আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের এক মাস পূর্ণ হলো আজ। তবে লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে গড়ানো রোমাঞ্চকর ফাইনাল নিয়ে আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। ম্যাচটিকে তো ফুটবল ইতিহাসেরই সেরা বলছেন কেউ কেউ।
প্রথমার্ধে আনহেল দি মারিয়া ও লিওনেল মেসির গোলে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৮০ মিনিট পর্যন্ত এই স্কোরলাইন ছিল। তখন মনে হচ্ছিল, ফ্রান্সকে বুঝি সহজেই হারাতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু এক মিনিটের ব্যবধানে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে সমতা আনে ফ্রান্স।
অতিরিক্ত সময়ে মেসির গোলে আর্জেন্টিনা আবার এগিয়ে গেলেও এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ৩–৩ সমতায় পেনাল্টি শুটআউটে চলে যায় ম্যাচ। সেখানে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের বীরত্বে সোনালি ট্রফি জিতে নেয় আলবিসেলেস্তেরা।
এ তো গেল ধ্রুপদি ফাইনালের সারসংক্ষেপ। কিন্তু ঘটনাবহুল ম্যাচটিতে আরও কত কিছুই তো ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয়েছে গোলরক্ষক মার্তিনেজের উদ্যাপন নিয়ে। সে রাতে কম যাননি ক্রিস্তিয়ান রোমেরোও। মেসির গোলে আর্জেন্টিনা ৩–২ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ২৪ বছর বয়সী এই সেন্টারব্যাক এমবাপ্পের সামনে গিয়ে ‘বুনো উদ্যাপনে’ মেতেছিলেন।
শান্ত স্বভাবের রোমেরো হঠাৎ কেন এভাবে উদ্যাপন করেছিলেন, সেটার কারণ এত দিন পর জানিয়েছেন। ‘ডি স্পোর্টস রেডিও’কে টটেনহাম ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘আমি এমবাপ্পের সামনে দাঁড়িয়ে গর্জন শুরু করে দিয়েছিলাম। কারণ, এনজো ফার্নান্দেজ ওর সঙ্গে কথা বলতে গেলে গালিগালাজ করেছিল। লিওর (মেসির) গোলের পর অমন উদ্যাপন স্বাভাবিক ছিল।’
ফাইনালের পুরোটাজুড়ে মাঠে থাকলেও রোমেরো নাকি মেসির নেওয়া শট ছাড়া টাইব্রেকার দেখেননি, ‘শুধু মেসিরটা দেখেছি। এরপর আমি উল্টো দিক হয়ে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছি ও প্রার্থনা করেছি।’