<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Sun, 20 Sep 2026 11:41:30 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>‘ওয়াও! তুই কখন আসলি?’, কৃতী সংবর্ধনায় বন্ধুদের পেয়ে উচ্ছ্বাস</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bbiwiy7u9p</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bbiwiy7u9p#comments</comments><guid isPermaLink="false">e07fb0eb-b898-45e6-ada0-1aecc8961ca5</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:39:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:39:15.372Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬।]]></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,কুইজ,প্রথম আলো,এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬,জিপিএ ৫ সংবর্ধনা,হবিগঞ্জ</media:keywords><media:content height="1280" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ekfi35ge/hobiganj1.jpg" width="1920"><media:title type="html"><![CDATA[ শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলার শপথ করছে শিক্ষার্থীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, হবিগঞ্জ। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ekfi35ge/hobiganj1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘ওয়াও! তুই কখন আসলি?’—দূর থেকে বন্ধুর চিৎকার শুনে ঘুরে তাকাল মিফতাহুল জান্নাত। মুহূর্তেই মুখে হাসি সুমাইয়া জাহানের। দুজনই শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে খুঁজছিল পরিচিত মুখ। একটু পরেই দেখা মিলল সহপাঠী নুসরাত সাদিয়া, তাসনিয়া তানিশার। দুজনের কথায়-কথায় যোগ দিলেন তাবাসুম চৌধুরী ও সায়মা ইসলাম। অপরিচিত ভিড়টা মুহূর্তেই হয়ে উঠল চেনাজানা বন্ধুদের মিলনমেলা।</p><p> হবিগঞ্জে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্য দেখা গেল আজ রোববার সকালে। জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। আজ সকাল থেকে শহরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়। তবে তা বাধা হতে পারেনি। কেউ ভিজে আবার আধভেজা হয়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/dgm6c9gc/hobiganj2.jpg" /><figcaption>সেলফিতে স্মৃতি ধরে রাখছে কৃতী সংবর্ধনায় আসা বন্ধুরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, হবিগঞ্জ। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা ২০২৬। ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।</p><p>আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা-গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।</p><p>এরই ধারাবাহিকতায় আজ হবিগঞ্জের পর্বের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা ঘিরে সকাল ৯টার আগেই অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। প্রবল বৃষ্টির মধ্য কেউ অভিভাবকদের সঙ্গে কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে চলে আসে। একসময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে ভরে যায় পুরো মিলনায়তন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/vtjycg76/hobiganj3.jpg" /><figcaption>জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের কার্যক্রম। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, হবিগঞ্জ। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্য মোহাম্মদ তোফাজ্জল শাকিলের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর হবিগঞ্জের নিজস্ব প্রতিবেদক হাফিজুর রহমান।</p><p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মোজাম্মেল হক কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তুমি যতই দক্ষ হও তোমার মধ্যে যদি সততা না থাকে, মমতা না থাকে; তাইলে কিন্তু তুমি সফল হলে না। তিনি বলেন, পৃথিবী দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে।</p><p>হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাবেদ জিল্লাল বারী বলেন, তোমরা মেধাবীরা হলে তারুণ্যের শক্তি। এই শক্তিটাই হচ্ছে আসল শক্তি। যে শক্তির সাহায্যে নতুন দেশ গড়ে উঠবে। রাষ্ট্র বিনির্মাণে তোমাদের অবদানটাই হচ্ছে চূড়ান্ত । তোমরা আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশ গড়ার কারিগর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/4mz5o7nn/hobiganj4.jpg" /><figcaption>সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, হবিগঞ্জ। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ বি কে জি সি সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার খানম। প্রথম আলো সিলেটের নিজস্ব প্রতিবেদক ও বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লোকসংস্কৃতি গবেষক সুমনকুমার দাশ কয়েকজন আলোকিত মানুষের গল্প শুনিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেন।</p><p>অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলতে শপথ পড়ান প্রথম আলোর হবিগঞ্জের নিজস্ব প্রতিবেদক হাফিজুর রহমান। অভিভাবকেদর মধ্যে থেকে বক্তব্য দেন সাবিনা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী তাজওয়ার হাসনাত ত্বোহা তাঁর সাফল্যের গল্প শোনান। কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেয় জিনিয়া শওকত জুসি ও সাবিহা তাবাসসুম তানহা। সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন করেন শিল্পী শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু, বাউল রুবিনা সরকার ও বিনয় সূত্রধর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/o447u5ul/hobiganj5.jpg" /><figcaption>সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গানে গানে শিক্ষার্থীদের মাতিয়ে রাখেন শিল্পীরা। জেলা পরিষদ মিলনায়তন, হবিগঞ্জ। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>এদিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রাণোচ্ছল ঘোরাঘুরিতে পুরো মিলনায়তনে প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। ভিড় বাড়তে থাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থাপন করা বিভিন্ন স্টলে। কেউ কুইজে অংশ নিচ্ছিল আবার কেউ প্রথম আলোর চরকি ঘুরিয়ে বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নিচ্ছিল।</p><p>পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে এসেছিল হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম ও আবির আহমেদ। তাঁরা দুজনই এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে তাদের দেখা হয়েছে, গল্প হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্ব ধরে রাখতে চায়।</p><p>তাবাচ্ছুম নাজিয়া, অধরা চক্রবর্তী, তাছকিয়া আক্তার নুহা, আরাবী আলম রোজা, আশরাফুল আনাম শুভ, পূজা কান্তি দাশ, মো. মানছুরুল ইসলাম সোহান, অনিন্দ্য সরকার, গৌরভ দাস ও জান্নাতুল মাওয়া স্বর্ণা প্রথম আলোর চরকি ঘুরিয়ে বিজ্ঞানচিন্তা ও কিশোর আলো পুরস্কার পেয়েছে। কুইজ বিজয়ী ১০ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রথম আলোর সিলেটের নিজস্ব প্রতিবেদক সুমনকুমার দাশ ও হবিগঞ্জের নিজস্ব প্রতিবেদক হাফিজুর রহমান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>৮ মাসে ৩৬ নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার, উদ্বেগ বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/nwioslaerx</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/nwioslaerx#comments</comments><guid isPermaLink="false">0edc6755-de35-4801-82c7-07b1947daeec</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:35:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:35:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হলেও ৮৭ শতাংশের বেশি শিশু উদ্ধার করা হয়েছে]]></description><media:keywords>শিশু,নিখোঁজ,ইউনিসেফ,লাশ,নিরাপত্তা,শিশু নির্যাতন</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/6o0rv1hm/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/6o0rv1hm/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হলেও ৮৭ শতাংশের বেশি শিশু উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৭৯। সেই হিসাবে নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/INjPZ_AQv7A"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ট্রাম্পের শুল্কের হুমকি ও রাশিয়ার তেল—দুই দিক সামলানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে ভারতের</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/drs8x6dqm4</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/drs8x6dqm4#comments</comments><guid isPermaLink="false">d6587661-ffc1-4d19-96e5-b72ee4127b34</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:30:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:30:52.655Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিউইয়র্ক টাইমস</atom:name><atom:uri>/api/author/1454913</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>রাশিয়া,জ্বালানি তেল,ভারত,জ্বালানি,বাণিজ্য,জ্বালানি খাত,যুক্তরাষ্ট্র,শুল্ক,ডোনাল্ড ট্রাম্প,বিশ্ব বাণিজ্য</media:keywords><media:content height="575" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/3ps7t79j/Trump-Modi.jpg" width="1023"><media:title type="html"><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডানে) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/3ps7t79j/Trump-Modi.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি দরকার। দেশটি কম দামে সেই জ্বালানি কিনতে চায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কও ধরে রাখতে চায় ভারত। কিন্তু জ্বালানি পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা চলছে। তাই এ দুই দিক সামলানো ভারতের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে।</p><p> যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা আইন হয়েছে। গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ আইনে সই করেছেন। আইনটি তাঁকে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে। এতে বলা আছে, যেসব দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও অন্যান্য জ্বালানি কেনে, সেসব দেশের পণ্যে তিনি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসাতে পারবেন।</p><p> ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে রাশিয়ার বিপুল অর্থ দরকার। তেল ও জ্বালানি পণ্য বিক্রি করে দেশটি সেই অর্থের বড় অংশ আয় করে। মস্কোর এ আয় বন্ধ করাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের লক্ষ্য।</p><p> শুল্ক কখন ও কীভাবে আরোপ করা হবে, তা অনেকটাই ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর কবে শুল্ক বসাবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তিনি আদৌ এ শুল্ক আরোপ করবেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়। শুল্ক আরোপ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাবে।</p><p>ভারত নতুন আইনটিকে হুমকি হিসেবে দেখছে। দিল্লির ভাষ্য, আইনটি ভারতের ওপর ট্রাম্পের চাপ দেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। অথচ একই সময়ে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তির সম্ভাবনা খুঁজছেন।</p><p>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন কঠিন অবস্থায় পড়েছেন। ভারত তাঁর প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ৯০ শতাংশের বেশি আমদানি করে। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। তাই রুশ জ্বালানি তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা আরও বেড়েছে।</p><p>কেপলার বিশ্বজুড়ে জাহাজ চলাচলের তথ্য সংগ্রহ করে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, চলতি গ্রীষ্মে ভারতের আমদানি করা জ্বালানি তেলের প্রায় অর্ধেক এসেছে রাশিয়া থেকে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র বারবার রুশ তেল নিয়ে নীতি বদলেছে। কাজেই প্রতিবারই ভারতকেও তেল কেনার পরিকল্পনা আর কৌশল বদলাতে হয়েছে।</p><p>ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি বাণিজ্যচুক্তি করেছিল। সেটি ছিল গত ফেব্রুয়ারির ঘটনা। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছিল। বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমাতে রাজি ছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/0eqs784s/India-and-USA.avif" /><figcaption>ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা</figcaption></figure><p>এরপর খুব দ্রুত পরিস্থিতি বদলে যায়। চুক্তিটির পেছনে যেসব ধারণা কাজ করেছিল, সেগুলো আর ঠিকঠাক থাকেনি।</p><p>ভারতের সঙ্গে দর-কষাকষির সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ব্যবহার করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সেই ক্ষমতা সীমিত করে দেন। এর মধ্যেই ইরান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় ভারতসহ কয়েকটি দেশকে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কেনার অনুমতি দেয়। উদ্দেশ্য ছিল, মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ঘাটতি পূরণ করা।</p><p>এখন যুক্তরাষ্ট্র আবার ভারতকে শাস্তি দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। কারণ, ভারত অনেক বেশি রুশ তেল কিনছে। কিন্তু এ তেলের বিকল্প খুঁজে পাওয়াটাও এখন কঠিন।</p><blockquote>ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছিল। সেটি ছিল ফেব্রুয়ারির ঘটনা। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে রাজি হয়। বিনিময়ে রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমাতে রাজি হয় ভারত।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/4lik5tgwge">রাশিয়ার তেল নিয়ে নতুন শুল্ক আরোপ করলে সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে: যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ভারত</a></aside><p><strong>ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়া</strong></p><p>ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক হুমকির কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ।</p><p>ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, বাজারের অবস্থা অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি তেল কেনা হবে। ভারত জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনার কাজ চালিয়ে যাবে।</p><p>ভারত সতর্ক করে বলেছে, নতুন মার্কিন আইনের প্রভাব শুধু দুই দেশের সম্পর্কের ওপরই পড়বে না। প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে।</p><p>ভারত আগেও এমন সমস্যায় পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এক সময় ভারতকে ভেনেজুয়েলা ও ইরান থেকে তেল কেনা বন্ধে চাপ দিয়েছিল। পরে ওই দুই দেশের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বদলে যায়। কূটনৈতিক সম্পর্ক ও জ্বালানির দাম বদলে যাওয়ার কারণে মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন এসেছিল।</p><blockquote>ভারতকে দুটি জরুরি বিষয় একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা। দ্বিতীয়ত, নিজেদের জন্য যথেষ্ট জ্বালানি নিশ্চিত করা এবং সেটা বেশ কম দামে।</blockquote><p>এ কারণে ভারতকে দুটি জরুরি বিষয় একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে চায় দিল্লি। দ্বিতীয়ত, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশটি নিজেদের জন্য যথেষ্ট জ্বালানি নিশ্চিত করতে চায় এবং সেটা বেশ কম দামে।</p><p>বিষয়টি আরও জটিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা। ভারত অন্য দেশ থেকে জ্বালানি কিনলে যুক্তরাষ্ট্র শাস্তির হুমকি দিচ্ছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে।</p><p>ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে ভারত অভ্যন্তরীণ চাহিদার রান্নার গ্যাসের ৮ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করত। এখন এ হার ৫০ শতাংশের বেশি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/kocea6l0v6">যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল পাস: ট্রাম্প সই করলেই ভারতের ওপর ১০০% শুল্ক</a></aside><p><strong>যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের দাম বাড়বে</strong></p><p>ভারতের সাবেক বাণিজ্য কর্মকর্তা ও নয়াদিল্লির গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের পরিচালক অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নিয়ে ভারতের অতিরিক্ত চিন্তা করা উচিত নয়।</p><p>শুল্কের কারণে ভারতের কিছু রপ্তানিকারক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেই পণ্যের দাম বাড়বে, বলেন এ বিশ্লেষক।</p><p>শ্রীবাস্তবের মতে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত করেছিলেন। এতে তাঁর দর-কষাকষির ক্ষমতা কমেছিল। নতুন আইন তাঁকে সেই ক্ষমতার কিছুটা ফিরিয়ে দিয়েছে।</p><aside><cite>সি রাজা মোহন, জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক</cite>আপনি কি যুক্তরাষ্ট্রের কড়াই থেকে লাফ দিয়ে চীনের আগুনে পড়তে চান?—</aside><p>ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তিটি এখনো ঝুলে আছে। তবে নতুন আইনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভারতকে দেওয়ার মতো বড় একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক কমাতে পারে।</p><p>শ্রীবাস্তব বলেন, সমস্যা হলো, বাণিজ্যচুক্তি সই করলেই এসব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।</p><p>ভারত দেখেছে, যুক্তরাষ্ট্র বড় বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। কিন্তু পরে আবার শুল্ক ও চুক্তির শর্ত নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। তাই নতুন আইনটি শুধু ভারতকেই ভাবাচ্ছে না। অন্য দেশগুলোও বোঝার চেষ্টা করছে, আইনটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে কীভাবে প্রভাব ফেলবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/5tm1ahu67d">রাশিয়ার তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক—চীন ও ভারতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তোড়জোড়</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/lnhc1v7m/brics.jpg" /><figcaption>(বাঁ থেকে) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে, সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>প্রসঙ্গ যখন চীন</strong></p><p>রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের চেয়ে বেশি তেল কেনে চীন। নতুন আইনটি চীনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।</p><p>ভারতের কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর যে চাপ দিচ্ছে, চীনের ওপরও কি একই চাপ দেবে।</p><p>প্রশ্নটি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভারত বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করেছে। চীনের শক্তি মোকাবিলার কৌশল হিসেবেই ভারত এটি করেছে।</p><p>গত সপ্তাহের শেষ দিকে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যোগ দেন চীনের নেতা সি চিন পিং আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিন নেতা একসঙ্গে ছবি তোলেন। এটি ছিল পশ্চিমাদের বাইরের দেশগুলোর সহযোগিতার স্পষ্ট প্রদর্শন।</p><p>আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে সি চিন পিংয়ের বৈঠক হওয়ার কথা।</p><aside><cite>অজয় শ্রীবাস্তব, নয়াদিল্লির গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের পরিচালক</cite>যুক্তরাষ্ট্রের নীতি স্থির না হওয়া পর্যন্ত ভারতের কোনো চুক্তি করা উচিত হবে না।</aside><p><strong>আশঙ্কা ও চুক্তি</strong></p><p>ব্রিকসের বড় দেশগুলোর মধ্যে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার শক্তিশালী কৌশলগত কারণ রয়েছে।</p><p>জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সি রাজা মোহন বলেন, ভারতকে দুটি অস্বস্তিকর বিকল্পের একটি বেছে নিতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আপনি কি যুক্তরাষ্ট্রের কড়াই থেকে লাফ দিয়ে চীনের আগুনে পড়তে চান?’</p><p>চীনের শক্তি বাড়ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার বড় কারণ রয়েছে ভারতের।</p><p>কিন্তু জ্বালানি ও বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি বদলাচ্ছে। এতে নয়াদিল্লিতে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা হলেও সেটি কত দিন টিকবে?</p><p>এ বিষয়ে অজয় শ্রীবাস্তব বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি স্থির না হওয়া পর্যন্ত ভারতের কোনো চুক্তি করা উচিত হবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/afrzyjejhw">ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিলেন ট্রাম্প, কারণ কী</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>শিক্ষার মানোন্নয়নে বাবুডাইং আলোর পাঠশালার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত</title><link>https://trust.prothomalo.com/activities/alor-school/3ty6ma3a22</link><comments>https://trust.prothomalo.com/activities/alor-school/3ty6ma3a22#comments</comments><guid isPermaLink="false">9125def6-11b3-4572-b995-58a4d7835efd</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,প্রথম আলো ট্রাস্ট,শিক্ষাক্রম,চাঁপাইনবাবগঞ্জ</media:keywords><media:content height="1650" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/wzns7i8e/18.jfif" width="2560"><media:title type="html"><![CDATA[ বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়মিতকরণ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/wzns7i8e/18.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আলোর পাঠশালা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়মিতকরণ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের বাবুডাইং সূর্যনারায়নপুর গ্রামে এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালার উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত স্থানীয় এক বাড়ির উঠানে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।</p><p>প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় অধ্যয়নরত বাঙালি পরিবারের শিক্ষার্থীদের মায়েরা অংশ নেন। বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে নিয়মিত স্কুলে না গেলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার ধারাবাহিকতা হারিয়ে পিছিয়ে পড়ে। শিক্ষকরা মায়েদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন সকালে ও সন্ধ্যায় সন্তানদের নিয়মিত পড়তে বসানো। স্কুলে আসার আগে ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ গুছিয়ে দেওয়া এবং পরিচ্ছন্ন পোশাকের দিকে খেয়াল রাখার জন্য। এছাড়া শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও আমিষযুক্ত খাবারের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানানো হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গ্রাম্য মোড়ল তরিকুল ইসলাম, দুলালী বেগম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) সদস্য হাবিবা বেগম, প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, সহকারী প্রধান শিক্ষক লুইশ মুর্মু এবং সিনিয়র শিক্ষক সোনিয়া খাতুন ও নির্মল কোল। অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য দেন মোমেনা খাতুন, রোজিনা বেগম ও সাথী বেগম।</p><p>উল্লেখ্য, পদ্মা নদীর ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে বাবুডাইং সূর্যনারায়নপুর গ্রামে এসে বসতি গড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভৌগোলিকভাবে বিদ্যালয়টি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে অবস্থিত হলেও এখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের শিশুরাও নিয়মিত লেখাপড়া করছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: দায়ী কি শুধু আইফোন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/2yx7h17zgo</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/2yx7h17zgo#comments</comments><guid isPermaLink="false">ac8de0f5-6cfc-4dde-83f8-beae737f68dc</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:25:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:25:17.356Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দেশের মানুষের হৃদয় নাড়া দিয়েছে কুমিল্লার কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ড। প্রশ্ন উঠছে, একটি আইফোনের জন্যই কি ছেলেকে হারালো তার পরিবার? ]]></description><media:keywords>আইফোন,গ্রেপ্তার,অপ্রতিম হত্যা,কিশোর গ্যাং,কুমিল্লা</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/91hmhcsa/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/91hmhcsa/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশের মানুষের হৃদয় নাড়া দিয়েছে কুমিল্লার কিশোর অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ড। প্রশ্ন উঠছে, একটি আইফোনের জন্যই কি ছেলেকে হারালো তার পরিবার? বিস্তারিত বিশ্লেষণে... </p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/WZcXfBJoQbE"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>পাঠকের ছবি (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬)</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/photo/lmzvthagvf</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/photo/lmzvthagvf#comments</comments><guid isPermaLink="false">1978b224-ee81-4f40-b91e-8de775a629eb</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:20:49 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:20:49.624Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাগরিক ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1532141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নাগরিক সংবাদ,পরিচ্ছন্নতা,রাজধানী,ছবি নাগরিক সংবাদ,পাখির ছবি,প্রকৃতির ছবি,বৃষ্টি</media:keywords><category>ছবি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1jvgmrrw/201.jpg" /><figcaption>অল্প বৃষ্টিতে যেখানে রাস্তায় পানি জমে। মতিঝিল, ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/a4bmzsex/202.jpg" /><figcaption> আখ মাড়াই করে গুড় তৈরি করা হচ্ছে। আলীপুর গ্রাম, কালকিনি উপজেলা, মাদারীপুর, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/e7r77a6e/203.jpg" /><figcaption>শরতের শুভ্র আকাশ। একগুচ্ছ রেইনলিলি। রেইনলিলি বেয়ে ওপরে উঠছে একদল পিঁপড়া। মৌচাক, গাজীপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/e3hzoixp/204.jpg" /><figcaption> ‘পাকা হোক, তবু ভাই, পরের ও বাসা/ নিজ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর, খাসা।’ কলারদোনিয়া বাজার, নাজিরপুর, পিরোজপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/na8thrd4/205.jpg" /><figcaption> গোধূলির আলো না স্নিগ্ধ না মিষ্টি, কিন্তু এই আলো আলেয়ার মতো, মনকে বিভ্রান্ত করে দেয়। গোধূলির আলো, আলোর কোলাহলের মধ্যেও অন্ধকারের সৃষ্টি করে। কিন্তু সেই অন্ধকার আপাতদৃষ্টির অন্ধকার নয়, এটা আলোর আড়ালের অন্ধকার। যে আলো আলোকিত করে অন্ধকারের সূচনা থেকে। রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/m4q19kvh/206.jpg" /><figcaption>বাঁশবনের ফাঁকে আলোর খেলা। সিংগাইর, মানিকগঞ্জ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/8681ivgq/207.jpg" /><figcaption>কাজের মধ্যে একটু জিরিয়ে একসঙ্গে খাবার খাচ্ছেন একদল ধান পরিবহন শ্রমিক। সলঙ্গা বাজার, সলঙ্গা, সিরাজগঞ্জ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/3egeuy85/208.jpg" /><figcaption>শহর আর প্রকৃতি। বনানী, ঢাকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/d5umwoja/209.jpeg" /><figcaption>ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রত্যেকের। নিজের জায়গাটুকু পরিষ্কার রাখার অভ্যাস থেকেই গড়ে উঠতে পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ক্যাম্পাস। এমন বার্তা সামনে রেখে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে সচেতনতামূলক আলোচনা, র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আমতলায় পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রিন বিএইউ–ক্লিন বিএইউ’–এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/gl0d90gg/210.jpg" /><figcaption> শহর মানে জীবনের আকাশকুসুম ভিন্নতা। ২ নম্বর গেট, চট্টগ্রাম</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>‘বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় কেউ নামতে পারিনি’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/clbj5jtxhj</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/clbj5jtxhj#comments</comments><guid isPermaLink="false">1e514a76-b6a7-443d-b555-41b8cedbc112</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:09:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:09:36.348Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  আজ সকাল ১০টার দিকে সাজিদ ও তাঁর আট বন্ধু কাপ্তাই যান। হাতমুখ ধুতে গিয়ে সাজিদ পা পিছলে নদীতে পড়ে স্রোতের টানে ভেসে যান।    ]]></description><media:keywords>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,পার্বত্য চট্টগ্রাম,দুর্ঘটনা,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম বিভাগ,রাঙামাটি</media:keywords><media:content height="694" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/e8rtmxkk/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-16.41.48.jpeg" width="581"><media:title type="html"><![CDATA[ কর্ণফুলী নদীতে ডুবে নিহত সাজিদ শাহরিয়ার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/e8rtmxkk/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-16.41.48.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>​রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার সীতারঘাট এলাকায় পা পিছলে তিনি নিখোঁজ হন। পরে বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা কর্ণফুলী নদী থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।</p><p>নিহত শিক্ষার্থীর নাম মো. সাজিদ শাহরিয়ার (২৪)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে কাপ্তাই বেড়াতে এসেছিলেন।</p><p>নিহত সাজিদ শাহরিয়ারের সহপাঠী নাজমুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে সাজিদ ও তাঁর আট বন্ধু কাপ্তাই যান। এরপর তাঁরা কাপ্তাই সীতা পাহাড় ট্র্যাকিংয়ে যান। পাহাড় থেকে ফিরে তাঁরা কর্ণফুলী নদীতে হাত মুখ ধুতে যান। এ সময় সাজিদ পা পিছলে নদীতে পড়ে স্রোতের টানে ভেসে যান।</p><p>এ দুর্ঘটনার পর সাজিদের বন্ধুদের আহাজারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে সাজিদের এক বন্ধুকে দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে শোনা যায়। আলোকিত কাপ্তাই নামের একটি ফেসবুক পেজে এ ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওতে সাজিদের এক বন্ধুকে বলতে শোনা যায়, ‘হঠাৎ পা পিছলে সাজিদ পানিতে পড়ে যায়। এরপর সে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। কিন্তু আমরা কেউ সাঁতার জানি না। এ কারণে আমরা নদীতে নেমে তাঁকে বাঁচাতে পারিনি।’</p><p>​কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বেলা দুইটার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৪০ ফুট দূরে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল গঠন কেন জরুরি</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/wlxxk9qt0r</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/wlxxk9qt0r#comments</comments><guid isPermaLink="false">86157b5b-d445-4639-9d3f-0dafed0088ff</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:07:18 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:07:18.409Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সৈয়দ আবদুল হামিদ</atom:name><atom:uri>/api/author/2449236</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ থাইল্যান্ড, ভারতসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে ইনপুটভিত্তিক অর্থায়নের পাশাপাশি আউটপুট ও ফলাফলভিত্তিক অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ]]></description><media:keywords>স্বাস্থ্যসেবা</media:keywords><media:content height="511" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/q0r8g54v/denguvaccine.jpg" width="764"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশে কেউ অসুস্থ হলে পরিবারের ব্যয় অনেক বেড়ে গেছো ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/q0r8g54v/denguvaccine.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ধরা যাক, কোনো সরকারি হাসপাতালে জরুরি একটি ওষুধ বা চিকিৎসাসামগ্রী প্রয়োজন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট লাইন আইটেমে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই, অথবা বরাদ্দকৃত অর্থ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। অথচ হাসপাতালের অন্য কোনো লাইন আইটেমে বরাদ্দ করা অর্থ অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেই অর্থ প্রয়োজনীয় খাতে ব্যবহার করাও সহজ নয়। কারণ, আমাদের বাজেট–ব্যবস্থা মূলত নির্দিষ্ট লাইন আইটেমে অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল।</p><p>এক খাত থেকে অন্য খাতে অর্থ স্থানান্তর করতে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা অর্থের নিছক অভাব নয়; সমস্যা হলো প্রয়োজনের সময় অর্থ ব্যবহারের নমনীয়তার অভাব।</p><p>এই সমস্যা আরও প্রকট হয়, যখন কোনো হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাযন্ত্র হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় কিংবা বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো দুর্যোগে অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন তৈরি হয়।</p><p>এসব পরিস্থিতি বাজেট প্রণয়নের সময় আগাম নির্ভুলভাবে অনুমান করা সম্ভব নয়। তখন দ্রুত ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী, জনবল, পরিবহন বা অন্যান্য সম্পদের প্রয়োজন হতে পারে। প্রচলিত লাইন-আইটেমনির্ভর বাজেট–কাঠামোর মধ্যে এসব প্রয়োজন দ্রুত মেটানো কঠিন।</p><p>বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য খাতের অর্থ ব্যবস্থাপনার একটি বড় দুর্বলতা এখানেই। আমাদের স্বাস্থ্য বাজেট এখনো মূলত ইনপুট–ভিত্তিক ও লাইন-আইটেমনির্ভর। জনবল, যন্ত্রপাতি, ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী, রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন খাতে আলাদা আলাদা বরাদ্দ থাকে। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্থ থাকলেও প্রয়োজনের সময় সেটি প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা অনেক সময় সম্ভব হয় না।</p><p>এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আরও একটি মৌলিক সমস্যা। আমরা সাধারণত হিসাব করি, কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং কত টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিই, সেই অর্থে কতজন মানুষ সেবা পেলেন, কত দ্রুত পেলেন, সেবার মান কেমন ছিল এবং শেষ পর্যন্ত রোগীর কী ফলাফল হলো।</p><p>ফলে বরাদ্দকৃত অর্থ পুরোপুরি ব্যয় করাই অনেক সময় দক্ষতার প্রধান সূচক হয়ে দাঁড়ায়। অথচ অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে কতটা কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা তৈরি হলো, সেটিই হওয়া উচিত মূল বিবেচনা।</p><p>অর্থাৎ আমাদের প্রয়োজন শুধু ব্যয় করার সক্ষমতা নয়; প্রয়োজন অর্থকে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যফলে রূপান্তর করার সক্ষমতা।</p><blockquote>এখনই জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল গঠনের উপযুক্ত সময়। চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ব্লক বরাদ্দ হিসেবে যে অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার একটি অংশ দিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিলের যাত্রা শুরু হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা</blockquote><p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য অর্থায়নে এ ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ড, ভারতসহ কয়েকটি দেশে ইনপুট–ভিত্তিক অর্থায়নের পাশাপাশি আউটপুট ও ফলাফলভিত্তিক অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর জন্য শুধু বাজেটপদ্ধতির পরিবর্তন নয়, নতুন আইন ও প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলা হয়েছে। থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সিকিউরিটি অফিস এবং ভারতের ন্যাশনাল হেলথ অথরিটি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।</p><p>বাংলাদেশেও স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির (এসএসকে) মাধ্যমে আউটপুট–ভিত্তিক অর্থায়নের একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠনের একটি রূপরেখাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এসব উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।</p><p>তাহলে কি বর্তমান বাজেট–ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করতে হবে? না। বরং প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি একটি নমনীয়, জরুরি ও ফলাফলভিত্তিক অর্থায়নব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্যই বাংলাদেশে একটি জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল গঠন করা প্রয়োজন।</p><p>প্রথমেই এ জন্য একটি পৃথক ‘জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল আইন’ প্রণয়ন করা যেতে পারে। আইনে তহবিলের উদ্দেশ্য, অর্থের উৎস, অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্র, অর্থ ছাড়ের নিয়ম, জরুরি ক্রয়, প্রয়োজনে বেসরকারি খাত থেকে সেবা কেনা, নিরীক্ষা ও জবাবদিহির বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। তহবিল পরিচালনার জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ (যেমন ন্যাশনাল হেলথ ফান্ড অথরিটি, ন্যাশনাল হেলথ প্রটেকশন অথরিটি বা ন্যাশনাল হেলথ কমিশন) গঠন করা যেতে পারে।</p><p>তহবিলের অর্থের উৎসও হতে পারে বহুমুখী। জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট অংশ দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতসহ অন্যান্য সম্ভাব্য উৎস বিবেচনা করা যেতে পারে। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের অর্জিত রাজস্বের একটি বড় অংশ (প্রায় ৫৬ শতাংশ) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, ফি এবং স্পেকট্রাম চার্জের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা হয়। এই খাত থেকে সরকারের বিদ্যমান রাজস্ব আহরণ কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে, এর মধ্যে অতিরিক্ত ১-২ শতাংশ পয়েন্ট স্বাস্থ্য তহবিলের জন্য নির্দিষ্টভাবে বরাদ্দ করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। মোবাইল যোগাযোগ বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এর ব্যবহার ব্যাপক হওয়ায় তুলনামূলকভাবে সামান্য অতিরিক্ত বরাদ্দ থেকেও একটি টেকসই ও পূর্বানুমেয় স্বাস্থ্য অর্থায়নের উৎস তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। </p><p>ওষুধশিল্প, ব্যাংক, বিমা, বেসরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সিএসআর তহবিলের একটি অংশও এ তহবিলে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। উন্নয়ন সহযোগী, ফাউন্ডেশন, ব্যক্তি ও প্রবাসীদের স্বেচ্ছা অবদানও এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।</p><p>তবে জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হবে নমনীয়তা ও জবাবদিহির মধ্যে ভারসাম্য। প্রচলিত বাজেট থাকবে হাসপাতালের নিয়মিত ব্যয়ের জন্য, যেমন বেতন-ভাতা, নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী, রক্ষণাবেক্ষণ, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয়। আর জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল থেকে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে হাসপাতালগুলোকে ব্লক গ্র্যান্ট দেওয়া যেতে পারে, যা নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় জরুরি, অনির্ধারিত ও স্থানীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ব্যয়ে নমনীয়ভাবে ব্যবহার করা যাবে।</p><p>এখানেই যুক্ত হবে আউটপুট ও ফলাফলভিত্তিক অর্থায়ন। কত টাকা খরচ হয়েছে, তার পাশাপাশি কতজন রোগী সেবা পেলেন, জরুরি সেবা কত দ্রুত দেওয়া হলো, প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা কেমন, রোগীর অপেক্ষার সময় কত, নির্ধারিত মানের সেবা কতটা নিশ্চিত হলো এবং স্বাস্থ্যগত ফলাফল কী—এসব সূচক বিবেচনায় নিয়ে অর্থ বরাদ্দ ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শুধু রোগীর সংখ্যা নয়; সেবার পরিমাণ, গুণগত মান ও ফলাফল—তিনটিই বিবেচনায় আসতে হবে।</p><p>একই সঙ্গে কোনো সরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট সেবা দেওয়ার সক্ষমতা না থাকলে অনুমোদিত ও মানসম্মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে সেই সেবা কেনার সুযোগও থাকতে হবে। আর তহবিলের মধ্যে একটি পৃথক জরুরি স্বাস্থ্য তহবিল রাখা যেতে পারে, যাতে রোগের প্রাদুর্ভাব বা বড় দুর্যোগের সময় পূর্বনির্ধারিত নিয়মে দ্রুত অর্থ ছাড় করা যায়।</p><p>তবে নমনীয়তা কোনোভাবেই অনিয়মের সুযোগ নয়; বরং এ ব্যবস্থায় জবাবদিহি আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিটি টাকার ‘বরাদ্দ&gt;ব্যয়&gt;সেবা&gt; ফলাফল’ ধারাটি ডিজিটালভাবে অনুসরণ করা যেতে পারে। একটি উন্মুক্ত ড্যাশবোর্ডে প্রকাশ করা যেতে পারে, কে কত টাকা পেলেন, কী কাজে ব্যয় করলেন এবং তার বিনিময়ে কী সেবা ও ফলাফল অর্জিত হলো। আর্থিক নিরীক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজন হবে পারফরম্যান্স অডিট, যাতে শুধু অর্থ নিয়ম মেনে খরচ হয়েছে কি না, তা নয়; নির্ধারিত ফলাফল অর্জিত হয়েছে কি না, সেটিও মূল্যায়ন করা যায়।</p><p>বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা তাই শুধু অর্থের ঘাটতি নয়; বড় সমস্যা হলো, যেখানে যখন অর্থের প্রয়োজন, সেখানে তখন তা দ্রুত ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে না পারা। আমাদের স্বাস্থ্য অর্থায়নের দর্শনেও পরিবর্তন দরকার। প্রশ্ন শুধু ‘কত টাকা খরচ হলো’ নয়; প্রশ্ন হওয়া উচিত, ‘সেই অর্থে কতটা স্বাস্থ্যসেবা তৈরি হলো এবং মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন এল?’</p><p>জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে। এর মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত অর্থ ব্যবহার, জরুরি পরিস্থিতিতে অর্থের দ্রুত প্রবাহ এবং সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে অর্থায়নকে রোগীর প্রয়োজন ও স্বাস্থ্যফলের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব। শেষ পর্যন্ত স্বাস্থ্য বাজেটের সাফল্য কত টাকা ব্যয় হলো দিয়ে নয়; সেই অর্থে কত মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষিত হলো, তা দিয়ে পরিমাপ করা উচিত। </p><p>এখনই জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিল গঠনের উপযুক্ত সময়। চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ব্লক বরাদ্দ হিসেবে যে অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার একটি অংশ দিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য তহবিলের যাত্রা শুরু হোক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। </p><ul><li><p><strong>সৈয়দ আবদুল হামিদ</strong> অধ্যাপক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</p></li><li><p><em>মতামত লেখকের নিজস্ব</em></p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>সাবেক প্রধানসহ সিটিটিসির ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/ks5cbz6yz1</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/ks5cbz6yz1#comments</comments><guid isPermaLink="false">c73c4b35-850a-4761-973c-f23234bd5910</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:06:29 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:06:29.074Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিটিটিসির সাবেক প্রধান মো. আসাদুজ্জামানসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। মামলার অপর আসামি সিটিটিসির সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ গ্রেপ্তার আছেন।]]></description><media:keywords>মানবতাবিরোধী অপরাধ,নির্যাতন,গুম,আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল,আওয়ামী লীগ,হত্যা</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/z15xtzou/3.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/z15xtzou/3.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গুম, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাবেক প্রধান মো. আসাদুজ্জামানসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।</p><p>বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ রোববার এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p><p>এই মামলায় মোট আসামি ৫। আসাদুজ্জামান ছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা সিটিটিসির অপর তিন আসামি হলেন সাবেক পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক মো. মেজবাহ উদ্দিন আহাম্মেদ ও সাবেক এসআই তৌহিদুল ইসলাম সুমন। এ ছাড়া এই মামলায় আরেক আসামি সিটিটিসির সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ গ্রেপ্তার আছেন।</p><p>আগামী ২২ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি দিন ধার্য করা হয়েছে। সেদিন এই মামলার গ্রেপ্তার আসামি ইশতিয়াককে হাজির করতে বলা হয়েছে। অপর চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে হাজির করতে বলা হয়েছে।</p><p>আজ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।</p><p>আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে মো. ফখরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, মো. দ্বীন ইসলাম, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন ও মো. সুরুজ্জামানকে সিটিটিসির সপ্তম তলায় গোপন বন্দিশালায় গুম করে রাখা হয়। এ ছাড়া গাজীপুর মহানগরের ইবনে মাসউদ মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল হোসেন আল-আমিনকে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে গুম করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাতীয় জাদুঘরে টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য উদ্‌যাপনে চার দিনের আয়োজন</title><link>https://www.haal.fashion/arrangement/event/x25ol4ot6v</link><comments>https://www.haal.fashion/arrangement/event/x25ol4ot6v#comments</comments><guid isPermaLink="false">3412a31a-acfc-400e-940a-9ae1113c8a6b</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:03:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:03:46.254Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফ্লোরিডা শুভ্রা রোজারিও</atom:name><atom:uri>/api/author/1645162</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক টাঙ্গাইল শাড়ি। এই ঐতিহ্য উদ্‌যাপন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন (বিএনসিইউ), বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন শুরু হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে আজ রোববার চলছে আয়োজনের দ্বিতীয় দিন।]]></description><media:keywords>ঐতিহ্য,শাড়ি,টাঙ্গাইল</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/xd4ugyxy/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.14-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/xd4ugyxy/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.14-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইভেন্ট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক টাঙ্গাইল শাড়ি। এই ঐতিহ্য উদ্‌যাপন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন (বিএনসিইউ), বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন শুরু হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে আজ রোববার চলছে আয়োজনের দ্বিতীয় দিন।</p><p>বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ টাঙ্গাইল শাড়ি। এই ঐতিহ্যকে উদ্‌যাপন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন (বিএনসিইউ), বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন ‘হেরিটেজ, হারমনি, হ্যান্ডলুম: সেলিব্রেটিং দ্য লিগ্যাসি অব টাঙ্গাইল তাঁত’ শুরু হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/m8ygltv9/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.26-PM.jpeg" /></figure><p>বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে চলছে টাঙ্গাইল শাড়ির এই বিশেষ প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে তথ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন। গ্যালারি–সংলগ্ন লবিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী তাঁত মেলা। টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের নানা দিক তুলে ধরা এই আয়োজন ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।</p><p>গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজনটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, তাঁতিদের জীবনমান উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা এবং এই ঐতিহ্য সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।<br>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংস্কৃতি–বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম টাঙ্গাইল শাড়ির ইউনেসকো স্বীকৃতির পেছনের সাফল্যের গল্পের পাশাপাশি তাঁতিদের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/a69u61ne/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.19-PM.jpeg" /></figure><p>তিনি বলেন, ‘যাঁরা এই স্বীকৃত শিল্পের কারিগর, তাঁদের সম্মাননা দেওয়ার বিষয়টি আমাদের নিজেদের জন্যও সম্মানের। একই সঙ্গে এটি আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দেয়। এই শিল্প ও শিল্পীদের সুরক্ষা ও তাঁদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা একটি গুরুদায়িত্ব হিসেবে আমাদের সামনে উঠে আসে।’</p><p>বিশেষ অতিথি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান আলিফ রুদাবা তাঁতশিল্পীদের জ্ঞান সংরক্ষণ ও তাঁদের আত্মমর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ঐতিহ্য টিকে থাকবে তখনই, যখন ঐতিহ্যের ধারকরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবেন। তাঁতের প্রতিটি নকশা আমাদের পরিচয়ের কথা বলে। তাঁতশিল্পীকে বাঁচাতে হলে শুধু শাড়িকে সংরক্ষণ করলে হবে না, শাড়ি তৈরির জ্ঞান ও দক্ষতাকে সংরক্ষণ করতে হবে।’</p><p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন। তিনি হস্তশিল্পের এই বিশাল ঐতিহ্যকে আধুনিক যুগের পটভূমিতে মূল্যায়নের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সাবভীনা মনীর চিঠি সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে টাঙ্গাইল শাড়ির সঙ্গে বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ajd2ikt9/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.14-PM.jpeg" /></figure><p>তিনি বলেন, ‘টাঙ্গাইলের শাড়ি আমাদের দেশের মেয়েদের অতি পরিচিত পরিধেয়। অতি পরিচিত ও আপন বলেই বোধ হয় আমরা এর সমাদর করতে ভুলে যাই। অথচ আমাদের দৈনন্দিন যাপনের অনুষঙ্গগুলোই আমাদের আত্মপরিচয় নির্মাণের অন্যতম উপাদান।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/esb87usf/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-3.18.29-PM.jpeg" /></figure><p>অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনেসকো ঢাকা অফিসের প্রধান সুজান ভাইস। আয়োজকেরা জানান, চার দিনব্যাপী এই বিশেষ আয়োজন চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য, তাঁতিদের জীবন ও তাঁদের সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে দর্শনার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দেশীয় ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও গভীরভাবে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অপ্রতিমের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/ezb5b49kte</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/ezb5b49kte#comments</comments><guid isPermaLink="false">bdf05309-210e-43a4-b716-a37a6cf73e9d</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:01:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:01:16.632Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সালাহউদ্দিন আহমেদ,অপ্রতিম হত্যা,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/akgwgjir/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/akgwgjir/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/D4HDXrAIPeA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>পৃথিবীর সরে যাওয়া ভরকেন্দ্রের নিখুঁত হিসাব বের করেছে নাসা</title><link>https://www.bigganchinta.com/space/6jh998p6ph</link><comments>https://www.bigganchinta.com/space/6jh998p6ph#comments</comments><guid isPermaLink="false">536b006d-61ae-4bf8-9813-1c1dda6b6966</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমাদ মুদ্দাসসের</atom:name><atom:uri>/api/author/1848627</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,মহাকাশ আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="839" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/pnv68rwy/1-earth-illustration-cropped.webp" width="1536"><media:title type="html"><![CDATA[ পৃথিবীর ভরের অবস্থানের পরিবর্তন হলে এর ভরকেন্দ্র জ্যামিতিক কেন্দ্রের তুলনায় সামান্য এদিক-ওদিক সরে যায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/pnv68rwy/1-earth-illustration-cropped.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>space</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দূর থেকে পৃথিবীকে দেখলে মনে হবে এটি বুঝি স্থির একটি গোলক। কিন্তু আসলে পৃথিবীর ভেতরে ও বাইরের প্রায় সবকিছুই কমবেশি নড়াচড়া করছে। সমুদ্রের পানি, বরফ, বৃষ্টি, তুষার এমনকি বাতাসের ওজনের কারণেও পৃথিবীর ভরের অবস্থান বদলায়। ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র জ্যামিতিক কেন্দ্রের তুলনায় সামান্য এদিক-ওদিক সরে যায়।</p><p>এই সরে যাওয়া ঠিক কতটুকু? নাসার বিজ্ঞানীরা নতুন এক পদ্ধতিতে এটি অত্যন্ত নির্ভুলভাবে মাপার উপায় বের করেছেন। তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, ঋতু বদলের সঙ্গে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র কয়েক মিলিমিটার এদিক-ওদিক সরে যায়।</p><p>ভরকেন্দ্রের এই নড়াচড়া কৃত্রিম উপগ্রহের অবস্থান নির্ণয়, মানচিত্র তৈরি এবং পৃথিবীর উচ্চতা মাপার মতো কাজে লাগে। এই কেন্দ্রকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স পয়েন্ট বা নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p><p>দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির (জেপিএল) নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী ঋতুভেদে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের এই নড়াচড়া আরও নিখুঁতভাবে হিসাব করার নতুন পদ্ধতি তৈরি করেছেন। তাঁদের গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে জিওফিজিক্যাল জার্নাল ইন্টারন্যাশনালে।&nbsp;</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/u436grytpb">মহাবিশ্বের ভর কত</a></aside><blockquote>বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরেই মহাকাশ ও পৃথিবীতে থাকা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের অবস্থান মাপছেন। কিন্তু কতটা নড়াচড়া হচ্ছে, তা নিয়ে আগের হিসাবগুলোতে কিছুটা পার্থক্য ছিল।</blockquote><h2><strong>পৃথিবীর ভরকেন্দ্র কেন নড়ে?</strong></h2><p>ধরা যাক একটি শক্ত নীল মার্বেল। এটির ভর যদি সব জায়গায় সমানভাবে ছড়িয়ে থাকে, তাহলে এর ভরকেন্দ্র ঠিক মাঝখানে থাকবে। পৃথিবী অবশ্য এমন না। এখানে কোথাও বিশাল সমুদ্র, কোথাও বরফের চাদর, কোথাও জমে থাকা তুষার, আবার কোথাও প্রচুর পানি বা ঘন বাতাস। ঋতু বদলের সঙ্গে এসবের পরিমাণ ও অবস্থান বদলায়। ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র জ্যামিতিক কেন্দ্রের চারপাশে সামান্য ঘুরতে থাকে। এই নড়াচড়ার পরিমাণ কয়েক মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।</p><p>বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরেই মহাকাশ ও পৃথিবীতে থাকা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের অবস্থান মাপছেন। কিন্তু কতটা নড়াচড়া হচ্ছে, তা নিয়ে আগের হিসাবগুলোতে কিছুটা পার্থক্য ছিল।</p><p>২০১৭ ও ২০২৩ সালে করা দুটি আন্তর্জাতিক হিসাবের মধ্যে পার্থক্য ছিল ০.২৭ ইঞ্চি বা ৭ মিলিমিটার। প্রায় তিনটি এক টাকার ধাতব কয়েন একটির ওপর আরেকটি রাখলে যতটা উঁচু হয়, এটি প্রায় ততটা। মজার বিষয় হলো, এই পার্থক্য পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের মোট নড়াচড়ার প্রায় সমান।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/2scncklir7">পৃথিবীর ভর কমছে নাকি বাড়ছে?</a></aside><blockquote>২০১৭ ও ২০২৩ সালে করা দুটি আন্তর্জাতিক হিসাবের মধ্যে পার্থক্য ছিল ০.২৭ ইঞ্চি বা ৭ মিলিমিটার। প্রায় তিনটি এক টাকার ধাতব কয়েন একটির ওপর আরেকটি রাখলে যতটা উঁচু হয়, এটি প্রায় ততটা।</blockquote><h2><strong>মহাকাশ থেকে ভরকেন্দ্রের নড়াচড়া যেভাবে দেখা হয়</strong></h2><p>নতুন পদ্ধতিটি তৈরি করেছেন নাসার জেপিএলের ভূবিজ্ঞানী ডোনাল্ড আরগাস। পৃথিবীর ভরকেন্দ্রকে আরও নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে তিনি কৃত্রিম উপগ্রহের অত্যন্ত নির্ভুল গতিপথের তথ্য ব্যবহার করেছেন।</p><p>মহাকর্ষের কারণে কৃত্রিম উপগ্রহগুলো স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর ভরকেন্দ্রকে ঘিরে ঘোরে। তাই উপগ্রহ ও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে থাকা মাপযন্ত্রের মধ্যকার দূরত্বে খুব সামান্য পরিবর্তন হলেও সেখান থেকে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।</p><p>এই কাজে উপগ্রহ ব্যবহার অবশ্য নতুন নয়। ১৯৭৬ ও ১৯৯২ সালে উৎক্ষেপণ করা দুটি বিশেষ উপগ্রহ পৃথিবীর ভরকেন্দ্র নির্ণয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলোর নাম লেজিওস ১ ও লেজিওস ২। প্রতিটির ওজন প্রায় ৪০৮ কেজি। দেখতে অনেকটা ধাতব বলের মতো এসব উপগ্রহের গায়ে অসংখ্য প্রতিফলক বসানো আছে। বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশে থাকা ভূ-স্টেশন থেকে লেজার পাঠিয়ে এগুলোর অবস্থান খুব নিখুঁতভাবে মাপা হয়।</p><p>তবে এই পদ্ধতির একটি সমস্যা আছে। পৃথিবীর সব জায়গায় ভূমির স্টেশন সমানভাবে ছড়িয়ে নেই।</p><p>নতুন পদ্ধতিতে তাই শুধু লেজার দিয়ে উপগ্রহের অবস্থান মাপা হয়নি। এর সঙ্গে জিপিএস এবং পৃথিবীর নিচু কক্ষপথে থাকা আরও কয়েকটি উপগ্রহের কক্ষপথের তথ্যও ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি পানি ও বরফের ওজনের কারণে পৃথিবীর ভূত্বক সামান্য বেঁকে যাওয়ার&nbsp; বিষয়টিও হিসাবের মধ্যে রাখা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/b84yssadq2">যেভাবে মাপা হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ভর</a></aside><blockquote>১৯৭৬ ও ১৯৯২ সালে উৎক্ষেপণ করা দুটি বিশেষ উপগ্রহ পৃথিবীর ভরকেন্দ্র নির্ণয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলোর নাম লেজিওস ১ ও লেজিওস ২। প্রতিটির ওজন প্রায় ৪০৮ কেজি।</blockquote><p>নতুন এই পদ্ধতি তৈরি করতে ডোনাল্ড আরগাসের সঙ্গে নাসার জেপিএল, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নেভাদা এবং ইউনিভার্সিটি অব মন্টানা এবং জার্মানির হেলমহোল্টজ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের গবেষকেরা কাজ করেছেন।</p><p>আরগাস বলেছেন, তাঁদের নতুন হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের এদিক-ওদিক নড়াচড়ার পরিমাণ আট বছর আগের ধারণার প্রায় অর্ধেক। অর্থাৎ পৃথিবীর এক গোলার্ধ থেকে অন্য গোলার্ধে যে পানি ও বাতাসের ভর স্থানান্তরিত হয়, তার পরিমাণ আগের ধারণার চেয়ে কম।</p><p>জেপিএলের গবেষক ফেলিক্স ল্যান্ডেরার বলেন, এই নড়াচড়া খুব সামান্য মনে হলেও আধুনিক পৃথিবীতে খুব নির্ভুলভাবে অবস্থান নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর বিভিন্ন রেফারেন্স সিস্টেম কীভাবে বদলায়, তা বোঝা গেলে মানচিত্র তৈরি থেকে শুরু করে নৌপরিবহনে আরও ভালোভাবে অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হবে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/4061veal4m">আলোর ভর নেই, তাহলে ভরবেগ কোত্থেকে আসে</a></aside><blockquote>আরগাস বলেছেন, তাঁদের নতুন হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের এদিক-ওদিক নড়াচড়ার পরিমাণ আট বছর আগের ধারণার প্রায় অর্ধেক।</blockquote><h2><strong>কখন ভরকেন্দ্র সরে যায়?</strong></h2><p>গবেষকেরা পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের ঋতুভিত্তিক নড়াচড়া বিশ্লেষণ করে এর কারণকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল এবং স্থলভাগের পানির ভিত্তিতে এই ভাগ করা হয়েছে। স্থলভাগের পানির মধ্যে রয়েছে বরফ, তুষার, হ্রদ ও নদীর পানি, মাটির আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ পানি।</p><p>উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ায় শীতের তুষার মার্চ মাসে সবচেয়ে বেশি জমে। এর ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র প্রায় ৩ মিলিমিটার উত্তর মেরুর দিকে সরে যায়।</p><p>এর এক মাস পর এপ্রিলে আমাজন নদীর অববাহিকায় বৃষ্টির পানি সবচেয়ে বেশি জমে। সেখানে পানির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৪০০ গিগাটনে পৌঁছায়। এর ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র প্রায় ২.২ মিলিমিটার দক্ষিণ আমেরিকার দিকে সরে যায়।</p><p>ছয় মাস পর নভেম্বরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বর্ষার পানি সর্বোচ্চ প্রায় ৬০০ গিগাটনে পৌঁছায়। এটিও পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের বার্ষিক নড়াচড়ায় সামান্য প্রভাব ফেলে।</p><p>আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে সমুদ্রে বরফ গলার পানি ও বৃষ্টির পানি জমে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বাড়ে। তখন পৃথিবীর ভরকেন্দ্র দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে সরে যায়। প্রশান্ত মহাসাগর এত বিশাল যে সেখানে পানির পরিমাণের পরিবর্তনের প্রভাব অন্য মহাসাগরগুলোর পানি কমা-বাড়ার প্রভাবকে ছাড়িয়ে যায়। তবে ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, উত্তর সাগর, বাল্টিক সাগর ও বারেন্টস সাগরের ঋতুভিত্তিক পরিবর্তনও ভরকেন্দ্রের নড়াচড়ায় কিছুটা ভূমিকা রাখে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/4x38vry1tz">সূর্যের ভর অর্ধেক হলে কি হত?</a></aside><blockquote>উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ায় শীতের তুষার মার্চ মাসে সবচেয়ে বেশি জমে। এর ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র প্রায় ৩ মিলিমিটার উত্তর মেরুর দিকে সরে যায়।</blockquote><h2><strong>বাতাসের ওজনও গুরুত্বপূর্ণ</strong></h2><p>পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের অবস্থান বদলাতে পানি বা বরফের পাশাপাশি বাতাসের ওজনেরও ভূমিকা আছে। গবেষকেরা ইউরোপীয় সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টসের তৈরি একটি মডেল ব্যবহার করে বিভিন্ন ঋতুতে বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তনের প্রভাব হিসাব করেছেন।</p><p>তাঁরা দেখেছেন, শীতের ঠান্ডা ও ঘন বাতাস প্রতিবছর প্রায় ২১ ডিসেম্বর আরব উপদ্বীপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার ওপর ভরকেন্দ্রকে সামান্য পরিমাণে একদিকে সরিয়ে দেয়। আবার প্রায় ২১ জুন দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর থাকা ঘন বাতাস ভরকেন্দ্রকে অন্যদিকে সরাতে ভূমিকা রাখে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/5cns6cty89">আলোর কি ভর আছে?</a></aside><blockquote>সামনে থাকা উপগ্রহটি যখন কোনো ভারী বা বেশি পানিযুক্ত এলাকার ওপর দিয়ে যায়, যেমন পানি বেড়ে যাওয়া কোনো নদীর অববাহিকা দিয়ে গেলে অতিরিক্ত মহাকর্ষীয় টানে সেটি সামান্য এগিয়ে যায়।</blockquote><h2><strong>মহাকর্ষের পরিবর্তনও তথ্য দেয়</strong></h2><p>গবেষণায় করা হিসাবের সঙ্গে নাসার গ্রেস-এফও মিশনের পর্যবেক্ষণেরও মিল পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা এই মিশনে দুটি উপগ্রহ রয়েছে। পৃথিবীর মহাকর্ষের টান মাসে মাসে কীভাবে বদলায়, মূলত তার মানচিত্র তৈরি করে এরা। আর এই পরিবর্তনের অন্যতম বড় কারণ হলো পৃথিবীর ওপর ও নিচে থাকা পানির ভর স্থানান্তর।</p><p>দুটি উপগ্রহ নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পাশাপাশি উড়ে চলে। সামনে থাকা উপগ্রহটি যখন কোনো ভারী বা বেশি পানিযুক্ত এলাকার ওপর দিয়ে যায়, যেমন পানি বেড়ে যাওয়া কোনো নদীর অববাহিকা দিয়ে গেলে অতিরিক্ত মহাকর্ষীয় টানে সেটি সামান্য এগিয়ে যায়। ফলে দুই উপগ্রহের মধ্যকার দূরত্বেও খুব সামান্য পরিবর্তন ঘটে। সেই পরিবর্তন মেপেই বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর পানির ভর কোথায় বাড়ছে বা কমছে, তা বুঝতে পারেন।</p><p>গ্রেস-এফও মিশনটি নাসা ও জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের যৌথ উদ্যোগ। এই মিশনের পরবর্তী ধাপ গ্রেস-সি। প্রায় ২৫ বছরের গ্রেস সিরিজের তথ্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে নতুন মিশনটি ২০২৮ সালের শেষ দিকে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য রয়েছে।</p><p>পৃথিবীতে ঋতু বদলের সঙ্গে কোথাও তুষার জমছে, কোথাও বরফ গলছে, কোথাও বৃষ্টি ও বন্যার পানি বাড়ছে, আবার কোথাও বাতাস ঘন হয়ে উঠছে। এসব বিশাল ভর যখন পৃথিবীর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরে যায়, তখন পৃথিবীর ভরকেন্দ্রও সামান্য নড়ে ওঠে। এই ক্ষুদ্র নড়াচড়াই এখন মহাকাশে থাকা উপগ্রহ আর পৃথিবীর ভূমিতে থাকা যন্ত্রের সাহায্যে মিলিমিটার পর্যন্ত মাপার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/8jv40sfth0">আলোর ভর নেই, কিন্তু ব্ল্যাকহোল একে কীভাবে টেনে ধরে </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পাকা চুলে রং করার বিধান কী</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/1xa0l1b8m3</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/1xa0l1b8m3#comments</comments><guid isPermaLink="false">7605edbd-d06c-43a3-8628-32b24db05a68</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 11:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T11:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফয়জুল্লাহ রিয়াদ</atom:name><atom:uri>/api/author/2460044</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বার্ধক্যের ছাপ গোপন করার উদ্দেশ্যে কালো খেজাব ব্যবহার করা এবং অকালপক্বতার কারণে সাদা হয়ে যাওয়া চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এক বিষয় নয়।]]></description><media:keywords>ইসলামের কথা,রঙ,ইসলামের সৌন্দর্য,আদবকেতা,মাসআলা</media:keywords><media:content height="4160" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/hlhk95ne/pexels-drector-13729347.jpg" width="6240"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/hlhk95ne/pexels-drector-13729347.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চুল মানুষের স্বাভাবিক সৌন্দর্যের একটি অংশ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলে পাক ধরা স্বাভাবিক। তবে অনেকের অল্প বয়সেই চুল সাদা হয়ে যায়। নানা কারণে এমনটি হতে পারে।</p><p>বিশেষ করে কোনো যুবতী নারীর অল্প বয়সেই চুল সাদা হয়ে গেলে তা তার স্বাভাবিক সৌন্দর্যে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। স্বামীও যদি বিষয়টি অপছন্দ করেন, তখন চুলের সাদা অংশ ঢাকার জন্য খেজাব ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তাও দেখা দিতে পারে।</p><h3>চুলে খেজাব ব্যবহারের অনুমতি

</h3><p>চুলে খেজাব ব্যবহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ নয়; বরং সাদা চুল পরিবর্তন করার ব্যাপারে নবীজি (সা.) সাহাবিদের উৎসাহ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, ‘ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা (চুল) রং করে না। অতএব, তোমরা তাদের বিরোধিতা করো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৫৫৯)</p><p>হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে সহিহ বুখারির ‘খেজাব’ অধ্যায়ে। ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) এর ব্যাখ্যায় বলেন, ‘খেজাব বলতে মাথা ও দাড়ির পাকা চুলের রং পরিবর্তনের কথা বোঝানো হয়েছে।’ (ইবনে হাজার আসকালানি, <em>ফাতহুল বারি বি-শরহি সহিহিল বুখারি,</em> ১৮/২০২, আর-রিসালাহ আল-আলামিয়্যাহ, দিমাশক, ২০১৩)</p><p>এ থেকে বোঝা যায়, সাদা চুলকে স্বাভাবিক রঙে পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ নয়। তবে কোন রং এবং কোন পরিস্থিতিতে তা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা অবশ্যই বিবেচ্য বিষয়।</p><blockquote>ফকিহরা কালো খেজাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। হানাফি ফিকহে সাদা চুল হলুদ বা লালচে রং দিয়ে রাঙানোকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে এবং (স্বাভাবিক অবস্থায়) কালো খেজাবকে হারাম বলা হয়েছে।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/মহানবী-সা-এর-পছন্দের-রং">মহানবী (সা.)-এর পছন্দের রং</a></aside><h3>কালো খেজাব নিয়ে সতর্কতা

</h3><p>কালো খেজাবের বিষয়ে কিছু হাদিসে সতর্কবাণী এসেছে। মক্কা বিজয়ের দিন আবু কুহাফাকে নবীজির কাছে আনা হলে তাঁর মাথা ও দাড়ি অত্যন্ত সাদা ছিল। তখন নবীজি (সা.) বলেন, ‘এটি কোনো কিছু দিয়ে পরিবর্তন করো এবং কালো রং থেকে বিরত থাকো।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১০২)</p><p>এ কারণেই ফকিহরা কালো খেজাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। হানাফি ফিকহে সাদা চুল হলুদ বা লালচে রং দিয়ে রাঙানোকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে এবং (স্বাভাবিক অবস্থায়) কালো খেজাবকে হারাম বলা হয়েছে। (রদ্দুল মুহতার আলা আদ-দুররিল মুখতার, ১০/৪৮৮, দারু আলামিল কুতুব, রিয়াদ, ২০০৩)</p><h3>অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে

</h3><p>কালো খেজাবের নিষেধাজ্ঞার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এর মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক বার্ধক্যের ছাপ গোপন করা। প্রবীণ ব্যক্তি কালো খেজাব ব্যবহার করলে তার পাকা চুল ও বার্ধক্যের চিহ্ন আড়াল হয়ে যায়।</p><p>কিন্তু অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সেখানে বার্ধক্য গোপন করার বিষয়টি থাকে না; বরং স্বাভাবিক বয়সের আগেই সাদা হয়ে যাওয়া চুলকে স্বাভাবিক সৌন্দর্যে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্য থাকে।</p><p>এ পার্থক্যের প্রতি ইঙ্গিত পাওয়া যায় তাবেয়ি ইবনে শিহাব জুহরি (রহ.)-এর বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘চেহারায় যখন যৌবনের সতেজতা ছিল, তখন আমরা কালো খেজাব ব্যবহার করতাম। অতঃপর যখন চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ ফুটে উঠল এবং দাঁত দুর্বল হয়ে পড়ল, তখন তা ছেড়ে দিয়েছি।’ (ইবনে হাজার আসকালানি, <em>ফাতহুল বারি বি-শরহি সহিহিল বুখারি,</em> ১৮/২০৩, আর-রিসালাহ আল-আলামিয়্যাহ, দিমাশক, ২০১৩)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/ar62men995">কাবিনে দেনমোহর বাড়িয়ে লেখা: ইসলামের বিধান কী</a></aside><blockquote>বার্ধক্যের ছাপ গোপন করার উদ্দেশ্যে কালো খেজাব ব্যবহার করা এবং অল্প বয়সে অকালপক্বতার কারণে সাদা হয়ে যাওয়া চুল ঢেকে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এক বিষয় নয়।</blockquote><p>অতএব, বার্ধক্যের ছাপ গোপন করার উদ্দেশ্যে কালো খেজাব ব্যবহার করা এবং অল্প বয়সে অকালপক্বতার কারণে সাদা হয়ে যাওয়া চুল ঢেকে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এক বিষয় নয়। অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে তাই কালো খেজাব ব্যবহারের অবকাশ রয়েছে।</p><p>এই অবকাশের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের প্রেক্ষাপটও সংগতিপূর্ণ। বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য সুন্দর ও পরিপাটি থাকার চেষ্টা করবেন। এটি ইসলামি দাম্পত্য জীবনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। আর বৈধ উপায়ে নিজেকে আকর্ষণীয় রাখা দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও প্রীতিময় করে তোলে।</p><p>তাই কোনো নারীর অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে এবং স্বামী তা অপছন্দ করলে, বৈধ পদ্ধতিতে চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা দাম্পত্য জীবনের সৌন্দর্যের পরিপন্থী নয়। এমন ক্ষেত্রে নারীর জন্যও কালো খেজাব ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। (রদ্দুল মুহতার আলা আদ-দুররিল মুখতার, ১০/৪৮৮, দারু আলামিল কুতুব, রিয়াদ, ২০০৩)</p><h3>সবচেয়ে নিরাপদ পন্থা

</h3><p>কালো খেজাবের ব্যাপারে যেহেতু হাদিসে সতর্কতা রয়েছে, তাই যুবতীদের জন্যও কালোর সঙ্গে মেহেদি বা লালচে রং মিশিয়ে ব্যবহার করা উত্তম এবং অধিক সতর্কতাপূর্ণ।</p><p>এতে একদিকে অল্প বয়সে পেকে যাওয়া চুলের সৌন্দর্যগত সমস্যা দূর হবে, অন্যদিকে কালো রং সম্পর্কে বর্ণিত সতর্কতার প্রতিও যতটা সম্ভব আমল করা হবে।</p><ul><li><p><em><strong>ফয়জুল্লাহ রিয়াদ :</strong> মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস সুন্নাহ রাজাবাড়ী, ঢাকা</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/59tpgq93be">দাড়ি কেন রাখতে বলে ইসলাম</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মাঝপথে সংবিধান সংশোধন কমিটির সভা বর্জন করল রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/7711rzseiw</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/7711rzseiw#comments</comments><guid isPermaLink="false">1b522ba0-a78d-42ca-b10c-5108d00f1f5e</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:57:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:57:11.162Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সভায় জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সরকারবিরোধীরা এই মতবিনিময়ে অংশ নেয়নি।]]></description><media:keywords>জাতীয় সংসদ,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,বিরোধী দল,সভা,রাষ্ট্র সংস্কার,সংস্কার,জুলাই সনদ</media:keywords><media:content height="1084" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5pw1l64r/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-4.42.58-PM.jpeg" width="902"><media:title type="html"><![CDATA[ বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম। ২০ সেপ্টেম্বর]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5pw1l64r/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-4.42.58-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা মাঝপথে বর্জন করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।</p><p>আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে ওই মতবিনিময় সভা শুরু হয়। সভায় জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সরকারবিরোধীরা এই মতবিনিময়ে অংশ নেয়নি।</p><p>বৈঠকে যোগ দিয়ে মাঝপথে বের হয়ে আসেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দুই প্রতিনিধি। এ সময় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম প্রথম আলোকে বলেন, এই মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তাঁরা সংবিধান সংস্কার–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করার প্রতিবাদ জানিয়ে বের হয়ে এসেছেন। পাশাপাশি তাঁরা বৈঠকে একটি দাবিও তুলে ধরেছেন বলে জানান। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করার কথা বলা হয়েছিল, সেই সময়সীমা এখনো আছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেন সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হয়।</p><p>বৈঠকের আলোচ্যসূচির একটি ‘জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতৃবৃন্দের সাথে কমিটির মতবিনিময়’। এর আগে বিশেষ কমিটির পক্ষ থেকে দল ও জোটগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ের দুজন করে প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/5w1rpmnudt">বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে, যোগ দেয়নি জামায়াতসহ বিরোধী দল</a></aside><p>গত ৪ আগস্ট বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে রাজনৈতিক দল, সংবিধানবিশেষজ্ঞ, আইনজীবী ও গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। মতবিনিময়ে দল ও জোটের প্রতিনিধিদের সংবিধান সংশোধন বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>তবে গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে বিরোধী দল। এটি গঠন না করায় সংবিধান সংশোধন–সংক্রান্ত সরকারি কোনো উদ্যোগের অংশ হতে চায় না তারা। সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিতেও বিরোধী দল প্রতিনিধি দেয়নি। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের যেসব শরিক দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব নেই, তারাও সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবে অংশ হতে চায় না।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ময়মনসিংহ ও দৌলতদিয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা দুই বাসে আগুন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e8i66kgiv4</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e8i66kgiv4#comments</comments><guid isPermaLink="false">df2fb0c7-dc30-413b-ba9a-7bd4d49c4fbb</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:56:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:56:47.599Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সিসিটিভি ক্যামেরা,আটক,ফায়ার সার্ভিস,ময়মনসিংহ বিভাগ,দৌলতদিয়া</media:keywords><media:content height="828" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ploq7eqg/mymensingh.jpg" width="1080"><media:title type="html"><![CDATA[ ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা বাসটার্মিনালের সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ploq7eqg/mymensingh.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ময়মনসিংহ নগরীতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া বাসটার্মিনালে পার্কিং করা একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে বাস দুটিতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।</p><p>ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা বাসটার্মিনালের সামনের সড়কে ‘সৌখিন পরিবহন’–এর একটি বাস দাঁড় করিয়ে রেখে চালক ও হেলপার বাসায় চলে যান। দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন।</p><p>ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানিয়েছে, দুটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের একটি দল বাসটিতে আগুন দেয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মাসকান্দা এলাকা থেকে মো. পিয়াস (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, রাত ১২টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ৮ মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয়। তিনি আরও জানান, আগুনে বাসটির সব কটি আসন এবং ইঞ্জিনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বাসের নিচের অংশ ও টায়ারগুলো অক্ষত রয়েছে। আগুনের তাপে বাসের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারও দুই-তিনটি স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/8yhewm8r/rajbari.jpg" /><figcaption>রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া বাসটার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটি পুরোপুরি পুড়ে যায়</figcaption></figure><p>কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাস্থলে দুটি মোটরসাইকেলে চারজনকে দেখা গেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p><p>ময়মনসিংহ পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আলমগীর মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ফ্যাসিস্টরা নাশকতা করতে পারে, সে আশঙ্কা থেকে বাস টার্মিনালের ভেতরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সৌখিন পরিবহনের বাসটি সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল, সেটিতে আগুন দেওয়া হয়। আগুন দেওয়ার সময় বাসটির ভেতরে কেউ ছিল না।</p><h3>বাসায় গিয়ে চালক শোনেন বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে

</h3><p>গতকাল রাত একটার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাসটার্মিনালে পার্কিং করা ‘মা ক্লাসিক্যাল’ পরিবহনের একটি লোকাল বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাসশ্রমিকদের ধারণা, দুর্বৃত্তরা গানপাউডার জাতীয় কোনো পদার্থ ব্যবহার করে আগুন দিয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নেভান।</p><p>টার্মিনালে থাকা শ্রমিকেরা জানান, রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের আওতাধীন মা ক্লাসিক্যাল পরিবহনের বাস দৌলতদিয়া-কুষ্টিয়া রুটে চলাচল করে। গতকাল রাতে ট্রিপ শেষে দৌলতদিয়া টার্মিনালে বাসটি পার্কিং করে রাখা হয়। রাত একটার দিকে হঠাৎ বাসটির পেছন থেকে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁরা দ্রুত গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেন।</p><p>ওই বাসের চালক উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, কুষ্টিয়া থেকে ট্রিপ মারা শেষে গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বাসটি দৌলতদিয়া টার্মিনালে রাখেন। সহকারীকে সবকিছু দেখে তালা মারার কথা বলে সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি রাজবাড়ীর বানিবহর বাড়ি চলে যান। রাত দেড়টার দিকে তাঁর কাছে স্থানীয় লোকজন ফোন করে বাসে আগুন লাগার বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ঘাটে এসে দেখেন বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বাসের ভেতর কেউ ছিলেন না, এমনকি দরজাও তালাবদ্ধ ছিল।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বাসচালক বলেন, বাসটির পেছন থেকে স্থানীয় লোকজন হঠাৎ আগুন দেখতে পান। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ বাসটি পুড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে আগুন লাগলে এত দ্রুত বাসটি পোড়ার কথা না। তাঁদের ধারণা, দুর্বৃত্তরা গানপাউডার জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করায় দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ বাসটি পুড়ে যায়।</p><p>গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাত একটার কিছুক্ষণ পরই আমরা খবর পাই। এ সময় বাস থেকে কয়েক গজ দূরে স্থানীয় কাঁচাবাজারের সামনে টহলরত পুলিশ ছিল। দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অন্য বাসগুলো সরিয়ে ফেলেন। বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ময়মনসিংহে বর্ণিল আয়োজনে নকরেক আইটির দশম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/0vkqw6p4ut</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/0vkqw6p4ut#comments</comments><guid isPermaLink="false">4756f335-6533-42e0-8ead-c32531dea995</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:48:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:48:30.807Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রতিষ্ঠার ১০ বছর উদ্‌যাপন করেছে নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট। ]]></description><media:keywords>সম্মাননা,ফ্রিল্যান্সিং,উদযাপন,প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান</media:keywords><media:content height="1670" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/da65h23v/nokrek-it.jpeg" width="2969"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রতিষ্ঠার ১০ বছর উদ্‌যাপন করেছে নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/da65h23v/nokrek-it.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>প্রযুক্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ফুটবল প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পাশাপাশি সফল ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তাদের সম্মাননা দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ১০ বছর উদ্‌যাপন করেছে নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট। গত শুক্রবার ময়মনসিংহের নটর ডেম কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও অতিথিরা অংশ নেন।</p><p>আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন নটর ডেম কলেজ ময়মনসিংহের অধ্যক্ষ ফাদার থাদিউস হেম্ব্রম। অনুষ্ঠানে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অরন্য চিরান, কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম, প্রথম আলোর অপারেশনস ম্যানেজার শ্যামল সরকার, ফাদার মৃণাল ম্রং ও নকরেক আইটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুবীর নকরেক উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে তাহসীন আরা, মুনমুন নকরেক, দীপু ভৌমিক ও কাজল চিসিমকে ফ্রিল্যান্সার–উদ্যোক্তা সম্মাননা দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের ফ্রিল্যান্সারদের কথা নিয়মিত তুলে ধরায় কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলামকে ‘ভয়েস অব ফ্রিল্যান্সার্স’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।</p><p>সমাপনী বক্তব্যে সুবীর নকরেক বলেন, ‘সংগ্রাম আমাদের জীবনেরই অংশ। বাধা আসবে, কিন্তু তা মোকাবিলা করার মানসিকতাই আমাদের সামনে নিয়ে যাবে।’</p><p>প্রসঙ্গত, সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পর নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট চালু করেন সুবীর নকরেক। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন জেলায় সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ তরুণ–তরুণীকে আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ দিয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সুপারমডেলদের ভিড়ে নজর কাড়লেন সঙ্গীতা বিজলানি, ৬৬ বছর বয়সে র‍্যাম্পে নতুন চমক</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/style/si9sy32gb7</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/style/si9sy32gb7#comments</comments><guid isPermaLink="false">e2a77d4e-7eeb-435b-b98e-4ad748207339</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:48:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:48:08.267Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বয়সের সংখ্যা নয়, আত্মবিশ্বাস আর স্টাইলই যেন সঙ্গীতা বিজলানির নতুন ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। দিল্লি টাইমস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিন মন্দিরা ওয়ার্কের শোস্টপার হয়ে র‍্যাম্পে ফিরলেন এই সাবেক মডেল ও বলিউড অভিনেত্রী।]]></description><media:keywords>বলিউড তারকা,মডেল, ফ্যাশন উইক</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/u7pvm76w/Shangita-L.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/u7pvm76w/Shangita-L.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>স্টাইল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বয়সের সংখ্যা নয়, আত্মবিশ্বাস আর স্টাইলই যেন সঙ্গীতা বিজলানির নতুন ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। দিল্লি টাইমস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিন মন্দিরা ওয়ার্কের শোস্টপার হয়ে র‍্যাম্পে ফিরলেন এই সাবেক মডেল ও বলিউড অভিনেত্রী।</p><p>দিল্লির ফ্যাশন মঞ্চে আবারও নজর কাড়লেন সঙ্গীতা বিজলানি। দিল্লি টাইমস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিন ডিজাইনার মন্দিরা ওয়ার্কের শোস্টপার হিসেবে র‍্যাম্পে হাঁটলেন তিনি। ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে আয়োজিত তিন দিনের এই ফ্যাশন উইকের টাইটেল স্পনসর টাইমেক্স।</p><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/DdfAeB4Tw28/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/DdfAeB4Tw28/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/DdfAeB4Tw28/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by Times Fashion Week (@timesfashionweek)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><p>শোস্টপার হিসেবে সঙ্গীতার উপস্থিতি ছিল মন্দিরা ওয়ার্কের দীর্ঘ ফ্যাশন-যাত্রার সঙ্গে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এক সংযোগ। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ca9ja6h9/image-1871373.jpg" /></figure><p>মন্দিরা ওয়ার্ক ২০০০ সালে নিজের লেবেল শুরু করেন এবং গত দুই দশকের বেশি সময়ে কতুর, রিসোর্টওয়্যার, ইন্ডিয়ানওয়্যার ও মেন্সওয়্যারসহ বিভিন্ন পরিসরে নিজের ডিজাইন-ভাষা তৈরি করেছেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/244mfpkj/image-9919890.jpg" /></figure><p>তাঁর লেবেলের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত তিনি ১০০টির বেশি রানওয়ে শো ও বিশেষ প্রেজেন্টেশনে অংশ নিয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/15atc8rs/image-7058488.jpg" /></figure><p>আয়োজনটির দ্বিতীয় দিন সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতারই উদ্যাপন করেছে মন্দিরা ওয়ার্কের নতুন কালেকশন। ২৬ বছরের বিবর্তন, নানা ধরনের পোশাকের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সৃষ্টিশীলতার অনুপ্রেরণা তৈরি কালকশনটি তুলে ধরা হয় রানওয়েতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/h7iqqn52/image-3496873.jpg" /></figure><p>কতুর থেকে লাক্সারি রিসোর্টওয়্যার, মেন্সওয়্যার থেকে ওয়েডিং কিউরেশন। ডিজাইনারের কাজের বিভিন্ন অধ্যায় যেন এক রানওয়েতে এসে মিলেছে। </p><p>এই আবহে সঙ্গীতা বিজলানির উপস্থিতিও হয়ে উঠেছে আলাদা আকর্ষণ। একসময় মডেলিং দুনিয়ায় পরিচিত মুখ, পরে বলিউডে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের কাছে জনপ্রিয় হওয়া সঙ্গীতা বহু বছর ধরেই নিজের স্বতন্ত্র স্টাইলের জন্য আলোচনায় থাকেন। র‍্যাম্পে তাঁর প্রত্যাবর্তনে সেই অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসই নতুন করে সামনে এসেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/c6nuf7yd/image-9008571.jpg" /></figure><p>সঙ্গীতার এই রানওয়ে উপস্থিতি তাই শুধু একজন সেলিব্রিটি শোস্টপারের অংশগ্রহণ নয়, বরং ফ্যাশনে বয়স, অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিত্বের জায়গাটিকেও সামনে আনে। নতুন প্রজন্মের মডেল ও সেলিব্রিটিদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ মুখকে কেন্দ্র করে গ্র্যান্ড ফিনালে সাজানোয় মন্দিরা ওয়ার্কের এই প্রেজেন্টেশনে ফ্যাশনের দীর্ঘ যাত্রার একটি অন্যরকম গল্পও ফুটে উঠেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/hmu5cvef/image-5347805.jpg" /></figure><p>অন্যদিকে, পুরো ফ্যাশন উইকজুড়ে টাইমেক্স তাদের প্রিমিয়াম কালেকশন এবং ফল উইন্টার ২০২৬-এর ঘড়িগুলোও তুলে ধরছে। মার্লিন, ওয়াটারবুরি, সিগনিও, ফ্রিয়া ও অ্যাটেলিয়ারের মতো কালেকশনের মাধ্যমে ঘড়িকে শুধু সময় দেখার অনুষঙ্গ নয়, ব্যক্তিগত স্টাইলের অংশ হিসেবেও তুলে ধরছে ব্র্যান্ডটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1dae2aqw/image-1979400.jpg" /></figure><p>মন্দিরা ওয়ার্কের সৃষ্টিশীল যাত্রা এবং সঙ্গীতা বিজলানির মতো অভিজ্ঞ তারকার উপস্থিতি। দুই মিলিয়ে দিল্লি টাইমস ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় দিনে গ্র্যান্ড ফিনালে ছিল সময়, অভিজ্ঞতা ও স্টাইলের একসঙ্গে মিলে যাওয়ার মুহূর্ত। রানওয়েতে সঙ্গীতার উপস্থিতি যেন সেটিই মনে করিয়ে দিল। ফ্যাশনে বয়সের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে নিজের স্টাইলকে নিজের মতো করে বহন করার আত্মবিশ্বাস।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zosgxsk0yz</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zosgxsk0yz#comments</comments><guid isPermaLink="false">495494ec-a442-47ff-988f-769e6dc1b622</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:46:18 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:46:18.523Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,খুলনা,মামলা,হত্যা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/6tpvfpfh/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/6tpvfpfh/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চুরির অভিযোগ তুলে খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র মো. আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিস্তারিত ভিডিওতে......&nbsp;</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/XwXYYuiZxLw"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>রাতের খাবার খেয়ে ক্যাম্পের ১০ পুলিশ সদস্য অচেতন, হাসপাতালে ভর্তি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/fyrvoohcf2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/fyrvoohcf2#comments</comments><guid isPermaLink="false">0c7f4cff-6f80-4050-bcf6-870f3cc14f17</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:40:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:40:01.518Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভাত, মুরগির মাংস ও সবজি খাওয়ার পর ঝিমুনি শুরু হয় পুলিশ সদস্যদের। পরে ১০ জন অচেতন হয়ে পড়লে দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।]]></description><media:keywords>পুলিশ,কুষ্টিয়া সদর,অসুস্থ,খুলনা বিভাগ,কুষ্টিয়া</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/nbovqgum/KushtiaDH0.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ কুষ্টিয়ায় পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খেয়ে পুলিশের ১০ জন সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। রোববার দুপুরে তোলা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/nbovqgum/KushtiaDH0.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খাওয়ার পর পুলিশের ১০ জন সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর আজ রোববার সকালে ক্যাম্প ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম।</p><p>হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম, মুকতার হোসেন, মোহাম্মদ আমিন, আমিনুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম। তারা সবাই পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত।</p><p>জেলা পুলিশ ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে ক্যাম্পে অন্তত ১২ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন রাতের বিভিন্ন সময়ে খাবার খান। খাবারের তালিকায় ছিল সাদা ভাত, মুরগির মাংস ও সবজি। খাবার খাওয়ার পর তাঁদের শরীরে ঝিমুনি দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাঁরা অচেতন হয়ে পড়েন। ডাকাডাকি করেও সাড়া না মেলায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়।</p><p>মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-৩-এর প্রধান চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ সদস্যরা অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তাঁদের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবারে কোনো বিষক্রিয়া বা অন্য কোনো কারণে এমন হতে পারে। বর্তমানে তাঁরা আশঙ্কামুক্ত। আপাতত তাঁদের ভর্তি রাখা হয়েছে।</p><p>এ ঘটনার পর সকালে ওই ক্যাম্পে যান পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের একটি দল সেখানে তদন্ত শুরু করে। ক্যাম্পে পাটিকাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সালেহা খাতুন নামের এক নারী দীর্ঘ দুই বছর ধরে রান্নার কাজ করেন। পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।</p><p>কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) ফয়সাল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যরা আপাতত সুস্থ আছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/zbpnj69upz</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/zbpnj69upz#comments</comments><guid isPermaLink="false">ec2aab22-3680-4a11-bc48-cff7cd4614d2</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:37:29 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:37:29.997Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার বেলা সোয়া ১টা থেকে দুইটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।]]></description><media:keywords>আগুন,বিস্ফোরণ,শিল্পকলা একাডেমি</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/hladlyki/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-4.07.19-PM.jpeg" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ আজ রোববার বেলা সোয়া ১টা থেকে দুইটার মধ্যে শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/hladlyki/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-4.07.19-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p> রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার বেলা সোয়া একটা থেকে দুইটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।</p><p> রমনা বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।</p><p>এর আগে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সিরামিক রোডে সরকারি কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।</p><p>পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির প্রথম আলোকে বলেন, সকালে বৃষ্টির মধ্যে সরকারি কলেজের পাশে পার্কিং করে রাখা পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভান। আগুনে বাসের সিটগুলো পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।</p><p>গতকাল শনিবারও সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর ৩টি জায়গায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা ও শহীদ ফারুক সরণি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এক অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন। আর ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে থানার সামনে জব্দ করা একটি পিকআপে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।</p><p>এর আগে গত শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত ৯টি জায়গায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসেও আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।</p><p>এর পরপরই গতকাল রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, উড়ালসড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও নজরদারি।</p><p>গতকাল ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিরাপত্তা জোরদারের এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই তল্লাশি কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে তারা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>৮ বছর পর ওয়ানডেতে ক্রেমার, সবচেয়ে বেশি বিরতি দিয়ে ফেরার রেকর্ড কার</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/19z6kxoua4</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/19z6kxoua4#comments</comments><guid isPermaLink="false">e4a32328-14fb-4506-9acc-4b8c3c5a6ae3</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:36:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:36:51.805Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আজ দলে ফিরেছেন ক্রেমার। দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফেরার তালিকায় তাই নতুন করে যুক্ত হয়েছে তাঁর নাম।]]></description><media:keywords>জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল,গ্রায়েম ক্রেমার</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/kfchu7zb/273559.webp" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/kfchu7zb/273559.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ওয়ানডে অভিষেক সেই ২০০৯ সালে। সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০১৮ সালের ২২ মার্চ। এরপর আবার আজ। ৮ বছর ৫ মাস ২৯ দিন পর ওয়ানডেতে ফিরেছেন গতকালই ৪০-এ পা দেওয়া জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার।</p><p>অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আজ দলে ফিরেছেন ক্রেমার। দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডেতে ফেরার তালিকায় তাই নতুন করে যুক্ত হয়েছে তাঁর নাম। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে দুই ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিরতির তালিকায় ক্রেমারের অবস্থান কোথায়?</p><p>এই তালিকায় ক্রেমারকে খুঁজে পেতে একটু নিচের দিকেই নামতে হয়। কারণ, দুই ওয়ানডের মধ্যে ৯ বছরের বেশি বিরতি থাকা ক্রিকেটারের সংখ্যাই তো ১৪ জন। এমনকি ক্রেমার জিম্বাবুয়েরও এক নম্বর নন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/6ymda3hq/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_5_38_15_PM.jpeg" /></figure><p>জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সেফাস জুয়াওয়ের দুই ওয়ানডের মধ্যে বিরতি ছিল ৯ বছর ১৪০ দিন। বৈশ্বিক তালিকায় তাঁর অবস্থান ১২তম। আর ক্রেমার আছেন ১৯তম স্থানে। ৮ বছরের বেশি বিরতি দিয়ে ওয়ানডে খেলার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের দুজনেরও—প্রয়াত স্পিনার মোশাররফ হোসেন ও সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ।</p><p>দুই ওয়ানডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন বিরতির রেকর্ডটা নিউজিল্যান্ডের জেফ উইলসনের। ১১ বছর ৩৩১ দিনের বিরতি ছিল এই অলরাউন্ডারের দুই ওয়ানডের মধ্যে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলা এহসান আদিল। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-10/p2nep75u/Ehsan-Adil-joins-the-Team-USA-squad-for-the-T20WorldCup.jpg" /><figcaption> এহসান আদিল এক সময় পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন  </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/xjon1g44j0">টেস্টে এক নম্বর, টি–টুয়েন্টিতে শীর্ষ দশে—দুই দুনিয়ার এক ব্রুক</a></aside><p>২০১৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডে খেলা আদিল চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন। এই দুই ওয়ানডের মধ্যে বিরতি ছিল ১১ বছর ৭৮ দিন।</p><p>সব সংস্করণ মিলিয়ে দুই ম্যাচের মধ্যে বিরতিটা আরও বড়। ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান জর্জ গানের দুই টেস্টের মধ্যে পার্থক্য ছিল ১৭ বছর ৩১৬ দিন। &nbsp;</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/w2wzpg8w/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_5_22_34_PM.jpeg" /></figure>]]></content:encoded></item><item><title>বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন পদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/mz0zg00viq</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/mz0zg00viq#comments</comments><guid isPermaLink="false">1aca028a-ffff-4078-a93f-e0b2a021d5a3</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:30:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:30:09.248Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের বিভিন্ন কারিগরি পদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>বেসরকারি চাকরি,নিয়োগ,ক্যারিয়ার,সাপ্তাহিক চাকরির খবর,বাংলাদেশ বিমান বাহিনী</media:keywords><media:content height="1202" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-09/4jjophep/Biman-Bangladesh-Airlines.jpg" width="2048"><media:title type="html"><![CDATA[ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-09/4jjophep/Biman-Bangladesh-Airlines.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের বিভিন্ন কারিগরি পদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।</p><p>পদের নাম: ওয়ার্ক সুপারভাইজর (সিভিল), জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার এবং কার্পেন্টার।</p><p>পরীক্ষার তারিখ ও সময়: পদভেদে পরীক্ষা আগামী ২৩, ২৭ এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রতিদিন বেলা ১ টায় অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>পরীক্ষার স্থান: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়, বলাকা ভবন, মিনি কনফারেন্স রুম (৪র্থ তলা), কুর্মিটোলা, ঢাকা।</p><p><strong>মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—</strong></p><p>১. অ্যাডমিট কার্ডের কালার প্রিন্ট (২ কপি)।</p><p>২. টেলিটক প্রদত্ত অ্যাপ্লিক্যান্ট কপি (কালার প্রিন্ট)।</p><p>৩. পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি (২ কপি)।</p><p>৪. জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনের মূল কপি এবং এক সেট সত্যায়িত ফটোকপি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/pl7mr7f3tu">বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বড় নিয়োগ, পদ ৩০১টি</a></aside><p>৫. সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, মার্কশিট এবং পদের ধরন অনুযায়ী কারিগরি দক্ষতা বা অভিজ্ঞতার সনদের মূল কপি ও এক সেট সত্যায়িত ফটোকপি।</p><p>৬. নাগরিকত্ব সনদপত্র এবং কোটায় আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে যথাযথ দলিলাদি।</p><p>*পরীক্ষার সূচি <a href="https://biman.gov.bd/pages/notices/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B8-32vvvz-6aaf69e5390327d37a275468">দেখুন এখানে</a></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/xixh1xz0y0">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে অ্যাকাউন্টিংয়ে বিশেষ কোর্স, যাঁরা অ্যাকাউন্টিংয়ের পেশাজীবী নন তাঁদের জন্য</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মা হওয়ার পর ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, সালমানের কড়া জবাব</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/z83toiu8tx</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/z83toiu8tx#comments</comments><guid isPermaLink="false">5b114119-7a76-4b00-ab37-e92343e954c8</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সালমান বলেন, মানুষের চেহারা, ওজন, পরিবার, ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করার আগে ভাবা উচিত। ]]></description><media:keywords>ক্যাটরিনা কাইফ,সালমান খান,বিগ বস</media:keywords><media:content height="435" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/rxizq7gd/vnaa2rmcsalman-khan-katrina-kaif625x30020September26.webp" width="773"><media:title type="html"><![CDATA[ সালমান ও ক্যাটরিনা। কোলাজ ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/rxizq7gd/vnaa2rmcsalman-khan-katrina-kaif625x30020September26.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের চেহারা, বয়স কিংবা ওজন নিয়ে কটাক্ষ এখন যেন নিয়মিত ঘটনা। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীদের শরীর নিয়ে শুরু হয় নানা মন্তব্য। এবার এই প্রবণতার বিরুদ্ধে সরব হলেন সালমান খান। ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বে অনলাইন ট্রলিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সন্তান জন্মের পর কোনো নারীর ওজন বাড়লে তাঁকে কেন কটাক্ষ করা হবে?</p><p> বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর সঞ্চালকের দায়িত্বে থাকা সালমান সম্প্রতি এক প্রতিযোগীকে নিয়ে ইউটিউবার স্কাউটওপির করা মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে অনলাইন ট্রলিংয়ের সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন। তাঁর ভাষ্য, কাউকে ছোট করে বা অপমান করে যদি কেউ অর্থ উপার্জন করেন, তাহলে তাতে সেই ব্যক্তির মানসিকতার পাশাপাশি তাঁর পারিবারিক শিক্ষারও প্রকাশ ঘটে।</p><p>সালমান বলেন, মানুষের চেহারা, ওজন, পরিবার, ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করার আগে ভাবা উচিত। তাঁর কথায়, ‘কাউকে নিচে নামিয়ে আপনি টাকা আয় করছেন। আসলে আপনি কীভাবে বড় হয়েছেন আর কী শিখেছেন, সেটাই মানুষকে দেখাচ্ছেন।’</p><p>এ প্রসঙ্গেই নারীদের সন্তান জন্মের পর শরীর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা কটাক্ষের কথা তোলেন সালমান। কারও নাম না নিলেও তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে সম্প্রতি ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে হওয়া ট্রলিংয়ের যোগ খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।<br>মুম্বাইয়ের গণেশ উৎসবের অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনার উপস্থিতির কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর চেহারা ও ওজন নিয়ে নানা মন্তব্য করেন কেউ কেউ। সম্প্রতি মা হওয়া অভিনেত্রীর সন্তান জন্মের পরের শারীরিক পরিবর্তন নিয়েও শুরু হয় আলোচনা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/o609afe2/687877142_1567496254736590_7715352527280455677_n.jpg" /><figcaption>সালমান খান। ফেসবুক থেকে </figcaption></figure><p>সালমান বলেন, ‘কেউ অন্তঃসত্ত্বা হলে তাঁকে কেন ট্রল করবেন? সন্তান ধারণের পর সবাই কিছুটা ওজন বাড়ায়। অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তাই ওজন বেড়েছে। আবার সিনেমায় ফিরলে ফিট হয়ে যাবেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছেন।’</p><p>ক্যাটরিনার প্রসঙ্গ ছাড়িয়ে সালমান নিজের বয়স ও চেহারা নিয়েও কথা বলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তাঁর চেহারার পরিবর্তন নিয়েও কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি। ৬০ বছর বয়সে এসে আগের মতো তরুণ দেখাবেন, এমন প্রত্যাশার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বুড়ো হয়ে গেছি, অবশ্যই ৬০ বছর বয়স হয়েছে। সব সময় তো “ম্যায়নে পেয়ার কিয়া”র মতো থাকতে পারবেন না।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/05baqb6sse">ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে কটাক্ষ,পাকিস্তানি অভিনেতার প্রতিবাদ</a></aside><p>তারকাদের বয়স বাড়াকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালমান আরও বলেন, নিজের চেহারা নিয়ে যাঁরা অসন্তুষ্ট, তাঁরা কেন অন্যের চেহারা ও ওজন নিয়ে মন্তব্য করতে সময় ব্যয় করেন, সেটিও তাঁর বোধগম্য নয়।</p><p>পর্বটিতে এ নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধই দেখা যায় সালমানকে। একপর্যায়ে তিনি টুপি ও টি-শার্ট খুলে মেকআপ আর্টিস্ট রাজুকে ডাকেন। এরপর নিজের মেকআপও মুছে ফেলেন। চেহারা নিয়ে নিয়মিত মন্তব্য করা মানুষদের প্রতি এটি যেন তাঁর সরাসরি বার্তা—বয়স ও সময়ের সঙ্গে মানুষের চেহারা বদলাবেই, সেটিই স্বাভাবিক।</p><p><sup>এনডিটিভি অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>বিচারব্যবস্থায় আস্থা যেন ভেঙে না যায়, জানাজায় বাবা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/1ecfqroq5q</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/1ecfqroq5q#comments</comments><guid isPermaLink="false">e66ada69-a6d9-4d9f-bd0a-c912e46cb35f</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:16:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:16:28.683Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>জানাজার নামাজ,পুলিশ,অপ্রতিম হত্যা,চট্টগ্রাম বিভাগ,কুমিল্লা,হত্যা</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/mt1c1udu/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/mt1c1udu/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও গন্ধমতিতে দুই দফা জানাজার পর স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান ছিল অপ্রতিম। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/uQuMAjDjQXw"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>‘হাম-ডেঙ্গু দুটোতেই আক্রান্ত, ডাক্তার দেখে বলছে পজিশন খারাপ’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6i239nhx9g</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6i239nhx9g#comments</comments><guid isPermaLink="false">5910064c-b715-4fe7-a91f-4610b37391ac</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:08:55 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:08:55.827Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের চাপ বেড়েছে। বেড না পেয়ে অনেক শিশুর চিকিৎসা চলছে মেঝেতে। চিকিৎসা চললেও উৎকণ্ঠা কাটছে না স্বজনদের।]]></description><media:keywords>ডেঙ্গু বাংলাদেশ,ঢাকা,ডেঙ্গু চিকিৎসা,রোগ,ডেঙ্গু জ্বর,হাসপাতাল</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/r3v3v9ro/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-16.08.35.jpeg" width="1170"><media:title type="html"><![CDATA[ একসঙ্গে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশু নাফিয়া। আজ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/r3v3v9ro/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-16.08.35.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মেয়েটা ঘুমিয়ে আছে। শীর্ণ হাতে পরানো হয়েছে ক্যানুলা। চোখ দুটো লাল। শ্বাস নিতেও যেন কষ্ট হচ্ছে। মুখটা মলিন। বেড না মেলায় হাসপাতালের মেঝেতেই তার চিকিৎসা চলছে। পাশে বসে থাকা মা–বাবার চোখেমুখেও দুশ্চিন্তা।</p><p>মেয়েটির নাম নাফিয়া। বয়স ৫। পাঁচ দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত সে। গতকাল শনিবার রাতে ভর্তি করা হয়েছে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে।</p><p>নাফিয়ার বাবা নূর আলম প্রথম আলোকে জানান, নাফিয়া একই সঙ্গে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রেও ছিদ্র ধরা পড়েছে। সন্তানের একের পর এক অসুস্থতার কথা বলতে গিয়ে নাফিয়ার বাবা যেন নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন।</p><p>চিকিৎসকেরা কী বলেছেন জানতে চাইলে নাফিয়ার মা মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘ডাক্তার সকালে দেখে বলছে পজিশন খারাপ।’</p><p>চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন, ওষুধ দিচ্ছেন—তবু সন্তান সুস্থ হয়ে উঠছে না, এটাই নাফিয়ার বাবা মায়ের বড় দুশ্চিন্তা।</p><p>আজ রোববার সকালে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেল, নাফিয়ার মতো আরও অনেক শিশুকে ঘিরে উৎকণ্ঠায় বসে আছেন স্বজনেরা। প্রায় সবারই হাতে ক্যানুলা পরানো। দেওয়া হচ্ছে স্যালাইন। কেউ কেউ বিছানায় জায়গা পেয়েছে, কারও ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের মেঝেতে।</p><p>শিশু ওয়ার্ডে একটু পরপর স্বজনদের ছোটাছুটি। কেউ ওষুধ আনতে যাচ্ছেন, কেউ পরীক্ষার কাগজ হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। কেউ শিশুর কপালে হাত রাখছেন। আবার কেউ বাতাস করছেন।</p><h3>উৎকণ্ঠা কাটছে না

</h3><p>নাফিয়ার বেশ কাছেই একটি বেডে ৯ বছরের শারিনা। তার হাতেও ক্যানুলা পরানো। বিছানার পাশে বসে বাবা আশিকুর রহমান চিকিৎসকের পরামর্শপত্র (প্রেসক্রিপশন) দিয়েই মেয়েকে বাতাস করছেন। কিছুক্ষণ পরপরই গায়ে হাত দিয়ে দেখছেন জ্বর আছে কি না, শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে কি না।</p><p>শারিনা এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার থেকে ভর্তি রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আজ রোববার তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও বাবার উৎকণ্ঠা শেষ হচ্ছে না।</p><p>আশিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তির পর প্লাটিলেট ৩৪ হাজারে নেমে গেছিল। ডাক্তাররা ডোনার রেডি রাখতে বলেছিলেন। খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম। এখন কিছুটা ভালো আছে। তবে ব্লাডপ্রেশারটা ওঠানামা করছে। এটা নিয়ে টেনশনে হচ্ছে খুব।’</p><p>শিশু ওয়ার্ডের এক কোনায় মেঝেতে তোশক পেতে শুইয়ে রাখা হয়েছে ১১ বছরের আয়েশাকে। এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গু আক্রান্ত সে। হাসপাতালে ভর্তি তিন দিন ধরে।</p><p>মেয়ের অবস্থা জানতে চাইলে আয়েশার বাবা মো সজীব প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিন দিন ধইরা ভর্তি। হেরা তো কয় টেস্টফেস্ট সব ভালো। তয় মাইয়া তো সুস্থ হয় না।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে, যোগ দেয়নি জামায়াতসহ বিরোধী দল</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/5w1rpmnudt</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/5w1rpmnudt#comments</comments><guid isPermaLink="false">71075fc6-9811-4c32-8d1d-42a6e1847f8d</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 10:04:18 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T10:04:18.370Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিএনপি, গণ অধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, এনডিএম, আমজনতার দল, ইসলামী ঐক্যজোট, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, গণফোরাম ও গণসংহতি আন্দোলন অংশ নিয়েছে।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,বিএনপি,জুলাই সনদ,সংবিধান সংশোধন,জাতীয় সংসদ</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-11/m1ov1qzm/Image.jpeg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় সংসদ ভবন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-11/m1ov1qzm/Image.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই সনদে সই করা রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আজ রোববার মতবিনিময় শুরু করেছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। জুলাই সনদে সই করা ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অবশ্য বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ অন্য দলগুলো এ মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছে না।</p><p>আজ বেলা আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। আলোচনা সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অংশ নিয়েছেন। অন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, এনডিএম, আমজনতার দল, ইসলামী ঐক্যজোট, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, গণফোরাম ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিনিধিদের বৈঠকে অংশ নিতে দেখা গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটির সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত আছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/nul7yzqri8">বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান ১১–দলীয় ঐক্যের</a></aside><p>বৈঠকের আলোচ্যসূচির একটি ‘জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতৃবৃন্দের সাথে কমিটির মতবিনিময়’। এর আগে বিশেষ কমিটির পক্ষ থেকে দল ও জোটগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ের দুজন করে প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়।</p><p>গত ৪ আগস্ট বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে রাজনৈতিক দল, সংবিধানবিশেষজ্ঞ, আইনজীবী ও গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। মতবিনিময়ে দল ও জোটের প্রতিনিধিদের সংবিধান সংশোধন বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/nl5uimp902">আজ দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়, অংশ
নেবে না বিরোধীরা </a></aside><p>তবে গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে বিরোধী দল। এটি গঠন না করায় সংবিধান সংশোধন–সংক্রান্ত সরকারি কোনো উদ্যোগের অংশ হতে চায় না তারা। সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিতেও বিরোধী দল প্রতিনিধি দেয়নি। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের যেসব শরিক দলের সংসদে প্রতিনিধিত্ব নেই, তারাও সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবে অংশ হতে চায় না। এ কারণে এই দলগুলোর মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর বাইরে আরও দু–একটি দল মতবিনিময়ে অংশ না নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।</p><p>অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের লক্ষ্যে ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি সংবিধানবিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও সে সময় আলোচনা হয়েছিল। বাম ধারার চারটি দল সনদে সই করেনি। সব মিলিয়ে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোট ওই সনদে সই করে। এর মধ্যে আটটি দল এখন ১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত।</p><p>জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি সংবিধান–সম্পর্কিত। এগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেছিল। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট হয়। এতে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ওই আদেশ অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের নিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন এবং ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কারকাজ শেষ করার কথা।</p><p>তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই সংস্কার পরিষদ গঠন করেনি। তাদের দলের সদস্যরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথও নেননি। এর বদলে গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচ প্রতিনিধি চাওয়া হলেও তারা নাম দেয়নি। বিরোধী দল ওই কমিটিও প্রত্যাখ্যান করে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামালসহ ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/awxlvcpn2c</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/awxlvcpn2c#comments</comments><guid isPermaLink="false">6e863dbd-81b7-40ef-8224-40f00756d114</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:54:20 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:54:20.292Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এ মামলায় আসামি আটজন। তিনজন কারাগারে আছেন। পাঁচজন পলাতক। আট আসামির সবাইকে আগামী ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।]]></description><media:keywords>আদালত,মানবতাবিরোধী অপরাধ,বিচার,মুহম্মদ জাফর ইকবাল,জুলাই গণ-অভ্যুত্থান,আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/44onbxq3/prothomalo-banglacnu.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও এ এস এম মাকসুদ কামাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/44onbxq3/prothomalo-banglacnu.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।</p><p>বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ রোববার এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p><p>পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আগামী ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামাল ছাড়াও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়নের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।</p><p>মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত এখন কারাগারে আছেন। তাঁদেরও আগামী ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/br3pdorvov">জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামালসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল</a></aside><p>প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) পক্ষ থেকে আজ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।</p><p>শুনানিতে প্রসিকিউটর এস এম মইনুল করিম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় পাঁচজনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/1aj8bavr7p">অধ্যাপক জাফর ইকবালকে ‘জ্ঞানপাপী’, ‘শিক্ষক নামের কলঙ্ক’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুরে ভাড়া বাসার সামনে প্রকাশ্যে তরুণীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hdmldq475y</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hdmldq475y#comments</comments><guid isPermaLink="false">2022a563-9add-4daf-915c-47fb30d86838</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:51:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:51:30.945Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই তরুণীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান অজ্ঞাত এক যুবক। পরে হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথে তরুণী মারা যান।]]></description><media:keywords>গাজীপুর,গাজীপুর সদর,ঢাকা বিভাগ,হত্যা</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-11-17/nikzmsws/prothomalo-bangla2021-1248cf0520-11ee-448a-a40c-9e3aaca1b7e6kill.webp" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ ছুরিকাঘাত]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-11-17/nikzmsws/prothomalo-bangla2021-1248cf0520-11ee-448a-a40c-9e3aaca1b7e6kill.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গাজীপুরে ভাড়া বাসা থেকে ডেকে বের করে প্রকাশ্যে এক তরুণীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান অজ্ঞাত এক যুবক। পরে হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথে তরুণী মারা যান। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের কোনাবাড়ী থানার আমবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত তরুণীর নাম সানজিদা আক্তার (২৩)। তিনি বরিশালের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা শাজাহান হাওলাদারের মেয়ে। তিনি গাজীপুর নগরের আমবাগ আতাউর মার্কেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থেকে পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।</p><p>পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকাল ১০টার দিকে এক যুবক এসে ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে সানজিদাকে ডেকে বাইরে আনেন। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই সানজিদার বুকে ছুরিকাঘাত করেন ওই যুবক। সানজিদা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ওই যুবক পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় সানজিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।</p><p>গাজীপুর নগরের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কী কারণে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে, এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3okn30abqk</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3okn30abqk#comments</comments><guid isPermaLink="false">00f0f42d-d47e-419d-91a4-4d421e5bb6a5</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:49:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:49:51.074Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।]]></description><media:keywords>চট্টগ্রাম বিভাগ,কুমিল্লা,গ্রেপ্তার,অপ্রতিম হত্যা,কিশোর গ্যাং,সংবাদ সম্মেলন</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/wvks46dz/cumilladh175220260920img2026092014301601.jpg" width="1920"><media:title type="html"><![CDATA[ কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। আজ রোববার দুপুরে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/wvks46dz/cumilladh175220260920img2026092014301601.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।</p><p>পুলিশের ভাষ্য, মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতিমকে পরিকল্পিতভাবে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নেওয়া হয়। সেখানে ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় তিনজন।</p><p>এ ঘটনায় দুই কিশোরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন সানন্দা এলাকার সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার ১৬ বছর বয়সী আরেক কিশোর। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে আগে কোনো পুলিশ রেকর্ড (পিসিপিআর) নেই। এ ছাড়া ১৯ বছরের আরেক তরুণকে আটক করে তাঁর সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও পঙ্কজ বড়ুয়াসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ght0wdff6t">‘আমার তো সব শেষ হয়ে গেল, এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব’</a></aside><p>পুলিশ সুপার বলেন, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায়, ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বেলা আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলের দিকে যান তুহিন (সাইফুল)।</p><p>পরে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা সাইফুলকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল জানান, অপ্রতিমের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে পরিকল্পনা করে ওই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দুই কিশোরের সম্পৃক্ততার তথ্য পায় পুলিশ।</p><p>পুলিশ জানায়, সাইফুলের দেওয়া তথ্য ও দেখানো জায়গা অনুযায়ী তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।<br>এর আগে শনিবার রাতে সালমানপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে ফোনটি উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল জেলা পুলিশ।</p><p><strong>পুলিশের ভাষ্যে ঘটনার বিবরণ</strong><br>পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে অপ্রতিমের ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অপ্রতিম বাধা দিলে তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। প্রথমে সাইফুল এবং পরে ওই দুই কিশোর লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হলে সাইফুল অপ্রতিমের ফোনটি নেন এবং তিনজন ঘটনাস্থল থেকে চলে আসে।<br>তবে পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যকে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখনো চলছে।</p><p><strong>সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সাইফুলের সন্ধান</strong><br>অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তাকে উদ্ধারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন এলাকা ও কোটবাড়ির বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। একটি ফুটেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অপ্রতিমের সঙ্গে এক কিশোরকে দেখা যায়। পরে আশপাশের আরও একটি সিসিটিভি ফুটেজে ওই কিশোরকে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হয়।</p><p>শনিবার দুপুরে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল। পরে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8khskh71rb">আর কাউকে যেন আমার মতো সন্তান হারাতে না হয়, জানাজায় বাবা</a></aside><p><strong>কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন</strong><br>সংবাদ সম্মেলনে অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, কুমিল্লায় এ পর্যন্ত ২৫০ জনের বেশি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপ্রতিম হত্যায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।</p><p>বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় মাদকসেবী, কিশোর গ্যাং এবং স্থানীয় মানুষের আধিপত্যের অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একই সঙ্গে লালমাই পাহাড়ে সাম্প্রতিক কয়েকটি অপরাধের ঘটনা এবং অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।</p><p>পুলিশ সুপার এসব বিষয়ে তদন্তের কথা জানান। তিনি বলেন, লালমাই পাহাড় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়নি। অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ কাজ করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/f9n403dy4b">অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</a></aside><p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্তান কখন, কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কখন বাড়িতে ফিরছে—এসব বিষয়ে মা–বাবাকে খোঁজ রাখতে হবে। বিশেষ করে অল্প বয়সী সন্তানদের হাতে ফোন ও বিভিন্ন ডিভাইস দেওয়ার ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।</p><p>শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সে কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের ভাষ্য, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে সে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানায়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আগুন-ককটেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের 
কাজ, প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/vi30k6we72</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/vi30k6we72#comments</comments><guid isPermaLink="false">f3390a74-f03e-44c0-aa24-c2107ab2dc11</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:48:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:48:32.501Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হাইকোর্টের ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।]]></description><media:keywords>বিরোধী দল,আগুন,বিএনপি সরকার,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আওয়ামী লীগ</media:keywords><media:content height="630" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-05/py98w8al/Untitled-4.png" width="1199"><media:title type="html"><![CDATA[ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-05/py98w8al/Untitled-4.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাতের অন্ধকারে দু-একটি জায়গায় ককটেলবাজি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানান তিনি।</p><p>আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।</p><p>ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া শক্তি ও নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধ আদালতের একটি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তথাকথিত কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। আজ দলটির দেওয়া ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে রাতের অন্ধকারে দু-একটি জায়গায় ককটেলবাজি করা হয়েছে।’</p><p>হাইকোর্টের ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যাত্রাবাড়ীর ঘটনায়ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চালক ও হেলপারবিহীন অবস্থায় বিভিন্ন জায়গায় পার্ক করে রাখা পরিত্যক্ত কিছু বাসকে রাতে লক্ষ্য করে দু-একটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। শনাক্ত হওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের সঙ্গে অস্থিরতার সম্পর্ক নেই

</h3><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। তাঁর সফরের আগে এক সপ্তাহ ধরে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, তা আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে—এমন একটি পরিস্থিতি উপস্থাপনের চেষ্টা কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ প্রতিবছর একবার হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।</p><p>আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের লংমার্চের কর্মসূচি এসব ঘটনার অনেক আগে ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের কর্মসূচিতে আরও দুটি লংমার্চের কথা রয়েছে। অন্যদিকে ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ককটেলবাজি হচ্ছে। আসলে এর সঙ্গে বিরোধী দলের কর্মসূচির সম্পর্ক নেই।</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি দুই বছর ধরেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে আসছে এবং বর্তমান ঘটনাগুলো তারই ধারাবাহিকতা।</p><h3>হাসিনার ফেরা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলবে

</h3><p>বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কথা বলবে।</p><p>অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে এ পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের জন্য চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকারের কাছে বারবার অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি সরকার অনুসরণ করছে। ভারত সরকার অনুরোধপত্র আমলে নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p><h3>আটক ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

</h3><p>গত শুক্রবার তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৩ জনকে আটক বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক নামাজ শেষ হওয়ার পরও বসে আলাপ-আলোচনা করছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে এ ধরনের তৎপরতার তথ্য থাকায় তাদের আটক করা হয়। তাঁদের সংখ্যা প্রায় ২৩ জন।</p><p>আটক ব্যক্তিদের টেলিফোন ফরেনসিক পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাঁদের পার্শ্ববর্তী থানায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রায় ১১ জনের বিরুদ্ধে তেমন কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ বা টেলিফোন ফরেনসিকে সন্দেহজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে অভিভাবক ও সমাজের মুরব্বিদের ডেকে ১১ জনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ব্যক্তিদের ফোনের ফরেনসিক প্রতিবেদন ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যে তাঁরা ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি সংগঠন করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁরা খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উগ্রবাদী তৎপরতার জন্য সংগঠিত হতে চেয়েছিলেন।</p><p>উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বাকি তথ্য জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে।</p><h3>বৈশ্বিক সমস্যার কারণে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট

</h3><p>বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট সমাধানের জন্য সংসদে আলোচনার যে দাবি জানানো হয়েছে, সে বিষয়ে সরকার দীর্ঘ আলোচনা করেছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিরোধী দল একটি কমিটি করতে চেয়েছিল। সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি পরামর্শ দিয়েছে। বিষয়টি সেখানেই শেষ হওয়া উচিত ছিল।</p><p>তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যা বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো কারণে সৃষ্ট নয় উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি, তেল ও গ্যাসের মূল্য যে হারে বেড়েছে, তার তুলনায় বাংলাদেশে মূল্যবৃদ্ধি খুবই কম হয়েছে। পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে প্রায় দ্বিগুণ দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।</p><p>বিএনপি সরকার দেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সমস্যার পাশাপাশি দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সমস্যা রয়েছে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও এসব কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের সংস্থান করা হয়নি। কোথা থেকে গ্যাস আসবে, সেটিও নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও সমস্যা রয়েছে।</p><h3>১৫০টি কূপ খননের কাজ চলছে

</h3><p>গ্যাসের কারণে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণমাত্রায় চালু করা যাচ্ছে না, তার পেছনে আগের সরকারের বিদেশনির্ভরতাকে দায়ী করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে একক উৎসের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। বাংলাদেশে স্থলভাগ ও সাগরে গ্যাসের মজুত থাকা সত্ত্বেও সেগুলো অনুসন্ধানে আগের সরকার পদক্ষেপ নেয়নি।</p><p>বর্তমান সরকার গত ছয় মাসে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে প্রায় ১৫০টি কূপ খননের কাজ চলছে। দেশীয় সম্পদ আহরণের চেষ্টা না করে বিদেশনির্ভরতার কারণে গ্যাস খাতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এই পুঞ্জীভূত সমস্যাই এখন সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।</p><h3>বিচার বিভাগ স্বাধীন

</h3><p>এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে না অবনতি হয়েছে, তা নির্ভর করবে সংঘটিত অপরাধের পর সরকার ও পুলিশ বিভাগের নেওয়া পদক্ষেপের ওপর। বিচারপ্রক্রিয়ায় সরকারের হস্তক্ষেপ নেই দাবি করে তিনি বলেন, সরকার সহযোগিতা করে। বিচারিক কার্যক্রম বিচার বিভাগ পরিচালনা করে। বিচার বিভাগ স্বাধীন।</p><p>এ ধরনের অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ হবে এবং দেশে বিচারের সংস্কৃতি ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ উৎসাহিত হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বেশি লাভের আশায় দীর্ঘদিন হিমাগারে, পচা সাড়ে ২২ হাজার মণ আলু এখন গরুর খাবার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y4rrgzhmd6</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y4rrgzhmd6#comments</comments><guid isPermaLink="false">383e98d7-f2df-40c1-9c7a-332674baf5d7</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:42:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:42:43.648Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ২০২৫ সালের মার্চ মাসে হিমাগারে ১৫ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়। কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলুগুলো স্টোরেজে রাখা হয়।]]></description><media:keywords>আলু,মাদারীপুর,ঢাকা বিভাগ,কৃষি,হিমাগার</media:keywords><media:content height="768" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/3h1zdfca/MADARIPURPotato-1.JPG" width="1366"><media:title type="html"><![CDATA[ পচে নষ্ট হওয়া আলু। গতকাল শনিবার সকালে মাদারীপুর শহরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/3h1zdfca/MADARIPURPotato-1.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেশি লাভের আশায় দীর্ঘদিন কোল্ড স্টোরেজে (হিমাগার) সংরক্ষণ করে রাখায় মাদারীপুরে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে। ৬০ কেজি ওজনের এসব বস্তায় থাকা প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ আলুর বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পচে যাওয়া আলু এখন বিনা মূল্যে গরুর খাবার হিসেবে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।</p><p>হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আলুর গুণগত মান ঠিক রাখতে সাধারণত সংরক্ষণ মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়। তবে বেশি দামে বিক্রির আশায় মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের মালিক মীর হাবিবুর রহমান ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করেন। কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত আলুগুলো স্টোরেজে রাখা হয়। দীর্ঘ সময় সংরক্ষণে ধীরে ধীরে আলুর গুণগত মান নষ্ট হয়ে পচন ধরে এবং দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে।</p><p>মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক আবদুল করিম বলেন, এসব আলু খোলা জায়গায় ফেলে দিলে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে পাঁচ দিন ধরে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।</p><p>দীর্ঘদিন বিপুল পরিমাণ আলু মজুত রাখার কারণে স্থানীয় বাজারে আলুর সরবরাহে প্রভাব পড়ে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। মাদারীপুর কাঁচামাল আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাসুদ তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, পচা আলু বিনা মূল্যে বিতরণ করায় বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে আলুর দামও কমে যাচ্ছে। এ বছর এমনিতেই আলুর দাম কম। এর মধ্যে বিনা মূল্যে এসব আলু দেওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/9uktw9nb/MADARIPUR_Potato_2.JPG" /><figcaption>হিমাগারে সংরক্ষণ করা আলুর বস্তা। গতকাল সকালে মাদারীপুর শহরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায়</figcaption></figure><p>আলু ভালো থাকার সময় বাজারজাত করা হলে অন্য জেলা থেকে আলু সংগ্রহের প্রয়োজন কম হতো বলে জানান পুরানবাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, যে পরিমাণ আলু নষ্ট হয়েছে, তা দিয়েই একটি মৌসুম চলত।</p><p>মাদারীপুর জেলার কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া বলেন, হিমাগারের মালিক ব্যক্তিগতভাবে এসব আলু সংরক্ষণ করেছেন। আলু নষ্ট হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। পচে যাওয়া আলু বিনা মূল্যে বিতরণের কারণে খোলাবাজারে কোনো প্রভাব পড়েছে বলে তাঁর জানা নেই। স্থানীয় বাজারগুলোতে আলুর সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>৪৮ বছরের পুরোনো গাণিতিক সমস্যার সমাধান করল কোয়ান্টাম কম্পিউটার </title><link>https://www.prothomalo.com/technology/1vk9naf50y</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/1vk9naf50y#comments</comments><guid isPermaLink="false">c8724651-0672-49ea-b25a-7fec19447cbc</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:38:07 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:38:07.618Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রযুক্তি ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633233</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কোয়ান্টাম কম্পিউটার কাজে লাগিয়ে এবার ৪৮ বছরের পুরোনো গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দাবি করেছেন চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি ও সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।]]></description><media:keywords>সমাধান,গবেষক,কম্পিউটার,গণিত</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/10/27/43550aba7f9b3afe8c6b3fc9aa6d00d3-5bd40eee12f95.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রতীকী ছবি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/10/27/43550aba7f9b3afe8c6b3fc9aa6d00d3-5bd40eee12f95.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>প্রযুক্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ইউনিটের মাধ্যমে কাজ করে, যা সাধারণ কম্পিউটারের তুলনায় কয়েক কোটি গুণ দ্রুত গণনা করতে পারে। আর তাই বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান খুঁজতে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সহায়তা নিয়ে থাকেন গবেষকেরা। এবার কোয়ান্টাম কম্পিউটার কাজে লাগিয়ে ৪৮ বছরের পুরোনো গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দাবি করেছেন চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি ও সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।</p><p>গবেষকদের দাবি, ১২১ কিউবিট সুপারকন্ডাক্টিং কোয়ান্টাম প্রসেসরযুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটারটি দুটি কঠিন গাণিতিক উপপাদ্য সফলভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্রুত উত্তর বের করেছে—বিষয়টি এমন নয়; কারণ, কম্পিউটারও এ কাজ করতে পারে। মূল বিষয়টি হলো কোয়ান্টাম হার্ডওয়্যারে এ ধরনের জটিল যৌক্তিক নিষ্কাশন সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।</p><p>গবেষকদের তথ্যমতে, সম্পূর্ণ প্রোগ্রামযোগ্য সুপারকন্ডাক্টিং কোয়ান্টাম প্রসেসরযুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্যামিতিক উপপাদ্য প্রমাণ করতে পেরেছে। এ বিষয়ে গবেষক নিয়াং ওয়াং জানান, প্রথম উপপাদ্যটি ছিল বর্গক্ষেত্রের কর্ণদ্বয়ের লম্বালম্বি অবস্থান প্রমাণ করার একটি জ্যামিতিক পরীক্ষা। উ মেথড নামের একটি সুপরিচিত পদ্ধতির হাইব্রিড রূপ ব্যবহার করে এটি প্রমাণ করেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।</p><p>অপর উপপাদ্যটি ছিল বেশ জটিল, যা পরস্পরছেদী ত্রিভুজ এবং বৃত্ত–সম্পর্কিত একটি জ্যামিতিক সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে গবেষকেরা প্রতীকী প্রমাণ অনুসন্ধান নামের একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। গবেষকদের মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে স্বয়ংক্রিয় যৌক্তিক যুক্তি–প্রমাণ করতে পারে কোয়ান্টাম প্রসেসর। </p><p>সূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, জানাল পেন্টাগন</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/8g8yqzzsei</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/8g8yqzzsei#comments</comments><guid isPermaLink="false">c6cc2185-b651-4300-9c4b-7dcafde5ffc1</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সিএনএন</atom:name><atom:uri>/api/author/1524889</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সিবিওর প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১ আগস্টের পর ইরান যুদ্ধ চলমান থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে।]]></description><media:keywords>হরমুজ প্রণালী,আরব বিশ্ব,যুদ্ধ,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/wgivb8ya/iran-war-cost.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইনের একটি মডেল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা এবং এক ডলারের নোট]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/wgivb8ya/iran-war-cost.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। পেন্টাগন গত শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে জানাশোনা রয়েছে, এমন দুটি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানায়।</p><p>সূত্র দুটি জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এ ছাড়া অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।</p><p>তবে এ হিসাব চলমান ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ খরচের খতিয়ান নয়। কেননা, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি ও ভবন মেরামতের খরচ এতে ধরা হয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/drsfuexx5z">হরমুজে সহায়তা না করা দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের</a></aside><p>গত জুলাইয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধে তখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।</p><p>একটি সূত্র জানায়, ইরানে টানা সামরিক অভিযানের পরোক্ষ খরচের বিস্তারিত হিসাব কংগ্রেসকে জানায়নি পেন্টাগন। অথচ মার্কিন আইনপ্রণেতারা পূর্ণাঙ্গ হিসাব চেয়েছিলেন।</p><blockquote>পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এ ছাড়া অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।</blockquote><p>পেন্টাগনের দেওয়া ইরান যুদ্ধে এ ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার খরচের হিসাব মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি। সিবিও বলেছে, ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে।</p><p>সিবিওর হিসাবেও যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা মেরামতের খরচ ধরা হয়নি। সংস্থাটি জানায়, মোট খরচের বড় অংশ গেছে যুদ্ধাস্ত্র কেনা ও সেসব ব্যবহারের পেছনে।</p><p>সিবিও আরও জানিয়েছে, ১ আগস্টের পর ইরান যুদ্ধ চলমান থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে। লড়াই জোরালো হলে এ খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p><blockquote>আইনপ্রণেতাদের সিবিও জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এমন এক সময় এ বাড়তি খরচের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ অর্থনীতি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে।</blockquote><p>আইনপ্রণেতাদের সিবিও জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এমন এক সময় এ বাড়তি খরচের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ অর্থনীতি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে।</p><p>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও এর ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তাদের প্রথম দিনের হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন নেতা, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/qd59a9r9gs">ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩,৮০০ কোটি ডলার, মাসে খরচ বাড়ছে আরও ৩০০ কোটি</a></aside><p>ইরানও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক-বেসামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা শুরু করে। যুদ্ধের সময় ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে। যুদ্ধ এখন ছড়িয়ে পড়েছে কার্যত পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে।</p><p>যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বেড়ে গেছে জ্বালানির দাম। যুদ্ধ থামাতে ওমান, কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে, তবে এখনো সংঘাত পুরোপুরি থামেনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/lq819tjexy">ইরানের স্কুলে–ক্রীড়া স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল, বলছে জাতিসংঘ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কনসার্টের বাইরে বিক্ষোভ, শিরানের ভুল স্বীকার</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/2qab1ocl2x</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/2qab1ocl2x#comments</comments><guid isPermaLink="false">88a6e997-650a-4984-b618-b25edb6f15a9</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তুমুল বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন এড শিরান। ]]></description><media:keywords>বিতর্ক,সংগীত শিল্পী,ফিলিস্তিন</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/2feaw7uh/2ad98f32-647e-4c00-a944-5feaad57b9f7.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তুমুল বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন এড শিরান। কোলাজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/2feaw7uh/2ad98f32-647e-4c00-a944-5feaad57b9f7.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গান</category><content:encoded><![CDATA[ <p> ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তুমুল বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন এড শিরান। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় গতকাল শনিবারের কনসার্টে মঞ্চে উঠে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ব্রিটিশ এই গায়ক। জানিয়েছেন, তিনি কখনোই ‘অ্যাকটিভিস্ট মিউজিশিয়ান’ হতে চাননি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে মত প্রকাশ করতে বাধ্য করেছে।</p><p> ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টে শিরান বলেন, ‘আমি আমার ক্যারিয়ারে কোনো ধরনের রাজনৈতিক ভাষ্যকার হতে চাইনি। কারণ আমি চেয়েছি, আমার গান ও কনসার্ট হোক ঐক্যের জায়গা, বিভেদের নয়; মানবতার জায়গা, রাজনীতির নয়। কিন্তু এটি একটি মানবিক সংকট। এ বিষয়ে আমি আর নিজের অনুভূতি লুকিয়ে রাখতে পারছি না।’</p><p>চলমান বিতর্কের সূত্রপাত ম্যাকলমোরকে এড শিরানের চলমান ‘লুপ ট্যুর’ থেকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে এক মঞ্চ পরিবেশনায় গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানান ম্যাকলমোর। তিনি গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানান। এরপরই তাঁকে শিরানের সফর থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সফরের আয়োজকেরা।</p><p>এড শিরান অবশ্য স্পষ্ট করেছেন, ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁর নয়। আয়োজকেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সফরের আয়োজক মেসিনা ট্যুরিং গ্রুপের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ভেন্যু ম্যাকলমোরকে নিয়ে কনসার্ট আয়োজন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ম্যাসাচুসেটসের গিলেট স্টেডিয়াম।</p><p>গিলেট স্টেডিয়ামের মালিক ও নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের কর্ণধার বিলিয়নিয়ার রবার্ট ক্র্যাফটও ম্যাকলমোরের সেখানে পারফর্ম করার অনুমতি বাতিলের কথা নিশ্চিত করেন। ইহুদি এই ব্যবসায়ী ম্যাকলমোরের বক্তব্যকে ‘হেট স্পিচ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, ম্যাকলমোর হামাসের কর্মকাণ্ড উপেক্ষা করে কেবল নির্বাচিত কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/v9y5uyvl/499196-01-02.jpg" /><figcaption>ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টের বাইরে প্রতিবাদের চিত্রও দেখা গেছে। এএফপি </figcaption></figure><p>ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে সফরের কয়েকজন শিল্পীও সরে দাঁড়িয়েছেন। আইরিশ গায়ক-গীতিকার অ্যারন রো, ড্যানিশ সংগীতশিল্পী লুকাস গ্রাহাম ও তাঁর ব্যান্ডের সদস্যরা সফর থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেন। তাঁদের বক্তব্য, ম্যাকলমোরকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা শিল্পীদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>গতকাল শিরান দর্শকদের বলেন, গান নিয়ে সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ায় তিনি অভ্যস্ত। তবে এবার বিষয়টি ছিল ‘অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ’। তিনি বলেন, ‘এই সপ্তাহে আমাকে কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে এবং নিতে হয়েছে কঠিন কিছু পদক্ষেপ। আমি ভুলও করছি। এ জন্য আমি সত্যিই, সত্যিই দুঃখিত।’</p><p>এড শিরান ফিলাডেলফিয়ার মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে চালানো হামলাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসমানুপাতিক’ বলে মন্তব্য করেন।<br>শিরান বলেন, ‘ইসরায়েলে ৭ অক্টোবর যা ঘটেছে, তা ভয়াবহ এবং বহু শতাব্দীর ইহুদি জনগোষ্ঠীর যন্ত্রণাকে আরও গভীর করেছে।’</p><p>এরপর গাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘গাজায় যা ঘটছে, তা বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসমানুপাতিক। ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা, বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং বিশেষ করে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। পশ্চিম তীরে যে পদ্ধতিগত অবিচার আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেটিও উপেক্ষা করা যায় না।’<br>তবে নিজের অবস্থান জানালেও এ বিষয়ে তাঁর জ্ঞান সীমিত বলেও স্বীকার করেছেন শিরান। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো বোঝার চেষ্টা করছি, কীভাবে এমনভাবে অবদান রাখা যায়, যাতে এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উপকার হয়। আমি শুনছি, শিখছি। কারণ, এ বিষয়ে আমি যথেষ্ট জানি না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-02-10/v3l0v7za/download.jpg" /><figcaption>এড শিরান। রয়টার্স </figcaption></figure><p>ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার পর যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে শিরানের সফরেও। এমনকি একপর্যায়ে তিনি নিজেই সংশয়ে পড়ে গিয়েছিলেন—সফর আদৌ চলবে কি না, কিংবা তিনি আবার শিল্পী হিসেবে মঞ্চে ফিরতে চান কি না।<br>ফিলাডেলফিয়ার দর্শকদের উদ্দেশে শিরান বলেন, ‘আমি জানতাম না এই সফর চলবে কি না। এমনকি জানতাম না, আমি আদৌ শিল্পী হিসেবে থাকতে চাই কি না। কিন্তু আজ আমি এখানে, কারণ আমার ভক্তদের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা আছে।’</p><p>শিরান আরও বলেন, ‘আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ যে আপনারা আজ রাতে আমার সঙ্গে আছেন। এই কনসার্ট এমন একটি জায়গা, যেখানে সবাই স্বাগত। এখানে ভিন্নমতের মানুষও পাশাপাশি দাঁড়াতে পারেন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/w5pc4utl/499218_01_02.jpg" /><figcaption>ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টের বাইরে প্রতিবাদের চিত্রও দেখা গেছে। এএফপি </figcaption></figure><p>মঞ্চে শিরান এমন ধারণারও বিরোধিতা করেন, যেখানে কোনো শিল্পী বা তাঁর পরিবেশনার বিষয়বস্তু আগে থেকে ‘অনুমোদন’ করে নেওয়ার কথা বলা হয়। এ বক্তব্যে দর্শকদের কাছ থেকে করতালি পান তিনি।</p><p>ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টের বাইরে প্রতিবাদের চিত্রও দেখা গেছে। কয়েকজন বিক্ষোভকারী ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে অবস্থান নেন। তাঁদের একজন বিবিসিকে বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানাতেই তিনি সেখানে এসেছেন। তাঁর মতে, ম্যাকলমোরের মতো শিল্পীদের নিজস্ব মঞ্চ ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের কথা বলার সুযোগ থাকা উচিত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/5f9xrl005c">ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরও স্পষ্ট হলো তারকাদের বিভাজন</a></aside><p>অন্যদিকে, কনসার্টে আসা কয়েকজন দর্শক জানিয়েছেন, তাঁরা সংগীত উপভোগ করার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষেও অবস্থান করছেন। এক দম্পতি জানান, তাঁরা প্রতিটি টিকিটের জন্য ৪৫০ ডলার খরচ করেছেন এবং ম্যাকলমোরের স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকারকে তাঁরা সম্মান করেন।</p><p>বিতর্কের মধ্যেই এড শিরানের ‘লুপ ট্যুর’-এর বাকি আয়োজন উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় চলবে। তবে বিতর্কের প্রভাব টিকিট বিক্রিতেও পড়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলাডেলফিয়ার কনসার্টের কিছু টিকিটের দাম নেমে আসে ৩২ ডলার পর্যন্ত। কিছু দর্শক টিকিটের অর্থ ফেরত পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন, যদিও টিকিটমাস্টার ও মেসিনা ট্যুরিং গ্রুপ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি।</p><p><sup>বিবিসি অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান ১১–দলীয় ঐক্যের</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/nul7yzqri8</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/nul7yzqri8#comments</comments><guid isPermaLink="false">e43cf979-0af3-42b8-8c15-3bcdfb56677a</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:28:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:28:09.357Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো ও অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।]]></description><media:keywords>সংবিধান,বিএনপি,সংসদ,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী</media:keywords><media:content height="591" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/oigj1uwq/Jamaat.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ ১১–দলীয় ঐক্যের সংবাদ সম্মেলন। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/oigj1uwq/Jamaat.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের সরকারি উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য।</p><p>আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১১–দলীয় ঐক্যের এই অবস্থানের কথা জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।</p><p>‘বিএনপি কর্তৃক গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে সংস্কারের পরিবর্তে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান ও ১১–দলীয় ঐক্যের বক্তব্য তুলে ধরার লক্ষ্যে’ এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের বর্তমান উদ্যোগ ১১–দলীয় ঐক্য প্রত্যাখ্যান করেছে।</p><p>জুলাই সনদে সই করা রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আজ মতবিনিময় করছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। জুলাই সনদে সই করা ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের এই মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ কয়েকটি দল এই মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছে না।</p><p>মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ১১–দলীয় ঐক্য মনে করে, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়—এই তিনটির প্রতি সম্মান দেখানোই বর্তমান সাংবিধানিক মতপার্থক্য নিরসনের গণতান্ত্রিক পথ।</p><p>জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) দুটি শপথ নেওয়ার কথা। এর একটি এমপি হিসেবে, অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। কিন্তু নির্বাচনের পর বিরোধী দলের এমপিরা দুটি শপথ নিলেও বিএনপির এমপিরা শুধু সংসদ সদস্যের শপথ নিয়েছেন। এখানেই বর্তমান সাংবিধানিক সংকটের মূল প্রশ্ন চিহ্নিত।</p><p>সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ক্ষমতা এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে জনগণের গণভোটে অর্পিত গাঠনিক ক্ষমতা এক নয় বলে মন্তব্য করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, একই ব্যক্তি দুটি প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে পারেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান দুটির ক্ষমতার উৎস, আইনগত পরিচয় ও দায়িত্ব এক নয়। জাতীয় সংসদ সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে সংবিধানের মৌলিক পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নে জনগণই চূড়ান্ত সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস।</p><p>গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো ও অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সেটি না করে, গণরায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বিষয়টিকে সীমিত পরিসরের সাধারণ সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গণভোটে জনগণ যে প্রক্রিয়া অনুমোদন করেছে, তাকে পাশ কাটিয়ে কোনো বিকল্প প্রক্রিয়াকে জনগণের ম্যান্ডেটের সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।</p><p>সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ জাতীয় সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিলেও তা সীমাহীন নয় বলে মন্তব্য করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী–ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা গেলেও জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের এখতিয়ার নেই।</p><p>এ ক্ষেত্রে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, ত্রয়োদশ, ষোড়শসহ বিভিন্ন সংশোধনী সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল হওয়ার দৃষ্টান্ত টানেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সংশোধনী আনা হয়েছে কি না, সেটি মৌলিক প্রশ্ন নয়। প্রশ্ন হলো, যে ক্ষমতা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেই ক্ষমতার উৎস কী, আর জনগণ কোন প্রক্রিয়ায় সেই ম্যান্ডেট দিয়েছে।</p><p>১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। এগুলো হলো গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিষদ কার্যকর করা।</p><p>সরকারকে একতরফাভাবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো–সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন আনার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক সংস্কারকে জনগণের প্রত্যাশা, গণভোটের রায় ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে বলেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/nl5uimp902">আজ দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়, অংশ
নেবে না বিরোধীরা </a></aside><p>সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১–দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জুলফি-কাহিনি</title><link>https://www.kishoralo.com/golpo/y7g3d0g6qv</link><comments>https://www.kishoralo.com/golpo/y7g3d0g6qv#comments</comments><guid isPermaLink="false">6d614525-b7e3-4d6d-abb6-4a7ebe772f6d</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:19:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:19:28.371Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহসান হাবীব</atom:name><atom:uri>/api/author/1449526</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পরে একে একে সবাই আবিষ্কার করল, সবারই একই অবস্থা। স্যার বইয়ের বাইরে এমন এমন সব পড়া ধরে যে কেউই পারে না। ফলে জুলফি ধরে মারো টান, হেইও]]></description><media:keywords>আরও কিআ,রম্য রচনা,গল্প কিআ</media:keywords><media:content height="887" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/we00cqiu/ArtM03.jpg" width="1200"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/we00cqiu/ArtM03.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>golpo</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>২০১২ সালের এপ্রিল মাসে কিশোরদের জন্য নববর্ষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল প্রথম আলো। কিশোর আলোর পূর্বসূরী বলা চলে এই সংখ্যাটাকে। এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বের হবে কিশোর আলো। সেই সংখ্যায় লিখেছিলেন প্রখ্যাত সব লেখকেরা। আসছে ১ অক্টোবর কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন। জন্মদিনের আনন্দ পাঠকের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে নববর্ষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে লেখা প্রকাশিত হবে শুধু কিশোর আলো অনলাইনে।</blockquote><p>- বুঝলি, আমার খুব শখ, বড় হয়ে লম্বা জুলফি রাখব। কিন্তু তা বোধ হয় আর রাখা হবে না।</p><p>- কেন?</p><p>- কেন বুঝিস না? বিজ্ঞান স্যার পড়া না পারলে কানের জুলফি ধরে সব সময় টানে। টানতে টানতে কী অবস্থা করেছে দেখেছিস? বলে সোহেল তার জুলফি দেখায়।</p><p>- ঠিক তো, আমারও একই অবস্থা। স্বীকার করে শহিদও। সেও আফসোসের ভঙ্গিতে তার জুলফিতে হাত বুলায়।</p><p>পরে একে একে সবাই আবিষ্কার করল, সবারই একই অবস্থা। স্যার বইয়ের বাইরে এমন এমন সব পড়া ধরে যে কেউই পারে না। ফলে জুলফি ধরে মারো টান, হেইও।</p><p>- কী করা যায় বল তো?</p><p>- একটা বুদ্ধি আছে।</p><p>- কী বুদ্ধি?</p><p>- সুপার গ্লু।</p><p>- মানে?</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/jvb12zfmej">বৃষ্টি</a></aside><p>- মানে স্যারের দুই আঙুলে সুপার গ্লু লাগিয়ে দিতে হবে। তাহলে স্যার আর টানা চার ঘণ্টার জন্য আঙুল খুলতে পারবেন না।</p><p>- হে... হে... গাধা! কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টাটা বাঁধবে কে শুনি? মানে স্যারের দুই আঙুলে সুপার গ্লু লাগাবে কে?</p><p>- সেই বুদ্ধিও আমি বের করেছি।</p><p>- কী?</p><p>সবাই আগ্রহ নিয়ে তাকায় মারুফের দিকে।</p><p>মারুফ মুচকি হাসে। মারুফ জানায়, তার বড়ভাই বিদেশ থেকে বিশেষ ধরনের একটা সুপার গ্লু এনেছে। সেটা এতই ভয়ংকর যে লোহা পর্যন্ত জোড়া লেগে যায় আর যদি সেটা চামড়ায় বা আঙুলে লাগে, তাহলে চার ঘণ্টার আগে খুলবে না।</p><p>- বলিস কী?</p><p>- হ্যাঁ মারাত্মক সুপার গ্লু।</p><p>- কিন্তু স্যারের দুই আঙুলে লাগাবি কীভাবে?</p><p>- খুব সোজা। স্যার তো ক্লাসে ঢুকেই এক গ্লাস পানি খায়। গ্লাসের গায়ে লাগিয়ে রাখব।</p><p>- ঠিক ঠিক, দারুণ বুদ্ধি। কবে করবি?</p><p>- কেন, আজ আমি নিয়েও এসেছি গ্লুটা। বলে সে পকেট থেকে সবুজ রঙের একটা ছোট্ট টিউব বের করে। সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে টিউবটার দিকে। টিউবটার ইংরেজিতে গায়ে লেখা—'SUPER SUPER GLUE'।</p><p>ক্লাস এইটের ফিফথ পিরিয়ড। বিজ্ঞান ক্লাস। সাগর স্যার ঢুকলেন ঢুকেই একটু অবাক হলেন তাঁর টেবিলে ঝকঝকে গ্লাসে পানি রেডি। তিনি মনে মনে খুশি হলেন আবার বিরক্তও হলেন। কারণ, ঢুকেই তিনি প্রতিদিন 'আমার পানি কই?' বলে একটা হুংকার দিতেন। তখন ক্যাপ্টেন ছুটে গিয়ে পানি নিয়ে আসত। ক্যাপ্টেনের এটা এক নম্বর ডিউটি। আজ আর সেটা দেওয়া গেল না। স্যার গ্লাস হাতে নিয়ে ঢকঢক করে পানি খেলেন। তারপর জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন সবচেয়ে কোনায় বসা সাকিবের দিকে। হুংকার দিলেন 'স্ট্যান্ডআপ'।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/golpo/4z8n4j7w84">ডিউক জনের চার মূর্তি সিরিজের গল্প—দুঃসহ দুপুরে</a></aside><p>সাকিব উঠে দাঁড়াল। অন্য দিন বুক ঢিব ঢিব করত, আজ সাকিবের মুখটা যেন হাসি হাসি।</p><p>- দুটো লৌহ শলাকাকে চুম্বকে কিছুক্ষণ ঘর্ষণ করার পর তারা কী রকম আচরণ করবে?</p><p>সাকিব উত্তরটা জানে, খুবই সহজ... কিন্তু বলল, 'স্যার, জানি না।'</p><p>- এদিকে আয়। তার মানে এখন দুই আঙুলে জুলফি টানা হবে। সাকিব হাসিমুখে এগিয়ে গেল, মাথাটা এগিয়ে দিল স্যারের দিকে জুলফি টানার জন্য। ক্লাসের সবাই মুখ চেপে হাসি আটকানোর চেষ্টা করছে। স্যার হাত বাড়ালেন সাকিবের কানের দিকে... জুলফি ধরতে যাবেন দুই আঙুলে... কিন্তু এ কী? তিনি আশ্চর্য হয়ে আবিষ্কার করলেন তাঁর বুড়ো আঙুল আর তর্জনী একসঙ্গে আটকে আছে, তিনি খুলতে পারছেন না। এর মানে কী? তিনি হতভম্ব হয়ে প্রথমে সাকিবের দিকে তাকালেন... সাকিব হাসিমুখে বলল, 'স্যার, কোনো সমস্যা?' স্যার হতভম্ব হয়ে ক্লাসের অন্য সবার দিকে তাকালেন... দেখেন সবাই হাসি হাসি মুখে তাঁর দিকে তাকিয়ে। দু-একজন প্রাণপণে হাসি চাপার চেষ্টা করছে...!</p><p>ক্লাসের সবচে ফাজিল ছেলে মুকিত হাত তুলে দাঁড়িয়ে বলল, 'স্যার, দুটো লৌহ শলাকা চুম্বকে ঘর্ষণ করে পাশাপাশি আনলে আপনার দুই আঙুলের মতো পরস্পরকে আকর্ষণ করবে!' আর তখনই পুরো ক্লাস হো হো করে হেসে উঠল। সাগর স্যার হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর জুলফিতে চিকন ঘাম!</p><p>দুই দিন পরের ঘটনা। সাগর স্যারের দুই আঙুল খুলেছে। তবে তিনি হেডস্যারকে বলে ক্লাস এইটের বিজ্ঞান ক্লাসটা পরিবর্তন করে নিয়েছেন। এখন ক্লাস নেন আফরোজা ম্যাডাম। ম্যাডামটা খুব ভালো। এই খবর পেয়ে ক্লাস এইটের সবাই একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল 'হুররররে...!!'</p><h5>(শেষ)</h5><aside><a href="https://www.kishoralo.com/golpo/scj2g1n95s">মিসিং ফুটবল</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>প্রধানমন্ত্রী কাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/3oszzwprlb</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/3oszzwprlb#comments</comments><guid isPermaLink="false">f5775c45-d94b-4220-9a8a-88402a6757a3</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:16:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:16:00.643Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কূটনৈতিক প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428976</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এ সফরে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি দেশের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।]]></description><media:keywords>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,জাতিসংঘ</media:keywords><media:content height="1288" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1qd9rplr/pm.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে বিভিন্ন বিষয় জানান। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1qd9rplr/pm.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় বক্তব্য দেবেন। তিনি তাঁর বক্তৃতায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহি, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহার এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।  </p><p> আজ রোববার দুপুরে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এ সফরে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি দেশের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।</p><p>নিউইয়র্কে তারেক রহমানের সফরসঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন ৩৫ জন। তাঁদের মধ্যে থাকবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। আরও থাকবেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দিন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর কাটছাঁটের বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ উচ্চপর্যায়ের মোট পাঁচটি বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া বাংলাদেশ সম্মেলনের ফাঁকে দুটি ইভেন্টের আয়োজন করেছে।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বহুপক্ষীয় সফরের কর্মসূচিতে অনেক সময় অনেক কিছুই যোগ–বিয়োগ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একই অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। তাই এটি আমাদের জন্য একদিকে যেমন বিরল ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত, অন্যদিকে তেমনি বিশেষ মর্যাদা ও গৌরবের বিষয়।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>প্রাণ গ্রুপে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে চাকরি, জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/6m6dyjmrvx</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/6m6dyjmrvx#comments</comments><guid isPermaLink="false">10962208-f398-46dd-843a-198068594044</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:10:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:10:46.840Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রাণ গ্রুপ সেলস অটোমেশন বিভাগে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার - সেলস অটোমেশন’ পদে নিয়োগ দেবে।]]></description><media:keywords>বেসরকারি চাকরি,নিয়োগ,ক্যারিয়ার</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/avt6g8kc/6f568ec6-a888-4683-8723-4bca2c18c29a.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রাণ গ্রুপ লোগো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/avt6g8kc/6f568ec6-a888-4683-8723-4bca2c18c29a.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রাণ গ্রুপ তাদের সেলস অটোমেশন বিভাগে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার-সেলস অটোমেশন’ পদে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।</p><p> <strong>সংক্ষিপ্ত তথ্য</strong></p><p> প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রাণ গ্রুপ।</p><p> পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার-সেলস অটোমেশন।</p><p> চাকরির ধরন: ফুলটাইম (অফিস)।</p><p> কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে।</p><p> শিক্ষাগত যোগ্যতা</p><p> মার্কেটিং, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বা ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) এমবিএ ডিগ্রি অথবা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়ে বিএসসি বা এমএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে।</p><p> বয়সসীমা</p><p> ২৩ থেকে ৩০ বছর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/npb9n1gbbr">সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়</a></aside><p><strong>অন্যান্য যোগ্যতা</strong></p><p>সেলস অটোমেশন টুলস (যেমন সেলসফোর্স, পাওয়ার বিআই, এক্সেল) সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকতে হবে। অ্যানালিটিক্যাল ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং দ্রুত শেখার মানসিকতা থাকতে হবে। যোগ্য নারী প্রার্থীদের আবেদনের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।</p><p><strong>প্রধান দায়িত্ব</strong></p><p>সেলস অটোমেশন টুলস (SPRO) পরিচালনায় সহায়তা করা। সেলস টিমকে ট্র্যাকিং ও পারফরম্যান্স মূল্যায়নে সহযোগিতা প্রদান করা। সেলস ডাটা বিশ্লেষণ করে ট্রেন্ড ও সুযোগ চিহ্নিত করা। সেলস, মার্কেটিং ও আইটি টিমের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রক্রিয়া সহজ করা। নিয়মিত রিপোর্ট ও ড্যাশবোর্ড তৈরি করা। সিস্টেমে ডাটার সঠিকতা নিশ্চিত করা এবং সেলস কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়া।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/hp6tc2etkq">বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে ২১ পদে চাকরির সুযোগ</a></aside><p><strong>সুযোগ-সুবিধা</strong></p><p>যাতায়াত ভাতা (টিএ), প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিমাসুবিধা, প্রফিট শেয়ার, আংশিক ভর্তুকিতে দুপুরের খাবার সুবিধা, বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা, দুটি উৎসব বোনাস এবং প্রতিষ্ঠানের নীতি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।</p><p><strong>আবেদনপ্রক্রিয়া ও সময়সীমা</strong></p><p>আবেদনের বিস্তারিত জানতে আগ্রহী প্রার্থীরা এই <a href="https://bdjobs.com/h/details/1535315?ln=1" target="_blank" rel="nofollow">লিংকে</a> প্রবেশ করুন।</p><p>আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬</p>]]></content:encoded></item><item><title>পটুয়াখালীতে অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে বাস খাদে, মা-মেয়েসহ ৪ জন নিহত</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2xtns8vc84</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2xtns8vc84#comments</comments><guid isPermaLink="false">7ec09987-6b65-44db-84a1-37748ef5f2d6</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:09:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:09:52.509Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধলুগাজীর মোড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে বাসটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায়।]]></description><media:keywords>মৃত্যু,পটুয়াখালী,সড়ক দুর্ঘটনা,বরিশাল বিভাগ,ফায়ার সার্ভিস</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/i7tuc0td/Potuakhali-Accident.jfif" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হচ্ছে। গতকাল শনিবার গভীর রাতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলুগাজীর মোড়ে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/i7tuc0td/Potuakhali-Accident.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পটুয়াখালী সদর উপজেলার কলাপাড়া-পটুয়াখালী মহাসড়কে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ চারজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে বসাক বাজারসংলগ্ন ধলুগাজীর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>নিহত ব্যক্তিরা হলেন গলাচিপা উপজেলার গোলবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৪০), একই উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের চারআনি বাউড়িয়া গ্রামের শিল্পী রানী (৪০), তাঁর মেয়ে বিথি রানী (২৩) এবং অটোরিকশাচালক আবদুল কাইয়ুম প্যাদা (৫০)।</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/IysZL_2X-cU"></iframe></figure><p>পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে ইমরান ট্রাভেলস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পটুয়াখালী শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে বসাক বাজারসংলগ্ন ধলুগাজীর মোড়ের একটি বাঁক অতিক্রম করছিল বাসটি। একই সময়ে পটুয়াখালী শহরের হেতালিয়া বাঁধঘাট থেকে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশাও ওই স্থান অতিক্রম করছিল। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায়।</p><p>খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে অটোরিকশায় থাকা তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক আবদুল কাইয়ুম প্যাদাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।</p><p>নিহত শিল্পী রানীর প্রতিবেশী আবদুল কাউয়ুম জানান, শিল্পী ও তাঁর মেয়ে গতকাল বিকেলে পটুয়াখালী জেলা শহরে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। রাতে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। এ সময় দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রেজওয়ান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আহত কয়েকজনকেও উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।</p><p>পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অতিরিক্ত নিউট্রন কিভাবে আটকানো যায়</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/8okl91v9vw</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/8okl91v9vw#comments</comments><guid isPermaLink="false">d282945d-4fbf-458d-a06c-2e588bf3d744</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T09:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="3333" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/6a10d45c-e0be-4084-abb7-803a96b707cb/rm373batch15_bg_05.jpg" width="5000"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/6a10d45c-e0be-4084-abb7-803a96b707cb/rm373batch15_bg_05.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <a class="cta-anchor" href="https://www.bigganchinta.com/physics/6eo1r56fij" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">আগের পর্ব</span></a><p>আমরা শীঘ্রই একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছব এবং মনোযোগের সঙ্গে তার কার্যক্রম দেখার ও বুঝার চেষ্টা করব। আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিদর্শন করব তা সমুদ্রের তীরে অবস্থিত। কিন্তু এই মুহূর্তে দেখব আমাদের চুল্লির কি অবস্থা, কি ঘটছে সেই কম্পনশীল ইউরেনিয়াম পরমাণুর সঙ্গে।</p><p>তোমার কি মনে আছে, আমি বলেছিলাম যখন একটি নিউট্রন ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে ভেঙ্গে দেয় তখন দুই/তিনটি নিউট্রন ছুটে বেরিয়ে আসে। এই তিনটি নিউট্রন আরও তিনটি পারমাণুকে ভেঙ্গে দেয়।</p><p>ধরা যাক, প্রতিটি ভেঙ্গে যাওয়া নিউক্লিয়াস থেকে আবারো তিনটি করে নিউট্রন বেরিয়ে আসছে। ফলে আমরা পাচ্ছি ৯টি নতুন নিউট্রন... এ ভাবেই প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে। ভেঙ্গে যাওয়া নিউক্লিয়াস থেকে ছুটে বেড়িয়ে আসা নিউট্রনের সংখ্যা এবং উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। এমনভাবে চলতে থাকলে চুল্লিটি নিজেই অত্যন্ত গরম হয়ে এক সময় গলে যেতে পারে! ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর সঙ্গে মজা করার কোন সুযোগ নেই। একে সব সময় চোখে চোখে রাখতে হয়।</p><p>এ জাতীয় বিপদ থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে? খুব সোজা, এ জন্য পারমাণবিক বিক্রিয়াটিকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/3i2rc8m6ov">নিউক্লিয় বল বলতে কি বুঝায়</a></aside><blockquote>পারমাণুবিক চুল্লিতে বোরন-১০ এবং ক্যাডমিয়ামের পরমাণু যুক্ত করলে তারা প্রায় সকল মুক্ত নিউট্রনকে শুষে নেয়। এর ফলে চুল্লির কার্যক্রম মন্থর হয়ে যায়- যেমনটি ঘটে জ্বলন্ত চুলায় পানি ঢালার ফলে।</blockquote><p>পরমাণুর বিস্ময়কর জগতে এমন বিশেষজ্ঞ আছেন- যারা পারমাণবিক চুল্লিতে শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। তারা নিউট্রনকে ইচ্ছামতো ছোটাছুটি করতে দেন না এবং তৎসংখ্যক নিউট্রনকেই মুক্ত অবস্থায় থাকতে দেন যতগুলো প্রয়োজন- কম বা বেশি নয়! বোরন নামক একটি পদার্থ আছে, যার পরমাণু চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কিন্তু বোরনের সব পরমাণুই এটি করতে সক্ষম নয়। দুটি আইসোটোপ বোরন-১০ এবং বোরন-১১কে এ কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।</p><p>বোরন-১০ তার পাশ দিয়ে যখনই কোন নিউট্রন অতিক্রম করে তখনই সেটিকে আটকে ফেলে এবং নিউট্রনটিকে নিজের নিউক্লিয়াসের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। কিন্তু বোরন-১১ নিউট্রনকে না আটকিয়ে বরং দূরে ঠেলে দেয়। ফলে কি দেখা যাচ্ছে? অতিরিক্ত নিউট্রন থেকে মুক্তি পেতে বোরন-১০ই শুধুমাত্র আমাদের সহায়তা করতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/sx7lchh1/Untitled_1.png" /></figure><p>বোরন-১০ ছাড়াও আরো কয়েকটি পদার্থ রয়েছে- যাদের পরমাণু নিউট্রনকে আটকে দিতে সক্ষম, যেমন ক্যাডমিয়াম ধাতু। পারমাণুবিক চুল্লিতে বোরন-১০ এবং ক্যাডমিয়ামের পরমাণু যুক্ত করলে তারা প্রায় সকল মুক্ত নিউট্রনকে শুষে নেয়। এর ফলে চুল্লির কার্যক্রম মন্থর হয়ে যায়- যেমনটি ঘটে জ্বলন্ত চুলায় পানি ঢালার ফলে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/যেভাবে-পেলাম-নিউট্রন-শব্দটি">যেভাবে পেলাম নিউট্রন শব্দটি</a></aside><blockquote>বোরন-১০ তার পাশ দিয়ে যখনই কোন নিউট্রন অতিক্রম করে তখনই সেটিকে আটকে ফেলে এবং নিউট্রনটিকে নিজের নিউক্লিয়াসের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়।</blockquote><p>যে পদার্থগুলোর কথা উল্লেখ করলাম এগুলো দিয়ে নিয়ন্ত্রণকারী রড তৈরি করার পর চুল্লিতে স্থাপন করা হয়। নিয়ন্ত্রণকারী রডগুলো যখন সম্পূর্ণভাবে চুল্লির ভেতর অবস্থান করে তখন কোন চেইন রিঅ্যাকশন ঘটতে পারে না। কি ঘটবে, যদি এই নিয়ন্ত্রণকারী রডগুলোকে কিছুটা বের করে আনা হয়?</p><p>নিউট্রন শোষণের পরিমাণ কমে যাবে, কিছুসংখ্যক নিউট্রন মুক্ত হয়ে চেইন রিঅ্যাকশনের সূচনা করবে এবং ইউরেনিয়াম উত্তপ্ত হতে থাকবে। যদি রডগুলোকে আরও বেশি বের করে আনা হয় তখন মুক্ত নিউট্রনের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর বিভাজন প্রক্রিয়া আরও গতি লাভ করবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম-২৩৫ আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। রডগুলোকে যদি আবার ঢুকিয়ে দেয়া হয় তবে মুক্ত নিউট্রনের সংখ্যা কমে আসবে এবং সঙ্গে সঙ্গে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর বিভাজন প্রক্রিয়াও মন্থর হয়ে যাবে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/fizpgw6snc">নিউট্রন কেন চার্জশূন্য</a></aside><blockquote>ইস্পাতে বোরন-১১ পরমাণু যুক্ত করে আমরা চুল্লির জন্য প্রতিরক্ষা দেয়াল তৈরি করতে পারি। এর ফলে একটি নিউট্রনও দেয়াল ভেদ করে বাইরে আসতে পারবে না।</blockquote><p>ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর বিভাজনকারী মুক্ত নিউট্রন অনেক বিপজ্জনক; কারণ এগুলো আমাদের শরীর যে সকল পরমাণু দিয়ে গঠিত সেগুলোকেও ভেঙ্গে দিতে পারে। এই মুক্ত নিউট্রন থেকে আমরা কিভাবে রক্ষা পেতে পারি? এ জন্য বিশেষ পরমাণু যুক্ত ঢাল ব্যবহার করতে হবে। এই পরমাণুগুলো নিউট্রনকে বিকর্ষণ করে দূরে ঠেলে দেবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/52w7sbzq/p.png" /></figure><p>বোরন-১১ পরমাণুর কথা মনে আছে তো? ইস্পাতে বোরন-১১ পরমাণু যুক্ত করে আমরা চুল্লির জন্য প্রতিরক্ষা দেয়াল তৈরি করতে পারি। এর ফলে একটি নিউট্রনও দেয়াল ভেদ করে বাইরে আসতে পারবে না। কারণ দেয়ালের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে বোরন-১১ পরমাণু নিউট্রনগুলোকে বিকর্ষণ করে দূরে ঠেলে দেবে।</p><h4>কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম</h4><h4>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ</h4><h4>বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন </h4><h4>এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং</h4><h4>পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/nza5ci968w">নিউট্রনের চার্জ শূন্য কেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তদারকিতে ‘এআই ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/mr1ye1xevn</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/mr1ye1xevn#comments</comments><guid isPermaLink="false">75a6fdae-7c2e-480d-8e3b-55ca68347f29</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:58:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:58:19.770Z</atom:updated><atom:author><atom:name>দ্য গার্ডিয়ান</atom:name><atom:uri>/api/author/1772935</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এআই ফোর্স গঠন করছি। প্রথম মেয়াদে যেমন স্পেস ফোর্স গঠন করেছিলাম, এটিও তেমন হবে।’]]></description><media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,এআই,যুক্তরাষ্ট্র,ডোনাল্ড ট্রাম্প</media:keywords><media:content height="421" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-07/pknea2zv/Trump.jpg" width="633"><media:title type="html"><![CDATA[ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-07/pknea2zv/Trump.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শনিবার বলেছেন, তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) তদারকির জন্য একজন ‘এআই জার’ ও ‘এআই ফোর্স’ নামে একটি বাহিনী গঠন করবেন।</p><p>বিশ্বজুড়ে এআই নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহে প্রযুক্তি খাতের একাধিক ব্যক্তি এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন এবং আরও ধীরগতিতে এটির বিকাশ বা উন্নয়নের কথা বলেছেন। তবে এ কথা মানতে নারাজ ট্রাম্প। তিনি চান, এআইয়ের আরও দ্রুত বিকাশ হোক।</p><p>ট্রাম্পের এ অবস্থান নেওয়ার একটি বড় কারণ হিসেবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এআইয়ের দ্রুত বিকাশ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীন এ প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/x35ltnshv7">এআই ইস্যুতে কেন বিশ্বনেতাদের এক হতে হবে</a></aside><p>তবে এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি ও জননিরাপত্তার ওপর এটির প্রভাব নিয়ে অনেক রিপাবলিকানও সতর্ক মত প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এআইয়ের বিকাশ ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন।</p><blockquote>এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি ও জননিরাপত্তার ওপর এটির প্রভাব নিয়ে অনেক রিপাবলিকানও সতর্ক মত প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এআইয়ের বিকাশ ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন।</blockquote><p>ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এআই ফোর্স গঠন করছি। প্রথম মেয়াদে যেমন স্পেস ফোর্স গঠন করেছিলাম, এটিও তেমন হবে। স্পেস ফোর্স ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। এ উদ্দেশ্যে অদূর ভবিষ্যতে আমি এআই জার নিয়োগের ঘোষণা দেব। যাঁদের আইকিউ অনেক বেশি, শুধু তাঁরাই আবেদন করবেন!’</p><p>তবে একই পোস্টে দ্রুত বিকাশমান এ প্রযুক্তি নিয়ে ট্রাম্প তাঁর আগের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রযুক্তি খাতের কিছু বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা করছেন, এআই মানুষের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু ট্রাম্প দাবি করছেন, এআই নিয়ে যে ভীতি ছড়ানো হচ্ছে, তা ‘ধাপ্পাবাজি’ ছাড়া আর কিছুই নয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/u8q5y03dwn">এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অস্ত্র বানাতে ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে বিপদ কতটা</a></aside><p>ট্রাম্প লিখেছেন, ‘বছরের পর বছর এ ধরনের অনেক গুজব ছড়ানো হয়েছে। এগুলো সবই উগ্র বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের তৈরি। এর উদ্দেশ্য আমাদের দেশকে ধ্বংস করা।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ, ইউক্রেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, তাঁর বিরুদ্ধে দুটি অভিশংসনের চেষ্টা, নারীদের খেলাধুলায় পুরুষদের অংশগ্রহণের মতো বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেন।</p><aside><cite>ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট</cite>আমি এআই ফোর্স গঠন করছি। প্রথম মেয়াদে যেমন স্পেস ফোর্স গঠন করেছিলাম, এটিও তেমন হবে। স্পেস ফোর্স ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। এ উদ্দেশ্যে অদূর ভবিষ্যতে আমি এআই জার নিয়োগের ঘোষণা দেব। যাঁদের আইকিউ অনেক বেশি, শুধু তাঁরাই আবেদন করবেন!
</aside><p>ট্রাম্প লিখেছেন, এ ধরনের সর্বশেষ ধাপ্পাবাজি হলো, এ প্রযুক্তি নিয়ে নানা আশঙ্কার কথা বলে এআইকে ধ্বংস বা বিলুপ্ত করার জন্য উঠেপড়ে লাগা। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাঁর প্রশাসন কোনোভাবেই এ অসাধারণ শিল্পের বিকাশে বাধা দেবে না বা দমিয়ে রাখবে না। প্রয়োজনে যাঁরা এআইয়ের অপব্যবহার করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/rhp8rvoqlx">এআইয়ের ভুলে চীনা জাহাজে অভিযান চালাতে যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র, আরেকটু হলেই বেধে যেত যুদ্ধ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব: কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেল</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/gr09g2q0bn</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/gr09g2q0bn#comments</comments><guid isPermaLink="false">dc678c4b-2d35-4524-b283-be6ffc23ce95</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:56:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:56:16.621Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এই রোগের প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী ও টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।]]></description><media:keywords>মৃত্যু,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,শিশু,হাম,রোগ,চিকিৎসা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uq4a61tm/ad27542f-ffc9-4ff6-ab57-275b52da5b66.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে ‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’ সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের স্ক্রিনশট]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uq4a61tm/ad27542f-ffc9-4ff6-ab57-275b52da5b66.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান–স্বাস্থ্য–প্রযুক্তিবিষয়ক সায়েন্টিফিক আমেরিকান সাময়িকী একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি, কারণ তুলে ধরা হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশে হাসপাতাল ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা হামের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে লড়াই করছেন। টিকাদানের হার বাড়লেও হামের সংক্রমণ বেড়েছে। ২০০৫ সালের পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে এবারই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।</p><p>হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এতে শরীরে লালচে দাগ ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। ফ্লুর মতো উপসর্গও হয়। তবে এই রোগ থেকে নিউমোনিয়া, মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়ার মতো গুরুতর ও প্রাণঘাতী জটিলতা হতে পারে।</p><p>গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে হামের সন্দেহভাজন রোগী ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হাম বা উপসর্গে মারা গেছেন ১ হাজার ৪৪ জন। সংক্রমিতদের বেশির ভাগই দুই বছরের কম বয়সী শিশু, যারা টিকা পায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/s84n50aevv">অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকার ব্যাপারে সতর্ক করে ৫টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-23/cua2ur0y/3c680bfb-c10c-4c11-807c-b326d1c859af.jfif" /><figcaption>হামে শিশুর মৃত্যুতে স্বজনের আহাজারি</figcaption></figure><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এ রোগের প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী ও টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম ইউনিভার্সিটির স্বাস্থ্য যোগাযোগবিষয়ক গবেষক এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সাবেক যোগাযোগবিশেষজ্ঞ শাকিল ফয়জুল্লাহ বলেন, এই ভাইরাসগুলো কোনো ছাড় দেয় না। নিয়মিত টিকাদান প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ছেদ পড়ে, তাহলে তারা দ্রুত আক্রমণ করবে। বাংলাদেশে সেটিই ঘটেছে।</p><p>এ বিষয়ে সায়েন্টিফিক আমেরিকান সাময়িকীর পক্ষ থেকে মন্তব্য চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো জবাব দেয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/x7x6d826uy">হামে মৃত্যু হাজার পার, নজিরবিহীন বলছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-13/fv3xfnh7/Hospital.jfif" /><figcaption>হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির জন্য এনেছেন স্বজনেরা</figcaption></figure><p>২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে বছরে মোট হামের রোগীর সংখ্যা ১০০–৩০০-এর মধ্যে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির প্যানডেমিক সেন্টারের পরিচালক জেনিফার নুজো বলেন, এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য রকমের বড় একটি প্রাদুর্ভাব। এর সঙ্গে টিকাদানের হার অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার স্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে।</p><p>হামের এই প্রাদুর্ভাব বিশ্বজুড়ে রোগটির নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে। অথচ টিকার মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ করা যায়। একসময় বিশ্বজুড়ে হাম নির্মূলের পথে ছিল।</p><p>সম্প্রতি কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে হামের রোগী বেড়েছে। এসব দেশে একের পর এক প্রাদুর্ভাবও দেখা দিয়েছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত হামের ৩ হাজার ২৯৪ জন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুধু এ সপ্তাহেই পেনসিলভানিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে চতুর্থ ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/f3vob9gxnr">অগ্রগতি ম্লান টিকার অভাবে, বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-16/v5ys8gzq/Measles.jpeg" /><figcaption>দেশে হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। এই প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু রোগী</figcaption></figure><p>তবে প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি এক নয়। কিন্তু এসব দেশের একটি বিষয়ে মিল রয়েছে—টিকাদানের ঘাটতি। এ কারণে সামনে আরও ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে কি না, তা নিয়ে কিছু বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।</p><p>হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞ ওয়াল্টার ওরেনস্টেইন বলেন, হাম মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিতে শত শত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত নয়। হামের টিকা খুবই নিরাপদ ও কার্যকর। টিকা নেওয়া শুধু নিজেকে সুরক্ষিত করে না, নিজের সমাজের অন্যদেরও সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।</p><p>হাম ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কোনো জনগোষ্ঠীর অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে হয়। এটিকে বলা হয় ‘হার্ড ইমিউনিটি’। এই মাত্রার টিকাদান থাকলে রোগটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব হয়।</p><p>বিশেষজ্ঞ ওয়াল্টার ওরেনস্টেইন বলেন, টিকাদানের এই হার এমন মানুষদেরও সুরক্ষা দেয়, যারা হামের দুটি প্রয়োজনীয় ডোজ নিতে পারে না। যেমন খুব কম বয়সী শিশু।</p><p>হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। তাই টিকাদানের হার সামান্য কমে গেলেও ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/k1x8w153et">হাম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ</a></aside><p><strong>সব মিলিয়ে তৈরি হয় ভয়াবহ পরিস্থিতি</strong></p><p>স্বাস্থ্য যোগাযোগবিষয়ক গবেষক শাকিল ফয়জুল্লাহ বলেন, কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ ছিল ‘টিকাদানের ক্ষেত্রে আদর্শ উদাহরণ’। গত শতকের সত্তরের দশকে দেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়। এর ফলে সারা দেশে টিকা নেওয়ার হার বেড়ে যায়। বিভিন্ন কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠনও নিয়মিত টিকা নেওয়া নিশ্চিত করতে সহায়তা করত।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষক আয়েশা মাহমুদ আগে বাংলাদেশে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ও সংক্রামক রোগের বিস্তার নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন বাংলাদেশে বেড়ে উঠছিলাম, তখন মানুষ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর আস্থা রাখত।’</p><p>আয়েশা মাহমুদ বলেন, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের কাছে স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং টিকাদান কর্মসূচি সবার কাছে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী ব্যবস্থা রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/loac19x0/measles.jpeg" /><figcaption>হামে আক্রান্ত শিশুকে নেবুলাইজার দেওয়া হচ্ছে </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/qqpuzxc7nb">গাফিলতিতে বেড়েছে হাম, কার দায় কতটা</a></aside><p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে হামের টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ছিল প্রায় ৯৭ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার হার ছিল ৯৩ শতাংশ। দেশটি হামমুক্ত হওয়ার পথে এগোচ্ছিল। স্বাস্থ্য যোগাযোগবিষয়ক গবেষক শাকিল ফয়জুল্লাহ বলেন, কিন্তু এরপর বিভিন্ন জায়গায় ফাঁকফোকর তৈরি হয়।</p><p>অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০ সালে শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের হার কমে যায়। এরপর জনস্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাদানের হার বাড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ২০২৪ সালে টিকা সরবরাহের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় পরিবর্তন আসে। টিকা কেনার দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়ায় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার পরিবর্তন আনে। এর ফলে টিকার মজুত কমে যেতে পারে বলে মনে করেন শাকিল ফয়জুল্লাহ।</p><p>শাকিল ফয়জুল্লাহ আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) তহবিল কমে যাওয়াও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা এবং টিকা ও স্বাস্থ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/f5xvlzqbwx">হাম-রুবেলার দুই ডোজ টিকায় শিশুর সুরক্ষা প্রায় ৯৫ শতাংশে পৌঁছায়</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-07/930u1fae/Capture.PNG" /><figcaption>হামে আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসা চলছে</figcaption></figure><p>২০২৫ সালে বাংলাদেশে হামের টিকা নেওয়ার হার কমে ৮৬ শতাংশে নেমে আসে। ইউনিসেফের একটি মূল্যায়নে বলা হয়, প্রায় ৪ লাখ শিশু প্রয়োজনীয় সব টিকা পায়নি। এর মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকাই পায়নি।</p><p>টিকা নেওয়ার হার কমে যাওয়া, অপুষ্টি, শহরাঞ্চলে অতিরিক্ত ভিড় ও অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যব্যবস্থা—সবকিছু মিলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।</p><p>বিশ্বজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির মহামারিবিশেষজ্ঞ উইলিয়াম মস বলেন, বিভিন্ন বিষয় মিলে একধরনের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/kiyy6osmgs">বিশ্বে ৬ মাসে হামের রোগী সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে</a></aside><p><strong>ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো আড়ালেই থাকে</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির প্যানডেমিক সেন্টারের পরিচালক জেনিফার নুজো বলেন, হামের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।</p><p>হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার সবচেয়ে দ্রুত ও কার্যকর উপায় হলো ব্যাপকভাবে টিকা দেওয়া। হামের টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর শরীরে দ্রুত রোগপ্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়।</p><p>গত এপ্রিলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বড় পরিসরে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেন। এ কর্মসূচিতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়। এরপর থেকে হামের প্রাদুর্ভাব কমার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই উন্নতি দেশের সব এলাকায় সমান না–ও হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/10l1djr60t">হামে মৃত্যুর ৫২ শতাংশ ৯ মাসের কম বয়সী</a></aside><p>যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির মহামারিবিশেষজ্ঞ উইলিয়াম মস বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হলো, জাতীয় পর্যায়ের টিকাদানের হিসাব অনেক সময় বাস্তব চিত্রটি পুরোপুরি তুলে ধরে না। কোনো দেশের সামগ্রিক টিকাদানের হার যথেষ্ট বেশি হলেও সেখানে টিকা না নেওয়া মানুষের বড় বড় গোষ্ঠী থাকতে পারে। এসব এলাকায় হঠাৎ করে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হতে পারে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রেও এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে বলে উল্লেখ করেন উইলিয়াম মস।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষক আয়েশা মাহমুদ বলেন, বড় ধরনের মহামারি ঠেকাতে দুর্গম এলাকায় থাকা এবং কম টিকা নেওয়া জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে টিকাদান কর্মসূচি চালানো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/2dz5y684l3">মারা যাওয়া ৯২% শিশু হামের 
টিকা পায়নি </a></aside><p>যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয় দেশেই মানুষের মধ্যে হামের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। তবে এ ঘাটতির কারণ একেবারেই আলাদা।</p><p>এ প্রসঙ্গে শাকিল ফয়জুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে এর কারণ টিকা সরবরাহ ও স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ব্যাঘাত। আর যুক্তরাষ্ট্রে এর কারণ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় কম টিকা নেওয়া এবং টিকা নিতে অস্বীকৃতি বা টিকা নিয়ে দ্বিধা।</p><p>জেনিফার নুজো বলেন, এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে যে কেউ হামের টিকা নিতে চাইলে তা নিতে পারেন। বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে, তা টিকাবিরোধিতার কারণে হয়নি।</p><p>বাংলাদেশের ক্ষেত্রে টিকা সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন জেনিফার নুজো ও উইলিয়াম মস।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/vf1bmgxdgv">হামের একটি টিকাও আমাদের হাতে ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে তৈরি হয়</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/7v8i86uw9n</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/7v8i86uw9n#comments</comments><guid isPermaLink="false">1661b378-f128-40ca-9cca-3581ea514b4f</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:51:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:51:54.880Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ইফতেখারুল হক হাসনাইন</atom:name><atom:uri>/api/author/2460040</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আল্লাহর ভয় মানে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকা নয়। এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, তিনি আমার কথা ও কাজ জানেন এবং তাঁর অবাধ্যতার জবাবদিহি আমাকে করতে হবে।]]></description><media:keywords>ইসলামের কথা,আল্লাহর ভালোবাসা,আল্লাহ,আল্লাহ বিশ্বাসী</media:keywords><media:content height="3648" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/qkpikkdv/pexels-ozundunyasina-48519597-8024241.jpg" width="2736"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/qkpikkdv/pexels-ozundunyasina-48519597-8024241.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মুমিনের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা থাকবে আবার তাঁর ভয়ও থাকবে। ভালোবাসা মানুষকে আল্লাহর দিকে টেনে নেয় আর ভয় তাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে দূরে রাখে। এই দুটির কোনো একটিকে বাদ দিলে ইমানের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।</p><p>আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তারা তাদের রবকে ভয় ও আশার সঙ্গে ডাকে।’ (সুরা আস-সাজদা, আয়াত: ১৬)</p><p>এখানে ভয় ও আশাকে পাশাপাশি রাখা হয়েছে। মুমিন আল্লাহকে ভয় করে। কারণ, তিনি সর্বশক্তিমান এবং তাঁর অবাধ্যতার পরিণতি ভয়াবহ। আবার সে আল্লাহকে ভালোবাসে এবং তাঁর রহমতের আশা রাখে। কারণ, তিনি পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল।</p><p>আল্লাহর ভয় মানে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকা নয়। এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, তিনি আমার কথা ও কাজ জানেন এবং তাঁর অবাধ্যতার জবাবদিহি আমাকে করতে হবে—এ অনুভূতি অন্তরে জীবিত রাখা। এ ভয় মানুষকে গোপনে গুনাহ করা থেকে বিরত রাখে।</p><p>আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দুটি জান্নাত।’ (সুরা আর-রহমান, আয়াত: ৪৬)</p> <aside><cite>সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৯০</cite>তারা আশা ও ভয় নিয়ে আমাকে ডাকে।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/j41cwowdqy">অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করার ১০ উপায়</a></aside><p>অন্যদিকে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা মানুষকে শুধু শাস্তির ভয় থেকে ইবাদত করার স্তর পেরিয়ে নিয়ে যায়। সে নামাজ পড়ে শুধু জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য নয়; সে নামাজ পড়ে রবের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার জন্য।</p><p>সে গুনাহ ছাড়ে শুধু শাস্তির ভয়ে নয়; সে গুনাহ ছাড়ে, কারণ যে আল্লাহকে সে ভালোবাসে, তাঁর অবাধ্য হতে তার অন্তর সংকুচিত হয়।</p><p>আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘যারা ইমান এনেছে, তারা আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৬৫)</p><p>তবে ভালোবাসার নামে আল্লাহর ভয় হারিয়ে ফেলা যেমন ভুল, তেমনি ভয়কে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যে মানুষ আল্লাহর রহমত থেকেই নিরাশ হয়ে যায়, তা–ও ভুল।</p><p>আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘আমার রহমত সবকিছুকে পরিব্যাপ্ত করে আছে।’ (সুরা আরাফ, আয়াত: ১৫৬)</p><p>এ কারণেই মুমিনের হৃদয়ে ভয় ও আশা পাশাপাশি থাকে। সে গুনাহ করলে ভয় পায়, কিন্তু তওবার দরজা বন্ধ মনে করে না। সে আল্লাহর রহমতের আশা করে, কিন্তু সেই আশাকে গুনাহ করার অজুহাত বানায় না।</p><p>কোরআনে আল্লাহ–তাআলা তাঁর বান্দাদের বর্ণনা করে বলেন, ‘তারা আশা ও ভয় নিয়ে আমাকে ডাকে।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৯০)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/8rokuvhl3z">‘সুসংবাদ দাও, ভয় দেখিয়ো না’</a></aside><blockquote>আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের পরিপূর্ণতা হলো এমন এক হৃদয় তৈরি করা, যে হৃদয় আল্লাহকে ভালোবাসে, তাঁর অসন্তুষ্টিকে ভয় করে এবং তাঁর রহমতের আশা রাখে।</blockquote><p>এখানে একটি সূক্ষ্ম বিষয় আছে। ভালোবাসা মানুষকে কাছে আনে, ভয় তাকে সীমারেখা অতিক্রম করতে দেয় না আর আশা তাকে বারবার ফিরে আসার সাহস দেয়। এই তিনটি অনুভূতি মিলেই মুমিনের আল্লাহর সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি হয়।</p><p>শুধু ভয় থাকলে মানুষ কখনো কখনো হতাশ হয়ে যেতে পারে। শুধু আশা থাকলে সে নিজের ভুলকে হালকা করে দেখতে পারে। আর শুধু ভালোবাসার দাবি থাকলে আল্লাহর বিধানের প্রতি আনুগত্য দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই মুমিনের হৃদয়ে থাকতে হয়—ভালোবাসা, ভয় ও আশা।</p><p>রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যদি মুমিন জানত আল্লাহর কাছে কী শাস্তি রয়েছে, তাহলে কেউ তাঁর জান্নাতের আশা করত না। আর কাফির যদি জানত আল্লাহর কাছে কী রহমত রয়েছে, তাহলে কেউ তাঁর জান্নাত থেকে নিরাশ হতো না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৫৫)</p><p>তাই আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের পরিপূর্ণতা হলো এমন এক হৃদয় তৈরি করা, যে হৃদয় আল্লাহকে ভালোবাসে, তাঁর অসন্তুষ্টিকে ভয় করে এবং তাঁর রহমতের আশা রাখে।</p><p>ভালোবাসা তাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যায়, ভয় তাকে তাঁর অবাধ্যতা থেকে রক্ষা করে আর আশা তাকে পড়ে যাওয়ার পরও আবার আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/8x7ntpalss">‘যে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্য মুক্তি’</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকাগামী বাসের চাপায় অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ নিহত ৪</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/t7sj7okvnb</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/t7sj7okvnb#comments</comments><guid isPermaLink="false">173bfe9e-5a2c-44cf-8f28-d7ddf45916c9</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:51:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:51:27.949Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নিহত,অটোরিকশা,দুর্ঘটনা,পটুয়াখালী,সড়ক দুর্ঘটনা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/c2eet2j6/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/c2eet2j6/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকাগামী পরিবহনের চাপায় অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ চার আরোহীর মৃত্যু হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে পটুয়াখালীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/IysZL_2X-cU"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>কাপুর পরিবারে উৎসব উদ্‌যাপন, দেখুন আলিয়ার দেওয়া ১০ ছবিতে</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/w4vm2a8ehn</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/w4vm2a8ehn#comments</comments><guid isPermaLink="false">56939c49-9110-48e9-913c-ab0971687f3e</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:49:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:49:11.707Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জীবনযাপন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1454008</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পরিবার,সাজ,রণবীর কাপুর,আলিয়া–রণবীর,আলিয়া ভাট</media:keywords><category>ফ্যাশন</category><category>স্টাইল</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/rxze9d0z/Alia-14.jpg" /><figcaption>কাপুর পরিবারের গণেশ চতুর্থী উদ্‌যাপনের কিছু মুহূর্ত ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন আলিয়া ভাট</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1mn37t9x/Alia-5.jpg" /><figcaption>স্বামী রণবীর কাপুর, মেয়ে রাহা কাপুর, শাশুড়ি নীতু কাপুরসহ আরও অনেককেই দেখা গেছে আলিয়ার দেওয়া ছবিতে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/4l2loft5/Alia-6.jpg" /><figcaption>পুরো আয়োজনে একাধিক লুকে হাজির হয়েছেন আলিয়া। সব পোশাকই দারুণ মানিয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/pq401jek/Alia-2.jpg" /><figcaption>আলিয়ার মা সোনি রাজদান ও বোন শাহীন ভাটও যোগ দিয়েছিলেন উৎসবে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/kftypljn/Alia-11.jpg" /><figcaption>কদিন আগেই ‘আলফা’ ছবিতে আলিয়াকে দেখা গেছে পুরোপুরি মারকুটে চেহারায়। এই আলিয়া আবার একবারেই আলাদা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/0p76d6qc/Alia-8.jpg" /><figcaption>ছবি আঁকছে রাহা কাপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/vlw7mpad/Alia-1.jpg" /><figcaption>আয়োজনটা ছিল একেবারেই পারিবারিক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uvbicszo/Alia-12.jpg" /><figcaption>খোঁপার ফুলগুলো আলিয়ার সাজকে আরও স্নিগ্ধ করেছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/bvpdr61n/Alia-3.jpg" /><figcaption>বোনের সঙ্গে আলিয়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/7j1d69op/Alia-4.jpg" /><figcaption>ভারতীয় এই অভিনেত্রী এখন ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমাটির মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ছবিতে তাঁর সঙ্গে স্বামী রণবীর কাপুর ছাড়াও আছেন ভিকি কৌশল </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/ov2gwepkf1">ওশান ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার বিজয়ী  ছবিতে গভীর সমুদ্রের প্রাণীদের গল্প</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন</title><link>https://www.prothomalo.com/business/76929krm7h</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/76929krm7h#comments</comments><guid isPermaLink="false">46fa1aa3-df77-4779-a6c5-9197188b7774</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:48:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:48:15.676Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিভিন্ন দাবিতে আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফা)।]]></description><media:keywords>এনবিআর,মানববন্ধন</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1wfnf2nw/3837e3a4-5eb8-4d5b-a9fe-2a5613e92b5d.jfif" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) উপদেষ্টা কবির আহমেদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1wfnf2nw/3837e3a4-5eb8-4d5b-a9fe-2a5613e92b5d.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশীয় ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারদের সুরক্ষায় শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে লাইসেন্স না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফা)। এ ছাড়া মোট বিলের ওপর ১ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহার এবং স্থানীয় লেনদেনে বাংলাদেশি মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।</p><p>এসব দাবিতে আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে মানববন্ধন করেছে সংগঠনটি। মানববন্ধনে বাফার সদস্য ও ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতের শতাধিক ব্যবসায়ী অংশ নেন।</p><p>মানববন্ধনে বলা হয়, কয়েক দশক ধরে দেশীয় উদ্যোক্তারা এই খাতে বিনিয়োগ করে দক্ষতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও স্থানীয় লজিস্টিকস সক্ষমতা তৈরি করেছেন। এ অবস্থায় শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ের লাইসেন্স দেওয়া হলে দেশীয় উদ্যোক্তারা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারেন।</p><p>বাফার উপদেষ্টা কবির আহমেদ বলেন, তাঁরা বিদেশি বিনিয়োগের বিরোধী নন। তবে ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতে নীতিগত পরিবর্তনের আগে তার অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আগের মতো ৬০ শতাংশ দেশীয় মালিকানা বহাল রাখার দাবি জানান তিনি।</p><p>কবির আহমেদ আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু কত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসবে, তা বিবেচনা করলে হবে না। এর বিপরীতে কত কর্মসংস্থান হবে ও কী প্রযুক্তি আসবে, স্থানীয়ভাবে কত মূল্য সংযোজন হবে এবং ভবিষ্যতে মুনাফা, ব্যবস্থাপনা মাশুল ও অন্যান্য সেবা বাবদ কত বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যেতে পারে, সেসব বিষয়ও বিবেচনা করা প্রয়োজন।</p><p>বাফার উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা শুধু বিদেশি মালিকানার প্রশ্ন নয়; বরং এর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রভাব, দেশীয় মূল্য সংযোজন ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িত।’</p><p><strong>উৎসে কর প্রত্যাহারের দাবি</strong></p><p>বাফার পক্ষ থেকে ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারস এজেন্টদের মোট বিলের ওপর ১ শতাংশ উৎসে কর (টিডিএস) প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।</p><p>কবির আহমেদ বলেন, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের মোট বিলের পুরো অর্থ তাদের আয় বা মুনাফা নয়। এর একটি অংশ এয়ারলাইন, শিপিং লাইন, ক্যারিয়ার ও অন্যান্য সেবাদাতার প্রাপ্য। তাদের পক্ষ থেকে এসব আদায় করে পরিশোধ করতে হয়। ফলে মোট বিলের ওপর কর আরোপ করা হলে, বিশেষ করে দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধন ও নগদ প্রবাহে চাপ তৈরি হয়।</p><p>কবির আহমেদের মতে, প্রকৃত আয় ও মুনাফার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করকাঠামো নির্ধারণ করা উচিত।</p><p><strong>টাকায় লেনদেনের দাবি</strong></p><p>দেশের ভেতরে যেসব ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং সেবার লেনদেন বাংলাদেশি মুদ্রায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব, সেসব ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের পরিবর্তে টাকায় বিল ও লেনদেনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে বাফা।</p><p>কবির আহমেদ বলেন, যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার অপরিহার্য নয়, সেখানে ডলারের ব্যবহার কমানো গেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার জন্য তা সহায়ক হবে।</p><p><strong>আধুনিক লাইসেন্সিং বিধিমালার দাবি</strong></p><p>ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতের জন্য আধুনিক, স্বচ্ছ ও শিল্পবান্ধব লাইসেন্সিং বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাফা। সংগঠনটির বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে বিধিমালা আধুনিকায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত সমন্বিত বিধিমালা চূড়ান্ত হয়নি।</p><p>বাফা বলেছে, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য হওয়া উচিত ব্যবসা জটিল করা নয়; বরং নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করা, পেশাগত মানোন্নয়ন, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা ও দেশের লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ানো।</p><p>মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাঁরা বিশেষ সুবিধা বা সংরক্ষিত বাজার চান না। তাঁরা চান, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা, নীতিগত স্থিতিশীলতা, প্রতিযোগিতার পরিবেশ ও টেকসই দেশীয় ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং শিল্প।</p><p>বাফার ভাষ্য, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং শিল্প শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত নয়; আমদানি-রপ্তানি, সরবরাহব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সক্ষমতার সঙ্গেও এর সরাসরি সম্পর্ক আছে।</p><p>দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আরও বড় কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধনে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>৪৫ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে বাবার সঙ্গে স্বপ্নের মঞ্চে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/cyu5qp8exm</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/cyu5qp8exm#comments</comments><guid isPermaLink="false">8af9ac24-4025-4e92-b1de-3d41b2f948d3</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:44:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:44:31.852Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে প্রথম আলোর আয়োজনে এবং ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আজ দিনাজপুরে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।]]></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,জিপিএ ৫ সংবর্ধনা,রংপুর বিভাগ,দিনাজপুর,জিপিএ ৫</media:keywords><media:content height="2320" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5t3f0zri/Cover.JPG" width="3472"><media:title type="html"><![CDATA[ দিনাজপুরে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট হাতে উচ্ছ্বসিত কৃতী শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5t3f0zri/Cover.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ওয়ারিনা ফিহার কাছে রাতটা যেন অকারণেই দীর্ঘ হচ্ছে। কিছুতেই ঘুম আসছিল না। কয়েক দিন ধরেই সে অপেক্ষা করছিল একটি বিশেষ দিনের জন্য। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়ার পর প্রথম আলোর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ভাবনাই তাকে উচ্ছ্বসিত করে রেখেছিল। আজ রোববার সকাল হতে না হতেই বাবাকে তাড়া দিতে শুরু করে। প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে বাবার মোটরসাইকেলে চেপে দিনাজপুরে আসে ওয়ারিনা। এরপর বন্ধুদের সঙ্গে হইহুল্লোড়, সেলফি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uqsoqeeb/1.JPG" /><figcaption>জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে</figcaption></figure><p>ওয়ারিনার বাবা ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘মেয়ে কয়েক দিন ধরেই অনুষ্ঠান নিয়ে খুব আবেগাপ্লুত ছিল। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেই প্রস্তুত হয়েছে। অন্য দিন ওর মা ওকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। মেয়ের আনন্দের জন্য এতটা পথ এসেছি। আসার সময় পথে ওর এক বন্ধুকে পেলাম। ওকেও সঙ্গে নিয়ে এসেছি।’</p><p>‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে সারা দেশের ৬৪টি জেলায় প্রথম আলোর আয়োজনে এবং শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রোববার দিনাজপুর ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী একাডেমি প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p><p>ওয়ারিনা ফিহার মতো দেড় হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে একাডেমি প্রাঙ্গণ। কেউ এসেছে মা–বাবার হাত ধরে, কেউ ভাইবোন বা বন্ধুদের নিয়ে। দীর্ঘদিন পর পুরোনো সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দে কেউ আলিঙ্গন করছে, কেউ ব্যস্ত স্মৃতির ছবি তুলে রাখতে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/lexlvqlf/2.JPG" /><figcaption>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন অতিথিরা। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে</figcaption></figure><p>ঠাকুরগাঁও থেকে আসা আবদুল কবিরের গল্পও ভিন্ন। এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর এখন সে দিনাজপুরে থেকে উচ্চমাধ্যমিকের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনুষ্ঠানস্থলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলছিল, ‘অনেক দিন ধরে এমন অনুষ্ঠান দেখছি। ভাবতাম আমি কবে অংশ নেব! আজ নিজেই সংবর্ধিত হচ্ছি, ভাবতেই দারুণ লাগছে। ঠাকুরগাঁওয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল; যেহেতু দিনাজপুরে কোচিং করতেছি, তাই এখানেই নিবন্ধন করেছি।’</p><p>জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। পরে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্রেস্ট ও উপহার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের সামনে স্বপ্ন দেখার সাহস, অধ্যবসায় এবং মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ছিল গেমস, অভিজ্ঞতা বিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও নতুন বন্ধু তৈরির সুযোগ।</p><p>অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর রংপুরের সাবেক নিজস্ব প্রতিবেদক আরিফুল হক। এরপর অন্যান্য অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নেন তিনি। দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান বলেন, ‘জিপিএ-৫ পাওয়া অবশ্যই একটি বড় অর্জন। তবে জীবনে সফল হতে হলে শুধু ভালো ফল করলেই হবে না, ভালো মানুষও হতে হবে। দেশের জন্য কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/g6rraon2/3.JPG" /><figcaption>দিনাজপুরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয় কৃতী শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে</figcaption></figure><p>দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। স্বপ্ন দেখতে হবে, সেই স্বপ্ন পূরণে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’</p><p>প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক কে এম জাকারিয়া বলেন, ‘এই উৎসব শুধু সংবর্ধনা নয়; এটি স্বপ্ন দেখানোর একটি আয়োজন। আজ যারা এখানে উপস্থিত, তাদের অনেকেই ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেবে, গবেষক হবে, চিকিৎসক-প্রকৌশলী হবে। নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/2qe1pp58/4.JPG" /><figcaption>সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেলফি তুলছেন শিখোর কর্মকর্তারা। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে</figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দিনাজপুর সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক আবদুল জলিল আহমেদ, বন্ধুসভার উপদেষ্টা শাহজাহান সাজু, ডিসি রায়, প্রথম আলোর দিনাজপুর প্রতিনিধি রাজিউল ইসলাম, বিরামপুর প্রতিনিধি নুরে আলম সিদ্দিকী, আঞ্চলিক বিক্রয় কর্মকর্তা বেলালুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি মুনিরা শাহনাজ চৌধুরী।</p><p>আলোচনা অনুষ্ঠান, কুইজ ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে সংগীত, নৃত্য ও ব্যান্ডসংগীতে মুখর হয়ে ওঠে মঞ্চ। এতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়। দিনাজপুরের স্থানীয় ব্যান্ডদল ‘ধূলিকণা’ সংগীত পরিবেশন করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/yb77xfff/5.JPG" /><figcaption>দিনাজপুরে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলীয় নৃত্য পরিবেশনা। রোববার সকালে দিনাজপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলনায়তনে</figcaption></figure><p>এবারের আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ। সহযোগিতায় রয়েছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা-গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পৃথিবীর ভরকেন্দ্র বদলে যাচ্ছে, যেসব প্রভাব পড়তে পারে </title><link>https://www.prothomalo.com/technology/science/6ycxpqr1p4</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/science/6ycxpqr1p4#comments</comments><guid isPermaLink="false">7e496a89-e635-47ad-aafb-d33aa431a9fe</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:35:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:35:00.696Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জাহিদ হোসাইন খান</atom:name><atom:uri>/api/author/1078344</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পৃথিবীর ভরকেন্দ্র ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। ]]></description><media:keywords>পৃথিবী,স্যাটেলাইট,গবেষক,সতর্কবার্তা</media:keywords><media:content height="400" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/zf0le7xs/Earth.-Reuters.png" width="605"><media:title type="html"><![CDATA[ পৃথিবী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/zf0le7xs/Earth.-Reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিজ্ঞান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উপাদানগুলোর গতিপ্রকৃতি আমাদের গ্রহের ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে পানি, বরফ ও বায়ুর ওজনের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক এই পরিবর্তন আধুনিক স্যাটেলাইট পজিশনিং ও নেভিগেশন সিস্টেমের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গবেষকেরা। </p><p>জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গবেষকেরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর ভরকেন্দ্র ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থান পরিবর্তন করছে। পানি, বরফ ও বাতাসের ওজনের চাপে গ্রহের অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত এই পরিবর্তন ঘটছে। এর ফলে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র তার নিজস্ব জ্যামিতিক কেন্দ্র থেকে প্রায় কয়েক মিলিমিটার পর্যন্ত নড়ে ওঠে। সামান্য এই পরিবর্তনও আধুনিক বিশ্বের অত্যন্ত নিখুঁত ম্যাপিং ও নেভিগেশন–ব্যবস্থায় ত্রুটি ঘটাতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/science/j2r7084rzv">পৃথিবীর যে স্থানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম</a></aside><p>গবেষকেরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পানির পরিমাণের তারতম্য ভরকেন্দ্র পরিবর্তনের মূল কারণ। মার্চ মাসে উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ায় তুষার জমায় ভরকেন্দ্র উত্তর মেরুর দিকে প্রায় তিন মিলিমিটার সরে গেছে। আবার এপ্রিলে আমাজন নদী অববাহিকায় বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভরকেন্দ্র দক্ষিণ আমেরিকার দিকে আড়াই মিলিমিটারের মতো ঝুঁকে পড়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/science/gw2k0u2owr">পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে শনাক্ত করা রহস্যময় সংকেত আসলে কী</a></aside><p>গবেষক ডোনাল্ড আরগাস জানান, ভরকেন্দ্রের পাশাপাশি উত্তর মেরুও ক্রমাগত তার স্থান পরিবর্তন করে চলেছে। হিমবাহ ও বরফ গলে যাওয়ার কারণে এই মেরু পরিবর্তন ঘটছে, যা একুশ শতকের শেষ নাগাদ অনেক দূর সরে যেতে পারে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকলে এই পরিবর্তনের মাত্রা আরও দ্রুততর হতে পারে।</p><p>সূত্র: ডেইলি মেইল</p>]]></content:encoded></item><item><title>আ. লীগ নেতারা ভারত থেকে সহিংসতার নির্দেশনা দিচ্ছেন, গ্রেপ্তার ৪ : ডিবি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/y5jdjo1mu5</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/y5jdjo1mu5#comments</comments><guid isPermaLink="false">ce7187da-32bf-4db5-a9f7-a22cfb3898bd</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:31:58 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:31:58.525Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ডিবি বলছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির আদেশে ক্ষুব্ধ হয়ে দলটির নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার চেষ্টা করছেন।]]></description><media:keywords>গ্রেপ্তার,ঢাকা,আইন ও বিচার</media:keywords><media:content height="450" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/02/03/48337ecf24e3a189f40ca9cb55f07682-5e37ebd85c8c0.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/02/03/48337ecf24e3a189f40ca9cb55f07682-5e37ebd85c8c0.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ভারত থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারের মাধ্যমে সহিংসতার নির্দেশনা দিচ্ছেন। এ ছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে অর্থসহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডিবি।</p><p>ডিবি বলেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তি রাজধানীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক রায়হান উদ্দিন। তিনিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যরা হলেন রাসেল খান, আলাউদ্দিন ও আবদুল্লাহ। তাঁদের কাছ থেকে চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।</p><p>আজ রোববার রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় ডিবি। ডিবির ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোল্লা মো. শাহীন বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।</p><p>ডিবি বলছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের ট্রাইব্যুনালে ফাঁসির আদেশে ক্ষুব্ধ হয়ে দলটির নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার চেষ্টা করছেন। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/3k4gkij7ll">রাতে শাহবাগ–হাজারীবাগ–মৌচাকে ককটেল বিস্ফোরণ</a></aside><p>গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে বলেও ডিবি জানায়।</p><p>গতকাল দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত ৯টি জায়গায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আর কাফরুল থানার সামনে ফাঁকা বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় বিস্ফোরণে এক অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বুড়িগঙ্গার দুই পাড়েই চাঁদা, দিনে ১৫০ টাকা দেন মাঝিরা  </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/uw96ekfix3</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/uw96ekfix3#comments</comments><guid isPermaLink="false">3f28456e-bc25-4c33-b245-a1f471d2ecd8</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:24:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:24:23.660Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আব্দুল্লাহ আল মামুন</atom:name><atom:uri>/api/author/1681937</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একটি ডিঙিনৌকায় দিনে চাঁদা দিতে হয় ১৫০ টাকা পর্যন্ত। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আদায় কয়েক মাস বন্ধ ছিল। ]]></description><media:keywords>বিশেষ সংবাদ,ঢাকা,ঢাকা বিভাগ,চাঁদ,অপরাধ,বুড়িগঙ্গা নদী</media:keywords><media:content height="640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/5qf2sm6k/Capture.PNG" width="988"><media:title type="html"><![CDATA[ বুডিগঙ্গা নদীর ওপর তিনটি সেতু থাকা সত্ত্বেও নদী পারাপারে এখনো নৌকাকেই বেশি পছন্দ মানুষের। সম্প্রতি বাবুবাজার–সংলগ্ন সোয়ারীঘাট এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/5qf2sm6k/Capture.PNG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বুড়িগঙ্গার এক পাড়ে পুরান ঢাকা, অন্য পাড়ে কেরানীগঞ্জ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই নদীতে ডিঙিনৌকায় যাত্রী পারাপার করেন রহমত আলী (ছদ্মনাম)। গত ৫ জুলাই কেরানীগঞ্জ থেকে তাঁর নৌকায় উঠলাম। জানতে চাইলাম, কত টাকা আয় হয়, কত খরচ হয়।</p><p>রহমত বললেন, আয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এর মধ্যে নৌকার ভাড়া দিনে ১২০ টাকা। মাঝিরা যদি ধোপাঘাট থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে চাঁদা দিতে হয় দিনে ১০০ টাকা। আর যদি বাদামতলী থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে দিতে হয় ৫০ টাকা। দুই পাড় থেকে ওঠালে ১৫০ টাকা। কোনো কোনো মাঝি তাই দুই ঘাট থেকে যাত্রী না নিয়ে এক ঘাট থেকে নেন এবং ওপারে নামিয়ে খালি নৌকা নিয়ে চলে আসেন। আর দিনে ১৫ টাকা দিতে হয় নৌকা পাহারার নামে।</p><p>নৌকার মাঝিদের কাছ থেকে এই চাঁদাবাজি চলছে বছরের পর বছর ধরে। সরকার বদলালে দেশজুড়ে চাঁদাবাজির যেমন হাত বদলায়, তেমনি বুড়িগঙ্গার ঘাটগুলোতেও চাঁদা নেওয়ার লোক বদলে যায়।</p><p>বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, বুড়িগঙ্গা নদীর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা টিনপট্টিঘাট পর্যন্ত মোট ১৭টি ঘাট রয়েছে। এসব ঘাটে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী নৌযান থামে। এর মধ্যে ১৫টি ঘাটের ৪৪টি জায়গা থেকে ডিঙিনৌকায় করে যাত্রী পারাপার করা হয়। কোনো কোনো ঘাটে ইঞ্জিনচালিত নৌকাও চলে। </p><blockquote>রহমত বললেন, আয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এর মধ্যে নৌকার ভাড়া দিনে ১২০ টাকা। মাঝিরা যদি ধোপাঘাট থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে চাঁদা দিতে হয় দিনে ১০০ টাকা। আর যদি বাদামতলী থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে দিতে হয় ৫০ টাকা। দুই পাড় থেকে ওঠালে ১৫০ টাকা।</blockquote><p>বিআইডব্লিউটিএ ঘাটগুলো ইজারা দেয়। তাদের ট্যারিফ শিডিউলে ডিঙিনৌকা থেকে টাকা আদায়ের কথা বলা হয়নি। অন্যান্য নৌযানের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি থাকলেও ডিঙিনৌকার ক্ষেত্রে তা নেই।</p><p>অবশ্য ঘাটের ইজারাদারেরা মাঝিদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো হারে টাকা আদায় করেন। গত ৫ ও ৬ জুলাই এবং ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর ১৫টি ঘাটের ১৮টি জায়গায় গিয়ে মাঝিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদার পরিমাণ ৩৫ থেকে ১৫০ টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/jcwj9eux/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_5_18_10_PM__1_.jpeg" /><figcaption>শ্যামবাজার–কালীগঞ্জ ফেরিঘাট। এটি স্থানীয়ভাবে   লালকুঠী ঘাট নামে পরিচিত। সম্প্রতি ছবিটি তোলা</figcaption></figure><p>জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, ট্যারিফ শিডিউলে ডিঙিনৌকায় যাত্রী পারাপারের বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বলা নেই। তবে নৌকায় মালামাল বহনের বিষয়ে উল্লেখ আছে। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নৌকার মাঝি ও ইজারাদারেরা সমঝোতার ভিত্তিতে একটা ফি নির্ধারণ করে নৌকা চালান। আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো অভিযোগ আসেনি।’</p><p>অবশ্য নৌকার মাঝিদের ভাষ্য, চাঁদা না দিয়ে তাঁদের উপায় নেই। যদি কোনো মাঝি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে মারধর করার ঘটনাও ঘটে। শিডিউলে সুনির্দিষ্টভাবে ফি নির্ধারণ না করে বিআইডব্লিউটিএ চাঁদাবাজির সুযোগ করে দিয়েছে।</p><blockquote>অবশ্য ঘাটের ইজারাদারেরা মাঝিদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো হারে টাকা আদায় করেন। গত ৫ ও ৬ জুলাই এবং ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর ১৫টি ঘাটের ১৮টি জায়গায় গিয়ে মাঝিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাঁদার পরিমাণ ৩৫ থেকে ১৫০ টাকা।</blockquote><h3>ঢুকতেও টাকা, বের হতেও টাকা</h3><p>বুড়িগঙ্গার ওপার থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে ঢাকা মহানগরে আসেন বহু মানুষ। আবার এপার থেকে অনেকে ওপারে যান। সহজে যাতায়াতের জন্য ভরসা নৌকা। কারণ, সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে গেলে অনেক পথ ঘুরে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। সদরঘাটের আশপাশের ঘাটগুলোতে নৌকা ভাড়া প্রতিজন ১০ টাকা। কিছু ঘাটে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় প্রতিজন ৫ টাকা নেওয়া হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/x7w09odu/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_5_18_10_PM__3_.jpeg" /><figcaption>বিআইডব্লিউটিএর ট্যারিফ শিডিউল অনুযায়ী খেয়াঘাটে প্রবেশের জন্য যাত্রীর কাছ থেকে দুই টাকা করে টোল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু তা অনেক ক্ষেত্রেই মানা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><p>সদরঘাটের আশপাশে কিছু ঘাটে ঢোকার সময়ই টোল দিতে হয়। যেমন সদরঘাটের ওয়াইজঘাট-আগা নগর খেয়াঘাটে প্রতিজন প্রবেশ ফি ৫ টাকা। বের হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রতিজন ৫ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।</p><p>বিআইডব্লিউটিএর ট্যারিফ শিডিউল অনুযায়ী খেয়াঘাটে প্রবেশের জন্য যাত্রীর কাছ থেকে দুই টাকা করে টোল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু তা অনেক ক্ষেত্রেই মানা যায় না।</p><p>কেরানীগঞ্জের আগা নগরের বাসিন্দা মো. ইব্রাহীম পুরান ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মচারী। প্রতিদিন তিনি ডিঙিনৌকা দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে কর্মস্থলে যান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ঘাটে অবস্থা এমন যে ঘুরতে–ফিরতে টাকা দেওয়া লাগে। ঘাটের লোকদের সঙ্গে এসব নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া করতে হয়।</p><blockquote>মাঝিরা জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে দিতে হতো দিনে ৬০ টাকা করে। অভ্যুত্থানের পর কয়েক মাস টাকা নেওয়া বন্ধ ছিল। এরপর ২০ টাকা করে নেওয়া শুরু হয়। বাড়তে বাড়তে তা ১০০ টাকায় উঠেছে।</blockquote><h3>ইজারাদার কারা</h3><p>কেরানীগঞ্জের ধোপাঘাটে গত ৫ জুলাই বিকেল চারটার দিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রবীণ এক ব্যক্তি খাতা হাতে নৌকার মাঝিদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। তাঁর নাম চিত্তরঞ্জন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি ঘাটের ব্যবস্থাপক। ঘাটের ‘খাজনা’ ও নৌকাভাড়ার টাকা আদায় করেন তিনি।</p><p>ধোপাঘাট থেকে যাত্রী নিলে নৌকার মাঝিদের দিনে ১০০ টাকা করে দিতে হয়, যেটা বিআইডব্লিউটিএর ট্যারিফ শিডিউলে নেই। মাঝিরা জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে দিতে হতো দিনে ৬০ টাকা করে। অভ্যুত্থানের পর কয়েক মাস টাকা নেওয়া বন্ধ ছিল। এরপর ২০ টাকা করে নেওয়া শুরু হয়। বাড়তে বাড়তে তা ১০০ টাকায় উঠেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ybh14hzm/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-5.28.16-PM.jpeg" /><figcaption>ওয়াইজ ঘাট থেকে যাত্রী নিতে নৌকাপ্রতি দৈনিক চাঁদা ৩৫ টাকা। আর ইঞ্জিনচালিত নৌকায় প্রতিবার দিতে হয় ৩০ টাকা। ৬ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><p>ঘাটটির ইজারাদার আগা নগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মেরাজ হোসেন (জুম্মন)। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতবার (২০২৫-২৬) আমি ঘাট ইজারা নিয়ে লোকসান গুনেছি। তাই এবার মাঝিদের সঙ্গে আলোচনা করে খাজনা বৃদ্ধি করেছি।’</p><p>ওয়াইজ ঘাট থেকে যাত্রী নিতে নৌকাপ্রতি দৈনিক চাঁদা ৩৫ টাকা। আর ইঞ্জিনচালিত নৌকায় প্রতিবার দিতে হয় ৩০ টাকা। ঘাটের ইজারাদার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভূঁইয়া। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><p>নৌকার মাঝি ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, ঘাটগুলোর ইজারাদারেরা বেশির ভাগই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী।</p><h3>মাঝিরা নৌকার মালিক হতে পারেন না</h3><p>১৯৯৮ সালে বরিশাল থেকে এসে বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকা চালানো শুরু করেন রমজান আলী। তাঁর নিজের কোনো নৌকা নেই। অন্যের নৌকা ভাড়া চালান। যদিও ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় একটি নৌকা কেনা যায়।</p><p>নিজের নৌকা নেই কেন, জানতে চাইলে রমজান আলী প্রথম আলোকে বলেন, টাকা থাকলেও মাঝিরা নৌকা কিনতে পারেন না। এখানে নৌকা নামাতেও প্রভাব থাকতে হয়। যদি মাঝিদের কেউ নৌকা কেনেন, তাহলে তা চুরি হয়ে যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/1glnhsqy/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-5.35.51-PM.jpeg" /><figcaption>বুড়িগঙ্গা নদীর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা টিনপট্টিঘাট পর্যন্ত মোট ১৭টি ঘাট রয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ঘাটের ৪৪টি জায়গা থেকে ডিঙিনৌকায় করে যাত্রী পারাপার করা হয়। </figcaption></figure><p>মাঝিদের সূত্রে জানা যায়, ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের একটি নৌকা থেকে দিনে ১২০ টাকা করে মাসে আয় ৩ হাজার ৬০০ টাকা। এ কারণে নৌকার মালিকানা লাভজনক ব্যবসা। তাই স্থানীয় প্রভাবশালীরা নৌকার মালিকানা ধরে রাখেন। যেমন আগা নগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের মেরাজুল হোসেনের একারই রয়েছে ৪০টি নৌকা।</p><p>দেশজুড়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসাগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় রাজনৈতিক ও পেশিশক্তি দিয়ে। বুড়িগঙ্গার ডিঙিনৌকার ঘাটগুলো সেটার একটা উদাহরণ মাত্র। চাঁদাবাজি ঠেকিয়ে স্বল্প খরচে মানুষের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁরা ‘অভিযোগ যায়নি’ বলে দায় এড়ান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় নটর ডেম কলেজের ক্লাস বন্ধ ঘোষণা</title><link>https://www.prothomalo.com/education/33yrib9gz8</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/33yrib9gz8#comments</comments><guid isPermaLink="false">62fdaa0b-5a6b-4671-8623-ab788a8ff5b1</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:21:24 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:21:24.499Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজধানীতে টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আজকের সব তাত্ত্বিক ক্লাস স্থগিত করেছে নটর ডেম কলেজ।]]></description><media:keywords>নটর ডেম কলেজ,বৃষ্টিপাত,জলাবদ্ধতা,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,রাজধানী</media:keywords><media:content height="710" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-04/748dceed-7c48-4e08-93ef-505f21702f68/thumb_689_1662_710_0_0_crop.jpg" width="1662"><media:title type="html"><![CDATA[ নটর ডেম কলেজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-04/748dceed-7c48-4e08-93ef-505f21702f68/thumb_689_1662_710_0_0_crop.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিক্ষা</category><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীতে টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আজকের সব তাত্ত্বিক ক্লাস স্থগিত করেছে নটর ডেম কলেজ। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে কলেজের অধ্যক্ষ ফাদার ড. হেমন্ত পিউস রোজারিও স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/qbzxm1uug9">কমনওয়েলথ বৃত্তি, ছয় বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডিতে আবেদন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত</a></aside><p>কলেজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে সড়ক ও কলেজ প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতায় আজ রোববার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষ ও ডিগ্রির সব তাত্ত্বিক ক্লাস বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের সকল ব্যবহারিক ক্লাসও বন্ধ থাকবে।</p><figure><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fndclearning%2Fposts%2Fpfbid02JUeqe87kGyTg9Uvt3xB24QHcDu8DARH7MoWi25Xr6tX14zzaJM8FWkzvukKrAKkNl&show_text=true&width=500" width="500" height="345" style="border:none;overflow:hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share"></iframe></figure><p>শনিবার দিবাগত রাত থেকে রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো হালকা, আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। এতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে পানি জমেছে। আর এ কারণে সকাল থেকে কর্মস্থল,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার মধ্যরাথ থেকে সকাল পর্যন্ত ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/dka8nx8kaa">কলেজ-মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ৬৭ শতাংশ আসন খালি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/b6bkhj4kxx">বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/vu2lhkap3e">কানাডায় পড়াশোনা: শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার খরচ দেখাতে হবে ২৩,৪৪৮ কানাডিয়ান ডলার, আরও যে পরিবর্তন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঘরে নতুন অতিথি, পুত্র নাকি কন্যাসন্তানের মা হলেন সোহিনী</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/tollywood/5o2418vk6b</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/tollywood/5o2418vk6b#comments</comments><guid isPermaLink="false">1dafdea8-22a3-46fc-a3e8-233a6fe28618</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:21:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:21:19.572Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ রোববার সকালে প্রথমবার মা হন পশ্চিমবঙ্গের এই অভিনেত্রী। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ভূমিষ্ঠ হয়েছে সোহিনী–শোভনের সন্তান।]]></description><media:keywords>অভিনয় শিল্পী,তারকার সন্তান,কলকাতা</media:keywords><media:content height="810" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ih7d8zpw/79627661234127129555761374911693534006230223n.jpg" width="1440"><media:title type="html"><![CDATA[ সোহিনী সরকার। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ih7d8zpw/79627661234127129555761374911693534006230223n.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>টালিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দুই থেকে তিন হলেন টলিউডের তারকা দম্পতি সোহিনী সরকার ও শোভল গঙ্গোপাধ্যায়। আজ রোববার সকালে প্রথমবার মা হন পশ্চিমবঙ্গের এই অভিনেত্রী। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ভূমিষ্ঠ হয়েছে সোহিনী–শোভনের সন্তান। মা ও সদ্যোজাত দুজনই ভালো আছে। পুত্রসন্তান জন্ম দিয়েছেন সোহিনী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/9fkivqq2/sohinisarkar01178971026539887002557528507165377595096.jpg" /><figcaption>সোহিনী সরকার। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>ইনস্টাগ্রামে এক যৌথ বিবৃতিতে সংসারে নতুন অতিথি আসার খবর ভাগ করে তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, ‘আমাদের বীরপুরুষ, আমাদের নতুন সদস্য এসেছে। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো। সোহিনী ও শোভন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-02/b333c3e4-73ec-4258-9f78-3004e0c6f0ab/shovan_ganguly_1708022793_3303457083364904421_5799603662.jpg" /><figcaption>শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/4xwp9ondie">দ্বিতীয় সন্তানের মা–বাবা হলেন দীপিকা–রণবীর</a></aside><p>গত জুলাইয়ে বিয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে দুই থেকে তিন হওয়ার সুখবর দিয়েছেন অভিনেত্রী। সোহিনীর বেবিবাম্প আগলে শোভন, এ রকমই এক আদুরে পোস্টে সুখবর ভাগ করতেই ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় তারকা দম্পতিকে ভরিয়ে দিয়েছিলেন অনুরাগী থেকে শুভাকাঙ্ক্ষীরা।</p><p>২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিয়ে করেন শোভন ও সোহিনী।</p><p><sup>সংবাদ প্রতিদিন অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>ভারতের কাছে হেরে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/ybxlxbixv0</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/ybxlxbixv0#comments</comments><guid isPermaLink="false">3bb26303-e86b-41fd-8f0a-7cd026d89355</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:19:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:19:34.575Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নারী এশিয়া কাপের মতো আজ এশিয়ান গেমসেও ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। হারমানপ্রীত কৌরদের ৪ উইকেটে ১৯৫ রান তাড়া করতে নেমে নিগার সুলতানার দল হেরেছে ১১৪ রানে।]]></description><media:keywords>ভারত নারী ক্রিকেট দল,পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল,বাংলাদেশ মেয়েদের ক্রিকেট দল,এশিয়ান গেমস</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5mjdvjqh/422768.webp" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ হারমানপ্রীতদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন নিগাররা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/5mjdvjqh/422768.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>ভারত: ২০ ওভারে ১৯৫/৪। বাংলাদেশ: ১৫.৪ ওভারে ৮১। ফল: ভারত ১১৪ রানে জয়ী।</blockquote><p>আরব আমিরাতের দুবাই অন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে জাপানের কারোগি স্পোর্টস পার্ক। ১০ দিনের ব্যবধানে দুটি দেশে দুটি ভিন্ন টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ।</p><p>ফল একই।</p><p>নারী এশিয়া কাপের মতো আজ এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। হারমানপ্রীত কৌরদের ৪ উইকেটে ১৯৫ রান তাড়া করতে নেমে নিগার সুলতানার দল হেরেছে ১১৪ রানে।</p><p>এই হারে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে সোনার লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। তবে পদকের আশা শেষ হয়ে যায়নি। মঙ্গলবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।</p><p>১০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে যেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ, আজ জাপানের মাটিতেও প্রায় একই দৃশ্যের মঞ্চায়ন। দশ দিন আগের ম্যাচটিতে ভারতকে ১৪৯ রানের পুঁজি এনে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন শেফালি বর্মা। ডানহাতি এ ব্যাটার খেলেছিলেন ৪০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস।</p><p>আজও সেই শেফালিই ভারতকে অর্ধেকের বেশি রান এনে দিয়েছেন। ভারত ২০ ওভার ব্যাট করে তুলেছে ৪ উইকেটে ১৯৬। শেফালি একাই ৪৯ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত থেকেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/45ppal11/422769.webp" /><figcaption>শেফালি বর্মা ৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন</figcaption></figure><p>রান তাড়ার চিত্রটা অবশ্য একটু ভিন্ন। এশিয়া কাপের ম্যাচটিতে বাংলাদেশ পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১০৯ রানে আটকে যাওয়ায় ম্যাচ হেরেছিল ৪০ রানে।</p><p>আজ বাংলাদেশের ইনিংস পুরো ২০ ওভারে টেকেনি। রানও এক শ পেরোয়নি। ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ হেরেছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে।</p><p>এর আগে আজ এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে পাকিস্তান। ফাতিমা সানারা ৪ উইকেটে ১৭৭ রান তোলার পর শ্রীলঙ্কা তা ১৪ বল বাকি থাকতেই ২ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায়। </p><p>শ্রীলঙ্কা–ভারত সোনার পদকের লড়াইয়ে খেলবে ২২ সেপ্টেম্বর। একই দিনে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ–পাকিস্তান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/e2wq1s9rtf">বোলিংয়ে চূর্ণ, ব্যাটিংয়ে বিধ্বস্ত—এশিয়ান কাপের সেমিফাইনাল যেমন কাটল নিগারদের</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বোলিংয়ে চূর্ণ, ব্যাটিংয়ে বিধ্বস্ত—এশিয়ান কাপের সেমিফাইনাল যেমন কাটল নিগারদের</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/e2wq1s9rtf</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/e2wq1s9rtf#comments</comments><guid isPermaLink="false">eb4eea04-a36c-4ec3-b8d7-f98f4c6f2763</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:03:35 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:19:18.086Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শাওন শেখ</atom:name><atom:uri>/api/author/1690440</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে ভারত নারী ক্রিকেট দলের মুখোমুখি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। খেলার সব আপডেট জানতে চোখ রাখুন এখানে। ]]></description><media:keywords>ভারত নারী ক্রিকেট দল,বাংলাদেশ মেয়েদের ক্রিকেট দল</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/fd502ekb/422769.webp" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ ১১৪ রানে হারল বাংলাদেশ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/fd502ekb/422769.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <h3>টসে জিতে ব্যাটিং করবে ভারত</h3><p>এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত নারী ক্রিকেট দল।</p><p>নতুন বলে যথারীতি ইনিংস শুরু করেছেন পেসার মারুফা আক্তার। ভারতের বিপক্ষে জয় পেতে হলে তাঁর ভালো শুরু করা খুবই প্রয়োজন। কারণ ভারতের এই ব্যাটিং লাইনআপ অনেক শক্তিশালী। আর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রেকর্ডও খুব একটা ভালাে না। বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ জিতেছে ২০২৩ সালে।</p><h3>ভারতের ভালো শুরু</h3><p><strong>ভারত: ২ ওভারে ১৯/০</strong></p><p>বেশ ভালোভাবেই শুরু করল ভারত। উইকেটও হারায়নি, আবার রানও তুলছে সহজেই। মারুফার করা প্রথম ওভার থেকে এসেছিল ৬ রান। দ্বিতীয় ওভার করেছেন সানজিদা আক্তার, এই স্পিনারের ওভার থেকে এসেছে ১৩ রান।</p><p>স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি বর্মার এই জুটি কতদূর যায়, সেটাই দেখার!</p><h3>এক নম্বরে স্মৃতি মান্ধানা</h3><aside><cite>মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে স্মৃতি মান্ধানা এখন সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। তিনি ছাড়িয়ে গেছেন নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকে, তাঁর রান ৪৭৫৮।</cite>৪৭৬৫*</aside><h3>ফিরলেন মান্ধানা</h3><p><strong>ভারত: ৭ ওভারে ৭৫/১</strong></p><p>১৯ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ফিরলেন ভারতীয় ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। স্পিনার নাহিদ আক্তারের বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে সোবহানা মোস্তারির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন মান্ধানা।</p><p>উইকেট হারালেও ভারতের খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ এরইমধ্যে দলটি ভালো শুরু পেয়ে গেছে। শেফালি এখনো অপরাজিত ৩৬ রানে।</p><h3>কামালিনির উইকেট আর শেফালির ফিফটি</h3><p><strong>ভারত: ১০ ওভারে ৯৭/২</strong></p><p>১০ বলে ৩ রান করে ফিরলেন গুনালান কামালিনি। বেশকিছু ডট বল খেলার পর সানজিদার বলে তিনিও চেয়েছিলেন স্লগ সুইপ খেলতে, তবে ধরা পড়েছেন রাবেয়ার হাতে। </p><p>উইকেটের অন্য প্রান্তে ঝড় তুলছেন শেফালি। ফিফটি করেছেন মাত্র ২৪ বলে। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিফটি করেছিলেন শেফালি।</p><h3>চলছে শেফালির ঝড়</h3><p><strong>ভারত: ১৫ ওভারে ১৫০/২</strong></p><p>২৪ বলে ফিফটি করা শেফালি থামছেন না! এগিয়ে যাচ্ছেন সেঞ্চুরির দিকে। ৩৮ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত আছেন এই ওপেনার। তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। তিনি অপরাজিত ২৭ রানে।</p><h3>হারমানপ্রীত আউট, তবে...</h3><p><strong>ভারত: ১৮ ওভারে ১৮১/৩</strong></p><p>৪০ রান করেছেন। তবে ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর খুব একটা সাবলীল ছিলেন তা বলা যাবে না। ঠিকঠাক টাইমিং হচ্ছিল না তাঁর। শেষ পর্যন্ত স্পিনার রাবেয়ার বলে আউট হয়েছেন ৩৩ বলে ৪০ রান করে। অন্যদিকে ৯৬ রানে অপরাজিত শেফালি।</p><h3>শেফালির সেঞ্চুরিতে ভারতের ১৯৫</h3><p><strong>ভারত: ২০ ওভারে ১৯৫/৪</strong></p><p>ইনিংসের শেষ বলে সেঞ্চুরি করতে শেফালির লাগত ১ রান। স্বর্ণা আক্তারের বলে শেফালি কোনো ঝুঁকি নেননি। কাভারে ঠেলে দিয়ে এক রান নিয়ে সেঞ্চুরি করেছেন। </p><p>টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটে এটাই শেফালির প্রথম সেঞ্চুরি, সাদা বলের ক্রিকেটেও প্রথম। এশিয়ান গেমসে নারীদের ক্রিকেটেও এটাই প্রথম কোনো ব্যাটারের সেঞ্চুরি।</p><p>তাঁর সেঞ্চুরিতে ভারত তুলেছে ১৯৫ রান। রানটা আরও বেশি হতে পারত। তবে শেষ ৩ ওভারে বাংলাদেশ ভালো বোলিং করেছে। ভারত তুলতে পেরেছে মাত্র ২০ রান।</p><h3>শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ২ ওভারে ৮/০</strong></p><p>ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার করা নন্দিনী শর্মার প্রথম বলেই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। </p><h3>এবার আউট সোবহানা মোস্তারি</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ৩ ওভারে ৯/২</strong></p><p>সোবহানাও টিকতে পারলেন না। ক্রান্তির বাউন্সারে পুল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সোবহানা। তিনি করতে পেরেছেন ৪ রান। উইকেটে এসেছেন নিগার সুলতানা।</p><h3>আরও বিপদে বাংলাদেশ</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ৮ ওভারে ৪৪/৪</strong></p><p>নিগার সুলতানা ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না। ভারতীয় স্পিনার শ্রী চরণীর বলে ৯ বলে ৯ রান করে আউট হয়েছেন নিগার। তাতে বাংলাদেশের বিপদ আরও বেড়েছে। এরপর আউট হয়েছেন স্বর্ণাও। তাঁকে আউট করেছেন শ্রেয়াঙ্কা।</p><h3>উইকেটের মিছিল</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ৯.২ ওভারে ৪৯/৫</strong></p><p>উইকেটের মিছিলে সর্বশেষ যোগ দিয়েছেন দিলারা আক্তার। দিপ্তি শর্মার বলে ২৭ রান করে আউট হয়েছেন এই ওপেনার। ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৬, এই ম্যাচে বাংলাদেশের হারা এখন সময়ের ব্যাপার।</p><h3>টানা দুই বলে নেই দুজন</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ১৩ ওভারে ৬৬/৭</strong></p><p>না, হ্যাটট্রিক হলো না। ইনিংসের ১৩তম ওভারে পেসার নন্দিনী শর্মা টানা দুই বলে ফিরিয়েছিলেন নাহিদা ও রাবেয়াকে। তবে তাঁর হ্যাটট্রিক বলটি সুলতানা আটকে দিয়েছেন।</p><h3>ফাইনালে গেল ভারত</h3><p><strong>বাংলাদেশ: ১৫.৪ ওভারে ৮১/১০</strong></p><p>হতাশ করল বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে লড়াইটাও করতে পারল না। ১৯৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নিগার সুলতানার দল গুটিয়ে গেছে মাত্র ৮১ রানে। হেরেছে ১১৪ রানে।</p><p>অথচ ভারতের ওপেনার শেফালি বর্মা একাই করেছেন ১০০ রান। ৪৯ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন দিলারা। ভারতের নন্দিনী ও দিপ্তি ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। </p><p>ভারত ফাইনালে সোনার লড়াইয়ের জন্য খেলবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/lapcq66v/bangladesh-vs-India2.jpg" /></figure>]]></content:encoded></item><item><title>অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে 
দেড় ঘণ্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক 
অবরোধ, বিক্ষোভ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/kz1d8roy8b</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/kz1d8roy8b#comments</comments><guid isPermaLink="false">3411a101-720c-40f4-8df1-50867542d73a</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:18:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:18:51.299Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি বিশ্বরোডের নন্দনপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে তাঁরা মহাসড়ক ছাড়েন।]]></description><media:keywords>পুলিশ,অপ্রতিম হত্যা,অবরোধ,বিক্ষোভ,চট্টগ্রাম বিভাগ,কুমিল্লা,হত্যা</media:keywords><media:content height="977" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/09skx4mo/CUMILLAStrike.JPG" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার দুপুরে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/09skx4mo/CUMILLAStrike.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অপ্রতিম হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।</p><p>আজ রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা শেষে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় আসেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোটবাড়ি বিশ্বরোডের নন্দনপুর এলাকায় মহাসড়কের উভয়মুখী লেনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মহাসড়ক ছাড়েন তাঁরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/n0yzq2k912">অপ্রতিমকে হারিয়ে স্তব্ধ দেশ </a></aside><p>অবরোধ ও বিক্ষোভের সময় মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।</p><p>বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারহা খানম বলেন, অপ্রতিম হত্যার বিচার এবং কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে তাঁরা মহাসড়কে এসেছেন।</p><p>বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অঞ্জন রায় বলেন, অপ্রতিমের জানাজা হয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁরা বিস্তারিত তথ্য পাননি। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার তথ্য চাই। এসি রুমে বসে প্রেস ব্রিফিং চাই না। প্রেস ব্রিফিং মাঠপর্যায়ে, ছাত্রছাত্রীদের সামনে দিতে হবে। আমাদের সামনে এসে দিতে হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e5a8iiueq9">‘এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি—আমরা দিতাম’</a></aside><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর অল্প সময়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হলে তাঁরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে অবরোধ তুলে নেন।</p><p>গতকাল শনিবার দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন স্থান থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার দুপুরে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয় এবং পরে অপ্রতিমের মায়ের আইফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/39001kgy18">অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত, দাবি পুলিশের, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন</a></aside><p>রোববার বেলা ১১টার দিকে কোটবাড়ির গন্ধমতি ঈদগাহ মাঠে অপ্রতিমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/l4getbqz6v">অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় মামলা, শেষবারের মতো বাসায় আনা হয়েছিল তার মরদেহ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8khskh71rb">আর কাউকে যেন আমার মতো সন্তান হারাতে না হয়, জানাজায় বাবা</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>‘মেয়েকে এমনভাবে দেখে কষ্টে আমার বুক ভেঙে যায়’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/may20i4oye</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/may20i4oye#comments</comments><guid isPermaLink="false">58f9e821-1c1a-4524-b791-4d995a529e79</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:14:59 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:14:59.589Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সুজন ঘোষ</atom:name><atom:uri>/api/author/1408966</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইসিইউ শয্যার জন্য একের পর এক হাসপাতালে যোগাযোগ করতে থাকেন। তিন-চারটি হাসপাতালে ঘুরেও শয্যা পাওয়া যায়নি। পরে সন্ধ্যায় পাহাড়তলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অনুশ্রীকে ভর্তি করা হয়।]]></description><media:keywords>শিশু,মৃত্যু,চট্টগ্রাম,স্বাস্থ্য,চিকিৎসা,চট্টগ্রাম বিভাগ,ডেঙ্গু জ্বর</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/da9wyezd/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-13.54.59.jpeg" width="958"><media:title type="html"><![CDATA[ অনুশ্রী দাশ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/da9wyezd/WhatsApp-Image-2026-09-20-at-13.54.59.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে নিষ্পলক তাকিয়ে ছিল সাত বছরের অনুশ্রী দাশ। হাতে স্যালাইন। ডেঙ্গু আক্রান্ত অনুশ্রীর সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দিয়ে তার বাবা লিখেছিলেন—‘মেয়েকে এমনভাবে দেখে কষ্টে আমার বুক ভেঙে যায়।’ মেয়ের জন্য ধর্মবর্ণ–নির্বিশেষে সবার কাছে ‘দোয়া-আশীর্বাদ’ চেয়েছিলেন বাবা। তবে হাসপাতাল থেকে আর সুস্থ হয়ে ফিরতে পারেনি অনুশ্রী। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।</p><p>অনুশ্রী চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর রেলওয়ে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা সুবল চন্দ্র দাশ একজন দন্তচিকিৎসকের সহকারী। পাহাড়তলীর মাস্টার লেনেই তাদের বাসা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uh4tf6b0/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_13_55_32.jpeg" /><figcaption>হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে আছে অনুশ্রী দাশ। এই ছবি ফেসবুকে দিয়ে তার জন্য ‘দোয়া–আশীর্বাদ’ চেয়েছিলেন বাবা সুবল চন্দ্র দাশ</figcaption></figure><p>পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর জ্বর আসে অনুশ্রীর। স্থানীয় একজন চিকিৎসককে দেখানোর পর ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলছিল। শুরুতে শারীরিক অবস্থা ভালোই ছিল।</p><p>শুক্রবার হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অনুশ্রীকে নগরের ওয়্যারলেস মোড় এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা দ্রুত তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরিবারের সদস্যরা আইসিইউ শয্যার জন্য একের পর এক হাসপাতালে যোগাযোগ করতে থাকেন। তিন-চারটি হাসপাতালে ঘুরেও শয্যা পাওয়া যায়নি। পরে সন্ধ্যায় পাহাড়তলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অনুশ্রীকে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে সেখানে মৃত্যু হয় অনুশ্রীর।</p><p>অনুশ্রীর বাবার বন্ধু সুজন চন্দ্র দাশ প্রথম আলোকে বলেন, মেয়েটির অবস্থা খারাপ হওয়ার পর আইসিইউর জন্য কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু কোথাও শয্যা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সকালে অনুশ্রীর মৃত্যু হয়।</p><p>মেয়ের অসুস্থতার প্রতিটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখে যাচ্ছিলেন তার বাবা সুবল। দুই দিন আগে মেয়ের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার মেয়ে ডেঙ্গুতে এমনভাবে আক্রান্ত হয়েছে, মামণি খুব কষ্ট পাচ্ছে। ডাক্তাররা ভরসা দিচ্ছেন না।’</p><p>এরপর মেয়ের জন্য প্রার্থনার আবেদন জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘যাঁদের বাসায় পূজার আসন আছে, আর যাঁরা আমার মুসলিম ভাইবোন আছেন, সবার কাছে হাতজোড় করে বলছি, আমার অনুশ্রীর জন্য আশীর্বাদ করবেন। মুসলিম ভাইয়েরা মসজিদে গিয়ে দোয়া করবেন।’</p><p>জ্বরে কাবু হয়ে অনুশ্রী তখন ঠিকমতো খেতেও পারছিল না। বাবার হাতে খেতে ভালোবাসত মেয়েটি। সেই স্মৃতিও লিখেছিলেন সুবল। ফেসবুকে লেখেন—‘আমার আদরের মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বাবার হাতে খেতে মেয়ে কত পছন্দ করত। আজকে দুদিন ওর মুখে কিছুই তুলে দিতে পারছি না। খাবারের প্রতি ওর এত অনীহা।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/82l2h24g/WhatsApp_Image_2026_09_20_at_13_57_01.jpeg" /><figcaption>বাবার সঙ্গে অনুশ্রী</figcaption></figure><p>মেয়েকে বুকে জড়িয়ে একটি ছবিও দিয়েছিলেন সুবল। ছবির সঙ্গে লিখেছিলেন, ‘জন্ম দেওয়া অনেক সহজ। সত্যিকারের বাবা হওয়া অনেক কঠিন। কত চিন্তা ওকে নিয়ে।’ কিন্তু সেই চিন্তার শেষটা যে এমন হবে, তা হয়তো ভাবেননি তিনি। শনিবার সকালে অনুশ্রী মারা যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র কয়েকটি শব্দ লিখেছেন সুবল চন্দ্র দাশ—‘আমার মেয়ে অনুশ্রী আর নেই।’</p><p>এরপর মেয়েকে শেষবারের মতো সাজিয়ে বিদায় দিয়ে আসেন তিনি। শেষবিদায়ের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘আমার মামণি অনুশ্রীকে কত সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম। বাবার কত আদরের মেয়ে ছিল। ঈশ্বরের চরণে শেষবিদায় দিয়ে আসলাম।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>বই, ইউটিউব, কম্পিউটারে যাঁদের দেখেছি, তাঁদের কথাই শুনেছি সামনে বসে</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/97e1dqrm92</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/97e1dqrm92#comments</comments><guid isPermaLink="false">49a2ab5b-550d-4227-ae23-92ee7beda434</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 08:09:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T08:09:16.607Z</atom:updated><atom:author><atom:name>স্বপ্ন নিয়ে ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1503347</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সুখবর,স্বপ্ন নিয়ে,কম্পিউটার,ইন্টার্নশিপ</media:keywords><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত পরমাণু বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় গবেষণা সংস্থা— ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ, সংক্ষেপে সার্ন। এই সার্নই ইন্টারনেটের জন্মস্থান। সেখানেই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির <strong>মাহিম ইসলাম</strong>। পড়ুন তাঁর অভিজ্ঞতা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/pwljsni5/1000068943.jpg" /><figcaption>সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্নের ক্যাম্পাসে মাহিম</figcaption></figure><p>স্কুলে সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম। সেখানেই প্রথম জানতে পারি, পদার্থবিজ্ঞানের একটা গোটা কণা শ্রেণির নাম এই বাঙালি বিজ্ঞানীর নামে, ‘বোসন’। পরে জানলাম, ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্নে আবিষ্কৃত হয়েছে ‘হিগস বোসন’, যাকে ‘গড পার্টিকেল’ নামেও ডাকা হয়। নামের অর্ধেকটা আমাদেরই একজনের, ছোটবেলার সেই ভাবনাটা মাথায় থেকে গিয়েছিল।</p><p>সেখান থেকেই সার্ন নিয়ে কৌতূহল। পড়তে শুরু করলাম লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার নিয়ে। মাটির প্রায় ১০০ মিটার নিচে ২৭ কিলোমিটার লম্বা একটা বৃত্তাকার পথ, যার ভেতর কণাগুলোকে আলোর গতির কাছাকাছি বেগে ছুটিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটানো হয়। সেই সংঘর্ষে তৈরি হওয়া বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা খোঁজেন পদার্থের মৌলিক গঠন ও মহাবিশ্বের ইতিহাসের নানা উত্তর। তখন এসব আমার কাছে দূরের একটা পৃথিবী ছিল। সেখানে আমি কখনো কাজ করতে পারব, ভাবিইনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/99lff8wvup">শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল বানানোর উদ্যোগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর</a></aside><p>সার্নের সামার স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে আবেদন করতে উৎসাহ জুগিয়েছিল আমার দুই সিনিয়র, জারিন আনজুম ও জেমস পিটার গোমেজ। আবেদনে লাগে সিভি, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সুপারিশপত্র। সত্যি বলতে, আমার সিজিপিএ খুব ভালো ছিল না। কোনো অধ্যাপকের কাছ থেকে সুপারিশপত্রও জোগাড় করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত আমাদের ল্যাব ইনস্ট্রাক্টর আমাকে একটি সুপারিশপত্র লিখে দিয়েছিলেন।</p><p>তখন আমার ভরসা বলতে ছিল নিজের আগ্রহে করা কিছু প্রজেক্ট। ক্লাসের বাইরে সময় নিয়ে সেগুলো বানিয়েছিলাম, শুধু ভালো লাগত বলে। আবেদন করার সময় সেগুলোই দেখিয়েছিলাম। হয়তো সেগুলোই কোথাও কাজে দিয়েছিল।</p><p>ফল প্রকাশের শেষ ধাপ ছিল ২৯ এপ্রিল। মাগরিবের নামাজ পড়ে বাসায় ফিরে মেইলটা খুললাম। দেখলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি।</p><p>২১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন, সুযোগ পেয়েছিলেন ৩২২ জন, ৯০টিরও বেশি দেশ থেকে। বাংলাদেশ থেকে আমি একাই। বাংলাদেশ সার্নের সদস্যরাষ্ট্রও নয়। তাই মেইলটা পড়ার পর কয়েক মুহূর্ত কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা ছাড়া তখন আর কিছু মাথায় আসেনি।</p><p>পুরো যাত্রাটাই আমার জন্য নতুন ছিল। সার্ন যাতায়াতের খরচ, ভাতা ও ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিয়েছিল। জীবনে প্রথমবার বিমানে চড়াও ওই যাত্রাতেই। থাকতাম ফ্রান্সের সাঁ-জেনি এলাকায়, আর কাজ করতাম সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্নের ক্যাম্পাসে। সকালে এক দেশ থেকে আরেক দেশে গিয়ে অফিস করা, প্রথম কয়েক দিন ব্যাপারটা সত্যিই অদ্ভুত আর মজাদার লাগত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/wze8e1or/1000071945.jpg" /><figcaption>সার্নে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মাহিম ইসলাম</figcaption></figure><p>আমি কাজ করেছি সার্নের অ্যালিসের (আ লার্জ আয়ন কোলাইডার এক্সপেরিমেন্ট) কম্পিউটিং গ্রিড নিয়ে। আমার দুই সুপারভাইজার ছিলেন নরওয়ে ও রোমানিয়ার।</p><p>আমার কাজটা একটু সহজ করে বলি। সার্নের এলএইচসি (লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার) নামে একটা যন্ত্র আছে। এই যন্ত্রের কাজ হলো, তীব্র গতিতে পরমাণুর ক্ষুদ্র কণাগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটানো এবং এর মাধ্যমে পদার্থের মূল উপাদান নিয়ে গবেষণা করা। এলএইচসিতে যে বিপুল পরিমাণ তথ্য তৈরি হয়, তা একটিমাত্র কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে থাকা হাজার হাজার কম্পিউটার মিলে এই কাজ ভাগ করে নেয়।</p><p>আমার কাজ ছিল অ্যালিসের সফটওয়্যারকে নতুন ধরনের প্রসেসরে চালানোর উপযোগী করা। এগুলো তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং ভবিষ্যতে বড় কম্পিউটিং অবকাঠামোর খরচ কমাতে কাজে লাগতে পারে। শুনতে হয়তো বেশ ‘টেকনিক্যাল’ মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে মজার ব্যাপার ছিল, আমি যে কোডটা লিখছি, সেটা আমার কম্পিউটারে শুধু ‘চলছে’ কি না, সেটাই শেষ কথা নয়। পৃথিবীর অন্য প্রান্তের গবেষকেরাও যেন সেটার ওপর নির্ভর করতে পারেন, সেই দায়িত্বও নিতে হয়েছে। একজন ছাত্র হিসেবে এই অনুভূতি বেশ আলাদা।</p><p>সার্নে যাওয়ার পর বুঝেছি, ল্যাবের বাইরের অভিজ্ঞতাগুলোও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বই আর ভিডিওতে অ্যালিস ডিটেক্টর বহুবার দেখেছি। কিন্তু সামনে দাঁড়িয়ে ওই বিশাল যন্ত্রটা দেখার অনুভূতি অন্য রকম। প্রকাণ্ড একটা যন্ত্র, অথচ তার প্রতিটি অংশ কত নিখুঁতভাবে তৈরি!</p><p>সার্নের লাইব্রেরিতে কাচের বাক্সে রাখা নোবেল পদক দেখেছি। আবার যে ভাষায় আমি প্রতিদিন কোড লিখি, সেই সি++ এর জনক বিয়ারনে স্ট্রোস্ট্রুপের বক্তৃতাও সরাসরি শুনেছি। যাঁদের কাজ এত দিন বই, ইউটিউব বা কম্পিউটার স্ক্রিনের মধ্যে দেখেছি, তাঁদের সামনে বসে কথা শুনতে পারাটা নিজের কাছেই একটু অবাস্তব লাগছিল।</p><p>আরেকটা জিনিস শিখেছি, প্রশ্ন করতে লজ্জা পাওয়া উচিত নয়। ঘরভর্তি গবেষকের সামনে ‘আমি বুঝিনি’ বলতে পারাটাও একধরনের আত্মবিশ্বাস। সার্নে সবাই সবকিছু জানে না। কেউ কিছু না জানলে প্রশ্ন করে, অন্য কেউ উত্তর দেয়। তারপর আবার কাজ এগিয়ে যায়। এই সংস্কৃতিটা আমার খুব ভালো লেগেছে।</p><p>ছুটির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে সুইজারল্যান্ড, ইতালি আর ফ্রান্সের নানা জায়গায় ঘুরেছি। পাহাড়-পর্বতে উঠেছি, জেনেভা লেকে সাঁতার কেটেছি, নতুন নতুন খাবার খেয়েছি। প্রত্যেকের ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার, জীবনযাপনের ধরন আলাদা, কিন্তু কাজের জায়গায় সবাই একই সমস্যার সমাধান করতে বসে।</p><p>আমিও তাদের বাংলাদেশের গল্প বলেছি। ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া একটা দেশের কথা অনেকেই আগে জানত না। বাঙালিরা যে ভীষণ বিদ্রোহী এক জাতি, অনেকে সেটা জেনে অবাক হয়েছে।</p><p>সার্নে যাওয়ার আগে ভাবতাম, সেখানে পৌঁছানোই হয়তো সবচেয়ে বড় অর্জন। ফিরে এসে মনে হয়েছে, আসল ব্যাপারটা ছিল সেখানে গিয়ে নিজেকে অন্যভাবে দেখা। আমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, যে সিজিপিএ পেয়েছি, বা আমার আগের ফলাফল, এসবের বাইরে গিয়েও আমি কোনো একটা কাজে অবদান রাখতে পারি। নিজের হাতে বানানো একটা ছোট প্রজেক্টও কখনো কখনো দরজা খুলে দিতে পারে।</p><p>দেশে ফিরে জুনিয়রদের তাই একটা কথাই বলি, ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে নিজেকে আগে থেকেই বাদ দিয়ো না। যোগ্যতার সবটা শুধু ট্রান্সক্রিপ্টে লেখা থাকে না। যে বিষয়ে সত্যিই আগ্রহ, সেটা নিয়ে নিজে থেকে কিছু বানাও, শেখো, চেষ্টা করো। সুযোগ এলে আবেদন করো। হয়তো দরজাটা খুলবেই।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অপ্রতিম হত্যায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সবাই গ্রেপ্তার, জড়িতরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/f9n403dy4b</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/f9n403dy4b#comments</comments><guid isPermaLink="false">25847052-6c3a-4931-b581-0c552977d338</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:55:28 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:55:28.533Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তাদের বয়স নিহত শিশুটির চেয়ে ৫ থেকে ১০ বছর বেশি। ]]></description><media:keywords>গ্রেপ্তার,অপ্রতিম হত্যা,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,মামলা</media:keywords><media:content height="820" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-04/keeplial/home-minister.jpeg" width="1102"><media:title type="html"><![CDATA[ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-04/keeplial/home-minister.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><category>রাজধানী</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সবাইকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের প্রশংসা করতে হবে এ কারণে যে তারা হত্যাকাণ্ডের পারিপার্শ্বিক সব তথ্য-উপাত্ত দ্রুততম সময়ে উদ্ধার করেছে।</p><p>পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার মতো অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন যাতে দ্রুত দেওয়া যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p><p>আজ রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে। এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লার ঘটনাটি মর্মান্তিক। দেশের মানুষ এতে মর্মাহত। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব মতে, আগে তিনজন, আজকে একজন—মোট চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেছে। তারা যে অপরাধী, সেটাও স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলমান।</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তারা অনেকটা কিশোর অপরাধ চক্রের মতো। তাদের সঙ্গে এই ছেলের সম্পর্ক ছিল, ওঠাবসা ছিল, বন্ধুত্ব ছিল। তাদের বয়স নিহত শিশুটির চেয়ে ৫ থেকে ১০ বছর বেশি। হত্যার সময় ছেলেটির হাতে থাকা মুঠোফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আলামতও পাওয়া গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/sfwebkwozd">‘মাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো একটি শব্দও নেই’ </a></aside><p>পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি যে তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম করে তার দাফন হয়েছে।’</p><p>অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে তাকালে অনেক ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখা যায় বলে জানান মন্ত্রী। এ সমস্যা সমাধানে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলেন তিনি। স্কুলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে, যাতে তারা সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।</p><p>এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অপরাধ সংঘটিত হলে সেটার বিচার হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিটি জঘন্য অপরাধের ঘটনার রহস্য দ্রুত উদ্‌ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। আর যেগুলো সময়সাপেক্ষ, সেগুলোর কার্যক্রম চলছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8khskh71rb">আর কাউকে যেন আমার মতো সন্তান হারাতে না হয়, জানাজায় বাবা</a></aside><p>বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলবে বলে গত শুক্রবার দুপুরে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপ্রতিম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত সে। মা নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার মোবাইল অ্যাকসেসরিজের ব্যবসা করেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r56uync8vu">অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজের সূত্রে আটক কিশোরের বাসা থেকে সেই আইফোন উদ্ধার</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>উচ্চশিক্ষিত নারীদের মাত্র ৫ শতাংশ কর্মজীবী, আইএলওর প্রতিবেদন</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/m42xl2zp4u</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/m42xl2zp4u#comments</comments><guid isPermaLink="false">5680be6e-10fe-4422-92dc-ebe9e1d34c96</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:55:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:55:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বাণিজ্য ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427617</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একজন পুরুষ মাসে ১ হাজার টাকা আয় করলে একই ধরনের কাজে নারীর আয় হয় গড়ে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা।]]></description><media:keywords>উচ্চশিক্ষা,আইএলও,নারী</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-03/7221d042-d418-4988-a2e1-332875eb60d7/prothomalo_bangla_2023_11_9c1e2c16_ee24_4135_ada7_b23a6a2e28b9_ilo.webp" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও)]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-03/7221d042-d418-4988-a2e1-332875eb60d7/prothomalo_bangla_2023_11_9c1e2c16_ee24_4135_ada7_b23a6a2e28b9_ilo.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>একই শ্রমবাজারে কাজ করে পুরুষের তুলনায় গড়ে ২২ থেকে ২৫ শতাংশ কম মজুরি পান বাংলাদেশের নারীরা। অর্থাৎ একজন পুরুষ মাসে ১ হাজার টাকা আয় করলে একই ধরনের কাজে নারীর আয় হয় গড়ে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা। শিক্ষা, বয়স, পেশা ও কাজের ধরন বিবেচনায় নেওয়ার পরও মজুরি ব্যবধানের যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা নেই। উচ্চশিক্ষিত নারীদের মাত্র ৫ শতাংশ কর্মজীবী।</p><p> আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শ্রমবাজার নিয়ে এসব কথা বলা হয়েছে। দ্য জেন্ডার পে গ্যাপ ইন বাংলাদেশ: ট্রেন্ডস, কজেস অ্যান্ড পলিসি অপশনস বা বাংলাদেশে নারী-পুরুষের মজুরি ব্যবধান: প্রবণতা, কারণ ও নীতিগত করণীয় শীর্ষক এই প্রতিবেদন ২০২৩ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে আইএলও।</p><p> প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, নারী-পুরুষের মজুরি ব্যবধানের পেছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বৈষম্যের ভূমিকা থাকতে পারে।</p><p><strong>নারীরা পিছিয়ে কীভাবে</strong></p><p>আইএলও আরও বলছে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পুরুষের কর্মসংস্থানের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ, নারীর ৪০ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ কর্মসংস্থান হারের ব্যবধান ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। কর্মরত নারীদের মাত্র ১৯ শতাংশ মজুরিভিত্তিক কর্মী। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ।</p><p>শিক্ষার ক্ষেত্রেও বৈপরীত্য দেখা যায়। দেশের উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী। এই উচ্চশিক্ষিত নারীদের মধ্যে কর্মজীবী বা অন্যান্য আয়ভিত্তিক কাজের মধ্যে আছেন মাত্র ৫ শতাংশ নারী।</p><p><strong>নারীর কাজ বেশি, বেতন কম</strong></p><p>নারীরা তুলনামূলকভাবে নিম্ন মজুরির পেশায় বেশি কাজ করেন। নারীদের মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের ৪১ শতাংশ উৎপাদন খাতে, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এ হার ২৩ শতাংশ। এ ছাড়া ১৯ শতাংশ নারী গৃহস্থালি কাজে এবং ১২ শতাংশ শিক্ষা খাতে কর্মরত।</p><p>ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে নারীর উপস্থিতি একেবারেই কম। দেশের ব্যবস্থাপনা পদগুলোতে কর্মরত নারীর সংখ্যা মাত্র ৬ দশমিক ২ শতাংশ। যদিও দক্ষিণ এশিয়ায় এই গড় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ এবং বৈশ্বিক গড় ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা অনেকটাই পিছিয়ে।</p><p>আরেকটি বিষয় হলো, মজুরিভিত্তিক কর্মীদের বড় অংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যুক্ত। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৯১ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৮৭ শতাংশ।</p><p><strong>ঘরের কাজের চাপও মজুরিতে প্রভাব ফেলে</strong></p><p>আইএলওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ও পুরুষেরা বাসাবাড়িতে কাজ করেন। কিন্তু সেখানে তাঁরা কোনো মজুরি পান না। দেখা যায়, বাসাবাড়িতে নারীরাই বেশি কাজ করেন। বাইরে কাজে করে বাসায় ফিরে নারীরা সপ্তাহে গড়ে ২৭ দশমিক ৭ ঘণ্টা গৃহস্থালির কাজ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে মাত্র ৭ দশমিক ৭ ঘণ্টা।</p><p>কর্মক্ষেত্রে পুরুষেরা সপ্তাহে গড়ে ৫১ দশমিক ৯ ঘণ্টা এবং নারীরা ৪৬ ঘণ্টা কাজ করেন। এমন নারীদের ৭৭ শতাংশ সপ্তাহে অন্তত ৪০ ঘণ্টা কাজ করেন; পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৯০ শতাংশ।</p><p>আইএলওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গৃহস্থালির কাজে বেশি সময় দেওয়ার কারণে নারীদের পক্ষে উচ্চ মজুরির কাজ নেওয়া এবং ক্যারিয়ারে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।</p><p><strong>মজুরি বৈষম্য নিয়ে আইএলও যা বলছে</strong></p><p>বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা আছে। শ্রম আইনেও একই প্রকৃতি, সমান মজুরির বিধান আছে। তবে আইএলও বলছে, সমান মজুরির বিধানের বাস্তব প্রয়োগ সীমিত।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে সব খাত সমানভাবে আসে না। নারীরা যেসব কাজে বেশি অংশগ্রহণ করেন, সেই খাতগুলোর কাজের মূল্যায়নে লিঙ্গভিত্তিক পক্ষপাত আছে কি না, তাও বর্তমান মজুরি নির্ধারণ ব্যবস্থায় স্পষ্টভাবে বিবেচনা করা হয় না।</p><p>নারী-পুরুষের মজুরি ব্যবধানের পেছনে শুধু একই কাজের জন্য ভিন্ন মজুরির বিষয়টি দায়ী নয়। বরং মজুরি নির্ধারণের দুর্বলতা, নিম্ন মজুরির কাজে নারীদের বেশি অংশগ্রহণ, ঘরের কাজের বাড়তি চাপ ও সামগ্রিকভাবে কম মজুরির শ্রমবাজার—এসব বিষয়কে সামনে এনেছে আইএলও।</p><p>সব মিলিয়ে নারী-পুরুষের মজুরি ব্যবধানের পেছনে এসব কাঠামোগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক কারণ কাজ করছে।</p><p>প্রতিবেদনের সুপারিশ হলো, একই ধরনের কাজের জন্য সমান মজুরির নীতি কার্যকর করা, কাজের মূল্যায়নে নিরপেক্ষ পদ্ধতি চালু, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে লিঙ্গবৈষম্য বিবেচনায় নেওয়া, মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান পুনর্বিবেচনা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও হয়রানি প্রতিরোধ নিশ্চিত করা, শ্রম পরিদর্শন ও বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা জোরদার করা হোক।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রূপায়ণ সিটি ঘুরে গেল আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল</title><link>https://www.prothomalo.com/business/corporate/8l5zpoyhb6</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/corporate/8l5zpoyhb6#comments</comments><guid isPermaLink="false">376a3c76-c8e3-4439-8c54-61b95b745eaa</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:48:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:48:57.138Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বাণিজ্য ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427617</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আন্তর্জাতিক রিয়েল এস্টেট বা আবাসন ও অবকাঠামো খাতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশের প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’ পরিদর্শন করেছে। ]]></description><media:keywords>বিজ্ঞপ্তি</media:keywords><media:content height="563" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/kfmvqrei/19DH3190920261.jpg" width="1000"><media:title type="html"><![CDATA[ আন্তর্জাতিক রিয়েল এস্টেট ও অবকাঠামো খাতের একটি প্রতিনিধিদল গত শুক্রবার রাজধানীর রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল এবং রূপায়ণ সিটি উত্তরার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আহসান হাবিব]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/kfmvqrei/19DH3190920261.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>করপোরেট সংবাদ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আন্তর্জাতিক রিয়েল এস্টেট বা আবাসন ও অবকাঠামো খাতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশের প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’ পরিদর্শন করেছে। চার সদস্যের এই আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল গত শুক্রবার সরেজমিনে রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রূপায়ণ গ্রুপ এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>পরিদর্শনকারী প্রতিনিধিদলে ছিলেন থাইল্যান্ডের এফআইএবিসিআইয়ের সভাপতি সোপন পর্নচোকচাই, প্রিমিয়ার হোমস আরই কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ক্লেটন ওয়েড, এফআইএবিসিআইয়ের (থাইল্যান্ড, ফুকেট) সভাপতি সালভাতোর পারিসি এবং অ্যাসেট এক্স প্রোপার্টি কোম্পানি লিমিটেডের এমডি লারিনথর্ন সোয়াসদিকুলাভাথ।</p><p>প্রতিনিধিদলটিকে রূপায়ণ সিটি উত্তরায় স্বাগত জানান রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল এবং রূপায়ণ সিটি উত্তরার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আহসান হাবিব।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সফররত প্রতিনিধিদলটির সদস্যরা রূপায়ণ সিটি উত্তরার পরিকল্পিত অবকাঠামো, নিরাপত্তাব্যবস্থা, বিস্তৃত সবুজ ও উন্মুক্ত পরিসর এবং আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। তাঁরা প্রকল্পটির পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, সমন্বিত কমিউনিটি জীবনধারা এবং আধুনিক আবাসন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা নেন।</p><p>প্রতিনিধিদলটি তাদের প্রতিক্রিয়ায় রূপায়ণ সিটি উত্তরার সবুজ ও উন্মুক্ত পরিবেশের প্রশংসা করে। তাদের মতে, পরিকল্পিত সবুজ পরিসর ও উন্মুক্ত স্থান শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের পাশাপাশি বাসিন্দাদের মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ডিএমপির তত্ত্বাবধানে ফুলবাড়িয়া-যাত্রাবাড়ীতে নিরাময়ের স্বাস্থ্যসেবা</title><link>https://www.haal.fashion/arrangement/haal-khobor/kuesgk55tk</link><comments>https://www.haal.fashion/arrangement/haal-khobor/kuesgk55tk#comments</comments><guid isPermaLink="false">69401e30-c30e-4292-b41d-33e253950080</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:48:38 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:48:38.068Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ঢাকার সড়কে কর্মরত পরিবহনকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ফুলবাড়িয়া ও যাত্রাবাড়ীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে নিরাময় ডিজিটাল সার্ভিসেস।]]></description><media:keywords>চিকিৎসা,পুলিশ,স্বাস্থ্য সুরক্ষা</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/4ov00z15/niramoy-2.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/4ov00z15/niramoy-2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>হাল খবর</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকার সড়কে কর্মরত পরিবহনকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ফুলবাড়িয়া ও যাত্রাবাড়ীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে নিরাময় ডিজিটাল সার্ভিসেস।</p><p>ঢাকার সড়কে প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করা পরিবহনকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ফুলবাড়িয়া ও যাত্রাবাড়ীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে নিরাময় ডিজিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ১৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ কর্মসূচিতে চালক, সহকারী ও পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/zxxrubk3/WhatsApp-Image-2026-09-19-at-21.21.07-1.jpeg" /></figure><p>‘সড়কে শৃঙ্খলা ও সুস্বাস্থ্য’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী দুই স্থানে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে মোট ১০৫ জনের বেশি নিবন্ধন করেন এবং ১২০ জনের বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। পাশাপাশি ৫৫ জনের বেশি অংশগ্রহণকারী নিরাময় অ্যাপ ইনস্টল করেন। ফুলবাড়িয়ায় ৪৫ জনের বেশি নিবন্ধন করেন, ৫০ জনের বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং ২৫ জনের বেশি অ্যাপ ইনস্টল করেন। অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ীতে ৬০ জনের বেশি নিবন্ধন, ৭০ জনের বেশি চিকিৎসা পরামর্শ এবং ৩০ জনের বেশি অ্যাপ ইনস্টলের তথ্য পাওয়া গেছে।</p><p>ফুলবাড়িয়ার কর্মসূচিতে ডিএমপি ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আহসানুল কামরান তানভীর এবং ট্রাফিক ফুলবাড়িয়া জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। যাত্রাবাড়ীর কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবু তাহার এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল হান্নান খান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/zesron3s/WhatsApp-Image-2026-09-19-at-21.21.07.jpeg" /></figure><p>নিরাময়ের পক্ষ থেকে কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শাকিল জোয়াদ রহিম, মহাব্যবস্থাপক ও বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের প্রধান হাসান হায়দার শুভসহ চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।</p><p>নিরাময় জানিয়েছে, প্রতিদিন সড়কে দায়িত্ব পালন করা পরিবহনকর্মীদের সুস্বাস্থ্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল সড়ক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উপলব্ধি থেকেই ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p><p><strong>ছবি:</strong> নিরাময়</p>]]></content:encoded></item><item><title>আইইএলটিএসে ৯-এ ৯ পেয়েছেন রাইসা, কীভাবে</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/aaiielttiese-9-e-9-peyyechen-raaisaa-kiibhaabe</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/aaiielttiese-9-e-9-peyyechen-raaisaa-kiibhaabe#comments</comments><guid isPermaLink="false">851488c0-8025-4a26-9bc4-b6f874d7fa03</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:42:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:42:36.050Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইইএলটিএসে ৯-এ ৯ পেয়েছেন রাইসা, কীভাবে]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ods4hrsm/WhatsApp_Image_2026_09_19_at_1_10_43_AM_2.jpeg" width="1066"><media:title type="html"><![CDATA[ রাইসা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/ods4hrsm/WhatsApp_Image_2026_09_19_at_1_10_43_AM_2.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যানের ছাত্রী ছিলেন রাইসা শাম্মা। এখন পড়ছেন ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে। তিনি বলেন, ‘আইইএলটিএস পরীক্ষায় ৯–এ ৯ পাওয়া আমার জন্য শুধু একটি ভালো ফল নয়; বরং ছোটবেলা থেকে তৈরি হওয়া কিছু অভ্যাসের ফল।...আমার বিশ্বাস, কোনো দক্ষতা এক দিনে তৈরি হয় না। ইংরেজি ভাষার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, নিয়মিত পড়ার অভ্যাস, ইংরেজি কনটেন্ট দেখা এবং শেখার আগ্রহ আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>টেস্টে এক নম্বর, টি–টুয়েন্টিতে শীর্ষ দশে—দুই দুনিয়ার এক ব্রুক</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/xjon1g44j0</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/xjon1g44j0#comments</comments><guid isPermaLink="false">72d64074-4010-4a61-9686-a71e0f5aef1d</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:30:22 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:30:22.215Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মো. আনোয়ার হোসেন</atom:name><atom:uri>/api/author/1690441</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একই সময়ে টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি দুই র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা নজিরবিহীন কিছু নয়। তবে বিশেষত্বটা এখানে শুধু র‍্যাঙ্কিংয়ে নয়, বরং দুই ফরম্যাটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেও।]]></description><media:keywords>ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল,হ্যারি ব্রুক</media:keywords><media:content height="2716" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-16/ean6xgwx/ENG-CRICKET.jpg" width="4096"><media:title type="html"><![CDATA[ সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজে সিরিজসেরা হন হ্যারি ব্রুক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-16/ean6xgwx/ENG-CRICKET.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলায় বহুল চর্চিত একটি প্রবাদ আছে—‘যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে।’ এককথায়, বহুমুখী প্রতিভা যার আছে। প্রবাদটির ক্রিকেটীয় সংস্করণ হতে পারে, ‘যিনি টেস্টে ভালো, তিনি টি-টুয়েন্টিতেও ভালো।’ হ্যারি ব্রুক যেন সেই প্রবাদকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন। টেস্ট ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে, টি-টুয়েন্টিতেও শীর্ষ দশে (৯)—দুই বিপরীতধর্মী ফরম্যাটেই বিশ্বের সেরাদের একজন ইংল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যান। এই মুহূর্তে টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি দুই র‌্যাঙ্কিংয়েই শীর্ষ দশে ব্রুক ছাড়া আর কেউ নেই।</p><p>তবে ব্রুক শুধু ব্যাটসম্যানই নন, সফল অধিনায়কও। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৬টি টি-টুয়েন্টির ২৩টিতেই জিতেছে তাঁর দল। যার সর্বশেষটি শনিবার শেষ হওয়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে। একটি সেঞ্চুরিসহ ১৭০ রান করে সিরিজসেরা হয়েছেন ব্রুকই, সেই সঙ্গে জায়গা ধরে রেখেছেন র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশেও। আর সিরিজ জিতে ভারতকে টপকে টি-টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছে ইংল্যান্ডও।</p><p>একই সময়ে টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি দুই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা নজিরবিহীন কিছু নয়। তবে ব্রুকের কীর্তির বিশেষত্বটা শুধু র‌্যাঙ্কিংয়ে নয়, বরং দুই ফরম্যাটে তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও ক্রিকেটের প্রতি অগ্রাধিকারের মধ্যেও। </p><p>টেস্ট ক্রিকেট চায় ধৈর্য, মনোযোগ ও দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাটিং করার সামর্থ্য। আর টি-টুয়েন্টির দাবি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং আর কয়েক বলের মধ্যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার সামর্থ্য। আন্তর্জাতিক সূচির টানা ব্যস্ততা, সঙ্গে ঘরে-বাইরে একের পর এক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। সব মিলিয়ে টেস্টের সঙ্গে টি-টুয়েন্টি একসঙ্গে চালিয়ে যেতে চান না অনেকেই। কারও বেলায় আছে দুই বিপরীতধর্মী ফরম্যাটে সামর্থ্যের প্রশ্নও।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-20/6pwttvwm/2026-08-20T170747Z1949864912UP1EM8K1BKXBZRTRMADP3CRICKET-TEST-ENG-PAK.JPG" /><figcaption>টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে এখন শীর্ষে হ্যারি ব্রুক</figcaption></figure><p>বিষয়টি বোঝা যাবে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানীয় ব্যাটসম্যানদের দিকে তাকালেই। ৮৬১ পয়েন্ট নিয়ে ব্রুক এখন এক নম্বরে। এর পরের জায়গাগুলোয় আছেন যথাক্রমে স্টিভ স্মিথ, জো রুট, ট্রাভিস হেড ও টেম্বা বাভুমা। তাঁদের মধ্যে হেড ছাড়া বাকি তিনজন এখন টি-টুয়েন্টি খেলছেন না অথবা নির্বাচকেরাই তাঁদের বিবেচনা করেন না। আবার টি-টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে যাঁরা শীর্ষ পাঁচে আছেন, তাঁরাও টেস্টে খেলেন না বা দলে জায়গা পান না (ঈশান কিষান, অভিষেক শর্মা, সাহিবজাদা ফারহান, ফিল সল্ট ও ডেভাল্ড ব্রেভিস)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/qnknve7u07">বেধড়ক পিটুনিতে ইংল্যান্ড দলে পিটারসেনকে বরণ করলেন ব্রুক</a></aside><p>তাহলে দুই ফরম্যাটের র‌্যাঙ্কিংয়েই শীর্ষ দশে থাকা ব্রুকের পক্ষে কীভাবে সম্ভব হলো? শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর সংবাদ সম্মেলনে নিজেই এর একটা উত্তর দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ২৭ বছর বয়সী অধিনায়ক, ‘আমি যতটা সম্ভব ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে চাই। এটাই আমার অগ্রাধিকার। দ্য হানড্রেড ছাড়া কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও খেলি না। ফিট থেকে যতটা সম্ভব ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে চাই।’</p><p>ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার ওপর পুরো মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি হয়তো ব্রুককে দুই ফরম্যাটে নিয়মিত থাকার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু নিয়মিত খেললেই তো আর দুই ফরম্যাটে সাফল্য আসে না, র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশেও জায়গা মেলে না। ব্রুকের কীর্তির বিশেষত্বটা এখানেই—তিনি শুধু দুই ফরম্যাটে খেলছেন না, দুটিতেই সেরাদের কাতারে আছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/4u5t7r5lni">সতীর্থদের বাঁচাতে মিথ্যা বলেছিলেন ব্রুক</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অপরাধটা বুঝি আমিই করেছি</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/frlb533cff</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/frlb533cff#comments</comments><guid isPermaLink="false">fe172cb8-91ad-4bb1-b14a-17a3a4336eca</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:26:33 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:26:33.389Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সেদিনও শুরু হলো সেই গোপন অভিযান। আমি ধম্বাটা ছোট ছোট টুকরা করে একেকটা একেক দিকে ছুড়ে দিচ্ছিলাম। বেশ কয়েকটি টুকরা সফলভাবেই অদৃশ্য হয়ে গেল। শেষে রইল শেষ টুকরাটি। মনে হলো, এবার চোখ বন্ধ করেই ছুড়ে দিই—যেখানে পড়ার পড়ুক!]]></description><media:keywords>আমরা সবাই রাজা কিআ,আরও কিআ,পাঠকের লেখা</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/8o7r5az4/Cover.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/8o7r5az4/Cover.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সকাল সাড়ে সাতটার টিফিনের ঘণ্টা পড়ল। মুহূর্তেই যেন ভারতেশ্বরী হোমসের সকালের নীরবতা ভেঙে যেত। সারিবদ্ধ পায়ের শব্দ, বন্ধুদের চাপা হাসি আর টিফিনের লাইনে দাঁড়ানোর সেই চেনা দৃশ্য—সব মিলিয়ে দিনের শুরুটাই ছিল এক অন্য রকম অনুভূতি।</p><p>সেদিনও আমরা সবাই নিয়মমতো টিফিন নিতে গেলাম। প্লেটে ছিল সেই বিশেষ ধরনের পাউরুটি, যাকে আমরা সবাই মজা করে ডাকতাম ‘ধম্বা’। নামটা শুনলেই সবার মুখে হাসি ফুটে উঠত; কিন্তু আমার কাছে ধম্বা ছিল একেবারে দুঃস্বপ্ন! যতই চেষ্টা করি, কিছুতেই সেটা খেতে পারতাম না। অথচ খাবার ফেলে দেওয়া ছিল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তাই আমার দুষ্টু বন্ধুদের মাথায় প্রতিদিনই জন্ম নিত নতুন নতুন কৌশল—কীভাবে ধম্বাটাকে পৃথিবী থেকেই গায়েব করে দেওয়া যায়!</p><p>সেদিনও শুরু হলো সেই গোপন অভিযান। আমি ধম্বাটা ছোট ছোট টুকরা করে একেকটা একেক দিকে ছুড়ে দিচ্ছিলাম। বেশ কয়েকটি টুকরা সফলভাবেই অদৃশ্য হয়ে গেল। শেষে রইল শেষ টুকরাটি। মনে হলো, এবার চোখ বন্ধ করেই ছুড়ে দিই—যেখানে পড়ার পড়ুক!</p><p>চোখ বন্ধ করে টুকরাটা পেছনের দিকে ছুড়ে দিলাম। পরের মুহূর্তেই চারপাশে নেমে এল এক অদ্ভুত নীরবতা।</p><p>চোখ খুলে দেখি, সেই শেষ টুকরাটা গিয়ে পড়েছে আমাদের সবচেয়ে রাগী স্টাফ মিসেস ঘোষের পায়ের ওপর!</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/7znpypryu1">কিছু খাবারে লবণ দিলে আরও মিষ্টি মনে হয় কেন</a></aside><p>তারপর আর কিছু বোঝার বাকি ছিল না। মুহূর্তেই তাঁর রাগ যেন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল। আমার পিঠে পড়ল তাঁর হাতের শাসন। তখন খুব মন খারাপ হয়েছিল, মনে হয়েছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অপরাধটা বুঝি আমিই করেছি। অথচ আজ এত বছর পর সেই ঘটনাটা মনে পড়লে হাসিই পায়। একটা ছোট্ট ধম্বার টুকরা যে একদিন এত বড় স্মৃতি হয়ে থাকবে, তখন কে জানত!</p><p>এমন কত শত গল্প ছড়িয়ে আছে ভারতেশ্বরী হোমসের প্রতিটি ইট, প্রতিটি করিডর, প্রতিটি ডাইনিং টেবিলে। শুধু সকাল সাড়ে সাতটার টিফিন নয়, দুপুরের লাঞ্চ, রাতের ডিনার—সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে অগণিত স্মৃতি। আমরা সবাই সারিবদ্ধ হয়ে ডাইনিং হলে ঢুকতাম, একসঙ্গে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করতাম, তারপর পাশাপাশি বসে খেতাম। খাওয়া শেষ হলে আবার নিজেরাই ডাইনিং হল পরিষ্কার করতাম। নিয়মের ভেতরেই ছিল আমাদের আনন্দ, শাসনের আড়ালেই ছিল অগাধ মমতা; আর একসঙ্গে কাটানো প্রতিটি দিন ছিল একেকটি অমূল্য স্মৃতি।</p><p>আজ আমরা সবাই জীবনের ভিন্ন ভিন্ন পথে হাঁটছি। সেই ডাইনিং হলে আর আমাদের সারি লাগে না, প্রার্থনার সেই কণ্ঠও আর শোনা যায় না। হয়তো মিসেস ঘোষ এখনো কাউকে শাসন করেন, হয়তো নতুন কোনো ব্যাচ আজও ধম্বা লুকিয়ে ফেলার নতুন কৌশল খুঁজে বেড়ায়।</p><p>আর আমি? আমি শুধু স্মৃতির দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি—যদি একবারের জন্যও আবার সাড়ে সাতটার টিফিনের ঘণ্টা বেজে ওঠে! এবার আর ধম্বা লুকিয়ে ফেলব না। কারণ, আজ বুঝি ধম্বা নয়, ফেলে এসেছি আমার কৈশোরের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো। সময় হয়তো ফিরে আসে না; কিন্তু কিছু ঘণ্টার শব্দ সারা জীবন বুকের ভেতর বাজতেই থাকে।</p><p>লেখক: শিক্ষার্থী, দ্বাদশ শ্রেণি, হলিক্রস কলেজ, ঢাকা</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/আনন্দের-সুবাস-আমি-দেখেছি">আনন্দের সুবাস আমি দেখেছি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মক্কা চুক্তি সৌদিতে বাংলাদেশিদের কোনো কাজে আসবে?</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/80tzakysuk</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/80tzakysuk#comments</comments><guid isPermaLink="false">fc7fee57-b868-4665-a983-44d0c3cc6f82</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 07:11:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T07:11:01.855Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সেলিম রেজা</atom:name><atom:uri>/api/author/2528175</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের তাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত আবেগ সরিয়ে বাস্তবসম্মত হিসাব করা।]]></description><media:keywords>প্রবাসী শ্রমিক,সৌদি আরব,মক্কা চুক্তি,অভিবাসন</media:keywords><media:content height="784" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/dmmkxz2s/mecca-3s.jpg" width="1353"><media:title type="html"><![CDATA[ এই চুক্তিতে বাংলাদেশ যুক্ত হলে সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন বাড়বে, নিয়োগদাতা পাসপোর্ট ফেরত দেবে, বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধ হবে কিংবা নির্যাতিত কোনো নারী গৃহকর্মী রাতারাতি আইনি সুরক্ষা পাবেন, এমন আশা করার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/dmmkxz2s/mecca-3s.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সম্প্রতি মক্কায় যে চুক্তি হয়েছে, তার নামের মধ্যেই আবেগ আছে, রাজনীতিও আছে। মুসলিম বিশ্বের দুই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠতা—সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি সামরিক সমঝোতা নয়; মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বদলে যাওয়া ভূরাজনীতিরও একটি বার্তা।</p><p>বাংলাদেশ এই নতুন সমীকরণের কোথায় দাঁড়াবে, সেটিও তাই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। মক্কায় স্বাক্ষরিত নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ঘিরে বাংলাদেশে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, সেখানে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে নিরাপত্তা, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, পাকিস্তান-সৌদি আরব-তুরস্কের কৌশলগত সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে।</p><p>কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এই আলোচনার আরেকটি অত্যন্ত বাস্তব কিন্তু প্রায় অনিবার্য প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে: সৌদি আরবে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিকের এতে কী লাভ? </p><p>প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সৌদি আরব বাংলাদেশের কাছে শুধু একটি কূটনৈতিক অংশীদার, বন্ধুপ্রতিম মুসলিম দেশ বা মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্র নয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/fqshy2y5wv">মক্কা চুক্তি: বাংলাদেশের কী করা উচিত</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/socbgw45sn">মক্কা চুক্তি বাংলাদেশের জন্য সুযোগ, না ঝুঁকি</a></aside><p>এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারগুলোর একটি।</p><p>বছরের পর বছর লাখ লাখ বাংলাদেশি সেখানে কাজ করে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাঁদের অবদান বিপুল।</p><p>ফলে কোনো নতুন কৌশলগত সম্পর্কের মূল্যায়নে সৌদিতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকের নিরাপত্তা, মজুরি, চাকরির নিশ্চয়তা, নিয়োগব্যয় এবং আইনি সুরক্ষা—এসবকে প্রান্তিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।</p><p>অথচ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বড় বড় আলোচনায় সেই শ্রমিকের নিরাপত্তা, মজুরি, অধিকার ও মর্যাদা প্রায়ই ফুটনোট হয়ে থাকে।</p><p>মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের তাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত আবেগ সরিয়ে বাস্তবসম্মত হিসাব করা।</p><p>একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা দরকার। মক্কা চুক্তি কোনো শ্রমিক অধিকার সনদ নয়। এর মূল বিষয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা।</p><p>অর্থাৎ কোনো পক্ষ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে অন্য পক্ষ তার পাশে দাঁড়াবে—এমন নিরাপত্তাকেন্দ্রিক প্রতিশ্রুতিই এর কেন্দ্রবিন্দু। এর উদ্দেশ্য শ্রম অধিকার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা বা বিদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/uwunz1cp/mecca1.jpg" /><figcaption>মক্কা চুক্তি সাক্ষরের পর সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।</figcaption></figure><h3>এটি শ্রমিক সুরক্ষার চুক্তি নয়</h3><p>বাংলাদেশ এতে যোগ দিলেও চুক্তির বর্তমান কাঠামো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন, নিয়োগপ্রক্রিয়া বা কর্মপরিবেশ উন্নত হবে—এমন কোনো কারণ নেই।</p><p>সুতরাং এই চুক্তিতে বাংলাদেশ যুক্ত হলে সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন বাড়বে, নিয়োগদাতা পাসপোর্ট ফেরত দেবে, বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধ হবে কিংবা নির্যাতিত কোনো নারী গৃহকর্মী রাতারাতি আইনি সুরক্ষা পাবেন, এমন আশা করার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।</p><p>তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, বাংলাদেশের জন্য এর কোনো শ্রম সুরক্ষা মূল্যই নেই? আছে, তবে সেটি চুক্তির সরাসরি ফল হিসেবে নয়, বরং কূটনৈতিক দর-কষাকষির সুযোগ হিসেবে। এখানেই কূটনীতির আসল জায়গা।</p><p>মক্কা চুক্তি শ্রমিকদের সরাসরি সুরক্ষা দেবে না, কিন্তু চুক্তির বিনিময়ে বাংলাদেশ কী আদায় করতে পারে, সেটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>রাষ্ট্রগুলো বন্ধুত্বের কথা বলে; পরিণত রাষ্ট্রগুলো সেই বন্ধুত্বের মূল্যও নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ এই দর-কষাকষিতে কতটা সক্ষম বা প্রস্তুত, সেটিই এখন দেখার পালা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/kyenugr62o">হুতির হামলায় মক্কা চুক্তি কি কার্যকর হবে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/tl6wj1br7h">মক্কা চুক্তি আসলে কাদের স্বার্থের পক্ষে যাবে</a></aside><h3>বন্ধুত্বের মূল্য কোথায়?</h3><p>বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক বহু পুরোনো। ধর্মীয় যোগাযোগ, শ্রমবাজার, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ ও কূটনৈতিক সহযোগিতা—সব মিলিয়ে সম্পর্কটির ভিত্তি বিস্তৃত। কিন্তু এই সম্পর্কের একটি মৌলিক বৈপরীত্য আছে।</p><p>বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে যত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা বলে, সৌদি আরবকে বাংলাদেশি শ্রমিকের অধিকার নিয়ে ততটা শক্ত অবস্থান নিতে দেখা যায় না। এটি শুধু কূটনৈতিক দুর্বলতা নয়; এটি নীতিগত দুর্বলতাও।</p><p>একজন বাংলাদেশি শ্রমিক যখন সৌদি আরবে যান, তিনি শুধু নিজের জন্য যান না। তাঁর পাঠানো অর্থে একটি পরিবার চলে, সন্তান পড়াশোনা করে, বাড়ি তৈরি হয়, গ্রাম-শহরের অর্থনীতি সচল থাকে।</p><p>রাষ্ট্রও তাঁর রেমিট্যান্স থেকে বৈদেশিক মুদ্রা পায়। অর্থাৎ শ্রমিকের শরীর বিদেশে থাকলেও তাঁর অর্থনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের ভেতরেই। তাহলে তাঁর অধিকার রক্ষাকে পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রীয় বিষয় করা হবে না কেন!</p><p>বাংলাদেশের উচিত এখন এই প্রশ্নটিই সামনে আনা: সৌদি আরবের নিরাপত্তা যদি বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সৌদি অর্থনীতিতে অবদান রাখা বাংলাদেশি মানুষের নিরাপত্তা কি গুরুত্বপূর্ণ নয়?</p><p>এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভুল হবে মক্কা চুক্তিকে শুধু প্রতীকী ‘মুসলিম ঐক্যের’ একটি প্রকল্প হিসেবে দেখা এবং শ্রমিক সুরক্ষার প্রশ্নটি তার ভেতরে স্বতঃসিদ্ধভাবে সমাধান হয়ে যাবে বলে ধরে নেওয়া।</p><p>বাস্তবে ঠিক উল্টোটা দরকার। বাংলাদেশ যদি সৌদি আরবের সঙ্গে নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়, তাহলে সেই সম্পর্কের বিনিময়ে রিয়াদের কাছ থেকে শ্রমিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য প্রতিশ্রুতি আদায় করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/o7n50vbf/mecca_2.jpg" /><figcaption>বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সমস্যার শুরু অনেক সময় সৌদি আরবে নয়, বাংলাদেশেই।</figcaption></figure><h3>সবচেয়ে বড় ঝুঁকি শুরু হয় বাংলাদেশেই</h3><p>সৌদি আরব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশি শ্রমিকদের শ্রমবাজারে কিছু সংস্কার এনেছে।</p><p>চাকরি পরিবর্তন ও দেশত্যাগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মীদের স্বাধীনতা বেড়েছে। তবে গৃহকর্মীরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণ শ্রম আইনি সুরক্ষার বাইরে।</p><p>আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও অধিকারকর্মীদের উদ্বেগ তাই শুধু আইন পরিবর্তন নয়; কার্যকর প্রয়োগ ও জবাবদিহি নিয়েও।</p><p>শ্রমিক সুরক্ষার আলোচনা করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই সৌদি নিয়োগদাতার দিকে আঙুল তুলি। সেটি অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের নিজের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।</p><p>বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সমস্যার শুরু অনেক সময় সৌদি আরবে নয়, বাংলাদেশেই।</p><p>অতিরিক্ত নিয়োগ ব্যয়, দালালনির্ভরতা, চুক্তির সঙ্গে বাস্তব চাকরির অমিল, বেতন আটকে যাওয়া, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, পাসপোর্ট জব্দ, নির্যাতন এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার জটিলতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।</p><p>নারী গৃহকর্মীরা বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছেন; অতীতে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। শ্রমিক সুরক্ষার দায় শুধু সৌদি নিয়োগকর্তার নয়, বাংলাদেশেরও।</p><p>বিদেশ যাওয়ার জন্য ঋণ, জমি বন্ধক বা সম্পদ বিক্রির পর একজন শ্রমিক প্রতিশ্রুত চাকরি ও বেতন না পেলে তাঁর বিকল্প সীমিত হয়ে যায়। মক্কা চুক্তির বাস্তবায়নে তাই দুই দেশেরই দায়িত্বশীলতা জরুরি।</p><p>বাংলাদেশকে অতিরিক্ত নিয়োগ ফি ও ভুয়া প্রতিশ্রুতি বন্ধ, রিক্রুটিং এজেন্সির জবাবদিহি নিশ্চিত এবং বিদেশযাত্রার আগে চুক্তি, বেতন, কর্মঘণ্টা, নিয়োগকর্তা ও আবাসনের তথ্য ডিজিটালভাবে যাচাই বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিদেশে পৌঁছানোর পর নয়—শ্রমিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে দেশ ছাড়ার আগেই।</p><blockquote>এই চুক্তি নিজে শ্রমিকের মজুরি বাড়াবে না বা দুর্নীতি দূর করবে না, তবে কার্যকর কূটনৈতিক দর-কষাকষির মাধ্যমে শ্রমিকদের জন্য বাস্তব সুবিধা আদায়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সেই সুযোগ যদি শুধু রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে এর প্রভাব শ্রমিকের জীবনে পৌঁছাবে না।</blockquote><h3>ভূরাজনীতি যেন শ্রমিককে ভুলিয়ে না দেয়</h3><p>মক্কা চুক্তিকে ঘিরে বাংলাদেশকে আবেগের বশে কোনো একক ভূরাজনৈতিক শিবিরে ঝুঁকে না পড়ে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।</p><p>সামরিক বা কৌশলগত সহযোগিতা শুধু নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে অর্থনীতি, শ্রমবাজার ও প্রবাসীদের স্বার্থও জড়িত।</p><p>এই চুক্তি নিজে শ্রমিকের মজুরি বাড়াবে না বা দুর্নীতি দূর করবে না, তবে কার্যকর কূটনৈতিক দর-কষাকষির মাধ্যমে শ্রমিকদের জন্য বাস্তব সুবিধা আদায়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।</p><p>সেই সুযোগ যদি শুধু রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে এর প্রভাব শ্রমিকের জীবনে পৌঁছাবে না।</p><p>সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিদের অধিকার ও নিরাপত্তাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাঁরা শুধু রেমিট্যান্সের উৎস নন; দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।</p><p>তাই সৌদি নিরাপত্তা যদি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিষয় হয়, বাংলাদেশি শ্রমিকের নিরাপত্তাকেও একই গুরুত্ব দিতে হবে।</p><p>বাংলাদেশ সরকার চুক্তিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হলে মূল বার্তাটি এখনই স্পষ্ট হওয়া উচিত: আমরা নিরাপত্তা সহযোগিতা চাই, পাশাপাশি আমাদের নাগরিকদের অধিকার, মর্যাদা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তাও চাই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/0rypet3xzq">মক্কা চুক্তি কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শক্তির ভারসাম্য আনবে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/6n6b66ioli">মক্কা চুক্তি যেভাবে মধ্যপ্রাচ্য নতুন বাস্তবতা হাজির করল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/gign124abs">মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে যে কারণে দুশ্চিন্তায় ভারত</a></aside><h3>বাংলাদেশ কী চাইতে পারে</h3><p>বাংলাদেশ যদি এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করে, রাষ্ট্রীয় দর-কষাকষির বিষয় হিসেবে কয়েকটি জিনিস চাইতে পারে:</p><p>প্রথমত, বাংলাদেশের উচিত সৌদি আরবের সঙ্গে একটি স্বতন্ত্র শ্রমিক সুরক্ষা প্রটোকল চাওয়া। সেটি মক্কা চুক্তির অংশ হোক কিংবা আলাদা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি—কিন্তু তার মধ্যে বাস্তব দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। যেমন বেতন আটকে গেলে কত দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি হবে।</p><p>নিয়োগকর্তা চুক্তি ভঙ্গ করলে শ্রমিক কীভাবে চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন। পাসপোর্ট আটকে রাখলে কী ব্যবস্থা হবে।</p><p>নির্যাতনের অভিযোগ করলে শ্রমিক কোথায় আশ্রয় পাবেন। আইনি সহায়তা কে দেবেন। মৃত বা গুরুতর আহত শ্রমিকের পরিবার কীভাবে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাবে।</p><p>এসব বিষয়ে অস্পষ্ট কূটনৈতিক ভাষা নয়, প্রয়োজন পরিমাপযোগ্য প্রতিশ্রুতি।</p><p>দ্বিতীয়ত, নিয়োগ ব্যয় কমানোর বিষয়টি হতে হবে বাংলাদেশের প্রধান কূটনৈতিক দাবি। একজন শ্রমিক বিদেশে গিয়ে প্রথম কয়েক মাস শুধু ঋণ শোধ করতেই ব্যস্ত থাকলে সে স্বাভাবিকভাবেই শোষণের বিরুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/p4y2nfue/mecca55.jpg" /><figcaption>সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।</figcaption></figure><p>তাই বাংলাদেশকে সৌদি নিয়োগকর্তা, বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি স্বচ্ছ, ডিজিটাল ও যাচাইযোগ্য নিয়োগব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শ্রমিক বিদেশে যাওয়ার আগেই তার চাকরি, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন এবং নিয়োগকর্তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া উচিত।</p><p>তৃতীয়ত, চুক্তির ভাষা ও বাস্তব চাকরির মধ্যে ফাঁক বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে একজন শ্রমিক যে বেতন ও কাজের বিবরণে ভিসা পান, সৌদি আরবে গিয়ে সেটিই পাচ্ছেন কি না, এটি যাচাই করার যৌথ ব্যবস্থা থাকা দরকার।</p><p>একটি জাতীয় ডিজিটাল কন্ট্রাক্ট রেজিস্ট্রি এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার আন্তসংযোগ এই সমস্যার বড় অংশ সমাধান করতে পারে।</p><p>চতুর্থত, বাংলাদেশকে সৌদি আরবে নিজের কনস্যুলার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। দূতাবাস ও কনস্যুলেটের শ্রম উইংকে সেবার পরিধি ও মান দুটোই বাড়াতে হবে।</p><p>একজন শ্রমিকের কাছে দূতাবাস যেন কেবল পাসপোর্ট নবায়ন বা কাগজপত্রের জায়গা, বা মৃতদেহ দেশে ফেরানোর দপ্তর না হয়। সেটি হতে হবে তাঁর শেষ আশ্রয়।</p><p>অভিযোগ গ্রহণ, আইনি সহায়তা, নিয়োগকর্তার সঙ্গে মধ্যস্থতা, শ্রম আদালতে সহায়তা, জরুরি আশ্রয় এবং দেশে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ—এসব ক্ষেত্রে দূতাবাসের সক্ষমতা বাড়াতেই হবে।</p><blockquote>বাংলাদেশ সৌদি আরবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখে; সৌদি আরবও বাংলাদেশের বিশাল শ্রমবাজার ও মানবসম্পদ থেকে উপকৃত হয়।</blockquote><p>এখানে একটি ডিজিটাল ব্যবস্থাও করা যায়। সৌদি আরবে থাকা প্রত্যেক বাংলাদেশি শ্রমিকের জন্য একটি নিরাপদ ডিজিটাল প্রোফাইল থাকতে পারে, যেখানে তাঁর চাকরির চুক্তি, নিয়োগকর্তার তথ্য, বেতন এবং জরুরি যোগাযোগ থাকবে।</p><p>কোনো অভিযোগ করলে সেটির অগ্রগতি শ্রমিক নিজেই দেখতে পারবেন। রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্ক তখন আর কেবল কাগজের থাকবে না।</p><p>পঞ্চমত, শ্রমিক সুরক্ষাকে পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বানাতে হবে। বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক কতটা ভালো, তা শুধু কতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলো বা কত বিনিয়োগ এল এসব দিয়ে মাপা উচিত নয়।</p><p>বরং প্রতিবছর কত শ্রমিকের বেতন আটকে ছিল, কত অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে, কতজন প্রতারণার শিকার হয়েছেন, গড় নিয়োগ ব্যয় কত কমেছে—এসব তথ্য প্রকাশ করা উচিত।</p><p>এগুলো কোনো ‘উপকার’ চাওয়া নয়, বরং অংশীদারত্বের স্বাভাবিক দাবি। সবশেষে, মক্কা চুক্তিতে যোগদান যেন সৌদি আরবের প্রতি একমুখী আনুগত্য না হয়।</p><p>বাংলাদেশ সৌদি আরবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখে; সৌদি আরবও বাংলাদেশের বিশাল শ্রমবাজার ও মানবসম্পদ থেকে উপকৃত হয়।</p><p>কিন্তু এই সম্পর্কের সবচেয়ে বড় মানবিক ভিত্তি: বাংলাদেশি শ্রমিক। তাই সৌদি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সত্ত্বেও নীতির আলোচনায় অগোচরে থেকে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষাকে নিরাপত্তা অংশীদারত্বের কেন্দ্রীয় শর্ত হিসেবে উপস্থাপন করাই এই চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সুযোগ।</p><ul><li><p><strong>ড. সেলিম রেজা</strong>, সহযোগী অধ্যাপক ও সমন্বয়ক, সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি</p><p>* মতামত লেখকের নিজস্ব।</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>জ্যামিতির মজা, মজার জ্যামিতি</title><link>https://www.bigganchinta.com/math/axkvqiafnb</link><comments>https://www.bigganchinta.com/math/axkvqiafnb#comments</comments><guid isPermaLink="false">b5466c26-37da-439d-b48e-6cd0b9cd374b</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আবুল বাসার</atom:name><atom:uri>/api/author/1258737</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>গণিত বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="1648" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/90nm8ktj/00.png" width="2944"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-20/90nm8ktj/00.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>math</category><content:encoded><![CDATA[ <a class="cta-anchor" href="https://www.bigganchinta.com/math/ecu8zadlxk" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">আগের পর্ব</span></a><h2><strong>বিপরীতমুখী জ্যামিতি</strong></h2><p>প্রাচীন মিশরের আকাশছোঁয়া পিরামিডগুলোর দিকে তাকালে এখনো অবাক হতে হয়—এত নিখুঁত জ্যামিতিক নকশা সেকালে তারা বানাল কীভাবে?</p><p>শুধু তাই নয়, আরও আছে। সেকালে নীল নদের দু'কূল ছাপিয়ে বন্যা হতো। তাতে কৃষকদের ফসলি জমির সব সীমানা কাদাপানিতে একাকার হয়ে যেত। পানি নেমে যাওয়ার পর কার জমি কতটুকু, তা নিয়ে বাধত গোলমাল। কারণ তখন আর কারও জমি আলাদা করে চেনার জো নেই। এই জমি তাই নতুন করে নিখুঁতভাবে মাপতে হতো।</p><p>পিরামিড বানানো থেকে শুরু করে জমির সীমানা ঠিক করার এই বিশাল মাপজোকের পেছনে ছিল একদল মানুষ। ইতিহাসে তাদের একটা গালভরা নামও আছে—হারপেডোনাপ্টাই (Harpedonaptae)। এর সহজ অর্থ হলো দড়ি বা রশি-টানা দল!</p><p>অনেকেই দাবি করে, মাঠে নিখুঁত সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি কোণ বানানোর জন্য তারা নাকি পিথাগোরাসের উপপাদ্যের সেই বিখ্যাত ৩-৪-৫ অনুপাতটি ব্যবহার করত। (দড়িতে সমান দূরত্বে গিট দিয়ে ৩, ৪ ও ৫ এককের ত্রিভুজ বানালেই তো সমকোণ তৈরি হয়ে যায়!) কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, গাণিতিক যুক্তিতে এই লোকগুলো আসলে তা করত না! ভাবছো, কেন করত না?</p><p>তার কারণ পিথাগোরাসের উপপাদ্যের মূল শর্তটা হলো: একটি ত্রিভুজে যদি আগে থেকেই একটি সমকোণ থাকে, তাহলেই তার তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক নির্দিষ্ট থাকবে। যেমন: a<sup>2</sup> + b<sup>2</sup> = c<sup>2</sup>।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/6vk19klpby">জ্যামিতির কাজ কী</a></aside><blockquote>পিরামিড বানানো থেকে শুরু করে জমির সীমানা ঠিক করার এই বিশাল মাপজোকের পেছনে ছিল একদল মানুষ। ইতিহাসে তাদের একটা গালভরা নামও আছে—হারপেডোনাপ্টাই।</blockquote><p>কিন্তু সেই রশি-টানা মানুষগুলোর দরকার ছিল ঠিক এর উল্টোটা। মাঠে তাদের আগে থেকে কোনো সমকোণ দেওয়া থাকত না, বরং সমকোণটা তাদের তৈরি করতে হতো! অর্থাৎ তাদের যুক্তি হলো: দড়ির বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যদি ৩, ৪ আর ৫ অনুপাতে মাপা যায়, তাহলে সেখানে একটি সমকোণ তৈরি হবে। গণিতের ভাষায়, সেকালের মিশরীয়রা পিথাগোরাসের উপপাদ্যের নয়, বরং এর বিপরীত উপপাদ্যের (Converse) প্রয়োগ করছিল! (চিত্র ৫২)।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/anqsevh5/52.png" /><figcaption>চিত্র ৫২: প্রাচীন মিসর?</figcaption></figure><p>গণিতের ক্ষেত্রে আরও সাধারণভাবে বললে, সবসময় দুটি বিষয়ের মধ্যে সাবধানে পার্থক্য করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: যেমন P সত্য হলে Q সত্য হবে। আবার এর বিপরীত বক্তব্য—Q সত্য হলে P সত্য হবে।</p><p>প্রথম বক্তব্যটা সত্যি হলেই যে দ্বিতীয়টাও (বিপরীত বক্তব্য) সত্যি হবে, এমন কোনো গ্যারান্টি নেই! চলো, একটা পরিচিত উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা পরিষ্কার করি। ধরো, P মানে হলো তুমি ফুচকা খাচ্ছো। আর Q মানে তোমার মন খুব ভালো। এখন, তুমি ফুচকা খেলে তোমার মন খুব ভালো হয়ে যায় (অর্থাৎ P সত্য হলে Q সত্য)। ধরে নিলাম এই কথাটা ১০০ ভাগ সত্যি।</p><p>কিন্তু এর উল্টোটা কি সবসময় সত্যি? ধরা যাক, তোমার মন খুব ভালো। তার মানেই কি তুমি ফুচকা খাচ্ছো (Q সত্য হলে P সত্য)?</p><p>একদমই না! তোমার মন তো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ম্যাচ জিতলেও ভালো হতে পারে, কিংবা কাল স্কুল ছুটি থাকলেও ভালো হতে পারে! তেমনি, প্রাচীন মিশরের সেই রশি-টানা দল আসলে পিথাগোরাসের মূল সূত্র নয়, বরং তার এই উল্টো লজিক বা বিপরীত উপপাদ্য কাজে লাগিয়েই যুগের পর যুগ চমৎকার সব নির্মাণকাজ করে গিয়েছিল।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/tkaeima5nk">জ্যামিতির মজা, মজার জ্যামিতি</a></aside><blockquote>গণিতের ক্ষেত্রে আরও সাধারণভাবে বললে, সবসময় দুটি বিষয়ের মধ্যে সাবধানে পার্থক্য করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: যেমন P সত্য হলে Q সত্য হবে। আবার এর বিপরীত বক্তব্য—Q সত্য হলে P সত্য হবে।</blockquote><h2><strong>পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য</strong></h2><p>তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—প্রাচীন মিশরের সেই রশি-টানা দল কি আসলে সঠিক ছিল? ৩, ৪ আর ৫ দৈর্ঘ্যের বাহু দিয়ে ত্রিভুজ বানালেই কি তার দীর্ঘতম বাহুর বিপরীত কোণটি নিশ্চিতভাবে ৯০ ডিগ্রি বা সমকোণ হবে?</p><p>সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এর প্রমাণ এতই সহজ যে জানলে অবাক হয়ে যাবে! চলো, একটা ছোট্ট ট্রিক ব্যবহার করে প্রমাণটা বুঝে নেওয়া যাক। আমাদের শুধু ৩ ও ৪ দৈর্ঘ্যের দুটি বাহু এবং তাদের মধ্যবর্তী ৯০ ডিগ্রি কোণ নিয়ে দ্বিতীয় আরেকটি ত্রিভুজ এঁকে ফেলতে হবে (চিত্র ৫৩b)। মনে মনে বা কাগজে ৩ ও ৪ দৈর্ঘ্যের দুটি বাহু নাও এবং তাদের মাঝখানের কোণটি চাঁদা দিয়ে মেপে নিখুঁত ৯০ ডিগ্রি বানিয়ে একটি নতুন ত্রিভুজ এঁকে ফেলো। এবার আমাদের সেই মূল পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাজে লাগাই। যেহেতু এই নতুন ত্রিভুজে আমরা আগেই একটি ৯০ ডিগ্রি কোণ ধরে নিয়েছি, তাই এর ৩য় বাহুটির (অতিভুজ) দৈর্ঘ্য হবে:</p><p>√(3<sup>2</sup> + 4<sup>2</sup>) = √(9 + 16) = 25 = 5</p><p>অর্থাৎ, নতুন ত্রিভুজটির বাহু তিনটিও দাঁড়াল যথাক্রমে—৩, ৪ এবং ৫!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/jt1ch4s3/53.png" /><figcaption>চিত্র ৫৩: পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্যের প্রমাণ</figcaption></figure><p>এবার রশি-টানা দলের তৈরি ত্রিভুজ আর আমাদের মাত্র আঁকা ত্রিভুজটি পাশাপাশি রাখো। দুটো ত্রিভুজেরই তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য হুবহু এক (৩, ৪ এবং ৫)। জ্যামিতির বাহু-বাহু-বাহু (SSS) শর্ত অনুযায়ী, দুটি ত্রিভুজের তিনটি বাহু পরস্পর সমান হলে তারা একদম হুবহু এক বা সর্বসম হয়।</p><p>যেহেতু আমাদের বানানো ত্রিভুজটির ৩ ও ৪ দৈর্ঘ্যের বাহুর মাঝের কোণটি আমরা ৯০ ডিগ্রি মেপে এঁকেছিলাম, আর রশি-টানা দলের ত্রিভুজটি এটার হুবহু জুড়ি বা সর্বসম। কাজেই চিত্র ৫৩b-এর ড্যাশ দেওয়া রেখাটির দৈর্ঘ্য হবে ৫। তাই চিত্র ৫৩a-এর ত্রিভুজের দীর্ঘতম (৫ একক) বাহুর বিপরীত কোণটিও অবশ্যই ৯০ ডিগ্রি হতে বাধ্য!</p><p>অর্থাৎ, পিথাগোরাসের মূল উপপাদ্যটি ব্যবহার করেই খুব চালাকির সঙ্গে এর বিপরীত উপপাদ্যটি প্রমাণ করে ফেলা যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/7zzvcnxpj0">পিথাগোরাসের উপপাদ্য</a></aside><blockquote>যেহেতু আমাদের বানানো ত্রিভুজটির ৩ ও ৪ দৈর্ঘ্যের বাহুর মাঝের কোণটি আমরা ৯০ ডিগ্রি মেপে এঁকেছিলাম, আর রশি-টানা দলের ত্রিভুজটি এটার হুবহু জুড়ি বা সর্বসম।</blockquote><h2><strong>ভুল ধরে প্রমাণ</strong></h2><p>কোনো উপপাদ্যের উল্টো বা বিপরীত রূপ প্রমাণ করা কিন্তু সবসময় পিথাগোরাসের মতো এত সহজ হয় না। প্রবাদ আছে, মাঝে মাঝে সোজা আঙুলে ঘি ওঠে না, তখন আঙুল বাঁকা করতে হয়! আর জ্যামিতিতে আঙুল বাঁকানোর এই বুদ্ধিমান কৌশলটির নাম—ভুল ধরে প্রমাণ বা প্রুফ বাই কন্ট্রাডিকশন (Proof by Contradiction)।</p><p>এই কৌশলের মূল মন্ত্রটা বেশ মজার। তুমি যা প্রমাণ করতে চাও, শুরুতেই ধরে নাও সেটা একদম ভুল! এরপর সেই ভুল ধারণাটা নিয়েই সোজা যুক্তির পথে হাঁটতে থাকো। হাঁটতে হাঁটতে এমন এক সময় দেখবে এমন এক মহাউদ্ভট বা অসম্ভব পরিস্থিতিতে এসে হাজির হয়েছ। আর সেটা বাস্তবে ঘটা একেবারেই অসম্ভব! ব্যস, তখন বুঝতে পারবে তোমার শুরুর ধারণাটা আসলে ভুল ছিল। সেই সঙ্গে আরও বুঝতে পারবে, তুমি যা প্রমাণ করতে চেয়েছিলে সেটাই আসলে সত্যি!</p><p>এক্ষেত্রে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ একটি ভালো দৃষ্টান্ত হতে পারে। আমরা আগেই দেখেছি, একটি ত্রিভুজ সমদ্বিবাহু হলে তার ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হয়। কিন্তু এর বিপরীত কথাটির ক্ষেত্রে কী ঘটবে (চিত্র ৫৪ দেখো)? মানে, কোনো ত্রিভুজের দুটি কোণ যদি সমান হয়, তাহলে তার বিপরীত বাহু দুটিও কি সমান হবে?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/e6mk6t74/54.png" /><figcaption>চিত্র ৫৪: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের বিপরীত উপপাদ্য</figcaption></figure><p>এ কথাটিও বাস্তবে সত্যি। ইউক্লিড তাঁর <em>এলিমেন্টস</em> গ্রন্থে ‘ভুল ধরে নেওয়ার পদ্ধতি’র মাধ্যমেই প্রমাণ করেছেন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/yunjjx93g8">জ্যামিতির জন্য ভালোবাসা</a></aside><blockquote>BC বাহুটি দুটি ত্রিভুজের জন্যই এক। কাজেই জ্যামিতির বাহু-কোণ-বাহু শর্ত অনুযায়ী, ছোট ত্রিভুজ DBC আর বড় ত্রিভুজ ACB দুটি একদম হুবহু এক বা সর্বসম!</blockquote><p>ধরো, ABC একটি ত্রিভুজ (চিত্র ৫৫ দেখো)। ধরে নিচ্ছি, এ ত্রিভুজের দুটি কোণ ABC = ACB পরস্পর সমান। আমাদের প্রমাণ এখন করতে হবে যে AB এবং AC বাহু দুটি সমান।</p><p>সেটা প্রমাণ করতে ইউক্লিড নাটকটা সাজালেন এভাবে: তিনি শুরুতেই ধরে নিলেন, AB এবং AC বাহু দুটি সমান নয়! কাজেই যুক্তি অনুযায়ী, বাহু দুটো যদি সমান না-ই হয়, তাহলে নিশ্চয়ই যেকোনো একটা বড় আর অন্যটা ছোট হবে? ধরে নিলাম, AB বাহুটা AC-এর চেয়ে বড়। এবার AB বাহুর ওপর এমন একটি বিন্দু D নেওয়া হলো, যেন DB অংশটুকু ঠিক AC বাহুর সমান হয়। এরপর D আর C যোগ করে দেওয়া হলো।</p><p>এবার ছোট ত্রিভুজ DBC আর মূল ত্রিভুজ ACB-এর দিকে তাকাও। এখানে DB = AC (আমরা মেপে কেটে নিয়েছি)। ত্রিভুজ DBC = ACB (শুরুতেই দেওয়া ছিল)। BC বাহুটি দুটি ত্রিভুজের জন্যই এক (সাধারণ বাহু)। কাজেই জ্যামিতির বাহু-কোণ-বাহু (SAS) শর্ত অনুযায়ী, ছোট ত্রিভুজ DBC আর বড় ত্রিভুজ ACB দুটি একদম হুবহু এক বা সর্বসম!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/jqqp6ngc/55.png" /><figcaption>চিত্র ৫৫: ব্যালোর সম্পাদিত ইউক্লিডের এলিমেন্টস (১৭৩২) সংস্করণে ভুল ধরে নিয়ে প্রমাণ</figcaption></figure><p>কিন্তু একটু থামো! ভালো করে তাকিয়ে দেখো তো—ত্রিভুজ DBC তো আসলে পুরো ACB ত্রিভুজটার ভেতরের একটা ছোট টুকরো মাত্র! একটা কেকের এক টুকরো স্লাইস কি কখনো পুরো কেকটার সমান হতে পারে? ব্যাপারটা তো অসম্ভব! কোনো কিছুর অংশ কখনো পুরোটার সমান হতে পারে না!এই ব্যাপারটাকেই বাংলা প্রবাদে বলা হয়, বারো হাত কাঁকুরের তেরো হাত বিচি।</p><p>এই যে এমন একটা হাস্যকর অসঙ্গতি তৈরি হলো, এর দায় কার? আমাদের ওই শুরুর ভুল অনুমানের! তার মানে, AB আর AC বাহু সমান নয়—আমাদের এই ধারণাটাই ভুল ছিল। সুতরাং, বাহু দুটিকে অবশ্যই পরস্পর সমান হতে হবে, যা বিপরীত উপপাদ্যটি প্রমাণ করে।</p><p>এটা পিথাগোরাসের মতো সোজাসাপ্টা প্রমাণ না হলেও, ভুলকে ভুল প্রমাণ করে সত্যকে বের করে আনার এই বুদ্ধিটা আসলেই বেশ মাথা খাটানো। তাই না?</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/7sn57laid3">জ্যামিতি যখন গোয়েন্দাগিরিতে</a></aside><blockquote>আমাদের ওই শুরুর ভুল অনুমানের! তার মানে, AB আর AC বাহু সমান নয়—আমাদের এই ধারণাটাই ভুল ছিল। সুতরাং, বাহু দুটিকে অবশ্যই পরস্পর সমান হতে হবে, যা বিপরীত উপপাদ্যটি প্রমাণ করে।</blockquote><h2><strong>থ্যালিসের উপপাদ্য</strong></h2><p>কোনো একটি গাণিতিক উপপাদ্যকে দেখলে কখনো কখনো মনে হতে পারে—এ তো চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে! এর জন্য আবার প্রমাণের দরকার কী?</p><p>থ্যালিসের উপপাদ্যও তেমনই একটি উপপাদ্য। একটি বৃত্ত, তার একটি ব্যাস এবং ব্যাসের দুই প্রান্ত থেকে বৃত্তের ওপর আরেকটি বিন্দুকে যোগ করা হলো। ব্যাসের দুই প্রান্তের সঙ্গে ওই বিন্দুটিকে যুক্ত করলে যে কোণ তৈরি হয়, সেটি সব সময়ই সমকোণ। দেখতে এতটাই স্বাভাবিক যে, এর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ জাগার কথাই নয়। কিন্তু গণিতের মজাটাই এখানেই—চোখে যা স্পষ্ট বলে মনে হয়, প্রমাণ করতে গেলে দেখা যায় তার ভেতরে লুকিয়ে আছে আরও বড় প্রশ্ন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/v7ggfs8f/56.png" /><figcaption>চিত্র ৫৬: থ্যালিসের উপপাদ্য</figcaption></figure><p>একবার একটি গণিত সম্মেলনে থ্যালিসের উপপাদ্য (চিত্র ৫৬) নিয়ে দারুণ হইচই আর উত্তেজনা চলছিল। অনুষ্ঠান শেষ হতেই দর্শকসারি থেকে দুজন এসে একেবারে হাত-পা নেড়ে দাবি করে বসলেন—এই উপপাদ্য নিয়ে এত মাতামাতি করার নাকি বিন্দুমাত্র দরকার নেই! কারণ তাঁদের মতে, বিষয়টা পানির মতোই সহজ আর স্পষ্ট!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/ecu8zadlxk">সর্বসমতা ও সদৃশতা</a></aside><blockquote>একটি বৃত্ত, তার একটি ব্যাস এবং ব্যাসের দুই প্রান্ত থেকে বৃত্তের ওপর আরেকটি বিন্দুকে যোগ করা হলো। ব্যাসের দুই প্রান্তের সঙ্গে ওই বিন্দুটিকে যুক্ত করলে যে কোণ তৈরি হয়, তা সব সময়ই সমকোণ।</blockquote><p>তাঁদের সেই ‘সহজ’ যুক্তিটি ছিল এইরকম: সিমেট্রি বা প্রতিসাম্যের কারণে এটা তো পানির মতো পরিষ্কার যে, যেকোনো আয়তক্ষেত্রকে এমন এক মাপের বৃত্তের ভেতর একদম ফিট করে বসিয়ে দেওয়া যায়, যাতে তার চারকোনা চারটা মাথায় বৃত্ত গিয়ে ঠেকে (চিত্র ৫৭a)!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/v91ljpmr/57.png" /><figcaption>চিত্র ৫৭: আসলে কিসের প্রমাণ?</figcaption></figure><p>আবার একই প্রতিসাম্যের কারণে এটাও স্পষ্ট যে, আয়তক্ষেত্রটির দুটি কর্ণ বৃত্তের কেন্দ্রে গিয়ে পরস্পরকে ছেদ করবে (চিত্র ৫৭b)। এখন ছবিটির অর্ধেক অংশ মুছে ফেললে, ডট দেওয়া রেখাটিকে ব্যাস ধরে চিত্র ৫৭c-এর মতো একটি চিত্র পাওয়া যায়। দেখা যাচ্ছে, ওই রেখাটিকে ব্যাস বানিয়ে চমৎকার একটি অর্ধেক বৃত্ত পাওয়া গেল। ব্যস! হাত তুলে তাঁরা বললেন, ‘এই তো হয়ে গেল থ্যালিসের উপপাদ্য!’</p><p>কিন্তু... একটু দাঁড়াও! আসলেও কি তাই?একটু মন দিয়ে খেয়াল করলেই গোলমালটা চোখে পড়বে। আসল থ্যালিসের উপপাদ্যে যাত্রা শুরু হয় ব্যাস দিয়ে, আর গিয়ে পৌঁছানো হয় সমকোণে। অর্থাৎ গাড়ি সোজা পথ ছেড়ে উল্টোপথে হেঁটেছে!</p><p>চল, পুরো ব্যাপারটা পানির মতো পরিষ্কার করতে একটি খেলা খেলা যাক। ধরা যাক, একটা সমতলে A ও B দুটি বিন্দু। এই দুটি বিন্দু দিয়ে একটা দাগ টানা হলো। আর দূরে বসে আছে P নামের আরেকটা বিন্দু। P হলো সমতলের এমন একটি বিন্দু, যা A বা B—কোনোটির সঙ্গেই মিলে যায় না। এবার তিনটি বক্তব্য বিবেচনা করা যাক—</p><p>১. P বিন্দুটি বৃত্তের ওপর অবস্থিত।</p><p>২. AB হলো বৃত্তটির একটি ব্যাস।</p><p>৩. ত্রিভুজ∠APB একটি সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/ite0zju1mf">নদী গণিতের যে নিয়ম মেনে চলে</a></aside><blockquote>একটু মন দিয়ে খেয়াল করলেই গোলমালটা চোখে পড়বে। আসল থ্যালিসের উপপাদ্যে যাত্রা শুরু হয় ব্যাস দিয়ে, আর গিয়ে পৌঁছানো হয় সমকোণে। অর্থাৎ গাড়ি সোজা পথ ছেড়ে উল্টোপথে হেঁটেছে!</blockquote><p>আসল থ্যালিসের উপপাদ্য কিন্তু বলে: যদি ১ আর ২ সত্যি হয়, তবেই ৩ সত্যি হতে বাধ্য! অর্থাৎ, ব্যাসের ওপর দাঁড়িয়ে বৃত্তের মাথায় যেকোনো কোণ বানালে তা সমকোণই হবে। এর মানে হলো, P যদি বৃত্তের ওপর থাকে এবং AB যদি ব্যাস হয়, তাহলে P থেকে A ও B-কে যোগ করলে উৎপন্ন কোণটি অবশ্যই সমকোণ হবে।</p><p>কিন্তু ওই যে সম্মেলনে যাঁরা যুক্তি দিয়েছিলেন? তাঁরা আসলে মূল উপপাদ্য নয়, বরং উপপাদ্যের ‘উল্টো’ বা বিপরীত রূপ নিয়ে কাজ করছিলেন!</p><p>ঘটনা তিনটি থেকে দুটি চমৎকার ‘বিপরীত উপপাদ্য বানিয়ে ফেলা সম্ভব। প্রথম বিপরীত কথা হলো, যদি ১ আর ৩ সত্যি হয়, তাহলে ২ সত্যি হবে। অর্থাৎ, P যদি বৃত্তের ওপর থাকে এবং ∠APB যদি সমকোণ হয়, তাহলে AB কি অবশ্যই ব্যাস হবে? আগের সেই ‘সহজ ও স্পষ্ট’ যুক্তিটি আসলে এই উল্টো বক্তব্যটিরই একটি অনানুষ্ঠানিক প্রমাণ বলে মনে হয়।</p><p>আর দ্বিতীয় বিপরীত কথা হলো, যদি ২ আর ৩ সত্যি হয়, তাহলে ১ সত্যি হবে। অর্থাৎ, AB যদি একটি বৃত্তের ব্যাস হয় এবং ∠APB যদি সমকোণ হয়, তাহলে কি P বিন্দুটি অবশ্যই সেই বৃত্তের পরিধির ওপর থাকবে?</p><p>এই প্রশ্নের উত্তর প্রমাণ করা হবে একটি শক্তিশালী কৌশলের সাহায্যে। কৌশলটির নাম ভুল ধরে নিয়ে প্রমাণ। এ সম্পর্কে আমরা একটু আগেই আলোচনা করেছি। আর এই প্রমাণের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে থ্যালিসের মূল উপপাদ্যকে। এখানেই দেখা যাবে, একটি উপপাদ্যকে শুধু এক দিক থেকে দেখলেই তার আসল শক্তি বোঝা যায় না; কখনো কখনো তার উল্টো দিকটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/njnmkrtcsa">গণিতের নিয়ম ভেঙে আবিষ্কৃত হলো ইনফিনিটির দুটি নতুন রূপ</a></aside><blockquote>P যদি বৃত্তের ওপর থাকে এবং AB যদি ব্যাস হয়, তাহলে P থেকে A ও B-কে যোগ করলে উৎপন্ন কোণটি অবশ্যই সমকোণ হবে।</blockquote><h2><strong>থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্য</strong></h2><p>এবার থ্যালিসের সেই বিখ্যাত বিপরীত উপপাদ্যটি অঙ্কের গোয়েন্দা কৌশল অর্থাৎ ‘ভুল ধরে নিয়ে প্রমাণ’ পদ্ধতির মাধ্যমে খতিয়ে দেখা যাক! প্রথমে AB-কে ব্যাস ধরে একটি সুন্দর বৃত্ত এঁকে নেওয়া যাক। আর বৃত্তের পুরো কাঠামোর বাইরে বা ভেতরে যেকোনো এক জায়গায় P নামের একটি বিন্দু নেওয়া যাক।</p><p>এখানে আমাদের উদ্দেশ্য হলো এটি দেখানো: যদি APB = 90 ডিগ্রি হয়, তাহলে P বিন্দুটি একদম কাঁটায় কাঁটায় বৃত্তের পরিধির ওপরই বসে থাকবে (চিত্র ৫৮)। অর্থাৎ আমাদের প্রমাণ করতে হবে—যদি ∠APB = 90° হয়, তবে P বিন্দুটি অবশ্যই বৃত্তের পরিধির ওপর থাকবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/2v93635l/58.png" /><figcaption>চিত্র ৫৮: থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্যের প্রমাণ</figcaption></figure><p>সেটা প্রমাণ করার জন্য উল্টো একটা গল্প ধরে নেওয়া যাক। ধরা যাক, APB = 90 ডিগ্রি ঠিকই, কিন্তু P বিন্দুটি বৃত্তের পরিধির ওপর নেই! তাহলে P-এর অবস্থান নিয়ে দুটি সম্ভাবনা তৈরি হয়—হয় এটি বৃত্তের পেটের ভেতরে আছে, না হয় বৃত্তের বাইরে আছে।</p><p>প্রথম ক্ষেত্রে ধরে নিচ্ছি P বিন্দুটি বৃত্তের ভেতরে অবস্থিত। এবার ধরা যাক, P বিন্দুটি বৃত্তের ভেতরে লুকিয়ে আছে (চিত্র ৫৮)।</p><p>এখন A থেকে P পর্যন্ত একটা দাগ টেনে সেটিকে সামনের দিকে একটু বাড়িয়ে দেওয়া যাক, যাতে রেখাটি বৃত্তের পরিধিকে একটি নতুন বিন্দু P' (পি-ডট)-এ গিয়ে ছেদ করে। এবার P' থেকে B বিন্দুটি সোজা যোগ করে দেওয়া যাক।</p><p>এবার চোখ মেলে দেখলে দুটি অদ্ভুত বিষয় ধরা পড়বে: প্রথমত শুরুতেই ধরে নেওয়া শর্ত অনুযায়ী, APB = 90 ডিগ্রি। অর্থাৎ PB রেখাটি AP' রেখাংশের ওপর লম্ব।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/0ipczaihku">মুখস্থ না করেই নামতা মনে রাখার কৌশল</a></aside><blockquote>ধরা যাক, APB = 90 ডিগ্রি ঠিকই, কিন্তু P বিন্দুটি বৃত্তের পরিধির ওপর নেই! তাহলে P-এর অবস্থান নিয়ে দুটি সম্ভাবনা তৈরি হয়—হয় এটি বৃত্তের পেটের ভেতরে আছে, না হয় বৃত্তের বাইরে আছে।</blockquote><p>অন্যদিকে, আসল থ্যালিসের উপপাদ্য তো বলেই দিয়েছে যে—বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত যেকোনো বিন্দুর সাথে ব্যাস যুক্ত করলে তা সমকোণ তৈরি করবে। যেহেতু P' বিন্দুটি বৃত্তের পরিধির ওপর আছে, তাই AP'B = 90 ডিগ্রি হতেই হবে! এর অর্থ, P'B রেখাটিও একই AP' রেখার ওপর লম্ব!</p><p>এখন মজার গোলমালটা এখানেই! একই রেখা AP'-এর ওপর দুটি ভিন্ন রেখা (PB এবং P'B) কীভাবে লম্ব হতে পারে? জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী, একটি রেখার ওপর লম্ব তৈরি করলে রেখা দুটিকে অবশ্যই একে অপরের সমান্তরাল হতে হয়।</p><p>কিন্তু ছবিতে তো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে PB আর P'B রেখা দুটি B বিন্দুতে গিয়ে একে অপরের সাথে মিলে গেছে! সমান্তরাল দুটি রেখা আবার একটি বিন্দুতে মিলিবে কীভাবে? এটি তো একেবারে অসম্ভব ও চরম অসঙ্গতিপূর্ণ এক ঘটনা!</p><p>সুতরাং, P বিন্দুটি বৃত্তের ভেতরে অবস্থিত—এই ধারণাটি যে সম্পূর্ণ ভুল, তা পানির মতো স্পষ্ট হয়ে গেল।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/qe750wtxxh">বিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ছক্কা তৈরিতে গণিতবিদদের লেখেছে ১৫ বছর</a></aside><blockquote>জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী, একটি রেখার ওপর লম্ব তৈরি করলে রেখা দুটিকে অবশ্যই একে অপরের সমান্তরাল হতে হয়।</blockquote><p>দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ধরে নিচ্ছি P বিন্দুটি বৃত্তের বাইরে অবস্থিত। তাহলে ঠিক একই রকম যুক্তি আর সামান্য ভিন্ন একটি ছবি ব্যবহার করে খুব সহজেই দেখানো সম্ভব যে, P বিন্দুটি বৃত্তের পেটের বাইরেও কোনোভাবে অবস্থান করতে পারে না। কারণ তখন দেখানো যায়, P যদি বৃত্তের বাইরে থাকে, তাহলেও একটি অসঙ্গতি তৈরি হবে।</p><p>অর্থাৎ P বৃত্তের ভেতরে থাকতে পারে না, আবার বাইরেও থাকতে পারে না। তাহলে আর বাকি থাকে কী?</p><p>একটিই সম্ভাবনা। P-কে অবশ্যই বৃত্তের পরিধির ওপর থাকতে হবে।</p><p>এইভাবেই প্রমাণিত হলো থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্য: কোনো বৃত্তের ব্যাসের দুই প্রান্তকে বৃত্তের বাইরের একটি বিন্দুর সঙ্গে যুক্ত করে যদি সমকোণ পাওয়া যায়, তবে সেই বিন্দুটি অবশ্যই বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত।</p><p>এই প্রমাণের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো—কোনো নতুন জটিল সূত্রের প্রয়োজন হয়নি। শুধু একটি অনুমানকে ভুল ধরে নিয়ে, সেই অনুমান থেকে তৈরি হওয়া অসম্ভব পরিস্থিতিটিকে কাজে লাগিয়েই সত্যটিকে বের করে আনা হয়েছে। এই কৌশলটা বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয় জ্যামিতিক নির্মাণ, জরিপবিদ্যা ও অবস্থান নির্ণয়ের কাজে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/bowptgime1">উনিশ শতকে গণিতের যত পুরস্কার</a></aside><blockquote>থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্য: কোনো বৃত্তের ব্যাসের দুই প্রান্তকে বৃত্তের বাইরের একটি বিন্দুর সঙ্গে যুক্ত করে যদি সমকোণ পাওয়া যায়, তবে সেই বিন্দুটি অবশ্যই বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত।</blockquote><h2><strong>বিকল্প একটি উপায়</strong></h2><p>আমরা মাত্র যে পদ্ধতিটি শিখলাম তা বেশ শক্তিশালী কৌশল। শুধু জ্যামিতি নয়, গণিতের নানা শাখায়ই এর ব্যবহার দেখা যায়। সৌভাগ্যবশত, থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্যের জন্য এর চেয়েও সহজ একটি সরাসরি বিকল্প পথ রয়েছে। ছবিতে কোনো প্যাঁচ না রেখে খুব সহজে এটি প্রমাণ করা যায়।</p><p>চিত্র ৫৯-এর দিকে তাকানো যাক। ধরে নেওয়া হয়েছে, ∠APB = 90°। এবার O বিন্দু দিয়ে BP-এর সমান্তরাল একটি সরলরেখা আঁকা হলো, যা AP-কে D বিন্দুতে ছেদ করল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/a45azpqm/59.png" /><figcaption>চিত্র ৫৯: একটি বিকল্প পদ্ধতি</figcaption></figure><p>এখন তৈরি হলো দুটি ত্রিভুজ—△AOD এবং △ABP। এদের মধ্যে দুটি কোণ সমান। একটি কোণ O এবং B-তে, কারণ OD ও BP পরস্পর সমান্তরাল। আরেকটি কোণ A—দুটি ত্রিভুজেই একই। তাই কোণ-কোণ (AA) শর্তে ত্রিভুজ দুটি সদৃশ। কিন্তু এখানে আরও একটি মজার তথ্য আছে। AB হলো বৃত্তের ব্যাস, আর O হলো বৃত্তের কেন্দ্র। তাই, AB = 2 × AO। অর্থাৎ, সদৃশ ত্রিভুজ দুটির অনুপাত ২।</p><p>ফলে AP-এর মাঝখানে ঠিক যে বিন্দুটি থাকার কথা, D-কে সেখানেই পাওয়া যায়। অর্থাৎ, D হলো AP-এর মধ্যবিন্দু।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/hml2v6t9x5">বোতল, বাক্স ও মজার গণিত</a></aside><blockquote>একটি কোণ O এবং B-তে, কারণ OD ও BP পরস্পর সমান্তরাল। আরেকটি কোণ A—দুটি ত্রিভুজেই একই। তাই কোণ-কোণ শর্তে ত্রিভুজ দুটি সদৃশ। কিন্তু এখানে আরও একটি মজার তথ্য আছে।</blockquote><p>এবার D থেকে O-তে নয়, P থেকে O-তে একটি রেখা টানা যাক।</p><p>তখন △ODA এবং △ODP—এই দুটি ত্রিভুজের দিকে তাকানো যাক। এদের একটি বাহু সমান, একটি কোণ সমান এবং আরেকটি বাহুও সমান। তাই বাহু-কোণ-বাহু (SAS) শর্তে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম।</p><p>ফলে তাদের সমান অনুরূপ বাহু থেকে পাওয়া যায়, OP = OA।</p><p>কিন্তু OA হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ। আর OP-ও যদি সেই একই দৈর্ঘ্যের হয়, তাহলে O কেন্দ্র থেকে P-এর দূরত্ব বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান।</p><p>অর্থাৎ, P বিন্দুটি বৃত্তের পরিধির ওপরই রয়েছে।</p><p>এইভাবে ‘ভুল ধরে নিয়ে প্রমাণ’-এর সাহায্য না নিয়েও থ্যালিসের বিপরীত উপপাদ্য প্রমাণ করা গেল। একই সত্যে পৌঁছানো গেল দুটি একেবারে ভিন্ন পথে—একটিতে অসঙ্গতিকে হাতিয়ার করে, অন্যটিতে ত্রিভুজের সদৃশতা ও সর্বসমতাকে কাজে লাগিয়ে।</p><p>আর এখানেই জ্যামিতির সৌন্দর্য।</p><h4>ডেভিড অ্যাচিসনের <em>দ্য ওয়ান্ডার বুক অব জিওমেন্ট্রি: আ ম্যাথমেটিক্যাল স্টোরি</em> অবলম্বনে</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/math/shblgt9pdb">ফার্মার শেষ উপপাদ্য: সহজ সমস্যা, কঠিন সমাধান</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>চোর সন্দেহে আটকের পর নির্যাতন শুরু, ক্যানটিনে খাওয়ানোর পর আবার নির্যাতন করা হয় তোফাজ্জলকে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/a09tr36nxb</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/a09tr36nxb#comments</comments><guid isPermaLink="false">5d708731-28f3-4db4-9577-5b8ef2c8cb52</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 04:53:45 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T04:53:45.497Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ইমরান হোসেন</atom:name><atom:uri>/api/author/2539795</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ তোফাজ্জল হত্যার দুই বছর পেরিয়ে গেছে, এখনো বিচার শুরু হয়নি। এর মধ্যে প্রায় ৯০ ঘণ্টার ৬৪ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ২৮ জনকে আসামি করেছে পিবিআই।]]></description><media:keywords>আদালত,বিশেষ সংবাদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,হত্যা</media:keywords><media:content height="616" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/1hh84bod/tofazzal.jpg" width="1093"><media:title type="html"><![CDATA[ তোফাজ্জল হোসেন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/1hh84bod/tofazzal.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চোর সন্দেহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে মারধর করা হয়েছিল। চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষির পাশাপাশি তাঁকে স্টাম্প দিয়ে পেটানো এবং কাঁচি দিয়ে চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>তোফাজ্জলের মৃত্যুর আগে তাঁকে কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল, তার বিস্তারিত উঠে এসেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে। ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনার প্রায় ৯০ ঘণ্টার ৬৪টি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে সংস্থাটি। এর সঙ্গে আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ২৮ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দিয়েছেন সংস্থাটির তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম।</p><blockquote>ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির বিচার এখনো শুরু হয়নি। ২৮ আসামির মধ্যে দুজন কারাগারে, নয়জন জামিনে আছেন। বাকি ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তাঁরা এখনো গ্রেপ্তার হননি।</blockquote><p>অভিযোগপত্রে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত তোফাজ্জলকে মারধর ও জিজ্ঞাসাবাদের বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ রয়েছে।</p><p>ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির বিচার এখনো শুরু হয়নি। ২৮ আসামির মধ্যে দুজন কারাগারে, নয়জন জামিনে আছেন। বাকি ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তাঁরা এখনো গ্রেপ্তার হননি।</p><p>ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, সর্বশেষ অভিযোগপত্র দেওয়ার পর কয়েকজন আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। পরে আদালত পলাতক ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।</p><aside><cite>শাহ আলম, উপপরিদর্শক, প্রসিকিউশন বিভাগ, ডিএমপি</cite>সর্বশেষ অভিযোগপত্র দেওয়ার পর কয়েকজন আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। পরে আদালত পলাতক ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।</aside><h3>৬৪ ফুটেজে যে রাতের চিত্র

</h3><p>পিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঘটনার তদন্তে সংস্থাটি প্রায় ৯০ ঘণ্টার ৬৪টি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে।</p><p>অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন ফজলুল হক মুসলিম হলের মাঠে একটি টুর্নামেন্ট চলছিল। দুপুরে সেখান থেকে ছয়টি মুঠোফোন চুরি হয়। সন্ধ্যায় খেলা চলার সময় তোফাজ্জলকে দেখে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে ওই চুরির সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করেন।</p><p>অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে তোফাজ্জলকে ধরে মারধর শুরু করা হয়। দুই মিনিট পর তাঁকে হলের মূল ভবনের গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিভিন্ন সময়ে ৭০ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন।</p><p>রাত ৮টা ১১ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারেন, দুপুরে চুরি হওয়া ছয়টি মুঠোফোনের চোরের সঙ্গে তোফাজ্জলের চেহারার মিল নেই। এরপরও তাঁর কাছে চুরি হওয়া ফোন উদ্ধারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে।</p><p>পিবিআই বলেছে, তোফাজ্জল ফোনগুলো চুরি করেছেন বলে স্বীকার করেছিলেন এবং সেগুলো কোথায়, কার কাছে পাওয়া যেতে পারে, সে বিষয়েও কয়েকটি মুঠোফোন নম্বর দেন। শিক্ষার্থীরা ওই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করেও ফোন উদ্ধার করতে পারেননি।</p><p>একপর্যায়ে তোফাজ্জল ক্ষুধার কথা জানালে রাত ৮টা ৩৬ মিনিটের দিকে তাঁকে হলের ক্যানটিনে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সেখানে প্রায় ১৪ মিনিট তাঁকে খাবার খাওয়ানো হয় এবং ওই সময় তাঁকে মারধর করা হয়নি।</p><aside><cite>আসমা তানিয়া, নিহত তোফাজ্জলের ফুফাতো বোন</cite>দুই বছর হয়ে গেল, এখনো কেন বিচার শুরু হচ্ছে না, জানি না। এভাবে চললে কীভাবে বিচার শেষ হবে? আমরা দ্রুত ন্যায়বিচার চাই।</aside><h3>খাবারের পর আবার গেস্টরুমে

</h3><p>অভিযোগপত্রে পিবিআই জানিয়েছে, খাওয়া শেষে রাত ৮টা ৫২ মিনিটের দিকে ১২ থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী তোফাজ্জলকে ক্যানটিন থেকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্টরুমে নিয়ে যান। এরপর বিভিন্ন সময়ে সেখানে আরও ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী প্রবেশ করেন ও বের হন।</p><p>তোফাজ্জলকে মারধরের খবর পেয়ে হলের শিক্ষক প্রতিনিধিরা সেখানে যান। তাঁকে প্রক্টরিয়াল টিমের গাড়িতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। তবে প্রথম দফায় সেই চেষ্টা সফল হয়নি। রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে প্রক্টরিয়াল টিমের গাড়ি সেখান থেকে চলে যায়।</p><p>অভিযোগপত্র অনুযায়ী, এরপরও তোফাজ্জলকে মারধর করা হয়। রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১০টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত কয়েকজন তাঁকে মারধর করেন।</p><p>রাত ১০টা ৩৩ মিনিটের দিকে প্রক্টরিয়াল টিমের গাড়ি আবারও হলে আসে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যস্থতায় রাত ১০টা ৫২ মিনিটে তোফাজ্জলকে গাড়িতে তোলা হয়। আনুমানিক রাত ১০টা ৫৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে তাঁকে প্রথমে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। পরে থানার পরামর্শে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h3>জবানবন্দিতে মারধরের বর্ণনা

</h3><p>মামলার প্রাথমিক তদন্ত করেছিলেন শাহবাগ থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার ছয় আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দির কথাও উল্লেখ করা হয়।</p><p>আসামি ওয়াজিবুল তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, তোফাজ্জলকে প্রথমে চোর সন্দেহে চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়। পরে তাঁকে হলের গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। ওয়াজিবুল নিজেও তাঁকে চড়-থাপ্পড় দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।</p><p>জবানবন্দিতে ওয়াজিবুল আরও বলেন, পরে তোফাজ্জলকে ক্যানটিনে খাওয়ানো হয়। সেখান থেকে তাঁকে হলের এক্সটেনশন ভবনের গেস্টরুমে নেওয়া হয়। সেখানে সামাদ ও সুমন তাঁকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি দেন। মোস্তাকিন, ইয়াম, শিশির, রাব্বি, ফিরোজ, পারভেজ, মেহেদী, মোবাচ্ছিরসহ কয়েকজন স্টাম্প দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। সুমন কাঁচি দিয়ে তাঁর মাথার চুল কেটে দেন বলেও তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।</p><aside><cite>হান্নানুল ইসলাম, তদন্ত কর্মকর্তা, পিবিআই</cite>আগের তদন্ত কর্মকর্তা ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার ছয় আসামির জবানবন্দিতে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের হাইকোর্টের নির্দেশনার কারণে বাদ দেওয়া সম্ভব হয়নি।</aside><p>আরেক আসামি মোত্তাকিন জবানবন্দিতে বলেন, ক্যানটিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে এক্সটেনশন ভবনের গেস্টরুমে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন তাঁকে কিল-ঘুষি ও স্টাম্প দিয়ে মারধর করেন। নিজের মুঠোফোন চুরি যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনিও তোফাজ্জলের পিঠে স্টাম্প দিয়ে আঘাত করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানান।</p><p>আসামি আহসান উল্লাহ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেন, রাত ১০টার পর হলে ফিরে তিনি গেস্টরুমের সামনে জটলা দেখতে পান। সেখানে ‘মোবাইল চোর’ আটক হয়েছে জানতে পেরে ভেতরে যান। পরে পাশে থাকা একটি স্টাম্প দিয়ে তোফাজ্জলের হাঁটুতে আঘাত করেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন।</p><p>আসামি জালাল ও সাজ্জাদ তাঁদের জবানবন্দিতে তোফাজ্জলের হাতের ওপর স্টাম্প রেখে দুই প্রান্তে পা দিয়ে চাপ দিয়ে রাখার কথা বলেন।</p><p>সুমন মিয়া নামের আরেক আসামি জবানবন্দিতে বলেন, গেস্টরুমে তোফাজ্জলকে চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে দেখেছেন তিনি। পরে তাঁকে ক্যানটিনে খাওয়ানো হয়। এরপর এক্সটেনশন ভবনের গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়ার পর কয়েকজন স্টাম্প দিয়ে তাঁকে মারধর করেন।</p><h3>আগের তদন্তে আসামি ২১, অভিযোগপত্রে ২৮

</h3><p>তোফাজ্জল নিহত হওয়ার পর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন। এর ১০ দিন পর নিহতের ফুফাতো বোন আসমা তানিয়াও ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালতের আদেশে ওই মামলাটি মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।</p><p>প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। তিনি বদলি হলে তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই আসাদুজ্জামান। তদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বাদীপক্ষ ওই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি দিলে আদালত মামলাটি পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পান পিবিআইয়ের কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম।</p><p>পিবিআইয়ের তদন্তে আগের অভিযোগপত্রে থাকা ব্যক্তিদের পাশাপাশি আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত ২৮ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/axe0neosys">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তোফাজ্জল হত্যায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল</a></aside><p>অভিযোগপত্রে নাম থাকা ওই ২৮ আসামি হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩), ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ (২৪), ওয়াজিবুল আলম (২২), মো. ফিরোজ কবির (২৩), মো. আবদুস সামাদ (২৪), মো. সাকিব রায়হান (২২), মো. ইয়াছিন আলী গাইন (২১), মো. ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২৪), শাহরিয়ার কবির শোভন (২৪), মো. মেহেদী হাসান ইমরান (২৫), মো. রাতুল হাসান (২০), মো. সুলতান মিয়া (২৪), মো. নাসির উদ্দীন (২৩), মো. মোবাশ্বের বিল্লাহ (২৫), শিশির আহমেদ (২২), মো. মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি (২৩), আবদুল্লাহিল কাফি (২১), শেখ রমজান আলী রকি (২৫), মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), মো. আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও মো. আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।</p><p>তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আগের তদন্ত কর্মকর্তা ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার ছয় আসামির জবানবন্দিতে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের হাইকোর্টের নির্দেশনার কারণে বাদ দেওয়া সম্ভব হয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/n1hh52oinj">তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: ২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, ২২ জনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা</a></aside><p>এই তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রায় সাত মাস বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত শেষ করা হয়। ২৮ জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দেওয়া হয়েছে।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৮ আসামির মধ্যে দুজন কারাগারে আছেন। নয়জন জামিনে রয়েছেন। বাকি ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও তাঁরা এখনো গ্রেপ্তার হননি।</p><p>আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তোফাজ্জল হত্যার ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটি এখনো বিচার শুরুর পর্যায়ে পৌঁছায়নি।</p><p><strong>দ্রুত বিচারের দাবি</strong></p><p>ঘটনার দুই বছর পেরোনোর পরও বিচার শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত তোফাজ্জলের পরিবার। তোফাজ্জলের ফুফাতো বোন আসমা তানিয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই বছর হয়ে গেল, এখনো কেন বিচার শুরু হচ্ছে না, জানি না। এভাবে চললে কীভাবে বিচার শেষ হবে? আমরা দ্রুত ন্যায়বিচার চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/459kimf8a3">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ছয় শিক্ষার্থী আটক</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মঙ্গলকাব্যের পদ্মাপুরাণ: বাংলাদেশের লোকধারা</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/treatise/jlypab8ju5</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/treatise/jlypab8ju5#comments</comments><guid isPermaLink="false">8f0de7ac-69b9-49c8-ba2e-33c155993bd3</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 04:04:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T04:04:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মঙ্গলকাব্যরীতির বেশ কিছু গ্রন্থের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে দেবলোক ও মর্ত্যলোক মিলে রচিত আখ্যান ‘পদ্মাপুরাণ’। কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি নিয়ে রচিত আখ্যান ‘চণ্ডীমঙ্গল’।]]></description><media:keywords>গানবাজনা,অন্য আলো,পদ্মাপুরাণ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/wkuqgshe/WhatsApp-Image-2026-09-19-at-10.30.26-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ‘টাঙ্গাইলের ভাসান গান : বেহুলা চরিত্রে অর্জুনার বারেক ও লখিন্দর সুজন ছবি অবলম্বনে প্রথম আলো গ্রাফিকস]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/wkuqgshe/WhatsApp-Image-2026-09-19-at-10.30.26-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>treatise</category><content:encoded><![CDATA[ <p>লৌকিক দেব-দেবীর মাহাত্ম্য কীর্তন করে রচিত আখ্যানমূলক পদ্য মঙ্গলকাব্য। এই কাব্যধারার প্রধান আখ্যান ও কাহিনিগুলোর বৈশিষ্ট্য স্বমহিমায় উজ্জ্বল। যার প্রধান বৈশিষ্ট৵ তার কাব্যরীতি ও বিষয়বস্তু। মঙ্গলকাব্যরীতির বেশ কিছু গ্রন্থের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে দেবলোক ও মর্ত্যলোক মিলে রচিত আখ্যান ‘পদ্মাপুরাণ’। কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি বা দেবী চণ্ডীর মহিমা নিয়ে রচিত আখ্যান ‘চণ্ডীমঙ্গল’। রাঢ় অঞ্চলের লৌকিক দেবতা গৌড়ের রাজা ও মহাপ্রতাপশালী লাউসেনের কাহিনি বা ‘ধর্মঠাকুর’-এর মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত আখ্যান ‘ধর্মমঙ্গল’ কাব্য অন্যতম।</p><p>এ ছাড়া মঙ্গলকাব্য রীতিতে দেবদেবী উপজীব্য করে রচিত কিছু ছোট আখ্যান রয়েছে। অন্নদামঙ্গল কাব্য, শিবায়ন বা শিবমঙ্গল, কালিকামঙ্গল, সারদামঙ্গল, শীতলামঙ্গল, কমলামঙ্গল ইত্যাদি। মনে করা হয় ১৩০০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে রচিত এসব আখ্যান মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ।</p><p>এই মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম আখ্যান পদ্মাপুরাণ। রচয়িতার জবানিতে ‘মা মনসা অধিষ্ঠান হয়ে তাঁকে দিয়ে এই গ্রন্থ রচনা করিয়েছেন।’কাজেই মনসার ভক্তরা মনে করেন, এই কাব্য শ্রবণে মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধারা, এমনকি যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয়। মঙ্গলের আধার যে কাব্যগ্রন্থ, তা–ই মঙ্গলকাব্য।</p><p>মঙ্গলকাব্য ধারার মনসামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ গ্রামবাংলার প্রাচীনতম ঐতিহ্য। সর্পদেবীকে নিয়ে দেবলোক বাদ দিয়ে বাকি কাহিনিজুড়ে আছে লৌকিক বেহুলা-লখিন্দর কাহিনি। মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে পদ্মাপুরাণের রচয়িতা কানাহরি দত্ত, বিজয়গুপ্ত, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ ও নারায়ণ দেবের নাম করা যায়। পদ্মাপুরাণ সাধারণত মনসাবন্দনা হিসেবেই পাঠ করা হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পঠিত বিজয় গুপ্তের পদ্মাপুরাণ। কারণ, বরিশালের বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মাপুরাণের ভাষা অন্যগুলোর চেয়ে অনেকটাই সরল।</p><p>তবে ভারতের করিমপুর থেকে প্রকাশিত ‘বাইশ কবি পদ্মপুরাণ’নামের কাব্যগ্রন্থ এ সময়ে দেশের সর্বত্রই পঠিত হয়। এই বইতে পদ্মাপুরাণকে পদ্মপুরাণ বলা হয়েছে। এখানে একটি বিষয় আলোচ্য হলে &nbsp;বোঝার সহজ হবে। হিন্দু ধর্মের ১৮ টি পুরাণের কথা আছে যার একটি পদ্মপুরাণ। এই বাইশ কবি পদ্মপারাণের নাম &nbsp;সেই অতিপুরাণ থেকে নেয়া বলেই মনে হয়। কাহিনীতেও তার কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়। &nbsp;<br> মনসাভক্তরা মধ্য শ্রাবণ থেকে পদ্মাপুরাণ কাব্য পাঠ শুরু করেন। ধারাবাহিক পাঠ চলে, শ্রাবণ মাসের শেষ দিন পাঠ শেষ করে মনসাকে প্রণতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে সারা বছরের মনসাবন্দনার ইতি টানেন ভক্তকুল।</p><p>দীর্ঘদিনের লৌকিক গায়কি রীতি ও আঞ্চলিক পরিবেশনা–পদ্ধতির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পদ্মাপুরাণের আঞ্চলিক ও লৌকিক প্রচলনে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। সেই সঙ্গে স্থানভেদে পদ্মাপুরাণ, বেহুলার গান, বেহুলা-লখিন্দরের গান, ঝাপান গান, ভাসান গান, সাতঘাটের মাগন, বেহুলার নাচারি, শাওনের ঢালা, বিষহরির গান, পাল্টা মনসা, রয়ানি গান—এমন নানা নামে ডাকা হয়।</p><p>সামাজিক–অর্থনৈতিক অবস্থা ও পরিবেশগত কারণে, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের প্রভাবে বিভিন্ন অঞ্চলের পদ্মাপুরাণের পরিবেশনা রীতি, শাব্দিক ও গায়কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। দেশের সর্বদক্ষিণের জনপদ বরিশাল থেকে শুরু করে উত্তরের জনপদে পা রাখলে সারা দেশের একটি চিত্র পাওয়া যেতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/c98s6mmn/বরিশালের-রয়ানি-গান-2.JPG.jpeg" /><figcaption>বরিশালের রয়ানি গান : ইন্দ্রজিত কীর্তনিয়ার দল</figcaption></figure><p><strong>রয়ানি গান</strong></p><p>বরিশালের আঞ্চলিক ধারায় পদ্মাপুরাণের বিশেষ গায়কি ঢংকে বলা হয় রয়ানি গান। পদ্মাপুরাণের রচয়িতা বিজয় গুপ্তের জন্মস্থান আগৈলঝাড়ার গৈলায় আছে কবির প্রতিষ্ঠিত মনসা মন্দির। এই মন্দিরে রয়ানি গানের আসর প্রায় সারা বছরই হয়ে থাকে। তবে শ্রাবণ মাসে আয়োজন করেই পদ্মাপুরাণ পাঠ করা হয়। বিশেষজ্ঞমতে বরিশাল, পটুয়াখালী, ফরিদপুর, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর নিয়ে রয়ানি সংগীতাঞ্চল। কবি বিজয় গুপ্ত নিজেই বলেছেন, এই পদ্মাপুরাণ স্বয়ং মনসা দেবী তাঁর ওপর ভর করে লিখেছেন। কাজেই গানে মনসাভক্তি ও প্রণতি প্রধান।</p><p>স্বভাবে পাঁচালী গীত নানা দোষময়।<br>না লবে গীতের দোষ পণ্ডিত যিবা হয়।<br>বিজয় গুপ্ত বলে গাইন হও সাবহিত।<br>পয়ার এড়িয়া বল ল্যাচারীর গীত।<br>বিজয় গুপ্ত রচে পুথি মনসার বর।<br>স্বপ্নাধ্যায় পালা গাই এখানে সোসার।</p><p>অগৈলঝাড়ায় দেশসেরা রয়ানি শিল্পীরা পরিবেশন করেন রয়ানি গান।</p><p>তবে মাঠপর্যায়ে ক্ষেত্রসমীক্ষায় এটা বলা যায়, এ সময়ের রয়ানি গানের সেরা শিল্পী ঝালকাঠির ইন্দ্রজিৎ কীর্তনিয়া। এক রাতে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম চেঁচরি গ্রামে কীর্তনিয়ার নিজ বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়েছিলাম। বাড়ির আঙিনার এক পাশে আছে মনসা মন্দির, আঙিনাজুড়ে শামিয়ানা টানানো হয়েছে। মাটিতে বিছানো হয়েছে ধানের খড়। মধ্যখানে পাটি বিছিয়ে তার মাঝখানে জায়গা রেখে গোল হয়ে বসেছেন বাদ্যযন্ত্রীরা। মাঝখানে কীর্তনীয়া ও তিনজন সহযোগীকে নিয়ে বাবরি চুলের বাহারি নাচে পরিবেশন করছেন গান। ইন্দ্রজিৎ কীর্তনিয়ার স্ত্রী, সঙ্গে বাদকসহ দুজন সহযোগী শিল্পীকে নিয়ে তাঁদের দল।</p><p>চলছে বেহুলার বর্ণনা—<br>চুল নাই তোর, নাই অভাগী<br>কুলের লেইগ্গা কান্দে,<br>কচুপাতা ডিপা দিয়া<br>ডাঙ্গর খোঁপা বান্দে।</p><p>এক অপূর্ব গায়কি ঢং। মাঝখানে দাঁড়িয়ে নির্দেশনা ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন কীর্তনিয়া। তাঁর সহযোগীরা চারদিকে বসা দর্শককে উদ্দেশ করে ঘুরে ঘুরে গান করছেন। আগত সব দর্শক–শ্রোতাকে সমান গুরুত্ব দিতে ঘুরে ঘুরে আঙুল নির্দেশ করে গাইছেন।</p><p>দুজন নবজীবন প্রার্থী রোগীর সুস্থতা কামনায় মানতের অংশ হিসেবে পরিবেশিত হচ্ছে এই গান।</p><p>‘রজনী প্রভাতু কালে কাকে ডাকে ঠাই ঠাই।<br>নল খাঁক কাটিয়া তলে বুনিল খাড়ৈ,<br>মন দিয়া সাত ভাই রহিল হাতাহাত।<br>আঙ্গল অস্তু বা দল এক এক গাছ বেতি।<br>আথেবাথে খাড়ৈ বুনাইয়া করিল সাখা।<br>---<br>খাড়ৈ হাতে করিয়া গঙ্গার জলে যাহা ।।<br>তোর সতীপনা দেখুক লোক সকল।<br>গাঙ্গ হইতে তোল তুমি এক খাড়ৈ জল।<br>স্বরূপে যদি তুও সতী হেন জানি।<br>পান্ডৈ হক্টতে না পড়িবে এক ফোটা পানি ।।’</p><p>অনন্য এক কাব্যের আবেশরাত্রি শেষ হয়ে আসে। মানতের কর্মসাধনে ব্রতী হন কীর্তনিয়া। কীর্তনিয়া নিজেই পণ্ডিত, নিজেই ঠাকুর, নিজেই মনসা আর মানতকারীর মিডিয়া হিসেবে কাজ করেন।</p><p>গান শেষে ভান্ডারিয়ার মালাকারদের তৈরি শোলার বেহুলা-লখাইর প্রতীকী বিয়ে সম্পাদনের মধ্য দিয়ে ভোর হওয়ার আগেই শেষ হয় রয়ানি গান।</p><p>‘ধনে জনে চৌদ্দ নাও জোড়ানী আছিল।<br>সকল বেহুলার স্থানে বুঝাইয়া দিল।<br>একে একে উঠিল।<br>চান্দর ডিঙ্গা চৌদ্দ গোটা।<br>বিদায় লইয়া চলে পবনের বেষ্ট।<br>দেখিয়া কৌতুক অতি বেহুলাসুন্দরী।’</p><p>ইন্দ্রজিৎ কীর্তনিয়া এভাবেই সম্পন্ন করেন কবিবর বিজয় গুপ্ত প্রণীত পণ্ডিত কালীকিশোর বিদ্যাবিনোদ সম্পাদিত কলকাতার বেণীমাধব শীল’স লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত ‘পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল’ কাব্য বা রয়ানি গান পাঠ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/rcdbu1d8/সুন্দরবনের-মুন্ডা-সম্প্রদায়ের-ঝাপান-গান-2.jpg.jpeg" /><figcaption>সুন্দরবনের মুন্ডা সম্প্রদায়ের ঝাপান গান</figcaption></figure><p><strong>ঝাপান গান</strong></p><p>সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালীর বটুক মুন্ডার বাড়িতে বসেছে গানের আসর। বাড়ির আঙিনা শ্রাবণের বৃষ্টিতে কাদায় মাখামাখি। ক্যামেরা–বান্ধব একটি ভালো জায়গা দেখে বসে পড়লাম। যারাই আসছে ‘সোল্লাগী’ দিচ্ছে, মানে সালাম জানাচ্ছে।</p><p>বর্ষীয়ান নীলকান্ত মুন্ডা পাহান বা পুরোহিত, তাঁর সঙ্গে আছেন কয়েকজন সহযোগী। এর মধ্যে মনোরঞ্জন মুন্ডা, আরুবালা মুন্ডা বেশ সরব।</p><p>গানের শুরুতে তাঁর গুরু হরিপদ মণ্ডলের নাম স্মরণ করেন। আরও স্মরণ করেন তাঁর দুই সমসাময়িক অধির মুন্ডা ও অখিল মুন্ডার কথা। শ্রাবণ মাসের শেষ দিন বা সংক্রান্তিতে দিনমান উপবাস সম্পন্ন করে রাতব্যাপী নানা আয়োজন–গানে মনসাতুষ্টির জন্য নানা কর্মযজ্ঞ সম্পাদন করেন, যাকে বলা হয় ‘জাগরণ’। ঝাপানের জাগরণ। তাঁরা এই আয়োজনকে ঝাপান বলেন। কেতাবি পদ্মাপুরাণ নয়, পদ্মাপুরাণ কাব্য তাঁদের নিজস্ব ভাষা এবং বাংলা ভাষা মিলিয়ে পাঠ করেন। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে—তাঁদের হাতে লেখা পদ্মাপুরাণে মহাভারত, মনসামঙ্গলের অন্যান্য পুরাণ এবং পদ্মাপুরাণ বই থেকে কিছু সংকলন করে নিজেরাই লিখেছেন লৌকিক ও তাঁদের জন্য গায়কিবান্ধব ঝাপান গান।</p><p>চলছে পুজার থান তৈরির ‘তৈয়ারি’। চারটি ছোট সাইজের কলাগাছ এনে উঠানের মাঝখানে পুঁতে চারকোণাকৃতির থান করা হয়েছে। বৃষ্টিভেজা কাদামাটিতে নলখাগড়া ব্যবহার করা হয়েছে। কলাগাছে ঘেরা ঘরের ভেতর মাটির সাতটি ডিবি করা হয়েছে, যাকে সাত বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলেন পাহান। থানের বাইরে আছেন মহাদেবের থান। সেই থানের চারপাশে চালের গুঁড়া ও সিঁদুর দিয়ে আলপনা আঁকলেন পাহান নিজে।</p><p>গঙ্গাজল ছিটিয়ে থানে বসেন পাহান নীলকান্ত মুন্ডা। প্রাথমিক কার্যাদি শেষে ঘট মাথায় নিয়ে থানের চারপাশে সাত চক্কর দিয়ে ঘট পূর্ণ করতে ঢোল, কাঁসর, মন্দিরা সহযোগে গান গাইতে গাইতে চলেন চুনো নদের ঘাটে।</p><p>‘মাকে আনতে যাবো চুনোই নদীর তীরে<br>মাকে আনতে যাবো।<br>মাথে দেবো লাল গামছা<br>কর্ণে জবা ফুল<br>মাকে আনতে যাবো।’</p><p>চুনো নদের গলা পানিতে নেমে ঘট পূর্ণ করা শেষ হলে ঘট বহনকারী উঠে আসেন। ঘট পূর্ণ করে আবার বাড়ির পথ ধরেন। পেছনে সেই ভক্তকুল কাঁসর-মন্দিরা ঢোলক নিয়ে গাইতে থাকেন। গাইতে গাইতে ঘট নিয়ে ফের উঠানে এসে থানের চারপাশে সাত পাক ঘুরতে হয়। বাঁশের তৈরি কুলাতে ধান-দূর্বা-প্রদীপ জ্বালিয়ে ঘট বরণ করে নেন বাড়ির বউ-ঝিরা। তারপর ঘট ফের থানে স্থাপন করা হয়। থানের পেছনে মনসার ছবি ও থানের পাশে ধূপকাঠি বা আগরবাতি জ্বালানো হয়। এরপর মনসাবন্দনা শুরু করেন পাহান—</p><p>‘পান সুপারি দিয়ে ডাকি মা মনসা<br>এসো হে।<br>ধান-দূর্বা দিয়ে ডাকি মা মনসা<br>এসো হে।<br>কলা দিয়ে দিয়ে ডাকি মা মনসা<br>এসো হে।<br>দই-মিষ্টি দিয়ে ডাকি মা মনসা<br>এসো হে।’</p><p>বাড়ি বাড়ি থেকে ফল ও পান-সুপারিসহ তুষ্টির নানা জিনিস নিয়ে ভক্তরা আসেন, &nbsp;সাত পাক দিয়ে সেই প্রসাদ অর্পণ করেন থানে। মাঝে মধে৵ চলে চা–পানের বিরতি। নিজেদের রচিত ঝাপান কাহিনি পড়ার সঙ্গে মাঝে মধে৵ কিছু গান পরিবেশন করা হচ্ছে। এর মধ্যে মুন্ডাপাড়ার সংগীতের অন্যতম মুখ, সারা আসর যিনি জমিয়ে রাখেন, তিনি মনোরঞ্জন মুন্ডা, সঙ্গে তাঁর বোন আরুবালা মুন্ডা। এখন গাইছেন মুন্ডা পাড়ার প্রচলিত গান—</p><p>‘আশা না ফুরায়, বেলা ডুবে যায়<br>ছাড়ে না মোরে যায় তো ছাড়ি<br>একদিন আমায় যেতে হবে<br>ছেড়ে বাড়ি।<br>কেন এলাম এই ভবেতে,<br>হিসাব দিবো কি যে শেষে<br>আমি সেই ভাবনা ভাবছি বসে।’<br>অন্য একজন ধরলেন আরেক গান—<br>‘শালুক লতায় ঘর বেঁধেছি<br>করে হিকির ফিকির<br>কালো মেঘ সাদায় উড়ে যায়।<br>চিংড়ি মাছের খড়খড়ি<br>তাতে দিয়ো ফুলের বড়ি<br>ভালো করে রেঁধেছিলো<br>বেহুলা সুন্দরী।’<br>আরেকজন ধরেন গান—<br>‘ও প্রাণো কোকিলা কইয়া যাও<br>কোন দেশে যাও,<br>আমার পরান কান্দে।<br>কালো কোকিলা ও কালো কোকিলা<br>তুমি আর না ডাকিও<br>ভাঙ্গিলো সোনারো সংসার<br>তোমরা সুখে থাকো কালো কোকিলা।’<br>এবার পাহান তাঁর ঝাপান গানে ফিরে যান—<br>‘বাসর বান্দিলাম বান্দিলাম<br>সাঁতালি পর্বতে বাসর বান্দিলাম।<br>সেই ঘরেতে বসত করবে<br>বেহুলা-লখিন্দর বাসর, বান্দিলাম।’<br>মাঝে বেহুলার কাহিনি বলেন। কাহিনির প্রয়োজনে এর পরের গান,<br>‘তোমার কলমে ছিল না কালি,<br>দারুন বিধিরে—’<br>আবার গান—<br>‘উচা পারি, বেহুলা গো রাঢ়ি<br>চিরল চিরল দাঁতি,<br>আজি বাসর রাতে খাইলো গো পতি<br>না পোহালো রাতি গো<br>বলো হরি হরি।’<br>সাপের সুনাম করাই এই গানের প্রধান স্তুতি—<br>‘সাপুরা-বাপুরা, মন তোর করলাম গুহে,<br>সখিগণ সব ডাকেন বসে<br>আজ জানেন কিন্তু সখিরে গোবিন্দ হরে রাম রাম।’<br>অনেকটা গান হয়ে গেছে। এবার আসর বন্দীর গান শুরু করেন পাহান—<br>‘বন্দিলাম আর সিদ্ধিদাতা<br>শ্রী গুরুর চরণ বন্দী<br>দেবী আয় আমার আসরে<br>শত ধুলায় পরে কাতর হয়ে<br>ডাকি যে তোমায়<br>দেবী আয় দেবী আয় মা।’</p><p>আসর জমে গেছে মনসার গান রেখে নিজেদের প্রিয় সব গান গেয়ে চলেন ভক্তকুল।আবার শুরু হয় পাহানের পালা গাওয়া—</p><p>‘বেহুলা কান্দেনগো কান্দে বেহুলা<br>তরি বেয়ে করে।<br>নাই নাই রে কেউ<br>আরে সাঁতালি পর্বতে করি এক লৌহ ঘর<br>মোর কন্যা রাখে সেই ঘরেরো ভেতর।<br>চান্দ বেনে বেটা তোর কে, কি সাপে দংশিলো গো।<br>চুনি নগরে বাস বড় সওদাগর<br>গন্ধবেনে জাতি সেই সু-ভাগো সুন্দর<br>বেহুলা কাঁদেন গো, কান্দে বেহুলা<br>তরি বেয়ে করে।’</p><p>আবার মনের হরষে, মুন্ডা পাড়ায় প্রচলিত &nbsp;গান ধরেন মনোরঞ্জন ও আরুবালা—</p><p>‘ও ছেড়ি<br>পাশা খেলব না, খেলব না<br>বারণ করে দে।<br>এবার পাশা খেললে পরে গৌরী এনে দে।’<br>এমন করে গানের কলি থেকে কলি গেয়ে চলেন—<br>‘ফুলের আসন, ফুলের বসন,<br>ফুলের সিংহাসন।<br>ফুলের ওপর বসে আছেন<br>মামুন সাহারা গো<br>ও মা দেবিগণ।<br>রাধার ফুলের সিংহাসনে,<br>ফুলের কলি, ফুলের বালি, ফুলের সিংহাসন।’<br>মা মনসাকে নিয়ে গান—<br>‘মায়ের ঠুমকি চলনা,<br>দুই পায়ে দুই সোনার নূপুর;<br>বেশি বাজে না গো।<br>চলিতে চলিতে মায়ে<br>অতি ধীরে ধীরে,<br>কালিয়াতে কাজল চোখে দেখে মিটি মিটি।<br>কালো হয়েছে,<br>তবে স্বাদ সত্য মিঠা আছে<br>তাইতে যমুনার জল।<br>ভাসিতে ভাসিতে গেল<br>কদমতলীর ঘাটে।<br>কালো হয়েছে,<br>তবে স্বাদ সত্য মিঠা আছে<br>তাইতে যমুনার জল।<br>ভাসিতে ভাসিতে গেল<br>কালীদহ ঘাটে।’<br>একটা গান খুব লম্বা করছিলেন—<br>‘ফুলো ও ও ও - জ্বলো-মলো করে গো বাবা,<br>কাল বৈরবি ই ই - চাঁদ বদনে।<br>ফুলো ও ও ও -জ্বলো-মলো করে গো বাবা,<br>কাল বৈরবি ই ই শীল বদনে।’</p><p>গানের তালে উষার আলো জানান দেয়, ভোর হলো। ক্যামেরা, ট্রাইপড গুছিয়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে উঠান থেকে বেরিয়ে এলাম। উজ্জ্বল দাদার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে শ্যামনগরের পথে পা বাড়ালাম। খুলনার পথে ছেড়ে যাওয়া প্রথম বাস ধরতে হবে।</p><p>ভিন্ন ধরনের পরিবেশনাকেও ঝাপান বলা হয়। ঝিনাইদহ ও যশোরে&nbsp; ঝাপান হলো একটি বিশেষ জায়গায় অঞ্চলের যত সাপের ওঝা একত্র হয়ে গান করা । তাঁরা তাঁদের পোষা সাপের নানা কীর্তি দেখান গানে গানে। এর জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/2xzi7hsg/সাতক্ষীরার-পদ্মাদেবির-গান-1.jpg.jpeg" /><figcaption>সাতক্ষীরার পদ্মাদেবির গান : নগরঘাটার কালীমাসীর দল</figcaption></figure><p><strong>পদ্মা দেবীর গান</strong></p><p>সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ির মোড়। তার কাছেই চায়না-বাংলা মোড়, অপজিটেই আছে গোলপুকুর বা গুড়পুকুর। পুকুরের পাড়েই আছে প্রাচীন বটবৃক্ষ, পলাশপোলের এই বটের তলেই প্রতিবছর ভাদ্রসংক্রান্তিতে বসে মনসা প্রণতির অনুষ্ঠান, সেই সাথে বসে মেলা।</p><p>মিথ বা লোক0মুখে প্রচলিত, সাতক্ষীরার জমিদার প্রাণনাথ রায় চৌধুরীর আমলে পলাশপোলের বটগাছতলায় একজনকে সাপে কাটে। মৃতপ্রায় অবস্থায় আগত মানুষেরা বটতলায় মনসাপূজা করেন। পুজার ফলে সেই যুবক সুস্থ হয়ে ওঠেন। সে–ই থেকে শুরু,&nbsp; প্রতিবছর বটতলে মনসাপূজা হয়। আর এই পূজাকে কেন্দ্র করে বসে গুড়পুকুরের মেলা। তবে পুরোনো সেই বটগাছ আর বেঁচে নেই। এখন যে বটগাছটি আছে, সেটি পরে রোপণ করা হয়েছে।</p><p>মনসাতলার মুখে পূজার ভোগের সারি সারি দোকান বসেছে। মাটির পেয়ালায় কলা, বেলপাতা ও জবা ফুল। সেই সঙ্গে ছোট বোতলে দুধ বিক্রি করছেন তাঁরা। আগত মানুষেরা প্রবেশমুখ থেকে ভোগ নিয়ে মনসাতলায় প্রবেশ করছেন।</p><p>পূজার সমান্তরাল চলে মনসাবন্দনা পদ্মাদেবীর গান। ভাদ্রসংক্রান্তিতে মনসাপূজাকে কেন্দ্র করে মনসাতলায় বসে এই পদ্মাপুরাণের পরিবেশনা।</p><p>খেজুরপাতায় জবা ফুল গুঁজে এক পাশে রাখা হয়। কলার খোল দিয়ে গড়া হয় ডিঙা, পুতুল দিয়ে বেহুলা-লখিন্দর। প্লাস্টিকের সাপ, সেই সঙ্গে কলার খোলে সিঁদুর দিয়ে আঁকা মনসার ছবি। এই হলো সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী নারীদের গানের দল পদ্মাদেবীর গানের পূজার মণ্ডপ। মূলত নারীদের দলটি বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি এবং পদ্মাপুরাণ–নির্ভর একটি ধারাবাহিক লোকগান পরিবেশন করেন। পদ্মাদেবীর গানের জন্য নগরঘাটার কালী মাসির দল বেশ নামকরা। গানের সূচনা পর্বে সাধারণত দেবী মনসা ও বিভিন্ন দেব-দেবীকে স্মরণ করে বন্দনা গান গাওয়া হয়—</p><p>‘ও মা মাগো আকাল বন্দন পাতাল বন্দন,<br>বন্দনা করলাম আমি গুরুদেবের চরণে,<br>জয় জয় মা মনসা জয় বিষহরি গো,<br>বন্দনা করি মাগো মা মনসার চরণে,<br>জয় জয় মা মনসা’</p><p>বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনিতে বেহুলা ভেলাতে করে মৃত স্বামীকে নিয়ে জলপথে দেবলোকে যাওয়ার সময়, গোদা পাটানির ঠিকানায় যে গোদাঘাটের কথা আছে। সেই জয়গা সাতক্ষীরায় বলে অনেকে মনে করেন।</p><p>‘পাঁচো পাকো, ছয়ো পাকো<br>সাতো পাকো দেয় গো।<br>খোপে দিলো সই গো বকুল ফুলের মালা।<br>এত দিন ছিলা ফুলো বকুলেরো ডালে,<br>আইজ কেন আইছ ফুলো পূজারো বন্দনে নারে’,<br>সাতক্ষীরায় সাপের প্রকোপ বেশি হওয়ায় দেবী মনসার ভজনও হয় বেশি—<br>‘সাধের বাগান,<br>ও বাগান ভাঙ্গে গেল এবার।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/pnaky4ag/টাঙ্গাইলের-ভাসান-গানের-পরিবেশনা-3.JPG.jpeg" /><figcaption>‘টাঙ্গাইলের ভাসান গান : বেহুলা চরিত্রে অর্জুনার বারেক ও লখিন্দর সুজন</figcaption></figure><p><strong>ভাসান গান</strong></p><p>অর্জুনার খোকা মণ্ডলের বাড়ির আঙিনায় চলছে ডালা ও চরিত্র সাজানোর কাজ। প্রতিবারের মতো এবারও কুটিবয়রার ক্রাশ বাউন্ডেলে বারেক সাজবে বেহুলা আর কুটিবয়রা হাটের আখ বিক্রেতা সেলিম সাজবেন লখিন্দর। কৃষক জামাল পাচালিকার, শাহ আলম মনসা, আরফান মিয়া, আতিকুল ইসলাম, বাদশা মিয়া, আবদুল আলিম, জহুরুল, শ্যামল কান্তি, আমান আলী, হালিম মিয়া, জাহাঙ্গীর, দুলু ও দলপতি সুরুজ মিয়া করবেন অন্যান্য চরিত্র। সবাই খেটে খাওয়া মানুষ। বিটিভির স্যুর্টিং দলের সঙ্গে সহযোগিতা বা সমন্বয় করছেন স্থানীয় কলেজ শিক্ষক আবদুস সাত্তার খান।</p><p>শিল্পীদের সাজসজ্জা সম্পন্ন করার, তাঁরা দেন দলপতি। শুরু করেন বন্দনা—</p><p>‘ওকি আইস পদ্মামাদব আ-আ-আয়-সরে।<br>আসিলে বসিতে গো দিব এই আসরের মাঝে।<br>আইস পদ্মামাদব আ-আ-আয়-সরে।<br>প্রথমে বন্দনা করি আল্লাহ নিরাঞ্জনরে,<br>আইস পদ্মমাদব আ-আ-আয়-সরে।<br>তার পরে রাসুলের চরণে,<br>আইস পদ্মমাদব আ-আ-আয়-সরে।<br>তার পরে বন্দনা করি আলীর চরণে<br>আইস পদ্মমাদব আ-আ-আয়-সরে।’</p><p>বন্দনা শেষে সামনে বসে গানের দলের অধিকর্তা খোকা মণ্ডলের গুরু বা ওস্তাদ আইয়ুব আলী সরকার। বন্দনার মধ্য দিয়ে পা ছুঁয়ে তাঁর কাছ থেকে বিদায় নেওয়া হয়। ওস্তাদের সম্মতি নিয়ে কৈলাশতুষ্টি গান করেন তাঁরা।</p><p>বাঁশের ডালায় দুধ, কলা ও চিড়া নিয়ে মাগনে পা বাড়ান দলপতি। এই দলটি মুসলিম প্রধান হওয়ায় এরা বলছেন, পদ্মামাধবের জন্য এ ঢালা।</p><p>বেহুলারূপী বারেকের হাতে ঢালা। এবার হাটে টাকা তোলার পালা।</p><p>‘ভিক্ষা দেন গো নগরবাসীরা<br>সতী বেহুলা করে গো ভিক্ষা পতিরো লাগিয়া রে।<br>ভিক্ষা দেন গো নগরবাসীরা।’</p><p>ভিক্ষাশেষে হাটসংলগ্ন যমুনার ঘাটে ভেড়ানো নৌকায় আরোহণ করেন ঢালা নিয়ে খোকা মণ্ডল। নৌকার গলুইয়ে রাখেন দুধ, কলা, জবা ফুল, ধান, দূর্বা সাজানো ঢালা। কুটিবয়রা হাটের ঘাট থেকে নৌকায় উঠে বসেন। দলের মানুষ তো উঠবেনই, তবে সাধারণ দর্শকের জন্য একটা সম্মানী নির্ধারিত। সেই সম্মানী দিয়ে তবেই তাঁরা নৌকায় উঠতে পারবেন।</p><p>নৌকা ভাসে নদীতে। কুটিবয়রা ঘাটের তীরে ব্যাপক লোকসমাগম। যমুনার জল ভেঙে এগিয়ে চলে নৌকা, নৌকার এগিয়ে চলার ছন্দে পাটাতনে কুশীলবদের পরিবেশনা কাহিনি চমৎকৃত করে শ্রোতাদের।</p><p>‘আগে দাসী পিছে দাসী মধ্যখানে সতীলো<br>ওকি আ-ই-ও ও ওই যে—<br>যায় গো বেইলা যমুনা পারে।<br>আটু জলে নাইমা গো বেইলা-আটু মলিন করে।<br>ওকি আ-ই-ও ও ওই যে—<br>যায়রে বেইলা যমুনা পারে।’<br>------<br>বেহুলার শরীর কিংবা সৌন্দর্য, যা–ই বলি, তাতে কিন্তু লখিন্দর কুপোকাত। মাথা নষ্ট লখিন্দর মাছ ধরার বড়শির ছিপ দিয়ে আঘাত করে বেহুলার কলসি ভেঙে ফেলে। বেহুলা হা-হুতাশ করা শুরু করে, বাড়ি গিয়ে সে কী জবাব দেবে। কলসি কিনে দেওয়ার কথা দিয়ে লখিন্দর বেহুলাকে আমন্ত্রণ করে নতুনবাজারে আসার। বেহুলা সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে—</p><p>‘ওকি ও-ও-ই-ও ওই যে যায় গো বেইলা নতুন বাজারে<br>নতুন বাজারে যাইয়া, বেইলা পুতুল খরি-ই-ই-দ করে-এ এ<br>ঐ যে চান্দের বেটা সুযোগ করে আতে ধরে।<br>আয়না-ও দোকানে ও-ও-ই-ও ওই ও<br>আয়না খরিদ করে...<br>ও-ও-ই-ও ওই যে যায় গো বেইলা<br>ন–তু-ন-বাজারে।’<br>-----<br>যমুনার কিছু পথ পাড়ি দিয়ে নৌকা পৌঁছে যায় গুলবেচা। ঘাটে নৌকা থামিয়ে এক গেরস্তের উঠানে চলে পাঁচালির পরবর্তী অংশ। আশপাশের বাড়ির মানুষ এক উঠানে এসে গোল হয়ে জড়ো হয়েছেন। উঠানের মাঝখানে দল নেমে ভাসানের পরবর্তী অংশ—<br>‘আমায় কে দিল পিরিতির বায়না—<br>লেচুর-বাগানে।<br>বন্ধুর বাড়ি, আমার বাড়ি,<br>মধ্যখানে ধারা।’<br>------<br>চলছে বেহুলা-লখিন্দরের প্রণয় পর্ব। যমুনার পাড় ঘেঁষে যখন নৌকা চলে, গ্রামের বউ-ঝিরা ডাকতে থাকেন, ‘এই আমোগো বাড়িতে আইসো’ সব ঘাটে তো ভেড়া সম্ভব না। তবে বউ-ঝিদের অনুরোধ রক্ষায় সাতঘাটের বেশিই পরিবেশনা হয়। এভাবে ঘাটে ঘাটে উঠানে এগিয়ে চলে বেহুলার পাঁচালি। প্রণয় পর্ব শেষে অবশেষে বিয়ে হয় বেহুলা-লখিন্দরের। মনসার অভিশাপ লখিন্দরের মাথায় থাকায় চাঁদ সওদাগর ছেলের জন্য লোহার বাসরঘর তৈরি করেন; কিন্তু কথায় আছে—কপালের লিখন না যায় খণ্ডন।</p><p>‘পৈথানেতে যায়<br>আচম্বিতে কামড় মারলারে<br>লখিন্দরের পায়...<br>রে বিধির কী হইল গো...’</p><p>নদীতে নৌকাতে চলে পাঁচালি। যমুনার কিনারায় সারি সারি মানুষ দাঁড়িয়ে, দেখছে বেহুলা আর সখীর নাচন। কাহিনি এগিয়ে চলে—</p><p>‘সাত ভাইয়ের বইন বেইলা গো<br>নয় মামার ভাগিনি<br>কাল রাত্রে হইয়া রাঢ়ি গো<br>দেশে দেশে ঘুরি<br>রে বিধির কী হইল গো...’</p><p>জগৎপুর, নলিন পার হয়ে পিংনা পৌঁছতে পৌঁছতে দুপুর গড়িয়ে গেছে। অবশেষে পরিবেশনা শেষ হয়ে আসে। রাধানগর, জয়নাল ঘাট হয়ে তারাকান্দি গিয়ে শেষ হয় সাত ঘাট।</p><p>মনসা দেবী চাঁদ সওদাগরের সব ফিরিয়ে দিল, বেঁচে উঠল লখিন্দর, ভেসে উঠল চৌদ্দ ডিঙা। বেহুলার সাত জনমের ধন সাপে কাটা লখিন্দরকে নিয়ে চম্পকনগরে ফেরা। বেহুলার বাপ আর শ্বশুর মাংতা মানে বেদে সম্প্রদায়ের। ছেলেদের প্রাণ ফিরে পাওয়ার অনিচ্ছায় বেহুলার অনুরোধে একটি ফুল ছুড়ে দেয় মনসার কোলে। মা মনসা খুশি হন, এর মধ্য দিয়েই জগতে দেবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন মনসা।</p><p>খোকা মণ্ডল স্বস্তিতে চিড়া মুখে দিলেন। ভাঙলেন সারা দিনের উপোস। শাওনের ঢালা, সাতঘাটের মাগন, বেহুলার নাচারি, নাচারি গান—এসব নামে ডাকা হয় টাঙ্গাইল-জামালপুরে ভাসান গানকে। বাদ্যযন্ত্রীযোগে বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনিনাট্য পরিবেশনা শিল্পকলায় প্রকাশ করেন কুশীলবরা। টাঙ্গাইলে এই গানে অংশ নেওয়া নারী চরিত্রে রূপদানসহ সবাই স্থানীয় কৃষক-মজুর এবং সবাই পুরুষ। দিন শেষে দুধ-কলার ঢালা যমুনায় ভাসিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ভাসান গান বা সাতঘাটের মাগন বা বেহুলার নাচারি বা শাওনের ঢালা।</p><p>টাঙ্গাইলে অনেকগুলো দল আছে, এর মধ্যে কুটিবয়রার খোকা মণ্ডলের দলের যমুনায় ভেসে ও সাতগ্রামে নেমে পরিবেশনা, এটা ছিল ২০১৫ সালে। ২০১৭ সালে বাসাইলের রহিম মিয়ার দলের মানতের অংশ হিসেবে বাড়ির আঙিনায় রাতব্যাপী পরিবেশনা—রহিম ভাদাইম্যা সেই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় ‘রসের মেলা’য় পরিবেশন করে। ২০১৮ সালে আগতেরিল্লার মেম্বারের দলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় ‘রসের মেলা’য় পরিবেশনা। ২০২০ সালে অর্জুনার কুটিবয়রার বারেকের দলের পরিবেশনা বিটিভিতে প্রচারের জন্য বড় দল নিয়ে দৃশ্যধারণ করেছিলাম, যার কথক ছিলেন জামাল মিয়া। ২০২২ সালে পাঁচঠিকরির হাটখোলার ফটিক শেখের দলের নদীতে ঘুরে পরিবেশনা ও পরে দলটি ঢাকায় এসেছিল ‘রসের মেলা’য়। ২০২৬ সালে নৌকায় পরিবেশন করে নলিনের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি রফিকুলের দল। এই সবার গানের বিষয়বস্তু এক, পরিবেশনার রীতিও একই বর্ণনার সময় কাহিনির আগপিছ হয় কখনো কখনো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/lopu8y58/চা-বাাগনের-বিষহরির-গান-4.JPG.jpeg" /><figcaption>চা বাাগনের বিষহরির গান</figcaption></figure><p><strong>বিষহরির গান</strong></p><p>সোনারুপা চা–বাগানে প্রতিবছরের মতো বসেছে বিষহরিপূজা। বিকেলের সোনারুপা চা–বাগান অনন্য এক রূপনগর। পাহাড়ের কোনাকানি মাড়িয়ে একটি পাহাড়ের মাথায় বাড়ি। বাড়ির সামনেই মন্দির। মানুষ আসছে-যাচ্ছে। সবার হাতেই পূজার অর্ঘ্য। ফুল, নারকেল, আখ ও ফলফলারি। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা ঘট পূর্ণ করতে দল বেঁধে কবিরাজ গাঙের পথে রওনা করেন। সঙ্গে ঢাক, ঢোল, কাঁসর ও মন্দিরা হাতে গায়কের দল।</p><p>‘মাকে আনতে চলো গো নিড়াই নদীর পাড়ে<br>মাথে দিব লাল জবা ফুল,<br>চরণে দেবো ফুল, মাকে আনতে চলো।’</p><p>দোলছড়ি নদের পাড়ে সেই বনেদি ব্রিটিশ আমলের ইট-সিমেন্টে বাঁধানো ঘাট। শ্রীনিবাস কবিরাজ ও তাঁর সহকারীরা সেই ঘাটে পূজা দিয়ে ঘট পূর্ণ করে, ফিরে চললেন বাড়ির পানে।</p><p>শুরু হয় পূজা। মন্ত্রপাঠ সম্পন্ন করে ভক্তকুলের আনা সবজি ও ফল বলি দেওয়ার পালা। এই অর্পনের মধ্য দিয়ে ভক্তদের মনোবসনা পূর্ণ হয় বলে জানালেন আগতরা। যাঁরা পেয়েছেন—তাঁরা বলেন, তাঁরা সুস্থ হয়ে গেছেন।</p><p>সন্ধ্যা, রাত দ্বিপ্রহর ও নিশি—এই তিন প্রহরে চলে পূজা। এর মধে৵ই চলে পদ্মাপুরাণ পাঠ।</p><p>‘কাণ্ড এ বিপুলা মা তুই<br>রহিল এই আকুতি,<br>কৃপা করো দয়াময়ী<br>হৃদিপদ্মাবতী।’</p><p>সারা রাত চলে আরাধনা। নানান বাড়ি থেকে চা–বাগানের শ্রমিকেরা নারকেলসহ নানা উপটৌকন নিয়ে হাজির হতে থাকেন।</p><p>‘প্রণমহি ধনপতি, পিতা হংসমতি<br>বিপদে স্মরণে আসো হৃদে।<br>গো মাগো জগৎ জননী।’</p><p>একজন পাঠ করছিলেন, অন্যজন নিলেন হাতে পদ্মপুরাণ তিনি পড়া শুরু করলেন—</p><p>‘দুই সখী একো প্রাণো,<br>নাইও অন্যথা।<br>গৃহছিদ্র পদ্মাবতী চান্দ্র সর্বদা<br>জয় সখী পদ্মাবতী।<br>দেবতার কপটতা,<br>মনুষ্য নাহি জানে,<br>চাঁদেরো কারণে, চাঁদেরো ঝলকে।<br>জলে জন্ম দেবে বলে কলসি বাঁধিয়া,<br>সুখে নিদ্রা যায় যেন ঘরে অগ্নি দিয়া,<br>অমৃত বলিয়া যেন বিষ পানো করে।<br>দিনে দিনে উহু বারুই উদরে<br>অমৃত বলিয়া যেন।’</p><p>এই আয়োজনে লৌকিকতা আর আধ্যাত্মিকতা মিলেমিশে একাকার। গহিন জঙ্গলে বৃক্ষরাজি আর নির্জনতা এই অঞ্চলে সাপের উপদ্রব অতি। যে কারণে বসতিজনেরা শঙ্কিত মনে থাকেন। যার কারনে এই মনসাপূজার রঙিন আয়োজন।</p><p>‘আকবরি-সকবরি বিদায়ের বেশ<br>মা আমার চলে যাবে আপনারই দেশ।’</p><p>সারা রাত শেষে ভোরে ঘট নদীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজা শেষ হয়। প্রতিমা বিসর্জন হয় আরও পরে।</p><p>চা–বাগানের বাইরে জুড়ির চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বড়লেখায় মনসাপূজা হয় বাড়ি বাড়ি পদ্মপুরাণ পাঠের মাধ্যমে। এখানে পালপাড়ায় অনিমা রানী পাল একটি বিশেষ ধরনের ঘট তৈরি করেন। জ্যামিতিক ডিজেইনের এই ঘট সারাদেশের ঘট থেকে স্বতন্ত্র।</p><p>বড়লেখা ভারতের করিমগঞ্জ সীমান্তে হওয়ার কারণে মনে হয়, তাঁরা করিমগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘বাইশ কবি পদ্মপুরাণ’ পাঠ করেন। মৃদঙ্গ ও মন্দিরা হাতে বেঞ্চে বসে নামকীর্তন ঢঙে তারা পদ্মপুরাণ পাঠ করেন—</p><p>‘যুগে যুগে ভজ হৃদ<br>স্বরি আমার মাগো<br>হায়রে হৃদয়ে বেদন রে আমার<br>বলি মা তোর স্মরণ।’</p><p>সংগীতপ্রেমী ও সংগীত ও বাদ্যযন্ত্র গবেষক জাকির হোসেন বগুড়ার একটি মনসার পুথি খুঁজে পেয়েছেন, যার নাম বিষহরির পুথি। যেখানে গায়কি ঢং একেবারেই পুথির মতো।</p><p>‘ও কি ও রে, আয় হায়<br>কহিল তরাসে আয় হায়<br>পণ্ডিত হইয়া নাথ, বাক্য বলো অসম্পাত<br>ও কি ও রে, আয় হায়<br>কহে কন্যা মনে রো তরাসে<br>আরে হায় হায়<br>কহে বালি মনেরো তরাসে।<br>আরে হায়<br>আর রাত্রে বিয়ান নিজ পতি<br>কি লাভি মা মোহরতি<br>না হইলো বৎসর ছয়ো মাস।<br>ওকি ও রে<br>সকলে করিবে উপহাস।’</p><p>কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত পদ্মাপুরাণ এটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/5nq5jpc0/চট্টগ্রামের-পাল্টা-মনসার-আসর-1.JPG.jpeg" /><figcaption>চট্টগ্রামের জেলে পাড়ার পাল্টা মনসা : মেঘনাথ সরকার ও শ্যামল শীল</figcaption></figure><p><strong>পাল্টা মনসা</strong></p><p>কর্ণফুলীপাড়ের দাসপাড়ার প্রবেশমুখে দাঁড়ালেই মনসাপূজার কর্মযজ্ঞ অনেকটাই ঠাহর করা যায়। কয়েক জায়গায় বসে মাটির তৈরি বাহারি রং করা মনসার ঘট বিক্রি হচ্ছে। একমুখী, দ্বিমুখী এবং পঞ্চমুখী ঘট নিয়ে সুমিতা দাসী বসেছেন বিক্রি করতে।</p><p>পাড়ার ক্লাবঘরের সামনে প্যান্ডেল করা হয়েছে। সৌরভ কুমার শীল ব্যস্ত সময় পার করছেন, আয়োজন সম্পন্ন করতে। শ্রাবণ মাসের শেষ দিন আজ পদ্মপুরাণ গান হবে। দুপুরের পর থেকেই এবাড়ি–ওবাড়ি থেকে একেক করে এসে জড়ো হচ্ছেন সবাই।</p><p>চট্টগ্রামের দাসপাড়ার ঘরের বউ-ঝি আর ছোট ছেলেমেয়েরা মাসের শুরু থেকে প্রতিদিন দুপুরের পর সংসারের কাজকর্ম শেষ করে দল বেঁধে একেক বাড়ির উঠানে পুঁথিপাঠের আসর বসান। ‘বাইশ কবি পদ্মপুরাণ’ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধারাবাহিক পাঠ করেন তাঁরা। ঢোলক, মন্দিরা, খঞ্জনিসহ বাদক দল থাকে সঙ্গে। শেষ দিন ঝর্ণা হোরের আঙিনায় সমর্পিত হবে মা মনসার উদ্দেশে।</p><p>‘ও মা তোমার পুঁথি তুমি পড়ো<br>উপলক্ষ আমি রে,<br>শ্রাবণ মাসের শেষ তারিখে<br>তোমার পূজা করি রে<br>জয়য়ো রে মনসা দেবী রে।...’</p><p>হালিশহরের উপকণ্ঠে প্রায় কয়েক হাজার জেলে পরিবারের বাস। একসময় এই পাড়ার মানুষের পেশা মাছ ধরা হলেও শহুরে হাওয়ায় অনেকেই আজ সরকারীর ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। তবে পৌরাণিক ও নিজস্ব পালা-পার্বণ নিয়মিতই করেন তাঁরা। ২২ কবি রচিত এই পুঁথিতে ২২ রকমের কবিতার সম্মোহনী সুর বিরাজ করে—</p><p>‘ওগো এসো মাগো সরস্বতী,<br>কণ্ঠে রাখো রে পা,’<br>দোহারেরা তান ধরেন—<br>‘শ্রাবণেতে।<br>ওরে বিদ্যামূলে লিপ্ত করো<br>সরস্বতী মা,<br>শ্রাবণেতে।...’</p><p>ঝর্ণা হোরের আঙিনায় পুঁথি সম্পন্ন করে সবাই যাঁর যাঁর বাড়ি ফিরে যান। সন্ধ্যায় ক্লাবঘরের আঙিনায় পালটা মনসা। সেখানে যেতে হবে।</p><p>এদিকে তৃপ্তি দাস তাঁর ‘পঞ্চমুখী ঘটের তৈয়ারি’করছেন। পঞ্চমুখের দুই মুখে রাখতে হয় বাঁশপাতা, অন্যগুলোতে বটপাতা, শাপলা ফুল, কচুর ফোপা। এরপর আরাধনার জন্য ঘট বসাতে হয় আসনে। প্রসাদ, শাড়ি, শঙ্খ, সিঁদুর, চিরুনি চাঁপা কলা, আপেল, নারকেল, কমলাসহ নানা ফল দিয়ে ঘটের সামনে আসন সাজানো হয়।</p><p>আর বর্ষীয়ান মঞ্জুরি দাসের মনসাপূজা পুরাণের নিয়মে হয়। মঞ্জুরি দাস বলেন, পদ্মপুরাণে বলা আছে—</p><p>‘কাঁচা বাঁশ কাইট্টা আনি<br>বিষহরি বানাই। ...’</p><p>এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মঞ্জুরি দাস বলেন, জগতে প্রথম ঘট বাঁশ দিয়ে তৈরি ছিল। তাই তার আরাধনায় বাঁশের ঘট শোভা পাচ্ছে।</p><p>মঞ্জুশ্রীর মতো অনেকে আষাঢ় মাস থেকে শুরু করেন মনসাবন্দনা। শ্রাবণ মাসের শেষ দিন শেষে রাতে আগকুলা, তেল, সিঁদুর, পানের খিলি মায়ের হাতে দিয়ে মাকে বিদায় করতে হয়।</p><p>সাজের আগেই ক্লাবঘরের উঠানে শুরু হয় পালটা মনসার গান। মেঘনাথ সরকার শিবের পক্ষে আর শ্যামল শীল শ্রোতার পক্ষ নিয়ে পালটা মনসা পুঁথিতে অংশ নেন। মেঘনাথ শুরু করেন—</p><p>‘বছরে ছত্রিশ দিনে খুদে খোদা<br>চামিল পরে দেখ যমুনার পারে,<br>মানুষ নাম লিখে আর মরে।<br>এইভাবে দেশ হয়রে স্বাধীন,<br>বছরে যায়গো বারো দিন,<br>সুযোগ পাইলে এক দিনের নাই ভরসা<br>মনের কোটা ধরে।<br>বিয়েশাদি হইলে পরে<br>জাতের তালাশ করে।<br>খেয়াঘাটে গেলে পরে<br>দুজনে এক নৌকায় চড়ে।’</p><p>মেঘনাথ সরকার রমেশ শীলের লেখা গান শেষ করেন। এর পর প্রশ্ন ছুড়ে দেন প্রতিপক্ষের কাছে, বিয়েশাদিতে জাতপাত জানার প্রয়োজন পড়ে, খেয়াঘাটে কেন পড়ে না?</p><p>শ্যামল শীল শুরু করেন, মনসা কর্তৃক চাঁদ সওদাগরের সপ্তডিঙা ডোবানোর মন্ত্রণা—</p><p>‘চম্পক নগরে ঘর চাঁদ সদাগর।<br>মনসা সহিত বাদ করে নিরন্তর<br>দেবীর কোপেতে তার ছয় পুত্র মরে।<br>তথাপি দেবতা বলে না মানে তাঁহারে<br>এনস্তাপ পায় তবু না নোয়ায় মাথা।<br>বলে চেঙ্গীমুড়ী বেটী কিসের দেবতা।<br>হেঁতাল লইয়া হস্তে দিবানিশি ফেরে<br>মনসার অন্বেষণ করে ঘরে ঘরে।<br>বলে একবার যদি দেখা পাই তার<br>মারিব মাথায় বাড়ি না বাঁচিবে আর<br>আপদ ঘুচিবে মম পাব অব্যাহতি।<br>পরম কৌতুকে হবে রাজ্যেতে বসতি<br>এই রূপে কিছুদিন করিয়া যাপন।<br>বাণিজ্যে চলিল শেষে দক্ষিণ পাটন<br>শিব শিব বলি যাত্রা করে সদাগর।<br>মনের কৌতুকে চাপে ডিঙার উপর<br>বাহ্ বাহ্ বলি ডাক দিল কর্ণধারে<br>সাবধান হয়ে যাও জলের উপরে।<br>চাঁদের আদেশ পাইয়া কান্ডারি চলিল<br>সাত ডিঙা লয়ে কালীদাহে উত্তরিল<br>চাঁদ বেনের বিসম্বাদ মনসার সনে।<br>কালীদহে সাধু দেবী জানিল ধেয়ানে<br>নেতা লইয়া যুক্তি করে জয় বিষহরী।<br>মম সনে বাদ করে চাঁদ অধিকারী<br>নিরন্তর বলে মোরে কানী চেঙ্গীমুড়ী।<br>বিপাকে উহারে আজি ভরাডুবি করি<br>তবে যদি মোর পূজা করে সদাগর।<br>অবিলম্বে ডাকিল শতেক জলধর<br>হনুমান বলবান প্রতাপর বীর।<br>কালীদহে কর গিয়ে প্রবল সমীর<br>পুষ্প পান দিয়া দেবী তার প্রতি বলে<br>চাঁদ বেনের সাত ডিঙা ডুবাইবে জলে<br>দেবীর আদেশ পাইয়া কাদম্বিনী ধায়।<br>বিপাকে মজিলো চাঁদ কেতকাতে গায়।’</p><p>এভাবে সারা রাত চলে পালটা মনসার পালা আর বাহাস। একজন গান শেষ করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন। অন্যজন আবার সেই প্রশ্নের উত্তর করেন। ভোর হতে হতে পালটা মনসা পুঁথির আসরে ইতি টানেন দুই পালাকার।</p><p>লোকগবেষকরা বলে থাকেন গ্রাম থেকে গ্রামে ভাষা, জীবন সংস্কৃতির ব্যতীক্রম পরিলক্ষিত। এই ছোট্ট জীবনে ক্ষেত্রসমীক্ষা করতে গিয়ে যা দেখেছি, বলতে পারি গ্রাম থেকে গ্রাম কেনো! গ্রামের এক মাথার মানুষ থেকে অন্য মাথার বসতির জীবনাচরন ভিন্ন, এমন প্রমাণও দেখেছি ভুরি ভুরি।</p><p>এটাও বলতে হয় বাংলাদেশের মতো এমন ছোট্ট দেশের লোকসংস্কৃতি আত্মস্থ করা এক জীবনে সম্ভব নয়। তার পরেও যতটুকু পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছি, তা থেকেই লোকসংস্কৃতি প্রেমিদের জন্য&nbsp; এই আলোচনা উপস্থাপন করলাম।</p><p>বলতে হয় লোকজ পরিবেশনা, লোকাচার, লোকসংস্কৃতি স্থির নয়। কোন গবেষকই সংগৃহীত তথ্যকে চিরসত্য বলতে পারেন না। সাধারণত মানুষে মুখে মুখে চর্চিত হতে হতে লিখিত রূপেও অবয়ব পরিবর্তিত হয়। আবার সময় ও স্থানের বিভিন্নতায় সংস্কৃতির বিষয়বস্তুতেও কখনো কখনো পরিবর্তন আসে। সমাজ সংস্কৃতির বিবর্তনেও কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। এভাবে আঞ্চলিক প্রভাবে লোকসংগীত সুর, কথা, তাল এবং পরিবেশনায় আসে ভিন্নতা, হয়ে ওঠে বৈচিত্রময়। পদ্মাপুরাণের বেলাতেও তাই ঘটেছে।</p><p>এটাই লোকসংস্কৃতির পরিবেশনা শিল্পের বৈশিষ্ট্য।</p>]]></content:encoded></item><item><title>লংমার্চ যখন লং ড্রাইভ</title><link>https://www.prothomalo.com/fun/kb8qj6v0lc</link><comments>https://www.prothomalo.com/fun/kb8qj6v0lc#comments</comments><guid isPermaLink="false">cf5e46e8-a895-4bf4-b438-35073d3b87ab</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তাহসিন আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/2295384</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>টাটকা রস‍+আলো,রস স্পেশাল,খুচরা রস,রস+আলো,মলাট রস</media:keywords><media:content height="828" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/6ci87ojd/kala.jpg.jpeg" width="1244"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/6ci87ojd/kala.jpg.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রস+আলো</category><content:encoded><![CDATA[  <p>আজ ৩৩ সেপ্টেম্বর। প্যারালাল বিশ্বে বাংলাদেশ পর্যটন সংসদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে হেরে যাওয়া জোটের জন্য আজ এক ঐতিহাসিক দিন। তারা আয়োজন করেছে বিশাল লং ড্রাইভ। উদ্দেশ্য, দেশের ভেঙে পড়া পর্যটনশিল্পকে আবার চাঙা করা এবং পরিবেশদূষণ রোধ করতে নির্বাচিত কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করা।</p> <p>ভোর পাঁচটা বাজতেই রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হয়েছে কয়েক শ গাড়ির বহর। ফাঁকে ফাঁকে অসংখ্য ট্রাকও দেখা যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই এ বহর সুন্দরবনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। জোটের নেতাদের কেউ কেউ গাড়িতে, কেউ কেউ কর্মীদের সঙ্গে ট্রাকে। কারও কারও হাতে শোভা পাচ্ছে প্ল্যাকার্ড। সেগুলোতে দেশের মানুষের বিভিন্ন দাবিদাওয়া লেখা। কিছু গাড়িতে কাপলদেরও দেখা যাচ্ছে। কেউ তার স্ত্রীর সঙ্গে, কেউ মেয়েবন্ধুর সঙ্গে। কেউ কেউ আবার বন্ধুদের সঙ্গে গাড়িতে বসে গল্প করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/9aoie35xtz">ভারতের নাগরিককে ‘পুশ ইনের’ করুণ কাহিনি </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/1ctm6t4iza">আশিক সাহেবের আশির দশকের বিড়ম্বনা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/k9ki99xawt">এইটা কেমনে সম্ভব!</a></aside><p>এবারের লং ড্রাইভ বিশেষ একটি কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রথমবারের মতো সাধারণ জনগণ এতে অংশ নিচ্ছে। এ জন্য তাদের অনলাইনের মাধ্যমে আগেই নিবন্ধন করতে হয়েছে। তবে সবাই নয়, কেবল ভ্রমণপ্রেমী কাপল ও বন্ধুদের গ্রুপগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। নিবন্ধন ফরমে ‘নাম’, ‘ফোন নম্বর’, ‘পেশা’ ইত্যাদির পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল—</p><p>‘আপনি কি ভ্রমণপিপাসু?’</p><p>অপশন: হ্যাঁ/না। ‘না’ হলে ‘অযোগ্য’।</p><p>‘হ্যাঁ’ দিলে পরের প্রশ্ন ছিল—</p><p>‘আপনার সঙ্গে কে যাবেন?’</p><p>অপশন: স্ত্রী, প্রেমিকা, বন্ধু, ভাই-বোন অথবা ‘এখনো কাউকে ঠিক করিনি’।</p><p>শেষের অপশনটিতে যে টিক দিয়েছে, সে যাওয়ার জন্য ‘অযোগ্য’ বলে বিবেচিত হয়।</p><p>একটি নিবন্ধনে একাধিকজনও যেতে পারছে। অনেকটা এক টিকিটে দুই ছবি দেখার মতো।</p> <p>সকাল সাতটায় গাড়িবহর চলতে শুরু করে। কাপলদের রাখা হয়েছে ছাদখোলা গাড়িতে, যাতে তারা যাত্রাপথ ভালোভাবে উপভোগ করতে পারে। কেউ কেউ উপভোগও করছে। স্বামী-স্ত্রী মিলে বাতাস খাচ্ছে। বাতাসে স্ত্রীর মাথার চুল হাওয়ায় উড়ছে। আর বন্ধুদের গ্রুপগুলো জায়গা পেয়েছে ট্রাকে। সেখানেই তারা আনন্দ-ফুর্তি করছে।</p><p>বহর যত এগোতে থাকে, মানুষ ও গাড়ির ভিড় বাড়তে থাকে। একটা সময় গাড়ির সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। কারও হাতে ক্যামেরা, কারও হাতে প্ল্যাকার্ড।</p><p>এত বড় বহর যে রাস্তা দিয়েই যাচ্ছে, সেখানে গাড়ির ধোঁয়ায় কিছুক্ষণের জন্য পরিবেশ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। তবে এ নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জনতার মধ্যে কোনো বিরক্তি বোধ নেই। সবাই বহরে থাকা মানুষদের অভিবাদন জানাচ্ছে। কাপলদের সঙ্গে ছবি তুলছে।</p> <p>বহর যে এলাকা দিয়ে যাচ্ছে, সেখানকার দর্শনীয় স্থানগুলোয় থামছে। সবাই নেমে ঘোরাঘুরি করছে, ছবি তুলছে, ফেসবুকে স্টোরি দিচ্ছে। আশপাশের দোকানগুলোয় খাবার খাচ্ছে। কেউ কেউ খাবার খাওয়ার পর আবর্জনা যেখানে–সেখানে ফেলছে। এর মধ্যেই একজন বলছে, দেশের পরিবেশ ও পর্যটন নিয়ে নির্বাচিত দলের আরও সচেতন হওয়া উচিত।</p> <p>তারপর আবার গাড়িতে উঠছে। কিছুদূর গিয়ে আবার কোনো দর্শনীয় স্থানে যাত্রাবিরতি দিচ্ছে। আবার ছবি তোলা, খাওয়াদাওয়া, ফেসবুক আপডেট দেওয়া চলতে থাকে। গন্তব্যে পৌঁছাতে যে সময় লাগার কথা ছিল, তার দ্বিগুণ সময় লাগছে। এ নিয়ে কারও মধ্যে বিরক্তি নেই। নিবন্ধনের মাধ্যমে যেসব কাপল ও বন্ধুদের গ্রুপ এ বহরে জায়গা পেয়েছে, তারা মাঝেমধ্যে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ছবি তুলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিচ্ছে।</p> <p>জমজমাট লং ড্রাইভ দেখে নির্বাচনে হেরে যাওয়া এ জোটের সমর্থকেরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রশংসাসূচক মন্তব্য লিখছে। কেউ বলছে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের পর্যটনশিল্প ও পরিবেশের ব্যাপক উন্নতি হবে। কেউ বলছে, নতুন নতুন দর্শনীয় স্থানে গাড়ির বহর যাওয়ায় সেখানকার মানুষের আয়ের উৎস বাড়বে। আবার কারও মন্তব্য, এবার জোট সঠিক পথেই আছে।</p>  <p><em>রস+আলোয় প্রকাশিত সকল ঘটনা এবং চরিত্র কাল্পনিক।</em></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/ftjwyip3om">নেংটি ইঁদুরের দৌরাত্ম্য</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l9s131pg0n">সামাজিক অভিধান</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/k9ki99xawt">এইটা কেমনে সম্ভব!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/or9gdgh0s4">শাহবাগ ব্লকেড</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/8whj6ng76z">রসচিঠি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/zj8etbbwa2">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/ohfxqthaey">বিদুৎ-বিড়ম্বনায় তাঁহারা যা লিখতেন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/7ljfoypofm">Be পজিটিভ </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/ds6w1fylli">ছিনতাই!   </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/zc2zsvueuo">চোরের ওপর বাটপারি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/j1cj0ila1u">Ai ড্রামা</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>আমরা খাবার তেলে ভেজে খাই কেন</title><link>https://www.bigganchinta.com/chemistry/k4pybpjb4s</link><comments>https://www.bigganchinta.com/chemistry/k4pybpjb4s#comments</comments><guid isPermaLink="false">c0f62418-dc75-4d02-822b-567f74415dfe</guid><pubDate>Sun, 20 Sep 2026 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-20T01:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>রসায়ন বিজ্ঞানচিন্তা,জানা অজানা বিজ্ঞানচিন্তা,জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="563" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/rh61yiio/intro-1590168734.jpg" width="1000"><media:title type="html"><![CDATA[ খাবার ভাজার জন্য তেলই কেন ব্যবহার করা হয়?]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/rh61yiio/intro-1590168734.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রসায়ন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভাজা খাবারের নাম শুনলেই অনেকের জিভে পানি চলে আসে। আলুর চপ, বেগুনি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা ভাজা মুরগি—তেলে ভাজার পর খাবারের স্বাদ আর গন্ধ যেন বদলে যায়। বাইরেটা হয় মচমচে, ভেতরটা থাকে নরম। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, খাবার ভাজার জন্য তেলই কেন ব্যবহার করা হয়? পানি দিয়ে তো খাবার রান্না করা যায়। তাহলে পানি দিয়ে ভাজা যায় না কেন?</p><p>এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে তাপমাত্রায়। পানি সাধারণত ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ফুটতে শুরু করে। তাই স্বাভাবিক চাপে পানিকে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম করা কঠিন। কিন্তু খাবার ভাজার জন্য এর চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন। সাধারণত ১৭৫ থেকে ১৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খাবার ভাজা হয়। তেল সহজেই এই তাপমাত্রায় পৌঁছাতে পারে। এ কারণেই খাবার ভাজার জন্য পানির পরিবর্তে তেল ব্যবহার করা হয়।</p><p>তেলের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আছে। বিভিন্ন ধরনের তেলের স্ফুটনাঙ্ক ও ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রা পানির তুলনায় অনেক বেশি। ফলে তেলকে খাবার ভাজার উপযোগী উচ্চ তাপমাত্রায় নেওয়া যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/byo7k2piir">তেল কেন পানির মতো জমে বরফ হয় না</a></aside><blockquote>পানি সাধারণত ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ফুটতে শুরু করে। তাই স্বাভাবিক চাপে পানিকে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম করা কঠিন। কিন্তু খাবার ভাজার জন্য এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন।</blockquote><p>তেলে খাবার ছাড়ার পর একই সঙ্গে বেশ কিছু ঘটনা ঘটে। খাবারের বাইরের অংশে অনেক সময় ময়দা বা কর্নস্টার্চের আবরণ থাকে। গরম তেলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই আবরণ দ্রুত শুকিয়ে মচমচে হয়ে যায়। তাপমাত্রা যখন প্রায় ১৪০ থেকে ১৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, তখন ঘটে মেইয়ার্ড বিক্রিয়া। এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে খাবারের বাইরের অংশ সোনালি-বাদামি রং ধারণ করে এবং তৈরি হয় সেই পরিচিত সুস্বাদু গন্ধ ও স্বাদ।</p><p>এদিকে খাবারের ভেতরে থাকা পানি গরম হয়ে বাষ্পে পরিণত হয়। সেই বাষ্প খাবারের ভেতরের অংশ রান্না করতে সাহায্য করে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/slwnd8nk/frying_olive_oil.jpg" /><figcaption>তেলে খাবার ভাজা হয় কারণ তেল পানির চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রায় গরম হতে পারে</figcaption></figure><p>একই সঙ্গে বাইরের শুকনো আবরণ কিছুটা বাষ্প আটকে রাখে। ফলে খাবারের ভেতরটা ভালোভাবে রান্না হয়, আর বাইরের অংশ থাকে মচমচে।</p><p>তাই বলা যায়, তেলে খাবার ভাজা হয় কারণ তেল পানির চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রায় গরম হতে পারে। সেই উচ্চ তাপমাত্রায় মেইয়ার্ড বিক্রিয়াসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া ঘটে, যা খাবারের বাইরের অংশকে মচমচে ও সোনালি-বাদামি করে এবং তৈরি করে কাঙ্ক্ষিত স্বাদ ও গন্ধ।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/t9abf0ukv6">সাবান কীভাবে তেল-ময়লা দূর করে</a></aside><blockquote>খাবারের ভেতরে থাকা পানি গরম হয়ে বাষ্পে পরিণত হয়। সেই বাষ্প খাবারের ভেতরের অংশ রান্না করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে বাইরের শুকনো আবরণ কিছুটা বাষ্প আটকে রাখে।</blockquote><h2><strong>সব তেল কি একই রকম</strong></h2><p>খাবার ভাজার জন্য বিভিন্ন ধরনের তেল ব্যবহার করা যায়। যেমন চিনাবাদাম, তুলাবীজ, নারকেল, রাইস ব্র্যান (চাল থেকে পাওয়া যায়), ক্যানোলা<sup>১</sup>, সরিষা ও সয়াবিন তেল ইত্যাদি। এগুলোর স্বাদ, দাম ও রাসায়নিক গঠন এক নয়। তাই কোন তেল ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর খাবারের স্বাদ ও তেল কতটা তাপ সহ্য করতে পারবে, তা কিছুটা নির্ভর করে।</p><p>তবে তেল ভাজার উপযোগী হলেই যে সেটি স্বাস্থ্যের জন্যও সবচেয়ে ভালো, এমন নয়। যেমন নারকেল তেলকে অনেক সময় ভাজার জন্য ভালো বলা হয়। কারণ এতে স্যাচুরেটেড<sup>২</sup> বা সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। এই ধরনের চর্বি তুলনামূলকভাবে তাপ সহনশীল। ফলে বেশি তাপে তেল সহজে ভেঙে যায় না। নারকেল তেলে ভাজার কথা শুনে অনেকের ভ্রু কুঁচকে যেতে পারে, কিন্তু আমাদের দেশে এই তেল রান্নায় ব্যবহার করা না হলেও প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কাসহ অন্য আরও কিছু দেশে এর ব্যবহার রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/du0wj7k4/oils.webp" /><figcaption>খাবার ভাজার জন্য বিভিন্ন ধরনের তেল ব্যবহার করা যায়</figcaption></figure><p>যাই হোক, নারকেল তেলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ প্রায় ৮০ শতাংশ। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন নারকেল তেলের বদলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ কম এমন তরল উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। কারণ সম্পৃক্ত চর্বি রক্তে এলডিএল<sup>৩</sup> বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে। অর্থাৎ কোনো তেল বেশি তাপ সহ্য করতে পারে বলেই, সেটি যে হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে ভালো—এমনটা নয়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/তেল-বাষ্পীভূত-হয়ে-উড়ে-যায়-না-কেন">তেল বাষ্পীভূত হয়ে উড়ে যায় না কেন?</a></aside><blockquote>নারকেল তেলকে অনেক সময় ভাজার জন্য ভালো বলা হয়। কারণ এতে স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। এই ধরনের চর্বি তুলনামূলকভাবে তাপ সহনশীল।</blockquote><p>অন্যদিকে চিনাবাদাম, রাইস ব্র্যান, ক্যানোলা, তুলাবীজ, সরিষা ও সয়াবিনের তেলও খাবার ভাজার জন্য ব্যবহার করা যায়। এগুলোর দাম ও স্বাদে পার্থক্য রয়েছে। সরিষার তেলে খাবারে আলাদা ঝাঁঝালো স্বাদ আসে, অন্যদিকে সয়াবিন তেলের স্বাদ তুলনামূলকভাবে মৃদু। তাই খাবারের নিজস্ব স্বাদ যেন বেশি বদলে না যায়, সে জন্য মৃদু বা প্রায় স্বাদহীন তেল বেছে নেওয়া যায়।</p><p>সরিষার তেলে মূলত দুই ধরনের অসম্পৃক্ত বা আনস্যাচুরেটেড চর্বি থাকে—মনো-আনস্যাচুরেটেড<sup>৪</sup> ও পলি-আনস্যাচুরেটেড<sup>৫ </sup>চর্বি। এর মধ্যে মনো-আনস্যাচুরেটেড চর্বির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬০–৭০ শতাংশ। এর অন্যতম প্রধান উপাদান ইরুসিক অ্যাসিড ও ওলিক অ্যাসিড। আর পলি-আনস্যাচুরেটেড চর্বি থাকে প্রায় ২০–২১ শতাংশ। এর মধ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ধরন আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের লিনোলিক অ্যাসিড রয়েছে। অর্থাৎ সরিষার তেলে সম্পৃক্ত চর্বির তুলনায় অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণই বেশি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-23/bip8dlaa/MustardOilSeeds-Kolkata2003-10-3100537-1.jpg" /><figcaption>সরিষার তেলে মূলত দুই ধরনের অসম্পৃক্ত বা আনস্যাচুরেটেড চর্বি থাকে</figcaption></figure><p>সয়াবিন তেলেও অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে পলি-আনস্যাচুরেটেড বা পলি–অসম্পৃক্ত চর্বি, যার প্রধান উপাদান লিনোলিক অ্যাসিড। এতে মনো-আনস্যাচুরেটেড চর্বির পাশাপাশি আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিডও থাকে। আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড হলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ধরন। অন্যদিকে সয়াবিন তেলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। তাই সম্পৃক্ত চর্বির বদলে সয়াবিনের মতো তরল উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করলে খাদ্যতালিকায় সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ কমানো সম্ভব।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/wv7gyrt9bm">পানি কি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চেয়ে বেশি গরম হতে পারে</a></aside><blockquote>সয়াবিন তেলে অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে পলি-আনস্যাচুরেটেড বা পলি–অসম্পৃক্ত চর্বি, যার প্রধান উপাদান লিনোলিক অ্যাসিড।</blockquote><p>জলপাই, চিনাবাদাম ও অ্যাভোকাডো তেলেও অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে মনো-আনস্যাচুরেটেড বা মনো–অসম্পৃক্ত চর্বিও রয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে তাপ সহনশীল এবং সম্পৃক্ত চর্বির তুলনায় হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে।</p><p>শুধু উদ্ভিজ্জ তেলই নয়, প্রাণিজ চর্বিও খাবার ভাজার কাজে ব্যবহার করা যায়। ঘি, ট্যালো ও লার্ড—অর্থাৎ পশুর চর্বি—দীর্ঘদিন ধরেই রান্না ও ভাজার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলো খাবারে আলাদা এক ধরনের স্বাদ যোগ করতে পারে। তবে এসব চর্বিতে চর্বির পরিমাণ বেশি হওয়ায় খাবার আরও বেশি চর্বিযুক্ত হতে পারে এবং স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/ojsi8s7ztf">ফুটন্ত পানি চুলা থেকে নামালে বেশি ধোঁয়া বেরোয় কেন</a></aside><blockquote>শুধু উদ্ভিজ্জ তেলই নয়, প্রাণিজ চর্বিও খাবার ভাজার কাজে ব্যবহার করা যায়। ঘি, ট্যালো ও লার্ড—অর্থাৎ পশুর চর্বি—দীর্ঘদিন ধরেই রান্না ও ভাজার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</blockquote><h2><strong>কোন তেলগুলো ভাজার জন্য সবচেয়ে ভালো</strong></h2><p>সব তেল উচ্চ তাপমাত্রায় সমানভাবে স্থিতিশীল থাকে না। যেসব তেলে পলি–আনস্যাচুরেটেড বা বহু-অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি, সেগুলো তুলনামূলকভাবে কম তাপ-স্থিতিশীল। বেশি তাপে, বিশেষ করে তেলের ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গেলে, এগুলো দ্রুত জারিত ও ভেঙে যেতে পারে। একই তেল বারবার ব্যবহার করলেও এই সমস্যা বাড়তে পারে।</p><p>সানফ্লাওয়ার, স্যাফফ্লাওয়ার, গ্রেপসিড ও কর্ন অয়েলে বহু-অসম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। তবে এর অর্থ এই নয় যে এসব তেল অস্বাস্থ্যকর। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন সানফ্লাওয়ার, স্যাফফ্লাওয়ার ও কর্ন অয়েলকে হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপযোগী রান্নার তেলের তালিকায় রেখেছে। সম্পৃক্ত চর্বির বদলে এসব অসম্পৃক্ত তেল ব্যবহার করলে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে পারে।</p><p>তবে বারবার বেশি তাপে খাবার ভাজার ক্ষেত্রে এসব তেল তুলনামূলকভাবে কম উপযোগী। এ ক্ষেত্রে চিনাবাদাম, অ্যাভোকাডো বা পরিশোধিত জলপাই তেলের মতো তুলনামূলকভাবে বেশি তাপ-স্থিতিশীল তেল ব্যবহার করা যায়। যে তেলই ব্যবহার করুন না কেন, সেটিকে ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রার ওপরে অতিরিক্ত গরম না করাই ভালো। আবার একই তেল বারবার ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলা উচিত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/others/vpa8fzh3x7">পৃথিবীর এত পানি এল কোথা থেকে</a></aside><blockquote>বেশি তাপে, বিশেষ করে তেলের ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গেলে, এগুলো দ্রুত জারিত ও ভেঙে যেতে পারে। একই তেল বারবার ব্যবহার করলেও এই সমস্যা বাড়তে পারে।</blockquote><h2><strong>তাহলে ভাজা খাবার খাওয়া কি বাদ দিতে হবে</strong></h2><p>ভাজা খাবার যে সুস্বাদু, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু নিয়মিত বেশি ভাজা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। &nbsp;খাবার তেলে ভাজার সময় এতে অতিরিক্ত চর্বি ও ক্যালরি যোগ হতে পারে। তাই ভাজা খাবার মাঝেমধ্যে খাওয়াই ভালো।</p><h4>লেখক: প্রদায়ক, বিজ্ঞানচিন্তা</h4><h4>সূত্র: সায়েন্স এবিসি</h4><h4>&nbsp;</h4><h4>টীকা:</h4><h4>১) ক্যানোলা হলো এক ধরনের উদ্ভিদ, যার বীজ থেকে ক্যানোলা তেল তৈরি করা হয়। এই তেলে মনো-আনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি থাকে এবং সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।</h4><h4>২) স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত চর্বি হলো এমন এক ধরনের চর্বি, যার ফ্যাটি অ্যাসিডের কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিবন্ধন থাকে না। ফলে কার্বনগুলো যতটা সম্ভব হাইড্রোজেন দিয়ে পূর্ণ থাকে। আরএ কারণেই একে সম্পৃক্ত চর্বি বলা হয়। যেমন মাখন, ঘি, চর্বিযুক্ত মাংস, নারকেল তেল ও পাম তেলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।</h4><h4>৩) এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল বলতে এমন এক ধরনের লিপোপ্রোটিনকে বোঝায়, যা রক্তের মাধ্যমে কোলেস্টেরল শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেয়। রক্তে এলডিএলের মাত্রা বেশি হলে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনির দেয়ালে জমে প্লাক বা চর্বি, কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন পদার্থের তৈরি আঠালো স্তর তৈরি করতে পারে। এতে ধমনি সরু হয়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।</h4><h4>৪) মনো-আনস্যাচুরেটেড চর্বি হলো এমন এক ধরনের অসম্পৃক্ত চর্বি, যার ফ্যাটি অ্যাসিডে একটি কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন থাকে। যেমন-অলিভ অয়েল, বাদাম, চিনাবাদাম ও অ্যাভোকাডোতে এই ধরনের চর্বি পাওয়া যায়।</h4><h4>৫) পলি-আনস্যাচুরেটেড চর্বি হলো এক ধরনের অসম্পৃক্ত চর্বি, যার ফ্যাটি অ্যাসিডের কার্বন শৃঙ্খলে দুই বা তার বেশি কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন থাকে। এটি এমন এক ধরনের চর্বি যা সাধারণত উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম, বীজ ও কিছু মাছের মধ্যে পাওয়া যায়। যেমন সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, ভুট্টার তেল, তৈলাক্ত মাছ ইত্যাদি।</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/iwgqc91gyy">প্লাস্টিকে খাবার মোড়ালে কি খাবারের ক্ষতি হয়</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সিনেমার আবার নতুন জোয়ার দেখছি: রাজশাহীতে রেদওয়ান রনি</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/e7z26ppfot</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/e7z26ppfot#comments</comments><guid isPermaLink="false">087b76cd-9f5a-48eb-8f92-4184885bb282</guid><pubDate>Sat, 19 Sep 2026 16:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-19T16:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শফিকুল ইসলাম	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410386</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘ম্যাজিক লন্ঠন কথামালা’র ১৪তম পর্বে নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রা, চলচ্চিত্রশিল্পের সম্ভাবনা, প্রযোজনা, বিতরণ, ওটিটি ও আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে কথা বলেন রেদওয়ান রনি।]]></description><media:keywords>বাংলা সিনেমা,রাজশাহী,রেদওয়ান রনি</media:keywords><media:content height="2304" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/qn9e8brl/IMG20260919180703.jpg.jpeg" width="4096"><media:title type="html"><![CDATA[ নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রা, চলচ্চিত্রশিল্পের সম্ভাবনা, প্রযোজনা, বিতরণ, ওটিটি ও আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে কথা বলেন রেদওয়ান রনি। ছবি : শফিকুল ইসলাম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/qn9e8brl/IMG20260919180703.jpg.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ঢালিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘সিনেমার আবার নতুন জোয়ার আমরা দেখছি। নানান ধরনের সিনেমা হচ্ছে। নির্মাণ, প্রযোজনা ও সঠিকভাবে বিতরণের চক্রটি পূর্ণ করতে পারলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আরও বড় জায়গায় যেতে পারে।’</p><p> চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি এ কথা বলেছেন। আজ শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চলচ্চিত্র নির্মাণের লম্বা রেইস: সৃজনশীল অংশীদারত্বে নির্মাতা ও প্রযোজক’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।</p><p>চলচ্চিত্রবিষয়ক সংগঠন ম্যাজিক লন্ঠন আয়োজিত ‘ম্যাজিক লন্ঠন কথামালা’র ১৪তম পর্বে এ আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রা, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের সম্ভাবনা, প্রযোজনা, বিতরণ, ওটিটি ও আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে কথা বলেন রেদওয়ান রনি।</p><p> রেদওয়ান রনি বলেন, রাজশাহীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুধু অতিথি হিসেবে আসার নয়, এই শহর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর জীবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্নের শুরুর সময়টাও রাজশাহীর সঙ্গে যুক্ত।</p><p> নিজের বন্ধু রানার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা দুজন পরিকল্পনা করতেন। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান রানা। এ ঘটনা তাঁকে বড় ধাক্কা দেয়। পরে এক শিক্ষকের পরামর্শ তাঁকে আবার চলচ্চিত্র নির্মাণের পথে ফিরতে অনুপ্রাণিত করে।</p><p>রেদওয়ান রনি বলেন, ‘আমার কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার নেই। আমি নিজেও এখনো শিখছি। ভুল করতে করতে, ঠকতে ঠকতে এবং প্রতিদিনের নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ যতটুকু করেছি, সেটাই আমার অভিজ্ঞতা।’</p><p><strong>চলচ্চিত্রশিল্পে পেশাদার কাঠামো<br></strong>রেদওয়ান রনি বলেন, চলচ্চিত্রে সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা, অভিনয়সহ বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের সমন্বয় ঘটে। গল্প বলার জন্য তিনি চলচ্চিত্রকে বেছে নিয়েছেন।<br>চলচ্চিত্র নির্মাণে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয় ‘ছবিয়াল’-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তাঁকে চলচ্চিত্রে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্তে তিনি অটল ছিলেন।</p><p>বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পকে আরও পেশাদার কাঠামোর মধ্যে আনার ওপর গুরুত্ব দেন রেদওয়ান রনি। তাঁর মতে, শুধু দু-একটি ভালো সিনেমা নির্মাণ করলেই হবে না। একটি শক্তিশালী চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে তুলতে হবে।</p><p>তিনি বলেন, নির্মাণের পাশাপাশি প্রযোজনা ও বিতরণের ব্যবস্থাও শক্তিশালী করতে হবে। একজন প্রযোজকের কাজ শুধু অর্থ বিনিয়োগ করা নয়; চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে নির্মাণ, বিপণন, বিতরণ ও দর্শকের কাছে সিনেমা পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রযোজকের ধারণা থাকা দরকার।</p><p>রেদওয়ান রনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে অনেক নির্মাতাকেই প্রযোজকের কাজ করতে হয়েছে। এতে সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। পেশাদার প্রযোজক তৈরি হলে নির্মাতারা তাঁদের মূল কাজের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/kef26l96/IMG20260919180733_jpg.jpeg" /><figcaption>আয়োজনে দর্শকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন রেদওয়ান রনি।  ছবি : শফিকুল ইসলাম</figcaption></figure><p><strong>‘লোকাল ইজ দ্য নিউ গ্লোবাল’</strong><br>বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা নিয়ে রেদওয়ান রনি বলেন, দেশের নিজস্ব গল্পই আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে নতুন হয়ে উঠতে পারে।<br>তিনি বলেন, ‘লোকাল ইজ দ্য নিউ গ্লোবাল। আমরা যত বেশি আমাদের শিকড়ের গল্প বলতে পারব, তত বেশি সেটা বৈশ্বিক হয়ে উঠবে।’</p><p>বাংলাদেশের পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের গল্পকে চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ভাই-বোন, মা–বাবা, পরিবার ও বন্ধুত্বের সম্পর্কের মধ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব সম্পর্ককে স্বাভাবিক ও গভীরভাবে তুলে ধরলে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।</p><p>রেদওয়ান রনি বলেন, বাংলাদেশের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের দক্ষতা রয়েছে। এখন প্রয়োজন পেশাদার কাঠামো, বিনিয়োগ, ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/2mgkvaf7/IMG20260919171126_jpg.jpeg" /><figcaption>আয়োজনে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ রাজশাহীর চলচ্চিত্রকর্মীরা। ছবি : শফিকুল ইসলাম</figcaption></figure><p><strong>বিদেশে বাংলা সিনেমার বাজার<br></strong>চলচ্চিত্রের বিতরণব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে নিজের ‘দম’ সিনেমার উদাহরণ দেন রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে সাতটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। দর্শকের সাড়া পাওয়ার পর দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫২টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়।<br>তাঁর মতে, এ অভিজ্ঞতা বাংলা সিনেমার বিদেশের বাজারের সম্ভাবনা দেখায়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাংলা ভাষাভাষী দর্শক রয়েছেন। পেশাদারভাবে বিতরণ করতে পারলে এসব বাজার থেকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য উল্লেখযোগ্য আয় আসতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/qjpxdjdfpm">বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় ‘রইদ’ নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন</a></aside><p>রেদওয়ান রনি বলেন, শুধু প্রবাসী বাঙালিই নন, ভালোভাবে প্রচার ও বিতরণ করা গেলে অন্য ভাষাভাষী দর্শকের কাছেও বাংলা সিনেমা পৌঁছানো সম্ভব। সাবটাইটেলসহ বিভিন্ন ব্যবস্থায় এখন একটি দেশের সিনেমা অন্য দেশের দর্শকের কাছে পৌঁছানো যায়।<br>ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নতুন নির্মাতাদের সুযোগ বাড়িয়েছে উল্লেখ করে রনি বলেন, এর মাধ্যমে দর্শকের হাতে কনটেন্ট বেছে নেওয়ার ক্ষমতা বেড়েছে। তাই ওটিটির জন্য গল্প নির্মাণে দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।</p><p><strong>পাইরেসি বন্ধে ওয়ান–স্টপ সেবা<br></strong>চলচ্চিত্র ও ওয়েব কনটেন্টের পাইরেসি বন্ধে সরকারি সহায়তার ওপর গুরুত্ব দেন রেদওয়ান রনি। তাঁর মতে, বৈধ প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশের পর তা অবৈধভাবে ছড়িয়ে পড়লে নির্মাতা ও প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্ত হন।<br>তিনি বলেন, ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো বৈধ প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘিত হলে অভিযোগ করে কনটেন্ট সরানোর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে অবৈধ পাইরেসি সাইটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কার্যকর কাঠামো প্রয়োজন।<br>নিবন্ধিত প্রযোজকদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘ওয়ান–স্টপ’ সেবা চালুর প্রস্তাব দেন তিনি। এর মাধ্যমে কোনো কনটেন্ট অবৈধভাবে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত অভিযোগ জানানো ও লিংক সরানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/cvb4z7gd/IMG20260919174647_jpg.jpeg" /><figcaption>আয়োজনে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ রাজশাহীর চলচ্চিত্রকর্মীরা। ছবি : শফিকুল ইসলাম</figcaption></figure><p><strong>সাংস্কৃতিক কাজ থামবে না<br></strong>প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কা থাকলেও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থামিয়ে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন রেদওয়ান রনি।<br>তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক কাজ বন্ধ করার চেষ্টা অতীতেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকতে পারে। কোনো একটি জায়গায় প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হলেও অন্য জায়গায় প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাধা এলে পরিস্থিতি বুঝে যথাসময়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। একই সঙ্গে বিকল্প জায়গায় কাজ ও প্রদর্শনের পথ খুঁজে নিতে হবে।</p><p>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ম্যাজিক লন্ঠনের সদস্য জেরিন আল জান্নাত। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সহযোগী সম্পাদক সোহাগ আবদুল্লাহ। রেদওয়ান রনির আলোচনা শেষে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন। সমাপনী বক্তব্য দেন ম্যাজিক লন্ঠনের সম্পাদক কাজী মামুন হায়দার।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জামাল ভূঁইয়ার ফুটবল, জামাল ভূঁইয়ার জীবন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/sports/9z1que650w</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/sports/9z1que650w#comments</comments><guid isPermaLink="false">1e6e4396-21c9-41d0-80f7-a66ccc7a2d96</guid><pubDate>Sat, 19 Sep 2026 14:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-19T14:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>খেলা,ভিডিও সাক্ষাৎকার,বাংলাদেশ ফুটবল দল,উৎপল শুভ্র,জামাল ভূঁইয়া,ফুটবল</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/mmtad8q2/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/mmtad8q2/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Sports</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>অতিথি: </strong></p><p>জামাল ভূঁইয়া </p><p>অধিনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল </p><p><strong>সঞ্চালক: </strong></p><p>উৎপল শুভ্র</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/yv0a4XEYVnk"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>যৌনতার গল্প বলতে এখনো নির্মাতাদের সাবধানে এগোতে হয় : রাধিকা আপ্তে</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/zhm5vgpua2</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/zhm5vgpua2#comments</comments><guid isPermaLink="false">7c2e3244-6309-4dc4-8840-8d3e6629333c</guid><pubDate>Sat, 19 Sep 2026 08:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-19T08:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাধিকার মতে, মানুষ খুব দ্রুত কোনো কিছুতে আপত্তি জানায়। আর শিল্পের ক্ষেত্রে সেটিই বড় সমস্যা। ]]></description><media:keywords>রাধিকা,ওয়েব সিরিজ,হিন্দি সিনেমা,নেটফ্লিক্স</media:keywords><media:content height="608" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/98rudu1j/netflixin178963020139880114246691349163229110093.jpg" width="1080"><media:title type="html"><![CDATA[ ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’–এর প্রচারে রাধিকা আপ্তে ও বিজয় ভার্মা। নেটফ্লিক্সের ইনস্টাগ্রাম থেকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/98rudu1j/netflixin178963020139880114246691349163229110093.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ওটিটি</category><content:encoded><![CDATA[ <p> প্রেম, সম্পর্ক, যৌনতা ও নারীর আকাঙ্ক্ষা—ভারতীয় সিনেমায় এসব বিষয় নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি গল্প হচ্ছে। বিশেষ করে নারীর যৌন আকাঙ্ক্ষা ও সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু সিনেমা ও সিরিজ তৈরি হয়েছে। তবু এই জায়গায় কাজ করতে গিয়ে এখনো নির্মাতাদের সাবধানে এগোতে হয় বলে মনে করেন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে।<br> রাধিকার মতে, মানুষ খুব দ্রুত কোনো কিছুতে আপত্তি জানায়। আর শিল্পের ক্ষেত্রে সেটিই বড় সমস্যা। কারণ, একজন শিল্পী কখনো কখনো বুঝতেই পারেন না, তাঁর তৈরি কোনো কাজ ঠিক কোন জায়গায় গিয়ে কারও মনে আঘাত করেছে।</p><p> ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’ মুক্তির আগে ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় সিনেমায় নারীর যৌনতা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্পর্কের গল্প বলার সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলেছেন রাধিকা। পাশাপাশি জানিয়েছেন, নতুন অ্যান্থলজিতে তাঁর চরিত্রের গল্প, সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং স্বামী ডেরেকের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও।</p><p> <strong>‘মানুষ খুব দ্রুত ক্ষুব্ধ হয়ে যায়’<br></strong> ভারতীয় সিনেমায় নারীর যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আগের তুলনায় অনেক বেশি খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে—এমনটা মনে করেন রাধিকা। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কাজ করার সময় এখনো নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদের সতর্ক থাকতে হয়।<br> রাধিকার ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, মানুষ খুব দ্রুত ক্ষুব্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে আপনি যখন শিল্প তৈরি করছেন, তখন এটি বড় সমস্যা।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-10/ir5kjzjn/images.jpg" /><figcaption>‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’–এর পোস্টার থেকে। কোলাজ </figcaption></figure><p>রাধিকার মতে, কোনো শিল্পী এমন কিছু তৈরি করতে পারেন, যা কারও কাছে আপত্তিকর মনে হবে—কিন্তু কাজটি করার সময় শিল্পী নিজেও হয়তো বুঝতে পারবেন না যে সেটি কাউকে আঘাত করতে পারে।</p><p>এ সমস্যা শুধু যৌনতা বা যৌন আকাঙ্ক্ষার গল্পের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। অভিনেতা ও তাঁদের কাজের সঙ্গে সমাজের তৈরি করা নৈতিকতার ধারণাও বড় ভূমিকা রাখে বলে মনে করেন রাধিকা।</p><p>কারও ব্যক্তিগত ‘গ্রহণযোগ্যতা’র ধারণার সঙ্গে কোনো কিছু না মিললেই সেটিকে সমস্যা হিসেবে দেখা হতে পারে। আর সেই কারণেই শিল্পীদের অনেক সময় নিজের গল্প বলার সময়ও হিসাব করে এগোতে হয়।</p><p><strong>দর্শক প্রস্তুত, বাধা অন্য জায়গায়<br></strong>রাধিকা মনে করেন না যে দর্শক এসব গল্প দেখতে চান না। বরং দর্শক, অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা—সবাই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু অন্য কিছু সামাজিক ও নৈতিক চাপের কারণে এই পরিবর্তন সব সময় সহজে আসে না।<br>নারীর ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা কিংবা যৌনতার মতো বিষয় নিয়ে গল্প বলতে গিয়ে ‘মোরাল পুলিশিং’ এখনো বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে মনে করেন তিনি।</p><p>অর্থাৎ গল্পের বিষয়টি দর্শক গ্রহণ করবেন কি না, শুধু সেটিই প্রশ্ন নয়। তার আগে গল্পটি সমাজের প্রচলিত নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে কি না, সেটিও ভাবতে হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/qjm8tr60/radhikaofficial_1765357846_3784418363058185875_1923452698.jpg" /><figcaption>রাধিকা আপ্তে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p><strong>‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’-এ রাধিকার গল্পে বিষাদ<br></strong>নেটফ্লিক্সে আজ মুক্তি পাওয়া ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’-এ প্রেম, আকাঙ্ক্ষা ও জটিল সম্পর্কের চারটি গল্প রয়েছে। অ্যান্থলজিটির চারটি গল্প পরিচালনা করেছেন বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে, কিরণ রাও, শকুন বাত্রা ও বিশাল ভরদ্বাজ।<br>এই অ্যান্থলজিতে রাধিকা আপ্তের গল্পেও রয়েছে সম্পর্কের জটিলতা ও আবেগের টানাপোড়েন।</p><p>নিজের গল্প নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাধিকা জানান, গল্পটির মধ্যে বিষাদও রয়েছে। চরিত্রগুলো নিজেদের অনুভূতিই ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারে না। কারণ, তাদের সামনে অনেক কিছু হারানোর বা বদলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।<br>‘এটার মধ্যে একটা ট্র্যাজেডিও আছে,’—নিজের গল্প সম্পর্কে বলেন রাধিকা।<br>তবে গল্পটির কেন্দ্রীয় জায়গায় রয়েছে চরিত্রগুলোর বন্ধুত্ব। তাঁদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেও বন্ধুত্বই শেষ পর্যন্ত গল্পটিকে ধরে রাখে।</p><p>এই কাজের মাধ্যমে আবারও বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে রাধিকার। পাশাপাশি অভিনয় করেছেন কঙ্কনা সেন শর্মা ও বিজয় ভার্মা। তাঁদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকে তিনি দারুণ উপভোগ করেছেন।<br>রাধিকার ভাষায়, পুরো অভিজ্ঞতাটিই ছিল ‘একটি দারুণ আনন্দের ব্যাপার’।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/007sntk411">যৌনতা, ব্যক্তিজীবন ও বিতর্ক—ওটিটিতে দর্শকের মনোযোগের নতুন অস্ত্র</a></aside><p><strong>সম্পর্কে নিরাপত্তা থাকলে জায়গাও তৈরি হয়<br></strong>সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন রাধিকা। স্বামী ডেরেকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও একে অপরকে জায়গা দেওয়ার বিষয়টি কীভাবে কাজ করে, সেটিও জানিয়েছেন তিনি।</p><p>সাধারণত সম্পর্কের মধ্যে নিজের ব্যক্তিগত জায়গা বা স্পেস পেতে হলে সেটি আলাদা করে দাবি করতে হয়—এমন ধারণা প্রচলিত। কিন্তু রাধিকার অভিজ্ঞতা কিছুটা ভিন্ন।<br>রাধিকার মতে, তাঁদের সম্পর্কে একে অপরকে নিরাপত্তার অনুভূতি দেওয়াটাই স্বাভাবিকভাবে আরও বেশি স্বাধীনতার জায়গা তৈরি করেছে।</p><p>তাঁদের সম্পর্কে ঈর্ষার জায়গা নেই বলেও জানান রাধিকা। কারণ, দুজনই জানেন যে প্রয়োজন হলে নিজেদের চাহিদার কথা একে অপরকে বলতে পারবেন। রাধিকার কাছে মানসিক নিরাপত্তাই হয়ে উঠেছে সঙ্গী হিসেবে পথচলা এবং ব্যক্তিগত পরিসর—দুটোর ভিত্তি।</p><p><sup>এনডিটিভি অবলম্বনে</sup></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1hkwuc5i/arabbitsfoot_1747938659_3638295635916054980_52405263685.jpg" /><figcaption>রাধিকা আপ্তে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>পারমাণবিক জ্বালানির দহন</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/6eo1r56fij</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/6eo1r56fij#comments</comments><guid isPermaLink="false">18804e5d-63e1-488f-b22a-15922cf28702</guid><pubDate>Sat, 19 Sep 2026 07:22:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-19T07:22:15.259Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="2000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/9hpsvesu/11-rooppur-nuclear-power-plant-pabna-28042026.jpg" width="3000"><media:title type="html"><![CDATA[ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/9hpsvesu/11-rooppur-nuclear-power-plant-pabna-28042026.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <a class="cta-anchor" href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/3i2rc8m6ov" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">আগের পর্ব</span></a><p>পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ খুব একটা বেশি নয়, মাত্র কয়েক শতাংশ। এর কারণ হলো চেইন রিঅ্যাকশন যাতে খুব দ্রুত সংঘটিত না হতে পারে, কোন দুর্ঘটনা পরিস্থিতি যাতে না ঘটে এবং নিজস্ব প্রয়োজন মতো চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।</p><p>প্রিয় বন্ধু, তোমার কি মনে হয়, কোন ধরনের নিউট্রন দ্রুত না মন্থর ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াসকে ভাঙ্গতে বেশি কার্যকরী? তুমি হয়তো দ্রুত নিউট্রনের কথা ভাবছ। কিন্তু বাস্তবে মন্থর নিউট্রনগুলোই বেশি কার্যকরী। ক্ষুদ্র পরমাণুর জগতে কত অদ্ভুত জিনিসই না আমরা দেখতে পাচ্ছি!</p><p>যদি মন্থর নিউট্রনগুলো ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াস ভাঙ্গার ক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী হয়ে থাকে তবে আমাদের লক্ষ্য হবে দ্রুত নিউট্রনগুলোকে মন্থর নিউট্রনে রূপান্তর করা! এ জন্য ব্যবহৃত হয় গ্রাফাইট অথবা পানি। এগুলোর প্রভাবে নিউট্রনের গতি অনেকগুণ কমে আসে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/1fa2rejh/3802049e_fa66_4c60_b3ae_2e170881dcee.png" /></figure><p>যেমনটি আমরা দেখি মানুষের ক্ষেত্রে যখন সে বুক পানিতে দৌড়ানোর চেষ্টা করে। যে সকল পারমাণবিক চুল্লিতে গতি মন্থরকারী পদার্থ ব্যবহৃত হয় সেগুলো স্লো নিউট্রন বা থার্মাল নিউট্রন রিঅ্যাক্টর হিসেবে পরিচিত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/tt2b11cfpe">পারমাণবিক ফিউশন: পরবর্তী জ্বালানি বিপ্লব</a></aside><blockquote>বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ছিল স্লো নিউট্রন রিঅ্যাক্টর। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার মস্কো শহরের অদূরে অবনিনস্কে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়।</blockquote><p>জেনে রাখা ভালো, এমন চুল্লিও রয়েছে যেগুলোতে ব্যবহৃত হয় দ্রুত গতির নিউট্রন। রাশিয়ার উড়াল অঞ্চলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এখনও সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে এমন একটি এবং বিশ্বের একমাত্র 'ফাস্ট' রিয়‍্যাক্টর। পদার্থবিদরা স্লো নিউট্রন রিয়‍্যাক্টর নিয়েই প্রথম কাজ শুরু করেছিলেন। বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ছিল স্লো নিউট্রন রিঅ্যাক্টর। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার মস্কো শহরের অদূরে অবনিনস্কে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়।</p><p>নিউট্রনের সাহায্যে পরমাণুর নিউক্লিয়াসতো ভাঙ্গা হলো.... তার পর কী? ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে দুটি নতুন পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই টুকরোগুলো হচ্ছে স্ট্রোনসিয়াম ধাতু এবং ভারী গ্যাস জেননের পরমাণুর নিউক্লিয়াস। আশ্চর্য ব্যাপার তাই না? একটি পদার্থ ভেঙ্গে এমন দুটি পদার্থ তৈরি হলো যেগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক পদার্থটির কোন মিলই নেই!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/bcqyxm4j8k">পারমাণবিক বোমার ধ্বংসস্তূপে যেভাবে জন্ম নিল একটি নতুন পদার্থ</a></aside><blockquote>বিদ্যুৎ মোটরের সাহায্যে জাহাজের প্রপেলার ঘুরায়। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা ইলেকট্রিক তারের সাহায্যে বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে।</blockquote><p>নিউক্লিয়াসের টুকরোগুলো নিউট্রনের মতোই দ্রুত গতিতে ছুটতে থাকে। কিন্তু নিউট্রনের মতো তারা অন্য পরমাণুকে আঘাত করে নিউক্লিয়াসকে ভেঙ্গে ফেলে না। টুকরোগুলোর আঘাতে পরমাণুগুলোতে কম্পনের সৃষ্টি হয়। এই কম্পন ক্রমান্বয়ে দ্রুত হতে থাকে এবং যে জ্বালানি রডে এই পরমাণুগুলো অবস্থান করে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক সময় জ্বালানি রডটি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠে যে যদি এর সংস্পর্শে পানিসহ কোন পাত্র রাখা হয় তবে সেই পানি নিমিষেই বাষ্পীভূত হয়ে যাবে।</p><p>বিদ্যুৎ শক্তি পাওয়ার জন্য আমাদের এই বাষ্পেরই দরকার ছিল। বাষ্প টারবাইনকে ঘুরাতে সাহায্য করে। টারবাইন বিদ্যুৎ জেনারেটরকে সচল করে এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। বিদ্যুৎ মোটরের সাহায্যে জাহাজের প্রপেলার ঘুরায়। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা ইলেকট্রিক তারের সাহায্যে বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এই বিদ্যুতের সাহায্যেই বাসগৃহ, রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে আলো জ্বলে। বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক বিস্তৃত। আমাদের জীবনে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয় এই বিদ্যুৎ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি অনেক স্বাচ্ছন্দ্যও বয়ে আনে সকলের জন্য।</p><h4>কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম</h4><h4>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ</h4><h4>বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন </h4><h4>এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং</h4><h4>পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/ue1eo8y1w0">যদি পারমাণবিক হামলা হয়…</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বৃষ্টি</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/jvb12zfmej</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/jvb12zfmej#comments</comments><guid isPermaLink="false">1360457f-ee5a-4719-901a-e0f9b0460c5c</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হুমায়ূন আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1497601</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রাথমিক শান্তি চড়থাপড় একদফা হয়েছে। বালক এই ধরনের শাস্তিকে হিসাবের মধ্যে ধরে না। বালকের মাতা এই তথ্য জানেন বলে মানসিক শান্তির দিকে গেলেন। ঘোষণা করা হলো, এখন থেকে সবাই প্লেটে]]></description><media:keywords>বিচিত্র কিআ,আরও কিআ,গল্প কিআ</media:keywords><media:content height="988" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/17httez5/ArtM04.jpg" width="1400"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/17httez5/ArtM04.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>২০১২ সালের এপ্রিল মাসে কিশোরদের জন্য নববর্ষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল প্রথম আলো। কিশোর আলোর পূর্বসূরী বলা চলে এই সংখ্যাটাকে। এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বের হবে কিশোর আলো। সেই সংখ্যায় লিখেছিলেন প্রখ্যাত সব লেখকেরা। আসছে ১ অক্টোবর কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন। জন্মদিনের আনন্দ পাঠকের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে নববর্ষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে লেখা প্রকাশিত হবে শুধু কিশোর আলো অনলাইনে। প্রথম লেখা হিসেবে থাকল, হুমায়ূন আহমেদের রোমাঞ্চকর শৈশবের গল্প। লেখাটি পত্র-পত্রিকায় ও কিছু শৈশব বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে।</blockquote><p>ছ -য়-সাত বছরের একটি বালক জানালার শিক ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে বৃষ্টি দেখছে। সিলেটের বিখ্যাত 'বৃষ্টি। ফিনফিনে ইলশেগুঁড়ি না, ঝুমবৃষ্টি। এই বৃষ্টি একনাগাড়ে সাত দিন পর্যন্ত চলতে পারে। ছেলেটি বৃষ্টি দেখছে,</p><p>তবে তার দৃষ্টিতে মুগ্ধতা নেই, বিস্ময়বোধ নেই, আছে দুঃখবোধ ও হতাশা। তাকে সারা দিনের জন্য আটকে রাখা হয়েছে। আজ সে ঘর থেকে বের হতে পারবে না। সে একটি গুরুতর অপরাধ করেছে। কাঠের সিন্দুকের ওপর পাঁচটা চিনামাটির প্লেট রাখা ছিল, সব কটা একসঙ্গে ভেঙেছে। বাসায় আর কোনো প্লেট নেই।</p><p>প্রাথমিক শান্তি চড়থাপড় একদফা হয়েছে। বালক এই ধরনের শাস্তিকে হিসাবের মধ্যে ধরে না। বালকের মাতা এই তথ্য জানেন বলে মানসিক শান্তির দিকে গেলেন। ঘোষণা করা হলো, এখন থেকে সবাই প্লেটে করে খাবে, বালক খাবে মেঝেতে। মেঝের একটা অংশ পরিষ্কার করে রাখা হবে, সেখানেই ভাত-তরকারি দেওয়া হবে।</p><p>বালক এই মানসিক শান্তিও আমল দিল না। কারণ, সে জানে এই কাজটি করা হবে না। সে এই বয়সেই বুঝে গেছে, বড়দের কথা এবং কাজ এক না। একটি দরিদ পরিবারের কাছে পাঁচটা চিনামাটির প্লেট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, এটা বোঝা গেল যখন বালককে ছুটির দিনে বন্দী করে রাখা হলো।</p><p>বন্দী ঠিকমতো শাস্তি ভোগ করছে কি না তা তার ভাইবোনেরা এবং কাজের ছেলে রফিক মাঝেমধ্যে উঁকি দিয়ে দেখে যাচ্ছে। সবচেয়ে আনন্দিত রফিক। তার মুখ ভর্তি হাসি। এই বাসার যেকোনো শিশুকে শাস্তি পেতে দেখলে সে বিমল আনন্দ উপভোগ করে।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/yaj2e5fpj0">হুমায়ূন আহমেদ বললেন, একুশের বইমেলা হবে, লোকেদের ভিড়, আড্ডা, আমি সেখানে থাকব না!</a></aside><p>দুপুরের ভাত খাবার সময়</p><p>বালককে মুক্তি দেওয়া হলো। সে ছুটে বের হয়ে গেল। প্রথম কিছুক্ষণ বৃষ্টিতে লাফালাফি করল;</p><p>তারপর দৌড়ে রাস্তা পার হলো। রাস্তার ওপাশেই মাঠ। মাঠে কিছু নিচু জায়গা আছে, সেখানে পানি জমেছে। পানির ওপর ঝাঁপাঝাঁপি করা যায়। মাথার ওপর ঝুমবৃষ্টি, পায়ের নিচে পানি-কী আনন্দ। বালককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছাতা দিয়ে রফিককে পাঠানো হলো। সে গম্ভীর মুখে কিছুক্ষণ বালকের লাফালাফি দেখল; তারপর ছাতা বন্ধ করে নিজেও ঝাঁপাঝাঁপিতে যুক্ত হলো। যুক্ত কেনই বা হবে না? রফিক বালকের চেয়ে দু-এক বছরের বড়। বৃষ্টিবিলাস থেকে সে কেন নিজেকে দূরে রাখবে।</p><p>রফিকের নেতৃত্বে বৃষ্টিযাপনের অর্থ হলো একের পর এক দুঃসাহসিক অভিযান। তার একটি হচ্ছে-দেয়াল টপকে প্রফেসর সাহেবের বাড়িতে ঢোকা (অধ্যাপক, এমসি কলেজ)। প্রফেসর সাহেবের বাগান ভর্তি আমগাছ। ঝড়-বৃষ্টিতে গাছতলায় নিশ্চয়ই অনেক আম পড়েছে।</p><p>অভিযান সফল হলো। পকেট ভর্তি আম নিয়ে বালক পরবর্তী অভিযানে বের হলো। পাকা 'পুসকুনি'তে গোসল। পাকা পুসকুনিতে সব দিন স্নানের সুযোগ হয় না। বড় কেউ সঙ্গে গেলেই সুযোগ হয়। তখনো সমস্যা, বড়দের কারণে মনের আশ মিটিয়ে পানিতে ডুবাডুবি খেলা যায় না।</p><p>মহানন্দে পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপির একপর্যায়ে রফিক লক্ষ করল, ছাতাটা সঙ্গে নেই। পরবর্তী অভিযান ছাতা খুঁজে বের করা।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/comics/h868vcky1z">আহসান হাবীবের কমিকস 'পটলা-ক্যাবলা'</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/tlb5l8i4vv">ম্যাজিশিয়ান হুমায়ূন আহমেদ</a></aside><p>শুকনা। ছাতা হারানো গেছে, না জানি কী হয় সন্ধ্যার আগে আগে তারা বাসায় ফিরল। দুজনের মুখ বস্তুই আশ্চর্যের ব্যাপার, ছাতা নিয়ে কেউ একটা কথাও বলল না। মনে হয় বাসার কেউ রফিকের ছাতা নিয়ে বের হওয়ার বিষয়টা জানে না। সারা দিন বৃষ্টিতে ভেজার জন্য কোনো শান্তি হলো না।</p><p>পারিবারিক আদালতের প্রধান বিচারপতি, বালকের বাবা, অপরাধের সব ফিরিস্তি শোনার পর কিছই বললেন না। রেডিওর নব ঘোরাতে লাগলেন। এই সময়ে 'আকাশবাণী' থেকে নাটক প্রচার করা হয়। তিনি নাটক শুনতেই বেশি আগ্রহী। বালক তখনো নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। তার ধারণা, শান্তির ব্যবস্থা হবে রেডিওর নব ঘোরানো শেষ হওয়ার পর। নব ঘোরানো একসময় শেষ হলো। প্রধান বিচারপতি বালকের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত গলায় বললেন, দাঁড়িয়ে আছিস কী জন্য?</p><p>বালকের মা রাগী গলায় বললেন, এতক্ষণ তোমাকে কী বললাম? প্রধান বিচারপতি বললেন, কী বলেছ?</p><p>কী বলেছি তুমি জানো না?</p><p>না। আবার বলো।</p><p>মা উঠে চলে গেলেন। প্রধান</p><p>বিচারপতি পুত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, তোর মা কি রাগ করে উঠে চলে গেল?</p><p>পুত্র হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়ল।</p><p>তোর মায়ের রাগ ভাঙানোর ব্যবস্থ করতে হবে। জোরেশোরে বৃষ্টি নামলে বলবি-গুষ্টিসুদ্ধ বৃষ্টিতে ভিজব। বৃষ্টিতে ভিজলে কী হয়, জানিস?</p><p>না। গায়ের ঘামাচি মরে। তোর কি</p><p>ঘামাচি আছে?</p><p>গা ভর্তি ঘামাচি।</p><p>কোনো চিন্তা নাই, ঘামাচি ধ্বংসের ব্যবস্থা করছি। বৃষ্টিটা ভালোমতো নামতে দে।</p><p>পাঠক, উপন্যাসের মতো কি লাগছে? মনে হচ্ছে কি ঔপন্যাসিক একটা পারিবারিক উপন্যাস ফেঁদেছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই নাটকীয় ঘটনা ঘটবে। কাহিনি এগোবে তরতর করে।</p><p>উপন্যাস লিখছি না। নিজের শৈশবের কথাই লিখছি। পঞ্চাশ বছর আগেকার কথা। সবকিছু হুবহু মনে</p><p>নেই। যেসব জায়গা মনে নেই, সেসব জায়গায় Fill up the blank করেছি। লেখকের স্বাধীনতাও ব্যবহার করেছি, তবে যেটুকু না করলেই নয় শুধু ততটুকুই। উদাহরণ দিই-সারা দিন রফিককে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা, ছাতা হারানো-সব ঠিক আছে। এত বড় অপরাধের পর কোনো শাস্তি হয়নি, তাও ঠিক আছে। শাস্তির বদলে ওই রাতেই যে আবারও সবাই মিলে বৃষ্টিস্নান উৎসব করেছে, তাও ঠিক আছে। শুধু শান্তিবিষয়ক কথোপকথন তৈরি করা-কারণ, কেন শাস্তি হয়নি, সেটা মনে করতে পারছি না।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/entertainment/0yjhl2trvi">খুদে ভক্তের জন্য কেন কেঁদেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/interview/‘উন্মাদ’-পড়ে-কাউকে-হাসতে-দেখিনি-তবে-অনেককেই">বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিলেন, এটা আমার কাছে পুরস্কার পাওয়ার চেয়েও আনন্দময় — আহসান হাবীব</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>নিউক্লিয় বল বলতে কি বুঝায়</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/3i2rc8m6ov</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/3i2rc8m6ov#comments</comments><guid isPermaLink="false">ed853547-e4c0-4439-969e-2ceddbfc677f</guid><pubDate>Thu, 17 Sep 2026 08:30:33 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-17T08:30:33.268Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="415" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/yx8b6x7e/images.jpg" width="739"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রোটনগুলোর পারস্পরিক বিকর্ষণ ঠেকিয়ে নিউক্লিয়াসে একসঙ্গে ধরে রাখে নিউক্লীয় বল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/yx8b6x7e/images.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <a class="cta-anchor" href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/vdat8vmqe3" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">আগের পর্ব</span></a><p>কল্পনা কর যে, পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে দুটি করে প্রোটন ও নিউট্রন রয়েছে। এগুলোকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে দুটি ইলেকট্রন। তুমি কি জানো, এটা কিসের পরমাণু? এই পরমাণুটি হচ্ছে হিলিয়ামের- যা সম্পূর্ণ নতুন একটি গ্যাস, যার সঙ্গে হাইড্রোজেন গ্যাসের কোনই মিল নেই, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এরা বিপরীতধর্মী। হাইড্রোজেনের পরমাণু অনেক সামাজিক; কারণ এটি সহজেই অন্যান্য পরমাণুর সঙ্গে মিলিত হতে পারে। কিন্তু হিলিয়ামের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একেবারেই ভিন্ন। হিলিয়ামের পরমাণু অন্যকোন পদার্থের পরমাণুর সঙ্গে মিলিত হতে অনিচ্ছুক।</p><p>কি অদ্ভুত এই পরমাণু জগৎ! হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটি নিউট্রন যোগ করার ফলে পরমাণুটি কিছুটা ভারী হয়ে গেলেও এটি হাইড্রোজেনই থেকে যায়। আরো একটি নিউট্রন যোগ করলে পরমাণুটি আরো ভারী হয়ে যাবে, কিন্তু এর হাইড্রোজেন জাতীয় গুণাগুণে কোন পরিবর্তন আসবে না। কিন্তু একটি প্রোটন যোগ করার সঙ্গে সঙ্গে যেন জাদুদণ্ডের স্পর্শে সম্পূর্ণ ভিন্ন গুণাগুণসম্পন্ন নতুন একটি পরমাণুর আবির্ভাব ঘটে। প্রোটনের আকার ও ভর নিউট্রনের মতোই, তবে পার্থক্য এই যে, প্রোটনের চার্জ ধনাত্মক আর নিউট্রনের কোন চার্জ নেই। অর্থাৎ নিউট্রন হচ্ছে চার্জ নিরপেক্ষ। অতএব, পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন যোগ করলে বা বের করে নিলে নিউক্লিয়াসের ইলেকট্রিক চার্জের কোন পরিবর্তন ঘটে না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/c4dks0mbdr">পরমাণুর গঠন কেমন</a></aside><blockquote>হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটি নিউট্রন যোগ করার ফলে পরমাণুটি কিছুটা ভারী হয়ে গেলেও এটি হাইড্রোজেনই থেকে যায়। আরো একটি নিউট্রন যোগ করলে পরমাণুটি আরো ভারী হয়ে যাবে।</blockquote><p>পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন যোগ করার ফলে এটির ইলেকট্রিক চার্জ দ্বিগুন হয়ে যায়। পরমাণুর গুণাগুণ সর্বপ্রথমে নির্ভর করে নিউক্লিয়াসের চার্জের ওপর।</p><p>প্রশ্ন জাগে ধনাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও একই নিউক্লিয়াসে কিভাবে একাধিক প্রোটন অবস্থান করে?তোমার নিশ্চয়ই মনে আছে যে, একই ধরনের চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে প্রোটনগুলো একসঙ্গে থাকার কথা নয় এবং সাধারণ হিসেবে নিউক্লিয়াস অবশ্যই ভেঙ্গে যেতে বাধ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/jqcpru9i/P1.png" /></figure><p>কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটি ভিন্ন। নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে যায় না। অধিকন্তু, অনেক পরমাণুর নিউক্লিয়াস আশ্চর্যজনকভাবে স্থির ও শক্ত গাঁথুনিতে বাঁধা। নিশ্চই কোন একটি শক্তি রয়েছে যা প্রোটনগুলোকে নিউক্লিয়াসে একসঙ্গে থাকতে বাধ্য করে; যদিও এরা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে থাকে। পদার্থবিদরা এই শক্তির নাম দিয়েছেন নিউক্লীয় বল।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/fs4hsyn7hi">দুর্বল নিউক্লীয় বল কী, এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ</a></aside><blockquote>নিশ্চই কোন একটি শক্তি রয়েছে যা প্রোটনগুলোকে নিউক্লিয়াসে একসঙ্গে থাকতে বাধ্য করে; যদিও এরা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে থাকে। পদার্থবিদরা এই শক্তির নাম দিয়েছেন নিউক্লীয় বল।</blockquote><p>এখন চল হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আরো চারটি করে প্রোটন ও নিউট্রন যুক্ত করি। এখন কি দাঁড়াল? নিউক্লিয়াসে এখন ছয়টি করে প্রোটন ও নিউট্রন রয়েছে। তোমার মতে এই নিউক্লিয়াসকে ঘিরে কয়টি ইলেকট্রন আবর্তিত হওয়া উচিত? হ্যাঁ ঠিক বলেছো, ছয়টি। নিউক্লিয়াসে যে কয়টি প্রোটন রয়েছে ততো সংখ্যকই রয়েছে ইলেকট্রন। এখন তুমি পেয়ে গেলে কার্বনের পরমাণু, যে বস্তুটির সঙ্গে তোমার নিয়মিত যোগাযোগ ঘটছে। উদাহরণস্বরূপ গ্রাফাইটের তৈরি পেন্সিলের শীষ। আর এই গ্রাফাইট তৈরি হয়েছে কার্বন পরমাণু দিয়ে।</p><p>আরো ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস সংযোজন সম্ভব। যেমন লোহা, যার নিউক্লিয়াসে ২৬টি প্রোটন ও ৩০টি নিউট্রন রয়েছে। সিলভারের ক্ষেত্রে প্রোটনের সংখ্যা ৪৭টি এবং নিউট্রনের সংখ্যা ৬১টি। সোনার নিউক্লিয়াসে রয়েছে ৯৭টি প্রোটন ও ১১৮টি নিউট্রন। ইউরেনিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে এদের সংখ্যা কত?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/vb8nuu0v/9daed487_b5f4_4db7_8330_a91dd20bfd1f.jpg" /></figure><p>ইউরেনিয়ামের পরমাণুকে আরো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা যায়। যে কোন পরমাণুর মতোই এটির কেন্দ্রে রয়েছে নিউক্লিয়াস, যার চারদিকে একটি সম্মানজনক দূরত্ব রেখে আবর্তিত হচ্ছে হালকা ইলেকট্রন। নিউক্লিয়াসে ঠাসাঠাসি করে অবস্থান করছে প্রোটন ও নিউট্রন। ইউরেনিয়ামের অধিকাংশ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে রয়েছে ৯২টি প্রোটন ও ১৪৬টি নিউট্রন (মোট ২৩৮)। কিন্তু কিছুসংখ্যক নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা ৯২টি হলেও নিউট্রনের সংখ্যা তিনটি কম, মাত্র ১৪৩টি (মোট ২৩৫)।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/5pp3jtorq8">ইউরেনিয়াম থেকে কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় </a></aside><blockquote>অন্য পরমাণুর মতোই ইউরেনিয়ামের কেন্দ্রে রয়েছে নিউক্লিয়াস, যার চারদিকে একটি সম্মানজনক দূরত্ব রেখে আবর্তিত হচ্ছে হালকা ইলেকট্রন। নিউক্লিয়াসে ঠাসাঠাসি করে অবস্থান করছে প্রোটন ও নিউট্রন।</blockquote><p>তোমার নিশ্চই মনে আছে, যে সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়; সেগুলোকে বলা হয় আইসোটোপ। পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা 'ভর সংখ্যা' হিসেবে পরিচিত এবং আইসোটোপের নামের সঙ্গে এই সংখ্যাটি যুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ ইউরেনিয়াম-২৩৮ ও ইউরেনিয়াম-২৩৫। প্রকৃতিতে ইউরেনিয়াম-২৩৮ এর তুলনায় ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর উপস্থিতি অনেক কম।</p><p>প্রিয় বন্ধু, আমরা এখন মূল বিষয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। এখন আমরা বুঝতে পারব কিভাবে পারমাণবিক শক্তি পাওয়া যায়। তুমি কি জানো, পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে কেন শুধুমাত্র ইউরেনিয়াম-২৩৫ ব্যবহার করা সম্ভব? কারণ হলো, এই পরমাণুর একটি বিস্ময়কর গুণ রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পরমাণুটি আপনা আপনি ভেঙ্গে দুটি টুকরো হয়ে যায়। এর ফলে নিউক্লিয়াস থেকে দুটি বা তিনটি নিউট্রন মুক্ত হয়ে প্রচণ্ড গতিতে ছুটতে থাকে- প্রতি সেকেন্ডে লাখ কিলোমিটারেরও বেশি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/qshctac8/Untitled_2.png" /></figure><p>যখনই এই দ্রুত গতিসম্পন্ন নিউট্রন অন্য একটি ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়াসে এসে আঘাত করে তখনই নিউক্লিয়াসটি ভেঙ্গে দুই টুকরো হয়ে যায়। মুক্ত হয় আরো নিউট্রন। নতুন এই নিউট্রনগুলো অন্য নিউক্লিয়াসে আঘাত করে এবং দুই টুকরো করে দেয়। এভাবে মুক্ত নিউট্রনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভেঙ্গে যাওয়া নিউক্লিয়াসের সংখ্যাও। এটাই হচ্ছে চেইন রিঅ্যাকশন। এই চেইন রিঅ্যাকশনের ফলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয় এবং প্রক্রিয়াটি ক্রমান্বয়ে তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। যার ফলে এক সময় বিস্ফোরণও ঘটতে পারে।</p><h4>কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম</h4><h4>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ</h4><h4>বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন </h4><h4>এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং</h4><h4>পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/ইউরেনিয়াম-শব্দটি-যেভাবে-পেলাম">ইউরেনিয়াম শব্দটি যেভাবে পেলাম </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পরমাণু কণিকাগুলোর পারস্পরিক বন্ধন</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/vdat8vmqe3</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/vdat8vmqe3#comments</comments><guid isPermaLink="false">ed9251e7-4210-4a6b-a203-f6d176a697f0</guid><pubDate>Wed, 16 Sep 2026 09:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-16T09:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="391" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/7l5cscmn/images.jpg" width="783"><media:title type="html"><![CDATA[ সাধারণত পরমাণুর কোন ইলেকট্রিক চার্জ প্রকাশ পায় না]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/7l5cscmn/images.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <a class="cta-anchor" href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/c4dks0mbdr" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">আগের পর্ব</span></a><p>পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে অনবরত আবর্তিত হয় ইলেকট্রন। মনে হয় যেন ইলেকট্রনটি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে একটি অদৃশ্য সুতার দ্বারা বেঁধে রাখা হয়েছে! এই অদৃশ্য সুতাটি হচ্ছে ইলেকট্রিক শক্তি। কোথা থেকে এলো এই শক্তি?</p><p>প্রিয় বন্ধুরা, চলো একটি গল্প শোনা যাক। আড়াই হাজার বছরেরও পূর্বে প্রাচীন গ্রিসের মিলেট শহরে বাস করতেন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক ফালেস। একদিন ফালেসের কন্যা চরকায় পশম দিয়ে উল বুনছিলেন। চরকাটি ছিল অ্যাম্বারের তৈরি। হঠাৎ করে তিনি খেয়াল করে দেখলেন যে, পশমগুলো প্রায়শই চরকার গায়ে লেপটে যাচ্ছে। ব্যাপারটি বাবাকে জানানোর পর ফালেস ভাবলেন হয়তো তার কন্যা ভুল করছে! নিজেই পরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি দেখলেন যে, পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার শুধুমাত্র পশম নয়, সুতা, চুলসহ বিভিন্ন বস্তুকেও আকর্ষণ করছে।</p><p>গ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হলো 'ইলেকট্রন'। পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করার যে গুণ অর্জন করে বহুবছর পরে তার নাম দেয়া হলো ইলেকট্রিসিটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/mp4h65q9/Untitled_4.png" /></figure><p>এরই মধ্যে জানা গেল যে, সিল্কের রুমালের সাহায্যে কাঁচের দণ্ডকে ঘষার পর এটিও বিভিন্ন হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করতে শুরু করবে। মজার ব্যাপার হলো, যদি অ্যাম্বারের দুটি টুকরোকে পশমের সাহায্যে ঘর্ষণ করা হয় তবে টুকরো দুইটি পরস্পরকে বিকর্ষণ করতে শুরু করবে। তেমনিভাবে কাঁচের দুটি দণ্ডকে যদি সিল্কের রুমালের সাহায্যে ঘর্ষণ করা হয় তবে তারাও পরস্পরকে বিকর্ষণ করবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই অ্যাম্বারের টুকরো ও কাঁচের দণ্ড পরস্পরকে আকর্ষণ করে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4axl9hpdnl">ইলেকট্রন কি মার্বেলের মতো গোলাকার</a></aside><blockquote>গ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হলো ইলেকট্রন। পশম দ্বারা ঘর্ষণের ফলে অ্যাম্বার হালকা বস্তুকে আকর্ষণ করার যে গুণ অর্জন করে বহুবছর পরে তার নাম দেয়া হলো ইলেকট্রিসিটি।</blockquote><p>বিজ্ঞানিরা সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, পশম দ্বারা ঘর্ষিত অ্যাম্বার এবং সিল্কদ্বারা ঘর্ষিত কাঁচের মধ্যে যে ইলেকট্রিসিটির উদ্ভব হয় তারা ভিন্ন ধর্মের। কাঁচের বিদ্যুৎকে প্লাস (+) এবং অ্যাম্বারের বিদ্যুৎকে মাইনাস (-) হিসেবে চিহ্নিত করা হলো। অ্যাম্বারের ইলেকট্রিসিটি আগে আবিষ্কৃত হলেও এটিকে মাইনাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়তো ঠিক হয়নি, কিন্তু এখনতো আর কিছুই করার নেই। কিছুই আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।</p><p>অনেক পরে বিজ্ঞানিরা প্রমাণ করে দেখালেন যে, প্রকৃতিতে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত অতিক্ষুদ্র কণিকা রয়েছে, যাকে তারা নাম দিয়েছেন ইলেকট্রন (নিশ্চই মনে আছে যে গ্রিক ভাষায় অ্যাম্বার হচ্ছে ইলেকট্রন)।</p><p>এখন বুঝা গেল যে, পশম দ্বারা অ্যাম্বারের ঘর্ষণের ফলে কি ঘটে! অ্যাম্বারে বহুসংখ্যক ইলেকট্রন জড়ো হওয়ার কারণে এটি ঋণাত্মক চার্জ অর্জন করে।</p><p>প্রশ্ন হলো, এই ইলেকট্রন কোথা থেকে আসে? পশম থেকে কি? অবশ্যই। একই সঙ্গে ইলেকট্রন হারিয়ে পশম ধনাত্মক চার্জ অর্জন করে।</p><p>তুমি কি ধনাত্মক চার্জযুক্ত হতে চাও? এটা খুবই সোজা... চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে চুল থেকে যথাসম্ভব বেশি সংখ্যক ইলেকট্রন ঝেড়ে ফেল। এ জন্য একটি চিরুনি দিয়ে মাথার চুল কয়েকবার আঁচড়ে নাও। তবে মনে রেখ, চুলগুলো যাতে শুকনা থাকে এবং চিরুনিটি হয় প্লাস্টিকের তৈরি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/znp6yti2mr">ইলেকট্রন কি লাটিমের মতো ঘোরে</a></aside><blockquote>পদার্থবিদরা অনুমান করলেন যে, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কিছু একটা রয়েছে এবং এর চার্জের পরিমাণ ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের সমান।</blockquote><p>চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে ইলেকট্রন ঝেরে ফেলা... শুনতে খুব অদ্ভুত লাগে, তাই না? আঁচড়ানোর ফলে সত্যিকার অর্থেই চুল থেকে ইলেকট্রন চিরুনিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে চিরুনিটি ঋণাত্মক এবং চুল ধনাত্মক চার্জ অর্জন করেছে। এখন দেখলেতো ধনাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া কত সহজ!</p><p>এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ইলেকট্রনের ইলেকট্রিক চার্জের পরিমাণ অতি নগণ্য। পৃথিবীতে এর চাইতে কম চার্জযুক্ত কোন কিছু বিজ্ঞানিরা অদ্যাবধি খুঁজে পাননি।</p><p>ইলেকট্রন আবিষ্কারের পর আরো জানা গেল যে, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এই ক্ষুদ্র কণিকাগুলো প্রতিটি পরমাণুতেই রয়েছে। যদি তাই হয়, পরমাণুও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটি মোটেই তা নয়। সাধারণত পরমাণুর কোন ইলেকট্রিক চার্জ প্রকাশ পায় না। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/8ts67gtq/Untitled_2.png" /></figure><p>উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটি ইলেকট্রন রয়েছে, কিন্তু পরমাণুটি কোন চার্জ বহন করে না। কি কারণ রয়েছে এর পিছনে? পরমাণুতে অবস্থিত ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জ কোথায় গেল?</p><p>না কোথাও যায়নি। পদার্থবিদরা অনুমান করলেন যে, হাইড্রোজেনের পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কিছু একটা রয়েছে এবং এর চার্জের পরিমাণ ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের সমান। এর ফলে পরমাণুটি ধনাত্মক বা ঋণাত্মক কোন চার্জই বহন করে না। ধনাত্মক চার্জযুক্ত যে কণিকাটির কথা বলা হচ্ছে তা হলো প্রোটন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/dqk42mhiqc">পরমাণুতে সমান সংখ্যক ইলেকট্রন ও প্রোটন থাকে কেন</a></aside><blockquote>ইলেকট্রন আবিষ্কারের পর আরো জানা গেল যে, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এই ক্ষুদ্র কণিকাগুলো প্রতিটি পরমাণুতেই রয়েছে। যদি তাই হয়, পরমাণুও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হওয়া উচিত।</blockquote><p>এখন কি তোমার কাছে পরিষ্কার, কোন ইলেকট্রিক সুতা ইলেকট্রন এবং প্রোটনকে এক সঙ্গে বেঁধে রেখেছে? ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণিকা ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণিকাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। ইলেকট্রন ও প্রোটনের চার্জের পরিমাণও সমান। অতএব, পরমাণুর ভিতরে প্রোটন অদৃশ্য ইলেকট্রিক সুতার সাহায্যে একটি মাত্র ইলেকট্রনকে ধরে রাখতে সক্ষম। পরমাণুতে যদি আরো একটি ইলেকট্রন স্থাপনের চেষ্টা করা হয়- তবে তা ছুটে বেরিয়ে যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/k4qprmi3/Untitled_3.png" /></figure><p>পরমাণুতে যদি অতিরিক্ত ইলেকট্রন স্থাপন করতে হয় তবে প্রথমেই নিউক্লিয়াসে আরো একটি প্রোটন যোগ করতে হবে। তখনই দ্বিতীয় ইলেকট্রনটি ধরে রাখা সম্ভব হবে।</p><h4>কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম</h4><h4>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ</h4><h4>বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন </h4><h4>এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং</h4><h4>পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/inou1qffca">ইলেকট্রন কি কক্ষপথে ঘোরে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পরমাণুর গঠন কেমন</title><link>https://www.bigganchinta.com/physics/c4dks0mbdr</link><comments>https://www.bigganchinta.com/physics/c4dks0mbdr#comments</comments><guid isPermaLink="false">2d4019d4-0205-4212-92a3-2591dbbd85c3</guid><pubDate>Tue, 15 Sep 2026 09:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-15T09:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা,ছোটদের বিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="535" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/lxcahv3k/08197b22-0433-4b37-afd0-b2a40b7450b8.jpg" width="1024"><media:title type="html"><![CDATA[ পরমাণু জিনিসটা আসলে কি?]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/lxcahv3k/08197b22-0433-4b37-afd0-b2a40b7450b8.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>physics</category><content:encoded><![CDATA[ <p>তুমি অনেক ছোট বেলা থেকেই বিভিন্নভাবে পরমাণু, পারমাণবিক শক্তি, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পারমাণবিক যুগ এই শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত...।</p><p>তুমি হয় তো জানো যে, পরমাণু একটি অতি ক্ষুদ্র কণিকা- যা দ্বারা তৈরি আমাদের এই বিশ্বের সকল কিছু; শ্বাসপ্রশাসের জন্য বাতাস, পানীয় জল, মাটি, খাদ্য দ্রব্য, হাঁড়ি-পাতিল বাসন-কোসন, খেলনাসামগ্রী, পোশাক, বই, গাড়ি, বাড়ি, পাহাড়, মেঘ, চন্দ্র, সূর্য, তারা... সকল জীবজন্তু এমন কি তুমি, আমি ও সকল মানুষ।</p><p>তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়, পরমাণু জিনিসটা আসলে কি? এটি দেখতে কেমন? এর ভিতরে কি থাকে?</p><p>তিনটি শব্দ আমাদের মনে রাখতে হবে- যেমন 'প্রোটন', 'নিউট্রন' এবং 'ইলেকট্রন' এগুলো হচ্ছে সেই সকল ক্ষুদ্র কণিকা যা দ্বারা তৈরি হয় প্রতিটি পরমাণু।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/knmt138v/Untitled_1.png" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/st4uei6l/Untitled_2.png" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/t7cr8122/Untitled_3.png" /></figure><p>এই কণিকাগুলো এতোই ছোট যে, আমাদের পক্ষে এগুলোর আকার কল্পনা করা কঠিন। তারপরও চেষ্টা করে দেখা যাক। কল্পনা কর যে, হঠাৎ করেই পরমাণুর কণিকাগুলো আকারে অনেক অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়ে এমন আকার ধারণ করল যে, সব চেয়ে ছোট পরমাণুটি তোমার জ্যাকেটের বোতামের সমান হয়ে গেল। অনুরূপভাবে কল্পনা করা যাক যে, ছোট একটি বিড়াল ছানা পরমাণু কণিকাগুলোর মতোই অত গুণ বড় হয়ে উঠল। কি হবে তাহলে? পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে যে বিশাল স্থান রয়েছে তার মধ্যেও এই বিড়ালটির জায়গা হবে না। এই বিশালকায় বিড়ালটির কাছে সূর্যকে একটি মটর দানার মতোই মনে হবে। </p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/32bimlvqmo">পরমাণু কঠিন, তরল নাকি বায়বীয়</a></aside><blockquote>হাইড্রোজেনের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যদি একটি নিউট্রন যুক্ত হয় তবে আমরা যে পরমাণুটি পাব তাকে বিজ্ঞানিরা নাম দিয়েছেন ডিউটেরিয়াম। এটি ভারী হাইড্রোজেন হিসেবেও পরিচিত।</blockquote><p>এসব অলিক কল্পনা ছাড়। প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন এবং বিড়াল ছানাটি যেমন ছিল তেমনই থাক।</p><p>পরমাণুতে যে সকল কণিকাগুলো রয়েছে তার মধ্যে প্রোটনের ওজন ইলেকট্রনের চাইতে ২,০০০ গুণ বেশি। অতএব, খুব স্বাভাবিক যে, পরমাণুর কেন্দ্রেই প্রোটনের অবস্থান। হালকা ইলেকট্রনগুলো এই প্রোটনের চারদিকে ঘুরতে থাকে, অনেকটা পৃথিবীকে ঘিরে যেমন করে উপগ্রহ আবর্তিত হয়। পরমাণুর কেন্দ্রে যা থাকে পদার্থবিদদের ভাষায় তা হচ্ছে পরমাণুর নিউক্লিয়াস।</p><p>১৯১১ সালে স্বনামধন্য ইংরেজ পদার্থবিদ আর্নেস্ট রাদারফোর্ড হঠাৎ চিৎকার করে বলে উঠলেন 'এখন আমি জানি, পরমাণু দেখতে কেমন!'</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-14/32hdfggc/Untitled_1.png" /></figure><p>কী দিয়ে তৈরি হয় একটি সাধারণ পরমাণু? এটিতে থাকে শুধুমাত্র একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন- কোন নিউট্রন থাকে না। এটিই হচ্ছে সব চেয়ে হালকা গ্যাস হাইড্রোজেনের পরমাণু। এখনকি তুমি বুঝতে পারছ কেন হাইড্রোজেন এতটা হালকা? হাইড্রোজেন বাতাসের চেয়ে ১৫ গুণ হালকা- যার ফলে হাইড্রোজেন ভর্তি বেলুন অতি সহজে বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে।</p><p>এখন প্রশ্ন হলো নিউট্রনের অবস্থান কোথায় এবং এর প্রয়োজনই বা কি? </p><p>হাইড্রোজেনের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যদি একটি নিউট্রন যুক্ত হয় তবে আমরা যে পরমাণুটি পাব তাকে বিজ্ঞানিরা নাম দিয়েছেন ডিউটেরিয়াম। এটি ভারী হাইড্রোজেন হিসেবেও পরিচিত। এখন আমরা পরমাণুতে এক সাথে তিনটি কণিকা পেলাম-প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/vh40oul169">পরমাণু খুঁড়তে গিয়ে</a></aside><blockquote>হালকা ইলেকট্রনগুলো এই প্রোটনের চারদিকে ঘুরতে থাকে, অনেকটা পৃথিবীকে ঘিরে যেমন করে উপগ্রহ আবর্তিত হয়। পরমাণুর কেন্দ্রে যা থাকে পদার্থবিদদের ভাষায় তা হচ্ছে পরমাণুর নিউক্লিয়াস।</blockquote><p>হালকা হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সঙ্গে একটি নিউট্রন যুক্ত হওয়ার ফলে এটির ভর কি পরিমাণ বৃদ্ধি পেল? চলো হিসাব করে দেখা যাক। নিউট্রনের ভর প্রোটনের ভরের প্রায় সমান। এর ফলে নিউক্লিয়াস ও পুরো পরমাণুর ভর দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে (ইলেকট্রনের ভর এতটাই কম যে- তা হিসাব না করলেও চলে)। হাইড্রোজেন পরমাণুকে আরো ভারী করে তোলা সম্ভব। ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রনের সঙ্গে যদি আরো একটি নিউট্রন যুক্ত করা হয়, তবে আমরা পাব অতি ভারী হাইড্রোজেন বা বিজ্ঞানিদের ভাষায় ট্রিটিয়াম।</p><p>ট্রিটিয়ামের পরমাণু হালকা হাইড্রোজেন পরমাণুর চাইতে তিনগুণ ভারী। তারপরও অতি ভারী ট্রিটিয়াম বাতাসের চেয়ে পাঁচগুণ হালকা।</p><p>আমরা দেখতে পেলাম যে, হালকা হাইড্রোজেনের অপেক্ষাকৃত ভারী দুটি সমগোত্রীয় প্রকারভেদ রয়েছে-ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।</p><p>কিন্তু আসলেই কি এগুলো একই রকম? হালকা হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে রয়েছে একটি প্রোটন, ডিউটেরিয়ামে একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রন এবং ট্রিটিয়ামে একটি প্রোটন এবং দুইটি নিউট্রন। এতদসত্ত্বেও কেন আমরা ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়ামকে হাইড্রোজেন হিসেবে অভিহিত করে থাকি? চলো ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করা যাক।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/chemistry/t3m00iqc22">পরমাণু আসে কোথা থেকে</a></aside><blockquote>ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রনের সঙ্গে যদি আরো একটি নিউট্রন যুক্ত করা হয়, তবে আমরা পাব অতি ভারী হাইড্রোজেন বা বিজ্ঞানিদের ভাষায় ট্রিটিয়াম।</blockquote><p>হাইড্রোজেন সহজ দাহ্য। দহনের ফলে হাইড্রোজেনের পরমাণু অক্সিজেনের পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে উৎপন্ন হয় পানি। ডিউটেরিয়ামও সহজ দাহ্য, অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ফলে পানি তৈরি হয়। ডিউটেরিয়ামের দহনের ফলে যে পানি উৎপন্ন হয় তা ভারী পানি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এটিকে সাধারণ পানির থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করা কঠিন। ট্রিটিয়াম ও অক্সিজেনের বিক্রিয়ার ফলে যে অতি ভারী পানি উৎপন্ন হয় তাও সাধারণ পানির মতোই। প্রতিটি গ্লাসের পানিতে সামান্য কিছু পরিমাণ হলেও ভারী পানি ও অতি ভারী পানি থাকে।</p><p>শুধুমাত্র অক্সিজেন নয়, অন্যান্য পদার্থের সঙ্গেও হাইড্রোজেনের তিনটি প্রকারভেদ- হালকা, ভারী ও অতি ভারী একই রকম আচরণ করে।</p><p>দেখা যাচ্ছে যে, পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন যুক্ত হওয়ার ফলে শুধু ভরই বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু এর আচরণে কোন প্রভাব পড়েনি এবং অন্যান্য পদার্থের পরমাণুর সঙ্গেও একই রকম আচরণ করছে।</p><p>সাধারণত যে কোন একটি পদার্থের সকল পরমাণুর গঠন একই রকম এবং অন্য পদার্থের পরমাণুর গঠন থেকে আলাদা। তবে একই পদার্থের বিভিন্ন পরমাণুর গঠনও আলাদা হতে পারে। গঠনের পার্থক্য গড়ে দেয় শুধু নিউট্রনের সংখ্যা। কোন একটি পদার্থের ভিন্ন সংখ্যক নিউট্রন ধারণকারী পরমাণুগুলোকে পদার্থবিদরা নাম দিয়েছেন 'আইসোটোপ'।</p><h4>কৃতজ্ঞতা: রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন- রোসাটম </h4><h4>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ </h4><h4>বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন </h4><h4>এনআইএইপি- এএসই, রাশিয়া এবং </h4><h4>পরমাণু শক্তি তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/নিউক্লিয়ার-শক্তি-ও-আইসোটোপ">নিউক্লিয়ার শক্তি ও আইসোটোপ</a></aside>]]></content:encoded></item></channel></rss>