মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে তিন মেট্রোস্টেশন কয়েক ঘণ্টা বন্ধ, চলাচলে বিঘ্ন

মিরপুর–১১ নম্বরে মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। আজ রোববার দুপুরেছবি: সাজিদ হোসেন

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে মেট্রোরেল চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে।

মিরপুরের তিনটি স্টেশন কয়েক ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বেলা দুইটার দিকে মেট্রোরেলের চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সংস্থাটির সূত্র জানায়, স্টেশনের নিচের সড়কে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ কারণে বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে মিরপুর–১০ নম্বর স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্টেশনে ঢোকা ও বের হওয়ার সব গেট বন্ধ রাখা হয়। স্টেশনে কোনো ট্রেন থামানো হয়নি। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের চলাচল বন্ধ হয়নি।

বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে কাজীপাড়া স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন এই স্টেশনে ট্রেন থামানো হয়নি।

এরপর পল্লবী স্টেশনে ট্রেন থামানো বন্ধ হয়ে যায় দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে। এ সময় এই স্টেশনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ থাকে।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল। আন্দোলনকালে স্টেশনের নিচে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় মেট্রোরেল পুলিশ ঝুঁকিপূর্ণ স্টেশনগুলোয় ট্রেন থামানো বন্ধ করার সুপারিশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ মেট্রোস্টেশনগুলোর গেট বন্ধ করে দেয়। এসব স্টেশনে ট্রেন না থামিয়ে চলাচল করে। এটিকে স্টেশন ‘স্কিপ’ বলছে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ।

মিরপুর–১১ নম্বরের মেট্রোস্টেশনের ফটক বন্ধ। বন্ধ ফটকের সামনে যাত্রীরা
ছবি: সাজিদ হোসেন

ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঝুঁকি বিবেচনায় তিনটি স্টেশনে ট্রেন ‘স্কিপ’ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে স্টেশনগুলো চালু করা হয়েছে। বেলা ১টা ৫৮ মিনিটে মেট্রোরেলের চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে। সব কটি স্টেশন খুলে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনও থামছে সব স্টেশনে।