছে, আরও ন্যায়সংগতভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো যায়।</p><p>হয়তো এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সামনে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘ঠিকানা’–এর শিডিউল না দেওয়ার অভিযোগে প্রযোজকের নোটিশ, রাজের জবাব</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/p172pr2ky3</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/p172pr2ky3#comments</comments><guid isPermaLink="false">5d35577f-d7b4-45bc-b594-5c29fa2d9a53</guid><pubDate>Sat, 31 Oct 2026 18:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:47:51.728Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428416</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বারবার শিডিউল চেয়েও মেলেনি শিডিউল—এমন অভিযোগে এবার শিডিউল চেয়ে চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।]]></description><media:keywords>বাংলা সিনেমা,শরীফুল ইসলাম,তারকা</media:keywords><category>ঢালিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/9qr0i115/Cinematic-Biker-in-Mountain-Meadow.png" /><figcaption>শরীফুল রাজ</figcaption></figure><p>বারবার শিডিউল চেয়েও ‘ঠিকানা’ সিনেমার জন্য শিডিউল মেলেনি—এমন অভিযোগে গত শনিবার চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন। অভিযোগপত্রে নোটিশের তারিখ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শিডিউল দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের জবাবে রাজ বলেন, ‘আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টাকা নিয়ে শিডিউল দেইনি, এমন কেউ বলতে পারবে না। এবারও শিডিউল দিতে চাচ্ছি না, এমন কোনো কিছু ঘটেনি।’</p><p>‘ঠিকানা’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিন আক্তার গত শনিবার <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ‘সিনেমাটি আগামী ঈদুল আজহায় মুক্তি দেব। আর চুক্তিতে বলা হয়েছে, ঈদে মুক্তি পাবে। এ সময়ে রাজ আর কোনো সিনেমায় অভিনয় করতে পারবেন না। কিন্তু হঠাৎ করেই দেখলাম তিনি একসঙ্গে আরও দুটি সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন। সেই সিনেমাগুলোও ঈদে মুক্তি পাবে। সেগুলোতে শিডিউল দিয়েছেন, অথচ আমাদের শিডিউল দিচ্ছেন না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/6ygewg0u/762551819_1611746016976768_2613954862168842235_n.jfif" /><figcaption>শরীফুল রাজ</figcaption></figure><p>কিন্তু শনিবারের পাঠানো নোটিশে বলা আছে, সিনেমাটি ঈদ অথবা ঈদের পরেও মুক্তি পেতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা ঈদেই দিতে চাই। এর বাইরে কিছু লেখা থাকার কথা না।’ শিডিউল কি দিতে চান না রাজ? এমন প্রশ্নে শাহরিন বললেন, ‘সে মার্চের শুরুতে শিডিউল দিতে চায়।’</p><p>সিনেমাটির পরিচালক জুবাইর ইবনে বকর <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ‘আমাদের শিডিউল দিচ্ছে না, টাকাও দিচ্ছে না। সে ফাঁসায়ে দিয়েছে!’ পরে অবশ্য পরিচালক এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চাইলেন না। তিনি বললেন, ‘প্রযোজকের বক্তব্যই নিন। আমি কোনো বক্তব্য দেব না।’</p><p>তবে প্রযোজক ও পরিচালকের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শরীফুল রাজ। তিনি <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ‘পরিচালক বলছেন, টাকা দিচ্ছি না, প্রযোজক বলছেন শিডিউল দিচ্ছি না। এমন কোনো কিছু তো হওয়ার কথা নয়। আমি তো সিনেমা করতে এসেছি। আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টাকা নিয়ে শিডিউল দেইনি এমন কেউ বলতে পারবে না। ঈদেই তাদের সিনেমা মুক্তি পাবে আর এই সময়ে অন্য কোনো সিনেমায় আমি শুটিং করতে পারব না, এমন কোনো কথা হয়নি। আর তাদের যোগাযোগ করার অনেক আগে থেকেই মৌখিকভাবে ২–৩টা সিনেমা নিয়ে কথা বলা ছিল। তাদের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাকে হেয় করার জন্য। তারা ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে আমার পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাইছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-10/pd23of6t/৩৩৩.JPG" /><figcaption>‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার দৃশ্যে মোশাররফ করিম ও শরীফুল রাজ</figcaption></figure><p>প্রযোজকের অভিযোগ নিয়ে রাজ আরও বলেন, ‘তাদের ইচ্ছা ঈদে অথবা ঈদের পরে সিনেমাটি মুক্তি দেবে। কিন্তু অন্য কোনো সিনেমা করা যাবে না—এটা তো চুক্তিতে নাই। এখন তাদের সিনেমা যদি দুই বছর পরে মুক্তি পায় তাহলে আমি দুই বছর বসে থাকব। আমার ক্যারিয়ারের এ সময়ে এসে আমি এমন চুক্তি কেন করব। আর তাদের সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে শিডিউলের ব্যাপারে কথা হয়েছে। সেখানে কীভাবে আইনি নোটিশ পাঠায়। পেশাগত জায়গায় শিডিউলের জন্য এমন অভিযোগ, আইনি নোটিশ আমাকে হতবাক করছে।’</p><p>শরীফুল রাজ ও পরিচালক ইবনে বকরের পাঠানো চুক্তির ৪.১১ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, ‘ঠিকানা’ মুক্তি অথবা মুক্তির শিডিউল যখন হয় তখন সেটি ছাড়া রাজ অভিনীত অন্য কোনো সিনেমা মুক্তি পাবে না। আবার চুক্তির ৯ নম্বর ধারায় উল্লেখ আছে, ঈদুল আজহার সময়ে অথবা পরে যেকোনো সময় এটি মুক্তি পাবে, এ সিদ্ধান্ত নেবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। শনিবার পাঠানো আইনি নোটিশের ২ নম্বর ধারায় মুক্তি নিয়ে একই কথা বলা, ঈদ অথবা পরে যেকোনো সময় মুক্তি পাবে।</p><p>চুক্তিতে ঈদের পরেও যেকোনো সময় মুক্তি পেতে পারে, এই শর্তটি এ প্রসঙ্গে প্রযোজক শাহরিন বলেন,‘ঈদের পরে মুক্তি পাবে চুক্তিতে এটা থাকার তো কথা নয়।’ এ সময় প্রযোজককে ধারাগুলো পড়ে শোনানো হয়। তখন তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে জানাবেন বলে জানান।</p><p>শরীফুল রাজ সবশেষে বলেন, ‘শুরু থেকে তাদের আচরণ আমাকে হতাশ করেছে। পেশাদার আচরণ তারা করেনি। তারপরও শিল্পী হিসেবে আমি ধৈর্য ধরেছি। এর মাঝেই শিডিউল প্রসঙ্গে আইনি নোটিশ দিয়েছে। যে অভিযোগ সত্য নয়। শিডিউল নিয়ে যথেষ্ট কথা হয়েছে। তারা আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে, যা পেশাদার সুলভ নয়। এখন আমিও আইনিভাবেই কথা বলব।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/2oy608296x">এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–৫, তাঁর নাটকের ভিউ সবচেয়ে বেশি...</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-04-19/grnx51kb/49141135227387795629923043771140359467511272n.jpg" /><figcaption>প্রযোজক শাহরিন আক্তার</figcaption></figure><p>চুক্তিতে ঈদের পরেও যেকোনো সময় মুক্তি পেতে পারে, এই শর্তটি এ প্রসঙ্গে প্রযোজক শাহরিন বলেন,‘ঈদের পরে মুক্তি পাবে চুক্তিতে এটা থাকার তো কথা নয়।’ এ সময় প্রযোজককে ধারাগুলো পড়ে শোনানো হয়। তখন তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে জানাবেন বলে জানান।</p><p>শরীফুল রাজ সবশেষে বলেন, ‘শুরু থেকে তাদের আচরণ আমাকে হতাশ করেছে। পেশাদার আচরণ তারা করেনি। তারপরও শিল্পী হিসেবে আমি ধৈর্য ধরেছি। এর মাঝেই শিডিউল প্রসঙ্গে আইনি নোটিশ দিয়েছে। যে অভিযোগ সত্য নয়। শিডিউল নিয়ে যথেষ্ট কথা হয়েছে। তারা আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে, যা পেশাদার সুলভ নয়। এখন আমিও আইনিভাবেই কথা বলব।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘আলোর পথে ফিরতে’ আত্মসমর্পণ করলেন তিন জেলার ৬৫ চরমপন্থী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/42s5nx1ggs</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/42s5nx1ggs#comments</comments><guid isPermaLink="false">89f21396-15fd-4cf0-a0ed-f04f383e00e3</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:45:03 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:45:03.315Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সিরাজগঞ্জ সদর,অপরাধ,র‍্যাব,রাজশাহী বিভাগ,সিরাজগঞ্জ</media:keywords><media:content height="648" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/hqdlp41w/sirajgonjdh12882026110120261101163814.jpg" width="1152"><media:title type="html"><![CDATA[ সিরাজগঞ্জে এসআরবির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী। রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/hqdlp41w/sirajgonjdh12882026110120261101163814.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীর বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠনের ৬৫ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের উপস্থিতিতে আজ রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন।</p><p> এসআরবি-১২ জানায়, আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিদের মধ্যে পাবনার ৪৫ জন, রাজবাড়ীর ১৩ জন ও সিরাজগঞ্জের সাতজন আছেন। তাঁদের কেউ নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির, কেউ পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির, কেউ–বা নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাম ভিন্ন হলেও তাঁরা সবাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতেন।</p><p> অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ভুল বুঝে যারা চরমপন্থী সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা নিজেদের ভুল উপলব্ধি করে আত্মসমর্পণ করছেন। তারা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সে জন্য আইনি পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নানা জটিলতা ও সমস্যা সমাধানে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও জানান তিনি।</p><p>এসআরবির সদস্যদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্ধকার জগতে থাকা ব্যক্তিদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অঞ্চল ভেদে চরমপন্থী সংগঠনে যুক্ত ব্যক্তিদের নানা সমস্যা আলোচনা করে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা হবে।</p><p>২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে আত্মসমর্পণকারীদের কাছে তথ্য থাকলে এসআরবিকে সহায়তা করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। পরে অস্ত্র জমা দেওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ফারজানা শারমিন বলেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।</p><p>এসআরবি-১২–এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান, এসআরবির মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবিব পলাশ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ, রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) শাহানা আখতার জাহান বক্তব্য দেন।</p><p>বক্তারা বলেন, আত্মসমর্পণকারী অনেকের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও অস্ত্র মামলা আছে। মামলাগুলো দেখে সেই অনুযায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। মামলার বিচারও দ্রুত শেষ করা হবে। এ ছাড়া মামলা নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থা নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের সুবিধা দেবে সরকার।</p><p>পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ও রাজবাড়ী জেলার বাসিন্দা সালমান শাহ আজ এসআরবির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার আমাদের ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। তাই অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরতে এখানে এসেছি। এই সুযোগ পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। আমরা দুই ভাই এই পথে এসেছিলাম। আজ দুই ভাই একসঙ্গে আত্মসমর্পণ করেছি।’</p><p>আরেক আত্মসমর্পণকারী পাবনার বাবু মিয়া ওরফে আইনুল হোসেন বলেন, ভুল পথে চলতে চলতে অনেক কিছু হারিয়েছেন। এভাবে তাঁর জীবন থেকে ১৫ বছর চলে গেছে। এখন সুন্দরভাবে পরিবার–পরিজন নিয়ে বাকি জীবন পার করতে চান।</p><p>অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে খুবই ভালো লাগছে বলে জানিয়েছেন আত্মসমর্পণ করতে আসা মাজেদ আলী মুন্সী। আলমগীর নামের আরেকজন বলেন, ‘আমরা একেক সময় একেক জায়গায় থাকতাম। যখন নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিস পেতাম না, তখন অনেককে দস্যুবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়তেন।’</p><p>একসময় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান ও আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে এসব জেলার চরমপন্থী সংগঠনের অনেক সদস্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। এতে এলাকাগুলোতে চরমপন্থীদের তৎপরতা অনেক কমে এসেছে।</p><p>চরমপন্থীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে শতাধিক চরমপন্থী আত্মসমর্পণ করেন। এরপর ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পাবনায় পুলিশের কাছে ৫৯৬ জন এবং ২০২৩ সালের ২১ মে সিরাজগঞ্জে সাত জেলার আরও ৩২৩ জন আত্মসমর্পণ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ তিন জেলার ৬৫ জন আত্মসমর্পণ করলেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>নেতানিয়াহুকে হটাতে নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োগের প্রস্তুতি আইজেনকটের</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/8t9xa7wb2l</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/8t9xa7wb2l#comments</comments><guid isPermaLink="false">ca8b3c01-0ee8-4129-84fd-60f895a61215</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:34:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:34:46.375Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইজেনকোট বলেন, পাঁচ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে ইসরায়েলিরা ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা ও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ এড়ানোর বিরুদ্ধে এবং পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।]]></description><media:keywords>মধ্যপ্রাচ্য,বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,ইসরায়েল</media:keywords><media:content height="694" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/3yrwshik/Gadi-Eisenkot.avif" width="1041"><media:title type="html"><![CDATA[ গাদি আইজেনকট ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/3yrwshik/Gadi-Eisenkot.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট। এই সুযোগ কাজে লাগাতে চান ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকট। তিনি বলেছেন, পার্লামেন্টে বিরোধীদের যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত কাজে লাগানো হবে। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।</p><p> ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসন ১২০টি। নির্বাচনে জায়নবাদী নেতানিয়াহুবিরোধী দলগুলো পেয়েছে ৪৮টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বাকি ১৯টি আসন পেয়েছে দুটি আরব দল। কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটের নেতা আইজেনকট এ কথা বললেন।</p><p>আইজেনকট বিবৃতিতে বলেন, পাঁচ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে ইসরায়েলের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁরা মূলত ৭ অক্টোবরের ঘটনার জন্য দায়ী সরকার এবং সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তিনি জানান, পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই রায় বাস্তবায়নে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল আনা হবে। এগুলো হলো ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার আগে ও সময়কার নিরাপত্তা ব্যর্থতা তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সবার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা চালু করা এবং বিদায়ী সরকারের পাস করা বিতর্কিত বিচার বিভাগ সংস্কার আইন বাতিল করা।</p><p>নির্বাচনে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেতানিয়াহু ও তাঁর মিত্ররা। এর জবাবে আইজেনকট বলেন, সরকার নয়, সরকারের প্রতি জনআস্থা আছে কি না, সেই নিশ্চয়তা দেয় পার্লামেন্ট। তাই নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট, যদিও কেউ কেউ তা নিয়ে সন্দেহ তৈরির চেষ্টা করছেন।</p><p>ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে পারেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক করে আইজেনকট বলেন, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি ও তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি দেখা দিলে (যা মোকাবিলায় অপেক্ষা করা সম্ভব নয়) শুধু তখন তিনি সামরিক অভিযানে সমর্থন দেবেন।</p><h3>আইজনেকটের চার শর্ত</h3><p>নতুন সরকার গঠনের জন্য চারটি শর্ত দিয়েছেন আইজেনকট। এগুলো হলো ইসরায়েলকে ইহুদি, গণতান্ত্রিক, উদার ও সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, দেশটির স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে থাকা মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার, সব নাগরিককে বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি চালু করা এবং হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি গাজায় সংগঠনটির সামরিক ও শাসনক্ষমতা ধ্বংস করা। আইজেনকট জানান, এসব শর্ত মেনে নিলে যেকোনো নির্বাচিত প্রতিনিধির সঙ্গেই কাজ করতে তাঁর আপত্তি নেই।</p><p>এদিকে প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা নিশ্চিত করতে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ বিরোধী শিবিরের সদস্যদের দলে টানার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে ইয়াশার পার্টি। দলটির অভিযোগ, লিকুদের মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা তাদের সদস্যদের ফোন করেছেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী ইয়োভ কিশ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপমন্ত্রী আলমোগ কোহেনের নাম উল্লেখ করেছে দলটি। তবে কোহেন এ অভিযোগকে ভুয়া খবর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইয়াশার পার্টির কোনো সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেননি।</p><p>শনিবার নতুন সরকার গঠন নিয়ে আইজেনকটের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আরেক বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ। গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর এটিই তাঁদের প্রথম প্রকাশ্যে স্বীকার করা বৈঠক। এ ছাড়া ১০ নভেম্বর নতুন পার্লামেন্টের শপথ গ্রহণের সময় বর্তমান স্পিকার আমির ওহানাকে পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছেন বিরোধীরা। তবে স্পিকার হওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি অনুরোধ পেলেও এ পদে বসার কোনো ইচ্ছা বা অভিপ্রায় নেই বলে জানিয়েছেন বিরোধী নেতা আভিগদোর লিবারম্যান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/koj7u4atpy</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/koj7u4atpy#comments</comments><guid isPermaLink="false">3219da59-584c-4d41-bf19-f8c69d77db1e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:31:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:31:08.400Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জেন–জিরা প্রেমের খোঁজে কেউ ম্যানিফেস্টেশন করছেন, কেউ ট্যারো কার্ডের সাহায্য নিচ্ছেন, আবার কেউ অনলাইনে খুঁজছেন লাভ স্পেল বা ভালোবাসার জাদুমন্ত্র।]]></description><media:keywords>জেন জি,প্রেম</media:keywords><media:content height="1376" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ogkqqmjf/Generated-Image-November-01-2026-811PM-1.png" width="768"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ogkqqmjf/Generated-Image-November-01-2026-811PM-1.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ডেটিং অ্যাপে একের পর এক সোয়াইপ, পছন্দের মানুষের মেসেজের অপেক্ষা কিংবা ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগানোর চেষ্টা। প্রেমের অনিশ্চয়তা যেন কাটতেই চায় না। আর এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে জেন–জির একাংশ এখন ভরসা রাখছেন অন্য রকম কিছু অভ্যাসে।</p><p>জেন–জিরা প্রেমের খোঁজে কেউ ম্যানিফেস্টেশন করছেন, কেউ ট্যারো কার্ডের সাহায্য নিচ্ছেন, আবার কেউ অনলাইনে খুঁজছেন লাভ স্পেল বা ভালোবাসার জাদুমন্ত্র। সোলমেট খুঁজে পেতে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি জাদুবিদ্যার প্রতিও কেন বাড়ছে আগ্রহ?</p><h3>প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশ জেন–জির বিশেষ চর্চা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/pbh4cl3j/Generated-Image-November-01-2026-808PM.png" /></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডেটিং নিউজ (DatingNews)-এর ১ হাজার ১৩ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর করা একটি জরিপে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। জরিপে অংশ নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জেন–জিদের ৬৪ শতাংশ জানিয়েছেন, ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পেতে বা প্রেমের সম্পর্ক ভালো করতে তাঁরা জীবনে অন্তত একবার আধ্যাত্মিক, সাইকিক কিংবা জাদুবিদ্যাসংশ্লিষ্ট কোনো পদ্ধতি চেষ্টা করেছেন।</p><p>এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যানিফেস্টেশন বা স্ক্রিপ্টিং। জরিপে ২৯ শতাংশ জেন–জি জানিয়েছেন, তাঁরা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। ২৫ শতাংশ পরামর্শ নিয়েছেন সাইকিকের, ১৭ শতাংশ গিয়েছেন ট্যারো কার্ড রিডারের কাছে এবং ১৬ শতাংশ নির্ভর করেছেন অ্যাস্ট্রোলজি বা রাশিচক্রের সামঞ্জস্যের ওপর। শুধু তা-ই নয়, ১৯ শতাংশ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে লাভ স্পেল বা ভালোবাসার বিশেষ রিচুয়ালের জন্য অর্থও ব্যয় করেছেন।<br> এটি যুক্তরাষ্ট্রের জরিপের ফল, বিশ্বের সব দেশের জেন–জির ওপর করা কোনো গবেষণা নয়। তবে অনলাইন সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে পড়া এই প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে ভাবনার একটি নতুন দিক তুলে ধরছে।</p><h3>ম্যানিফেস্টেশন থেকে লাভ স্পেল, কী করছেন তাঁরা?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/6znfe0s7/Generated-Image-November-01-2026-809PM-1.png" /></figure><p>ম্যানিফেস্টেশন হলো নিজের কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করা এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়া। প্রেমের ক্ষেত্রে কেউ কেমন জীবনসঙ্গী চান, সম্পর্কের মধ্যে কী ধরনের অনুভূতি ও বোঝাপড়া আশা করেন, সেসব লিখে রাখেন। এই প্রক্রিয়ার একটি পরিচিত ধরন স্ক্রিপ্টিং। এতে নিজের কাঙ্ক্ষিত সম্পর্কটি বাস্তবে তৈরি হয়েছে, এমনভাবে মনের ভাবনা লিখে রাখেন অনেকে।</p><p>অন্যদিকে, ট্যারো কার্ড রিডিংয়ের মাধ্যমে কারও প্রেমজীবনের ভবিষ্যৎ বা বর্তমান সম্পর্কের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। সাইকিকের কাছে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেমের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়ার প্রবণতাও রয়েছে।<br> আর লাভ স্পেল বা লাভ রিচুয়াল বলতে বোঝায় ভালোবাসার মানুষকে আকৃষ্ট করা, পুরোনো সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা কিংবা বর্তমান সম্পর্ক ভালো করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রতীকী আচার পালন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব সেবা দেওয়ার বিজ্ঞাপনও দেখা যায়।</p><h3>ডেটিং অ্যাপে হতাশা, জাদুবিদ্যায় বাড়তি আগ্রহ?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/48vhinuj/Generated-Image-November-01-2026-808PM-1.png" /></figure><p>আধুনিক প্রেমের ক্ষেত্রে যোগাযোগের সুযোগ অনেক বেড়েছে। কিন্তু মনের কথা বোঝা কিংবা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া সহজ হয়নি। কখনো মেসেজের উত্তর আসে না, কখনো সম্পর্কের নাম দেওয়া যায় না, আবার কখনো দীর্ঘদিনের সম্পর্কও ভেঙে যায় কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই।</p><p>এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটু আশ্বাস পেতে চান অনেকেই। পছন্দের মানুষটি ফিরবেন কি না, নতুন কেউ জীবনে আসবেন কি না কিংবা চলমান সম্পর্কটি টিকবে কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কেউ কেউ ট্যারো, অ্যাস্ট্রোলজি কিংবা ম্যানিফেস্টেশনের দিকে ঝুঁকছেন।</p><p>মনোবিজ্ঞানের গবেষণাতেও অনিশ্চয়তার সময়ে প্রতীকী আচার বা রিচুয়ালের প্রতি মানুষের আকর্ষণের একটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের গবেষক মাইকেল নর্টন ও ফ্রান্সেসকা জিনো ২০১৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, প্রিয়জন হারানো কিংবা প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর বিভিন্ন রিচুয়াল পালন মানুষের শোক ও মানসিক কষ্ট কিছুটা কমাতে পারে। গবেষণায় এর পেছনে নিজের পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার অনুভূতিকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p><p>অর্থাৎ, কোনো রিচুয়াল মানুষকে মানসিক স্বস্তি দিতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সেই আচার অন্য কারও অনুভূতি বা সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে।</p><h3>লাভ স্পেল কি সত্যিই কাজ করে?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3qz5olxq/Generated-Image-November-01-2026-809PM.png" /></figure><p>জরিপে অংশ নেওয়া যেসব জেন–জি পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করেছেন, তাঁদের ৪৬ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতায় এগুলো অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করেছে। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ মনে করেন, পদ্ধতিগুলো সত্যিই কার্যকর হয়েছে। অন্যদিকে ২৯ শতাংশের অভিজ্ঞতা ছিল আংশিক সফলতার।</p><p>তবে এই ফলাফল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাভিত্তিক। কোনো লাভ স্পেল বা ট্যারো রিডিংয়ের কারণে কারও সম্পর্ক ভালো হয়েছে কিংবা সাবেক সঙ্গী ফিরে এসেছেন, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এই জরিপ দেয়নি। অনেক সময় কোনো ঘটনার সঙ্গে একটি রিচুয়ালের সময় মিলে গেলেই মানুষ সেটিকে কার্যকারণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p><p>এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের গবেষকদের ২০১৬ সালের একটি গবেষণাও প্রাসঙ্গিক। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু রিচুয়াল উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এমনকি প্রথম ডেটের মতো পরিস্থিতিতেও মানসিক চাপ সামলাতে প্রতীকী ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটি লাভ স্পেল দিয়ে কাউকে প্রেমে ফেলা সম্ভব, এমন কোনো প্রমাণ নয়।</p><h3>শুধু স্বপ্ন দেখলেই কি মিলবে ভালোবাসা?</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fxyvepyf/Generated-Image-November-01-2026-810PM-1.png" /></figure><p>কাঙ্ক্ষিত সম্পর্কের কথা ভাবা বা নিজের মনের ইচ্ছাগুলো লিখে রাখা অনেকের কাছে ইতিবাচক অভ্যাস হতে পারে। কিন্তু শুধু কল্পনা করলেই কাঙ্ক্ষিত সম্পর্ক তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।</p><p>নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব হামবুর্গের মনোবিজ্ঞানী গ্যাব্রিয়েলে ওটিঙ্গেনের গবেষণায় ইতিবাচক কল্পনা ও বাস্তব পদক্ষেপের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাঁর গবেষণা বলছে, শুধু কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের স্বপ্নে ডুবে থাকলে লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা কমে যেতে পারে। বরং নিজের ইচ্ছার পাশাপাশি বাস্তব বাধাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো অতিক্রমের পরিকল্পনা করা বেশি কার্যকর।</p><p>প্রেমের ক্ষেত্রেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কেমন সঙ্গী চান, তা জানা যেমন প্রয়োজন, তেমনি নিজের প্রত্যাশা স্পষ্ট করা, পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে খোলামেলা যোগাযোগও জরুরি।</p><h3>প্রেমের পরামর্শে এখনো এগিয়ে থেরাপি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3mhtty8u/Generated-Image-November-01-2026-811PM.png" /></figure><p>জেন–জির এই নতুন প্রবণতা দেখে মনে হতে পারে, তাঁরা বুঝি সম্পর্কের সমস্যায় প্রচলিত পরামর্শের চেয়ে জাদুবিদ্যার ওপর বেশি নির্ভর করছেন। কিন্তু জরিপের ফল বলছে ভিন্ন কথা।</p><p>ডেটিং নিউজ (DatingNews)-এর জরিপে ৩৮ শতাংশ জেন–জি প্রেম ও সম্পর্কের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আস্থা রেখেছেন থেরাপির ওপর। অন্যদিকে ১৪ শতাংশ দৈনিক রাশিফল, ১০ শতাংশ সাইকিক বা ট্যারো রিডারের পরামর্শ এবং ৮ শতাংশ লাভ স্পেলের ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন। অর্থাৎ, আধ্যাত্মিক চর্চার প্রতি আগ্রহ থাকলেও মানসিক স্বাস্থ্য ও পেশাদার পরামর্শের গুরুত্ব তাঁদের কাছে এখনো রয়েছে।<br>সব মিলিয়ে, সোলমেট খোঁজার এই নতুন প্রবণতা আসলে ভালোবাসার অনিশ্চয়তার মধ্যে একটু ভরসা ও মানসিক স্বস্তি খোঁজারই আরেকটি প্রকাশভঙ্গি মাত্র।</p><p>ম্যানিফেস্টেশন, ট্যারো কিংবা ব্যক্তিগত কোনো রিচুয়াল নিজের চাওয়া-পাওয়াগুলো বুঝতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু একটি সুস্থ সম্পর্কের জন্য প্রয়োজন দুজনের সমান আগ্রহ, সম্মতি, বিশ্বাস ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। কারণ ভালোবাসা একার ইচ্ছায় তৈরি হয় না; আর কোনো জাদুমন্ত্র দিয়ে অন্য মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব নয়।</p><p><strong>তথ্যসূত্র:</strong></p><p><strong>১.</strong> DatingNews, ৬ অক্টোবর ২০২৬: ১,০১৩ জন মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর করা জরিপ; জেন–জির প্রেমসংক্রান্ত আধ্যাত্মিক চর্চার পরিসংখ্যান ও গবেষণাপদ্ধতি।<br>DatingNews.com</p><p><strong>২.</strong> Harvard Business School, ২০১৪: Michael I. Norton ও Francesca Gino-এর Rituals Alleviate Grieving for Loved Ones, Lovers, and Lotteries গবেষণা।<br>PubMed+1</p><p><strong>৩.</strong> Harvard ও UC Berkeley-এর গবেষক দল, ২০১৬: Don''t Stop Believing: Rituals Improve Performance by Decreasing Anxiety।<br>faculty.haas.berkeley.edu</p><p><strong>৪.</strong> Gabriele Oettingen, ২০১৬: The Power of Prospection: Mental Contrasting and Behavior Change।<br>Wiley Online Library</p><p><strong>৫.</strong> Pew Research Center, ২০২৫: যুক্তরাষ্ট্রের প্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাস্ট্রোলজি, ট্যারো ও ভাগ্য গণনার চর্চা নিয়ে ৯,৫৯৩ জনের জরিপ। এতে দেখা যায়, অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী এসব চর্চায় মূলত বিনোদনের জন্য যুক্ত হন।</p><p><strong>৬.</strong> নিউজ উইক ও সিবিএস নিউজ।</p><p><strong>ছবি:</strong> এআই</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বভ্রমণের গল্পে শিক্ষকতার নতুন পাঠ</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/in73l7n32o</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/in73l7n32o#comments</comments><guid isPermaLink="false">024f5e20-c97d-477a-a65b-53be63ff7e53</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গত ৩০ অক্টোবর প্রণবকান্তি দেব রচিত ‘জানা পথে অজানা প্রান্তরে’ বই নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে সিলেট বন্ধুসভা। প্রথম আলো সিলেট অফিসের বন্ধুসভা কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।]]></description><media:keywords>সিলেট,সারাদেশ,বন্ধুসভার পাঠচক্র</media:keywords><media:content height="1076" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ahhmh3lw/Sylhet-bs-book-pronobKanti.jpg" width="1598"><media:title type="html"><![CDATA[ সিলেট বন্ধুসভার পাঠের আসর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ahhmh3lw/Sylhet-bs-book-pronobKanti.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শিক্ষকতা মানে শিক্ষার্থীর মনোজগতের গভীরে পরিভ্রমণ। আর শেখা ও জানার আকাঙ্ক্ষাই একজন শিক্ষককে পরিণত করে একজন চিরন্তন শিক্ষার্থী হিসেবে। শিক্ষক প্রণবকান্তি দেব তাঁর আত্মকথামূলক রচনা ‘জানা পথে অজানা প্রান্তরে’ নিজেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয় রূপেই রূপায়িত করেছেন।</p><p>গত ৩০ অক্টোবর প্রণবকান্তি দেব রচিত ‘জানা পথে অজানা প্রান্তরে’ বই নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে সিলেট বন্ধুসভা। প্রথম আলো সিলেট অফিসের বন্ধুসভা কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>প্রণবকান্তি দেব সিলেটের একজন শিক্ষানুরাগী ও সংস্কৃতিসচেতন মানুষ। তিনি বর্তমানে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত। তিনি দেশে–বিদেশে ইংরেজি–বিষয়ক নানা গবেষণার জন্য নিজে সম্মানিত হয়েছেন এবং বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।</p><p>২০২৬ সালে প্রকাশিত প্রণবকান্তি দেবের গ্রন্থ ‘জানা পথে অজানা প্রান্তরে’ লেখকের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণ ও বিশ্বভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত। ২০১৫ সালে ‘বেল্টা’ আয়োজিত কনফারেন্সের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে লেখক প্রায় ৪০টি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগ দিতে ঘুরে বেরিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এসব অভিজ্ঞতা একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়।</p><p>লেখকের মতে, শিক্ষকতা কেবল ধরাবাঁধা সময় আর ক্যালেন্ডারের নিয়ম মেনে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীর মনোজগতে এক পরিব্রাজকের মতো ঘুরে বেড়ানো। এই আলোচনার মধ্য দিয়ে লেখক যেমন আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা উন্মোচিত করেন, তেমনই বৈশ্বিক অঙ্গনের নানা অভিজ্ঞতার আলোকে শিক্ষকতার এক যুগোপযোগী ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/w5rfrbab/Sylhet_bs_book_pronobKanti1.jpg" /><figcaption>সিলেট বন্ধুসভার পাঠের আসর।</figcaption></figure><p>পাঠচক্রে বন্ধু আজিজুল হাকিম বলেন, বইটি গবেষণার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে এবং তাদের গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে। এটি পড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নানা দেশের গবেষণার ক্ষেত্র সম্পর্কে জানা ও নিজেদের সঙ্গে তাদের তুলনা করে দেখতে পারবে।</p><p>বন্ধু শেখ ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক শিক্ষকেরা নিজেরাই অনেক সময় নতুন বিষয় জানায় আগ্রহী হন না। এই বই শেখায় আসলে একজন শিক্ষককে প্রতিনিয়ত জানতে হবে এবং নিজেকে প্রমাণ করতে হবে, তাহলেই আমাদের দেশ উন্নত হবে।’</p><p>পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু দেব রায় সৌমেন, সমরজিত হালদার, শুভ তালুকদার, মোহন্ত বসাক, অমিত দেব নাথ, সুবর্ণ দাস, ঐশ্বর্য রায়, আরাধ্যা দেসহ অনেকে।</p><p><em><strong>বন্ধু,</strong></em> সিলেট বন্ধুসভা</p>]]></content:encoded></item><item><title>নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/eaivqubrjk</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/eaivqubrjk#comments</comments><guid isPermaLink="false">6fb3676f-ee41-4d1d-9913-be28270f8d5e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:18:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:18:54.011Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,ইসরায়েল</media:keywords><media:content height="640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wweq8qcy/benjamin.jpg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wweq8qcy/benjamin.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/netaniyahuke-kshmtaczut-krte-israyeler-rajpthe-hajaro-manush</figure>]]></content:encoded></item><item><title>পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/74phgi2tzx</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/74phgi2tzx#comments</comments><guid isPermaLink="false">945a0003-ff52-4a12-8c2c-f583a927e4cf</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:18:44 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:18:44.305Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল]]></description><media:keywords></media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vxexd36g/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vxexd36g/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/pulis-posakshrmik-sngghrsh-puliser-garite-agunsh-dinvr-za-ghtl</figure>]]></content:encoded></item><item><title>নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/pyaka3gyum</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/pyaka3gyum#comments</comments><guid isPermaLink="false">b7d6d40c-c5d8-497e-be15-2da1fef51e01</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:18:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:18:06.889Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিক্ষোভ,বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,ইসরায়েল</media:keywords><media:content height="640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wweq8qcy/benjamin.jpg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wweq8qcy/benjamin.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধিতা করে হাজারো মানুষ তেল আবিবে বিক্ষোভ করেছেন। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/ZFYTaHaUtEM"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/wc98b5jk4j</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/wc98b5jk4j#comments</comments><guid isPermaLink="false">9ed6cf14-3859-4ae2-8cae-799058f2d99b</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:10:07 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:10:07.067Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল]]></description><media:keywords>পুলিশ,মিরপুর,পোশাকশিল্প,আগুন,সংঘর্ষ,পোশাক</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vxexd36g/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vxexd36g/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মিরপুরে পুলিশ ও পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে... </p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/WNDR8zPSTCA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>রামলীলায় লাখো মানুষের সমাবেশে ইন্ডিয়া জোটের বার্তা, জ্ঞানেশের পর মোদি-শাহর বিচার হবে</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/ojl0rwaqj4</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/ojl0rwaqj4#comments</comments><guid isPermaLink="false">f43ae652-fcf2-4fe7-b5fc-c7ce680b8bf5</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:09:35 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:09:35.410Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় </atom:name><atom:uri>/api/author/1401355</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>রাহুল গান্ধী,ভারত,নরেন্দ্র মোদি,কংগ্রেস</media:keywords><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/mkw3qktj/Ramlila_India_jot0.jpg" /><figcaption>রামলীলা ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, কেসি ভেনুগোপাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি বিভিন্ন দলের নেতারা। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>ভোট চুরি রুখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আদায় করে দেশ ও সংবিধান বাঁচানোর শপথ নিলেন ভারতের মোদিবিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। আজ রোববার রামলীলা ময়দানের ‘ভোট বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ বিক্ষোভ সমাবেশে প্রত্যেকেই বললেন, এটা কোনো একটি দলের লড়াই নয়; কোনো বিশেষ মতাবলম্বীদের লড়াই নয়; এটা গণতন্ত্রপ্রিয় প্রত্যেক ভারতীয়র সংগ্রাম। জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর পর সেই সংগ্রামের লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের ক্ষমতাচ্যুত করে দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করা।  </p><p> কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশদের দৌলতেই নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা রাজত্ব করতে পারছেন। সেই রাজত্ব করা সম্ভব হয়েছে ভোট চুরির জন্য। ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম তাঁরা বাদ দিয়েছেন। এর শাস্তি তাঁদের পেতেই হবে। রাহুল বলেন, জ্ঞানেশকে কারাগারে যেতেই হবে। তিনি যা করেছেন, তা রাষ্ট্রদ্রোহ। মোদি-শাহকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবেই। তাঁদের জেনে রাখা ভালো, যে যতই শক্তিশালী ও সম্পদশালী হোন, সংবিধানের চেয়ে কেউ বড় নন।</p><p>ইন্ডিয়া জোটের রামলীলা ময়দানের জনসভা ছিল ভোট চুরির বিরুদ্ধে আন্দোলনের আরেক অধ্যায়। ভোট চুরির বিরুদ্ধে জনমত গঠন ও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের পাশাপাশি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানীতে ইন্ডিয়া জোটের জনসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দিল্লির জনসভা ছিল সেই কর্মসূচির প্রথম। দিল্লি পুলিশ শর্তাধীন সেই জনসভার অনুমতি দিয়েছিল। সেসব শর্ত মেনেই বিরোধী নেতারা এই আয়োজন করেন। সেদিক থেকে বলা যায়, ইন্ডিয়া জোট সফল। নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রামলীলা ময়দানে ভিড় উপচে পড়েছিল। যত মানুষ ময়দানের ভেতরে ছিলেন, তার চেয়েও বেশি মানুষ ছিলেন বাইরে। বলা যায়, এই সভা থেকে আগামী বছরের গোড়ায় পাঞ্জাব, উত্তরাখন্ড ও উত্তর প্রদেশ বিধানসভার ভোটের প্রচারও বিরোধীরা শুরু করে দিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/0lxop7gl/RamlilaCongress.jpg" /><figcaption>ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে 'ইন্ডিয়া' জোটের ডাকা বিক্ষোভে রামলীলা ময়দানে নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা। নয়াদিল্লি, ০১ নভেম্বর, ২০২৬</figcaption></figure><p>আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যে রামলীলা ময়দানের সভা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। ফলে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের পাঁচ মিনিটের বেশি ভাষণ দেওয়ার সুযোগ ছিল না। শুধু জোটের নেতারাই নন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও মঞ্চে ছিলেন। তাঁরাও ভাষণ দিয়েছেন। প্রত্যেকেই বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই লড়াইয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। জ্ঞানেশ ও তাঁর রাজনৈতিক চালকদের সরিয়ে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা করতে হবে।</p><p>আজ দুপুর ১২টায় হুড খোলা গাড়িতে চেপে মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, ফারুক আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি, সুপ্রিয়া সুলে, কল্পনা সোরেন, সঞ্জয় রাউত, দীপংকর ভট্টাচার্য, এম এ বেবিদের মতো ইন্ডিয়া জোটের নেতা–নেত্রীরা কনট প্লেস-মিন্টো রোড ক্রসিং থেকে রামলীলা ময়দান অভিমুখে রওনা দেন। তাঁদের সঙ্গে হাঁটতে থাকেন হাজারো কর্মী-সমর্থক। অন্য নেতারাও একই রকম গাড়িতে চেপে এগোতে থাকেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/umx5khjy/Rahul_to_Ramlila.jpg" /><figcaption>রাহুল গান্ধী মিছিল নিয়ে রামলীলা ময়দানে যান। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>মিছিল করে রামলীলা ময়দানে যাওয়ার জন্য ইন্ডিয়া জোট পুলিশের অনুমতি চায়নি। কাজেই পুলিশের মধ্যে একটা দোলাচল ছিল। কিন্তু নেতারা হুড খোলা গাড়িতে থাকায় পুলিশ আপত্তি জানায়নি। মিছিলের পাশাপাশি চলতে থাকেন পুলিশের সদস্যরাও। সোয়া এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লাগে দুই ঘণ্টার বেশি। যদিও এর আগেই ময়দান ভর্তি হয়ে যায় লাখো মানুষে। তাই রাহুলদের পৌঁছানোর আগেই কর্মী-সমর্থকদের ঢোকার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাজার হাজার মানুষ ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়েন ময়দানের আশপাশে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/lb31yrp82m">ভারতে সাড়া ফেলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ</a></aside><p>রাহুলসহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা পৌঁছানোর আগেই রামলীলায় পৌঁছান সোনিয়া গান্ধী। শারীরিক কারণে অন্যদের মতো তিনি মিছিলে অংশ নেননি। কংগ্রেস নেতৃত্বের সুরে কথা না বলে মাঝেমধ্যেই বিতর্কে জড়ান যিনি, সেই শশী থারুর এই সমাবেশে সবাইকে যোগ দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন। জনসভায় তিনি বলেন, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে জনতা আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজ শুনে তাঁর সরে যাওয়া উচিত। জ্ঞানেশের বোঝা উচিত, দেশের মানুষের বিন্দুমাত্র আস্থা তাঁর প্রতি নেই।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3j4vz0bk/RamlilaIndia-Jot-2.jpg" /><figcaption>রামলীলা ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, কেসি ভেনুগোপাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি বিভিন্ন দলের নেতারা। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>সভা সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন দিল্লি কংগ্রেসের নেতা অজয় মাকেন। বিকেল পাঁচটার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে বলে ঘড়ি ধরে প্রত্যেক নেতা পাঁচ মিনিট ভাষণ দেন।</p><p>জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ বলেন, ‘এসআইআরে মুসলমান ভোটারদের নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে, কেননা মুসলমান মানেই নাকি পাকিস্তানপন্থী। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযোগ করেছেন, তাঁর রাজ্যে দেড় কোটি হিন্দুর নাম কাটা গেছে। তাঁদের নাম তোলার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তা হলে হিন্দুরাও কি পাকিস্তানপন্থী?’</p><p>জম্মু ও কাশ্মীরের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, জ্ঞানেশ ইস্তফা না দিলে ভারত অটুট থাকবে না। বিহারের আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, মহাভারতে শকুনি মামার মতো ভোট চুরির পাশার চাল দিয়েছে বর্তমান শাসক। এদের উৎখাত করাই প্রত্যেকের লক্ষ্য।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/j8509oc4h3">পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন ঠিকই, মোদির জন্য কি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারবেন নেহা বোরা</a></aside><p>উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব বলেন, দেশবাসী পশ্চিমবঙ্গে ভোট লুট হতে দেখেছে। বিজেপি চায় তাদের সমর্থকেরাই শুধু ভোট দিন। সে জন্যই জ্ঞানেশকে দিয়ে ভোট চুরির চক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিজেপির উত্থান হয়েছিল উত্তর প্রদেশ থেকে। বিসর্জনও সেখান থেকেই শুরু হবে। ওদের বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। বারানসির ভোটের ফল তার প্রমাণ।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের ভোটে আমরা হারিনি। আমাদের হারানো হয়েছে।’ জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘উনি যাবেন, বিজেপিকেও যেতে হবে।’</p><p>সমাবেশে সোনিয়া গান্ধী ভাষণ দেননি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন মল্লিকার্জুন খাড়গে, সিপিএম নেতা এম এ বেবি, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন নেতা দীপংকর ভট্টাচার্য ও ওই দলের ছাত্রসংগঠন ‘আইসা’ নেত্রী নেহা বোরা। সবার শেষে ভাষণ দেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার ছাড়া মোদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, অমিত শাহও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারবেন না। জেনে রাখুন, জ্ঞানেশকে জেলে যেতে হবেই।’ রাহুল বলেন, ‘কদিন আগে অমিত শাহ বলেছিলেন, মোদি কোথাও যাবেন না। আমি বলছি, আমরা ওঁকে কোথাও যেতে দেব না। জ্ঞানেশের ইস্তফার পর ওঁদের অপরাধের বিচার হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/88xu1jnsi8">মোদিবিরোধী জোটের বিক্ষোভে লাখো মানুষ, রামলীলা ময়দানের ভেতরে যত জন, বাইরে তার দ্বিগুণ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ১৯ জন আটক</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/vrmmmzmk3x</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/vrmmmzmk3x#comments</comments><guid isPermaLink="false">cb901506-c281-4fff-bace-356741e01614</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:05:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:05:11.883Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পুলিশের দাবি, মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা শতাধিক ব্যক্তিকে সংগঠিত করে শ্রমিক আন্দোলন পাঠিয়েছিল। এরাই পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে।]]></description><media:keywords>পোশাক শ্রমিক,রাজধানী ঢাকা,মিরপুর,সংঘর্ষ</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fcpmuj7w/8.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বলছে। ১ নভেম্বর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fcpmuj7w/8.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।</p><p> পুলিশের দাবি, মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা শতাধিক ব্যক্তিকে সংগঠিত করে শ্রমিক আন্দোলনে পাঠিয়েছিলেন। তাঁরাই পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন ও ভাঙচুর চালিয়েছেন।</p><p>আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মিরপুর বিভাগ। অন্য আটজনকে আটক করেছে বিভিন্ন থানা–পুলিশ।</p><p>ঢাকার ডিবি পুলিশের একটি সূত্র বলছে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনের আড়ালে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুরের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা–কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।</p><p>ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান প্রথম আলোকে বলেন, আটক ব্যক্তিরা মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার অনুসারী। কয়েকজনের পদ–পদবি রয়েছে। ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা শতাধিক ব্যক্তিকে সংগঠিত করে শ্রমিক আন্দোলনে পাঠিয়েছিলেন। তাঁরাই সংগঠিত হয়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন ও ভাঙচুর চালিয়েছেন।</p><p>ডিবির একটি সূত্র বলছে, আটক ব্যক্তিরা অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছিলেন। শ্রমিক আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।</p><p>ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ রোববার রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা। </p><p>সংঘর্ষের জেরে মিরপুর ১০, মিরপুর ১১ ও পল্লবী মেট্রোস্টেশন বেলা ১১টা ৩৮ মিনিট থেকে বেলা ১টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/1csy78c50s">শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের ৯ জন গ্রেপ্তার: পুলিশ</a></aside><h3>গাজীপুরে গ্রেপ্তার ৯</h3><p>এদিকে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। আজ ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতায় ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ আছে</title><link>https://www.prothomalo.com/business/analysis/rsugpvh2q7</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/analysis/rsugpvh2q7#comments</comments><guid isPermaLink="false">473b8d51-b1b3-4a67-b0a0-5dede6f18ff6</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:01:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:01:00.602Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>তৈরি পোশাক,রপ্তানি,কারখানা,মজুরি,তৈরি পোশাকশিল্প,শ্রমিক,শ্রমিক অধিকার,বিশ্লেষণ,শিল্প,শিল্প প্রতিষ্ঠান</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/da79b8f6-fb80-4510-8236-2bace6ef4c91/selim_rayhan.jpg" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ সেলিম রায়হান, নির্বাহী পরিচালক, সানেম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/da79b8f6-fb80-4510-8236-2bace6ef4c91/selim_rayhan.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্লেষণ</category><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ, কারখানা বন্ধ এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন আবারও দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানিনির্ভর শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। আশুলিয়ায় ৫০টির বেশি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা এবং শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি কেবল বেতন-ভাতার বিষয় নয়; এটি শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, শিল্পের সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।</p><p>গত তিন বছরে মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষয় হয়েছে। ফলে নতুন মজুরি কাঠামোর দাবিকে নিছক অতিরিক্ত বেতন চাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি শ্রমিকদের জীবনধারণের ন্যূনতম সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের দাবি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৫ অক্টোবর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলেও কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেরি হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ এবং কারখানা বন্ধের পর মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া সরকারের আগাম পরিস্থিতি মোকাবিলা ও অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর সংলাপের ঘাটতিকেই নির্দেশ করে। সময়মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে হয়তো বর্তমান পরিস্থিতির অবনতি এবং উৎপাদনজনিত ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।</p><p>তবে অর্থনৈতিক ও শিল্পের দৃষ্টিকোণ থেকে এক ধাপে বর্তমান ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করা তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে সীমিত মুনাফার ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পোশাক রপ্তানিতে মন্দাভাব, জ্বালানি ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্থরতা এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ফলে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি এবং কারখানার আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে না। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে রপ্তানি মূল্যও বাড়তে পারে, যা ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়া ও অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মূল্য–প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। তা ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের সমপরিমাণ মূল্য দিতে আগ্রহী না হওয়ায় অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত কারখানামালিকদের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মালিকদের ব্যবসায়িক সংকটের যুক্তি দেখিয়ে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার বিষয়টি উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিক অসন্তোষ, কর্মবিরতি, কারখানা বন্ধ, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ও বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতাকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।</p><p>সুতরাং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি এবং শিল্পের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে একটি বাস্তবসম্মত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। মজুরি বোর্ডের দায়িত্ব হবে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, শিল্পের আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করা। এককালীন বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধির পরিবর্তে প্রয়োজনে ধাপে ধাপে মজুরি সমন্বয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার, কারখানা ব্যবস্থাপনার দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়ে কার্যকর আলোচনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদেরও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার ব্যয় বহনে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।</p><p>সরকারেরও উচিত কেবল সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানো নয়, বরং নিয়মিত সংলাপ, সময়মতো মজুরি পর্যালোচনা এবং কার্যকর শ্রমনীতি নিশ্চিত করা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কেবল কম মজুরির ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়; বরং উৎপাদনশীলতা, পণ্যের গুণগত মান, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং স্থিতিশীল শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে শ্রমিকদের ন্যায্য জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা এবং শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি পরস্পরবিরোধী নয়; বরং দীর্ঘ মেয়াদে একটি শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পোশাকশিল্প গড়ে তোলার জন্য উভয়ই অপরিহার্য।</p><p># <strong>সেলিম রায়হান,</strong> অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাহী পরিচালক, সানেম</p>]]></content:encoded></item><item><title> প্রবেশপত্র জালিয়াতির দায়ে ৪৪তম বিসিএসের এক পরীক্ষার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা পিএসসির</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/odsap93gm3</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/odsap93gm3#comments</comments><guid isPermaLink="false">79cb49db-4e8d-461f-8e64-e66a8f55d932</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 14:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T14:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>জালিয়াতি,বিসিএস,পিএসসি,চাকরিবাকরি,চাকরির খবর,সরকারি চাকরি,চাকরির পরামর্শ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-11/iziiqddx/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%20%E0%A7%A9.jpeg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-11/iziiqddx/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%20%E0%A7%A9.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>খবর</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রবেশপত্র জালিয়াতি করার দায়ে ৪৪তম বিসিএসের এক পরীক্ষার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তিনি পিএসসির আর কোনো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।</p><p> আজ রোববার পিএসসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪৪তম বিসিএসের প্রার্থী পিয়াল দে আকাশ প্রবেশপত্র পরিবর্তন বা টেম্পারিং করেছেন। এই অপরাধে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালা, ২০১৪-এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলো।</p><p>অভিযুক্ত প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৬০০২৬৫৮। পিএসসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিনি ভবিষ্যতে কমিশনের অনুষ্ঠেয় পরবর্তী কোনো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/36ym2ay0gs">এক দিনে চাকরি মেলায় ৩৫ হাজার নিবন্ধন, চাকরি পাবেন কতজন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6upjlmbuka</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6upjlmbuka#comments</comments><guid isPermaLink="false">d3975c4d-fa8f-4be4-ae0c-f7dae104fd08</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:45:50 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:45:50.680Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঢাকা এবং গাজীপুরে এই সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যুক্ত হয়েছে।]]></description><media:keywords>বিক্ষোভ,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,পোশাক শ্রমিক</media:keywords><media:content height="248" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/5rpmsa2a/Capture.PNG" width="374"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/5rpmsa2a/Capture.PNG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সহিংস বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয়।</p><p>আজ সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, অবরোধ ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই সব এলাকার ৩০০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।</p><p>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঢাকা ও গাজীপুরে এই সহিংস শ্রমিক বিক্ষোভে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজমুল ইসলাম একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখান থেকে আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিরপুর থেকে এসব সংগঠনের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><p>ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সকাল নয়টার দিক থেকে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন। এ সময় সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। অবরোধের কারণে প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বেলা তিনটা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k9aa58rr/7.jfif" /><figcaption>পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়ছেন বিক্ষোভে আসা শ্রমিকেরা </figcaption></figure><p>রাজধানীর মিরপুরেও একই দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ সময় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা। সংঘর্ষের জেরে মিরপুর–১০, মিরপুর–১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে থেকে বেলা ১টা ৫৮মিনিট পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।</p><p>এমন প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। শ্রমিকদের আন্দোলন পরিস্থিতির কারণে নিজের সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর বাতিল করেন শ্রমমন্ত্রী।</p><p>রোববার সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রমমন্ত্রী।</p><p>এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সরকার আগেই সংবাদমাধ্যম এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় রোববার মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়েছিল। এরপরও শ্রমিকদের সড়কে অবস্থানের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। মন্ত্রী তখন আন্দোলনরত শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের ৯ জন গ্রেপ্তার: পুলিশ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/1csy78c50s</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/1csy78c50s#comments</comments><guid isPermaLink="false">37dab362-85d1-4e00-9d07-0ad52a0e5efe</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:44:44 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:44:44.217Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>গ্রেপ্তার,পোশাকশিল্প,তৈরি পোশাকশিল্প,গাজীপুর,শ্রমিক আন্দোলন,ঢাকা বিভাগ,ছাত্রলীগ,আওয়ামী লীগ</media:keywords><media:content height="251" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ch2wyug0/gazipur1.jpg" width="443"><media:title type="html"><![CDATA[ শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। রোববার দুপুরে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ch2wyug0/gazipur1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে অংশ নেওয়া, উসকানি দেওয়া এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কালিয়াকৈর উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ সিকদার, মৌচাক ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কালিয়াকৈর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আরিফুল হোসেন, ৯ নম্বর নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম মিয়া, যুবলীগের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ মেহেদী হাসান মিজান, আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাসেল, সৈকত শেখ ও মিজানুর রহমান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5y4aiee7oq">গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: সংঘর্ষ, আগুন ও উত্তেজনার ছয় ঘণ্টা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/26gr8gf0/gazipur2.jpg" /><figcaption>গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে</figcaption></figure><p>পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত কালিয়াকৈর থানার পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/vrmmmzmk3x">নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ১৯ জন আটক</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7rzmh5h3/dhakadh162420261101savar5-01.11.26.jpg" /><figcaption>ঢাকার সাভারের নরসিংহপুর এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়েছেন কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা। বেলা সোয়া ১১টার দিকে</figcaption></figure><p>এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান আজ রোববার দুপুরে তাঁর এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গাজীপুর শ্রমিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম; আর আন্দোলন উসকে দিয়ে রাষ্ট্রকে অশান্ত করার সুযোগ দিচ্ছে জামায়াত-এনসিপি। তাদের শ্রমিক সংগঠনও আন্দোলনে যুক্ত আছে। ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট করে এমন অসংখ্য আন্দোলন গড়ে তোলার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে দেশবিরোধী শক্তি।’</p><p>কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে নয়, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hd836ysz6f">পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>১৮ বছরে প্রথম বিয়ে, বিগ বসের ঘরে গিয়ে আবার বিয়ের পরিকল্পনা জানালেন সোনামণি সাহা</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/074218uwwz</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/074218uwwz#comments</comments><guid isPermaLink="false">b1fa02c1-cf7f-4861-96cd-51a65d98fa40</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:42:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:42:40.937Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাসান ইমাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1408179</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিগ বস,টালিউড</media:keywords><category>ফ্যাশন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পরিবারের ঠিক করা পাত্রকেই বিয়ে করেছিলেন মাত্র ১৮ বছর বয়সে। তবে সেই সংসার ভেঙে যায় চার বছরের মাথায়। টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে পরিচিত পেয়েছেন বাঙালির কাছে। সহ–অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন বেশ পুরোনো। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টেলিভিশন অভিনেত্রী <strong>সোনামণি সাহা</strong> আবার আলোচনায় বিগ বস বাংলার কারণে। সেখানে আরেক প্রতিযোগী রাজবীরের ‘ব্যাড টাচ’ নিয়ে কথা বলা, অভিনেত্রী সৃজলাকে স্বার্থপর বলাসহ নানা করণে প্রায় প্রতি সপ্তাহে আলোচনায়। সেখানেই তিনি হাউসমেটদের সঙ্গে গল্পচ্ছলে জানিয়েছেন, এ বছরই আবার বিয়ে করতে চলেছেন। তবে কি ডিসেম্বরেই বিয়ে ‘দেবী চৌধুরানী’ ধারাবাহিকের প্রফুল্লর?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/pkkm9oh2/484405914_2373310303038756_3263537052239902079_n.jpg" /><figcaption>সোনামণি সাহার অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে বিয়ের পর। স্টার জলসার সিরিয়াল ‘দেবী চৌধুরানী’তে অভিনয় করেই রাতারাতি পরিচিতি পেয়েছেন। আর সেই সঙ্গে সামনে আসে তাঁর বিয়ের খবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/0t6f9lej/Screenshot_2026_09_05_021804_1788575237364_ea2d6ec3_b2f5_4f13_a589_06c17544a13c_1788575247463_85ec52.webp" /><figcaption>২০১৫ সালে পরিবারের সিদ্ধান্তেই কোরিওগ্রাফার সুব্রত রায়ের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৮ বছর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/jhpczm3j/488960297_2396737884029331_8759095944783605026_n.jpg" /><figcaption>২০১৮ সালে নতুন অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও এখন স্টার জলসা চ্যানেলের ঘরের মেয়ে বলা চলে। পরপর এই চ্যানেলের বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক সোনামণিকে দর্শকের আরও কাছে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে আছে—‘মোহর’, ‘এক্কা দোক্কা’, ‘শুভ বিবাহ’–এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক। আর ধারাবাহিকে অভিনয়ের এক বছর পরই সোনামণি সিদ্ধান্ত নেন সুব্রতর সঙ্গে বিচ্ছেদের। করোনাকালের ঠিক আগে থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন তিনি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y7xixdjr/487853325_2389857611384025_3049479622805058729_n.jpg" /><figcaption>সোনামণির বিচ্ছেদের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে আসার পর সবচেয়ে বেশি যে নামটি শোনা গেছে, সেটা অভিনেতা প্রতীক সেনের। ‘মোহর’ ধারাবাহিক থেকে পর্দার এই জুটিকে মানুষ পছন্দ করেছেন। আর বিভিন্ন সময়ে তাঁদের লুকিয়ে প্রেম করার খবরও সামনে এসেছে। প্রতীকের মা–ও সোনামণিকে প্রকাশ্যে ‘স্পেশাল’ বলে সেই জল্পনায় ডালপালা মেলার সুযোগ করে দেন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/1p3l2n27/789085148_2863203750716073_950184279255045206_n.jpg" /><figcaption>দুই মাস আগে বিগ বস বাংলার তৃতীয় সিজন শুরু হয়েছে স্টার জলসায়। আর সেখানে নানা সেক্টরের প্রতিযোগীর মধ্যে একজন সোনামণি সাহা। এই রিয়েলিটি শোয়ে সোনামণি বিভিন্ন সময়ে নানাজনকে নিয়ে কথা বলেছেন। তবে বাড়িতে সবচেয়ে বেশি তাঁর ঝগড়া হয়েছে শিলিগুড়ির ছেলে মুম্বাইয়ের মডেল রাজবীর দের সঙ্গে। একটি খেলায় রাজবীরের ‘টাচ’ সোনামণির পছন্দ না হওয়ার সরাসরি সেটাকে ‘ব্যাড টাচ’ বলেন তিনি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/u1nodlhb/510793857_2464956290540823_4898170199346472641_n.jpg" /><figcaption>সেদিন রাজবীরকে একটি লাঠি দিয়ে গুঁতাও মেরেছিলেন সোনামণি। সপ্তাহ শেষে সেই অভিযোগের বিচার বসে ‘দাদার দরবারে।’ অন্য অনেকের সঙ্গেই বাড়িতে নানা সময়ে ঝগড়া ও প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে সোনামণিকে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/39g39p32/524630266_2495483754154743_6286808817373839425_n.jpg" /><figcaption>বিগ বসের বাড়িতে শুরু থেকেই বেশির ভাগ সময় রান্নাঘর সামলাচ্ছেন সোনামণি। আর সেই রান্নাঘরে দাঁড়িয়েই তিনি দর্শককে দিলেন একটি বড় খবর। সংগীতশিল্পী দুর্নিবার, অভিনেত্রী সৃজলা গুহ আর সোনামণি সেদিন রান্নাঘরের কাজ করছিলেন। কাজের ফাঁকে নানা রকম আলোচনা চলছিল, সেখানেই সৃজলার বিয়েবিষয়ক এক প্রশ্নে সোনামণি বলেন, ‘চলতি বছরেই পরিকল্পনা রয়েছে’</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/4yrqniqqzo">বিগ বসে যখন-তখন চুমু খেয়ে কী বার্তা দিচ্ছেন নন্দিনী–রাজবীর</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/sur2xt2u/69391398_912799659089835_5993521806667939840_n.jpg" /><figcaption>বিগ বসের বাড়িতে শুরু থেকেই বেশির ভাগ সময় রান্নাঘর সামলাচ্ছেন সোনামণি। আর সেই রান্নাঘরে দাঁড়িয়েই তিনি দর্শককে দিলেন একটি বড় খবর। সংগীতশিল্পী দুর্নিবার, অভিনেত্রী সৃজলা গুহ আর সোনামণি সেদিন রান্নাঘরের কাজ করছিলেন। কাজের ফাঁকে নানা রকম আলোচনা চলছিল, সেখানেই সৃজলার বিয়েবিষয়ক এক প্রশ্নে সোনামণি বলেন, ‘চলতি বছরেই পরিকল্পনা রয়েছে।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/icrxihb7/488077712_2388909164812203_8402912436410543392_n.jpg" /><figcaption>রান্নাঘরে সোনামণির সেই বিয়ের কথোপকথন শুধু তিনজনের মধ্যে সীমাবন্ধ থাকেনি। জিও হটস্টারের বদৌলতে সেটা লাইভ দেখেছেন লাখ লাখ দর্শক। আর ঘরের মধ্যে সোনামণির সেই বিয়ের খবর নিয়ে আলোচনা শোনা না গেলেও বাইরে ভক্তদের মধ্যে যেন আনন্দের জোয়ার। জোর আলোচনা এখন সম্ভাব্য পাত্রকে নিয়ে। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে দুই তারকার ভক্তদের সবাই বুঝে গেছেন, মোহরের বাস্তব জীবনের প্রেমিক আদতের্দার সেই ‘রাজ্যেশ্বর’ (অভিনেতা প্রতীক সেন)</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/a2ozqks7/568761944_2576015296101588_4981685879454140469_n.jpg" /><figcaption>এদিকে সোনামণি বিগ বসের বাড়িতে থাকায় তাঁর হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিকবার ভোট চাইতে দেখা গেছে প্রতীক সেনকে। সোনামণির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে শুরু করে নানা রকম প্রচারণার কাজ সামলাচ্ছেন প্রতীকও। ৯০ দিনের এই রিয়েলিটি শো নভেম্বর মাসে ৬২তম দিনে এসে পড়েছে। এই মাসেই হয়তো শেষ হবে বিগ বস বাংলা। আর ডিসেম্বরে সোনামণি–প্রতীকের বিয়ের সানাই বাজবে বলেই ধারণা করছেন দর্শক</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/h8yy9swxmj">‘মন ফাগুন’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সৃজলাকে নিয়ে বিগ বসে তুলকালাম</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কুমিল্লা বোর্ডের সমান জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকার এই কলেজ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/h27dssmlxk</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/h27dssmlxk#comments</comments><guid isPermaLink="false">9eb24306-6fb7-4c01-b45a-f6f115a6e1cf</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:40:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:40:30.174Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমেদ উল্যা ইউসুফ</atom:name><atom:uri>/api/author/2248901</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল,রাজধানী ঢাকা,এইচএসসি পরীক্ষা,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬,রাজধানী,জিপিএ ৫,কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7o44ad84/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-7.35.58-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে শিক্ষকদের সঙ্গে এইচএসসিতে জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7o44ad84/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-7.35.58-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><category>শিক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[  <p>এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার হয়েছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেই পাসের হার কমেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। এর মধ্যে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। আর রাজধানীর একটি কলেজ থেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১১ জন; অর্থাৎ পুরো কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ে মাত্র ২ জন কম জিপিএ-৫ পেয়েছেন ঢাকার এই কলেজের শিক্ষার্থীরা।</p><p> এই ফল করেছে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে অসুস্থতা ও বিভিন্ন কারণে চারজন সব পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। এ হিসাবে কলেজটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী।</p><p>এমন ফলে উচ্ছ্বসিত কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার কলেজে গিয়ে দেখা যায়, ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ। ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের কেউ ছবি তুলছেন, কেউ অভিভাবকদের নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। অনেকেই এখন উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই ফল সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।</p><p>ভালো ফলের পেছনে নিয়মিত পড়াশোনা, নিয়মানুবর্তিতা ও শিক্ষকদের সহযোগিতার কথা বলছেন শিক্ষার্থীরা। কলেজ ক্যাম্পাসে কথা হয় মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী নাবিলা বিনতে দস্তগীরের সঙ্গে। তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছেন।</p><p>নিজের সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে নাবিলা বলেন, শিক্ষকেরা ক্লাসেই পড়া বুঝিয়ে দিতেন। ফলে বাসায় গিয়ে আবার নতুন করে পড়া বুঝতে হতো না। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়েও কলেজে কঠোরতা রয়েছে। এসবই ভালো ফল করতে সাহায্য করেছে।</p><p>নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাবিলা বলেন, বেশি পড়লেই ভালো ফল করা যায় না। যতটুকু পড়তে হবে, মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। যখন পড়তে ইচ্ছা করবে না, তখন পছন্দের অন্য কাজ করা যেতে পারে। বিরক্তি নিয়ে পড়লে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। ভালো ফলের জন্য মনোযোগ ধরে রাখা জরুরি।</p><p>বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন আরিফুল ইসলাম। তিনিও নিজের সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষকেরা তাঁদের ভালো ফল করতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। কোনো বিষয় না বোঝা পর্যন্ত তাঁরা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেন। এত শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ পাওয়ার পেছনে শিক্ষকদের এই আন্তরিকতা অন্যতম কারণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/92jtc4ll/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-7.38.27-PM.jpeg" /><figcaption>ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে শিক্ষকদের সঙ্গে এইচএসসিতে জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure><p>কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ৯৯ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১২৮ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।</p><p>মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে সাধারণত ডেমরা এলাকার সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা পড়েন। শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং নৈতিকতা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশের মাধ্যমে আদর্শ মানুষ ও সুযোগ্য নাগরিক গড়ে তোলার সুনাম রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। শুরুতে মাত্র ২৬১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি একটি বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। পরিচিতি লাভ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অন্যতম শীর্ষ ফল অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে।</p><p>কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ নয়ন বলেন, এই সাফল্য কোনো একক প্রচেষ্টা বা এক দিনের অর্জন নয়। শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে প্রতিদিনের অসংখ্য পরিকল্পিত প্রচেষ্টার সমষ্টি এই অর্জন।</p><p>প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশে যখন এইচএসসির ফল খারাপ হয়েছে, তখন তাঁদের এই অর্জন সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি বলেন, তাঁদের স্বপ্ন, কলেজটিকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা, যেখানে মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা প্রকৃত ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের স্মার্টফোন আনল স্যামসাং</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/gadget/lkboiftm1b</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/gadget/lkboiftm1b#comments</comments><guid isPermaLink="false">69cb66c6-7f2d-464c-8913-ca402b301181</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:38:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:38:15.443Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের নতুন স্মার্টফোন এনেছে স্যামসাং। ]]></description><media:keywords>স্যামসাং,মোবাইল ফোন,এআই,গ্যাজেটস,স্মার্টফোন</media:keywords><media:content height="815" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/54c1pvlh/samsung.png" width="1448"><media:title type="html"><![CDATA[ গ্যালাক্সি এস২৬ এফই স্মার্টফোন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/54c1pvlh/samsung.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গ্যাজেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের নতুন স্মার্টফোন এনেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। এক্সিনস ২৫০০ প্রসেসরে চলা ফোনটির পেছনে ৫০, ১২ ও ৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য সামনে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। ফলে সহজেই ভালো মানের ছবি তোলা যায়। আজ রোববার রাজধানীর বনানীর গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার শোরুমে ফোনটি উন্মোচন করার পাশাপাশি বিভিন্ন কারিগরি দিক ও সুবিধা তুলে ধরেন স্যামসাং বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।</p><p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৬.৭ ইঞ্চি ডায়নামিক অ্যামোলেড পর্দার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ হওয়ায় সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর একাধিক সুবিধাও রয়েছে ফোনটিতে। অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ওয়ান ইউআই ৯ ইউজার ইন্টারফেসে চলা ফোনটিতে সর্বোচ্চ ৭ প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ করা যাবে। সাত বছর পর্যন্ত নিরাপত্তা হালনাগাদের সুবিধা থাকায় ফোনটি নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3l0620jn/Samsung-2.jpeg" /><figcaption>গ্যালাক্সি এস২৬ এফই স্মার্টফোন হাতে স্যামসাং বাংলাদেশ ও গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের কর্মকর্তারা</figcaption></figure><p>ফোনটিতে ৪ হাজার ৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি থাকায় দীর্ঘ সময় গেম খেলার পাশাপাশি ভিডিও দেখা সম্ভব। ৪৫ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করে ফোনটি ৩০ মিনিটে ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা যায়। ফলে চার্জ নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হয় না। তিনটি রঙে বাজারে আসা ফোনটিতে ৮ গিগাবাইট র‍্যাম ও ২৫৬ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। ১২ মাসের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>অনুষ্ঠানে স্যামসাং বাংলাদেশের মোবাইল এক্সপেরিয়েন্স (এমএক্স) বিজনেসের হেড অব প্রোডাক্ট প্ল্যানিং মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, ফোনটিতে ‘মাই ফ্যানক্যাম’ ও ‘সুপার স্টেডি উইথ হরাইজন্টাল লক’ নামের দুটি সুবিধা রয়েছে। মাই ফ্যানক্যাম সুবিধা কাজে লাগিয়ে একসঙ্গে থাকা দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনকে প্রাধান্য দিয়ে ভিডিও করা যায়। আর সুপার স্টেডি উইথ হরাইজন্টাল লক সুবিধার মাধ্যমে চলতি পথে স্থিরভাবে ভিডিও ধারণ করা সম্ভব। এসব সুবিধা ফোনটিকে ক্রিয়েটর ডিভাইস হিসেবে পরিচিত করে তুলবে।</p><p>গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের হেড অব মার্কেটিং তাসরিফ খালেদ বলেন, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের ফোনটি ক্রেতাদের ভালো অভিজ্ঞতা দেবে বলে আমরা আশাবাদী।</p><p>ফোনটি কিনলে গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের পক্ষ থেকে দুই হাজার টাকা এক্সচেঞ্জ বোনাস পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ৯ মাস ও ১৮ মাসের কিস্তিতেও কেনা যাবে ফোনটি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>চুয়েটে আবার শাটডাউন কাল, উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে আপত্তি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/t9tbx8toqb</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/t9tbx8toqb#comments</comments><guid isPermaLink="false">4b51b3d2-6ff4-40d9-9754-468c79a4b4cc</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:36:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:36:15.059Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সংবাদদাতা</atom:name><atom:uri>/api/author/1435932</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দীর্ঘ অচলাবস্থার পর ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরলেও আবার এক দিনের শাটডাউন ঘোষণা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।]]></description><media:keywords>চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ,উপাচার্য,চুয়েট</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y6vvnizb/Ctg-2.jpg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। আজ বিকেলে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y6vvnizb/Ctg-2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দীর্ঘ অচলাবস্থার পর ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরলেও আবার এক দিনের শাটডাউন ঘোষণা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেনকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল সোমবার এ কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা। আজ রোববার সন্ধ্যায় এক জরুরি বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।</p><p> উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সভায় যোগ দিতে ঢাকায় যাওয়ায় তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেনকে আজ রোববার রুটিন দায়িত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, নতুন উপাচার্যকে তাঁরা মেনে নেননি। অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়ে ক্যাম্পাসে তাঁর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।</p><p>সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ৪১ দিন ধরে আন্দোলন চলছে চুয়েটে। গত ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়ার পরদিন থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়। এর মধ্যে ১২ অক্টোবর ক্যাম্পাসে গিয়ে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ হন নতুন উপাচার্য। প্রশাসনের সহায়তায় সেখান থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছেন। গত বুধবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরলেও পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।</p><h3>ক্লাস-পরীক্ষার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমও বর্জনের ঘোষণা</h3><p>শিক্ষার্থীদের বিবৃতিতে বলা হয়, নিজেদের শিক্ষাজীবন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের কথা বিবেচনা করে তাঁরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরেছিলেন। তবে তাঁদের অবস্থান ছিল, নতুন উপাচার্যকে তাঁরা মেনে নেননি এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে তাঁর কোনো হস্তক্ষেপ থাকতে পারবে না।</p><p>শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেই অবস্থান উপেক্ষা করে অন্য একজনকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে আগামীকাল সব ক্লাস-পরীক্ষা এবং রুটিন দায়িত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করবেন তাঁরা।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহতাব হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর আমরা নিজেদের শিক্ষাজীবনের কথা বিবেচনা করে ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরেছিলাম। তবে আমাদের পূর্বঘোষিত অবস্থান উপেক্ষা করে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব অন্য একজনকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া যায় না। এরই প্রতিবাদে আমরা কাল শাটডাউন ডেকেছি।’</p><p>অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান মাহতাব হক।</p><h3>এক দিনের জন্য রুটিন দায়িত্ব</h3><p>আজ এক ই-মেইল বার্তায় অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেনকে রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি জানান উপাচার্য। এতে বলা হয়, আগামীকাল ইউজিসির একটি সভায় অংশ নিতে তিনি ঢাকায় থাকবেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেন নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি উপাচার্যের রুটিন প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করবেন।</p><p>ই-মেইল অনুযায়ী, আজ বিকেল থেকে এ দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে। আগামীকাল সন্ধ্যায় উপাচার্য কর্মস্থলে ফিরে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেন এ দায়িত্ব পালন করবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2f5wzg83n5">৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি–এসপি</a></aside><p>জানতে চাইলে অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেন বিষয়টিকে ‘রেগুলার ইস্যু’ বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, ‘দাপ্তরিক কাজে আমি ঢাকায় যাচ্ছি। আমার অনুপস্থিতিতে তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেন রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন।’</p><p>এর আগে আজ বেলা তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে সভা করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরে প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তাঁরা। মিছিলটি স্বাধীনতা চত্বর ঘুরে প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।</p><p>মিছিলে অংশ নেওয়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলক্বারনাইন মিহাদ বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি—অধ্যাপক সায়েম স্যারকে পুনর্বহাল করতে হবে। এ দাবিতেই আমরা আন্দোলন করছি, করে যাব।’</p><p>ইউজিসির পরামর্শক কমিটির সফর প্রসঙ্গে যুলক্বারনাইন মিহাদ বলেন, কমিটি তাঁদের কথা শুনেছে। শিক্ষার্থীরা যে অধ্যাপক সায়েমকেই চান, সেই চিত্র কমিটি তুলে ধরবে বলে তাঁরা আশা করছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>১৩ বছর বয়সে বন্ধ হয়ে যায় পড়াশোনা, ৫৩ বছর বয়সে গৃহবধূর এইচএসসি পাস</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5sgbpem86c</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5sgbpem86c#comments</comments><guid isPermaLink="false">38fde62b-0e0d-4bc3-871d-9ac13e34f2ed</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:33:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:33:00.767Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নীলফামারী,এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল,কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর,এইচএসসি পরীক্ষা,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬,রংপুর বিভাগ</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3uc68r8y/nilphamari-hsc-shafali.jpg" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ নাতনিকে মিষ্টি খাইয়ে এইচএসসি পাসের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন গৃহিণী শেফালী বেগম। গতকাল শনিবার নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালীগঞ্জ গ্রামে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3uc68r8y/nilphamari-hsc-shafali.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিয়ের পর ১৩ বছর বয়সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর শিক্ষাজীবন থেমে গিয়েছিল। এরপর সংসার ও সন্তান প্রতিপালনে কেটে গেছে দীর্ঘ সময়। কিন্তু পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাননি। দীর্ঘ ৩২ বছর পর আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে ৫৩ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করেছেন নীলফামারীর এক গৃহবধূ।</p><p> ওই গৃহবধূর নাম শেফালী বেগম। তিনি জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালীগঞ্জ গ্রামের মকছেদুল আলমের স্ত্রী। শেফালী বেগমের এই সাফল্য এখন শুধু তাঁর পরিবারের আনন্দের বিষয় নয়; বরং নানা প্রতিকূলতায় যাঁরা শিক্ষার স্বপ্ন থেকে সরে দাঁড়ান, তাঁদের জন্যও এটি এক অনুসরণীয় উদাহরণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><p> শেফালী বেগম ডোমার উপজেলার গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ–৪.২১ পেয়েছেন।</p><p>পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাত্র ১১ মাস বয়সে ১৯৭৫ সালে শেফালী বেগমের বাবা দবির উদ্দিন মারা যান। অল্প বয়সে শেফালী বেগমের বিয়ে হয়। এরপর পারিবারিক নানা সংকটে অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ১৯৮৮ সালে তাঁর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেমে যায় তাঁর শিক্ষাজীবন। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২০ সালে তিনি গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবম শ্রেণিত ভর্তি হন। ২০২৩ সালে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জিপিএ–৪.২৯ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। এরপর ওই কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন।</p><p>বয়সের ব্যবধান, দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি কিংবা সংসারের ব্যস্ততা—কিছুই শেফালীর ইচ্ছাশক্তির কাছে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। নিজের সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। শেফালী বেগম বলেন, ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলোয় বরাবর ভালো ফল করেছি। কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে আমার ভাগনি ও ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া দেখে নিজের মধ্যেও আবার পড়াশোনার ইচ্ছা জাগে। পরে স্বামী ও সন্তানদের উৎসাহ ও সহযোগিতায় নতুন করে পড়াশোনা শুরু করি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/9q86kk49/nilphamari-hsc-shafali-2.jpg" /><figcaption> ৫৩ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করা শেফালী বেগম আইন বিষয়ে স্নাতক করতে চান</figcaption></figure><p>শেফালী বেগম বলেন, ‘আমি আইন বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হতে চাই। এটা আমার ছেলেমেয়েরাও চায়।’</p><p>শেফালী বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে আবদুর রাজ্জাক বিএ পাস করে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত। ছোট ছেলে আবদুর রাজ শাফি কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত। মেয়ে মাকছুরা খানম রংপুর সরকারি কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।</p><p>ছেলে আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি চাই, মা এখানেই থেমে না থেকে স্নাতকসহ আরও উচ্চশিক্ষা অর্জন করুক।’ তিনি জানান, তাঁর মা ২০১১ সালে ও ২০২১ সালে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নে সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন। ২০১৫ সালে ডিমলা উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সদস্য ছিলেন।</p><p>শেফালীর মেয়ে মাকছুরা খানম বলেন, ‘আমার মায়ের এই সাফল্য শুধু আমাদের পরিবারের আনন্দের বিষয় নয়, এটি সমাজের সব নারী ও শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা। আমার মা প্রমাণ করেছেন, শিক্ষার পথে বয়স কখনো বাধা হতে পারে না।’</p><p>শেফালী বেগম পরিবারের জন্য নিজের অনেক স্বপ্ন ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন স্বামী মকছেদুল আলম। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর নিজের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ। তার এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। ভবিষ্যতেও তার পড়াশোনার পথে পাশে থাকব আমরা।’</p><p>গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের প্রভাষক আবদুল মান্নান বলেন, শেফালী বেগমের এই সাফল্য সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। নিয়মিত অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় মনোবল থাকলে জীবনের যেকোনো বয়সেই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ড্যাফোডিলের সহযোগিতায় ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু</title><link>https://www.prothomalo.com/education/campus/wvy7ngcsja</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/campus/wvy7ngcsja#comments</comments><guid isPermaLink="false">f071cc20-c498-4adb-b129-2e9166d73103</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:32:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:32:08.948Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আদালত,ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি,ক্যাম্পাস</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fepjz3ek/7.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় দেশে ‘ই-পারিবারিক আপিল আদালত ৩’ ও নতুন ‘ই-পারিবারিক আদালত ১৪’ চালু হয়েছে। এ আদালতের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fepjz3ek/7.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্যাম্পাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিচারপ্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় রূপান্তর এবং ন্যায়বিচারে মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘ই-পারিবারিক আপিল আদালত ৩’ এবং নতুন ‘ই-পারিবারিক আদালত ১৪’। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলনকক্ষে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ আদালতের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ সময় বিচার বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।</p><p> উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কালাম খানসহ বিচারক, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং আইনজীবী ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা।</p><p>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আর কবির, কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রিয়াদুজ্জামান এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রভাষক মো. মেসবাউল ইসলাম জিয়ন এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আইটি দল।</p><p>নতুন চালু হওয়া ই-পারিবারিক আপিল আদালতের মাধ্যমে পারিবারিক মামলার বিচারিক কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও সম্প্রসারিত হবে। এ ব্যবস্থায় বিচারপ্রার্থীরা অনলাইনে মামলার তথ্য জানার পাশাপাশি ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে আদালতে যাতায়াত, কাগজপত্র সংরক্ষণ এবং বিচারিক কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপে সময় ও শ্রম ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>এর আগে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ই-পারিবারিক আদালত চালু হওয়ার পর গত বছর নভেম্বর থেকে ঢাকা ফ্যামিলি কোর্ট ৫ এবং ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রাম ফ্যামিলি কোর্ট ১-এ ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির তৈরি এই সিস্টেম অত্যন্ত সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে এবং সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালুর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বিচারিক সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো। কাগজবিহীন বিচারিক কার্যক্রম, মামলার তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ এবং বিচারপ্রার্থীদের সহজে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা করছে কর্তৃপক্ষ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মেজর (অব.) হাফিজকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো সাবেক সেই দুই সেনা কর্মকর্তার মামলায়</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/qyrwy680ao</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/qyrwy680ao#comments</comments><guid isPermaLink="false">23a334e2-d700-4a92-b4ed-278135f4036e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:31:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:31:23.019Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ তদন্ত কর্মকর্তার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার খন্দকার আবদুল হাফিজও অন্যান্য আসামির সহায়তায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।]]></description><media:keywords>সেনাবাহিনী,আদালত,পুলিশ,রাজনীতি,রিমান্ড</media:keywords><media:content height="569" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/603hb0bx/Ex-Major-Hafiz.jpeg" width="792"><media:title type="html"><![CDATA[ গ্রেপ্তারের পর খন্দকার আবদুল হাফিজকে আদালতে হাজির করা হয়। ১ নভেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/603hb0bx/Ex-Major-Hafiz.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা, অর্থ সংগ্রহ ও সহিংস ডিজিটাল কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে সেনাবাহিনীর সাবেক দুই কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও কাজী গুলশান আরার বিরুদ্ধে করা মামলায় আরেক সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজকে (৫৬) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।</p><p> আজ রোববার বিকেলে হাফিজকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসানের আদালতে শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।</p><p>রিমান্ড চেয়ে পুলিশের করা আবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার খন্দকার আবদুল হাফিজ অন্যান্য আসামির সহায়তায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। কতিপয় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে তিনি জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উসকানি, পুলিশ হত্যার পক্ষে অপপ্রচার চালানো এবং দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/nvv8upou/Gulshan_Ara_01.jpg" /><figcaption>সাবেক সেনা কর্মকর্তা বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল ও কাজী গুলশান আরা এখনো কারাগারে</figcaption></figure><p>এর আগে ১১ অক্টোবর মধ্যরাতে বনানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরদিন তাঁদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. আলী আকবর। ওই মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে আছেন বিজয় দেবাশীষ ও গুলশান আরা। তাঁদের সঙ্গে একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মেজর (অব.) খন্দকার আব্দুল হাফিজকে। মামলায় তখন দেবাশীষ ও গুলশান আরার নাম উল্লেখ করে আরও ১০১ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছিল। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় আবদুল হাফিজকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো বলে জানিয়েছেন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পল্লবীতে কাজী গুলশান আরার বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা ১’ এবং ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত থেকে তহবিল সংগ্রহ করতেন। পাশাপাশি ‘কালআজকাল ডটকম’ নামের ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া এবং রাষ্ট্রবিরোধী কুৎসামূলক প্রচার চালাতেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/peu0coqq59">সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দিল পুলিশ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>এলডিসি উত্তরণ টেকসই করতে পাঁচ পক্ষ নিয়ে সংস্কার হবে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর</title><link>https://www.prothomalo.com/business/4h43l5rimu</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/4h43l5rimu#comments</comments><guid isPermaLink="false">92e5fa98-bdd7-41de-b8a4-f8e90273faa5</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:27:53 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:27:53.582Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অর্থনীতি,এলডিসি,বাণিজ্য সংবাদ,বাণিজ্য</media:keywords><media:content height="471" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/nxv11q7e/Rashed-al-titumir.jpg" width="861"><media:title type="html"><![CDATA[ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/nxv11q7e/Rashed-al-titumir.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি যাতে চাপে না পড়ে, সে জন্য বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কাজে যুক্ত করা হচ্ছে পাঁচ পক্ষকে। পক্ষগুলো হলো—জনগণ, বেসরকারি খাত, জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী ও বহুপক্ষীয় উন্নয়ন জোট। বাড়তি তিন বছরকে অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন রপ্তানি বাজার তৈরির সুযোগ হিসেবে সরকার কাজে লাগাতে চায়।</p><p> প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র ও রপ্তানির প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এলডিসি থেকে উত্তরণ হয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। তবে এ রূপান্তর হতে হবে টেকসই।</p><p> রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এলডিসিভুক্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়। তাই অর্থনীতির বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকার তিনটি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এ সংস্কার পরিকল্পনা করছে। এগুলো হলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া দুর্বল অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ ভঙ্গুরতা, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তৈরি হওয়া বাহ্যিক চাপ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত আগাম প্রস্তুতির অভাব।</p><p><strong>ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে সংস্কার</strong></p><p>সংস্কারের অগ্রাধিকার সম্পর্কে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে বিনিয়োগের জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, বিনিয়োগের নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং রপ্তানিপণ্যের তালিকা সম্প্রসারণে কাজ করা হবে।</p><p>টেকসই শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তাকে সরকার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখছে উল্লেখ করে এই উপদেষ্টা বলেন, এ লক্ষ্যে মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সক্ষমতা বাড়াতে ভাসমান টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়েও কাজ করছে সরকার। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো, জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার অপচয় ও সিস্টেম লস কমানো এবং এলএনজি আমদানির উৎস বহুমুখী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p><p><strong>নতুন বাজার খুঁজবে সরকার</strong></p><p>রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বিভিন্ন দেশের বাজারে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন রপ্তানি বাজার অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অথবা সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সেপা) করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><p>উপদেষ্টা বলেন, বেসরকারি খাতের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে পারলে সরকারের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। এ জন্য এলডিসি উত্তরণ নিয়ে প্রতিটি আলোচনায় বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সরকারের উদ্যোগে যুক্ত পাঁচ পক্ষ হলো বাংলাদেশের জনগণ, বেসরকারি খাত, জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও বহুপক্ষীয় উন্নয়ন জোট। উপদেষ্টার মতে, এ ধরনের সর্বসম্মত অংশীদারত্ব আগে দেখা যায়নি। পাঁচ পক্ষের অংশগ্রহণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়াবে।</p><p><strong>সংস্কারে পাশে থাকবে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক</strong></p><p>জাতিসংঘের ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত প্রস্তাবে জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে কারিগরি সহায়তাসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক।</p><p>এ ছাড়া সরকারের চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার কর্মসূচিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি)।</p><p>রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের সামনে এখন বাড়তি তিন বছরের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। এ সময়ে বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি, উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে অগ্রগতি হলে এলডিসি উত্তরণের ধাক্কা সামাল দেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের ভিত্তিও তৈরি হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বয়স ১০০ ছুঁয়েছে, এর মধ্যে ৬০ বছর ধরেই ফেরি করে হজমি বিক্রি করছেন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/hprt0x1g2i</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/hprt0x1g2i#comments</comments><guid isPermaLink="false">f4f06422-6946-4529-9fe1-51fa1227036b</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:25:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:25:46.527Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বয়স ১০০ ছুঁয়েছে, এর মধ্যে ৬০ বছর ধরেই ফেরি করে হজমি বিক্রি করছেন ]]></description><media:keywords>ঠাকুরগাঁও</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-22/rkt96guw/WEB-Recovered-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-22/rkt96guw/WEB-Recovered-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/bys-100-chunnyeche-er-mdhze-60-bchr-dhrei-feri-kre-hjmi-bikri-krchen</figure>]]></content:encoded></item><item><title>কুমিরের নাম ‘ধলাপাহাড়’, তার সঙ্গেই গড়ে উঠেছে মেহেদী হাসানের বন্ধুত্ব</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/dalgnn58pb</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/dalgnn58pb#comments</comments><guid isPermaLink="false">a30a972d-e918-43b4-b28e-31fec5401d77</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:23:22 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:23:22.027Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কুমিরের নাম ‘ধলাপাহাড়’, তার সঙ্গেই গড়ে উঠেছে মেহেদী হাসানের বন্ধুত্ব]]></description><media:keywords>কুমির</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-24/n4j4higa/WEB-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-24/n4j4higa/WEB-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kumirer-nam-dhlapahar-tar-sngoei-gre-utheche-mehedee-hasaner-bndhutw</figure>]]></content:encoded></item><item><title>কিছু বুঝে ওঠার আগেই ব্যবসায়ীকে কোপানো শুরু, ছিনিয়ে নেয় পাঁচ লাখ টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/40oaiuslyd</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/40oaiuslyd#comments</comments><guid isPermaLink="false">9a433f58-b655-4600-9904-a6ca13088802</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:22:37 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:22:37.219Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রিয়াজউদ্দিন বাজারে নিজের দোকান থেকে বাসায় ফিরছিলেন জাকির হোসেন। তিনপুলের মাথা এলাকায় গাড়িতে ওঠার আগ মুহূর্তে তিন থেকে চারজন দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালায়।]]></description><media:keywords>ছিনতাই,চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ,ব্যবসায়ী,অপরাধ</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/jtnxrl8x/CTG-1.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ চট্টগ্রাম নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/jtnxrl8x/CTG-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চট্টগ্রাম নগরের তিনপুলের মাথা এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে পাঁচ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কোতোয়ালি থানার ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ বলছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা হয়েছে।</p><p> আহত ব্যবসায়ীর নাম জাকির হোসেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর রিয়াজউদ্দিন বাজারে একবার ব্যবহারযোগ্য (ওয়ান টাইম) ক্রোকারিজ পণ্যের দোকান রয়েছে।</p><p>জাকির হোসেনের দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ মানিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, রিয়াজউদ্দিন বাজারে নিজের দোকান থেকে বাসায় ফিরছিলেন জাকির হোসেন। তিনপুলের মাথা এলাকায় গাড়িতে ওঠার আগমুহূর্তে তিন থেকে চারজন দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে মারধর ও কিরিচ দিয়ে কোপাতে শুরু করে তারা। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।</p><p>কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁর স্বজনেরা এ ঘটনায় জড়িত কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম পুলিশকে জানিয়েছেন।</p><p>পাঁচ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>নিরাপত্তাঝুঁকিতে ভাঙা হবে ভবন, প্যাসিফিক জিনসের একটি ইউনিট বন্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/gd744mxhro</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/gd744mxhro#comments</comments><guid isPermaLink="false">88e77f63-5ea5-4ada-b21d-c92477e3fc8a</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:18:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:18:39.226Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ইপিজেড,শ্রমিক,রপ্তানি,কারখানা,পোশাক</media:keywords><media:content height="788" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5lljctsg/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-7.47.52-PM.jpeg" width="1400"><media:title type="html"><![CDATA[ বন্ধ হয়ে যাওয়া প্যাসিফিক জিনস কারখানা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5lljctsg/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-7.47.52-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) প্যাসিফিক জিনসের ইউনিট–১ এর একটি পুরোনো ভবনে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি ভেঙে ফেলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তারই অংশ হিসেবে ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। কোম্পানিটি জানিয়েছে, আরএমজি সাসটেইনেবিলিটি কাউন্সিলের (আরএসসি) মূল্যায়নে ভবনটিতে কাঠামোগত বিপর্যয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p> আজ রোববার প্যাসিফিক জিনস লিমিটেডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে একই জায়গায় নতুন কারখানা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>পোশাক রপ্তানিকারক প্যাসিফিক জিনস গ্রুপে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক–কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। গ্রুপটির রপ্তানি ৪০ কোটি ডলারের বেশি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত শুধু ওই ভবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্যাসিফিক জিনসের অন্য উৎপাদন ইউনিট ও গ্রুপের অন্য কারখানাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।</p><p>প্যাসিফিক জিনসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৯৪ সালে কারখানা ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেখানে সাড়ে পাঁচ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রস্তাবিত নতুন কারখানা চালু হলে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভবনটিতে আরএসসি বিশেষ কাঠামোগত নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং পরে বিস্তারিত প্রকৌশল মূল্যায়ন করেছে। এতে সম্ভাব্য কাঠামোগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি চিহ্নিত হয়। তাই শ্রমিকদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেখানে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্ধ হওয়া ভবনে কর্মরত শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে চাকরি অবসানের প্রক্রিয়া গত ৩১ অক্টোবর শুরু হয়েছে।</p><p>প্যাসিফিক জিনস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণসহ সব আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে। এসব পাওনার মধ্যে রয়েছে বেতন, অতিরিক্ত কাজের মজুরি ও অন্যান্য ভাতা, অব্যবহৃত অর্জিত ছুটির টাকা, নোটিশ পে, সার্ভিস বেনিফিট এবং মুনাফাসহ প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রত্যেক শ্রমিকের চাকরি অবসানের তারিখেই তাঁর ব্যাংক হিসাবে চূড়ান্ত পাওনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পাওনার বিস্তারিত বিবরণ–সংবলিত পে-স্লিপ, অভিজ্ঞতার সনদ ও প্রশংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে।</p><p>নতুন কারখানা নির্মাণের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উৎপাদন বন্ধ ও সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের চাকরি অবসানের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আরএসসির নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে পুরোনো ভবন ভাঙা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে সেখানে পরিবেশবান্ধব, অত্যাধুনিক ও বহুতল কারখানা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>প্যাসিফিক জিনস জানিয়েছে, প্রস্তাবিত কারখানায় নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে নতুন কারখানার নির্মাণকাজ শুরু বা উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাব্য সময় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>২০২৬ সাল কি গণতন্ত্রের ঘুরে দাঁড়ানোর বছর</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/tqqot61el7</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/tqqot61el7#comments</comments><guid isPermaLink="false">e15a39c9-e018-46c3-af58-d0ddf57037d8</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:17:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:17:00.746Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভাষ্যকারেরা বলছেন, লুলার এই বিজয় লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদীদের বিজয়ের ধারায় ছেদ টেনেছে। ]]></description><media:keywords>ব্রাজিল,গণতন্ত্র,সার্বিয়া,নির্বাচন</media:keywords><media:content height="683" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/oddthhnp/00f1949ca4d9d467ae48e1b74477faa1-0-hi.jpg" width="1024"><media:title type="html"><![CDATA[ সার্বিয়ার শিক্ষার্থীদের উল্লাস  ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/oddthhnp/00f1949ca4d9d467ae48e1b74477faa1-0-hi.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চূড়ান্ত বিজয় ঘোষণা করার সময় এখনো আসেনি, তবে ভিক্টর অরবান, আলেকসান্দার ভুচিচ এবং ফ্লাভিও বলসোনারোর সাম্প্রতিক নির্বাচনী পরাজয় আমাকে ভাবতে বাধ্য করছে: ২০২৬ সালে কি তবে গণতন্ত্র ঘুরে দাঁড়িয়েছে?</p><p>এমনকি ইসরায়েলেও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট সংসদে তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে এবং সেখানে আরব দলগুলোর অভূতপূর্ব উত্থান দেখা গেছে। যদিও বিরোধীরা এখনো সরকার গঠন করতে সক্ষম না–ও হতে পারে, কিন্তু তাদের পার্লামেন্টারি ব্লকটি এখন আয়তনে বড়।</p><p>এই পরিবর্তনের সূচনা ঘটেছিল গত এপ্রিলে হাঙ্গেরির এক বিস্ময়কর নির্বাচনের ফলাফলের মধ্য দিয়ে। সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে ইইউর সবচেয়ে শক্তভাবে গেড়ে বসা স্বৈরাচারী শাসক অরবানকে পরাজিত করেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পিটার মাজিয়ার। </p><p>দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায় থাকাকালে অরবান তাঁর কর্তৃত্ববাদী শাসনকে সুসংহত ও স্থায়ী করতে সম্ভাব্য সবকিছুই করেছিলেন। তবু মাজিয়ার দলের চারপাশে একটি বৃহৎ নাগরিক আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সক্ষম হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/kkycmm8pzz">বার্লিনে অভিবাসীকন্যা এলিফ এরাল্পের বিজয় কী বার্তা দেয়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/7od0fk8e8l">জার্মানিতে উগ্র ডানপন্থীদের জয়, কী তাদের এজেন্ডা </a></aside><p>একই রকমের আনন্দ দেখা গিয়েছিল গত রবিবার রাতে বেলগ্রেডে। সেখানে সার্বিয়ায় ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নামে ছাত্র, শিক্ষাবিদ এবং ক্ষুব্ধ নাগরিকদের একটি তৃণমূল জোট অপ্রত্যাশিতভাবে ভুচিচকে বিদায় করে দেয়। ২০১৪ সাল থেকে ভুচিচ ক্ষমতার ওপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন—প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে। তিনি ডানপন্থী আস্ফালন, আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং আইনের শাসনের প্রতি অবজ্ঞার একটি মিশেল ব্যবহার করেছিলেন। </p><p>কিন্তু নাগরিকেরা ঠিক কতটা সহ্য করবে তারও একটি সীমা থাকে। ২০২৪ সালে নোভি সাদ ট্রেন স্টেশনের নতুন নির্মিত ছাদ ধসে ১৬ জন নিহত হওয়ার পর ভুচিচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়; এই ঘটনাটি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।</p><p>এরপর গত সোমবার সকালে আসে সবচেয়ে বড় খবরটি—যখন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা সব পূর্বাভাস উড়িয়ে দিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হন। প্রথম পর্বে ফ্লাভিও বলসোনারো এগিয়ে ছিলেন এবং প্রায় প্রতিটি জরিপ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে তিনি রান-অফে জয়ী হবেন। কিন্তু লুলা সবাইকে অবাক করে দিয়ে চতুর্থবারের মতো লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির দায়িত্ব ছিনিয়ে নেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/yez9nsoe/YOEGLPCFWJKT5H63CRET36IANE.avif" /><figcaption>ব্রাজিলে লুলার নির্বাচনী ক্যাম্পেইন</figcaption></figure><p>ভাষ্যকাররা বলছেন, লুলার এই বিজয় লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী পপুলিস্টদের বিজয়ের ধারায় ছেদ টেনেছে। এটাও সত্য, তবে প্রেক্ষাপটকে আরও বড় করে দেখলে একটি ব্যাপক রূপরেখা ফুটে ওঠে। এটি মূলত বাম বনাম ডানের কোনো গল্প নয়, বরং এটি হলো ডেমোক্র্যাট বনাম পোস্ট–ডেমোক্র্যাটদের মধ্যকার লড়াই। </p><p>হাঙ্গেরির মাজিয়ার মোটেও বামপন্থী নন; তিনি একজন মধ্যডানপন্থী নেতা, যিনি একসময় অরবানের নিজস্ব দলের সদস্য ছিলেন। সার্বিয়ায় 'স্টুডেন্ট লিস্ট'-এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইলিজা সর্দানোভিচ, একজন হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, যাঁর কোনো স্পষ্ট রাজনৈতিক আদর্শিক পরিচয় নেই। যদিও উদারনৈতিক মূল্যবোধকে সমর্থন করেন, কসোভো ইস্যুতে তাঁর অবস্থান ঐতিহ্যবাহী সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদের সঙ্গেই মেলে।</p><p>রাজনীতিতে নানা মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও মাজিয়ার, সর্দানোভিচ এবং লুলার মধ্যে যে মিল তা হচ্ছে —গণতান্ত্রিক খেলার নিয়মগুলোকে সম্মান জানানোর প্রতি তাদের বিশ্বাস। নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হতে হবে, বিচারক এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্যের একটা ব্যবস্থাও রাখতে হয়।  </p><blockquote>প্রেক্ষাপটকে আরও বড় করে দেখলে একটি ব্যাপক রূপরেখা ফুটে ওঠে। এটি মূলত বাম বনাম ডানের কোনো গল্প নয়, বরং এটি হলো ডেমোক্র্যাট বনাম পোস্ট–ডেমোক্র্যাটদের মধ্যকার লড়াই।</blockquote><p>এর বিপরীতে পোস্ট-ডেমোক্র্যাটরা আইন ও আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে কেবল পরামর্শ বা সুবিধাজনক পলিসি হিসেবে দেখে, যা থেকে তারা ইচ্ছামতো সুবিধা বেছে নিতে পারে। তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনকে ব্যবহার করে, কিন্তু অফিসে বসার পর তারা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে ফেলে এবং তাদের ব্যক্তিগত ব্যবসার মুনাফা সর্বোচ্চ করে তোলে। বিরোধী কণ্ঠগুলোকে স্তব্ধ করতে হয় এবং সমালোচনামূলক গণমাধ্যমকে অভিযুক্ত করতে হয়। পোস্ট-ডেমোক্র্যাটরা গণতন্ত্রের কেবল বাইরের খোলসটুকুই টিকিয়ে রাখে।</p><p>কয়েক বছর ধরে এই পোস্ট-ডেমোক্র্যাটদের উত্থান ঘটছে এবং এটি অত্যন্ত আতঙ্কজনক। ২০০০ সাল থেকে আমরা প্রতিটি মহাদেশজুড়ে গণতান্ত্রিক অর্জনগুলোর একটি ধারাবাহিক ও সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছি। </p><p>ভি-ডেম ইনস্টিটিউট প্রকাশিত সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ‘ডেমোক্রেসি রিপোর্ট’ পড়লে যে কেউ হতাশ হয়ে পড়বেন। সার্বিক গণতান্ত্রিক স্বাস্থ্যের দিক থেকে রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা কার্যকরভাবে ১৯৭৮ সালের স্তরে পিছিয়ে গেছি। বিশ্বের মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ এখন উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বসবাস করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/x7d6y5xrfz">সার্বিয়াকে শিক্ষার্থীরা যেভাবে পুনরুদ্ধার করল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/aet9snptn1">জেন–জি: দেশভেদে ভিন্ন ক্ষোভ, প্রজন্মভেদে এক সুর</a></aside><p>তবে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ সম্পর্কে বছরের পর বছর ধরে চলা উদ্বেগজনক সংবাদের পর বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড এবং ব্রাসিলিয়ার এই খবরগুলো অন্ধকারের মাঝে আশার আলো দেখায়। ঠিক যেমনটা দেখা গেছে এই বছর ভারত ও ফিলিপাইন থেকে আলবেনিয়া, আর্জেন্টিনা এবং চিলি পর্যন্ত জেন-জিদের অভূতপূর্ব প্রতিবাদ সমাবেশে।</p><p>উদারপন্থী গণতন্ত্র কি তবে তার নতুন শক্তি ফিরে পাচ্ছে? স্বৈরাচারী ও কর্তৃত্ববাদী শাসকগোষ্ঠীকে পরাজিত করা কি শেষ পর্যন্ত সত্যিই সম্ভব? এটি কি একটি গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের সূচনা হতে পারে, যা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রেও প্রসারিত হতে পারে?</p><p>এদিকে চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলে আরব ভোটারদের রাজনৈতিকভাবে অবৈধ প্রমাণের যে চেষ্টা চলেছে, তা আমাদের ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে পরিবর্তনের সীমাবদ্ধতার কথা মনে করিয়ে দেয়। নির্বাচন আমাদের পোস্ট-ডেমোক্র্যাটদের কাছ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে, তবে গভীরভাবে বিভক্ত সমাজে নিছক একটি ভোটপ্রক্রিয়াই ক্ষত নিরাময়ের জন্য যথেষ্ট নয়। একক, নীরব ভোটদানের প্রক্রিয়াকে যৌথ আলাপ-আলোচনা ও চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিপূরক করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-23/80ymku77/CJPprotest20-julyINDIA-GEN-Z.JPG" /><figcaption>ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ। নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই</figcaption></figure><p>তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক পরিসরে ২০২৬ সালটি সিকি শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে গণতন্ত্রের জন্য সেরা বছর হিসেবে গণ্য হতে পারে। এটিই কি তবে সেই কাঙ্ক্ষিত টার্নিং পয়েন্ট?</p><p>সামনের বছরে ইউরোপের কিছু বৃহৎ সদস্যরাষ্ট্র—ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি এবং পোল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে এই ঘটনাগুলো আমাদের কী বার্তা দেয়, তা অনুমানের বিষয়। জার্মানিতে এএফডির গতি দেখলে বোঝা যায় যে পোস্ট-ডেমোক্রেটিক প্রবণতাযুক্ত ডানপন্থী পপুলিস্ট দলগুলো ইউরোপে এখনো বেশ দাপটের সঙ্গেই টিকে আছে। </p><p>তবে হাঙ্গেরি, সার্বিয়া এবং ব্রাজিল আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে করিয়ে দিয়েছে: স্বৈরাচারীদের উত্থান এবং ক্ষমতায় তাদের স্থায়িত্ব কোনো অলঙ্ঘনীয় প্রাকৃতিক নিয়ম নয়।</p><ul><li><p><strong>ডেভিড ভ্যান রেইব্রুক</strong> একজন বেলজিয়ান লেখক। </p><p><em>দ্য গার্ডিয়ান</em> থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>এখনই অবসর নেবেন না, ইঙ্গিত নরেন্দ্র মোদির</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/7f4qvlc5ho</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/7f4qvlc5ho#comments</comments><guid isPermaLink="false">23ceb2bd-8c3e-47c9-a508-56fa8180c9fa</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:12:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:12:15.080Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সংবাদদাতা</atom:name><atom:uri>/api/author/1435932</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>লোকসভা,প্রধানমন্ত্রী,ভারত,নরেন্দ্র মোদি,উন্নয়ন প্রকল্প,বিজেপি,লোকসভা নির্বাচন</media:keywords><media:content height="435" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/uct4aqwv/modi-gujrat.jpeg" width="773"><media:title type="html"><![CDATA[ গুজরাটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/uct4aqwv/modi-gujrat.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দিল্লিতে আজ রোববার বিরোধীদের বিশাল জনসভার দুই দিন আগে গুজরাটের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, শেষনিশ্বাস পর্যন্ত দেশ ও দেশবাসীর সেবায় তিনি নিবেদিত থাকতে চান। গুজরাটের বানাসকাণ্ঠায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় অবসরগ্রহণের যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে মোদি ঘোষণা করেছেন, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কাজ করে যাবেন।</p><p> গত শুক্রবার গুজরাটে বানাসকাণ্ঠায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এক আবেগপূর্ণ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘আমি আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমার দেশের মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকব। শেষনিশ্বাস পর্যন্ত আমি সেবার নীতিকেই ব্রত হিসেবে মেনে চলব—আমার মানুষের সেবা, প্রতিটি মানুষের সেবা।’</p><p>মোদির এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধী ও ক্ষমতাসীন দুই শিবিরেই এই আলোচনা শুরু হয়েছে, তবে কি নরেন্দ্র মোদি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আবার বিজেপিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথাই বলছেন?</p><p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি তাঁর অতীতের স্মৃতি স্মরণ করে জানান, ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর প্রথম প্রধান জনসভাও এই বানাসকাণ্ঠায় আয়োজিত হয়েছিল। তিনি বলেন, গুজরাটবাসীই তাঁকে সবকিছু শিখিয়েছেন। তিনি এমন এক সাধারণ পরিবার থেকে এসেছেন, যেখানে কেউ পঞ্চায়েতপ্রধান হওয়ার স্বপ্নও কোনো দিন দেখেননি। সেই সাধারণ মানুষ থেকে আজ তিনি যেখানে পৌঁছেছেন, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তিনি দেশের জনগণের ভালোবাসাকেই দিয়েছেন।</p><p>মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রাথমিক দিনগুলোর কথা স্মরণ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, শুরুতে তাঁর সরকারি নথি বা প্রশাসনিক নীতি সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। গুজরাটের মানুষই পরম ভালোবাসায় তাঁকে সবকিছু শিখিয়েছেন। সেই আবেগ থেকেই তিনি উপস্থিত সবাইকে অনুরোধ জানান, যেন তাঁরা তাঁকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ না বলে পুরোনো ও আদরের ‘নরেন্দ্র ভাই’ বলেই সম্বোধন করেন।</p><p>বানাসকাণ্ঠা সফরের সময় মোদি ১৪ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং বেশ কিছু প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। কৃষি ও দুগ্ধশিল্প থেকে শুরু করে পরিকাঠামো এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বানাসকাণ্ঠার সাম্প্রতিক অগ্রগতির তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p><p>জনসভায় মোদি কৃষকদের উন্নত ভারত গড়ার অন্যতম শক্ত খুঁটি বলে উল্লেখ করে জানান, বর্তমান সরকার সর্বদা কৃষকদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। পশুপালন খাতে গ্রামীণ অর্থনীতির একটি অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত এক দশকে এই সেক্টরে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।</p><p>এদিন দেশের পূর্ববর্তী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে মোদি জানান, বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি নিয়ে করা সব ওয়াদা পূরণ করেছে। এনডিএ সরকারের দূরদর্শী নীতির ফলে কৃষকরা প্রায় ৫০ লাখ কোটি রুপি পেয়েছেন এবং সমপরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে পেরেছেন। দুই দিনের গুজরাট সফরে এসে তিনি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কেভাদিয়ায় আয়োজিত একতা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দুই হাত হারিয়েও থামেননি মেহেরাব—কনুই দিয়ে চালান চায়ের দোকান</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/b9zrdtq289</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/b9zrdtq289#comments</comments><guid isPermaLink="false">5c4cd4ad-5eff-49a8-9332-bf18f6d2121c</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:11:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:11:51.749Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>জামালপুর</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-21/jak1d0po/WEB-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-21/jak1d0po/WEB-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/dui-hat-hariyeoo-thamenni-meherab-knui-diye-calan-cayer-dokan</figure>]]></content:encoded></item><item><title>এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh#comments</comments><guid isPermaLink="false">8c26285c-764e-4a88-9a29-cd4af4ce3b5b</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:09:49 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:09:49.739Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মোশতাক আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1311288</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। উচ্চশিক্ষায় আসন ১৪ লাখের বেশি।]]></description><media:keywords>এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-02/f038426f-35fa-417a-9339-df15fd4c7f8b/Chottogram_Board.jpg" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের উল্লাস]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-02/f038426f-35fa-417a-9339-df15fd4c7f8b/Chottogram_Board.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><category>শিক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এবার উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে পাসের হার সবচেয়ে কম। সর্বোচ্চ ফলের সূচক জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পরীক্ষার ফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতার প্রভাব পড়বে উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতেও।</p><p> বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষায় মোট আসন এবং এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নিলে ৮ লাখের বেশি আসন খালি থাকতে পারে।</p><p>এর আগে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রায় ১৬ লাখ আসন খালি থাকার তথ্য পাওয়া যায়। যদিও এখনো তৃতীয় ধাপে ভর্তির প্রক্রিয়া চলছে, তাতেও খালি আসনের সংখ্যা খুব বেশি কমবে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।</p><p>ফলে মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের পর উচ্চশিক্ষা—দুই স্তরেই বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।</p><p>গত শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। ফল প্রকাশের পর এখন উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><h3>উচ্চশিক্ষায় আসন বেশি, পাস কম</h3><p>দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের তদারকির দায়িত্বে রয়েছে ইউজিসি। সংস্থাটির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এবার উচ্চশিক্ষায় মোট আসন রয়েছে ১৪ লাখ ৯২ হাজারের মতো। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ১০ লাখের বেশি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চার লাখের বেশি আসন রয়েছে। এ হিসাব অনুযায়ী, এবার উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সবাই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হলেও ৮ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি আসন খালি থাকার কথা।</p><blockquote>এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। তাঁদের আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।</blockquote><p>বর্তমানে দেশে ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১১৭টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিস্থিতি এক রকম হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন রয়েছে কমবেশি ৬৩ হাজারের কিছু বেশি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত ভর্তির জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া নিয়ে বড় ধরনের সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পরিচিত ও ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকবে। তবে অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া কঠিন হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/oimg64vkkq">খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর</a></aside><h3>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজে চাপ</h3><p>দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ রয়েছে ২ হাজার ২৫৭টি। এর মধ্যে ৮৮১টি কলেজে স্নাতক (সম্মান) কোর্স চালু আছে। এসব কলেজে সম্মান কোর্সে আসন রয়েছে সাড়ে চার লাখের বেশি। এ ছাড়া অনেক কলেজে স্নাতক (পাস) কোর্স চালু রয়েছে, যেখানে আসন প্রায় সাড়ে চার লাখ। প্রফেশনাল কোর্সেও কমবেশি ১০ হাজার আসন রয়েছে।</p><p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর আসনসংখ্যা বিবেচনায় নিলে এবার অনেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যেসব কলেজের শিক্ষার্থী আকর্ষণের সক্ষমতা কম, সেগুলো বেশি সংকটে পড়তে পারে।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—উভয়ই যেন মানসম্মতভাবে ও টেকসই ভিত্তিতে টিকে থাকতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানকে জোর করে টিকিয়ে রাখার প্রয়োজন আছে কি না, সেটিও বিবেচনা করা দরকার। </p><p>গতকাল শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন।</p><h3>ফেল করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষার সুযোগ</h3><p>এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। তাঁদের আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরে নিয়ে একই মাসে ফল প্রকাশের প্রাথমিক চিন্তাভাবনা রয়েছে। যাতে এ বিশেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p><blockquote>বর্তমানে দেশে ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১১৭টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।</blockquote><p>বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছর আবার পরীক্ষায় বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রায় এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। নতুন উদ্যোগ কার্যকর হলে এ অপেক্ষা কমবে।</p><p>তবে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সবাই আবার পরীক্ষায় অংশ নেবেন বা পাস করবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই তাঁদের সম্ভাব্য ফলও উচ্চশিক্ষার আসন খালি থাকার হিসাবের সঙ্গে সরাসরি যোগ করা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা যায়, এখানকার বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী এতে যুক্ত হবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/40p1ofz6q6">এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষার তারিখ জানা যাবে ৩ নভেম্বরের মধ্যে</a></aside><h3>প্রয়োজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত পরিকল্পনা</h3><p>শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা—সব স্তরেই শিক্ষার্থীর চাহিদা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, শিক্ষক ও অবকাঠামো এবং কর্মসংস্থানের বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। কোথাও শিক্ষার্থী কম, কিন্তু শিক্ষক ও অবকাঠামো রয়েছে; আবার কোথাও শিক্ষার্থী থাকলেও প্রয়োজনীয় শিক্ষক নেই। বছরের পর বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও পরিকল্পিতভাবে তা মোকাবিলার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।</p><p>এ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আসনসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা এবং শিক্ষার্থীর চাহিদা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা। এ জন্য দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সমন্বিত ‘ম্যাপিং’ করা দরকার। অর্থাৎ কোন এলাকায় কতটি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, কোথায় কী ধরনের শিক্ষার চাহিদা রয়েছে এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা কার্যকর—এসব বিষয়ে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কম এবং উচ্চশিক্ষায় আসন বেশি থাকায় স্বাভাবিকভাবেই এবার অনেক আসন খালি থাকবে। এতে অনেক উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মুখে পড়বে। তবে প্রশ্ন হলো, উচ্চশিক্ষায় এত আসনের অনুমোদন পরিকল্পিতভাবে দেওয়া হয়েছিল কি না। তাঁর পরামর্শ, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।<br></p>]]></content:encoded></item><item><title>১০টি বিষয় মানলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4nmmny3x60</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4nmmny3x60#comments</comments><guid isPermaLink="false">7b3f39e6-f518-4174-b87a-18a82ede0890</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:08:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:08:16.639Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>গোলটেবিল বৈঠক,সচেতনতা,স্ট্রোক চিকিৎসা,স্বাস্থ্য সুরক্ষা,স্বাস্থ্য,চিকিৎসা,হাসপাতাল</media:keywords><media:content height="4334" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/n0rgetxf/Roundtable-1.JPG" width="6502"><media:title type="html"><![CDATA[ বিশ্ব ষ্ট্রোক দিবস: গোলটেবিল বৈঠকে (বাঁ থেকে) বাহাদুর আলি মিয়া, জাহিদ রায়হান ও মালিহা হাকিম। প্রথম আলোর কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ১ নভেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/n0rgetxf/Roundtable-1.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কারও স্ট্রোক হলে চার ঘণ্টার মধ্যে যদি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে (রিহ্যাবিলিটেশন) বিপুল খরচের বিষয়টি এড়ানো সম্ভব। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে সেভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। তবে ১০টি ফ্যাক্টর বা বিষয় মেনে চলতে পারলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব; কিন্তু ওই ১০টি ফ্যাক্টরের অধিকাংশই বাংলাদেশে বিদ্যমান।</p><p> আজ রোববার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আকিজ মেডিপ্লেক্সের সহযোগিতায় এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল প্রথম আলো।</p><p>বৈঠকে আলোচনায় অংশ নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের (এনআইএনএস) নিউরোলজি বিভাগের সাবেক প্রধান ও সিএমএইচের ভিজিটিং প্রফেসর মালিহা হাকিম বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। তাই সেখানে সবার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের কথা ভাবতে হবে। স্ট্রোক বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন এবং প্রতিরোধ (প্রিভেনশন) হিসেবে প্রাথমিক ঝুঁকিগুলো (প্রাইমারি রিস্ক ফ্যাক্টর) সবাইকে জানানো দরকার। দেশে অঞ্চলভিত্তিক অন্তত একটি করে থ্রম্বোলাইসিস সেন্টার করা প্রয়োজন। সরকার এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিমা চালু করলে কাজটি আরও সহজ হয়। এ ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধিতা কাটানোর জন্য ফিজিও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার প্রয়োজন।</p><p>অধ্যাপক মালিহা হাকিম বলেন, ‘নারীদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের জন্য ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল, গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস, প্রি–একলাম্পসিয়া, একলাম্পসিয়া এবং পোস্ট–মেনোপজাল হরমোনাল থেরাপি, ওবেসিটি ও মেটাবলিক সিন্ড্রোম খুবই গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর। এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তরুণদের মধ্যেও স্ট্রোকের ব্যাপকতা এখন বাড়ছে। তরুণদের মধ্যে অ্যালকোহল ও অ্যাবিউজার যাতে না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। এ জন্য সচেতনতা তৈরি করতে হবে।’</p><p>হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক যে এক বিষয় নয়, এ ব্যাপারেও সচেতনতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মালিহা হাকিম। তিনি বলেন, লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করেই হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোককে আলাদা করা সম্ভব। স্ট্রোকবিষয়ক গবেষণায় বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। গবেষকদের নিজেদের কৃতিত্ব নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করে রোগীর স্বার্থেই একযোগে কাজ করতে হবে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। সরকার প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাইকে পর্যায়ক্রমে ই–হেলথ কার্ড দেওয়া হবে। একটি কার্ডেই রোগীর সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং তার ওপর ভিত্তি করেই চিকিৎসা দেওয়া হবে। এটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে যুক্ত থাকবে। সঠিক রেফারেল ব্যবস্থা, ই-টিকেটিং ও ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে পুরো চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/242otx2n/Roundtable-2.JPG" /><figcaption>গোলটেবিল বৈঠকে অতিথিরা। প্রথম আলোর কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><h3>যে ১০টি বিষয় মানলে ঝুঁকি কমবে

</h3><p>১০টি স্বাস্থ্যবিধি বা বিষয় মানতে পারলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে জানান ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ। তাঁর মতে, ওই ১০টি বিষয় হলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন, অ্যালকোহল পরিহার, সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট করে হাঁটা, অতিরিক্ত ওজন কমানো, স্বাস্থ্যসম্মত সুষম খাবার খাওয়া, মানসিক চাপ (স্ট্রেস) পরিহার এবং হৃদ্‌রোগ থাকলে তার যথাযথ চিকিৎসা করানো।</p><p>এই ১০টি ঝুঁকির অধিকাংশই বাংলাদেশে প্রবলভাবে বিদ্যমান বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক শহীদুল্লাহ। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাসের কারণে অল্প বয়সীদের মধ্যেও স্ট্রোকের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ছে বলে তিনি সতর্ক করেন।</p><h3>স্ট্রোকের ঝুঁকি ও ধরন

</h3><p>স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রসঙ্গে এনআইএনএসের নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, চল্লিশের পর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। তবে বাংলাদেশে জাঙ্ক ফুড গ্রহণের প্রভাবে স্থূলতা দেখা দেওয়ায় তরুণদেরও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে। জাতীয় সমীক্ষা অনুযায়ী, জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে দেশের প্রতি চারজনের একজনের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।</p><p>স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে মাহবুবুল আলম বলেন, এর জন্য উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান ও তামাক সেবন পুরোপুরি বর্জন করা জরুরি। পারিবারিক ইতিহাস যাঁদের আছে, তাঁদেরও ঝুঁকি বেশি। এসব ঝুঁকি শনাক্ত করে কাজ করা গেলে স্ট্রোকের হার বহুলাংশে কমানো সম্ভব।</p><p>হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এক বিষয় নয় উল্লেখ করে এনআইএনএসের সহকারী অধ্যাপক মো. নূর উদ্দিন (রনি) বলেন, ব্রেন অ্যাটাককে হার্ট অ্যাটাক মনে করে বা সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক রোগী প্রথমে হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট বা সাধারণ হাসপাতালে চলে যান। প্রকৃতপক্ষে স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, যা কেবল মস্তিষ্কেই ঘটে; আর হার্ট অ্যাটাক হয় হৃৎপিণ্ডে।</p><p>স্ট্রোকের ধরন তুলে ধরে নূর উদ্দিন বলেন, মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে অথবা মস্তিষ্কের রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে ওই অংশে মস্তিষ্কের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে ক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ দেখা যায়, সেটিই হচ্ছে স্ট্রোক। স্ট্রোক মূলত দুই ধরনের—রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে হয় ইসকেমিক স্ট্রোক আর মস্তিষ্কের রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে হয় হেমোরেজিক স্ট্রোক। মোট স্ট্রোকের দুই-তৃতীয়াংশই ইসকেমিক স্ট্রোক। হেমোরেজিক স্ট্রোক আবার দুই রকম—মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তক্ষরণ হলে হয় ইন্ট্রাসেরিব্রাল হেমোরেজ আর মস্তিষ্কের তিন স্তরের পর্দার ভেতরের দুই স্তরের মাঝখানে রক্তক্ষরণ হলে হয় সাবঅ্যারাকনয়েড হেমোরেজ। সাময়িক রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে উপসর্গ দেখা দেওয়াকে ‘ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি, যা ভবিষ্যতের বড় ধরনের স্ট্রোকের পূর্বাভাস।</p><p>ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজির অধ্যাপক মো. খাইরুল কবির বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেলে ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজির অধ্যাপক হিসেবে থাকলেও আমার কোনো ক্যাপচার নেই, কোনো স্ট্রোক সেন্টার নেই। হাত–পা বেঁধে একটি পদে বসিয়ে দিলে আমি কী করব?’ তিনি আরও বলেন, স্ট্রোকের রোগীর পুনর্বাসনে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। রোগী স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়লে পরিবার চরম বিপাকে পড়ে। দ্রুত সুচিকিৎসার আওতায় আনলে এই ব্যয় ও ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। সরকারি হাসপাতালে থ্রম্বোলাইসিসের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সুবিধা বিনা মূল্যে বা স্বল্প মূল্যে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।</p><h3>রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে

</h3><p>বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান মো. বাহাদুর আলী মিয়া বলেন, হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, শরীর দুর্বল হওয়া বা অবশ বোধ হওয়া, মুখ বাঁকা হওয়া এবং কথা জড়িয়ে যাওয়া স্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত মস্তিষ্কের বিশেষায়িত হাসপাতালে যেতে হবে।</p><p>ইউনিকো হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্ট ইশতিয়াক আহমাদ বলেন, স্ট্রোকের রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে আনা এবং পৌঁছানোর পরপরই কালক্ষেপণ না করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করতে হবে। সরকারি উদ্যোগেই এই বিশেষায়িত চিকিৎসাকে সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসতে হবে।</p><p>এনআইএনএসের নিউরোলজির অধ্যাপক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, জেলা বা প্রান্তিক পর্যায়ে নিউরো চিকিৎসার বিশেষায়িত কোনো প্রতিষ্ঠান না থাকায় রোগীদের এনআইএনএসের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে।</p><p>প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এনআইএনএসের অধ্যাপক শামীম রশীদ। বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান মনিরা আক্তার মনি, স্কয়ার হসপিটালস লিমিটেডের কনসালট্যান্ট মো. ওয়াহিদুর রহমান, এনআইএনএসের সহযোগী অধ্যাপক ইমরান সরকার, ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্ট অধ্যাপক শরীফ উদ্দীন খান, আকিজ মেডিপ্লেক্সের চিফ বিজনেস অফিসার আবু জাফর ইকবাল আহামেদ এবং আকিজ রিসোর্সের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. তৌফিক হাসান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কখনো মনে হয়নি যে অন্য একটা দেশে কাজ করছি: সুস্মিতা চ্যাটার্জি</title><link>https://www.prothomalo.com/video/entertainment/jlo74kv9fd</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/entertainment/jlo74kv9fd#comments</comments><guid isPermaLink="false">5aecd533-0e5c-44fe-afa4-7fb6c8de9a4c</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:08:04 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:08:04.424Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সিনেমা</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/lrvz0oyk/WEB-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/lrvz0oyk/WEB-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Entertainment</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kkhno-mne-hyni-ze-onz-ekta-dese-kaj-krchi-susmita-czatarji</figure>]]></content:encoded></item><item><title>ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন সাবেক শিক্ষক</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/w8ocad8q5l</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/w8ocad8q5l#comments</comments><guid isPermaLink="false">cea1e05d-e7aa-427b-ae84-940a10bf2083</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:06:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:06:23.388Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন সাবেক শিক্ষক
]]></description><media:keywords>বৃদ্ধাশ্রম</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/hdiiuumw/WEB-Recovered-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/hdiiuumw/WEB-Recovered-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/cheler-sngoe-oviman-kre-brriddhasrme-thaken-sabek-sikshk</figure>]]></content:encoded></item><item><title>দুই দিন বৃষ্টি নেই তবু খেলা হচ্ছে না, নাসুমের ৫ উইকেটের দিনে সেঞ্চুরি মেহরবের</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/br2wse08d6</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/br2wse08d6#comments</comments><guid isPermaLink="false">da66dda7-3617-4583-954c-8276cdb446c6</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:03:44 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:03:44.985Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গত দুই দিন কোনো বৃষ্টি নেই রাজশাহীতে। তবু রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বরিশাল–ঢাকা ম্যাচের এখনো টসও হয়নি। আগামীকাল কখন খেলা শুরু হবে সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।]]></description><media:keywords>জাতীয় ক্রিকেট লিগ</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/i3lcb270/b05a35e9-dd52-41c2-a5d4-83db6e62b61e-1.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ৫ উইকেট পেয়েছেন সিলেটের নাসুম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/i3lcb270/b05a35e9-dd52-41c2-a5d4-83db6e62b61e-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গতকাল অপেক্ষায় থাকা সেঞ্চুরিটা আজ পেয়েছেন রাজশাহীর এস এম মেহরব। ৫ উইকেট পেয়েছেন সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদও। মাঠের পারফরম্যান্সের জাতীয় ক্রিকেট লিগে আজকের ঘটনা বলতে এই দুটিই। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও রাজশাহীতে রংপুর ও বরিশালের ম্যাচটা শুরু করা যায়নি।</p><h3>রাজশাহীতে বৃষ্টি নেই, তবু খেলা হচ্ছে না</h3><p>গত দুই দিন কোনো বৃষ্টি নেই রাজশাহীতে। তবু রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বরিশাল–ঢাকা ম্যাচের এখনো টসও হয়নি। আগামীকাল কখন খেলা শুরু হবে সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।</p><p>কেন বল মাঠে গড়ানো যাচ্ছে না জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামের কিউরেটর গোলম রসুল প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, মাটির কারণে বৃষ্টি হলেই কাদা হয়ে যায়। দুই দিন বৃষ্টির পর যে কাদা হয়েছে, তা এখনো শুকানো যাচ্ছে না।</p><p>ক্রিকেটারদের চোটের কথা বিবেচনায় নিয়ে আম্পায়াররা ম্যাচ শুরু করছেন না। আগামীকাল দুপুরের দিকে খেলা শুরু হতে পারে।</p><h3>ফলোঅনে পড়েছে ময়মনসিংহ</h3><p>খুলনার বিপক্ষে ফলোঅনে পড়েছে ময়মনিসংহ। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে নুরুল হাসান ও মোহাম্মদ মিঠুনের সেঞ্চুরিতে ২৮৮ রান করে খুলনা। ময়মনসিংহ ১০৮ রানে অলআউট। ক্র্যাম্প হওয়ায় ১৮ রান করা মোসাদ্দেক হোসেন মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3nxp115z/a91ac707_f89d_4f6c_bc77_37b60a5bb618.jpeg" /><figcaption>সেঞ্চুরি পেয়েছেন রাজশাহীর মেহরব হোসেন</figcaption></figure> <p>দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও ৫৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে ময়নসিংহ। মাহফিজুল ইসলাম ২৫ ও মুনিম শাহরিয়ার শূন্য রান নিয়ে কাল দিন শুরু করবেন।</p><p>কাল ৪ উইকেট পাওয়া ময়মনসিংহের পেসার ইয়াসিন আরাফাত আজ খুলনার প্রথম ইনিংসে আরও দুই উইকেট পেয়েছেন।</p><h3>নাসুমের ৫ উইকেট</h3><p>১ উইকেটে ৬১ রান নিয়ে আজ দিন শুরু করে চট্টগ্রাম। সেই দল অলআউট হয়ে গেছে ২১০ রানেই। কৃতিত্বটা নাসুম আহমেদেরই বেশি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৩তম বার ৫ উইকেট পেয়েছেন সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান এসেছে ওপেনার মাহমুদুল হাসানের ব্যাটে।<br>দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান করেছে সিলেট। ওপেনার জাকির হাসান ৩৫ ও মুবিন আহমেদ ১০ রান করে আউট হয়ে গেছেন।</p><h3>মেহরবের সেঞ্চুরি</h3><p>রংপুরের বিপক্ষে ২৩১ রানে অলআউট হয়ে গেছে রাজশাহী। এই ম্যাচে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন এসএম মেহরব। গতকাল ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। আজ ১০১ রান করে ডানহাতি পেসার মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হয়েছেন। রংপুরের মেহেদী সব মিলিয়ে ৪ উইকেট নেন।</p><p>প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রান করেছে রংপুর। ফিফটি পাওয়া ওপেনার অনিক সরকার ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন, তাঁর সঙ্গী ৪৫ রান করা ইকবাল হোসেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/06oosb6o3h">এমন হারের দায় কি শুধুই নাজমুল–লিটনদের</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>‘মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবেন, নলা নিয়ে বাড়িতে যাইতে পারবেন না’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/g7l4tppo0n</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/g7l4tppo0n#comments</comments><guid isPermaLink="false">fbc5ef64-857e-4ef4-9a12-3b7e1bba4107</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:01:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:01:57.900Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও সদস্য মনোনয়ন এবং নির্বাচিত করার দায়িত্ব সংসদ সদস্যের বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। ]]></description><media:keywords>চট্টগ্রাম বিভাগ,কুমিল্লা,সমাবেশ,সংসদ সদস্য,স্থানীয় সরকার নির্বাচন</media:keywords><media:content height="393" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3fimuwd3/comilla-mp-.jpg" width="837"><media:title type="html"><![CDATA[ কুমিল্লায় নাঙ্গলকোটে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক সমাবেশে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। গতকাল শনিবার দুপুরে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3fimuwd3/comilla-mp-.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও সদস্য মনোনয়ন এবং নির্বাচিত করার দায়িত্ব সংসদ সদস্যের বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার ও চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবেন, নলা (পায়ের নালা) নিয়ে বাড়িতে যাইতে পারবেন না।’</p><p>নাঙ্গলকোটে গতকাল শনিবার দুপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক সমাবেশে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এ কথা বলেন। তাঁর এই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।</p><p>গতকাল দুপুরে নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।</p><p>ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার ও চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবেন, নলা নিয়ে বাড়িতে যাইতে পারবেন না। মেম্বার, চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে এমপি, এটা এমপির দায়িত্ব। মনোনয়ন দিবে এমপি, তবে মনোনয়ন এমপি এককভাবে দিবে না। স্ব স্ব ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কানা-আন্ধা যারে দিব, সেই যোগ্য। কোনো আওয়াজ করা যাবে না, ভাই হেতে অযোগ্য, হেতেরে এমপি সিদ্ধান্ত দিছেন তোমাদেরকে নিয়ে, এটাই তার যোগ্যতা।’</p><aside><cite>মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-১০ আসন </cite>স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে দলীয় সমর্থনের বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল-সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে নির্বাচনী এলাকার দুটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে দল-সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করা হবে। এককভাবে কাউকে মনোনয়ন দেব, এমন কথা বলিনি।</aside><p>বক্তব্যে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারবেন না। দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজ রোববার বিকেলে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘যারা দলের শৃঙ্খলা নষ্ট করে বিদ্রোহী প্রার্থী দেবে বলে নেতা–কর্মীদের উসকানিমূলক কথা বলছেন, তাঁদের উদ্দেশে আমি এই কথা বলেছি। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে দলীয় সমর্থনের বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল-সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে নির্বাচনী এলাকার দুটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে দল-সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করা হবে। এককভাবে কাউকে মনোনয়ন দেব, এমন কথা বলিনি।’</p><p>শনিবারের সমাবেশে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সালেহ আহমদ সালেহ, যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন, জেলা জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি হামিদুল হক ভূঁইয়া, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এক দিনে চাকরি মেলায় ৩৫ হাজার নিবন্ধন, চাকরি পাবেন কতজন</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/36ym2ay0gs</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/36ym2ay0gs#comments</comments><guid isPermaLink="false">403bf47a-e60f-4655-b735-675e7a7c3a44</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:01:26 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:01:26.739Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মেলা,বেকারত্ব,বেসরকারি চাকরি,চাকরিবাকরি,চাকরির খবর,চাকরির পরামর্শ</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/xfz5vv75/2.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ মেলায় চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের ভিড়। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/xfz5vv75/2.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>খবর</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে এ হার ২৫ শতাংশ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এমন পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দিতে রাজধানীতে আয়োজন করা হলো চাকরির মেলা। জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ মেলায় অংশ নিয়েছে ৫৫টি প্রতিষ্ঠান। মেলার আয়োজকদের হিসাবে, আজ বেলা তিনটা পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন অন্তত ৩৫ হাজার চাকরিপ্রার্থী।</p><p>যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ রোববার এ মেলার আয়োজন করা হয়। সকালে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো ২৭২টি পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।</p><p>মেলার সমন্বয়ক ও অনলাইন চাকরির পোর্টাল বিডিজবসের প্রোগ্রাম হেড মোহাম্মদ আলী ফিরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘চাকরিপ্রার্থীরা মেলায় সরাসরি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছেন। কোনো জটিলতা ছাড়াই তাঁরা নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। মেলা চলাকালে প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর তাৎক্ষণিক চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p><strong>কিউআর কোডে সিভি জমা</strong></p><p>মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই সিভি জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করছে। স্টলের সামনে রাখা বড় বিলবোর্ডে রয়েছে কিউআর কোড। চাকরিপ্রার্থীরা মুঠোফোনে কোড স্ক্যান করে অনলাইনে সিভি জমা দিতে পারছেন। এতে কাগজের সিভি নিয়ে ঘোরার প্রয়োজন হচ্ছে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fanjlszo/1.jpeg" /><figcaption>স্টলে রাখা বড় বিলবোর্ডের কিউআর কোড–এ চাকরিপ্রার্থীরা মুঠোফোনে কোড স্ক্যান করে অনলাইনে সিভি জমা দিতে পারছেন। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>মেলায় অংশ নেওয়া সি পি গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ক সামিয়া আক্তার ববি বলেন, ‘আমরা পাঁচ ধরনের পদের বিপরীতে সিভি নিচ্ছি। প্রার্থীরা আমাদের বুথের কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজেই আবেদন করতে পারছেন। মেলা শেষে সিভিগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/303mtcae29">আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর</a></aside><p><strong>সারা বছর এমন মেলার দাবি</strong></p><p>মেলায় আসা চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী রাতিয়া নাহার ও সানজানা রহমান। ২০২৬ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন তাঁরা। চাকরির বাজারে নিজেদের জায়গা খুঁজছেন দুই বন্ধু। আজকের মেলায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিয়েছেন তাঁরা।</p><p>রাতিয়া ও সানজানা বলেন, ‘আমাদের মতো সদ্য পড়াশোনা শেষ করা তরুণদের জন্য এ আয়োজন ভালো উদ্যোগ। তবে এমন মেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে না করে সারা বছর আয়োজন করা উচিত। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত এ ধরনের মেলা হলে চাকরিপ্রার্থীরা আরও বেশি সুযোগ পাবেন।’</p><p>তাঁদের মতে, মেলায় শুধু সিভি জমা নেওয়ার মধ্যে আয়োজন সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকার ও নিয়োগের সুযোগও বাড়ানো দরকার। এতে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতা দুই পক্ষেরই সময় বাঁচবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/aeoo2to2yo">বেসরকারি সংস্থায় বড় নিয়োগ, পদ ১৭৮২</a></aside><p>সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়াতেও এ ধরনের স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালুর কথা বলেন তাঁরা। তাঁদের ভাষ্য, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে আবেদন ও নিয়োগপ্রক্রিয়া আরও সহজ এবং স্বচ্ছ হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/dk339apd/3.jpeg" /><figcaption> যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলার আয়োজন করা হয়</figcaption></figure><p>যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, এ মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মপ্রত্যাশীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। তবে মেলায় আবেদন জমা দেওয়া মানেই চাকরি নিশ্চিত হওয়া নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সিভি যাচাই করে নিজেদের নিয়োগপ্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রার্থী বাছাই করবে। তাই এক দিনের এই আয়োজন শেষ পর্যন্ত কতজনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সন্ধ্যায় সারা দিনের খবর</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/2ap1w6fney</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/2ap1w6fney#comments</comments><guid isPermaLink="false">004fdd5f-59e7-4307-ab34-72c399bb1c1e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:01:14 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:01:14.274Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আলোচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিনভর প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে নানা খবর। চোখ বুলিয়ে নিন সারা দিন প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত আলোচিত পাঁচ খবরে।]]></description><media:keywords>খেলা,বিনোদন,জাতীয়,রাজনীতি,সন্ধ্যার খবর,আন্তর্জাতিক,প্রথম আলো</media:keywords><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শুভসন্ধ্যা। আজ রোববার। রাজনীতি, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, ক্রীড়া, বিনোদনসহ আলোচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিনভর প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে নানা খবর। এর অনেকগুলোই হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। সন্ধ্যার অবসরে চোখ বুলিয়ে নিন সারা দিন প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত আলোচিত পাঁচ খবরে:</p><h3>সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দেখা তরুণী গ্রেপ্তার, ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k4krjh86/Capture.PNG" /><figcaption>নিখোঁজ হওয়ার দিন সিসিটিভি ফুটেজে এই তরুণীকে (১৯) তাহসিফ সাউরির সঙ্গে রাজধানীর একটি এলাকায় দেখা গিয়েছিল </figcaption></figure><p>বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তরুণীকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে নিখোঁজ হওয়ার দিন ওই তরুণীকে (১৯) তাহসিফ সাউরির সঙ্গে রাজধানীর একটি এলাকায় দেখা গিয়েছিল। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/o9jpqqkmsl" target="_blank">বিস্তারিত পড়ুন</a>...</p><h3>পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ch2wyug0/gazipur1.jpg" /><figcaption>শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। রোববার দুপুরে</figcaption></figure><p>ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে ঢাকার সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আজ রোববার বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এমন পরিস্থিতিতে দুই জেলার অন্তত ৮০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hd836ysz6f" target="_blank">বিস্তারিত পড়ুন</a>...</p><h3>পছন্দের দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ইন্দিরা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/x1bpsb0u/Indira-Gandhi-lies.avif" /><figcaption>নয়াদিল্লির তিন মূর্তি ভবনে শায়িত ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মরদেহ। পাশে তাঁর ছেলে রাজীব গান্ধী (বাঁয়ে)। ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দুই শিখ দেহরক্ষীর হাতে নিহত হন। ৩১ অক্টোবর, ১৯৮৪</figcaption></figure><p>দিনটি আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই ছিল। সকাল থেকে চারপাশ রোদ-ঝলমলে। অন্যান্য কর্মব্যস্ত দিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সাড়ে সাতটার মধ্যে তিনি তৈরি হয়ে যান। আলমারি থেকে বেছে নেন কালো পাড়ের গেরুয়া রঙের একটি শাড়ি। দিনের শুরুতেই বিদেশি এক তথ্যচিত্র নির্মাতার সঙ্গে শুটিং আছে। তাই, হয়তো এই শাড়িটি বেছে নিয়েছিলেন। <a href="https://www.prothomalo.com/world/india/gexks8h1w9" target="_blank">বিস্তারিত পড়ুন</a>...</p><h3>৩২৫ রান তাড়া, ৯ বছর পর ট্রফি, আর পাকিস্তানের যত রেকর্ড</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/feeexqjv/782521-01-02.jpg" /><figcaption>কাল সেঞ্চুরি করেছেন ফখর, ছবিতে তাঁর সঙ্গী সাদও পেয়েছেন ফিফটি</figcaption></figure><p>লাহোরে কাল শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতেছে পাকিস্তান। ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জেতার পথে একের পর এক রেকর্ড আর কীর্তি গড়েছে স্বাগতিকেরা। <a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/vtm227o0ok" target="_blank">বিস্তারিত পড়ুন</a>...</p><h3>ক্যানসার ধরা পড়ার পর ১৫ মিনিটেই বিয়ে করেন হিনা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-04/g9e2ztpj/realhinakhan174903956336475306869860496754315071119.jpg" /><figcaption>রকি জয়সোয়ালকে বিয়ে করেন হিনা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>দীর্ঘ ১৩ বছরের বেশি সময় প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন অভিনেত্রী হিনা খান ও রকি জয়সওয়াল। ২০২৫ সালের ৪ জুন বিয়ে করেন তাঁরা। তবে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্তটি ছিল বেশ আকস্মিক। এমনকি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে ১৫ মিনিটও লাগেনি। <a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/rxk8z4s8cl" target="_blank">বিস্তারিত পড়ুন</a>...</p>]]></content:encoded></item><item><title>সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন </title><link>https://www.kishoralo.com/feature/1iwxl7s8o9</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/1iwxl7s8o9#comments</comments><guid isPermaLink="false">65fab54a-6415-4395-974d-e32ce28c7791</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমাদ মুদ্দাসসের</atom:name><atom:uri>/api/author/1848627</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রশ্নটা খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের অনেক স্কুলেই সকাল আটটা বা তার কাছাকাছি সময়ে ক্লাস শুরু হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচিও সাধারণত সকালকে কেন্দ্র করেই সাজানো]]></description><media:keywords>মাথায় কত প্রশ্ন আসে কিআ,আরও কিআ,জানা অজানা কিআ</media:keywords><media:content height="2320" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-14/jklqyp5c/%E0%A7%A7%E0%A7%A8.JPG" width="3472"><media:title type="html"><![CDATA[ শীতের সকালে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে দুই শিক্ষার্থী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-14/jklqyp5c/%E0%A7%A7%E0%A7%A8.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সকাল সাতটা। অ্যালার্ম বাজছে। তোমার মনে হবে, কাঁথাটা টেনে আরেকটু ঘুমিয়ে নেই। একই সময়ে কেউ আবার চোখ খুলেই ভাবছে, আর মাত্র পাঁচ মিনিট! কিন্তু পাঁচ মিনিট করে ঘুমাতে থাকলে তো আর স্কুলে যাওয়া হবে না। তাড়াতাড়ি বিছানা ছেড়ে উঠতে হবে, স্কুলের জন্য তৈরি হতে হবে, নাশতা খেতে হবে। তারপর স্কুলের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে রওনা দিতে হবে। ঘুমঘুম চোখে স্কুলে যাওয়ার এই অভিজ্ঞতা অনেক শিক্ষার্থীরই আছে। ছুটির দিনে যেখানে সকাল আটটা-নয়টা পর্যন্ত ঘুমানো যায়, স্কুলের দিনে সেখানে এত সকালে ওঠার কী দরকার?</p> <p><strong>স্কুলটা আরেকটু দেরিতে শুরু হলে কী এমন ক্ষতি হতো</strong></p><p>প্রশ্নটা খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের অনেক স্কুলেই সকাল আটটা বা তার কাছাকাছি সময়ে ক্লাস শুরু হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচিও সাধারণত সকালকে কেন্দ্র করেই সাজানো। ২০২৬ সালের সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকার বাইরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয় সকাল নয়টায়। ঢাকার বিদ্যালয়গুলোতে শীতকালীন সময়ে সকাল আটটা এবং গ্রীষ্মকালীন সময়ে সকাল সাড়ে সাতটায় কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময়সূচি রয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে একক কোনো সময়সূচি নেই। কোনো স্কুলে সকালে ক্লাস শুরু হয়, আবার কোনো স্কুলে রয়েছে প্রভাতি ও দিবা শাখা। অর্থাৎ স্কুলভেদে সময় আলাদা হলেও দিনের প্রথম ভাগেই পড়াশোনা শুরু করার চল বেশ পরিচিত।</p><p>কিন্তু স্কুলের সময়সূচি এমন কেন? এর পেছনে কি শুধু পড়াশোনার ব্যাপারই আছে? নাকি জড়িয়ে আছে শিক্ষক, অভিভাবক, স্কুলের পরিবহনব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের সারা দিনের নানা কাজের হিসাবও।</p><p><strong>মা-বাবার অফিস আছে না!</strong></p><p>ধরা যাক, একজন অভিভাবককে সকাল নয়টার মধ্যে অফিসে পৌঁছাতে হবে। তাঁর সন্তান পড়ে কাছের একটি স্কুলে। স্কুল শুরু হয় সকাল আটটায়। সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে তারপর অফিসের পথে রওনা দেওয়া তাঁর জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। কিন্তু স্কুল শুরু হয় সকাল ১০টায়, অথচ অফিসে যেতে হবে তার আগেই। তখন সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে। পরিবারের অন্য কেউ সাহায্য না করলে অভিভাবককে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।</p><p>বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের তো আর একা স্কুলে পাঠানো সব সময় সম্ভব হয় না। অনেক শিশুকে মা-বাবা বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্য স্কুলে পৌঁছে দেন। আবার স্কুল ছুটির পর বাসায় ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও থাকে। স্কুলের সময়সূচি তাই অনেক পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।</p><p>আমাদের দেশের শহরগুলোর যানজটের কথাও ভাবতে হবে। বাসা থেকে স্কুলে যেতে যদি আধা ঘণ্টা লাগে, যানজটের কারণে সেটি এক ঘণ্টাও হয়ে যেতে পারে। সময়মতো স্কুলে পৌঁছাতে শিক্ষার্থীকে আরও আগে বাসা থেকে বের হতে হয়। আর এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে অভিভাবককেও দিনের কাজ শুরু করতে হয়। ফলে স্কুলের ক্লাস শুরু হওয়ার সময়টি শুধু শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে ঠিক করা যায় না। পরিবারের অন্য সদস্যদের সময়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/qiaojd20gr">আমেরিকার সব শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার দেবেন ইলন মাস্ক, কীভাবে

</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/01/16/358df85efc012826757f22869b763f39-5c3edbbe6164d.jpg" /><figcaption>দুর্গম হাচৌকপাড়া এলাকার শিশু ওরা। স্কুল অনেক দূরে—দশ থেকে বারো কিলোমিটার তো হবেই। দুর্গম পথে ভরসা কেবল দুখানি পা। হৃদয় মেম্বারপাড়া, মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি</figcaption></figure><p><strong>শিক্ষকদেরও তো স্কুলে যেতে হয়</strong></p><p>স্কুলে গিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরাই পড়াশোনা করে না। শিক্ষকও সেখানে কাজ করতে যান। ক্লাস নেওয়া, খাতা দেখা, পাঠ পরিকল্পনা করা, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন তাঁরা। সব মিলিয়ে শিক্ষকদেরও ব্যস্ত দিন কাটে। স্কুলের নির্ধারিত সময়ে তাঁদের উপস্থিত থাকতে হয়। ক্লাস শুরুর আগে প্রস্তুতি নেওয়ারও প্রয়োজন হতে পারে।</p><p>তাই স্কুলের সময়সূচি এমনভাবে ঠিক করা হয়, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হতে পারেন এবং দিনের কাজ ঠিকঠাক চলে। স্কুল যদি অনেক দেরিতে শুরু হয়, তাহলে ছুটিও দেরিতে হতে পারে। এতে শিক্ষকদের পরের কাজের সময়েও প্রভাব পড়তে পারে।</p><p>তবে শিক্ষকদের কাজের সুবিধার জন্যই যে স্কুল সকালে শুরু করতে হবে, বিষয়টা এমন নয়। শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ, যাতায়াত, পরিবারের সময়সূচি, সবকিছুই বিবেচনায় রাখা দরকার। স্কুলের সময়সূচি ঠিক করার সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, দুই পক্ষের সুবিধাই গুরুত্বপূর্ণ।</p><p><strong>স্কুল ছুটির পরও তো একটা জীবন আছে</strong></p><p>স্কুলে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ হতে পারে স্কুল ছুটির পরের সময়টা। স্কুল থেকে ফিরে অনেক শিক্ষার্থী খেলাধুলা করে, ছবি আঁকে, গান শেখে, বই পড়ে, সাইকেল চালায় কিংবা কোনো বিজ্ঞান বা গণিত ক্লাবের কার্যক্রমে অংশ নেয়। কেউ আবার সাঁতার শেখে, কেউ ফুটবল খেলে, কেউ নাচ বা সংগীতের ক্লাসে যায়। পড়াশোনার বাইরের এসব কাজও শিক্ষার্থীদের বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>স্কুল যদি সকালে শুরু হয়, তাহলে দুপুর বা বিকেলের দিকে ছুটি হওয়ার সুযোগ থাকে। এরপর শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের কাজে সময় দিতে পারে। বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে পারে, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে, কিংবা নতুন কোনো দক্ষতা শেখার চেষ্টা করতে পারে। স্কুলের পড়া শেষ করেই যে দিনের সব কাজ শেষ, তা তো নয়!</p><p>এমনকি স্কুলের হোমওয়ার্ক বা বাড়ির কাজ শেষ করার জন্যও সময় দরকার। স্কুল থেকে ফিরে একটু বিশ্রাম নিয়ে পড়তে বসা, পরদিনের ক্লাসের প্রস্তুতি নেওয়া, এসবের পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজ করার সুযোগ থাকলে দিনটা একঘেয়ে হয়ে ওঠে না। সকালবেলা স্কুল শুরু করার পক্ষে এটি একটি যুক্তি।</p><p>অবশ্য স্কুল দেরিতে শুরু হলেই যে এসব কাজের সময় একেবারে থাকবে না, তা নয়। স্কুলের ছুটির সময়, যাতায়াতে কতক্ষণ লাগছে, বাড়ির কাজের চাপ কেমন, এসবের ওপরও বিষয়টি নির্ভর করে। স্কুল দেরিতে শুরু হলে যেমন সকালে ঘুমানোর বাড়তি সময় পাওয়া যায়, তেমনি ছুটি দেরিতে হলে বিকেলের কিছু কাজের সময় কমেও যেতে পারে। তাই দুই দিকের হিসাবই জরুরি।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/7wx10901fd">টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/12/09/6fbb7ec889d0c0cefe4390a7dcb72e75-5c0cbac2679b1.jpg" /><figcaption>নিয়ম না মেনে স্কুলবাস অতিক্রম করলে চালকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। ছবি: টুইটার</figcaption></figure><p><strong>স্কুলবাস বা পরিবহন</strong></p><p>অনেক স্কুলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাস থাকে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে একই স্কুলবাসকে বিভিন্ন জায়গা থেকে শিক্ষার্থী তুলতে হয়। একেক এলাকায় শিক্ষার্থীদের বাসা, স্কুলের দূরত্ব এবং যানজটের পরিস্থিতি একেক রকম। তাই সবাইকে একই সময়ে স্কুলে পৌঁছাতে হলে বাসের যাত্রাপথও পরিকল্পনা করে নিতে হয়।</p><p>কিছু জায়গায় একই পরিবহনব্যবস্থা একাধিক স্কুল বা বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত হয়। কোথাও প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা সময়ে বাস চালাতে হয়। একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নামিয়ে দিয়ে সেই বাস অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিতে গেলে সময়ের হিসাব মেলাতে হয়। এ কারণে কোনো কোনো এলাকায় বিভিন্ন স্তরের স্কুলের ক্লাস শুরুর সময়েও পার্থক্য থাকে।</p><p>তবে সব স্কুলের ক্ষেত্রে এই কারণ প্রযোজ্য নয়। অনেক শিক্ষার্থী হেঁটে, রিকশায় বা পরিবারের সঙ্গে স্কুলে যায়। কোথাও স্কুলবাসের ব্যবস্থা নেই। অনেকে স্কুল ভ্যানে যায়। সেটা সাধারণত স্কুলের বাইরের কেউ পরিচালনা করে। তাই বাসের সময়সূচি বা স্কুলভ্যানের কারণেও স্কুলের সময় নির্ধারিত হতে পারে।</p> <p><strong>সকালে উঠলেই কি মন বসে পড়ায়</strong></p><p>এতক্ষণে সকালের স্কুলের পক্ষে বেশ কয়েকটি যুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। খুব সকালে স্কুল শুরু হলেই কি শিক্ষার্থীরা বেশি মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারে? নাকি ঘুম থেকে ঠিকমতো না উঠেই ক্লাসে বসে থাকলে পড়াশোনার ক্ষতি হতে পারে?</p><p>এখানে ঘুমের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কিশোর বয়সে শরীরের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণের ছন্দে পরিবর্তন আসে। ফলে অনেক কিশোর-কিশোরীর রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া কঠিন হয়ে যায়। সকালে ঘুম ভাঙতেও তাদের বেশি সময় লাগে। অথচ পরদিন স্কুল থাকলে খুব ভোরে উঠতে হয়। রাতে দেরিতে ঘুমিয়ে সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে উঠতে তাদের ঘুমের ঘাটতি তৈরি হতে পারে।</p><p>আমেরিকান একাডেমি অব স্লিপ মেডিসিনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুমায়। মনোবিজ্ঞানী ও ঘুম নিয়ে গবেষণা করা বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলের ক্লাস শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দিলে কিশোর-কিশোরীদের ঘুমের সময় বাড়তে পারে। এর সঙ্গে ভালো মেজাজ, স্কুলে উপস্থিতি, পড়াশোনার ফলাফল এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার সম্পর্কও পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সকালে স্কুল শুরু করার সুবিধা থাকলেও সময়টা খুব বেশি এগিয়ে আনলে শিক্ষার্থীদের ঘুমের ওপর চাপ পড়তে পারে।</p><p>একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। সকালে ওঠার অভ্যাস তৈরি করা ভালো, কিন্তু তার মানে এই নয় যে কম ঘুমিয়েও প্রতিদিন ঠিকঠাক পড়াশোনা করা সম্ভব। শরীর ও মস্তিষ্কের বিশ্রাম দরকার। শিক্ষার্থী যদি প্রতিদিন ক্লান্ত থাকে, ক্লাসে ঘুম পায় কিংবা পড়ায় মনোযোগ দিতে না পারে, তাহলে শুধু সময়মতো স্কুলে উপস্থিত হওয়াটাই যথেষ্ট নয়।</p> <p><strong>তাহলে স্কুল কখন শুরু হওয়া উচিত</strong></p><p>স্কুল কখন শুরু হবে, তার কোনো একক উত্তর নেই। একটি সময়সূচি অভিভাবকদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের জন্য কঠিন হতে পারে। আবার স্কুল দেরিতে শুরু হলে শিক্ষার্থীরা সকালে বেশি ঘুমানোর সুযোগ পেলেও ছুটির পর খেলাধুলা, কোচিং বা অন্যান্য কাজের সময় কমে যেতে পারে। শহরের যানজট, স্কুলের দূরত্ব, শিক্ষকদের সময়, পরিবহনব্যবস্থা এবং পরিবারের দৈনন্দিন রুটিন, সব মিলিয়েই সময়সূচি ঠিক করতে হয়।</p><p>তবে স্কুলের সময় ঠিক করার সময় শিক্ষার্থীদের বয়স ও ঘুমের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে খুব সকালে ক্লাস শুরু করার প্রয়োজন আছে কি না, তা ভেবে দেখা যেতে পারে। স্কুলের সময় কিছুটা পিছিয়ে দিলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত ঘুমানোর সুযোগ পাবে কি না, আবার স্কুল ছুটির পর তাদের খেলাধুলা ও অন্যান্য কাজের সময় থাকবে কি না, সেটিও হিসাব করা দরকার।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/r3i1z260s3">১৭ বছর বয়সী কিশোরের কোম্পানি মহাকাশের বড় সমস্যার সমাধান করেছে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মায়ের মতো সেজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম</title><link>https://www.prothomalo.com/video/cafelive/tkcsx8f8a6</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/cafelive/tkcsx8f8a6#comments</comments><guid isPermaLink="false">3e60aa06-4d42-4608-bcb8-bf68fd3bc161</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 13:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T13:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মায়ের মতো সেজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম
]]></description><media:keywords>অভিনয় শিল্পী,ক্যাফে লাইভ</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/9r7iq3f5/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/9r7iq3f5/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Cafelive</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>অতিথি:</strong></p><p>আমিনা ইসলাম</p><p>অভিনয়শিল্পী</p><p><strong>সঞ্চালনা:</strong></p><p>নীল হুরেজাহান</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/w3sFmcuA28Q"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>আইজেনকটকে ‘সাহস’ দেখিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের আহ্বান আরব নেতা আহমাদ তিবির</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/6m27c24e6g</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/6m27c24e6g#comments</comments><guid isPermaLink="false">f0a0a5c1-41f4-4ee8-b140-fd14b0d331de</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:58:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:58:48.622Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মধ্যপ্রাচ্য,বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,ইসরায়েল,নির্বাচন</media:keywords><media:content height="788" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/mr7vdo5u/Untitled-2.jpg" width="1400"><media:title type="html"><![CDATA[ ইসরায়েলে ভোটের আগে রাজধানীর তেল আবিবে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা আহমদ তিবি। ৫ অক্টোবর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/mr7vdo5u/Untitled-2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইসরায়েলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটাতে বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকটকে ‘রাজনৈতিক সাহস’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আহমদ তিবি। তিনি ইয়াশার দলের নেতা আইজেনকটকে আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করারও কথা বলেছেন।</p><p> গত শুক্রবার মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিবি বলেন, ‘আমি আশা করি, আইজেনকট যথেষ্ট সাহস দেখিয়ে এগিয়ে যাবেন এবং একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন। এর মধ্য দিয়ে অবিলম্বে নেতানিয়াহুর সরকারের অবসান ঘটবে।’</p><p> তাআল (আরব মুভমেন্ট ফর রিনিউয়াল) পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তিবি আরও বলেন, এবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সহযোগিতা না করার আর কোনো গণতান্ত্রিক যুক্তি নেই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/ww4a2d2qre">ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি</a></aside><p>তিবির দল ‘জয়েন্ট লিস্ট’–এর অংশ। এই জয়েন্ট লিস্টে ফিলিস্তিনি ইসরায়েলিদের নেতৃত্বাধীন আরও দুটি দল রয়েছে। সেগুলো হলো—হাদাশ ও বালাদ। নির্বাচনে এই তিন দল মিলে ১১টি আসন পেয়েছে। ফিলিস্তিনপন্থী আরেক দল রাআম পেয়েছে ৮টি আসন। সব মিলিয়ে পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি দলগুলোর আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯টিতে, যা দেশটির পার্লামেন্টে তাদের জন্য রেকর্ড।</p><blockquote>তিবির দল ‘জয়েন্ট লিস্ট’–এর অংশ। এই জয়েন্ট লিস্টে ফিলিস্তিনি ইসরায়েলিদের নেতৃত্বাধীন আরও দুটি দল রয়েছে। সেগুলো হলো—হাদাশ ও বালাদ। নির্বাচনে এই তিন দল মিলে ১১টি আসন পেয়েছে। ফিলিস্তিনপন্থী আরেক দল রাআম পেয়েছে ৮টি আসন। সব মিলিয়ে পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি দলগুলোর আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯টিতে, যা দেশটির পার্লামেন্টে তাদের জন্য রেকর্ড।</blockquote><p>নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ফিলিস্তিনপন্থী আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া নেতানিয়াহু বা আইজেনকট—কারও নেতৃত্বাধীন জোটই পার্লামেন্টে ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারবে না।</p><p>তিবি বলেন, জয়েন্ট লিস্টের কৌশল হলো, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিকল্প সরকার গঠনের পথ তৈরি করতে যাঁরা আগ্রহী, তাঁদের সমর্থন দেওয়া।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/nl3agybg94">পার্লামেন্টে প্রথম দিনই স্পিকারকে হটাতে একমত আরব দলসহ নেতানিয়াহু  বিরোধীরা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/zu6wrnxv/Gadi-Eisenkot.avif" /><figcaption>দলের সদর দপ্তরে সমর্থকদের সামনে গাদি আইজেনকট। তেল আবিব, ইসরায়েল, ২৮ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>অভিজ্ঞ এই রাজনীতিক জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। এ ধরনের সরকার গঠিত হলে পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় দল নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সঙ্গে বিরোধী দলগুলোও যুক্ত হতে পারে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে এ ধরনের সরকারে বেজালেল স্মোত্রিচ ও ইতামার বেন গভিরের মতো কট্টর ডানপন্থী নেতাদের রাখা হবে না।</p><aside><cite>আহমাদ তিবি, জয়েন্ট লিস্টের নেতা</cite>আমরা আইজেনকটের নেতৃত্বে নতুন সরকার চাই। সেটি হবে সংখ্যালঘু সরকার। এ ধরনের সরকার গঠনে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।</aside><p>তিবিরের মতে, জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করলে নেতানিয়াহুর নীতিগুলোই অব্যাহত থাকবে। শুধু অন্য একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর সেসব নীতিকে পশ্চিমা সরকারগুলোর কাছে আরও গ্রহণযোগ্যভাবে তুলে ধরার দায়িত্ব পড়বে। তিবি বলেন, ‘আমরা জাতীয় ঐক্যের সরকার চাই না। কারণ, এক পক্ষ তার নিষ্ঠুর নীতি অব্যাহত রাখবে, আর অন্য পক্ষ সেই নীতির পক্ষে প্রচার চালিয়ে তা গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সাহায্য করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইজেনকটের নেতৃত্বে নতুন সরকার চাই। সেটি হবে সংখ্যালঘু সরকার। এ ধরনের সরকার গঠনে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/7uvwosnxgt">নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার 
গঠনে আলোচনায় বিরোধীরা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/a8gnlvhr/election.avif" /><figcaption>ইসরায়েলের নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন একজন আরব নারী। ২৭ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি ভোটারদের উপস্থিতির কারণে নেতানিয়াহু এবার আর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেননি বলে মনে করেন তিবি। তিনি ফিলিস্তিনিদের ভোটকে নির্ণায়ক বলে অভিহিত করেন।</p><p>২০২২ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট ৬৪টি আসন পেয়েছিল। মঙ্গলবারের নির্বাচনে তাঁর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বে বিরোধী জোট ৪৮ আসন পেয়েছে। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম ৬১টি আসন প্রয়োজন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/k0tjn7s5sp">আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>জীবনানন্দ দাশের ‘মাল্যবান’ উপন্যাস নিয়ে পাঠচক্র</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/hndq2lq0vv</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/hndq2lq0vv#comments</comments><guid isPermaLink="false">234f24de-e718-44d1-91f3-69588fa544cf</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:57:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:57:54.820Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘মাল্যবান’ একটি ব্যতিক্রমধর্মী মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে রচিত উপন্যাসটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রচলিত কাহিনিনির্ভর উপন্যাসের বাইরে গিয়ে এখানে লেখক মানুষের অন্তর্জগৎ, আবেগ, নিঃসঙ্গতা, দাম্পত্যের টানাপোড়েন ও ব্যক্তিসত্তার সংঘাতকে তুলে ধরেছেন।]]></description><media:keywords>সারাদেশ,বন্ধুসভার পাঠচক্র,চট্টগ্রাম</media:keywords><media:content height="1088" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/g1nhub3v/ctg-bs-book-mallodan.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ চট্টগ্রাম বন্ধুসভার হিরন্ময় কথকতা সিরিজ পাঠচক্রের ৩৬তম পর্ব]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/g1nhub3v/ctg-bs-book-mallodan.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চট্টগ্রাম বন্ধুসভার কক্ষে গত ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে হিরন্ময় কথকতা সিরিজ পাঠচক্রের ৩৬তম পর্ব। এবারের আলোচ্য বই ছিল রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত উপন্যাস ‘মাল্যবান’। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রুমিলা বড়ুয়া।</p><p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘মাল্যবান’ একটি ব্যতিক্রমধর্মী মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে রচিত উপন্যাসটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রচলিত কাহিনিনির্ভর উপন্যাসের বাইরে গিয়ে এখানে লেখক মানুষের অন্তর্জগৎ, আবেগ, নিঃসঙ্গতা, দাম্পত্যের টানাপোড়েন ও ব্যক্তিসত্তার সংঘাতকে তুলে ধরেছেন।</p><p>রুমিলা বড়ুয়া বলেন, ‘উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মাল্যবান ও তার স্ত্রী উৎপলা। তাদের দাম্পত্য জীবনে একসঙ্গে বসবাস থাকলেও মানসিক নৈকট্যের অভাব স্পষ্ট। স্বামী–স্ত্রীর প্রত্যাশা, অনুভূতি ও জীবনবোধের পার্থক্য তাদের সম্পর্ককে ক্রমেই জটিল করে তোলে। মাল্যবানের কাছে ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধন গুরুত্বপূর্ণ হলেও উৎপলার সঙ্গে তার আবেগের দূরত্ব তাকে প্রতিনিয়ত একাকিত্বের দিকে ঠেলে দেয়। আমার পাঠানুভূতিতে মাল্যবান এমন একজন মানুষ, যে ভালোবাসতে জানে, কিন্তু নিজের ভালোবাসার যথাযথ প্রতিদান পায় না। স্ত্রীর অবহেলা ও দূরত্ব অনুভব করেও সে সম্পর্কের ভেতর নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চায়। তার নীরবতা, অভিমান, আত্মসংযম ও সংসারজীবনের প্রতি দায়বদ্ধতা চরিত্রটিকে আরও মানবিক করে তুলেছে।’</p><p>অন্যদিকে উৎপলাকে কেবল অবহেলাকারী স্ত্রী হিসেবে দেখলে চরিত্রটির পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা বোঝা সম্ভব নয়। তার নিজস্ব ব্যক্তিসত্তা, আকাঙ্ক্ষা ও আচরণও উপন্যাসের সম্পর্কের সমীকরণকে প্রভাবিত করে। উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, মাল্যবানের চরিত্রে লেখক নিজের অন্তর্জগতের কিছু অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার ছায়া তুলে ধরেছেন। তবে চরিত্রটিকে সরাসরি লেখকের প্রতিরূপ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। কখনো নীরবতা হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের ভাষা, কখনো ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে অভিমানে, আবার কখনো একই ছাদের নিচে থেকেও দুজন মানুষের দূরত্ব প্রকট হয়ে উঠেছে।</p><p>রুমিলা বড়ুয়া বলেন, ‘আমার কাছে উপন্যাসটির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো এর সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা। প্রায় আট দশক আগে এটি রচিত হলেও দাম্পত্যে অবহেলা, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব, ভালোবাসার অপূর্ণতা এবং মানসিক বিচ্ছিন্নতার যে চিত্র জীবনানন্দ এঁকেছেন, তার সঙ্গে আজকের আধুনিক সংসারজীবনের অনেক বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। দিন শেষে “মাল্যবান” আমাকে একটি বিষয় নতুন করে ভাবিয়েছে; একই সংসারে পাশাপাশি বসবাস করলেই দুজন মানুষ পরস্পরের আপন হয়ে ওঠে না। কখনো কখনো সবচেয়ে কাছের সম্পর্কের মধ্যেই মানুষের সবচেয়ে দীর্ঘ নিঃসঙ্গতার জন্ম হয়।’</p><p>বইটি পড়ার অনুভূতি জানিয়ে বন্ধু ইষ্টি পাল বলেন, ‘লেখকের নানা গল্প–কবিতা আমাদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পাঠ্যবই ছিল। ওনার প্রতিটি কথার পেছনে মিশে আছে বাস্তবিক মায়া, অবহেলার বিষয়বস্তু। আজ পাঠচক্রে লেখকের “মাল্যবান” বইটি নিয়ে আলোচনা শুনে নানা রহস্যঘেরা বাক্য, স্বার্থ ত্যাগসহ আরও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছি।’</p><p>পাঠচক্র শেষে বন্ধুদের নিয়ে কুইজ অনুষ্ঠিত হয়। সবচেয়ে কম সময়ে সঠিক উত্তর দিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বন্ধু প্রত্যয় পাল।</p><p>পাঠচক্রের সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক কামরান চৌধুরী, তাফসিরুল ইসলাম ও তিশমা দাশ। এতে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আফিফ ইব্রাহীম, কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফ উল হক, বন্ধু ইষ্টি পাল, সাকিবুল ইনামসহ অন্য বন্ধুরা।</p><p><em><strong>বন্ধু,</strong></em> চট্টগ্রাম বন্ধুসভা</p>]]></content:encoded></item><item><title>কী আছে অগ্নিকুণ্ড মন্দিরে, কূপের পানিতে কেন আগুন জ্বলে</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/ym2am27o9p</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/ym2am27o9p#comments</comments><guid isPermaLink="false">33923575-85ba-4a94-a7ed-7c2117037112</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:52:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:52:08.519Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আগুন</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/p8tju8ze/WEB-Recovered.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/p8tju8ze/WEB-Recovered.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kee-ache-ognikund-mndire-kuuper-panite-ken-agun-jwle</figure>]]></content:encoded></item><item><title>সাভার ও গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/vlpt0wlzmi</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/vlpt0wlzmi#comments</comments><guid isPermaLink="false">902ca7ac-fb56-48c5-a011-4f91e792c98d</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:51:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:51:12.179Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শ্রমিক,সাভার,গাজীপুর,আন্দোলন,পোশাক শ্রমিক,বিক্ষোভ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/agjqg5cd/BS26.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/agjqg5cd/BS26.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে... </p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/0eq2DwPVNPA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বড় বিপদ ব্ল্যাক কার্বন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/tnoh4ylaai</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/tnoh4ylaai#comments</comments><guid isPermaLink="false">48c6f6d6-dd1c-4046-a5ec-824859461bdc</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:50:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:50:09.896Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে দূষিত শহরের ১৭টিই দক্ষিণ এশিয়ায়। কার্বনের পাশাপাশি ব্ল্যাক কার্বন দূষণের বড় নিয়ামক হয়ে উঠছে।]]></description><media:keywords>কার্বন ডাই-অক্সাইড,বায়ু দূষণ,সেমিনার</media:keywords><category>পরিবেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gvup88ym/seminar.jpeg" /><figcaption>ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য পরিবেশদূষণকারী উপাদান নিয়ে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-নীতিবিষয়ক সেমিনারে বক্তারা। ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভয়াবহ বায়ুদূষণের শিকার। বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে দূষিত শহরের ১৭টিই দক্ষিণ এশিয়ায়। কার্বনের পাশাপাশি ব্ল্যাক কার্বন দূষণের বড় নিয়ামক হয়ে উঠছে। এতে লাখো মানুষের স্বাস্থ্যগত সমস্যা হচ্ছে। পরিবেশদূষণ রোধ করা গেলে শুধু পরিবেশই বাঁচবে না, এতে স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নও নিশ্চিত হবে।</p><p> ব্ল্যাক কার্বন এবং অন্যান্য পরিবেশদূষণকারী উপাদান নিয়ে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-নীতিবিষয়ক এক আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে এ আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম ইউনিভার্সিটি। ক্লিন এয়ার ফান্ডের সহযোগিতায় ছিল এ আয়োজন।</p><p>সেমিনারে প্রধান অতিথি পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশের বিপর্যয় রাতারাতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তবে এ অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা চলছে। কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাঁরা বেহাল পরিবেশ পেয়েছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকারে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, তিন মাসের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। এর মধ্যে ঢাকায় ২৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ওই সরকারের সময়ে মেগা প্রকল্পের সঙ্গে মেগা দুর্নীতি এবং মেগা পরিবেশ বিপর্যয় ঘটেছে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে দুই স্ট্রোক ইঞ্জিনের পরিবর্তে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালু ও পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই পরিবেশবান্ধব কাজ করেছে।</p><p>আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-নীতিবিষয়ক এই আলোচনায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম। তিনি ইন্টারন্যাশনাল গ্লোবাল অ্যাটমসফেরিক কেমিস্ট্রি (আইজিএসি) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের (এইচইআই) গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস ওভারসাইট কমিটির সহসভাপতি। আবদুস সালাম বলেন, বায়ুদূষণ, বিশেষ করে ব্ল্যাক কার্বনের উৎস, পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর এর প্রভাব এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের করণীয় নিয়ে তিনি তাঁর গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।</p><p>আবদুস সালাম বলেন, ব্ল্যাক কার্বনকে এলিমেন্টাল কার্বন বা সুট পার্টিকলও বলা হয়। জীবাশ্ম জ্বালানি, জৈব জ্বালানি ও জৈব পদার্থের অসম্পূর্ণ দহনের ফলে এটি তৈরি হয়। ডিজেলচালিত ইঞ্জিন, শিল্পকারখানা, ইটভাটা এবং খোলা জায়গায় বর্জ্য ও অন্যান্য উপাদান পোড়ানো ব্ল্যাক কার্বনের উল্লেখযোগ্য উৎস।</p><p>ব্ল্যাক কার্বনের প্রভাব তুলে ধরে অধ্যাপক সালাম বলেন, সমপরিমাণ ভরের হিসাবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় ব্ল্যাক কার্বনের উষ্ণায়ন ক্ষমতা ১০০ থেকে ১ হাজার গুণ বেশি। ফলে এর নিঃসরণ কমানো গেলে স্বল্প সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমানোর ক্ষেত্রে দ্রুত সুফল পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, বাতাসের সঙ্গে ব্ল্যাক কার্বনের কণা হিমালয়ের বরফ, হিমবাহ ও তুষারস্তরে জমা হয়। এতে বরফের উপরিভাগ কালচে হয়ে সূর্যের আলো বেশি শোষণ করে। ফলে বরফ দ্রুত গলে যায়। এর প্রভাব পড়ে লাখো মানুষের মিঠাপানির সরবরাহের ওপর। বায়ুমণ্ডলে ব্ল্যাক কার্বনের কারণে সৃষ্ট তাপ আঞ্চলিক জলচক্র, মেঘ সৃষ্টি ও মৌসুমি বায়ুর ধরনেও পরিবর্তন ঘটাতে পারে।</p><p>স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে অধ্যাপক সালাম বলেন, ব্ল্যাক কার্বন পিএম ২.৫-এর অন্যতম উপাদান। এর সূক্ষ্ম কণা শ্বাসতন্ত্রের গভীরে এবং রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে। ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এর উচ্চ ঘনত্ব শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্‌রোগ ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।</p><p>ঢাকার বায়ুদূষণের উৎস হিসেবে অধ্যাপক সালাম যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজ, সড়কের ধুলা, ঘরের রান্নার ধোঁয়া, ইটভাটা, বর্জ্য পোড়ানো, শিল্পকারখানা এবং আন্তসীমান্ত দূষণের কথা উল্লেখ করেন।</p><p>শীতকালে আন্তসীমান্ত দূষণের বিষয়টি তুলে ধরে অধ্যাপক সালাম বলেন, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চল থেকে দূষিত বায়ু বাংলাদেশ অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরের দিকে যায়। এ সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে পিএম ২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত পৌঁছায়। অর্থাৎ বাংলাদেশের বায়ুদূষণের পেছনে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎসের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা দূষণেরও বড় ভূমিকা রয়েছে।</p><p>তবে দূষণ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের একটি সাফল্যের উদাহরণও তুলে ধরেন অধ্যাপক সালাম। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন নিষিদ্ধ করার পর ব্ল্যাক কার্বনের ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৪০ মাইক্রোগ্রাম থেকে কমে বর্তমানে ৬ থেকে ১২ মাইক্রোগ্রামে নেমে এসেছে। দূষণ কমাতে তিনি যানবাহন ও শিল্পকারখানার নিঃসরণ মানদণ্ড কার্যকর করা, পুরোনো ও অনুপযোগী যানবাহন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও গণপরিবহন বাড়ানো, নির্মাণকাজের ধুলা নিয়ন্ত্রণ এবং খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো বন্ধের সুপারিশ করেন। পাশাপাশি ইটভাটায় পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়মিত বায়ুমান পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।</p><p>অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওয়ার গুসপাফসন বলেন, ব্ল্যাক কার্বন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে দূষিত শহরের ১৭টিই এ অঞ্চলে।</p><p>সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এসডিজিবিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল, ঢাকায় সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাম উইকস, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মোতালিব, মালদ্বীপের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আহমেদ মুসলিম, ভারতের ইনস্টিটিউট ফর গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলী রেজা এবং ভারতের ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের বিজ্ঞানী কৃষ্ণকান্ত বুদ্ধভান্ত।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কোয়ান্টাম জগৎ: যেখানে লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের চাবিকাঠি</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/acelgly87r</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/acelgly87r#comments</comments><guid isPermaLink="false">a3ce15d1-fbe7-4ace-a94f-8af16a4d6f36</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:35:45 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:35:45.739Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আবুল বাসার</atom:name><atom:uri>/api/author/1258737</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ফিচার বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="1648" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/hcot6921/00.png" width="2944"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/hcot6921/00.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <p>একটি বল ছুড়ে দিলে সেটি কোথায় গিয়ে পড়বে, সুইচ দিলে ঘর কীভাবে আলোকিত হবে কিংবা কোনো দেয়াল টপকাতে হলে কতটা শক্তি দরকার—এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা মোটামুটি জানি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চেনা জগৎ চলে খুব পরিচিত কিছু নিয়ম মেনেই। কিন্তু বস্তুকে যদি ক্রমাগত ছোট করতে করতে একদম পরমাণু ও ইলেকট্রনের জগতে পৌঁছে যাওয়া যায়, তখন?</p><p>সেখানে দেখা যায়, প্রকৃতি যেন তার চেনা নিয়মগুলোই নতুন করে লিখেছে! ক্ষুদ্র কণিকারা কখনো কণার মতো, আবার কখনো তরঙ্গের মতো আচরণ করে। তারা এমন সব বাধাও পেরিয়ে যেতে পারে, যা টপকানোর মতো যথেষ্ট শক্তি তাদের নেই। কখনো তাদের অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় না, আবার কখনো একটি কণার সঙ্গে বহুদূরে থাকা আরেকটি কণার এমন এক অদ্ভুত সম্পর্ক দেখা যায়, যা আমাদের সাধারণ বুদ্ধিতে ধরা সত্যিই কঠিন। এমনকি যে স্থানকে আমরা পুরোপুরি ফাঁকা বলে মনে করি, সেখানেও লুকিয়ে আছে বিচিত্র সব কোয়ান্টাম ঘটনা!</p><p>শুনতে যেন কল্পবিজ্ঞানের গল্প মনে হচ্ছে, তাই না? অথচ এগুলো নিছক কল্পনা নয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়া এগুলো একেকটি বাস্তব ঘটনা, যেগুলো বুঝতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের বদলে ফেলতে হয়েছে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাঁদের বহু পুরোনো ধারণা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/qfw27qjg4u">কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অদ্ভুত জগৎ</a></aside><blockquote>ক্ষুদ্র কণিকারা কখনো কণার মতো, আবার কখনো তরঙ্গের মতো আচরণ করে। তারা এমন সব বাধাও পেরিয়ে যেতে পারে, যা টপকানোর মতো যথেষ্ট শক্তি তাদের নেই।</blockquote><p>এই রহস্যময় জগতের নাম কোয়ান্টাম জগৎ। এর নিয়মগুলো বুঝতে পারলে শুধু প্রকৃতির গভীর রহস্যই উন্মোচিত হয় না, খুলে যায় ভবিষ্যতের প্রযুক্তির দরজাও। কোয়ান্টাম কম্পিউটার থেকে শুরু করে অতিপরিবাহী পদার্থ—আমাদের পরিচিত পৃথিবীর অনেক বিস্ময়কর প্রযুক্তির পেছনেও রয়েছে এই জগতের অদ্ভুত সব আচরণ।</p><p>তাহলে কোয়ান্টাম জগতের এমন কী কী বৈশিষ্ট্য আছে, যা তাকে আমাদের চেনা জগৎ থেকে একেবারে আলাদা করে দেয়? একে একে পরিচিত হওয়া যাক সেই বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্যগুলোর সঙ্গে। প্রতিটি পর্বে খুলবে নতুন একটি দরজা, আর তার ওপারে অপেক্ষা করবে প্রকৃতির এমন এক রহস্য, যা হয়তো তোমার চেনা বাস্তবতা সম্পর্কেই তোমাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/tb94bwacdh">কোয়ান্টাম জগৎ কি আসলেই অদৃশ্য</a></aside><blockquote>চিরায়ত জগতে কোনো বস্তুর গতি বোঝাতে যেসব ভৌত রাশি ব্যবহার করা হয়—যেমন তার অবস্থান, ভরবেগ ও শক্তি—সেগুলো সাধারণত অবিচ্ছিন্নভাবে বা ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়।</blockquote><h2><strong>কোয়ান্টাম জগৎ কণিকাময়</strong></h2><p>কোয়ান্টাম নামের মধ্যেই-বা কী আছে? আসলে কোয়ান্টাম শব্দটি এসেছে লাতিন কোয়ান্টাস শব্দ থেকে। এর অর্থ কতটা বা কতটুকু। প্রাচীন রোমে এক টুকরো রুটির দাম জানতে শব্দটি কাজে লাগত—এমনটা ভাবতে মজাই লাগে! তবে কোয়ান্টাম শব্দটি আসলে আরও গভীর একটি বিষয়ের ইঙ্গিত দেয়।</p><p>কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো, কিছু ভৌত রাশি আলাদা আলাদা নির্দিষ্ট পরিমাণে বা খণ্ডে পাওয়া যায়। সেগুলোকে ইচ্ছেমতো ছোট করা যায় না। একটি কোয়ান্টাম মানে কোনো কিছুর ক্ষুদ্রতম পরিমাণ। এর চেয়ে আর ছোট অংশে তাকে ভাগ করা যায় না। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের নামের পেছনে এই ধারণাটি কীভাবে এল, সে কথায় আমরা একটু পরেই ফিরে আসব।</p><p>এবার ‘পার্থক্য খোঁজার’ খেলায় নামার আগে একটু ভেবে দেখি, আমাদের পরিচিত জগতে জিনিসপত্র কীভাবে আচরণ করে। চিরায়ত জগতে কোনো বস্তুর গতি বোঝাতে যেসব ভৌত রাশি ব্যবহার করা হয়—যেমন তার অবস্থান, ভরবেগ ও শক্তি—সেগুলো সাধারণত অবিচ্ছিন্নভাবে বা ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়। এ কথার মানে হলো, এক মান থেকে আরেক মানে যেতে হলে তাদের মাঝখানে আরও অসংখ্য মান থাকতে পারে।</p><p>ধরো, এক স্কেটবোর্ডার স্কেট পার্কের ঢেউখেলানো একটি বাটির মতো অংশে সামনে-পেছনে স্কেট করছে। বাটির একেবারে ওপরের কিনারায় যখন সে প্রায় ঝুলে থাকে, তখন তার গতি শূন্যের কাছাকাছি। সেখান থেকে সে নিচের দিকে নামতে থাকলে তার গতি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। একেবারে নিচে পৌঁছে সে সর্বোচ্চ গতিতে চলে। এখানে তার গতিকে কয়েকটি নির্দিষ্ট মানের মধ্যে আটকে রাখার মতো কোনো নিয়ম নেই। সে চাইলে ধীরে ধীরে, একটু দ্রুত কিংবা আরও দ্রুত—যেকোনো গতিতে চলতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4dm0codddv">কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি কেন প্রয়োজন</a></aside><blockquote>কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো, কিছু ভৌত রাশি আলাদা আলাদা নির্দিষ্ট পরিমাণে বা খণ্ডে পাওয়া যায়। সেগুলোকে ইচ্ছেমতো ছোট করা যায় না।</blockquote><p>তুমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে পারো, কারণ সে খুব স্বাভাবিকভাবে সামনে-পেছনে মসৃণভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার চলাফেরায় হঠাৎ কোনো অদ্ভুত ঝাঁকুনি নেই। নেই কোনো নির্দিষ্ট ধাপে আটকে যাওয়ার ব্যাপার। চিরায়ত জগতে এটাই স্বাভাবিক।</p><p>কিন্তু কোয়ান্টাম জগতে ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা।</p><p>কোয়ান্টাম জগতে সবকিছুর আচরণ বেশ অন্য রকম। অতি ক্ষুদ্র পরিসরে জগৎ আর মসৃণ নয়, বরং খানাখন্দে ভরা। মানে হলো, সে জগৎ দানাদার বা কণিকাময়। কোয়ান্টাম কণার গতি বোঝাতে যেসব রাশি ব্যবহার করা হয়, সেগুলো ইচ্ছেমতো যেকোনো মান নিতে পারে না। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম তাদের বাধ্য করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু মান নিতে। অর্থাৎ, তারা একটানা নয়, আলাদা আলাদা খণ্ডে বা ধাপে ধাপে থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/65wwu79w/8.png" /><figcaption>ছবি ৮: আমাদের চোখে পদার্থকে একটানা মনে হলেও, কোয়ান্টাম জগৎ গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্ষুদ্র, বিচ্ছিন্ন কণা দিয়ে। যেন প্রকৃতি সবকিছু তৈরি করেছে অতি ক্ষুদ্র দানা দিয়ে—এটাই কোয়ান্টাম জগতের দানাদার বৈশিষ্ট্যের এক ঝলক</figcaption></figure><p>বিষয়টা একটু অন্যভাবে ভাবা যাক। বিশাল মরুভূমিতে দূর থেকে তাকালে বালুর ঢিবিগুলোকে মনে হয় যেন একটানা ঢেউখেলানো বালুর সমুদ্র। অথচ কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, সেই ঢিবিগুলো আসলে অসংখ্য আলাদা বালুকণা দিয়ে তৈরি। আমাদের জগৎটাও অনেকটা তেমন। বড় পরিসরে সবকিছু মসৃণ ও ধারাবাহিক বলে মনে হলেও, একেবারে ক্ষুদ্রতম স্তরে গিয়ে দেখা যায়, প্রকৃতি আসলে আলাদা আলাদা ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4wmywedo44">কোয়ান্টাম কণাদের পথ পাড়ি দিতে কি সময় লাগে না</a></aside><blockquote>কোয়ান্টাম কণার গতি বোঝাতে যেসব রাশি ব্যবহার করা হয়, সেগুলো ইচ্ছেমতো যেকোনো মান নিতে পারে না। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম তাদের বাধ্য করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু মান নিতে।</blockquote><p>বাস্তবতার এই বৈশিষ্ট্যটি প্রথম আবিষ্কার করেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক। আগেই বলেছি, ১৯০০ সালে কৃষ্ণবস্তুর তাপীয় বিকিরণ নিয়ে বহুল আলোচিত একটি অমীমাংসিত রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে তিনি এই ধারণার মুখোমুখি হন।</p><p>গরম কোনো বস্তু—যেমন আমাদের সূর্য—কেন আলো বা বিকিরণ ছড়ায়, তা ব্যাখ্যা করতে তখনকার চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান বেশ বিপদে পড়েছিল। এই বিকিরণকে বলা হয় কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ বা ব্ল্যাকবডি রেডিয়েশন। তখন ধারণা করা হতো, কোনো গরম বস্তু বিদ্যুৎচুম্বকীয় বর্ণালির সব তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা সব রঙেই বিকিরণ ছড়ায়। সেই বিকিরণ ছড়ানোর ধরন হওয়ার কথা ছিল একেবারে মসৃণ ও ধারাবাহিক। অর্থাৎ অবিচ্ছিন্ন।</p><p>কিন্তু চিরায়ত তত্ত্বে পাওয়া ব্যাখ্যায় একটা বিশাল সমস্যা ছিল। সমস্যাটা এতই বড় যে পরে এর নামই হয়ে গেল ‘অতিবেগুনি বিপর্যয়’ বা আলট্রাভায়োলেট ক্যাটাস্ট্রফি। পদার্থবিজ্ঞানীরা অবশ্য নাটকীয় নাম দিতে বেশ পছন্দ করেন! সে জন্য পদার্থবিদদের দোষও দেওয়া যায় না। কারণ চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের হিসাব বলছিল, তাপীয় সাম্যাবস্থায় থাকা একটি আদর্শ কৃষ্ণবস্তু থেকে নিঃসৃত শক্তির বর্ণালির অতিবেগুনি প্রান্তে যেতে যেতে অবিশ্বাস্যভাবে বাড়তে থাকবে। শেষ পর্যন্ত সেইশক্তির পরিমাণ অসীমে গিয়ে ঠেকবে!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/ss975jwam6">কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় সবকিছুই কি অনিশ্চিত</a></aside><blockquote>তখন ধারণা করা হতো, কোনো গরম বস্তু বিদ্যুৎচুম্বকীয় বর্ণালির সব তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা সব রঙেই বিকিরণ ছড়ায়। সেই বিকিরণ ছড়ানোর ধরন হওয়ার কথা ছিল একেবারে মসৃণ ও ধারাবাহিক। অর্থাৎ অবিচ্ছিন্ন।</blockquote><p>কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের সূর্য অতিবেগুনি রশ্মি হিসেবে অসীম পরিমাণ শক্তি ছড়াচ্ছে না। তাই-ই যদি হতো, তাহলে মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যেত সবকিছু। তোমাকে কোনো সানস্ক্রিনই বাঁচাতে পারত না! আবার চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মমতো তোমার ঘরের উনুন বা একটা গরম লোহার টুকরো থেকে যদি অসীম পরিমাণ শক্তি বা আলো বের হতে শুরু করে, তাহলে তো মুহূর্তের মধ্যে পুরো পৃথিবী জ্বলেপুড়ে ছারখার হয়ে যাওয়ার উচিত! তুমি-আমি তো দূরের কথা, আস্ত মহাবিশ্বটাই এক পলকে উবে যাওয়ার কথা।</p><p>কিন্তু বাস্তবে কি তা হয়? কখনোই না! একটা গরম চুল্লি থেকে ঠিক যতটুকু তাপ বা আলো বের হওয়ার কথা, ঠিক ততটুকুই বের হয়—পৃথিবীও দিব্যি টিকে আছে। তাহলে রহস্যটা কী?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k7piry7b/9.jpg" /><figcaption>ছবি ৯: কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণসংক্রান্ত একটি অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে ১৯০০ সালে নতুন এক পদার্থবিজ্ঞান—কোয়ান্টাম তত্ত্বের জন্ম দেন জার্মান পদার্থবিদ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক</figcaption></figure><p>বিজ্ঞানীদের খাতার কলমের সুন্দর হিসাব আর বাস্তব জগতের এই বিশাল অমিল দেখে পদার্থবিদদের মাথায় হাত পড়ে গেল। তাই তাত্ত্বিক হিসাব আর বাস্তবতার এই চরম সংঘাত বা বিপর্যয়কেই বিজ্ঞানীরা নাম দিলেন অতিবেগুনি বিপর্যয়!</p><p>এই বিপর্যয় থেকে পদার্থবিজ্ঞান বাঁচাতে এগিয়ে এলেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক। তিনি একটা সমাধান নিয়ে হাজির হলেন। তাঁর সমাধানটা ছিল চমৎকার এবং বেশ সাহসী। তিনি ধরে নিলেন, বিদ্যুৎচুম্বকীয় বিকিরণ ইচ্ছেমতো যেকোনো পরিমাণে শোষিত বা নিঃসৃত হতে পারে না। তা কেবল শোষিত বা নিঃসৃত হতে পারে নির্দিষ্ট আকারের ছোট ছোট প্যাকেট বা কোয়ান্টা হিসেবে। আর প্রতিটি প্যাকেটের শক্তি নির্ভর করবে নিঃসৃত আলোর কম্পাঙ্কের ওপর। প্ল্যাঙ্কের হিসাবে, কম্পাঙ্ক যত বেশি, প্রতিটি প্যাকেটের শক্তিও তত বেশি</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/rrs02oirc9">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেউ বোঝে না, বিজ্ঞানীরাও নয়!</a></aside><blockquote>ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক একটা সমাধান নিয়ে হাজির হলেন। তাঁর সমাধানটা ছিল চমৎকার এবং বেশ সাহসী। তিনি ধরে নিলেন, বিদ্যুৎচুম্বকীয় বিকিরণ ইচ্ছেমতো যেকোনো পরিমাণে শোষিত বা নিঃসৃত হতে পারে না।</blockquote><p>সেই সময় আলোর এই খণ্ডিত বা কোয়ান্টায়িত হওয়ার ধারণাটি ছিল ভীষণ বিতর্কিত। কারণ, কোনো ভৌত রাশি যে কেবল নির্দিষ্ট কিছু খণ্ডে থাকতে পারে—এমন ধারণার পক্ষে তখন কোনো যুক্তিই ছিল না। ব্যাপারটা অনেকটা এমন, যেন কেউ বলছে—একটি কল খুললে তা দিয়ে শুধু পুরো গ্লাস পানি ভরা যাবে, তার চেয়ে কম পানি নয়! কিন্তু এই অদ্ভুত ধারণাটিই প্ল্যাঙ্ককে কৃষ্ণবস্তু থেকে নির্গত বিকিরণের সঠিক বণ্টন বের করতে সাহায্য করল। মানে, কোনো গরম বস্তু কোন রঙে কতটা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলবে, তার সঠিক হিসাব তিনি করতে পারলেন।</p><p>শক্তি বা আলোকে গুচ্ছ গুচ্ছ কোয়ান্টায় ভাগ করার ধারণার মাধ্যমে অতিবেগুনি বিপর্যয়ের সমাধান করলেন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক। সেই সঙ্গে ঘটল এর চেয়েও বড় কিছু ব্যাপার। কারণ, এর মাধ্যমে তিনি বিজ্ঞানীদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এত দিনের চিরায়ত সূত্রগুলো পুরো ছবিটা তুলে ধরতে পারছে না। এত দিন পর্যন্ত মহাবিশ্বকে বেশ যুক্তিসংগত ও নিয়মমাফিক বলেই মনে হচ্ছিল। হঠাৎ তার ভেতরের প্রথম আভাস পাওয়া গেল একেবারেই অন্য রকম প্রকৃতির। এভাবে কোয়ান্টাম জগতের আসল চেহারাটা প্রথমবারের মতো একটু একটু করে প্রকাশ পেতে শুরু করল। আর বিজ্ঞানের জগৎও এরপর আর কখনো আগের মতো রইল না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/6d299vc8tn">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেন বলে অতীত সত্যি নয়</a></aside><blockquote>কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াস ঘিরে ঘুরতে থাকা ইলেকট্রনও ইচ্ছেমতো যেকোনো শক্তি নিয়ে থাকতে পারে না। তাদের শক্তি কেবল নির্দিষ্ট কিছু স্তরেই থাকতে পারে।</blockquote><p>১৯০৫ সালে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি দেখালেন, কোয়ান্টায়িত হওয়া শুধু একটি সুন্দর গাণিতিক কৌশল নয়, বরং আলো সত্যিসত্যিই নির্দিষ্ট ছোট ছোট প্যাকেট হিসেবে শোষিত ও নিঃসৃত হয়। তিনি আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্টের মাধ্যমে তা প্রমাণ করেন। এই ঘটনায় আলো কোনো ধাতুর পৃষ্ঠে পড়লে সেখান থেকে ইলেকট্রন বেরিয়ে আসে। চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান দিয়ে এই ঘটনা কোনোভাবেই ব্যাখ্যা করা যাচ্ছিল না। কিন্তু আইনস্টাইন দেখালেন, এই ঘটনা ঘটতে হলে আলোকে অবশ্যই আলাদা আলাদা শক্তির কোয়ান্টা হিসেবে ধাতুর ওপর এসে পড়তে হবে। আলোর এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটগুলোকে এখন বলা হয় ফোটন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/xzo9gbox/10.jfif" /><figcaption>ছবি ১০: আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্টের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করেন আইনস্টাইন</figcaption></figure><p>পরমাণুর গোটা জগৎজুড়েই ছড়িয়ে আছে এই কণিকাময় বা দানাদার কোয়ান্টাম রূপ। শুধু আলোই যে নির্দিষ্ট প্যাকেট বা ফোটন হিসেবে নিঃসৃত ও শোষিত হয়, তা নয়; বরং পদার্থ ও বৈদ্যুতিক চার্জও কোয়ান্টায়িত। পদার্থ তৈরি হয়েছে অবিভাজ্য কণা দিয়ে। যেমন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে কোয়ার্ক রয়েছে। সেই কোয়ার্কগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখে গ্লুয়ন।</p><p>বৈদ্যুতিক চার্জ বা আধানের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। আধান কেবল ইলেকট্রনের আধানের পূর্ণসংখ্যা গুণ হিসেবে থাকতে পারে। তুমি একটি ইলেকট্রনকে টুকরো টুকরো করে এমন ছোট ছোট অংশে ভাগ করতে পারবে না, যেগুলোর প্রতিটির চার্জ হবে ইলেকট্রনের আধানের ভগ্নাংশ।</p><p>শুধু তা-ই নয়, কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াস ঘিরে ঘুরতে থাকা ইলেকট্রনও ইচ্ছেমতো যেকোনো শক্তি নিয়ে থাকতে পারে না। তাদের শক্তি কেবল নির্দিষ্ট কিছু স্তরেই থাকতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/quantum-tunneling">কোয়ান্টাম টানেলিং কীভাবে হয়?</a></aside><blockquote>পদার্থ তৈরি হয়েছে অবিভাজ্য কণা দিয়ে। যেমন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে কোয়ার্ক রয়েছে। সেই কোয়ার্কগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখে গ্লুয়ন।</blockquote><p>এই বিষয়টি প্রথম জানা যায় ১৯১৩ সালে। সে বছর ডেনমার্কের পদার্থবিদ ও দার্শনিক নীলস বোর পরমাণুর জন্য তাঁর বিখ্যাত সৌর মডেল বা প্ল্যানেটারি মডেল প্রকাশ করেন। বোরের এই মডেলে নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ইলেকট্রন কেবল নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথ বা কোয়ান্টাম শক্তিস্তরে থাকতে পারে। ব্যাপারটা অনেকটা অদ্ভুত এক সৌরজগতের মতো। সেখানে গ্রহগুলো কেন্দ্রীয় নক্ষত্রকে ঘিরে যেকোনো দূরত্বে ঘুরতে পারে না। তাদের জন্য শুধু নির্দিষ্ট কিছু দূরত্বই অনুমোদিত। বোরের মডেল সেই সময়ের পরমাণু সম্পর্কে সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারণাকে অনেকটাই ছাড়িয়ে গেল। সেই ধারণাটি ছিল রাদারফোর্ডের মডেল।</p><p>১৯১১ সালে এই মডেল প্রস্তাব করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ আর্নেস্ট রাদারফোর্ড। তাঁর মডেলে পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসকে ঘিরে যেকোনো কক্ষপথে ঘুরতে পারত। অনেকটা আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর মতো। কিন্তু রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলে বেশ বড়সড় এক সমস্যা ছিল। সেটি উপেক্ষা করা কঠিন। এই মডেল অনুযায়ী সব পরমাণু খুবই অস্থিতিশীল হওয়ার কথা। এমনকি তাদের অস্তিত্বই থাকার কথা নয়! কারণ চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো চার্জিত কণা যদি বৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকে, তাহলে তাকে বিদ্যুৎচুম্বকীয় বিকিরণ ছড়াতেই হবে। আর বিকিরণ ছড়াতে ছড়াতে সে শক্তি হারাতে থাকবে। তাহলে রাদারফোর্ডের চিরায়ত পরমাণু মডেল অনুযায়ী কী হওয়ার কথা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/7h579bn9yo">কোয়ান্টাম ডিকোহেরেন্স : নিশ্চয়তা আর অনিশ্চয়তার দ্বন্দ্ব</a></aside><blockquote>রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলে বেশ বড়সড় এক সমস্যা ছিল। সেটি উপেক্ষা করা কঠিন। এই মডেল অনুযায়ী সব পরমাণু খুবই অস্থিতিশীল হওয়ার কথা। এমনকি তাদের অস্তিত্বই থাকার কথা নয়!</blockquote><p>নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকা ইলেকট্রনগুলো অবিরাম ফোটন হিসেবে বিকিরণ ছড়াবে। ফলে ক্রমাগত শক্তি হারাতে থাকবে ইলেকট্রনগুলো। আর শক্তি হারাতে হারাতে সেগুলো সর্পিল পথে নিউক্লিয়াসের দিকে এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে ইলেকট্রনগুলো কমতে থাকা শক্তির ফোটনের একটি ধারাবাহিক বর্ণালিও ছড়াবে। কিন্তু আমরা চারপাশে যা দেখি, তার সঙ্গে এই ছবির কোনো মিল নেই। ইলেকট্রন নিজের ইচ্ছেমতো যেকোনো চিরায়ত কক্ষপথ বেছে নিতে পারে না। যদি পারত, তাহলে মহাবিশ্বের সব পরমাণু ধসে পড়ত চোখের পলকে! আর পরমাণুই যদি না থাকে, তাহলে আকাশ-বাতাস, পাহাড়-পর্বত, সাগর-মহাসাগর কিংবা আমি-তুমিসহ এই মহাবিশ্বের অস্তিত্ব থাকে কীভাবে!</p><p>পরমাণু সম্পর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও জানা ছিল। কোনো পরমাণু ইচ্ছেমতো যেকোনো শক্তির আলো শোষণ বা নিঃসরণ করতে পারে না। তারা কেবল নির্দিষ্ট কিছু শক্তির ফোটন শোষণ বা নির্গত করতে পারে। এ কারণেই তাদের শোষণ ও নিঃসরণ বর্ণালিতে আলোর নির্দিষ্ট কিছু রেখা বা ব্যান্ড দেখা যায়। সেখানে আলো নির্দিষ্ট কিছু কম্পাঙ্কে থাকে। চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের পূর্বাভাস অনুযায়ী যে একটানা বর্ণালি থাকার কথা, তা দেখা যায় না।</p><p>বোরের মডেল পদার্থবিজ্ঞানের জন্য ছিল এক বড় সাফল্য। কারণ, এটি এমন একটি রহস্যের সমাধান করেছিল, যা কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছিল। হাইড্রোজেন গ্যাসের মধ্য দিয়ে যখন বৈদ্যুতিক প্রবাহ চালানো হতো, তখন তা দৃশ্যমান আলোর বর্ণালিতে মাত্র চারটি নির্দিষ্ট রঙে জ্বলত। আমাদের মনে থাকা রংধনুর মতো একটানা সাত রঙের বর্ণালি সেখানে দেখা যেত না। রংধনুর রংগুলো একটির পর একটি মসৃণভাবে বদলে যায়, হাইড্রোজেনের আলো তেমন ছিল না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/munon7f22m">কোয়ান্টাম মেকানিকস নিয়ে ৭টি ভুল ধারণা</a></aside><blockquote>কোনো পরমাণু ইচ্ছেমতো যেকোনো শক্তির আলো শোষণ বা নিঃসরণ করতে পারে না। তারা কেবল নির্দিষ্ট কিছু শক্তির ফোটন শোষণ বা নির্গত করতে পারে।</blockquote><p>বোরের মডেল বলছে, হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটনকে ঘিরে থাকা ইলেকট্রন কেবল নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথেই থাকতে পারে। একটি কক্ষপথ বা শক্তিস্তর থেকে আরেকটিতে যাওয়ার সময় ইলেকট্রন একটি ‘কোয়ান্টাম লাফ’ দেয়। আর সেই লাফের সময় সে কেবল নির্দিষ্ট শক্তির আলোই নিঃসরণ করতে পারে। আর তার ফলেই দেখা যায় স্রেফ নির্দিষ্ট কিছু রঙের আলো।</p><p>কোনো পরমাণুর ইলেকট্রনের সবচেয়ে কম শক্তির অবস্থা হলো তার ভূমি অবস্থা বা গ্রাউন্ড স্টেট। এই অবস্থায় ইলেকট্রন থাকে নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছের অনুমোদিত কক্ষপথে। তবে সেই কক্ষপথের ব্যাসার্ধ শূন্য নয়; বরং এর একটি নির্দিষ্ট, ক্ষুদ্র কিন্তু সসীম আকার রয়েছে। তাই ইলেকট্রনটি এর চেয়ে আর নিউক্লিয়াসের কাছে যেতে পারে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/j4d4g7hn/11.jpg" /><figcaption>ছবি ১১: নীলস বোরের প্রস্তাবিত পরমাণু মডেল। এর সঙ্গে সৌরজগতের বেশ মিল ছিল। মডেলটি পরমাণুসংক্রান্ত বেশ কিছু সমস্যার সমাধান দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু অনেক কিছু ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছিল</figcaption></figure><p>এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো, বোরের এই কোয়ান্টায়িত পরমাণু মডেল একই সঙ্গে দুটি রহস্যের সমাধান করে ফেলল। প্রথমত, ইলেকট্রন কেন তার নিউক্লিয়াসের দিকে ক্রমাগত পড়ে গিয়ে পরমাণুকে ধ্বংস করে না, তার ব্যাখ্যা পাওয়া গেল। দ্বিতীয়ত, হাইড্রোজেন কেন কেবল নির্দিষ্ট কিছু রঙের আলো শোষণ ও নিঃসরণ করে, উত্তর মিলল তারও।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/fc9phdg57x">জেনোর প্যারাডক্স ও কোয়ান্টাম মেকানিকস</a></aside><blockquote>কোনো পরমাণুর ইলেকট্রনের সবচেয়ে কম শক্তির অবস্থা হলো তার ভূমি অবস্থা বা গ্রাউন্ড স্টেট। এই অবস্থায় ইলেকট্রন থাকে নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছের অনুমোদিত কক্ষপথে।</blockquote><p>এবার আমাদের সেই স্কেটবোর্ডারের কথায় ফিরে আসা যাক। ধরো, স্কেটবোর্ডারকে এতই ছোট করে ফেলা হলো যে তার আকার হয়ে গেল একটি ইলেকট্রনের সমান। সে স্কেট করছে একটি পরমাণুর সমান বড় বাটির ভেতর। তাহলে সে আর ইচ্ছেমতো যেকোনো শক্তি নিয়ে চলাফেরা করতে পারবে না। তার শক্তির জন্য কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানই বরাদ্দ থাকবে। তার জন্য বাটির এক পাশ থেকে অন্য পাশে ইচ্ছেমতো সামনে-পেছনে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ। তার বদলে তার চলাফেরা সীমাবদ্ধ থাকবে স্রেফ নির্দিষ্ট কিছু শক্তিস্তরের মধ্যে। তুমি বরং এমনটা কল্পনা করতে পারো—বাটির তলার ওপর বিভিন্ন উচ্চতায় কয়েকটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত আঁকা আছে। স্কেটবোর্ডারটির কেবল ওই বৃত্তগুলোর ওপর দিয়েই তার স্কেটিং করার অনুমতি আছে।</p><p>এখন ধরো, সে নিচের একটি বৃত্ত থেকে এক লাফে ওপরের আরেকটি বৃত্তে যেতে চায়। তার জন্য তাকে ঠিক নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করতে হবে। ধরো, তার এক বন্ধু এমন একটি বল ছুড়ে দিল, যার মধ্যে ঠিক সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে। বলটি স্কেটবোর্ডারের গায়ে লাগল। তাতে সে এক লাফে নিচের শক্তিস্তর থেকে উঠে গেল ওপরের শক্তিস্তরে। এমন কাণ্ড করতে পারলে সেটি সত্যিই দারুণ এক স্কেটবোর্ডিং কৌশল হতো, তাই না!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/v6y28jxvci">কোয়ান্টাম জেনো ইফেক্ট</a></aside><p>ড্যানি হোমসের <em>ওয়ান্ডার অব কোয়ান্টাম ওয়ার্ল্ডস</em> অবলম্বনে</p>]]></content:encoded></item><item><title>এইচএসসিতে ১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২২২ পেয়েছেন তামযীদ, যে নিয়ম মেনে পড়তেন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/qg3ekcuca8</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/qg3ekcuca8#comments</comments><guid isPermaLink="false">65f071e0-da33-4894-8558-62b9a5e1c42c</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:35:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:35:36.080Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সংবাদদাতা</atom:name><atom:uri>/api/author/1435932</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পড়াশোনা: এইচএসসি,পরীক্ষার ফলাফল,এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল,চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5ds7vwoh/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-6.03.10-PM.jpeg" width="720"><media:title type="html"><![CDATA[ তামযীদ তাহসিন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5ds7vwoh/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-6.03.10-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তামযীদ তাহসিন। পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, তিনি মোট ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২২২ নম্বর পেয়েছেন।</p><p> তামযীদ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসচি পাস করেছেন। তিনি রেজাউল করিম ও শামছুন্নাহার বেগম দম্পতির ছেলে। তাঁদের বাড়ি গাইবান্ধায়। তবে বাবার কর্মসূত্রে চুয়েট ক্যাম্পাসেই থাকেন তামযীদ।</p><p>নিজের ফলের বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তামযীদ বলেন, ‘সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বেশ ভালো লাগছে।’ পরীক্ষায় উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করেছেন কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষায় উত্তর লেখার ক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করেছি। যে প্রশ্নগুলোর উত্তর ভালো পারি, সেগুলোই আগে লিখেছি। পরে অপেক্ষাকৃত কঠিনগুলোর উত্তর দিতাম।’</p><p>পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে তামযীদ বলেন, ‘কত ঘণ্টা পড়ব, সে বিষয়ে কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম ছিল না। যখন যে বিষয় পড়তে ভালো লাগত, সেটিই পড়তাম। কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে শিক্ষকদের কাছ থেকে বুঝে নিতাম। প্রয়োজনে সরাসরি শিক্ষকদের কাছে যেতাম, আবার কখনো অনলাইনেও যোগাযোগ করতাম। শিক্ষকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে সহযোগিতা করেছেন।’</p><p>রসায়ন তাঁর খুবই পছন্দের বিষয় বলে জানান তামযীদ। তিনি বলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে ভালো লাগে। এ আগ্রহ থেকেই ভবিষ্যতে প্রকৌশল বিষয়ে পড়তে চাই।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vbwh4p12/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-6.03.44-PM.jpeg" /><figcaption>বাবা–মায়ের সঙ্গে তামযীদ তাহসিন। সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><p>তামযীদের বাবা রেজাউল করিম চুয়েটের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক। ছেলের ফলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, মোট নম্বর অনুযায়ী ও বোর্ডে প্রথম হয়েছে। ছেলের ফল নিয়ে আমার অনুভূতি হলো—আলহামদুলিল্লাহ। বাবা-মা হিসেবে ব্যাপারটা খুবই আনন্দের। ও চেষ্টা করেছে, তাই সে অনুযায়ী ভালো ফল করতে পেরেছে।’</p><p>চুয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হালিমা খানম প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেনেছি, ও শিক্ষা বোর্ডে মোট প্রাপ্ত নম্বরের দিক দিয়ে প্রথম হয়েছে। তামযীদের এমন ফলে আমরা উচ্ছ্বসিত। সে খুবই মেধাবী, বিনয়ী। তার অধ্যবসায়, পরিশ্রমের মাধ্যমে এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিষয়টি বর্তমান শিক্ষার্থীদের অণুপ্রাণিত করবে।’</p><p>প্রথম হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘মেধাভিত্তিক কোনো তালিকা তৈরি করা হয়নি। তাই কার ফল সবচেয়ে ভালো, তা বলা যাচ্ছে না। তবে তাঁর ফল অবশ্যই প্রশংসনীয়।’</p><p>চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ ও ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে আগুন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/4xe4ijt8fh</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/4xe4ijt8fh#comments</comments><guid isPermaLink="false">994bfd2a-4f30-4f74-9849-609d6810ba9a</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:17:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:17:34.708Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পোশাক শ্রমিক</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/r69bh6l0/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/r69bh6l0/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/mirpure-posakshrmik-pulis-sngghrsh-metrostesner-nice-puliser-garite-agun</figure>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: সংঘর্ষ, আগুন ও উত্তেজনার ছয় ঘণ্টা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5y4aiee7oq</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5y4aiee7oq#comments</comments><guid isPermaLink="false">ae289b93-c754-46f8-9009-a1c059e3329e</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 12:14:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T12:14:00.269Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দফায় দফায় শ্রমিক ও পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত হয়েছে অন্তত ২৫ জন। এ ছাড়া শ্রমিকদের হামলায় তিন সংবাদকর্মী আহত হয়েছেন।]]></description><media:keywords>পোশাক শ্রমিক,বিক্ষোভ,ঢাকা বিভাগ,গাজীপুর,কালিয়াকৈর</media:keywords><media:content height="251" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ch2wyug0/gazipur1.jpg" width="443"><media:title type="html"><![CDATA[ শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। রোববার দুপুরে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ch2wyug0/gazipur1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা আজ রোববার সকাল ৯নয়টার দিক থেকে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন। এ সময় সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। অবরোধের কারণে প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বেলা তিনটা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়।</p><p> বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দফায় দফায় শ্রমিক ও পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত হয়েছে অন্তত ২৫ জন। এ ছাড়া শ্রমিকদের হামলায় তিন সংবাদকর্মী আহত হয়েছেন।</p><p>শিল্প পুলিশ ও শ্রমিকদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক এবং মহানগরীর কোনাবাড়ী, ভোগড়া ও নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের আন্দোলনের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে শত শত শ্রমিক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।</p><p>শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে কোনাবাড়ী এলাকায় মহাসড়কের পাশে থাকা একটি পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুপুরের দিকে উপজেলার চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার ট্রপিক্যাল লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার ঝুটের গুদামেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/7rzmh5h3/dhakadh162420261101savar5-01.11.26.jpg" /><figcaption>ঢাকার সাভারের নরসিংহপুর এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়েছেন কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা। বেলা সোয়া ১১টার দিকে</figcaption></figure><p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে প্রায় ২৫ জন শ্রমিক আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।</p><p>পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলনের ছবি ও সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলায় দীপ্ত টিভির গাজীপুর প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, এনটিভির কালিয়াকৈর প্রতিনিধি আবু সাঈদ ও স্থানীয় ফটোসাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম আহত হয়েছে।</p><p>শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়লে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকার অর্ধশতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। সকালে কাজে যোগ দিতে আসা শ্রমিকদের অনেকেই পরে আন্দোলনে যোগ দেন। কারখানা ছুটি ঘোষণার পর শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে অগ্নিসংযোগ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hd836ysz6f">পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি </a></aside><p>স্থানীয় ডিভাইন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক মো. খাইরুল বলেন, বাজারে জিনিসপত্রে দামের যে অবস্থা, তাতে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বাড়ি ভাড়া, খাবার ও চিকিৎসার খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন। তাঁরা কাজ করতে চান, বেঁচে থাকার মতো বেতন চান।</p><p>এর আগে গতকাল শনিবারও একই দাবিতে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ ও আনসার একাডেমির আশপাশে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। সেদিন শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় অন্তত ১৫টি যানবাহন। গতকাল অন্তত ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।</p><p>গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূইয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।</p><p>আজ দীর্ঘ সময় মহাসড়কে অবরোধ থাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল পথে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকা পড়ে। এতে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/26gr8gf0/gazipur2.jpg" /><figcaption>গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে</figcaption></figure><p>আকবর আলী নামের এক যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় উপজেলার সফিপুর এলাকায়। তিনি বলেন, ‘জরুরি কাজে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। কিন্তু শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে গাড়ি একদম চলছিল না। পরে বাধ্য হয়ে বাস থেকে নেমে হেঁটে অনেকটা পথ যেতে হয়েছে। সাধারণ যাত্রীদের কথা কেউ ভাবছে না।’</p><p>মরিয়ম বেগম বলেন, ছোট সন্তানকে নিয়ে বাসে বসে ছিলেন। প্রচণ্ড গরমে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। শ্রমিকদের দাবি থাকলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা উচিত। এভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা ঠিক নয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e8zgaljvj5">গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশ বক্সে আগুন </a></aside><p>গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় ৫ থেকে ৬টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে। একটি কারখানার গোদামে অগ্নিসংযোগ করা হলেও সেটি শ্রমিকেরা নাকি দুর্বৃত্তরা দিয়েছে, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা ইট–পাটকেল ছুড়তে থাকলে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।</p><p>দুপুরে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে ছয় সদস্যের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। শ্রমিকদের মাঝে সেই খবর না পৌঁছানোয় তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখে। পরে গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান প্রথমে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ভোগড়া ও নাওজোড় এলাকায়, পরে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী, কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর ও চন্দ্রা এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সড়ক থেকে ফেরত পাঠান। তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর জন্য সরকার পূর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। তিনি আশা করছেন, শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/xg37xpqbtu</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/xg37xpqbtu#comments</comments><guid isPermaLink="false">73b21641-ace4-49f0-87de-49c269deeea8</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 10:51:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T10:51:54.423Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাজিম উদ্দিন</atom:name><atom:uri>/api/author/1258710</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বৃত্তি,অদম্য মেধাবী,স্বপ্ন নিয়ে,অদ্বিতীয়া</media:keywords><category>জীবনযাপন</category><category>অদ্বিতীয়া</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দরিদ্রতম পরিবারের প্রথম মেয়েসন্তান, যাঁরা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পৌঁছান, তাঁদের অনুপ্রাণিত করতে দেওয়া হয় আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের (এইউডব্লিউ) ছাত্রী। আবাসন, টিউশন ফি মওকুফসহ নানা সুবিধা দেয় এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০১২ সাল থেকে ট্রান্সকম গ্রুপের সহযোগিতায় ৪২ জন এবং ২০১৭ সাল থেকে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির সহযোগিতায় ১০১ জনসহ মোট ১৪৩ জন এই বৃত্তি পেয়েছেন। ৮৬ জনের এরই মধ্যে স্নাতক শেষ হয়েছে। তাঁদের অনেকেই দেশে-বিদেশে ভালো অবস্থানে আছেন। এ বছর বৃত্তি পেয়েছেন ১৫ জন। পড়ুন তাঁদের মধ্যে ৫ জনের গল্প।</p><h3>ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫: অন্তরা তাঁতী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/csdc8aif/Ontora-Tati.JPG" /><figcaption>শ্রীমঙ্গলের মেয়ে অন্তরা</figcaption></figure><p>শ্রীমঙ্গলের কালীঘাট চা-বাগানের একটি ছোট্ট ঘরে আমার জন্ম। বাবা চা-শ্রমিক। প্রতিদিন ১৮৭ টাকা তাঁর মজুরি। সংসারে অভাব থাকলেও বাবা সব সময় স্বপ্ন দেখেছেন, আমি পড়ালেখা করব, বড় হব। তাঁর এই কষ্ট, তাঁর স্বপ্ন ছোটবেলা থেকে আমাকেও প্রভাবিত করেছে। সব সময় ভেবেছি, একদিন প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাবার কষ্ট দূর করব। </p><p>অভাবের কারণে স্কুলে পড়ার সময় গাইড বই কিনতে পারতাম না। বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার করে পড়তাম। এভাবেই ২০২২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করি। একাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর কোচিং করার সামর্থ্য ছিল না। বন্ধুদের নোট সংগ্রহ করে পড়তাম। বাসায় স্মার্টফোন না থাকায় মাঝেমধ্যে পিসতুতো ভাইয়ের ফোনে ইউটিউব দেখে দেখে ক্লাস করতাম। ২০২৪ সালে এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পাই। </p><p>এখন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়ছি; কিন্তু যাতায়াত, বই-খাতা ও পড়াশোনার অন্যান্য খরচ চালানো পরিবারের জন্য খুব কঠিন। আমার দুই ছোট বোনের পড়াশোনার খরচও বাবাকেই বহন করতে হয়। আশা করি, অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমাকে পড়াশোনার সাহস জোগাবে, বাবার ওপরও চাপ কমবে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/muuodi2apv">তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন সামিন, এখন কোথায় চাকরি করেন </a></aside><h3>কখনো পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি: অনিমা রানী পাল</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/381rjpmx/Onima-Rani-Pal-1.JPG" /><figcaption>মৌলভীবাজারের অনিমা</figcaption></figure><p>২০২৩ সালে এসএসসিতে ও ২০২৫ সালে এইচএসসি পাস করি। রেজাল্ট হয়তো খুব ভালো না; কিন্তু এর পেছনে যে কী সংগ্রাম ছিল, সেটা শুধু আমি আর আমার পরিবারই জানি।</p><p>আমার বাবা একজন কৃষক। মা চা-শ্রমিক। আমরা চার বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট দুই বোনের একজন অষ্টম শ্রেণিতে, অন্যজন প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। দাদু-ঠাকুমাও আমাদের সঙ্গেই থাকেন। বাবার খেত-খামারের অনিশ্চিত আয় আর মায়ের সামান্য মজুরিতে সাতজনের সংসার চলে। এত মানুষের খরচ মিটিয়ে আমাদের তিন বোনের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা মা-বাবার জন্য খুব কঠিন।</p><p>চা-বাগানের শ্রমিকের সন্তান হিসেবে অভাব-অনটন খুব কাছ থেকে দেখেছি; কিন্তু কখনো পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবিনি। এখন চট্টগ্রাম শহরে পড়াশোনা করি বলে প্রতি মাসে বাড়ি থেকে টাকা পাঠাতে হয়। মা-বাবা রীতিমতো হিমশিম খান। আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমাদের এই কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করবে। ভবিষ্যতে আমি আমার পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।</p><h3>স্কুলের পোশাক কিনতে মানুষের জুমে কাজ করেছি: লিডিয়া বম</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/gdrvox2d/Lidia-Bom-2.JPG" /><figcaption>বান্দরবানের লিডিয়া</figcaption></figure><p>একটি ছোট মাচাং ঘরে আমার জন্ম। পরিবারে শিক্ষার সুযোগ খুব বেশি ছিল না। তবে মা-বাবার ইচ্ছা ছিল, তাঁরা উচ্চশিক্ষা না পেলেও সন্তানদের শিক্ষিত করবেন। মা-বাবা দুজনই জুমচাষি। খাবার জোগাড় করতে অন্যের জুমেও কাজ করতে হয়। কখনো মাসে সাত হাজার টাকা আয় হতো, কখনো তার অর্ধেকেরও কম। এমন দিনও গেছে, ক্ষুধা পেটে রাত কাটিয়েছি। স্কুলের পোশাক কেনার টাকা ছিল না বলে মানুষের জুমে কাজ করেছি।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার খরচ জোগাতে বাবা পরিচিত একজনের কাছ থেকে টাকা ধার করেছিলেন; কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ আমার হয়নি। অগত্যা ঋণের টাকা শোধ করতে ঢাকায় গিয়ে কাজে যোগ দিই। সেখানেই এক সিনিয়র আপুর কাছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বৃত্তির খোঁজ পাই। আবেদন করার পর পড়ার সুযোগও হয়ে যায়।</p><p>এখন আমার ছোট বোন নার্সিং কলেজে পড়ে। তাঁর পড়াশোনার খরচ চালাতেও মা-বাবাকে বেশ কষ্ট করতে হয়। অদ্বিতীয়া বৃত্তি পেলে আমি নিজের পড়াশোনার দিকটা দেখতে পারব, এতে মা-বাবার ওপর আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে।</p><h3>বাবাকে হারিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা: মেহেরুন নেছা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ugqp1ss9/Meherun-nesa-1.JPG" /><figcaption>খাগড়াছড়ির মেহেরুন নেছা</figcaption></figure><p>এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে আমি এখন ‘প্রি-আন্ডারগ্র্যাড পাথওয়ে’ কোর্সে পড়ছি।</p><p>আমাদের পরিবারে তিনজন—আমি, আমার ছোট ভাই ও মা। ২০২৩ সালে কিডনির রোগে আমার বাবা মারা যান। বাবা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এরপর থেকে সংসারের দায়িত্ব পড়ে মায়ের ওপর। মা গৃহিণী। তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে সেলাইয়ের কাজ করে কিছু টাকা আয়ের চেষ্টা করেন। আমার ভাই নবম শ্রেণিতে পড়ে।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে নিজের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ নিজেই চালানোর চেষ্টা করেছি। কারণ, পরিবারের আয়ের নির্ভরযোগ্য কোনো উৎস নেই। নিজের খরচ নিজে চালিয়ে পরিবারের ওপর চাপ কমাতে চেয়েছি; কিন্তু পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। আমার পড়াশোনার খরচ জোগাতে গিয়েই মা হিমশিম খান। তার ওপর ভাইয়ের পড়াশোনার খরচও তাঁকেই বহন করতে হয়।</p><p>অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমার হাতখরচের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমিয়েছে। আমি চাই, আর্থিক সংকটের কারণে আমার পড়াশোনা থেমে না যাক। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে একদিন পরিবারের দায়িত্ব নিতে চাই।</p><h3>মায়ের ত্যাগের মূল্য দিতে চাই: মিকল ময় ম্রো</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/y755xo3h/Mikol-Moy-Mro-1.JPG" /><figcaption>বান্দরবানের মিকল ময় ম্রো</figcaption></figure><p>আমি যখন ছোট, তখনই মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর মা একাই আমাদের তিন ভাই–বোনকে বড় করেছেন। আমাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নিজের অনেক স্বপ্ন ও আরাম ত্যাগ করেছেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল একটাই—আমরা পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াব।</p><p>আমাদের নিজেদের কোনো বাড়ি নেই। দীর্ঘদিন মামার বাড়িতে থেকেছি। সংসার চালাতে মা অনেক কষ্ট করেছেন। কখনো মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার করেছেন, কখনো মজুরিভিত্তিক কাজ করে আমাদের বই-খাতা ও স্কুলের খরচ জুগিয়েছেন। নিজের জন্য কোনো দিন একটা নতুন জামাও কিনতে পারেননি। টাকার অভাবে আমার মেজ ভাই পড়াশোনা করতে পারেনি। নিজে কাজ করে সে আমাদের পড়াশোনায় সহায়তা করেছে।</p><p>২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চেয়েছিলাম। প্রথমবার এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ভর্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত না হলেও হাল ছাড়িনি। দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিয়ে বৃত্তিসহ পড়ার সুযোগ পাই। আমার মতো যাঁরা আর্থিক সংকটে দিন কাটান, ভবিষ্যতে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে চাই।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দুই ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের তিন স্টেশন চালু, সড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/zgrcf84ik5</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/zgrcf84ik5#comments</comments><guid isPermaLink="false">518cd096-b61c-4f01-8aa3-ef47b7737ec9</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 10:39:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T10:39:09.066Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।]]></description><media:keywords>রাজধানী ঢাকা,সংঘর্ষ,পোশাক</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fd4ytn60/4.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fd4ytn60/4.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা।</p><p>আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।</p><p>সকাল আটটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা মিরপুর–১০ নম্বর মোড়ের সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ তাঁদের সরাতে গেলে বেলা সোয়া ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। আধা ঘণ্টা উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যেতে বারবার অনুরোধ করে পুলিশ। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। তখন পুলিশ লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের ধাওয়া দেয়। এ সময় জলকামান থেকে পানি ছোড়া হয় এবং ব্যবহার করা হয় সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল। এতে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে তাঁরা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k9aa58rr/7.jfif" /><figcaption>পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়ছেন বিক্ষোভে আসা শ্রমিকেরা </figcaption></figure><p>দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে মেট্রোরেলের পানির লাইন পুড়ে যায়। স্টেশনের পূর্ব পাশের একটি গেট এখনো বন্ধ রয়েছে।</p><p>মেট্রোরেল স্টেশনের নিরাপত্তাকর্মী খালিদ হাসান বলেন, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে মিরপুর–১০, মিরপুর–১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে থেকে বেলা ১টা ৫৮মিনিট পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।</p><p>পল্লবী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, বেলা একটার দিকে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/h3tjr23o0m">মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fcpmuj7w/8.jfif" /><figcaption>মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বলছে </figcaption></figure><p>এর আগে মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিরপুরের কয়েকটি স্থান থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সকালে জড়ো হয়ে মিরপুর–১০ নম্বর মোড় অবরোধ করেন। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।</p><p>একই দাবিতে গতকাল শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর–১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/5n1oipa2o7">ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দেখা তরুণী গ্রেপ্তার, ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/o9jpqqkmsl</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/o9jpqqkmsl#comments</comments><guid isPermaLink="false">58d0184c-1f93-47d3-b1ed-2d39b00045cb</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 09:40:20 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T10:23:40.320Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজে ২৭ অক্টোবর রাতে উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয়  তাহসিফ সাউরির সঙ্গে ওই তরুণীকে দেখা যায়। এরপরে তাঁরা আরও কয়েক জায়গায় যান। তাঁদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হয়।]]></description><media:keywords>পুলিশ,ঢাকা</media:keywords><media:content height="261" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/w0eajrx0/Capture.PNG" width="473"><media:title type="html"><![CDATA[ নিখোঁজ হওয়ার দিন সিসিটিভি ফুটেজে এই তরুণীকে (১৯) তাহসিফ সাউরির সঙ্গে রাজধানীর একটি এলাকায় দেখা গিয়েছিল ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/w0eajrx0/Capture.PNG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তরুণীকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।  </p><p>সিসিটিভি ফুটেজে নিখোঁজ হওয়ার দিন ওই তরুণীকে (১৯) তাহসিফ সাউরির সঙ্গে রাজধানীর একটি এলাকায় দেখা গিয়েছিল।</p><p>আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর  করেন। </p><p>মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নৌ–পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন তরুণীকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। </p><p>রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজে গত ২৭ অক্টোবর রাতে উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় তাহসিফ সাউরির সঙ্গে ওই তরুণীকে দেখা যায়। এরপর তাঁরা আরও কয়েক জায়গায় যান। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হয়। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/sg4j6ql26q">বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে রহস্য</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/sbsz96az/WhatsApp_Image_2026_11_01_at_4_10_50_PM.jpeg" /><figcaption>শুনানির জন্য আদালতের এজলাস কক্ষে নেওয়া হচ্ছে ওই তরুণীকে। ১ নভেম্বর</figcaption></figure><p>জিজ্ঞাসাবাদে তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া বক্তব্য যাচাইয়ের জন্য ওই তরুণীকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।</p><p>গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কাফরুল এলাকা থেকে তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/rztey46q5n">আমার ছেলের সাঁতারে প্রশিক্ষণ ছিল, ডুবে মৃত্যু হতে পারে না : তাহসিফের বাবা</a></aside><p>গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ। পরদিন বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে রাজধানীর উত্তরখান থানায় গত শুক্রবার রাতে হত্যা মামলা করেন তাঁর বাবা কে এম এনায়েতুল করিম।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/4xvdutlk9q">তাহসিফের মৃত্যু: ধাওয়া দেওয়া ব্যক্তিরা কি মাদক কারবারি, নাকি পুলিশ—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/g8ch9lyfb5</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/g8ch9lyfb5#comments</comments><guid isPermaLink="false">772d9eca-2a3a-4af4-8879-b69929d405c4</guid><pubDate>Sun, 01 Nov 2026 05:45:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-01T05:45:52.529Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বৃহস্পতিবার উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই অনিয়ম, জালভোট ও পোলিং এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় জামায়াত।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,রাজনীতি,উপনির্বাচন,রাজনৈতিক দল,ঠাকুরগাঁও</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vjl1efda/Thakurgaon-01.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ ঠাকুরগাঁও–১ আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের বাড়িতে ফুল নিয়ে যান বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। গত শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/vjl1efda/Thakurgaon-01.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঠাকুরগাঁও–১ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও জাল ভোটের অভিযোগ তোলে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কেন্দ্রীয় জামায়াত এমন অভিযোগ করলেও উপনির্বাচনে দলটির পরাজিত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। তাঁরা কোলাকুলি করেন, পরস্পরকে মিষ্টিমুখ করান। জামায়াতের এই ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।</p><p>বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও–১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। প্রার্থী ছিলেন পাঁচজন। উপনির্বাচনে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট। বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৩১ হাজার ৪০৪।</p><blockquote>বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও–১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। উপনির্বাচনে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।</blockquote><p>এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। উপনির্বাচনে বিজয়ী ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন রাষ্ট্রপতির ছোট ভাই।</p><p>বৃহস্পতিবার উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই অনিয়ম, জাল ভোট ও পোলিং এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় জামায়াত।</p><p>পরদিন শুক্রবার দুপুরে ফুলের তোড়া নিয়ে জামায়াতের প্রার্থীর বাসায় যান মির্জা ফয়সল। এ সময় দুজন কোলাকুলি করেন, পরস্পরকে মিষ্টিমুখ করান। এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।</p><aside><cite>হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির সংসদ সদস্য</cite>আমরা ঢাকায় বলব, ভোটে কারচুপি হয়েছে, আবার ফলাফল মেনে নেব। এ ধরনের বিরোধী দলের ভূমিকা দেখালে হবে না।</aside><p>ঠাকুরগাঁওয়ে যখন এ ঘটনা ঘটছিল, তখন ঢাকায় চিত্রটা ছিল উল্টো। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াত। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আগে থেকেই ব্যালট পেপারে সিল মারা, জাল ভোট দেওয়া, কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।</p><p>নির্বাচন কমিশনের প্রতি অভিযোগ জানিয়ে গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সচিব ও প্রধান যদি অনিয়মকে অস্বীকার করেন, তাহলে বুঝতে হবে যাঁরা অনিয়ম করেছেন, তাঁদের সঙ্গে সিইসি ও ইসিসচিবের আঁতাত রয়েছে। তাঁরা সাংবিধানিক পদে বসে এই পদের প্রতি সুবিচার করেননি।</p><p>জামায়াতের এই ‘দ্বিমুখী’ আচরণের সমালোচনা করেছেন এনসিপি নেতারা। বিষয়টি নিয়ে প্রথম মুখ খোলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন সংসদ সদস্য ও এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/4r84fi1j34">অনিয়মকারীদের সঙ্গে আঁতাত করেছেন সিইসি ও ইসি সচিব, অভিযোগ জামায়াতের</a></aside><p>শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এনসিপির গণবিক্ষোভ সমাবেশে আসিফ মাহমুদ এ বিষয়ে বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে একটা উপনির্বাচন হয়েছে। সকাল থেকে আমরা দেখলাম বিভিন্ন জায়গায় প্রিসাইডিং অফিসাররা ব্যালটে সিল মেরে রেখেছেন, সেগুলো ধরাও খেয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমরা দেখি সরকারি প্রার্থী, তারপরে বিরোধী প্রার্থী—তাঁরা একে অপরকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন। আমাদের গণতন্ত্র খুবই সংকটময় এবং দুরবস্থার একটি সময় পার করছে।’</p><blockquote>গতকালের খুলনা অভিমুখে লংমার্চে হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির চার কেন্দ্রীয় নেতা অংশ নেন। তবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন লংমার্চে যাননি।</blockquote><p>কেন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের রাজনীতিতে এনসিপিকে দরকার—মিষ্টি খাওয়ার এই চিত্র সেটি দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট করেছে বলে মন্তব্য করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি আরও বলেন, কেন বাংলাদেশে একটা আপসহীন শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দল দরকার, সেটিও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ বুঝে যাচ্ছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, সুশাসন ও শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির জন্য এনসিপি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/a2kml557r0">পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’</a></aside><p>এরপর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের পথসভায় উপনির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় যশোরের মুড়লি মোড়ে আয়োজিত পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখানে যাঁরা উপস্থিত হয়েছি, আমরা হচ্ছি বিরোধী দল। বিরোধী দলকে মনে করা হয় বিকল্প সরকার। আমাদের সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিতে হবে। বিরোধী দলের যে ধরনের ভূমিকা, সে ধরনের ভূমিকা আমাদের দেখাতে হবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/cmnphmbj/Jamat_Leader.avif" /><figcaption>সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে</figcaption></figure><p>ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঢাকায় বলব ভোটে কারচুপি হয়েছে, আবার ফলাফল মেনে নেব, এ ধরনের বিরোধী দলের ভূমিকা দেখালে হবে না। যদি কারচুপি হয়ে থাকে, চোখে চোখ রেখে বলতে হবে সেটা কারচুপি হয়েছে। আমরা একবার বলব কারচুপি হয়েছে, আবার গিয়ে মিষ্টি খাইয়ে আসব—এ ধরনের বিরোধিতা হতে পারে না।’</p><aside><cite>আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, এনসিপি নেতা</cite>ঠাকুরগাঁওয়ে একটা উপনির্বাচন হয়েছে। সকাল থেকে আমরা দেখলাম বিভিন্ন জায়গায় প্রিসাইডিং অফিসাররা ব্যালটে সিল মেরে রেখেছেন, সেগুলো ধরাও খেয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমরা দেখি সরকারি প্রার্থী, তারপরে বিরোধী প্রার্থী—তাঁরা একে অপরকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন।</aside><p>১১–দলীয় ঐক্যে থাকলেও সম্প্রতি জামায়াত থেকে সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে এর মাধ্যমে এনসিপি আলাদা দল হিসেবে স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রাখতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ১১ দলের লংমার্চের আগের দিন শুক্রবার শাহবাগে গণবিক্ষোভ সমাবেশ করে দলটি। সমাবেশের আগে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এনসিপির নেতারা সপ্তাহব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ করেন। এসব কর্মসূচিতে লংমার্চের বিষয়ে এনসিপি নেতাদের কিছুই বলতে শোনা যায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/yenobwgxua">এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভোটে জামায়াতের প্রার্থীকে হারালেন মির্জা ফয়সল</a></aside><p>গতকালের খুলনা অভিমুখে লংমার্চে হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির চার কেন্দ্রীয় নেতা অংশ নেন। তবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন লংমার্চে যাননি।</p><p>যদিও গত সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগ অভিমুখে আগের দুটি লংমার্চে অংশ নিয়েছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রায় সবাই।</p><p>খুলনা বিভাগীয় লংমার্চে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের যোগ না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এনসিপি জনসম্পৃক্ত বিষয়গুলোয় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। যেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রতিটি দল আলাদাভাবে করবে, আমরা সেই জায়গাটাতেও ফোকাস করছি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5o2jbawlhw">জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/ne11jbq620">পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল</a></aside>]]></content:encoded></item></channel></rss>