অস্ত্র মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আবারও পেছাল

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময়, ২২ জুলাই ২০২৬ছবি: প্রথম আলো

রাজধানীর বনানী থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চতুর্থ বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে এই দিন ঠিক করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আসিফুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদালতে আমরা অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর অন্য আবেদন করি। আদালত সেটা গ্রহণ করে ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য রেখেছে।’

এর আগে গত ২৩ আগস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আসামিপক্ষের সময় চেয়ে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে আজ ২৪ সেপ্টেম্বর দিন রাখা হয়। এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে আনিসুল হককে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। তবে তাঁকে আদালতে ওঠানো হয়নি।

এই ‎‎মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিসুল ‎হক বনানী থানার অধীন নিজের নামে লাইসেন্স করা একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করেছে। সেই সঙ্গে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আনিসুল হক ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তাঁর লাইসেন্স করা অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি কিংবা থানাকে অবহিতও করেননি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসামির ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি কোনো গুলি ক্রয় করেছেন—এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন সংশ্লিষ্ট থানার উপপরিদর্শক জানে আলম দুলাল। মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট বনানী থানার উপপরিদর্শক ইয়াদুল হক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।