আগের ম্যাচে নটিংহামের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির জয় ৬-০ গোলে। তার আগের ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়েছে ৪-২ গোলে। তবে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে গোলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেনি পেপ গার্দিওয়ালার দল। করেছে মাত্র একটি গোল, পয়েন্টও হারিয়েছে। ড্র করেছে ১-১ গোলে। ছয় ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে আছে সিটি। এক ম্যাচ কম খেলা আর্সেনাল ১৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে।
সিটি এদিন শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত ভিলা। যদিও সে সুযোগ তাঁরা কাজে লাগাতে পারেনি। সুযোগ নষ্ট করেছে সিটিও। ম্যাচের ১৪ মিনিটে ডি ব্রুইনার দারুণ ক্রস কাজে লাগাতে পারেনি হলান্ড ও ইলকায় গুন্দোয়ান।
প্রথমার্ধে সিটি চার শট নিলেও গোলপোস্ট বরাবর থাকেনি একটি শটও। যদিও বল পজিশনে ঢের এগিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। আর প্রথমার্ধে পুরোটাই নিষ্প্রভ ছিলেন আগের দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা আর্লিং হলান্ড।
তবে এ গোল মেশিন দ্বিতীয়ার্ধে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। ম্যাচের ৫০ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে গোল করেছেন। যে দৃশ্যই হয়তো বারবার দেখতে চায় ম্যানচেস্টার সিটি সমর্থকেরা। ডি ব্রুইনার দারুণ এক ক্রসে পা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান এ নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। যা অনেকটা দর্শকের মতোই দেখতে হয়েছে অ্যাস্টন ভিলা গোলরক্ষক মার্তিনেজকে। যদিও ওই গোলের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ডি ব্রুইনার। সে জন্যই জেমি ক্যারাঘার বলছিলেন, ‘আবারও শিরোনামে হলান্ড, তবে এই গোলটার পুরো কৃতিত্ব ডি ব্রুইনার।’
তবে এখানেই শেষ নয়, ম্যাচ আরও জমে ওঠে ৭৪ মিনিটে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে লিওন বেইলি গোল করলে। ১- ১ গোলে সমতার পরে গোল পেতে আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন পেপ গার্দিওয়ালা। যদিও স্টিভেন জেরার্ডের কৌশলের কাছে আজ আর পেরে ওঠেননি। ম্যাচের বাকি সময়ে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ চললেও গোল আর আসেনি। যে কারণে দলীয় সাফল্যে না পেয়ে হয়তো হলান্ডের ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে গার্দিওয়ালাকে। লিগে ছয় ম্যাচ খেলে হলান্ডের গোল এখন ১০ টি। যৌথভাবে লিগে সবচেয়ে কম ম্যাচে ১০ গোল করার রেকর্ড এটি। ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে যা প্রথম করেছিলেন মিক কুইন।
৬ ম্যাচে ১০ গোল -এতটা কি ভাবতে পেরেছিল কেউ! লিগের প্রথম মাস শেষ হতে না হতেই ফুটবল বিশ্লেষকদের এখন অনেক কিছু ভাবাতে শুরু করেছেন হলান্ড।