আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

মৃত্যুপ্রতীকী ছবি

ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় অগ্নিদগ্ধের ঘটনায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন শিউলি আক্তার (৩২) মারা গেছেন। একই ঘটনায় দগ্ধ তাঁর স্বামী, ২ সন্তানসহ ১০ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শিউলি আক্তার মুন্সিগঞ্জের নিমতলীর আলাউদ্দিনের মেয়ে।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, আগুনে শিউলি আক্তারের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

স্বজনেরা বলেন, গত শুক্রবার আশুলিয়ার গোমাইল এলাকায় ভাই সুমন রহমানের ভাড়া বাসায় স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে যান শিউলি। ওই বাসায় সুমন তাঁর স্ত্রী শারমিন ও তাঁদের দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন। এ ছাড়া ওই দিন সুমনের ভাই সোহেল, সুমনের মা সূর্যবানু ও ফুফু জহুরা বেগম ওই বাসায় যান। বিকেল থেকে বাসায় রান্নাবান্না চলছিল। মশার উপদ্রবের কারণে সন্ধ্যার খানিক আগেই বাসার সব জানালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। রাত সাড়ে নয়টার দিকে রান্নাঘরে আবার গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে বিকট শব্দ হয়। মুহূর্তেই ঘরময় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাসার সবাই দগ্ধ হন। পরে তাঁদের আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

গ্যাসের লিকেজ থেকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে নিহত নারী স্বজনদের ধারণা।

চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, আগুনে সূর্যবানুর শরীরের ৭ শতাংশ, মোছা. জহুরা বেগমের ৫ শতাংশ, মো. মনির হোসেনের ২০ শতাংশ, সোহেল রানার ১০ শতাংশ, সুমন রহমানের ৯৯ শতাংশ, শারমিনের ৪২ শতাংশ, ছামিন মাহমুদের ১৪ শতাংশ, মাহাদীর ১০ শতাংশ, সোয়ায়াদের ২৭ শতাংশ ও মোছা. সুরাহার ৯ শতাংশ পুড়ে গেছে।