তিন মাসের মধ্যে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে যাবে: ডিএমপি কমিশনার
রাজধানীর গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চুনকুটিয়ার ঝিলমিল প্রজেক্টে ১০ একর জায়গায় ডিপো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে, কাজ শেষ হলেই ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাসগুলো সেখানে স্থানান্তর করা হবে।
আজ শনিবার ঢাকার মহাখালী টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এ কথা বলেছেন।
চুনকুটিয়াতে ঝিলমিল প্রজেক্টে ডিপো হিসেবে ১০ একর জায়গা পাওয়ার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সেখানে অলরেডি সরকার আমাদের অনুমতি দিয়েছে, আমরা সেখানে ডিপোর কাজ শুরু করেছি। রাজউকের মাধ্যমে সেখানে আরও প্রায় ৭৫ একর জায়গা পাওয়া যাবে, যেখানে স্থায়ীভাবে টার্মিনাল এবং ডিপো করা হবে।’
দক্ষিণবঙ্গগামী ১৯টি জেলার সব পরিবহন, ট্রাক এবং বাদামতলী আড়তের ট্রাকসহ সেখানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সেখানে মাল্টিমডেল একটি ট্রান্সপোর্ট হাব হবে। দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলার বাস থেকে শুরু করে সব পরিবহন পর্যায়ক্রমে নিয়ে যাওয়া হবে। আপাতত স্থায়ী টার্মিনাল এবং ডিপো হওয়ার আগপর্যন্ত অস্থায়ীভাবে ১০ একর জায়গায় গুলিস্তান এবং ফুলবাড়িয়ার টার্মিনালটি আমরা শিফট করব।’
কত দিনের মধ্যে এটি সম্ভব হবে, জানতে চাইলে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা আমরা সর্বোচ্চ তিন মাস সময় নিয়েছি। আশা করছি সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুলবাড়িয়া এবং গুলিস্তানের বাস সেখানে শিফট করব।’
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরে অসহনীয় যানজট এবং সড়ক পরিবহন সেক্টরের বিশৃঙ্খলায় সবাই অতিষ্ঠ। এর পরিবর্তন ঘটাতে হবে।
মহাখালীর যে পরিবর্তন আসছে, ফুলবাড়িয়া গুলিস্তান, সায়েদাবাদ এবং গাবতলীতেও আসবে উল্লেখ করে শামসুর রহমান বলেন, ‘এই ব্যবস্থা কেউ চায় না, চলতেও দেওয়া হবে না।’
এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান, পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা উপস্থিত ছিলেন।