গ্রাফিতিতে বিদ্রোহ-বিজয়

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। বিজয় উদ্‌যাপনে দেশজুড়ে গ্রাফিতি আঁকেন শিক্ষার্থীরা। রং, তুলির আঁচড়ে দেন নানা বার্তা। রক্তাক্ত জুলাইতেও চলে গ্রাফিতি আঁকা। এমন কিছু গ্রাফিতি নিয়ে এই ছবির গল্প।

এই গ্রাফিতির মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা দিয়েছে কঠিন বার্তা। গোয়ালচামট, ফরিদপুর
আন্দোলনের সময় প্রেরণা জুগিয়েছিল গান, কবিতা। গ্রাফিতিতে সেসব তুলে এনেছেন শিক্ষার্থীরা। গোয়ালচামট, ফরিদপুর
লাল-সবুজের গ্রাফিতি। ঝিলটুলী, ফরিদপুর
সমতার বার্তা এই গ্রাফিতিতে। রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে এসব গ্রাফিতি
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বার্তা এই গ্রাফিতিতে। রাঙামাটি শহর
রক্ত ঝরেছে জুলাইয়ের পরেও। তাই ‘৩৬ জুলাই’ -এর এই বার্তা গ্রাফিতিতে। বরিশাল নগরের বিভিন্ন সড়কের দেয়ালগুলোতে আঁকা হয়েছে এই গ্রাফিতি
কবিতা-গান অনুপ্রেরণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের। গ্রাফিতিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সেগুলো
আন্দোলনের সময় ঘুরে ফিরে এসেছিল কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী সেই গান। গ্রাফিতিতেও সেই গানের কথা
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকেই ছিল শুরু। পরে তা সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রূপ নেয়। আন্দোলনের শুরুর দাবি তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রাফিতিতে
‘একটা কথা বলবি না, কথা বললেই মেরে ফেলব।’ এভাবেই মুখ চেপে ধরে হুমকি দেওয়া হয়েছিল আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীকে। গ্রাফিতিতে সেই মুহূর্ত
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছিল মুগ্ধ। বলেছিল, ‘পানি লাগবে পানি?’। খুলনা জিলা স্কুলের সামনের দেয়ালের গ্রাফিতিতে তুলে ধরা হয়েছে সেই বার্তা
‘কত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে’। আন্দোলনে নিহত এমন অনেক তরুণের নাম এই গ্রাফিতিতে। খুলনা শহরের জিলা স্কুলের আশপাশের দেয়ালে এই গ্রাফিতি দেখা যায়
রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের গ্রাফিতি
গুলির সামনে বুক টান করে দাঁড়ানো রংপুরের সেই আবু সাঈদ। রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতি